(২৫) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৭৪২-৩৩৬৭), সর্বমোট হাদিসঃ ১৬২৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩০৬টি]



3061 OK

(৩০৬১)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৫৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَنْبَأَنَا أَبُو بِشْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَجُلًا كَانَ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَوَقَصَتْهُ نَاقَتُهُ وَهُوَ مُحْرِمٌ فَمَاتَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اغْسِلُوهُ بِمَاءٍ وَسِدْرٍ وَكَفِّنُوهُ فِي ثَوْبَيْهِ وَلَا تَمَسُّوهُ بِطِيبٍ وَلَا تُخَمِّرُوا رَأْسَهُ فَإِنَّهُ يُبْعَثُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مُلَبِّيًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হজে অংশ নিয়েছিলো, সে ইহরাম অবস্থায় উট থেকে পড়ে গেলো এবং মারা গেলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাকে পানি ও বরই পাতা দিয়ে গোসল দাও এবং তাকে তার ইহরামের দুই কাপড়ে কাফন দাও এবং তার গায়ে কোন সুগন্ধি লাগিও না এবং তার মাথা ঢেকেও না, কেননা সে কিয়ামতের দিন তালবিয়া বলতে বলতে উঠবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3062 OK

(৩০৬২)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو عَنْ أَبِي مَعْبَدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ وَلَا تُسَافِرُ امْرَأَةٌ إِلَّا وَمَعَهَا ذُو مَحْرَمٍ وَجَاءَ رَجُلٌ فَقَالَ إِنَّ امْرَأَتِي خَرَجَتْ إِلَى الْحَجِّ وَإِنِّي اكْتَتَبْتُ فِي غَزْوَةِ كَذَا وَكَذَا قَالَ انْطَلِقْ فَاحْجُجْ مَعَ امْرَأَتِكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোন পুরুষ যেনো কোন মহিলার সাথে একা না থাকে এবং কোনো মহিলা যেনো মুহাররাম ছাড়া সফর না করে।” এক ব্যক্তি এসে বললো, “আমার স্ত্রী হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হয়েছে এবং আমি অমুক অমুক অভিযানে জিহাদের জন্য নাম লেখিয়েছি।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তুমি ফিরে যাও এবং তোমার স্ত্রীর সাথে হজ্জ করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3063 OK

(৩০৬৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৫২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ قَالَ أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ صَائِمٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইহরাম ও রোযা অবস্থায় থাকতেন, তখনও তিনি শিঙ্গা লাগাতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3064 OK

(৩০৬৪)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮২৩] view_link


সহিহ হাদিস

قَالَ أَبِي و قَالَ سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو عَنْ عَطَاءٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَكَلَ أَحَدُكُمْ فَلَا يَمْسَحْ يَدَهُ حَتَّى يَلْعَقَهَا أَوْ يُلْعِقَهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন খাবার খায়, তখন সে যেনো নিজে তার হাত চেটে খাওয়ার আগে হাত না মুছে অখবা কাউকে দিয়ে হাত চাটিয়ে নেওয়ার আগে হাত না মুছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3065 OK

(৩০৬৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৫২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ زَيْدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ جَمَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ بِالْمَدِينَةِ فِي غَيْرِ خَوْفٍ وَلَا مَطَرٍ قِيلَ لِابْنِ عَبَّاسٍ وَمَا أَرَادَ إِلَى ذَلِكَ قَالَ أَرَادَ أَنْ لَا يُحْرِجَ أُمَّتَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনায় যোহর ও আছর এবং মাগরিব ও এশার একত্রে পড়লেন। অথচ তখন সেখানে কোনো শত্রুর ভয় বা বৃষ্টি ছিলো না আর তিনি কোনো সফরেও ছিলেন না। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করা হলো এর দ্বারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উদ্দেশ্য কী ছিলো? তিনি উত্তরে বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উদ্দেশ্য ছিলো তাঁর উম্মত যেনো কোনো কষ্টের মধ্যে না থাকে। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3066 OK

