(২৫) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৭৪২-৩৩৬৭), সর্বমোট হাদিসঃ ১৬২৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩৩৬টি]



3031 OK

(৩০৩১)

হাদিস দেখুন [৩১:২১২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ أَخْبَرَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ أَخْبَرَنَا قَيْسُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ هُرْمُزَ قَالَ كَتَبَ نَجْدَةُ بْنُ عَامِرٍ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ يَسْأَلُهُ عَنْ أَشْيَاءَ فَشَهِدْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ حِينَ قَرَأَ كِتَابَهُ وَحِينَ كَتَبَ جَوَابَهُ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَاللَّهِ لَوْلَا أَنْ أَرُدَّهُ عَنْ شَرٍّ يَقَعُ فِيهِ مَا كَتَبْتُ إِلَيْهِ وَلَا نَعْمَةَ عَيْنٍ قَالَ فَكَتَبَ إِلَيْهِ إِنَّكَ سَأَلْتَنِي عَنْ سَهْمِ ذَوِي الْقُرْبَى الَّذِي ذَكَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ مَنْ هُمْ وَإِنَّا كُنَّا نُرَى قَرَابَةَ رَسُولِ اللَّهِ هُمْ فَأَبَى ذَلِكَ عَلَيْنَا قَوْمُنَا وَسَأَلَهُ عَنْ الْيَتِيمِ مَتَى يَنْقَضِي يُتْمُهُ وَإِنَّهُ إِذَا بَلَغَ النِّكَاحَ وَأُونِسَ مِنْهُ رُشْدٌ دُفِعَ إِلَيْهِ مَالُهُ وَقَدْ انْقَضَى يُتْمُهُ وَسَأَلَهُ هَلْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْتُلُ مِنْ صِبْيَانِ الْمُشْرِكِينَ أَحَدًا فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يَقْتُلْ مِنْهُمْ أَحَدًا وَأَنْتَ فَلَا تَقْتُلْ إِلَّا أَنْ تَكُونَ تَعْلَمُ مَا عَلِمَ الْخَضِرُ مِنْ الْغُلَامِ الَّذِي قَتَلَهُ وَسَأَلَهُ عَنْ الْمَرْأَةِ وَالْعَبْدِ هَلْ كَانَ لَهُمَا سَهْمٌ مَعْلُومٌ إِذَا حَضَرُوا الْبَأْسَ وَإِنَّهُ لَمْ يَكُنْ لَهُمْ سَهْمٌ مَعْلُومٌ إِلَّا أَنْ يُحْذَيَا مِنْ غَنَائِمِ الْمُسْلِمِينَ


হজরত ইয়াযীদ বিন হুরমুজ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

নাজদাহ বিন আমীর রাদিয়াল্লাহু আনহু হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে কিছু প্রশ্ন করে চিঠি লিখেছিলেন। আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে উপস্থিত ছিলাম, যখন তিনি তাঁর চিঠি পড়েছেন এবং যখন তিনি তাঁর উত্তর লিখেছেন। তখন হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আল্লাহর কসম, আমি যদি তাকে পাপাচারে পতিত হওয়া থেকে বিরত করতে না চাইতাম, তবে আমি তাকে চিঠি লিখতাম না। তিনি যেনো কখনো সম্মানিত না হন।” তিনি তাকে লিখেছিলেন (বলেছিলেন), “আপনি আত্মীয়দের অংশ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যাদের আল্লাহ উল্লেখ করেছেন - তারা কারা? আমরা মনে করতাম, যে আত্মীয়দের কথা বলা হয়েছে তারা আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আত্মীয়, কিন্তু আমাদের লোকেরা তা অস্বীকার করেছে। আপনি এতিম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন এবং কখন তাকে আর এতিম গণ্য করা হয় না। যখন সে বিবাহের বয়সে পৌঁছে এবং মানসিক পরিপক্কতা অর্জন করে, তখন তার সম্পদ তাকে দেওয়া যেতে পারে এবং তাকে আর এতিম হিসাবে গণ্য করা হয় না। আপনি জিজ্ঞেস করলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি মুশরিকদের কোন শিশুকে হত্যা করেছেন? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের কাউকে হত্যা করেননি। তাই আপনি তাদের কাউকে হত্যা করবেন না, যদি না আপনি তাদের সম্পর্কে জানতে পারেন যে, হযরত খিজীর (আঃ) যে শিশুটিকে হত্যা করেছিলেন, তার সম্পর্কে তিনি কি জানতেন। আপনি নারী এবং ক্রীতদাসদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন এবং যদি তারা যুদ্ধে উপস্থিত থাকে, তবে তাদের গনীমতের কোন অংশ ছিল কিনা? তাদের কোন গনীমতের অংশ দেওয়া হয়নি, তবে তাদেরকে গনীমতের কিছু সম্পদ হাদিয়া হিসেবে দেওয়া হয়েছিলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3032 OK
View Quran

(৩০৩২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي رَزِينٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ عَلِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ قَدْ نُعِيَتْ إِلَيْهِ نَفْسُهُ فَقِيلَ إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ السُّورَةَ كُلَّهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন সূরা নাসর অবতীর্ণ হয়, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বুঝতে পারলেন যে, এই সূরায় তাঁর আসন্ন মৃত্যুর সংবাদ তাঁকে দেওয়া হয়েছে।

إِذَا جَآءَ نَصۡرُ ٱللَّهِ وَٱلۡفَتۡحُ١
(হে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) যখন (আপনার কাছে) আল্লাহর সাহায্য ও (মক্কা) বিজয় আসবে (১১০. আন নছর : ১)
[মুসনাদে আহমাদ : ৩০৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3033 OK

(৩০৩৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮০০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُقْبَةَ عَنْ كُرَيْبٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالرَّوْحَاءِ فَلَقِيَ رَكْبًا فَسَلَّمَ عَلَيْهِمْ فَقَالَ مَنْ الْقَوْمُ قَالُوا الْمُسْلِمُونَ قَالَ فَمَنْ أَنْتُمْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَفَزِعَتْ امْرَأَةٌ فَأَخَذَتْ بِعَضُدِ صَبِيٍّ فَأَخْرَجَتْهُ مِنْ مِحَفَّتِهَا فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلْ لِهَذَا حَجٌّ قَالَ نَعَمْ وَلَكِ أَجْرٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُقْبَةَ عَنْ كُرَيْبٍ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ مَعْنَاهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘রুহা’ নামক স্থানে অবস্থানকালে একদল সওয়ারীর সাথে সাক্ষাত করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে সালাম দিয়ে বললেন, “তোমরা কারা?” তারা বললো, “আমরা মুসলমান।” তারপর তারা জিজ্ঞেস করলো, “আপনি কে?” তখন রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “আমি আল্লাহর রসূল।” এ কথা শুনে একজন মহিলা দ্রুত গিয়ে, তার সন্তানের হাত ধরে তাকে তার পালকি থেকে তুলে নিয়ে বললো, “হে আল্লাহর রাসূল! এর জন্য কি হজ হতে পারে?” রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “হ্যাঁ! এবং তুমি এর সোয়াব পাবে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৩০৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3034 OK

(৩০৩৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২১২৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَحَّلَ نَاسًا مِنْ بَنِي هَاشِمٍ بِلَيْلٍ قَالَ شُعْبَةُ أَحْسَبُهُ قَالَ ضَعَفَتَهُمْ وَأَمَرَهُمْ أَنْ لَا يَرْمُوا الْجَمْرَةَ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ شُعْبَةُ شَكَّ فِي ضَعَفَتَهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুযদালিফার রাতে বনু হাশিমের কিছু দুর্বল লোকদেরকে আগেই পাঠালেন এবং তিনি তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, সূর্যোদয়ের আগে জামরাকে পাথর মারবে না। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3035 OK

(৩০৩৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯৮৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سَلَمَةَ عَنِ الْحَسَنِ الْعُرَنِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا رَمَيْتُمْ الْجَمْرَةَ فَقَدْ حَلَّ لَكُمْ كُلُّ شَيْءٍ إِلَّا النِّسَاءَ فَقَالَ رَجُلٌ وَالطِّيبُ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَمَّا أَنَا فَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُضَمِّخُ رَأْسَهُ بِالْمِسْكِ أَفَطِيبٌ ذَاكَ أَمْ لَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমরা জামরায় পাথর মারা শেষ করবে, তখন নারীদের সাথে ঘনিষ্ঠতা ব্যতীত সব কিছুই তোমাদের জন্যে হালাল হয়ে যাবে।” এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলো, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! সুগন্ধি লাগানো কি জায়েজ হবে?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি নিজ চোখে দেখেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথায় ‘সিক’ নামক কস্তুরী লাগাতেন। তাহলে এটা কি সুগন্ধি, না সুগন্ধি না?” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3036 OK

(৩০৩৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ وَقَّتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَهْلِ الْمَشْرِقِ الْعَقِيقَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাকাম আকিককে প্রাচ্যের মানুষের জন্য মীকাত হিসেবে ঘোষণা করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3037 OK

(৩০৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৮২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ قَتَادَةُ أَخْبَرَنِي قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حَسَّانَ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى الظُّهْرَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ ثُمَّ دَعَا بِبَدَنَتِهِ أَوْ أُتِيَ بِبَدَنَتِهِ فَأَشْعَرَ صَفْحَةَ سَنَامِهَا الْأَيْمَنِ ثُمَّ سَلَتَ الدَّمَ عَنْهَا وَقَلَّدَهَا بِنَعْلَيْنِ ثُمَّ أَتَى رَاحِلَتَهُ فَلَمَّا قَعَدَ عَلَيْهَا وَاسْتَوَتْ بِهِ عَلَى الْبَيْدَاءِ أَهَلَّ بِالْحَجِّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুল-হুলাইফাতে যোহরের নামায পড়লেন। তারপর তিনি তাঁর কুরবানীর উটকে ডাকলেন এবং তার কুঁজের ডান দিক থেকে রক্ত ​​বের করে তার ওপর ছিটিয়ে দিলেন। তারপর তা পরিষ্কার করলেন। তারপর দুটি জুতার মালা পরিয়ে দিলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সওয়ারী আনা হলো এবং যখন তিনি আল-বাইদাতে পৌঁছলেন, তখন তিনি হজের ইহরাম বাঁধলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3038 OK

(৩০৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:২২২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِي مَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَاهُ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ الصِّحَّةَ وَالْفَرَاغَ نِعْمَتَانِ مِنْ نِعَمِ اللَّهِ مَغْبُونٌ فِيهِمَا كَثِيرٌ مِنْ النَّاسِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সুস্বাস্থ্য ও অবসর সময় আল্লাহর তরফ থেকে এমন দুটি নেয়ামত, যা অনেক লোক ভালো ভাবে ব্যবহার করতে পারে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3039 OK

(৩০৩৯)

হাদিস দেখুন [৩১:২৮৬৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ وَهَاشِمٌ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْبَخْتَرِيِّ قَالَ أَهْلَلْنَا هِلَالَ رَمَضَانَ وَنَحْنُ بِذَاتِ عِرْقٍ قَالَ فَأَرْسَلْنَا رَجُلًا إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ يَسْأَلُهُ قَالَ هَاشِمٌ فَسَأَلَهُ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ قَدْ مَدَّ رُؤْيَتَهُ قَالَ هَاشِمٌ لِرُؤْيَتِهِ فَإِنْ أُغْمِيَ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا الْعِدَّةَ


হজরত আবু আল-বাখত্রী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমরা ইরাকে ছিলাম, তখন রমজানের চাঁদ দেখা গেলো। তখন আমরা এক ব্যক্তিকে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্যে পাঠালাম। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু জবাবে বললেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, “আল্লাহ চাঁদকে ততক্ষণ পর্যন্ত প্রকাশ করতে থাকেন যে, লোকেরা তা স্পষ্ট দেখতে পায়। সুতরাং যদি আকাশ মেঘলা থাকে তবে (দিনের) সংখ্যা ৩০ দিন পূর্ণ করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3040 OK

(৩০৪০)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৭৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ حَتَّى أَتَى قُدَيْدًا فَأُتِيَ بِقَدَحٍ مِنْ لَبَنٍ فَأَفْطَرَ وَأَمَرَ النَّاسَ أَنْ يُفْطِرُوا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন কুদাইদে না আসা পর্যন্ত রোযা রেখেছিলেন। তার কাছে একটি দুধের পাত্র আনা হলো এবং তিনি তার রোজা ভঙ্গ করলেন এবং লোকদেরকে রোজা ভাঙার নির্দেশ দিলেন। (পরে এই রোজাটি কাযা আদায় করেছিলেন।) [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3041 OK

(৩০৪১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ صَالِحٍ مَوْلَى التَّوْأَمَةِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُمْ تَمَارَوْا فِي صَوْمِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ عَرَفَةَ فَأَرْسَلَتْ أُمُّ الْفَضْلِ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِلَبَنٍ فَشَرِبَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আরাফার দিনে সাহাবীরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রোজা সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করেন, তাই হযরত উম্মুল ফজল রাদিয়াল্লাহু আনহু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে দুধ পাঠালেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা পান করলেন। (ফলে সাহাবীদের সন্দেহ দূর হয়ে গেলো।) [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3042 OK

(৩০৪২)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৫২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ قَالَ أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ صَائِمٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইহরাম ও রোযা অবস্থায় থাকতেন, তখনও তিনি শিঙ্গা লাগাতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3043 OK

(৩০৪৩)

হাদিস দেখুন [৩১:২০২৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ حَدَّثَنَا حَاجِبُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنِي عَمِّي الْحَكَمُ بْنُ الْأَعْرَجِ قَالَ أَتَيْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ وَهُوَ مُتَّكِئٌ عِنْدَ زَمْزَمَ فَجَلَسْتُ إِلَيْهِ وَكَانَ نِعْمَ الْجَلِيسُ فَقُلْتُ أَخْبِرْنِي عَنْ يَوْمِ عَاشُورَاءَ قَالَ عَنْ أَيِّ بَالِهِ تَسْأَلُ قُلْتُ عَنْ صَوْمِهِ قَالَ إِذَا رَأَيْتَ هِلَالَ الْمُحَرَّمِ فَاعْدُدْ فَإِذَا أَصْبَحْتَ مِنْ تَاسِعَةٍ فَأَصْبِحْ مِنْهَا صَائِمًا قُلْتُ أَكَذَاكَ كَانَ يَصُومُهُ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ نَعَمْ


হজরত আল-হাকাম ইবনে আল আরজ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর খেদমতে গিয়েছিলাম, তখন তিনি যমযম কুপের কাছে হেলান দিয়ে বসেছিলেন। আমিও তাঁর পাশে গিয়ে বসলাম, তিনি সর্বোত্তম সাহাবী ছিলেন, আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, “আমাকে আশুরার দিন সম্পর্কে কিছু বলুন।” তিনি বলেন, “আপনি আশুরার কোন বিষয়ে সম্পর্কে জানতে চান?” আমি বললাম, “রোজা সম্পর্কে জানতে চাই, কোন দিনে রোজা রাখবো?” তিনি বললেন, “যখন তুমি মুহাররমের চাঁদ দেখবে, তখন তার তারিখ গণনা করবে এবং যখন নবম তারিখের সকাল হবে তখন রোজা রাখবে।” আমি বললাম, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি ঐ তারিখে রোজা ছিলেন?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3044 OK

(৩০৪৪)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৬৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِي أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبَّاسٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَيْرٍ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَئِنْ بَقِيتُ إِلَى قَابِلٍ لَأَصُومَنَّ الْيَوْمَ التَّاسِعَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি যদি আগামী বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকি, তবে আমি ১০ই মহররমের সঙ্গে ৯ই মহররম রোজা রাখবো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3045 OK

(৩০৪৫)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩১৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ كُلُوا فِي الْقَصْعَةِ مِنْ جَوَانِبِهَا وَلَا تَأْكُلُوا مِنْ وَسَطِهَا فَإِنَّ الْبَرَكَةَ تَنْزِلُ فِي وَسَطِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা পাত্রের কিনারা থেকে খাও, মাঝখান থেকে খেয়ো না। কারণ খাবারের পাত্রের মাঝখানে বরকত নাযিল হয় (এবং সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3046 OK

(৩০৪৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩৪৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْفَضْلُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ قَالَ مَرَّ ابْنُ عَبَّاسٍ عَلَى أُنَاسٍ قَدْ وَضَعُوا حَمَامَةً يَرْمُونَهَا فَقَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُتَّخَذَ الرُّوحُ غَرَضًا


হজরত ইকরিমা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কিছু লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যারা একটি কবুতরকে ধরে রেখেছিলো এবং তারা সেটিকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়ছিলো। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো প্রাণীকে বাঁধা এবং তা লক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3047 OK

(৩০৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩৪৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْفَضْلُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ قَالَ مَرَّ ابْنُ عَبَّاسٍ عَلَى أُنَاسٍ قَدْ وَضَعُوا حَمَامَةً يَرْمُونَهَا فَقَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُتَّخَذَ الرُّوحُ غَرَضًا


হজরত ইকরিমা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কিছু লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যারা একটি কবুতরকে ধরে রেখেছিলো এবং তারা সেটিকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়ছিলো। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো প্রাণীকে বাঁধা এবং তা লক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3048 OK

(৩০৪৮)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৭২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ جَابِرٍ عَنْ مُسْلِمِ بْنِ صُبَيْحٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَرْدَفَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَلْفَهُ وَقُثَمُ أَمَامَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে তাঁর সওয়ারীর পিছনে বসালেন এবং আমাক ভাই কাসিমকে তাঁর সওয়ারীর সামনে বসালেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3049 OK

(৩০৪৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৫৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَنْبَأَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ الصَّعْبَ بْنَ جَثَّامَةَ الْأَسْدِيَّ أَهْدَى إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رِجْلَ حِمَارِ وَحْشٍ وَهُوَ مُحْرِمٌ فَرَدَّهُ وَقَالَ إِنَّا مُحْرِمُونَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহরাম অবস্থায় ছিলেন। হজরত সাব ইবনে জাথামা আসাদি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভূনা করা এক বন্য গাধার পা উপহার দিয়েছিলেন। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা ফিরিয়ে দিয়ে বললেন, আমরা ইহরাম অবস্থায় আছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3050 OK

(৩০৫০)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৫২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الشَّيْبَانِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ الْأَصَمِّ قَالَ دَعَانَا رَجُلٌ فَأَتَى بِخِوَانٍ عَلَيْهِ ثَلَاثَةَ عَشَرَ ضَبًّا قَالَ وَذَاكَ عِشَاءً فَآكِلٌ وَتَارِكٌ فَلَمَّا أَصْبَحْنَا غَدَوْنَا عَلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَسَأَلْتُهُ فَأَكْثَرَ فِي ذَلِكَ جُلَسَاؤُهُ حَتَّى قَالَ بَعْضُهُمْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا آكُلُهُ وَلَا أُحَرِّمُهُ قَالَ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ بِئْسَمَا قُلْتُمْ إِنَّمَا بُعِثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُحِلًّا وَمُحَرِّمًا ثُمَّ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدَ مَيْمُونَةَ وَعِنْدَهُ الْفَضْلُ بْنُ عَبَّاسٍ وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ وَامْرَأَةٌ فَأُتِيَ بِخِوَانٍ عَلَيْهِ خُبْزٌ وَلَحْمُ ضَبٍّ قَالَ فَلَمَّا ذَهَبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَنَاوَلُ قَالَتْ لَهُ مَيْمُونَةُ إِنَّهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَحْمُ ضَبٍّ فَكَفَّ يَدَهُ وَقَالَ إِنَّهُ لَحْمٌ لَمْ آكُلْهُ وَلَكِنْ كُلُوا قَالَ فَأَكَلَ الْفَضْلُ بْنُ عَبَّاسٍ وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ وَالْمَرْأَةُ قَالَ وَقَالَتْ مَيْمُونَةُ لَا آكُلُ مِنْ طَعَامٍ لَمْ يَأْكُلْ مِنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত ইয়াযীদ বিন আসিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একজন লোক সন্ধ্যায় বেলায় আমাদেরকে ডেকে একটি টেবিল বসিয়েছিলো, যেখানে তেরোটি রান্না করা দুব্বা (টিকটিকি জাতীয় প্রাণী) ছিলো। আমাদের মধ্যে কেউ তা খেয়েছিলো এবং কেউ তা খায়নি। সকালে আমরা হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে গেলাম এবং আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, তার সাথে বসে থাকা লোকেরা এই বিষয়ে বিস্তর কথা বলেছিলো, তাদের একজন বললো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি এটা খাই না এবং আমি এটা নিষেধও করি না।” আর হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, তুমি একটি মন্দ কথা বলেছো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে শুধু হালাল ও হারাম শিক্ষা দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছিলো। একবার একটি থালা আনা হলো যাতে কিছু রুটি এবং দুব্বার (টিকটিকি জাতীয় প্রাণী) গোশত ছিলো। আল-ফাদল বিন আব্বাস, খালিদ বিন আল-ওয়ালিদ এবং একজন মহিলাও সেখানে ছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা হতে কিছু নিতে গেলে মায়মূনা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, এটা দুব্বার (টিকটিকি জাতীয় প্রাণী) গোশত। তাই তিনি তার হাত প্রত্যাহার করে বললেন, “এটি এমন গোশত যা আমি কখনও খাইনি। এটা আমার এলাকায় পাওয়া যায় না, তাই আমি তা খেতে অপছন্দ করি। তবে তোমরা এগিয়ে গিয়ে তা খাও।” আল-ফাদল বিন আব্বাস, খালিদ বিন আল-ওয়ালিদ এবং মহিলাটি খেয়েছিলেন। কিন্তু তা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনেই খাওয়া হয়েছিলো এবং যদি তা হারাম হতো, তবে তা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে খাওয়া হতো না। আর মায়মূনা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আমি এমন খাবার খাবো না, যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাননি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3051 OK

(৩০৫১)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৯৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ هَذِهِ وَهَذِهِ سَوَاءٌ الْخِنْصَرُ وَالْإِبْهَامُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, (রক্তপন দেয়ার ক্ষেত্রে) বুড়ো আঙুল ও কনিষ্ঠ আঙুল উভয়ই এক সমান। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3052 OK

(৩০৫২)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৭৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ لَنَا مَثَلُ السُّوءِ الْعَائِدُ فِي هِبَتِهِ كَالْكَلْبِ يَعُودُ فِي قَيْئِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, “মন্দ উদাহরণ আমাদের জন্যে নয়। যে ব্যক্তি কাউকে উপহার দেওয়ার পর, তা পুনরায় ফেরত নেয়, তার উদাহরণ হলো ঐ কুকুরের মতো, যে বমি করে আবার চেটে খায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3053 OK

(৩০৫৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৯০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ مَالِكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْأَيِّمُ أَحَقُّ بِنَفْسِهَا مِنْ وَلِيِّهَا وَالْبِكْرُ تُسْتَأْمَرُ فِي نَفْسِهَا وَإِذْنُهَا صُمَاتُهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “পূর্ব বিবাহিত একজন মহিলার তার অভিভাবকের চেয়ে নিজের সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বেশি অধিকার রয়েছে। একজন কুমারী মহিলার কাছ থেকে তার বিবাহের বিষয়ে তার অনুমতি নেওয়া উচিত এবং তার নীরবতাই হচ্ছে তার অনুমতি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3054 OK

(৩০৫৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৫৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ عَنْ عِمْرَانَ أَبِي الْحَكَمِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَتْ قُرَيْشٌ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ادْعُ لَنَا رَبَّكَ أَنْ يَجْعَلَ لَنَا الصَّفَا ذَهَبًا وَنُؤْمِنُ بِكَ قَالَ وَتَفْعَلُونَ قَالُوا نَعَمْ قَالَ فَدَعَا فَأَتَاهُ جِبْرِيلُ فَقَالَ إِنَّ رَبَّكَ عَزَّ وَجَلَّ يَقْرَأُ عَلَيْكَ السَّلَامَ وَيَقُولُ إِنْ شِئْتَ أَصْبَحَ لَهُمْ الصَّفَا ذَهَبًا فَمَنْ كَفَرَ بَعْدَ ذَلِكَ مِنْهُمْ عَذَّبْتُهُ عَذَابًا لَا أُعَذِّبُهُ أَحَدًا مِنْ الْعَالَمِينَ وَإِنْ شِئْتَ فَتَحْتُ لَهُمْ بَابَ التَّوْبَةِ وَالرَّحْمَةِ قَالَ بَلْ بَابُ التَّوْبَةِ وَالرَّحْمَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

কুরাইশরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললো, “আপনি আপনার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করুন যেনো সাফাকে আমাদের জন্য স্বর্ণ বানিয়ে দেন, তাহলে আমরা আপনার প্রতি ঈমান আনবো।” তিনি বললেন, “তোমরা কি তাই করবে?” তারা বললো, “হ্যাঁ।” অতঃপর তিনি প্রার্থনা করলেন, ফলে তাঁর নিকট জিবরিল (আঃ) আগমন করেন ও বলেন, “আপনার প্রতিপালক, আপনাকে সালাম করেছেন, তিনি বলছেন, আপনি যদি চান তবে সাফাকে তাদের জন্যে স্বর্ণ বানিয়ে দিবো, অতঃপর যে কুফরি করবে, তাকে আমি এমন আযাব দিবো, যা দুনিয়ার কাউকে দিবো না। অথবা আপনি চাইলে তাদের জন্য তওবা ও রহমতের দরজা খুলে দিবো।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “বরং তওবা ও রহমতের দরজা খুলে দেওয়া হোক।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3055 OK

(৩০৫৫)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي بِشْرٍ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ امْرَأَةً نَذَرَتْ أَنْ تَحُجَّ فَمَاتَتْ فَأَتَى أَخُوهَا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلَهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ أَرَأَيْتَ لَوْ كَانَ عَلَى أُخْتِكَ دَيْنٌ أَكُنْتَ قَاضِيَهُ قَالَ نَعَمْ قَالَ فَاقْضُوا اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ فَهُوَ أَحَقُّ بِالْوَفَاءِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক মহিলা হজ্জ করার মানত করলো, অতঃপর সে তা সম্পন্ন করার আগেই মারা গেলো। তার ভাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “তুমি কি মনে করো যে, তোমার বোনের কোনো ঋণ থাকলে তুমি কি তার ঋণ পরিশোধ করতে না?” সে বললো, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাহলে তুমি আল্লাহর ঋণ পরিশোধ করো। কারণ আল্লাহর ঋণ পরিশোধ হওয়ার ব্যাপারে, আল্লাহ অধিকতর যোগ্য ও হকদার।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3056 OK

(৩০৫৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৬৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ شَهِدْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْعِيدَ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ فَكُلُّهُمْ صَلَّى قَبْلَ الْخُطْبَةِ بِغَيْرِ أَذَانٍ وَلَا إِقَامَةٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ جَابِرٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِثْلِ ذَلِكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে, এরপর হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে, এরপর হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে এবং এরপর হজরত উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ঈদের নামাযে উপস্থিত ছিলাম। তারা সকলেই খুতবার পূর্বে কোন আযান ও ইকামা ছাড়াই নামায পড়েছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3057 OK

(৩০৫৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯৫৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِي وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَابِسٍ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عَبَّاسٍ أَشَهِدْتَ الْعِيدَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ نَعَمْ وَلَوْلَا مَكَانِي مِنْهُ مَا شَهِدْتُهُ لِصِغَرِي قَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَصَلَّى عِنْدَ دَارِ كَثِيرِ بْنِ الصَّلْتِ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ خَطَبَ لَمْ يَذْكُرْ أَذَانًا وَلَا إِقَامَةً


হজরত আবদুর রহমান ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলাম, “আপনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ঈদের নামাযে উপস্থিত ছিলেন?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ। যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে আমার সম্পর্ক না থাকতো, তবে আমি কখনোই ঐ নামাযে উপস্থিত হতে পারতাম না, কারণ আমি খুব ছোট ছিলাম।” তিনি বলেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বের হলেন এবং দার কাছির ইবনে আস-সাল্ট-এ দুই রাকাত নামায আদায় করলেন, তারপর খুতবা দিলেন, তারপর মহিলাদেরকে সাদকা করার নির্দেশ দিলেন।” আর তিনি এতে কোনো আযান বা ইকামাতের কথা উল্লেখ করেননি।
[মুসনাদে আহমাদ : ৩০৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3058 OK

(৩০৫৮)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৬৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ شَهِدْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْعِيدَ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ فَكُلُّهُمْ صَلَّى قَبْلَ الْخُطْبَةِ بِغَيْرِ أَذَانٍ وَلَا إِقَامَةٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ جَابِرٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِثْلِ ذَلِكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে, এরপর হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে, এরপর হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে এবং এরপর হজরত উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ঈদের নামাযে উপস্থিত ছিলাম। তারা সকলেই খুতবার পূর্বে কোন আযান ও ইকামা ছাড়াই নামায পড়েছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3059 OK

(৩০৫৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৬৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ أَيَّامٍ الْعَمَلُ الصَّالِحُ فِيهَا أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مِنْ هَذِهِ الْأَيَّامِ يَعْنِي أَيَّامَ الْعَشْرِ قَالَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَلَا الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ وَلَا الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ إِلَّا رَجُلًا خَرَجَ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ ثُمَّ لَمْ يَرْجِعْ مِنْ ذَلِكَ بِشَيْءٍ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ أَبِي صَالِحٍ قَالَ وَحَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ مُجَاهِدٍ لَيْسَ فِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ يَعْنِي مَا مِنْ أَيَّامٍ الْعَمَلُ فِيهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যুল-হিজ্জার প্রথম দশ দিনের চেয়ে কোনো নেক আমল আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়ো নয়, যেমনটি এই দশ দিনে প্রিয়ো।” সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলেন, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে জিহাদও নয়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এমনকি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে জিহাদও নয়। তবে হ্যাঁ, যে ব্যক্তি নিজের জান-মাল নিয়ে বের হয় এবং তার কোনো একটি নিয়েও ফিরে আসে না, সে প্রিয়ো হতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3060 OK

(৩০৬০)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৯৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الثَّقَلِ مِنْ جَمْعٍ بِلَيْلٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুযদালিফা থেকে রাতে আমাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মালপত্রসহ পাঠালেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস