(৮) হযরত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৩৬২-১৫৩৮), সর্বমোট হাদিসঃ ১৭৭টি]

[মোট হাদিসঃ ২৭টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২৭টি]



1512 OK

(১৫১২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُهَاجِرِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ يَعْنِي ابْنَ حَفْصٍ فَذَكَرَ قِصَّةً قَالَ سَعْدٌ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ نِعْمَ الْمِيتَةُ أَنْ يَمُوتَ الرَّجُلُ دُونَ حَقِّهِ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “ঐ ব্যক্তির মৃত্যু কতই না উত্তম, যে ব্যক্তি তার অধিকার রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৫১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1513 OK

(১৫১৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ يَعْنِي ابْنَ حَازِمٍ عَنْ عَمِّهِ جَرِيرٍ يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ أَبِيهِ سَعْدٍ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أُوصِي بِمَالِي كُلِّهِ قَالَ لَا قُلْتُ فَثُلُثَيْهِ قَالَ لَا قُلْتُ فَنِصْفَهُ قَالَ لَا قُلْتُ فَالثُّلُثَ قَالَ الثُّلُثَ وَالثُّلُثُ كَبِيرٌ أَحَدُكُمْ يَدَعُ أَهْلَهُ بِخَيْرٍ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَدَعَهُمْ عَالَةً عَلَى أَيْدِي النَّاسِ


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি আমার সমস্ত সম্পদ (সদকা করার জন্য) আল্লাহর রাস্তায় অসিয়ত করতে পারি? তিনি বললেনঃ না। আমি বললামঃ এর দুই তৃতীয়াংশ? তিনি বললেনঃ না। আমি বললামঃ এর অর্ধেক? তিনি বললেন না। আমি বললামঃ এর এক তৃতীয়াংশ? তিনি বললেনঃ তুমি সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ অসিয়ত করতে পারো এবং এই এক-তৃতীয়াংশও অনেক বেশি। মনে রাখবে! তুমি তোমার পরিবারকে ভালো অবস্থায় রেখে যাও এটা অনেক ভালো, এর চেয়ে যে, তুমি তাদের এমন অবস্থায় রেখে যাও যাতে তারা মানুষের সামনে হাত পাততে বাধ্য হয়।
[মুসনাদে আহমাদ : ১৫১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1514 OK

(১৫১৪)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৮৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ حَدَّثَنَا الْجُعَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَائِشَةَ بِنْتِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهَا أَنَّ عَلِيًّا خَرَجَ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى جَاءَ ثَنِيَّةَ الْوَدَاعِ وَعَلِيٌّ يَبْكِي يَقُولُ تُخَلِّفُنِي مَعَ الْخَوَالِفِ فَقَالَ أَوَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى إِلَّا النُّبُوَّةَ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন রাসুলুল্লাহ (সা.) তাবুক যুদ্ধের সময় হযরত আলী ( রা.)-কে মদীনা মুনওয়ারায় তাঁর সহকারী হিসেবে রেখে যান, তখন হজরত আলী (রা.) কাঁদতে লাগলেন এবং বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল (সা.)! আপনি কি আমাকে শিশু ও নারীদের সঙ্গে রেখে যাচ্ছেন?” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেনঃ “হে আলী! তুমি কি এতে খুশি নও যে, তোমার মর্যাদা আমার নিকট মূসা (আঃ)-এর নিকট হারূন (আঃ)-এর মতই? কিন্তু (পার্থক্য এই যে,) আমার পরে কোন নবী নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৫১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1515 OK

(১৫১৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৭২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ الْخُزَاعِيُّ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ سَعْدٍ قَالَ الْحَدُوا لِي لَحْدًا وَانْصِبُوا عَلَيَّ اللَّبِنَ نَصْبًا كَمَا صُنِعَ بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدَّثَنَا ابْنُ مَهْدِيٍّ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سَعْدٍ فَذَكَرَ مِثْلَهُ وَوَافَقَهُ أَبُو سَعِيدٍ عَلَى عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ كَمَا قَالَ الْخُزَاعِيُّ


হজরত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.) তাঁর শেষ অসিয়তে বলেছিলেন, আমার কবর যেন লহদ কবরের আকারে তৈরি করা হয় এবং তার ওপর তেমন মাটির ইট বসানো হয়, যেমন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কবরের সঙ্গে করা হয়েছিল। [মুসনাদে আহমাদ : ১৫১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1516 OK

(১৫১৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৭২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ الْخُزَاعِيُّ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ سَعْدٍ قَالَ الْحَدُوا لِي لَحْدًا وَانْصِبُوا عَلَيَّ اللَّبِنَ نَصْبًا كَمَا صُنِعَ بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدَّثَنَا ابْنُ مَهْدِيٍّ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سَعْدٍ فَذَكَرَ مِثْلَهُ وَوَافَقَهُ أَبُو سَعِيدٍ عَلَى عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ كَمَا قَالَ الْخُزَاعِيُّ


হজরত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.) তাঁর শেষ অসিয়তে বলেছিলেন, আমার কবর যেন লহদ কবরের আকারে তৈরি করা হয় এবং তার ওপর তেমন মাটির ইট বসানো হয়, যেমন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কবরের সঙ্গে করা হয়েছিল। [মুসনাদে আহমাদ : ১৫১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1517 OK

(১৫১৭)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنِ الْحَجَّاجِ عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ طُفْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَمِنَّا مَنْ طَافَ سَبْعًا وَمِنَّا مَنْ طَافَ ثَمَانِيًا وَمِنَّا مَنْ طَافَ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا حَرَجَ


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে তাওয়াফ করছিলাম। আমাদের মধ্যে কেউ সাতটি প্রদক্ষিণ করেছে, কেউ আটটি করেছে এবং কেউ কেউ এর চেয়ে বেশি করেছে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ এতে কোন সমস্যা নেই। [মুসনাদে আহমাদ : ১৫১৭]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1518 OK