(৩০৬৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৭৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ يَعْنِي ابْنَ عِيسَى قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ زَيْدٍ يَعْنِي ابْنَ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ خَسَفَتْ الشَّمْسُ فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالنَّاسُ مَعَهُ فَقَامَ قِيَامًا طَوِيلًا قَالَ نَحْوًا مِنْ سُورَةِ الْبَقَرَةِ ثُمَّ رَكَعَ رُكُوعًا طَوِيلًا ثُمَّ رَفَعَ فَقَامَ قِيَامًا طَوِيلًا وَهُوَ دُونَ الْقِيَامِ الْأَوَّلِ ثُمَّ رَكَعَ رُكُوعًا طَوِيلًا وَهُوَ دُونَ الرُّكُوعِ الْأَوَّلِ ثُمَّ سَجَدَ ثُمَّ قَامَ فَقَامَ قِيَامًا طَوِيلًا وَهُوَ دُونَ الْقِيَامِ الْأَوَّلِ ثُمَّ رَكَعَ رُكُوعًا طَوِيلًا وَهُوَ دُونَ الرُّكُوعِ الْأَوَّلِ قَالَ عَبْد اللَّهِ قَالَ أَبِي وَفِيمَا قَرَأْتُ عَلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ ثُمَّ قَامَ قِيَامًا طَوِيلًا قَالَ دُونَ الْقِيَامِ الْأَوَّلِ ثُمَّ رَكَعَ رُكُوعًا طَوِيلًا وَهُوَ دُونَ الرُّكُوعِ الْأَوَّلِ ثُمَّ قَامَ قِيَامًا طَوِيلًا وَهُوَ دُونَ الْقِيَامِ الْأَوَّلِ ثُمَّ رَكَعَ رُكُوعًا طَوِيلًا وَهُوَ دُونَ الرُّكُوعِ الْأَوَّلِ ثُمَّ سَجَدَ ثُمَّ انْصَرَفَ ثُمَّ رَجَعَ إِلَى حَدِيثِ إِسْحَاقَ ثُمَّ انْصَرَفَ وَقَدْ تَجَلَّتْ الشَّمْسُ فَقَالَ إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ لَا يَخْسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلَا لِحَيَاتِهِ فَإِذَا رَأَيْتُمْ ذَلِكَ فَاذْكُرُوا اللَّهَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ رَأَيْنَاكَ تَنَاوَلْتَ شَيْئًا فِي مَقَامِكَ ثُمَّ رَأَيْنَاكَ تَكَعْكَعْتَ فَقَالَ إِنِّي رَأَيْتُ الْجَنَّةَ فَتَنَاوَلْتُ مِنْهَا عُنْقُودًا وَلَوْ أَخَذْتُهُ لَأَكَلْتُمْ مِنْهُ مَا بَقِيَتْ الدُّنْيَا وَرَأَيْتُ النَّارَ فَلَمْ أَرَ كَالْيَوْمِ مَنْظَرًا قَطُّ وَرَأَيْتُ أَكْثَرَ أَهْلِهَا النِّسَاءَ قَالُوا لِمَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ بِكُفْرِهِنَّ قِيلَ أَيَكْفُرْنَ بِاللَّهِ قَالَ يَكْفُرْنَ الْعَشِيرَ وَيَكْفُرْنَ الْإِحْسَانَ لَوْ أَحْسَنْتَ إِلَى إِحْدَاهُنَّ الدَّهْرَ ثُمَّ رَأَتْ مِنْكَ شَيْئًا قَالَتْ مَا رَأَيْتُ مِنْكَ خَيْرًا قَطُّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবদ্দশায় একদিন সূর্য গ্রহণ আরম্ভ হলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সলাতুল খুসুফ বা সূর্যগ্রহণের সালাত পড়লেন এবং লোকেরাও তাঁর সঙ্গে অংশগ্রহণ করলো। তিনি এত দীর্ঘক্ষণ কিয়াম করলেন, যাতে সুরা বাকারাহর পরিমাণ কুরআন পাঠ করা যায়। এরপর তিনি দীর্ঘক্ষণ রুকূ করলেন এবং মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকলেন; এটা প্রথম কিয়ামের চেয়ে কম সময়ের ছিলো। তারপর কুরআন তিলাওয়াত করলেন, পুনরায় দীর্ঘক্ষণ রুকু করলেন। কিন্তু এবারের রুকূর পরিমাণ পূর্বের চেয়ে সংক্ষিপ্ত ছিলো। এরপর তিনি দাঁড়ালেন এবং সাজদায় গেলেন। এরপর তিনি কিয়াম করলেন, কিন্তু এবারের সময় ছিলো পূর্বের কিয়ামের চেয়ে স্বল্পস্থায়ী। এরপর পুনরায় তিনি রুকুতে গেলেন, কিন্তু এবারের রুকূর সময় পূর্ববর্তী রুকূর সময়ের চেয়ে কম ছিলো। এরপর পুনরায় তিনি দাঁড়ালেন। কিন্তু এবারের দাঁড়াবার সময় ছিলো পূর্বের চেয়েও কম। এরপরে রুকূতে গেলেন, এবারের রুকূর সময় পূর্ববর্তী রুকূর চেয়ে কম ছিলো। তারপর সাজদাহয় গেলেন এবং সলাত শেষ করলেন। ততক্ষণে সূর্যগ্রহণ শেষ হয়ে গেছে। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “চন্দ্র এবং সূর্য এ দু’টি আল্লাহর নিদর্শনের অন্যতম। কারো জন্ম বা মৃত্যুর কারণে এদের গ্রহণ হয় না। তাই তোমরা যখন প্রথম গ্রহণ দেখতে পাও, তখন আল্লাহকে স্মরণ করো।” এরপর তাঁরা বললো, “হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা আপনাকে দেখতে পেলাম যে, আপনি কিছু নেয়ার জন্য হাত বাড়িয়েছেন, এরপর আবার আপনাকে দেখতে পেলাম যে, আপনি পিছনের দিকে সরে এলেন।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি জান্নাত দেখতে পেলাম অথবা আমাকে জান্নাত দেখানো হয়েছে এবং আমি সেখান থেকে আঙ্গুরের থোকা ছিঁড়ে আনার জন্য হাত বাড়ালাম এবং তা যদি ধরতে পারতাম, তবে তোমরা তা থেকে পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত খেতে পারতে। এরপর আমি জাহান্নামের আগুন দেখতে পেলাম। আমি এর পূর্বে কখনও এত ভয়াবহ দৃশ্য দেখিনি এবং আমি আরও দেখতে পেলাম যে, তার অধিকাংশ অধিবাসীই নারী।” লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, “হে আল্লাহ্‌র রসূল! এর কারণ কী?” তিনি বললেন, “এটা তাদের অকৃতজ্ঞতার ফল।” লোকেরা বললো, “তারা কি আল্লাহ তাআলার সঙ্গে নাফরমানী করে?” তিনি বললেন, “তারা তাদের স্বামীদের প্রতি অকৃতজ্ঞ এবং তাদের প্রতি যে অনুগ্রহ দেখানো হয়, তার জন্য তাদের শোকর নেই। তোমরা যদি সারা জীবন তাদের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করো; কিন্তু তারা যদি কখনও তোমার দ্বারা কষ্টদায়ক কোন ব্যবহার দেখতে পায়, তখন বলে বসে, ‘আমি তোমার থেকে জীবনে কখনও ভালো ব্যবহার পেলাম না’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3067 OK

(৩০৬৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৫১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ زَيْدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ ذُكِرَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ابْنَةُ حَمْزَةَ فَقَالَ إِنَّهَا ابْنَةُ أَخِي مِنْ الرَّضَاعَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত হামজা রাদিয়াল্লাহু আনহুর কন্যার কথা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে (সম্ভাব্য কনে হিসাবে) উল্লেখ করা হলো, কিন্তু তিনি বললেন, “সে আমার জন্য বৈধ নয়, কারণ সে আমার পালক ভাতিজি। এবং হযরত আমির হামজা রাদিয়াল্লাহু আনহু ও ছিলেন পালক ভাই (দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে) এবং চাচা-ভাতিজা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3068 OK

(৩০৬৮)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭২১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدَّثَنِي الْفَضْلُ بْنُ عَبَّاسٍ قَالَ أَتَتْ امْرَأَةٌ مِنْ خَثْعَمٍ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبِي أَدْرَكَتْهُ فَرِيضَةُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ فِي الْحَجِّ وَهُوَ شَيْخٌ كَبِيرٌ لَا يَسْتَطِيعُ أَنْ يَثْبُتَ عَلَى دَابَّتِهِ قَالَ فَحُجِّي عَنْ أَبِيكِ


হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

খাশাম গোত্রের এক মহিলা রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! হজ্জের ব্যাপারে আমার বাবার উপরে আল্লাহর দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে, কিন্তু তিনি এতই বৃদ্ধ যে তিনি সওয়ারীতেও বসতে পারেন না। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে বললেনঃ তুমি তার পক্ষ থেকে হজ্জ আদায় করো। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3069 OK

(৩০৬৯)

হাদিস দেখুন [৩১:২৭৯৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي زَكَرِيَّا بْنُ عُمَرَ أَنَّ عَطَاءً أَخْبَرَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ دَعَا الْفَضْلَ يَوْمَ عَرَفَةَ إِلَى طَعَامٍ فَقَالَ إِنِّي صَائِمٌ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ لَا تَصُمْ فَإِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُرِّبَ إِلَيْهِ حِلَابٌ فَشَرِبَ مِنْهُ هَذَا الْيَوْمَ وَإِنَّ النَّاسَ يَسْتَنُّونَ بِكُمْ


হজরত আতা ইবনে আবী রাবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আরাফার দিনে তার ভাই হযরত ফজল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে খাওয়ার দাওয়াত দিলেন। হযরত ফজল রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আমি রোজাদার।” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “তুমি আজ রোযা রেখো না, কেননা এই দিনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে কিছু দুধ আনা হয়েছিলো এবং তিনি তা পান করেছিলেন। এছাড়াও লোকেরা তোমাকে অনুসরণ করে থাকে (সুতরাং, তুমি আজ রোযা রেখো না)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3070 OK

(৩০৭০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عِمْرَانَ أَبَا بَكْرٍ قَالَ حَدَّثَنَا عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ قَالَ قَالَ لِي ابْنُ عَبَّاسٍ أَلَا أُرِيكَ امْرَأَةً مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ قَالَ قُلْتُ بَلَى قَالَ هَذِهِ السَّوْدَاءُ أَتَتْ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ إِنِّي أُصْرَعُ وَأَتَكَشَّفُ فَادْعُ اللَّهَ لِي قَالَ إِنْ شِئْتِ صَبَرْتِ وَلَكِ الْجَنَّةُ وَإِنْ شِئْتِ دَعَوْتُ اللَّهَ لَكِ أَنْ يُعَافِيَكِ قَالَتْ لَا بَلْ أَصْبِرُ فَادْعُ اللَّهَ أَنْ لَا أَتَكَشَّفَ أَوْ لَا يَنْكَشِفَ عَنِّي قَالَ فَدَعَا لَهَا


হজরত আতা ইবনে আবু রাবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বললেন, “আমি কি তোমাকে একজন বেহেশতী নারী দেখাবো না?” আমি বললাম, “হাঁ।” তিনি বলেন, “ঐ কৃষ্ণকায় মহিলা। সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললো, ‘আমি মৃগী রোগে আক্রান্ত এবং (অচৈতন্য অবস্থায়) আমি বিবস্ত্র হয়ে যাই। আপনি আমার জন্যে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।’ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘তুমি চাইলে ধৈর্য ধারণ করতে পারো এবং তোমার জন্যে হবে জান্নাত। আর যদি চাও, তবে আমি তোমার রোগ মুক্তির জন্যে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারি।’ সে বললো, ‘আমি ধৈর্য ধারণ করবো।’ সে পুনরায় বললো, ‘আমি বিবস্ত্র হয়ে যাই। আপনি আমার জন্যে আল্লাহর নিকট দোয়া করুন, যেনো আমি বিবস্ত্র না হই।’ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার জন্যে দোয়া করলেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3071 OK

(৩০৭১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ قَالَ حَدَّثَنِي قَتَادَةُ عَنْ جَابِرِ بْنِ زَيْدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ يَحْيَى كَانَ شُعْبَةُ يَرْفَعُهُ يَقْطَعُ الصَّلَاةَ الْكَلْبُ وَالْمَرْأَةُ الْحَائِضُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একটি কুকুর ও গর্ভবতী মহিলা নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে গেলে নামায ভঙ্গ হয়। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3072 OK

(৩০৭২)

হাদিস দেখুন [৩১:২৯০৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ قَتْلِ أَرْبَعٍ مِنْ الدَّوَابِّ النَّمْلَةِ وَالنَّحْلَةِ وَالْهُدْهُدِ وَالصُّرَدِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চার প্রকারের প্রাণীকে হত্যা করতে নিষেধ করেছেন, পিঁপড়া, মৌমাছি, (হুদহুদ) ঝুঁটিওয়ালা পাখি এবং বাজ পাখি। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3073 OK

(৩০৭৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৪৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا أَبُو بِشْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ بِتُّ لَيْلَةً عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدَهَا فِي لَيْلَتِهَا فَقَامَ يُصَلِّي مِنْ اللَّيْلِ فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ لِأُصَلِّيَ بِصَلَاتِهِ قَالَ فَأَخَذَ بِذُؤَابَةٍ كَانَتْ لِي أَوْ بِرَأْسِي حَتَّى جَعَلَنِي عَنْ يَمِينِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি আমার খালা, উম্মুল মুমিনীন, হযরত মায়মুনা বিনতে হারিস (রা.)-এর কাছে রাত্রি যাপন করলাম। সেদিন রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে তার সঙ্গে ছিলেন। তিনি রাতে সালাত আদায়ের জন্য উঠেছিলেন। তিনি যখন দাঁড়ালেন, আমিও নামাযে শরীক হওয়ার জন্য বাম দিকে দাঁড়ালাম, তখন রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার মাথা ধরে আমাকে তাঁর ডান দিকে টেনে নিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3074 OK

(৩০৭৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৮২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ قَتَادَةُ أَخْبَرَنِي قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حَسَّانَ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى الظُّهْرَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ ثُمَّ دَعَا بِبَدَنَتِهِ أَوْ أُتِيَ بِبَدَنَتِهِ فَأَشْعَرَ صَفْحَةَ سَنَامِهَا الْأَيْمَنِ ثُمَّ سَلَتَ الدَّمَ عَنْهَا وَقَلَّدَهَا بِنَعْلَيْنِ ثُمَّ أَتَى رَاحِلَتَهُ فَلَمَّا قَعَدَ عَلَيْهَا وَاسْتَوَتْ بِهِ عَلَى الْبَيْدَاءِ أَهَلَّ بِالْحَجِّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুল-হুলাইফাতে যোহরের নামায পড়লেন। তারপর তিনি তাঁর কুরবানীর উটকে ডাকলেন এবং তার কুঁজের ডান দিক থেকে রক্ত ​​বের করে তার ওপর ছিটিয়ে দিলেন। তারপর তা পরিষ্কার করলেন। তারপর দুটি জুতার মালা পরিয়ে দিলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সওয়ারী আনা হলো এবং যখন তিনি আল-বাইদাতে পৌঁছলেন, তখন তিনি হজের ইহরাম বাঁধলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3075 OK

(৩০৭৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৩১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَتَى الْغَائِطَ ثُمَّ خَرَجَ فَدَعَا بِالطَّعَامِ وَقَالَ مَرَّةً فَأُتِيَ بِالطَّعَامِ فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَا تَوَضَّأُ قَالَ لَمْ أُصَلِّ فَأَتَوَضَّأَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলাম। তিনি টয়লেটে গেলেন, তারপর তিনি বাইরে এসে খাবার আনতে বললেন। খাবার আনা হলো এবং বলা হলো, “হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি অযু করবেন না?” তিনি বললেন, “আমি তো এখন নামায পড়তে যাচ্ছি না, যে আমাকে উযূ করতে হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3076 OK

(৩০৭৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৮৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي أَبُو بِشْرٍ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ خَالَتَهُ أُمَّ حُفَيْدٍ أَهْدَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَمْنًا وَأَضُبًّا وَأَقِطًا قَالَ فَأَكَلَ مِنْ السَّمْنِ وَمِنْ الْأَقِطِ وَتَرَكَ الْأَضُبَّ تَقَذُّرًا فَأُكِلَ عَلَى مَائِدَةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَوْ كَانَ حَرَامًا لَمْ يُؤْكَلْ عَلَى مَائِدَةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ مَنْ قَالَ لَوْ كَانَ حَرَامًا قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমার খালা উম্মে হুফাইদ রাদিয়াল্লাহু আনহু রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কিছু ঘি, একটি রান্না করা দুব্বা (টিকটিকি জাতীয় প্রাণী) এবং কিছু দই দিয়েছিলেন। তিনি ঘি ও দই খেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি দুব্বা খাননি, কারণ তিনি তা অপছন্দ করেছিলেন। কিন্তু তা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনেই খাওয়া হয়েছিলো এবং যদি তা হারাম হতো তবে তা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে খাওয়া হতো না। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3077 OK

(৩০৭৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৪২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَنْبَأَنَا أَجْلَحُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ الْأَصَمِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَجُلًا قَالَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا شَاءَ اللَّهُ وَشِئْتَ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَجَعَلْتَنِي وَاللَّهَ عَدْلًا بَلْ مَا شَاءَ اللَّهُ وَحْدَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন, “আল্লাহ যা চান এবং আপনি যা চান।” রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন যে, “তুমি কি আমাকে এবং আল্লাহকে সমান মনে করো? বরং তুমি বলো, আল্লাহ যা চান তাই হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3078 OK

(৩০৭৮)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৫৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا عَوْفٌ عَنْ زِيَادِ بْنِ حُصَيْنٍ عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَدَاةَ جَمْعٍ هَلُمَّ الْقُطْ لِي فَلَقَطْتُ لَهُ حَصَيَاتٍ مِنْ حَصَى الْخَذْفِ فَلَمَّا وَضَعَهُنَّ فِي يَدِهِ قَالَ نَعَمْ بِأَمْثَالِ هَؤُلَاءِ وَإِيَّاكُمْ وَالْغُلُوَّ فِي الدِّينِ فَإِنَّمَا هَلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ بِالْغُلُوِّ فِي الدِّينِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুযদালিফার সকালে আমাকে বললেন, আমার জন্য কিছু কঙ্কর তুলে নাও। আমি তার জন্য কিছু ছোট কঙ্কর (মটরশুটি আকার) তুলে নিলাম, যখন আমি সেগুলি তার হাতে রাখলাম, তিনি বললেন: “হ্যাঁ, এই ধরনের কঙ্কর হওয়া উচিত। আর ধর্মীয় বিষয়ে চরমপন্থা অবলম্বন করা থেকে সাবধান, কারণ তোমাদের পূর্বে যারা এসেছে তারা ধর্মীয় বিষয়ে চরমপন্থা অবলম্বন করার কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3079 OK

(৩০৭৯)

হাদিস দেখুন [৩১:২৮১১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قِيلَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ حُوِّلَتْ الْقِبْلَةُ فَمَا لِلَّذِينَ مَاتُوا وَهُمْ يُصَلُّونَ إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيُضِيعَ إِيمَانَكُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন কেবলা পরিবর্তন করা হয়েছিলো, তখন কিছু লোক বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের ভাইদের কি হবে যারা মারা গেছেন এবং যারা জেরুজালেমের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতেন? ফলে আল্লাহ তাআলা এই আয়াতটি অবতীর্ণ করলেন,
وَكَذَٰلِكَ جَعَلۡنَٰكُمۡ أُمَّةٗ وَسَطٗا لِّتَكُونُواْ شُهَدَآءَ عَلَى ٱلنَّاسِ وَيَكُونَ ٱلرَّسُولُ عَلَيۡكُمۡ شَهِيدٗاۗ وَمَا جَعَلۡنَا ٱلۡقِبۡلَةَ ٱلَّتِي كُنتَ عَلَيۡهَآ إِلَّا لِنَعۡلَمَ مَن يَتَّبِعُ ٱلرَّسُولَ مِمَّن يَنقَلِبُ عَلَىٰ عَقِبَيۡهِۚ وَإِن كَانَتۡ لَكَبِيرَةً إِلَّا عَلَى ٱلَّذِينَ هَدَى ٱللَّهُۗ وَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيُضِيعَ إِيمَٰنَكُمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ بِٱلنَّاسِ لَرَءُوفٞ رَّحِيمٞ١٤٣
এইভাবে আমি তোমাদেরকে একটি মধ্যমপন্থী জাতি বানিয়েছি, যেনো তোমরা মানব জাতির উপরে সাক্ষী হতে পারো ও রসূল তোমাদের উপরে সাক্ষী হতে পারেন। যে কিবলার উপরে আপনি ছিলেন, আমি তাকে কিবলা বানাতাম না, যদি না আমি যাচাই করতাম যে, কে রসূলকে অনুসরণ করে আর কে বিপরীত দিকে ফিরে যায়। নিশ্চয় এটি অতি কঠিন ছিলো, তবে তাদের ক্ষেত্রে ছাড়া, যাদেরকে আল্লাহ পথ প্রদর্শন করেছেন। আল্লাহ তোমাদের বিশ্বাসকে কখনো বিনষ্ট হতে দিবেন না। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অতি স্নেহময়, অতি দয়ালু। (২. আল বাক্বারাহ : ১৪৩) [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3080 OK

(৩০৮০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنْ أَيُّوبَ وَكَثِيرِ بْنِ كَثِيرِ بْنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ أَبِي وَدَاعَةَ يَزِيدُ أَحَدُهُمَا عَلَى الْآخَرِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَوَّلُ مَا اتَّخَذَتْ النِّسَاءُ الْمِنْطَقَ مِنْ قِبَلِ أُمِّ إِسْمَاعِيلَ اتَّخَذَتْ مِنْطَقًا لِتُعَفِّيَ أَثَرَهَا عَلَى سَارَةَ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ رَحِمَ اللَّهُ أُمَّ إِسْمَاعِيلَ لَوْ تَرَكَتْ زَمْزَمَ أَوْ قَالَ لَوْ لَمْ تَغْرِفْ مِنْ الْمَاءِ لَكَانَتْ زَمْزَمُ عَيْنًا مَعِينًا قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَلْفَى ذَلِكَ أُمَّ إِسْمَاعِيلَ وَهِيَ تُحِبُّ الْإِنْسَ فَنَزَلُوا وَأَرْسَلُوا إِلَى أَهْلِيهِمْ فَنَزَلُوا مَعَهُمْ وَقَالَ فِي حَدِيثِهِ فَهَبَطَتْ مِنْ الصَّفَا حَتَّى إِذَا بَلَغَتْ الْوَادِيَ رَفَعَتْ طَرَفَ دِرْعِهَا ثُمَّ سَعَتْ سَعْيَ الْإِنْسَانِ الْمَجْهُودِ حَتَّى جَاوَزَتْ الْوَادِيَ ثُمَّ أَتَتْ الْمَرْوَةَ فَقَامَتْ عَلَيْهَا وَنَظَرَتْ هَلْ تَرَى أَحَدًا فَلَمْ تَرَ أَحَدًا فَفَعَلَتْ ذَلِكَ سَبْعَ مَرَّاتٍ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلِذَلِكَ سَعْيُ النَّاسِ بَيْنَهُمَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

মহিলাদের মধ্যে কোমর বাঁধার রেওয়াজ সর্বপ্রথম হজরত ইসমাইল (আঃ)-এর মাতা হজরত হাজেরা (আঃ) দ্বারা প্রবর্তিত হয়। তিনি তার প্রভাব লুকানোর জন্যে, হজরত সারা (আঃ)-এর সামনে কোমর বেঁধে রাখতেন। অতঃপর বর্ণনাকারী এই হাদীছটি বর্ণনা করেছেন। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আল্লাহ ইসমাঈলের মাকে রহম করুন! তিনি যদি জমজমকে প্রবাহিত হতে দিতেন বা সেই পানিতে বাধ না দিতেন, তাহলে জমজম পৃথিবীর পৃষ্ঠে প্রবাহিত একটি স্রোত হয়ে যেতো। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ইসমাঈলের মা পানির কাছে বসে ছিলেন এবং তিনি মানুষের সঙ্গ উপভোগ করতেন। তারা সেখানে বসতি স্থাপন করে এবং তাদের পরিবারের জন্যে পানি পাঠায়, ফলে ওরাও এসে তাদের সাথে বসতি স্থাপন করে। হজরত হাজেরা (আঃ) সাফা থেকে নেমে আসেন এবং যখন তিনি উপত্যকায় পৌঁছেন, তখন তিনি তার পোশাকের গোড়া তুললেন, তারপর উপত্যকা অতিক্রম না করা পর্যন্ত, ক্লান্ত ব্যক্তির মতো দৌড়ে যান, তারপর তিনি আল-মারওয়াতে আসেন। তারপর তিনি তার উপর দাঁড়ালেন এবং দেখতে লাগলেন যে, তিনি কাউকে দেখতে পাচ্ছেন কিনা, কিন্তু তিনি কাউকে দেখতে পেলেন না। এবং তিনি তা সাতবার করলেন। তাই লোকেরা এই দুই পাহাড়ের মাঝখানে দৌড়ে থাকে। অতঃপর হজরত হাজেরা (আঃ) আল-মারওয়াহ থেকে হজরত ইসমাইল (আঃ)-এর কাছে আসেন এবং একটি ঝর্ণা প্রবাহিত হতে থাকে। হজরত হাজেরা (আঃ) ঝরনার চারপাশে হাত দিয়ে খনন করতে লাগলেন, একটি গর্ত তৈরি করতে, যাতে এই গর্তে পানি জমে যায়। তারপর তিনি তার পানির মশকে পানি ভরতে লাগলেন। আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন; যদি তিনি ঝর্ণাটিকে এভাবে রেখে যেতেন, তবে কিয়ামত পর্যন্ত ঝর্ণা প্রবাহিত হতো (এবং এটি বহুদূরে ছড়িয়ে পড়তো)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3081 OK
View Quran

(৩০৮১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ قَالَ وَأَخْبَرَنِي عُثْمَانُ الْجَزَرِيُّ أَنَّ مِقْسَمًا مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ أَخْبَرَهُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي قَوْلِهِ وَإِذْ يَمْكُرُ بِكَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِيُثْبِتُوكَ قَالَ تَشَاوَرَتْ قُرَيْشٌ لَيْلَةً بِمَكَّةَ فَقَالَ بَعْضُهُمْ إِذَا أَصْبَحَ فَأَثْبِتُوهُ بِالْوَثَاقِ يُرِيدُونَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ بَعْضُهُمْ بَلْ اقْتُلُوهُ وَقَالَ بَعْضُهُمْ بَلْ أَخْرِجُوهُ فَأَطْلَعَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ نَبِيَّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى ذَلِكَ فَبَاتَ عَلِيٌّ عَلَى فِرَاشِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تِلْكَ اللَّيْلَةَ وَخَرَجَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى لَحِقَ بِالْغَارِ وَبَاتَ الْمُشْرِكُونَ يَحْرُسُونَ عَلِيًّا يَحْسَبُونَهُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمَّا أَصْبَحُوا ثَارُوا إِلَيْهِ فَلَمَّا رَأَوْا عَلِيًّا رَدَّ اللَّهُ مَكْرَهُمْ فَقَالُوا أَيْنَ صَاحِبُكَ هَذَا قَالَ لَا أَدْرِي فَاقْتَصُّوا أَثَرَهُ فَلَمَّا بَلَغُوا الْجَبَلَ خُلِّطَ عَلَيْهِمْ فَصَعِدُوا فِي الْجَبَلِ فَمَرُّوا بِالْغَارِ فَرَأَوْا عَلَى بَابِهِ نَسْجَ الْعَنْكَبُوتِ فَقَالُوا لَوْ دَخَلَ هَاهُنَا لَمْ يَكُنْ نَسْجُ الْعَنْكَبُوتِ عَلَى بَابِهِ فَمَكَثَ فِيهِ ثَلَاثَ لَيَالٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এই আয়াত সম্পর্কে বলেছেন,

وَإِذۡ يَمۡكُرُ بِكَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لِيُثۡبِتُوكَ أَوۡ يَقۡتُلُوكَ أَوۡ يُخۡرِجُوكَۚ وَيَمۡكُرُونَ وَيَمۡكُرُ ٱللَّهُۖ وَٱللَّهُ خَيۡرُ ٱلۡمَٰكِرِينَ٣٠
যখন অবিশ্বাসীরা আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলো যে, তারা আপনাকে বন্দী করবে, অথবা তারা আপনাকে হত্যা করবে, অথবা তারা আপনাকে দেশ থেকে বের করে দিবে। তারা ষড়যন্ত্র করেছিলো এবং আল্লাহও ষড়যন্ত্র করেছিলেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন শ্রেষ্ঠ ষড়যন্ত্রকারী। (৮. আল আনফাল : ৩০)

মক্কায় এক রাতে কুরাইশরা আলোচনা করলো। তাদের কেউ কেউ বললো, “তোমরা সকাল হলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বেঁধে রাখো।” অন্যরা বললো, “বরং তোমরা তাঁকে হত্যা করো।” এবং অন্যরা বললো, “বরং তোমরা তাঁকে মক্কা থেকে বের করে দাও।” আল্লাহ, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এ বিষয়ে অবহিত করেন, ফলে হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সেই রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিছানায় শুয়ে পড়েন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গুহায় পৌঁছনো পর্যন্ত যাত্রা করেন। মুশরিকরা সারারাত হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর অপেক্ষায় শুয়ে থাকলো এই ভেবে যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যখন সকাল হলো, তারা তার কাছে প্রবেশ করলো এবং যখন তারা আলীকে দেখতে পেলো এবং (বুঝলো যে) আল্লাহ তাদের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছেন, তখন তারা বললো, “তোমার সঙ্গী কোথায়?” হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আমি জানি না।” তারা তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছিলো, কিন্তু যখন তারা পাহাড়ে পৌঁছেছিলো, তারা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলো। তারা পাহাড়ে উঠে গুহার পাশ দিয়ে গেলো, কিন্তু এর প্রবেশপথে মাকড়সার জাল দেখে বললো, “এখানে কেউ যদি প্রবেশ করতো, তাহলে প্রবেশ পথে মাকড়সার জাল থাকতো না।” আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঐ গুহায় তিন রাত অবস্থান করেছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3082 OK

(৩০৮২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَنْبَغِي لِأَحَدٍ أَنْ يَقُولَ إِنِّي خَيْرٌ مِنْ يُونُسَ بْنِ مَتَّى نَسَبَهُ إِلَى أَبِيهِ أَصَابَ ذَنْبًا ثُمَّ اجْتَبَاهُ رَبُّهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোনো ব্যক্তির জন্য এটা বলা ঠিক নয় যে, আমি হজরত ইউনুস ইবনে মাত্তার চেয়ে উত্তম।” এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হজরত ইউনুস (আঃ)-এর পিতার কথা উল্লেখ করলেন। সে একটি পাপ করেছিলো, অতঃপর তার পালনকর্তা আল্লাহ তাকে নিজের নিকটবর্তী করেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3083 OK

(৩০৮৩)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৬৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا خَالِدٌ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ حَرَّمَ مَكَّةَ فَلَمْ تَحِلَّ لِأَحَدٍ كَانَ قَبْلِي وَلَا تَحِلُّ لِأَحَدٍ بَعْدِي وَإِنَّمَا أُحِلَّتْ لِي سَاعَةً مِنْ نَهَارٍ لَا يُخْتَلَى خَلَاهَا وَلَا يُعْضَدُ شَجَرُهَا وَلَا يُنَفَّرُ صَيْدُهَا وَلَا تُلْتَقَطُ لُقَطَتُهَا إِلَّا لِمُعَرِّفٍ فَقَالَ الْعَبَّاسُ إِلَّا الْإِذْخِرَ لِصَاغَتِنَا وَقُبُورِنَا قَالَ إِلَّا الْإِذْخِرَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (মক্কা বিজয়ের দিন) বলেন, “আল্লাহ তাআলা মক্কায় (রক্তপাত) হারাম করে দিয়েছেন। আমার আগেও কারো জন্য মক্কা হালাল করা হয়নি এবং আমার পরেও কারো জন্য হালাল করা হবে না। আমার জন্য শুধুমাত্র দিনের কিছু অংশে মক্কায় (রক্তপাত) হালাল হয়েছিলো। মক্কার কোন ঘাস কাটা যাবে না, কোন গাছ কাটা যাবে না। কোন শিকারকে তাড়ানো যাবে না। ঘোষণাকারী ব্যতিত কেউ মক্কার জমিনে পড়ে থাকা মাল উঠাতে পারবে না।” হজরত আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! কিন্তু ইযখির ঘাস, যা আমাদের স্বর্ণকারদের ও আমাদের ঘরের ছাদের জন্যে ব্যবহৃত হয়, তা ব্যতীত।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “ইযখির ঘাস ব্যতিত।” হজরত ইকরাম রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তুমি কি জানো শিকার তাড়ানোর অর্থ কী? তা হলো, ছায়ায় অবস্থিত শিকারকে তাড়িয়ে তার স্থানে নিজে বসা।” আবদুল ওয়াহহাব রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বলেছেন, “আমাদের স্বর্ণকারদের জন্যে ও আমাদের কবরের জন্যে। ” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3084 OK

(৩০৮৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَا أَعْلَمُهُ إِلَّا رَفَعَ الْحَدِيثَ قَالَ كَانَ يَأْمُرُ بِقَتْلِ الْحَيَّاتِ وَيَقُولُ مَنْ تَرَكَهُنَّ خَشْيَةَ أَوْ مَخَافَةَ تَأْثِيرٍ فَلَيْسَ مِنَّا قَالَ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِنَّ الْجَانَّ مَسِيخُ الْجِنِّ كَمَا مُسِخَتْ الْقِرَدَةُ مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাব মারা পছন্দ করতেন এবং তিনি বলতেন যে, “যে ব্যক্তি এই ভয়ে সাপ মারা পরিত্যাগ করে যে, সাপ তাকে তাড়া করবে, সে আমাদের দলের অন্তর্ভুক্ত নয়।” এবং হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “ছোট সাপ জ্বিনে রূপান্তরিত হয়, যেমন বানররা রূপান্তরিত হয়েছিলো, বনী ইসরাঈলদের মানুষের মধ্যে থেকে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3085 OK

(৩০৮৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَجَّاجِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْمُخْتَارِ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْحَيَّاتُ مَسْخُ الْجِنِّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সাপ হলো জিনদের রূপান্তরিত রূপ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3086 OK

(৩০৮৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৮৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ طَاوُسٍ قَالَ كُنْتُ مَعَ ابْنِ عَبَّاسٍ فَقَالَ لَهُ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ أَنْتَ تُفْتِي الْحَائِضَ أَنْ تَصْدُرَ قَبْلَ أَنْ يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهَا بِالْبَيْتِ قَالَ نَعَمْ قَالَ فَلَا تُفْتِي بِذَلِكَ قَالَ إِمَّا لَا فَاسْأَلْ فُلَانَةَ الْأَنْصَارِيَّةَ هَلْ أَمَرَهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِذَلِكَ فَرَجَعَ زَيْدٌ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ يَضْحَكُ فَقَالَ مَا أُرَاكَ إِلَّا قَدْ صَدَقْتَ


হজরত তাউস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ছিলাম, হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি একজন ঋতুমতী মহিলাকে ফতোয়া দেন যে, সে তাওয়াফ করার আগে ঘরে ফিরে যেতে পারে? তিনি বললেন, “হ্যাঁ!” হজরত যায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আপনি এই ফতোয়া কিভাবে দিচ্ছেন? তিনি বললেন, “কেনো নয়? ফতোয়া না দেওয়ার ক্ষেত্রে, তুমি গিয়ে অমুক আনসারী মহিলাকে জিজ্ঞেস করো যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে তা করার নির্দেশ দিয়েছেন কি না?” পরে হজরত যায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে হাসতে হাসতে এসে বললেন, আমি তোমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করি। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3087 OK

(৩০৮৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو حَاضِرٍ قَالَ سُئِلَ ابْنُ عُمَرَ عَنْ الْجَرِّ يُنْبَذُ فِيهِ فَقَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْهُ فَانْطَلَقَ الرَّجُلُ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَذَكَرَ لَهُ مَا قَالَ ابْنُ عُمَرَ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ صَدَقَ فَقَالَ الرَّجُلُ لِابْنِ عَبَّاسٍ أَيُّ جَرٍّ نَهَى عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ كُلُّ شَيْءٍ يُصْنَعُ مِنْ مَدَرٍ


হজরত আবূ হাহাদার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার এক ব্যক্তি হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নাবীজ তৈরির পাত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলো, “সেগুলোতে কি নাবীজ তৈরি করা যায়?” হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা নিষেধ করেছেন।” লোকটি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে গেলো এবং ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যা বলেছেন তা তাঁকে বললো। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “তিনি ঠিক বলেছেন।” লোকটি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করলো, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন ধরনের মাটির পাত্র নিষেধ করেছেন?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “প্রতিটি মাটির পাত্র, যা মাটি দিয়ে তৈরি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3088 OK

(৩০৮৮)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ حَدَّثَنِي مَنْصُورٌ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْمَدِينَةِ يُرِيدُ مَكَّةَ فَصَامَ حَتَّى أَتَى عُسْفَانَ قَالَ فَدَعَا بِإِنَاءٍ فَوَضَعَهُ عَلَى يَدِهِ حَتَّى نَظَرَ النَّاسُ إِلَيْهِ ثُمَّ أَفْطَرَ قَالَ فَكَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَقُولُ مَنْ شَاءَ صَامَ وَمَنْ شَاءَ أَفْطَرَ حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ بْن أَحْمَد حَدَّثَنِي أَبِي حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ عَنْ مَنْصُورٍ فَذَكَرَهُ بِإِسْنَادِهِ أَوْ مَعْنَاهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসে মক্কা বিজয়ের উদ্দেশ্যে মদীনা ছেড়ে মক্কার দিকে রওনা হলেন এবং উসফানে পৌঁছনো পর্যন্ত তিনি রোযা রাখলেন। অতঃপর তিনি একটি খাবারের পাত্র আনতে বললেন। তিনি তা হাতে নিলেন, যাতে লোকেরা তাঁকে দেখতে পায়। অতঃপর তিনি রোযা ভঙ্গ করলেন। সুতরাং মুসাফিরকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে যে, সে ইচ্ছে হলে রোযা রাখবে অথবা রোযা রাখবে না (তবে পরে তা পূরণ করতে হবে)। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3089 OK

(৩০৮৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯৪০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ حَضَرْنَا مَعَ ابْنِ عَبَّاسٍ جَنَازَةَ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِسَرِفَ قَالَ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ هَذِهِ مَيْمُونَةُ إِذَا رَفَعْتُمْ نَعْشَهَا فَلَا تُزَعْزِعُوهَا وَلَا تُزَلْزِلُوهَا فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ عِنْدَهُ تِسْعُ نِسْوَةٍ وَكَانَ يَقْسِمُ لِثَمَانٍ وَوَاحِدَةٌ لَمْ يَكُنْ لِيَقْسِمَ لَهَا قَالَ عَطَاءٌ الَّتِي لَمْ يَكُنْ يَقْسِمُ لَهَا صَفِيَّةُ


হজরত আতা ইবনে আবী রাবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সরফ নামক স্থানে উম্মুল মুমিনীন হজরত মায়মুনা রাদিয়াল্লাহু আনহুর জানাজায় উপস্থিত ছিলাম। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “ইনি হলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী মায়মুনা রাদিয়াল্লাহু আনহু। সুতরাং যখন তোমরা জানাজাটি উপরে তুলবে, তখন তোমরা এটিকে বেশি নড়াচড়া করবেন না বা তোমাদের পা তাড়াতাড়ি চালাবে না। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নয়জন স্ত্রী ছিলেন। তিনি তাঁর সময়কে আটজন স্ত্রীদের মধ্যে ভাগ করতেন (হযরত মায়মুনা রাদিয়াল্লাহু আনহু-ও তাদের মধ্যে ছিলেন) এবং তিনি তাঁর সময়কে একজন স্ত্রীর জন্যে (বৃদ্ধা হওয়ার কারণে) ভাগ করতেন না।” হজরত আতা ইবনে আবী রাবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “যে স্ত্রীর জন্যে পালা নির্ধারিত ছিলো না, তিনি ছিলেন হযরত সাফিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু। (তবে জনপ্রিয় গবেষকদের মতে, তিনি ছিলেন হযরত সাওদা রাদিয়াল্লাহু আনহু। আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।)” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3090 OK

(৩০৯০)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৩১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَتَى الْغَائِطَ ثُمَّ خَرَجَ فَدَعَا بِالطَّعَامِ وَقَالَ مَرَّةً فَأُتِيَ بِالطَّعَامِ فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَا تَوَضَّأُ قَالَ لَمْ أُصَلِّ فَأَتَوَضَّأَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলাম। তিনি টয়লেটে গেলেন, তারপর তিনি বাইরে এসে খাবার আনতে বললেন। খাবার আনা হলো এবং বলা হলো, “হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি অযু করবেন না?” তিনি বললেন, “আমি তো এখন নামায পড়তে যাচ্ছি না, যে আমাকে উযূ করতে হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস