Loading...


৩১. মুসনাদে আহমাদ : ১৯৪০

Edit
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ حَضَرْنَا مَعَ ابْنِ عَبَّاسٍ جَنَازَةَ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِسَرِفَ قَالَ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ هَذِهِ مَيْمُونَةُ إِذَا رَفَعْتُمْ نَعْشَهَا فَلَا تُزَعْزِعُوهَا وَلَا تُزَلْزِلُوهَا فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ عِنْدَهُ تِسْعُ نِسْوَةٍ وَكَانَ يَقْسِمُ لِثَمَانٍ وَوَاحِدَةٌ لَمْ يَكُنْ لِيَقْسِمَ لَهَا قَالَ عَطَاءٌ الَّتِي لَمْ يَكُنْ يَقْسِمُ لَهَا صَفِيَّةُ

হজরত আতা ইবনে আবী রাবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সরফ নামক স্থানে উম্মুল মুমিনীন হজরত মায়মুনা রাদিয়াল্লাহু আনহুর জানাজায় উপস্থিত ছিলাম। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “ইনি হলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী মায়মুনা রাদিয়াল্লাহু আনহু। সুতরাং যখন তোমরা জানাজাটি উপরে তুলবে, তখন তোমরা এটিকে বেশি নড়াচড়া করবেন না বা তোমাদের পা তাড়াতাড়ি চালাবে না। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নয়জন স্ত্রী ছিলেন। তিনি তাঁর সময়কে আটজন স্ত্রীদের মধ্যে ভাগ করতেন (হযরত মায়মুনা রাদিয়াল্লাহু আনহু-ও তাদের মধ্যে ছিলেন) এবং তিনি তাঁর সময়কে একজন স্ত্রীর জন্যে (বৃদ্ধা হওয়ার কারণে) ভাগ করতেন না।” হজরত আতা ইবনে আবী রাবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “যে স্ত্রীর জন্যে পালা নির্ধারিত ছিলো না, তিনি ছিলেন হযরত সাফিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু। (তবে জনপ্রিয় গবেষকদের মতে, তিনি ছিলেন হযরত সাওদা রাদিয়াল্লাহু আনহু। আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।)”


সর্বমোট হাদিস পাওয়া গিয়েছেঃ ২টি


(১)

হাদিস নং ১৯৪০ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৩০৮৯) Edit

(২)

হাদিস নং ১৯৪০ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৩০৯১) Edit