সর্বমোট দুয়াঃ ৭২টি

সূচিপত্র
Search Dua By:




১) ঘুমের দুয়া


اللَّهُمَّ بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَا


অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার নামেই মরি এবং আপনার নামেই আমি জীবিত হই।


[সহিহ বুখারী : ৬৩১৪]


২) ঘুম থেকে জেগে উঠার দুয়া


الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ


অর্থঃ ঐ আল্লাহর জন্য সকল প্রশংসা, যিনি মৃত্যুর পর আমাদেরকে জীবন দান করলেন এবং তাঁরই দিকে আমাদের পুনরুত্থান।


[সহিহ বুখারী : ৬৩১৪]


৩) পায়খানায় প্রবেশের দুয়া


اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ


অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে যাবতীয় পুরুষ ও স্ত্রী শয়তানদের থেকে আশ্রয় প্রার্থণা করছি।


[সহিহ বুখারী : ৬৩২২]


৪) আয়াতুল কুরসী


ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلۡحَيُّ ٱلۡقَيُّومُۚ لَا تَأۡخُذُهُۥ سِنَةٞ وَلَا نَوۡمٞۚ لَّهُۥ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۗ مَن ذَا ٱلَّذِي يَشۡفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذۡنِهِۦۚ يَعۡلَمُ مَا بَيۡنَ أَيۡدِيهِمۡ وَمَا خَلۡفَهُمۡۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيۡءٖ مِّنۡ عِلۡمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَۚ وَسِعَ كُرۡسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفۡظُهُمَاۚ وَهُوَ ٱلۡعَلِيُّ ٱلۡعَظِيمُ ٢٥٥


অর্থঃ আল্লাহ হচ্ছেন এমন যে, তিনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি চির জীবন্ত, চির বিদ্যমান। তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সব কিছুই তাঁর জন্যে। কে আছে এমন যে, তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কাছে সুপারিশ করতে পারে? মানুষ ও জ্বিনদের সামনের ভবিষ্যৎ ও তাদের পিছনের অতীতে যা কিছু আছে, সব কিছুই আল্লাহ ভালো ভাবে জানেন। আর মানুষ ও জ্বিন আল্লাহর জ্ঞানের মধ্যে থেকে কিছুই আয়ত্ব করতে পারে না, তবে তা ব্যতীত, তিনি যতটুকু ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন ও কর্তৃত্ব নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলকে পরিবেষ্টন করে আছে। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল উভয়ের রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না এবং তিনি সবচাইতে উচ্চে অধিষ্ঠিত, সর্বাপেক্ষা মহান।


উপকারিতাঃ যে কেউ ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসী পড়বে, তাহলে আল্লাহর তরফ হতে তার জন্যে একজন রক্ষক ফেরেশতা নিযুক্ত হবে এবং ভোর পর্যন্ত শয়তান তার কাছে আসতে পারবে না।


[সহিহ বুখারী : ২৩১১] (২. আল বাক্বারাহ:২৫৫)


৫) আল্লাহর নিকট খুবই পছন্দনীয় বাক্য


سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيمِ


অর্থঃ সকল প্রশংসা ও গৌরব মহান আল্লাহর জন্যে।


উপকারিতাঃ এই দুটি বাক্য যা জবানে অতি হালকা, মীযানে ভারী আর আল্লাহর নিকট খুবই পছন্দনীয় বাক্য। যে লোক প্রতিদিন একশ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহ বলবে তার গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেয়া হবে তা সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ হলেও।


[সহিহ বুখারী : ৬৬৮২] [সহিহ বুখারী : ৬৪০৫]


৬) জান্নাতের ধন ভান্ডারের একটি বাক্য


لَا حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ


অর্থঃ আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো শক্তি ও উপায় নেই।


[সহিহ বুখারী : ৪২০২]


৭) ঘুমানোর আগে তসবীহ


سُــبْحَانَ الـلّٰه ، ٱلۡحَمۡدُ لِلَّه ، اَلـلّٰهُ اَ كْــبَر


অর্থঃ সকল গৌরব আল্লাহর জন্যে, সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে, আল্লাহ মহান


উপকারিতাঃ ঘুমানোর আগে তেত্রিশবার ‘সুব্‌হানাল্লাহ’, তেত্রিশবার ‘আলহামদু লিল্লাহ’ এবং চৌত্রিশ বার ‘আল্লাহু আকবর’ বলা, একজন খাদিম আপেক্ষা উত্তম


[সহিহ বুখারী : ৩১১৩]


৮) নামাযের সালামের পর যিকির


سُــبْحَانَ الـلّٰه ، ٱلۡحَمۡدُ لِلَّه ، اَلـلّٰهُ اَ كْــبَر


অর্থঃ সকল গৌরব আল্লাহর জন্যে, সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে, আল্লাহ মহান


উপকারিতাঃ নামাযের সালামের পর তেত্রিশবার ‘সুব্‌হানাল্লাহ’, তেত্রিশবার ‘আলহামদু লিল্লাহ’ এবং চৌত্রিশ বার ‘আল্লাহু আকবর’ বলা, সকল নেক কাজ আপেক্ষা উত্তম


[সহিহ বুখারী : ৮৪৩]


৯) দুয়া কবুল হওয়ার দুয়া


لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ‏،‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ، وَسُبْحَانَ اللَّهِ، وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ‏، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي


অর্থঃ এক আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি এক তাঁর কোন শরীক নেই। রাজ্য তাঁরই। যাবতীয় প্রশংসা তাঁরই। তিনিই সব কিছুর উপরে শক্তিমান। যাবতীয় হামদ আল্লাহর জন্যে, আল্লাহ পবিত্র, আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোনো ইলাহ নেই। আল্লাহ মহান। গুনাহ হতে বাঁচার এবং নেক কাজ করার কোন শক্তি নেই আল্লাহর তাওফীক ব্যতীত। হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন।


উপকারিতাঃ যে ব্যক্তি রাতে জেগে ওঠে এই দুয়া পড়ে তাঁর দুয়া কবুল হয়


[সহিহ বুখারী : ১১৫৪]


১০) দাজ্জালের ফিতনা হতে বাচার দুয়া


للَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ النَّارِ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ


অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার সমীপে পানাহ চাচ্ছি কবরের শাস্তি হতে, জাহান্নামের শাস্তি হতে, জীবন ও মরণের ফিতনা হতে এবং মাসীহ দাজ্জাল এর ফিতনা হতে।


[সহিহ বুখারী : ১৩৭৭]


১১) দশটি গোলাম আযাদ করার সমান সওয়াব


لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ‏


অর্থঃ আল্লাহ ব্যতিত কোন ইলাহা নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরিক নেই, রাজত্ব একমাত্র তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও একমাত্র তাঁরই জন্যে আর তিনি সকল বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান।


উপকারিতাঃ যে লোক একশ বার এ দুয়াটি পড়বে, দশটি গোলাম আযাদ করার সমান সওয়াব তার হবে। তার জন্য একশটি সওয়াব লেখা হবে এবং আর একশটি গুনাহ মিটিয়ে ফেলা হবে। ঐদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে শয়তান হতে মাহফুজ থাকবে।


[সহিহ বুখারী : ৩২৯৩]


১২) মৃত্যু সহজ হওয়ার দুয়া


اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَأَلْحِقْنِي بِالرَّفِيقِ الأَعْلَى


অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার উপর রহম করুন এবং মহান বন্ধুর সঙ্গে আমাকে মিলিত করুন।


[সহিহ বুখারী : ৫৬৭৪]


১৩) রোগীর আরোগ্যের জন্যে দুয়া


أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ، اشْفِ وَأَنْتَ الشَّافِي لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا


অর্থঃ কষ্ট দূর করে দাও। হে মানুষের রব, আরোগ্য দান কর, তুমিই একমাত্র আরোগ্যদানকারী। তোমার আরোগ্য ছাড়া অন্য কোন আরোগ্য নেই। এমন আরোগ্য দান কর যা সামান্যতম রোগকেও অবশিষ্ট না রাখে।


[সহিহ বুখারী : ৫৬৭৫]


১৪) সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার


اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ، وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي، فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ


অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনিই আমার রব্ব। আপনি ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই। আপনিই আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আর আমি আপনারই গোলাম। আর আমি আমার সাধ্য মত আপনার সঙ্গে কৃত প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর সুদৃঢ়ভাবে কায়িম আছি। আমি আমার প্রতি আপনার নিয়ামত স্বীকার করছি এবং কৃত গুনাহ সমূহকে স্বীকার করছি। সুতরাং আমাকে মাফ করে দিন। কারণ আপনি ব্যতীত মাফ করার আর কেউ নেই। আমি আমার কৃত গুনাহের মন্দ ফলাফল থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।


উপকারিতাঃ যে ব্যক্তি দিনে (সকালে) দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে এ ইসতিগফার পড়বে আর সন্ধ্যা হবার আগেই সে মারা যাবে, সে জান্নাতী হবে। আর যে ব্যক্তি রাতে (প্রথম ভাগে) দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে এ দু’আ পড়ে নেবে আর সে ভোর হবার আগেই মারা যাবে সে জান্নাতী হবে।


[সহিহ বুখারী : ৬৩২৩]


১৫) বিপদের সময়ের দুয়া


لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ، رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ


অর্থঃ আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। যিনি মহান ও ধৈর্যশীল। আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনিই আসমান যমীনের প্রতিপালক ও মহান আরশের প্রভু।


[সহিহ বুখারী : ৬৩৪৫]


১৬) কল্যাণের দুয়া


رَبَّنَآ ءَاتِنَا فِي ٱلدُّنۡيَا حَسَنَةٗ وَفِي ٱلۡأٓخِرَةِ حَسَنَةٗ وَقِنَا عَذَابَ ٱلنَّارِ


অর্থঃ হে আমাদের প্রভু! আমাদেরকে এই দুনিয়ায় ও পরকালে কল্যাণ দান করুন আর আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।


(২. আল বাক্বারাহ:২০১)


১৭) জ্ঞান বৃদ্ধির দুয়া


رَّبِّ زِدۡنِي عِلۡمٗا


অর্থঃ হে আমার প্রভু, আমার জন্যে আমার জ্ঞানকে বৃদ্ধি করুন।


(২০. ত্বোয়া-হা:১১৪)


১৮) পিতা-মাতার জন্যে দুয়া


رَّبِّ ٱرۡحَمۡهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرٗا


অর্থঃ হে আমার প্রভু! তাদের উভয়ের প্রতি দয়া করো, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।


(১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা:২৪)


১৯) বিপদের সময়ের দুয়া


إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّآ إِلَيۡهِ رَٰجِعُونَ


অর্থঃ নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্যেই ও নিশ্চয় আমরা তাঁর কাছেই ফিরে যাবো।


(২. আল বাক্বারাহ:১৫৬)


২০) বিপদের সময়ের দুয়া


لَّآ إِلَٰهَ إِلَّآ أَنتَ سُبۡحَٰنَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ ٱلظَّٰلِمِينَ


অর্থঃ আপনি ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই, আপনারই সব পবিত্রতা, নিশ্চয় আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছি।


(২১. আল আম্বিয়া:৮৭)


২১) যানবাহনে উঠার দুয়া


سُبۡحَٰنَ ٱلَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَٰذَا وَمَا كُنَّا لَهُۥ مُقۡرِنِينَ ، وَإِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا لَمُنقَلِبُونَ


অর্থঃ পবিত্র আল্লাহ, যিনি এদেরকে আমাদের জন্যে বশীভূত করে দিয়েছেন এবং আমরা কখনোই এদেরকে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না। নিশ্চয় আমরা আমাদের প্রভুর দিকে ফিরে যাবো।


(৪৩. আয যুখরুফ:১৩) (৪৩. আয যুখরুফ:১৪)


২২) স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়ার দুয়া


بِاسْمِ اللهِ اللهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبْ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا


অর্থঃ আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ! আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আপনি আমাদের যে রিযিক দেন তা থেকে শয়তান কে দূরে রাখুন।


উপকারিতাঃ স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়ার মাধ্যমে যদি কোন সন্তান নির্ধারণ করা হয় তাহলে শয়তান কখনো তার ক্ষতি করতে পারে না।


[সহিহ বুখারী : ৭৩৯৬]


২৩) দুঃখ কষ্টের সময় দুয়া


لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ الْعَلِيمُ الْحَلِيمُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَرَبُّ الأَرْضِ رَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ


অর্থঃ আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই। তিনি সর্বজ্ঞ ও ধৈর্যশীল। তিনি ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই, তিনি মহান আরশের রব। তিনি ব্যতীত কোন মাবূদ নেই, তিনি আসমান যমীনের রব এবং সম্মানিত আরশের রব।


[সহিহ বুখারী : ৭৪২৬]


২৪) শায়তানের কুমন্ত্রণা হতে বাঁচার দুয়া


آمَنْتُ بِاللَّهِ


অর্থঃ আমি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি


উপকারিতাঃ শায়তানের কুমন্ত্রণা হতে বাঁচার জন্যে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করা


[সহিহ মুসলিম : ২৪১]


২৫) জান্নাত লাভের দুয়া


أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ


অর্থঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো প্রভু নাই। তিনি এক। তাঁর কোন অংশীদার নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর প্রেরিত বান্দা ও রসূল।


উপকারিতাঃ যে ব্যক্তি উত্তম ও পূর্ণরূপে ওযু করে এ দুআ পড়বে তার জন্যে জান্নাতের আটটি দরজা খুলে যাবে এবং যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।


[সহিহ মুসলিম : ৪৪১] [সহিহ মুসলিম : ৪৪২]


২৬) কবর বাসীদের দেখে দুয়া


السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ دَارَ قَوْمٍ مُؤْمِنِينَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لاَحِقُونَ وَدِدْتُ أَنَّا قَدْ رَأَيْنَا إِخْوَانَنَا


অর্থঃ তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। হে কবরবাসী মুমিনগণ! ইনশাআল্লাহ আমরাও তোমাদের সাথে এসে মিলব। আমার বড় ইচ্ছা হয় যে আমাদের ভাইদেরকে দেখি।


[সহিহ মুসলিম : ৪৭২]


২৭) আযানের দুয়া


أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولاً وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا


অর্থঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো প্রভু নাই। তিনি এক। তাঁর কোন অংশীদার নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর প্রেরিত বান্দা ও রসূল। আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রসূল হিসেবে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট।


উপকারিতাঃ আযান শুনে যে ব্যক্তি এই দুয়া বলে, তার গুনাহ মাফ করা হবে।


[সহিহ মুসলিম : ৭৩৭] [সুনানে আন-নাসায়ী : ৬৭৯]


২৮) মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই দুয়া পড়তেন


اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَاءِ وَمِلْءَ الأَرْضِ وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَىْءٍ بَعْدُ اللَّهُمَّ طَهِّرْنِي بِالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَالْمَاءِ الْبَارِدِ اللَّهُمَّ طَهِّرْنِي مِنَ الذُّنُوبِ وَالْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الأَبْيَضُ مِنَ الْوَسَخِ


অর্থঃ হে আল্লাহ! তোমার জন্য ঐ পরিমাণ প্রশংসা, যা আসমান ও জমিনকে পরিপূর্ণ করে দেয়। অতঃপর তুমি যা চাও তা দিয়ে পরিপূর্ণ করো। হে আল্লাহ! আমাকে বরফ, কুয়াশা, ঠাণ্ডা পানি দিয়ে পবিত্র করে দাও। হে আল্লাহ! সাদা কাপড় যেভাবে ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়ে ধবধবে সাদা হয়ে যায়, আমাকেও তদ্রুপ যাবতীয় গুনাহ থেকে পবিত্র করে দাও।


[সহিহ মুসলিম : ৯৫৬]


২৯) হাঁচির জবাব


يَرْحَمُكَ اللَّهُ


অর্থঃ আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুন


[সহিহ বুখারী : ১২৩৯]


৩০) হাঁচির দুয়া


ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ


অর্থঃ সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে


[সহিহ বুখারী : ১২৪০]