(১৫১৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ أَخْبَرَنِي أَبُو صَخْرٍ قَالَ أَبُو عَبْد الرَّحْمَنِ عَبْد اللَّهِ بْن أَحْمَد وَسَمِعْتُهُ أَنَا مَنْ هَارُونَ أَنَّ أَبَا حَازِمٍ حَدَّثَهُ عَنِ ابْنٍ لِسَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَقُولُ إِنَّ الْإِيمَانَ بَدَأَ غَرِيبًا وَسَيَعُودُ كَمَا بَدَأَ فَطُوبَى يَوْمَئِذٍ لِلْغُرَبَاءِ إِذَا فَسَدَ النَّاسُ وَالَّذِي نَفْسُ أَبِي الْقَاسِمِ بِيَدِهِ لَيَأْرِزَنَّ الْإِيمَانُ بَيْنَ هَذَيْنِ الْمَسْجِدَيْنِ كَمَا تَأْرِزُ الْحَيَّةُ فِي جُحْرِهَا


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, “ঈমানের সূচনা অপরিচিত অবস্থা থেকে সূচনা হয়েছিলো এবং শীঘ্রই তা আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। সুতরাং অপরিচিতদের জন্য সুসংবাদ যখন লোকেরা পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে। সেই সত্তার কসম যার হাতে আবুল কাসিমের প্রাণ। ঈমান এই দুই মসজিদের মাঝখানে (মদীনায়) এমনভাবে ফিরে আসবে যেভাবে সাপ তার গর্তে ফিরে আসে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ১৫১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1519 OK

(১৫১৯)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ يَعْنِي ابْنَ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْقَرَّاظِ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ صَلَاةٌ فِي مَسْجِدِي هَذَا خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ صَلَاةٍ فِيمَا سِوَاهُ إِلَّا الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মসজিদুল হারাম ব্যতীত, আমার এই মসজিদে নববীতে এক রাকাত নামাজ পড়ার সওয়াব, অন্যান্য মসজিদের তুলনায় এক হাজার নামাজের চেয়েও উত্তম।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৫১৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1520 OK

(১৫২০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ أَنْبَأَنَا عُثْمَانُ بْنُ حَكِيمٍ حَدَّثَنِي عَامِرُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنِّي أُحَرِّمُ مَا بَيْنَ لَابَتَيْ الْمَدِينَةِ كَمَا حَرَّمَ إِبْرَاهِيمُ حَرَمَهُ لَا يُقْطَعُ عِضَاهُهَا وَلَا يُقْتَلُ صَيْدُهَا وَلَا يَخْرُجُ مِنْهَا أَحَدٌ رَغْبَةً عَنْهَا إِلَّا أَبْدَلَهَا اللَّهُ خَيْرًا مِنْهُ وَالْمَدِينَةُ خَيْرٌ لَهُمْ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ وَلَا يُرِيدُهُمْ أَحَدٌ بِسُوءٍ إِلَّا أَذَابَهُ اللَّهُ ذَوْبَ الرَّصَاصِ فِي النَّارِ أَوْ ذَوْبَ الْمِلْحِ فِي الْمَاءِ


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি মদীনা মুনাওয়ারার দুই পাশের এলাকাকে হারাম ঘোষণা করছি, যেভাবে ইব্রাহী (আ.) মক্কাকে হারাম ঘোষণা করেছিলেন, তাই এখানে কোনো গাছ কাটা যাবে না বা কোনো পশুকে হত্যা করা যাবে না।” মদীনা মানুষের জন্য সর্বোত্তম, যদি তারা তা জানতো। তাদের বিশ্বাস করা উচিত যে, যদি কোনো ব্যক্তি অনিচ্ছার কারণে এখান থেকে চলে যায়, তবে আল্লাহ তার পরিবর্তে তার চেয়ে উত্তম কাউকে স্থলাভিষিক্ত করবেন। কেউ যদি মদীনাবাসীদের অনিষ্ট কামনা করে, তাহলে আল্লাহ তাকে এমনভাবে গলিয়ে দিবেন, যেভাবে সীসা আগুনে গলে যায় ও লবণ পানিতে গলে যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৫২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1521 OK

(১৫২১)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪০০] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِي النَّجُودِ عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ النَّاسِ أَشَدُّ بَلَاءً قَالَ الْأَنْبِيَاءُ ثُمَّ الصَّالِحُونَ ثُمَّ الْأَمْثَلُ فَالْأَمْثَلُ مِنْ النَّاسِ يُبْتَلَى الرَّجُلُ عَلَى حَسَبِ دِينِهِ فَإِنْ كَانَ فِي دِينِهِ صَلَابَةٌ زِيدَ فِي بَلَائِهِ وَإِنْ كَانَ فِي دِينِهِ رِقَّةٌ خُفِّفَ عَنْهُ وَمَا يَزَالُ الْبَلَاءُ بِالْعَبْدِ حَتَّى يَمْشِيَ عَلَى ظَهْرِ الْأَرْضِ لَيْسَ عَلَيْهِ خَطِيئَةٌ


সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে একবার জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর নাবী! কোন লোককে বিপদাপদ দিয়ে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। জবাবে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, নবীদেরকে। তারপর তাদের পরে যারা উত্তম তাদেরকে। মানুষকে আপন আপন দ্বীনদারীর অনুপাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। দ্বীনদারীতে যে যত বেশি মজবুত হয় তার বিপদ-মুসীবাত তত বেশি কঠিন হয়। দ্বীনের ব্যাপারে যদি মানুষের দুর্বলতা থাকে, তার বিপদও ছোট ও সহজ হয়। এভাবে তার বিপদ হতে থাকে। এ নিয়েই সে পৃথিবীতে চলাফেরা করতে থাকে। অবশেষে তার কোন গুনাহখাতা থাকে না। [১] [মুসনাদে আহমাদ : ১৫২১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1522 OK

(১৫২২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ مِسْمَارٍ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَهُ وَخَلَّفَهُ فِي بَعْضِ مَغَازِيهِ فَقَالَ عَلِيٌّ أَتُخَلِّفُنِي مَعَ النِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ قَالَ يَا عَلِيُّ أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى إِلَّا أَنَّهُ لَا نُبُوَّةَ بَعْدِي وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ يَوْمَ خَيْبَرَ لَأُعْطِيَنَّ الرَّايَةَ رَجُلًا يُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَيُحِبُّهُ اللَّهُ وَرَسُولُهُ فَتَطَاوَلْنَا لَهَا فَقَالَ ادْعُوا لِي عَلِيًّا فَأُتِيَ بِهِ أَرْمَدَ فَبَصَقَ فِي عَيْنِهِ وَدَفَعَ الرَّايَةَ إِلَيْهِ فَفَتَحَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَلَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ نَدْعُ أَبْنَاءَنَا وَأَبْنَاءَكُمْ دَعَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلِيًّا وَفَاطِمَةَ وَحَسَنًا وَحُسَيْنًا فَقَالَ اللَّهُمَّ هَؤُلَاءِ أَهْلِي


আমির ইবনু সা'দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, মু'আবিয়াহ্‌ ইবনু আবী সুফ্‌ইয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে আমীর নিযুক্ত করে বললেন, আবু তুরাবকে গালি দিতে তোমায় বাধা দিল কিসে? সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি তিনটি কথা মনে রাখব, যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সে সময় পর্যন্ত আমি তাকে গালমন্দ করব না। ঐগুলোর একটি কথাও আমার নিকটে লাল রংয়ের উট লাভের তুলনায় বেশি প্রিয়। (এক) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি 'আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর লক্ষ্যে একটি কথা বলতে শুনেছি, যে সময় তিনি তাকে মাদীনায় তাঁর জায়গায় নিয়োগ করে কোন এক যুদ্ধাভিযানে যান। সে সময় 'আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি আমাকে শিশু ও নারীদের সঙ্গে কি রেখে যাচ্ছেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ হে ‘আলী! তুমি কি এতে খুশি নও যে, তোমার মর্যাদা আমার নিকট মূসা ('আঃ)-এর নিকট হারূন ('আঃ)-এর মতই? কিন্তু (পার্থক্য এই যে,) আমার পরবর্তীতে কোন নবী নেই। (দুই) আমি খাইবারের (যুদ্ধাভিযানের) দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ এমন এক লোকের হাতে আমি (যুদ্ধের) পতাকা অর্পণ করব যে আল্লাহ তা'আলা ও তাঁর রাসূলকে ভালবাসে এবং আল্লাহ তা'আলা ও তাঁর রাসূলও তাকে মুহাব্বাত করেন। বর্ণনাকারী বলেন, প্রত্যেকে তা লাভের আশায় অপেক্ষা করতে থাকলাম। তিনি বললেনঃ তোমরা 'আলীকে আমার নিকটে ডেকে আন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাঁর কাছে এসে হাযির হন, তখন তার চোখ উঠেছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দুই চোখে স্বীয় মুখ নিঃসৃত লালা লাগিয়ে দেন এবং তার হাতে পতাকা অর্পণ করেন। আল্লাহ তা'আলা তাকে বিজয়ী করলেন। (তিন) এ আয়াত যখন অবতীর্ণ হল:

فَمَنۡ حَآجَّكَ فِيهِ مِنۢ بَعۡدِ مَا جَآءَكَ مِنَ ٱلۡعِلۡمِ فَقُلۡ تَعَالَوۡاْ نَدۡعُ أَبۡنَآءَنَا وَأَبۡنَآءَكُمۡ وَنِسَآءَنَا وَنِسَآءَكُمۡ وَأَنفُسَنَا وَأَنفُسَكُمۡ ثُمَّ نَبۡتَهِلۡ فَنَجۡعَل لَّعۡنَتَ ٱللَّهِ عَلَى ٱلۡكَٰذِبِينَ٦١

সুতরাং আপনার কাছে জ্ঞানের যে বাণী এসেছে এর পরেও, যারা আপনার সাথে কুরআন নিয়ে তর্ক করে, তাহলে আপনি তাদেরকে বলুন, “তোমরা এসো, আমরা ডেকে আনি আমাদের সন্তানদেরকে ও তোমাদের সন্তানদেরকে, আমাদের স্ত্রীদেরকে ও তোমাদের স্ত্রীদেরকে, আমাদের লোকদেরকে ও তোমাদের লোকদেরকে, তারপর একান্ত ভাবে আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, যেনো মিথ্যাবাদীদের উপরে আল্লাহর অভিশাপ পড়ে।” [৩ : ৬১]

সে সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'আলী, ফাতিমাহ্‌, হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ডাকেন (এবং তাদেরকে নিয়ে খোলা ময়দানে গিয়ে) বললেনঃ হে আল্লাহ! এরা সকলে আমার পরিবার-পরিজন।

সহীহঃ মুসলিম (হাঃ ৭/১২০)। [মুসনাদে আহমাদ : ১৫২২]


[আবু 'ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1523 OK

(১৫২৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ عَيَّاشِ بْنِ عَبَّاسٍ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ عِنْدَ فِتْنَةِ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ أَشْهَدُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّهَا سَتَكُونُ فِتْنَةٌ الْقَاعِدُ فِيهَا خَيْرٌ مِنْ الْقَائِمِ وَالْقَائِمُ خَيْرٌ مِنْ الْمَاشِي وَالْمَاشِي خَيْرٌ مِنْ السَّاعِي قَالَ أَفَرَأَيْتَ إِنْ دَخَلَ عَلَيَّ بَيْتِي فَبَسَطَ يَدَهُ إِلَيَّ لِيَقْتُلَنِي قَالَ كُنْ كَابْنِ آدَمَ


হজরত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত উসমান বিন আফফান (রা.)-এর পরীক্ষার দিনগুলোতে, আমি তাকে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “শীঘ্রই এমন এক পরীক্ষার সময় আসবে, যেখানে বসে থাকা ব্যক্তি দাঁড়ানো ব্যক্তির চেয়ে উত্তম হবে, যে ব্যক্তি দাঁড়ানো আছে সে হাঁটা ব্যক্তির চেয়ে উত্তম হবে, আর যে ব্যক্তি হাঁটছে সে দৌড়ে আসা ব্যক্তির চেয়ে উত্তম হবে।” হজরত উসমান (রা.) বললেনঃ কোনো ব্যক্তি যদি আমার ঘরে প্রবেশ করে এবং আমাকে হত্যা করতে হাত বাড়ায় তাহলে আমি কি করবো? রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেনঃ তুমি আদম (আ.)-এর পুত্র হাবিলের মতো হয়ে যাও। [মুসনাদে আহমাদ : ১৫২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1524 OK

(১৫২৪)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ التَّيْمِيُّ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ حَدَّثَنِي أَبُو سُهَيْلٍ نَافِعُ بْنُ مَالِكٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلْعَبَّاسِ هَذَا الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ أَجْوَدُ قُرَيْشٍ كَفًّا وَأَوْصَلُهَا


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজরত আব্বাস (রা.) সম্পর্কে বলেছেন, “তিনি হলেন আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব যিনি কুরাইশদের মধ্যে সবচেয়ে উদার এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকারী।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৫২৪]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1525 OK

(১৫২৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪৭৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ مُوسَى الْجُهَنِيِّ حَدَّثَنِي مُصْعَبُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ أَعْرَابِيًّا أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ عَلِّمْنِي كَلَامًا أَقُولُهُ قَالَ قُلْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ خَمْسًا قَالَ هَؤُلَاءِ لِرَبِّي فَمَا لِي قَالَ قُلْ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَارْزُقْنِي وَاهْدِنِي وَعَافِنِي


হজরত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক বেদুইন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললঃ “আমাকে কিছু দোয়া শিখিয়ে দিন যা আমি পাঠ করব।” তিনি বললেন: বলো,

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ

“আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই, তিনি এক তার কোন শরীক নেই, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহর জন্য অনেক প্রশংসা, বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য সকল মহিমা, আল্লাহ ছাড়া কোন শক্তি ও কোন সামর্থ নেই। আল্লাহ সর্বশক্তিমান ও প্রজ্ঞাময়।”

এটা পাঁচবার বলো। বেদুইন বললো, “এটা তো আমার প্রভুর জন্য, আমার জন্য কি আছে?” নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে বললেন: বলো,

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَارْزُقْنِي وَاهْدِنِي وَعَافِنِي

“হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি রহম করুন, আমাকে রিজিক দিন, আমাকে পথ দেখান এবং আমাকে ক্ষমা করুন।”
[মুসনাদে আহমাদ : ১৫২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1526 OK

(১৫২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪১৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مَوْلَى جُهَيْنَةَ قَالَ سَمِعْتُ مُصْعَبَ بْنَ سَعْدٍ يُحَدِّثُ عَنْ سَعْدٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ أَيَعْجِزُ أَحَدُكُمْ أَنْ يَكْسِبَ فِي الْيَوْمِ أَلْفَ حَسَنَةٍ قَالَ وَمَنْ يُطِيقُ ذَلِكَ قَالَ يُسَبِّحُ مِائَةَ تَسْبِيحَةٍ فَيُكْتَبُ لَهُ أَلْفُ حَسَنَةٍ وَتُمْحَى عَنْهُ أَلْفُ سَيِّئَةٍ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে উদ্দেশ্য করে বললেন, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি যে একদিনে এক হাজার নেকী অর্জন করতে পারে? সাহাবায়ে কেরাম বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! এই শক্তি কি কারো আছে? রাসুল (সাঃ) বললেনঃ কোনো ব্যক্তি যদি একশত বার ‘সুবহানাল্লাহ’ পাঠ করে তাহলে তার আমলনামায় এক হাজার নেকী লেখা হয় এবং এক হাজার গুনাহ মুছে ফেলা হয়। [মুসনাদে আহমাদ : ১৫২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1527 OK

(১৫২৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪১৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مَوْلَى جُهَيْنَةَ قَالَ سَمِعْتُ مُصْعَبَ بْنَ سَعْدٍ يُحَدِّثُ عَنْ سَعْدٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ أَيَعْجِزُ أَحَدُكُمْ أَنْ يَكْسِبَ فِي الْيَوْمِ أَلْفَ حَسَنَةٍ قَالَ وَمَنْ يُطِيقُ ذَلِكَ قَالَ يُسَبِّحُ مِائَةَ تَسْبِيحَةٍ فَيُكْتَبُ لَهُ أَلْفُ حَسَنَةٍ وَتُمْحَى عَنْهُ أَلْفُ سَيِّئَةٍ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে উদ্দেশ্য করে বললেন, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি যে একদিনে এক হাজার নেকী অর্জন করতে পারে? সাহাবায়ে কেরাম বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! এই শক্তি কি কারো আছে? রাসুল (সাঃ) বললেনঃ কোনো ব্যক্তি যদি একশত বার ‘সুবহানাল্লাহ’ পাঠ করে তাহলে তার আমলনামায় এক হাজার নেকী লেখা হয় এবং এক হাজার গুনাহ মুছে ফেলা হয়। [মুসনাদে আহমাদ : ১৫২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1528 OK

(১৫২৮)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪৮৪] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنِي سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ أُنْزِلَتْ فِي أَبِي أَرْبَعُ آيَاتٍ قَالَ قَالَ أَبِي أَصَبْتُ سَيْفًا قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ نَفِّلْنِيهِ قَالَ ضَعْهُ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ نَفِّلْنِيهِ أُجْعَلْ كَمَنْ لَا غَنَاءَ لَهُ قَالَ ضَعْهُ مِنْ حَيْثُ أَخَذْتَهُ فَنَزَلَتْ يَسْأَلُونَكَ الْأَنْفَالَ قَالَ وَهِيَ فِي قِرَاءَةِ ابْنِ مَسْعُودٍ كَذَلِكَ قُلْ الْأَنْفَالُ وَقَالَتْ أُمِّي أَلَيْسَ اللَّهُ يَأْمُرُكَ بِصِلَةِ الرَّحِمِ وَبِرِّ الْوَالِدَيْنِ وَاللَّهِ لَا آكُلُ طَعَامًا وَلَا أَشْرَبُ شَرَابًا حَتَّى تَكْفُرَ بِمُحَمَّدٍ فَكَانَتْ لَا تَأْكُلُ حَتَّى يَشْجُرُوا فَمَهَا بِعَصًا فَيَصُبُّوا فِيهِ الشَّرَابَ قَالَ شُعْبَةُ وَأُرَاهُ قَالَ وَالطَّعَامَ فَأُنْزِلَتْ وَوَصَّيْنَا الْإِنْسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهُ وَهْنًا عَلَى وَهْنٍ وَقَرَأَ حَتَّى بَلَغَ بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ وَدَخَلَ عَلَيَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا مَرِيضٌ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أُوصِي بِمَالِي كُلِّهِ فَنَهَانِي قُلْتُ النِّصْفُ قَالَ لَا قُلْتُ الثُّلُثُ فَسَكَتَ فَأَخَذَ النَّاسُ بِهِ وَصَنَعَ رَجُلٌ مِنْ الْأَنْصَارِ طَعَامًا فَأَكَلُوا وَشَرِبُوا وَانْتَشَوْا مِنْ الْخَمْرِ وَذَاكَ قَبْلَ أَنْ تُحَرَّمَ فَاجْتَمَعْنَا عِنْدَهُ فَتَفَاخَرُوا وَقَالَتْ الْأَنْصَارُ الْأَنْصَارُ خَيْرٌ وَقَالَتْ الْمُهَاجِرُونَ الْمُهَاجِرُونَ خَيْرٌ فَأَهْوَى لَهُ رَجُلٌ بِلَحْيَيْ جَزُورٍ فَفَزَرَ أَنْفَهُ فَكَانَ أَنْفُ سَعْدٍ مَفْزُورًا فَنَزَلَتْ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ إِلَى قَوْلِهِ فَهَلْ أَنْتُمْ مُنْتَهُونَ


মুসআব বিন সাদ থেকে বর্ণিতঃ

আমার পিতার সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের চারটি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। আমার পিতা বলেনঃ আমি একটি তরবারি (গনিমত হিসাবে) অর্জন করলাম এবং বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ), এটি আমাকে দান করুন (আমার সম্পদের অংশ ছাড়াও)। তিনি বললেনঃ এটি রেখে দাও। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল, আমার সাথে কি এমন আচরণ করা হবে যে ব্যক্তি (যুদ্ধে) কোন কাজে আসে না? তিনি বললেন, যেখান থেকে তরবারটি পেয়েছ, সেটাকে রেখে দাও। অতঃপর এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়:

سۡـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلۡأَنفَالِۖ قُلِ ٱلۡأَنفَالُ لِلَّهِ وَٱلرَّسُولِۖ فَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَأَصۡلِحُواْ ذَاتَ بَيۡنِكُمۡۖ وَأَطِيعُواْ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥٓ إِن كُنتُم مُّؤۡمِنِينَ١

তারা আপনাকে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুন, “যুদ্ধলব্ধ সম্পদ বণ্টনের বিধান দেয়ার অধিকার আল্লাহ ও রসূলের জন্যে নির্ধারিত রয়েছে। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমরা তোমাদের নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক সংশোধন করে নাও। যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাকো, তবে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করো।” [৮ : ১]

আমার মা আমাকে বললেন: আল্লাহ কি তোমাকে আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখতে এবং তোমার পিতামাতার সম্মান করার আদেশ দেননি? আল্লাহর কসম, যতক্ষণ না তুমি মুহাম্মাদকে অস্বীকার না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি কিছু খাব না বা কিছু পান করব না এবং যতক্ষণ না তারা একটি লাঠি দিয়ে তার মুখ খুলে তাতে পানি ঢেলে দেয় ততক্ষণ পর্যন্ত সে খায়নি। শুবাহ বলেন: এবং আমার মনে হয় তিনি বলেছেন: এবং খাবার। অতঃপর এই আয়াতটি নাযিল হয়:

وَوَصَّيۡنَا ٱلۡإِنسَٰنَ بِوَٰلِدَيۡهِ حَمَلَتۡهُ أُمُّهُۥ وَهۡنًا عَلَىٰ وَهۡنٖ وَفِصَٰلُهُۥ فِي عَامَيۡنِ أَنِ ٱشۡكُرۡ لِي وَلِوَٰلِدَيۡكَ إِلَيَّ ٱلۡمَصِيرُ١٤

আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সঙ্গে সৎব্যবহার করার জন্যে জোরালো নির্দেশ দিয়েছি। তার মা তাকে কষ্টের উপরে কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে। তার দুধ ছাড়ানো দুই বছরের মধ্যে হয়। এই বলে নির্দেশ দিয়েছি যে, “তুমি আমার প্রতি ও তোমার পিতা-মাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। আমার নিকটেই তোমাকে ফিরে আসতে হবে। [৩১ : ১৪]

وَإِن جَٰهَدَاكَ عَلَىٰٓ أَن تُشۡرِكَ بِي مَا لَيۡسَ لَكَ بِهِۦ عِلۡمٞ فَلَا تُطِعۡهُمَاۖ وَصَاحِبۡهُمَا فِي ٱلدُّنۡيَا مَعۡرُوفٗاۖ وَٱتَّبِعۡ سَبِيلَ مَنۡ أَنَابَ إِلَيَّۚ ثُمَّ إِلَيَّ مَرۡجِعُكُمۡ فَأُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمۡ تَعۡمَلُونَ١٥

পিতা-মাতা যদি আমার সঙ্গে এমন কিছুকে অংশীদার করতে তোমাকে চাপ দেয়, যে সম্পর্কে তোমার কোনো জ্ঞান নেই; তাহলে তুমি তাদের উভয়ের অনুগত্য করো না। আর এই দুনিয়াতে তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে বসবাস করবে। যে ব্যক্তি আমার দিকে অভিমুখী হয়, তুমি তার পথ অনুসরণ করবে। তারপর তোমাদেরকে আমার দিকেই ফিরে আসতে হবে, তখন আমি ঐ বিষয়ে তোমাদেরকে জানিয়ে দিবো, যা তোমরা করতে।” [৩১ : ১৫]

অতঃপর একদা আমি অসুস্থ ছিলাম তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার কাছে প্রবেশ করলেন। আমি বললামঃ হে রাসূল! আমি কি আমার সমস্ত সম্পদ আল্লাহর জন্য (দান করার) ওসিয়ত করব? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এ থেকে নিষেধ করলেন। অর্ধেক প্রশ্নেও তিনি আমাকে নিষেধ করলেন, কিন্তু এক তৃতীয়াংশের প্রশ্নে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নীরব থাকলেন এবং এর অনুমতি দিলেন। এরপর লোকেরা তা অনুসরণ করতে লাগল। (এরপর সম্পদ বন্ঠনের আয়াত নাযিল হয়।)

يَسۡتَفۡتُونَكَ قُلِ ٱللَّهُ يُفۡتِيكُمۡ فِي ٱلۡكَلَٰلَةِۚ إِنِ ٱمۡرُؤٌاْ هَلَكَ لَيۡسَ لَهُۥ وَلَدٞ وَلَهُۥٓ أُخۡتٞ فَلَهَا نِصۡفُ مَا تَرَكَۚ وَهُوَ يَرِثُهَآ إِن لَّمۡ يَكُن لَّهَا وَلَدٞۚ فَإِن كَانَتَا ٱثۡنَتَيۡنِ فَلَهُمَا ٱلثُّلُثَانِ مِمَّا تَرَكَۚ وَإِن كَانُوٓاْ إِخۡوَةٗ رِّجَالٗا وَنِسَآءٗ فَلِلذَّكَرِ مِثۡلُ حَظِّ ٱلۡأُنثَيَيۡنِۗ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمۡ أَن تَضِلُّواْۗ وَٱللَّهُ بِكُلِّ شَيۡءٍ عَلِيمُۢ ١٧٦

(১৭৬) তারা আপনার নিকট পিতা-মাতাহীন ও সন্তানহীন ব্যক্তিদের রেখে যাওয়া সম্পদের বিধান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে। আপনি তাদেরকে বলুন, “আল্লাহ তোমাদেরকে পিতা-মাতাহীন ও সন্তানহীন ব্যক্তিদের সম্পর্কে বিধান দিচ্ছেন। যদি কোনো ব্যক্তি এমন অবস্থায় মারা যায় যে, তার কোনো সন্তান নাই ও পিতা-মাতা নাই, কিন্তু এক বোন আছে, তবে তার বোনের জন্যে সে যে সম্পদ ছেড়ে যায়, ঐ সম্পদের অর্ধেক বোন পাবে। আর যদি তার বোন মারা যায় ও তার বোনের কোনো সন্তান না থাকে, তবে সে নিজে তার বোনের উত্তরাধিকার হবে। আর যদি তারা দুই বোন হয়, তবে তাদের দুইজনের জন্যে সে যে সম্পদ ছেড়ে যায়, তার ঐ সম্পদের দুই তৃতীয়াংশ উভয় বোন পাবে। আর যদি মৃত ব্যক্তির ভাই-বোন উভয়ই থাকে, একজন পুরুষ ও একজন নারী হয়, তবে একজন পুরুষ দুইজন নারীর সমান অংশ হবে।” আল্লাহ তোমাদের জন্যে স্বীয় বিধানকে সুস্পষ্ট করে দিচ্ছেন, যেনো তোমরা পথভ্রষ্ট না হও। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছু সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।
[৪. আন নিসা : ১৭৬]

অতঃপর, মদ্যপানের নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার আগেই, একজন আনসারী কিছু খাবার তৈরি করল এবং তারা খাওয়া-দাওয়া করল এবং মাতাল হল। আমরা তার জায়গায় জড়ো হয়ে একে অপরের কাছে গর্ব করতে লাগলাম। আনসার বলেছেন: আনসাররা উত্তম। মুহাজিরগণ বলেছেনঃ মুহাজিরগণ উত্তম। এমন সময় একজন লোক একটি উটের চোয়ালের হাড় তুলে নিল এবং একজনের নাকে আঘাত করল এবং সাদ (রা) এর নাকে একটি আঘাতের চিহ্ন পরে গেলো। অতঃপর এই আয়াতটি নাযিল হয়ঃ

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِنَّمَا ٱلۡخَمۡرُ وَٱلۡمَيۡسِرُ وَٱلۡأَنصَابُ وَٱلۡأَزۡلَٰمُ رِجۡسٞ مِّنۡ عَمَلِ ٱلشَّيۡطَٰنِ فَٱجۡتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ٩٠

ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা জেনে রেখো যে, নিশ্চয় মদ, জুয়া, প্রতিমা ও তীরের মাধ্যমে লটারি খেলা এগুলো হচ্ছে অপবিত্র কাজ ও শয়তানের কাজের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং তোমরা এসব এড়িয়ে চলো, যেনো তোমরা সফল হতে পারো। [৫ : ৯০]

إِنَّمَا يُرِيدُ ٱلشَّيۡطَٰنُ أَن يُوقِعَ بَيۡنَكُمُ ٱلۡعَدَٰوَةَ وَٱلۡبَغۡضَآءَ فِي ٱلۡخَمۡرِ وَٱلۡمَيۡسِرِ وَيَصُدَّكُمۡ عَن ذِكۡرِ ٱللَّهِ وَعَنِ ٱلصَّلَوٰةِۖ فَهَلۡ أَنتُم مُّنتَهُونَ٩١

নিশ্চয় শয়তান কেবল মাত্র চায় যে, তোমাদের মধ্যে মদ ও জুয়ার মাধ্যমে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করতে। আর তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে ও নামায থেকে ফিরিয়ে রাখতে। সুতরাং তোমরা কি এসব কাজ থেকে বিরত হবে না? [৫ : ৯১]
[মুসনাদে আহমাদ : ১৫২৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1529 OK

(১৫২৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪০৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا سَلِيمُ بْنُ حَيَّانَ حَدَّثَنِي عِكْرِمَةُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ ذُكِرَ الطَّاعُونُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رِجْزٌ أُصِيبَ بِهِ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ فَإِذَا كَانَ بِأَرْضٍ فَلَا تَدْخُلُوهَا وَإِذَا كَانَ بِهَا وَأَنْتُمْ بِهَا فَلَا تَخْرُجُوا مِنْهَا


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সামনে প্লেগের কথা উল্লেখ করা হলো। রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেনঃ “তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের উপর প্লেগের এই আযাব এসেছিল। যদি কোনো এলাকায় এই মহামারী ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে সেখানে তোমরা যাবে না এবং যদি তোমরা কোন এলাকায় থাকো এবং সেখানে প্লেগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়, তাহলে সেখান থেকে বের হবে না। ” [মুসনাদে আহমাদ : ১৫২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1530 OK

(১৫৩০)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪১৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ قَالَ قَالَ سَعْدُ بْنُ مَالِكٍ جَمَعَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَبَوَيْهِ يَوْمَ أُحُدٍ


হজরত যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

উহুদ যুদ্ধের দিন রাসুল (সা.) তার পিতা-মাতাকে আমার জন্য একত্র করেছিলেন (অর্থাৎ তিনি আমাকে বলেছিলেন যে, আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য কুরবান হোক)। [মুসনাদে আহমাদ : ১৫৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1531 OK

(১৫৩১)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَنْبَأَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ أَرْطَاةَ عَنْ يَحْيَى بْنِ عُبَيْدٍ الْبَهْرَانِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ وَكَانَ يَتَوَضَّأُ بِالزَّاوِيَةِ فَخَرَجَ عَلَيْنَا ذَاتَ يَوْمٍ مِنْ الْبَرَازِ فَتَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ فَتَعَجَّبْنَا وَقُلْنَا مَا هَذَا قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَ مِثْلَ مَا فَعَلْتُ


ইয়াহইয়া বিন উবাইদ থেকে বর্ণিতঃ

একদিন মুহাম্মদ বিন সাদ টয়লেট থেকে বের হয়ে আমাদের সামনে অজু করতে লাগলেন। তিনি বললেন, আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এরূপ করতে দেখেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৫৩১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1532 OK

(১৫৩২)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا قَيْسٌ قَالَ سَمِعْتُ سَعْدَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ إِنِّي لَأَوَّلُ الْعَرَبِ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَلَقَدْ أَتَيْنَا نَغْزُو مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَا لَنَا طَعَامٌ نَأْكُلُهُ إِلَّا وَرَقَ الْحُبْلَةِ وَهَذَا السَّمُرَ حَتَّى إِنَّ أَحَدَنَا لَيَضَعُ كَمَا تَضَعُ الشَّاةُ مَا لَهُ خِلْطٌ ثُمَّ أَصْبَحَتْ بَنُو أَسَدٍ يُعَزِّرُونِي عَلَى الدِّينِ لَقَدْ خِبْتُ إِذَنْ وَضَلَّ عَمَلِي


হযরত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমিই আরবদের মধ্যে প্রথম ব্যক্তি, যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে তীর নিক্ষেপ করেছিলো। একটা সময় ছিলো যখন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে অভিযানে বের হতাম এবং সেই সময় আমাদের কাছে আঙ্গুর ও বাবলা গাছের পাতা ছাড়া আমাদের আর কোনো খাবার ছিলো না এবং আমরা প্রত্যেকে তা ছাগলের মতো খেতাম। আমাদের মধ্যে প্রত্যেকে ভেড়ার মতো শুকনো মল ত্যাগ করতো। অথচ আজ বনু আসাদের লোকেরা আমাকে আমার ধর্ম সম্পর্কে শিক্ষা দিচ্ছে। তাহলে তো আমি বড় ক্ষতির মধ্যে আছি এবং আমার সমস্ত পরিশ্রম নষ্ট হয়ে গেছে। [মুসনাদে আহমাদ : ১৫৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1533 OK

(১৫৩৩)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَنْبَأَنَا أَبُو مَعْشَرٍ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُسَلِّمُ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ডানে ও বামে সালাম দিতে দেখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ১৫৩৩]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1534 OK

(১৫৩৪)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْأَسْوَدِ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ لَمَّا كَانَ يَوْمُ الْخَنْدَقِ وَرَجُلٌ يَتَتَرَّسُ جَعَلَ يَقُولُ بِالتُّرْسِ هَكَذَا فَوَضَعَهُ فَوْقَ أَنْفِهِ ثُمَّ يَقُولُ هَكَذَا يُسَفِّلُهُ بَعْدُ قَالَ فَأَهْوَيْتُ إِلَى كِنَانَتِي فَأَخْرَجْتُ مِنْهَا سَهْمًا مُدَمًّا فَوَضَعْتُهُ فِي كَبِدِ الْقَوْسِ فَلَمَّا قَالَ هَكَذَا يُسَفِّلُ التُّرْسَ رَمَيْتُ فَمَا نَسِيتُ وَقْعَ الْقِدْحِ عَلَى كَذَا وَكَذَا مِنْ التُّرْسِ قَالَ وَسَقَطَ فَقَالَ بِرِجْلِهِ فَضَحِكَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحْسِبُهُ قَالَ حَتَّى بَدَتْ نَوَاجِذُهُ قَالَ قُلْتُ لِمَ قَالَ لِفِعْلِ الرَّجُلِ


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

খন্দকের যুদ্ধের দিন আমি এক ব্যক্তিকে দেখলাম যে, সে একটি ঢাল দিয়ে নিজেকে রক্ষা করছিল। সে এটি দিয়ে এমন কিছু করছিল যে, সে এটিকে তার নাকের উপর রেখে দিচ্ছিলো, তারপরে এটিকে নামিয়ে রাখছিলো। আমি আমার তূণীর দিকে হাত বাড়ালাম এবং একটি রক্তমাখা তীর বের করলাম, যা আমি আমার ধনুকের দড়ির রেখেছিলাম। যখন সে এমন কিছু করল এবং তার ঢাল নামিয়ে দিল, আমি তীর ছুঁড়লাম। আমি কখনই ভুলিনি যে তীরটি কীভাবে ঢালে আঘাত করেছিল এবং লোকটি পড়ে গেলো এবং তার পায়ে লাথি মারতে শুরু করলো। লোকটির এই দৃশ্য দেখে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এত প্রশস্তভাবে হাসলেন যে তার সামনের দাঁত দেখা যাচ্ছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ১৫৩৪]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1535 OK

(১৫৩৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৫০০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ مُصْعَبٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَنَّهُ كَانَ يَأْمُرُ بِهَؤُلَاءِ الْخَمْسِ وَيُخْبِرُ بِهِنَّ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الْبُخْلِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ الْجُبْنِ وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ


মুসআব থেকে বর্ণিতঃ

হজরত সাদ (রা.) এই পাঁচটি শব্দের ওপর জোর দিতেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: “হে আল্লাহ, (১) আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কৃপণতা থেকে, (২) আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কাপুরুষতা থেকে, (৩) আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি বার্ধক্য থেকে, (৪) আমি এই পৃথিবীর পরীক্ষা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই এবং (৫) কবরের শাস্তি থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৫৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1536 OK

(১৫৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৫০৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ حَلَفْتُ بِاللَّاتِ وَالْعُزَّى فَقَالَ أَصْحَابِي قَدْ قُلْتَ هُجْرًا فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ إِنَّ الْعَهْدَ كَانَ قَرِيبًا وَإِنِّي حَلَفْتُ بِاللَّاتِ وَالْعُزَّى فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ ثَلَاثًا ثُمَّ انْفُثْ عَنْ يَسَارِكَ ثَلَاثًا وَتَعَوَّذْ وَلَا تَعُدْ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি লাত ও উজ্জার নামে শপথ করেছিলাম, আমার সঙ্গীরা আমাকে বললেন, তুমি একটি অপ্রীতিকর কথা বলেছো। তাই আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গিয়ে বললাম: আমি সদ্য মুসলমান হয়েছি এবং আমি লাত ও উজ্জার নামে শপথ করেছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তিনবার

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই

বলো এবং তিনবার বাম দিকে থুথু ফেলো এবং আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও এবং ভবিষ্যতে আর কখনো এমন করো না। [মুসনাদে আহমাদ : ১৫৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1537 OK

(১৫৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৯৭] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَبِيبَةَ عَنْ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَيْرُ الذِّكْرِ الْخَفِيُّ وَخَيْرُ الرِّزْقِ مَا يَكْفِي حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ أُسَامَةَ قَالَ أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَبِيبَةَ أَخْبَرَهُ قَالَ أَبِي و قَالَ يَحْيَى يَعْنِي الْقَطَّانَ ابْنَ أَبِي لَبِيبَةَ أَيْضًا إِلَّا أَنَّهُ قَالَ عَنْ أُسَامَةَ قَالَ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ابْنِ لَبِيبَةَ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “সর্বোত্তম যিকির হলো যা নীরবতার সহিত করা হয় আর সর্বোত্তম রিযিক হলো যা যথেষ্ট হয়ে যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৫৩৭]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1538 OK

(১৫৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৯২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ صَالِحٍ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدٍ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَاهُ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ اسْتَأْذَنَ عُمَرُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعِنْدَهُ نِسَاءٌ مِنْ قُرَيْشٍ يُكَلِّمْنَهُ وَيَسْتَكْثِرْنَهُ عَالِيَةٌ أَصْوَاتُهُنَّ فَلَمَّا اسْتَأْذَنَ قُمْنَ يَبْتَدِرْنَ الْحِجَابَ فَأَذِنَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْنِي فَدَخَلَ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَضْحَكُ فَقَالَ عُمَرُ أَضْحَكَ اللَّهُ سِنَّكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَجِبْتُ مِنْ هَؤُلَاءِ اللَّاتِي كُنَّ عِنْدِي فَلَمَّا سَمِعْنَ صَوْتَكَ ابْتَدَرْنَ الْحِجَابَ قَالَ عُمَرُ فَأَنْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ كُنْتَ أَحَقَّ أَنْ يَهَبْنَ ثُمَّ قَالَ عُمَرُ أَيْ عَدُوَّاتِ أَنْفُسِهِنَّ أَتَهَبْنَنِي وَلَا تَهَبْنَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْنَ نَعَمْ أَنْتَ أَغْلَظُ وَأَفَظُّ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا لَقِيَكَ الشَّيْطَانُ قَطُّ سَالِكًا فَجًّا إِلَّا سَلَكَ فَجًّا غَيْرَ فَجِّكَ و قَالَ يَعْقُوبُ مَا أُحْصِي مَا سَمِعْتُهُ يَقُولُ حَدَّثَنَا صَالِحٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে প্রবেশের সম্মতি চাইলেন। তখন কুরায়শ নারীরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কথোপকথনে লিপ্ত ছিল এবং তারা উচ্চৈঃস্বরে বেশি বেশি কথা বলছিল। যখন ‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু অনুমতি চাইলেন এরা উঠে অভ্যন্তরে চলে গেল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে অনুমতি দিলেন এবং তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসছিলেন। ‘উমার বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ আপনার মুখকে হাস্যোজ্জ্বল রাখুন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃআমি তাদের ব্যাপারে অবাক হচ্ছি যারা আমার নিকট উপবিষ্ট ছিল; আর ‘তোমার’ শব্দ শুনামাত্রই তারা অভ্যন্তরে চলে গেল। ‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনাকেই তো এদের অধিক ভয় করা উচিত।
তারপর ‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ওহে! নিজের প্রাণের শত্রুরা! তোমরা আমাকে ভয় করো এবং আল্লাহর রসূলকে ভয় করো না। তারা বলল, হ্যাঁ, তুমি তো আল্লাহর রসূলের চাইতে অধিক তেজস্বী এবং রাগী। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “যাঁর হাতে আমার জীবন তাঁর কসম! যখন শাইতান তোমাকে কোন রাস্তায় চলতে দেখে তখন সে তোমার রাস্তা বাদ দিয়ে ভিন্ন পথ ধরে চলে।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৫৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস