(৮) হযরত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৩৬২-১৫৩৮), সর্বমোট হাদিসঃ ১৭৭টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১১৭টি]



1422 OK

(১৪২২)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪১৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَاصِمٍ الْأَحْوَلِ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا عُثْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ سَعْدًا وَهُوَ أَوَّلُ مَنْ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَأَبَا بَكْرَةَ تَسَوَّرَ حِصْنَ الطَّائِفِ فِي نَاسٍ فَجَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَا سَمِعْنَا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَقُولُ مَنْ ادَّعَى إِلَى أَبٍ غَيْرِ أَبِيهِ وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ غَيْرُ أَبِيهِ فَالْجَنَّةُ عَلَيْهِ حَرَامٌ


আবু উসমান থেকে বর্ণিতঃ

আমি হজরত সাদ (রা.)-এর কাছে শুনেছি, যিনি সর্বপ্রথম আল্লাহর পথে তীর নিক্ষেপ করেছিলেন এবং হজরত আবু বকর (রা.)-এর কাছে শুনেছি, যিনি তায়েফ দুর্গে আরোহণ করেছিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, “যে ব্যক্তি তার পিতা ব্যতীত অন্য কাউকে পিতা বলে দাবি করে, যদিও সে জানে যে সে ব্যক্তি তার পিতা নয়, তার জন্য জান্নাত হারাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৪২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1423 OK

(১৪২৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৮৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ حَدَّثَنَا الْجُعَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَائِشَةَ بِنْتِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهَا أَنَّ عَلِيًّا خَرَجَ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى جَاءَ ثَنِيَّةَ الْوَدَاعِ وَعَلِيٌّ يَبْكِي يَقُولُ تُخَلِّفُنِي مَعَ الْخَوَالِفِ فَقَالَ أَوَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى إِلَّا النُّبُوَّةَ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন রাসুলুল্লাহ (সা.) তাবুক যুদ্ধের সময় হযরত আলী ( রা.)-কে মদীনা মুনওয়ারায় তাঁর সহকারী হিসেবে রেখে যান, তখন হজরত আলী (রা.) কাঁদতে লাগলেন এবং বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল (সা.)! আপনি কি আমাকে শিশু ও নারীদের সঙ্গে রেখে যাচ্ছেন?” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেনঃ “হে আলী! তুমি কি এতে খুশি নও যে, তোমার মর্যাদা আমার নিকট মূসা (আঃ)-এর নিকট হারূন (আঃ)-এর মতই? কিন্তু (পার্থক্য এই যে,) আমার পরে কোন নবী নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৪২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1424 OK

(১৪২৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ وَحَجَّاجٌ حَدَّثَنِي شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ عَنِ سَعْدٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَأَنْ يَمْتَلِئَ جَوْفُ أَحَدِكُمْ قَيْحًا يَرِيهِ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمْتَلِئَ شِعْرًا قَالَ حَجَّاجٌ سَمِعْتُ يُونُسَ بْنَ جُبَيْرٍ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমাদের কারো জন্য কবিতা দিয়ে পেট ভরানোর চেয়ে পুঁজ দিয়ে পেট ভরা উত্তম।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৪২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1425 OK

(১৪২৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ وَحَجَّاجٌ حَدَّثَنِي شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ عَنِ سَعْدٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَأَنْ يَمْتَلِئَ جَوْفُ أَحَدِكُمْ قَيْحًا يَرِيهِ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمْتَلِئَ شِعْرًا قَالَ حَجَّاجٌ سَمِعْتُ يُونُسَ بْنَ جُبَيْرٍ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমাদের কারো জন্য কবিতা দিয়ে পেট ভরানোর চেয়ে পুঁজ দিয়ে পেট ভরা উত্তম।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৪২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1426 OK

(১৪২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪০৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا سَلِيمُ بْنُ حَيَّانَ حَدَّثَنِي عِكْرِمَةُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ ذُكِرَ الطَّاعُونُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رِجْزٌ أُصِيبَ بِهِ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ فَإِذَا كَانَ بِأَرْضٍ فَلَا تَدْخُلُوهَا وَإِذَا كَانَ بِهَا وَأَنْتُمْ بِهَا فَلَا تَخْرُجُوا مِنْهَا


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সামনে প্লেগের কথা উল্লেখ করা হলো। রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেনঃ “তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের উপর প্লেগের এই আযাব এসেছিল। যদি কোনো এলাকায় এই মহামারী ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে সেখানে তোমরা যাবে না এবং যদি তোমরা কোন এলাকায় থাকো এবং সেখানে প্লেগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়, তাহলে সেখান থেকে বের হবে না। ” [মুসনাদে আহমাদ : ১৪২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1427 OK

(১৪২৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪০৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ أَنْبَأَنَا عَلِيُّ بْنُ زَيْدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ قَالَ قُلْتُ لِسَعْدِ بْنِ مَالِكٍ إِنِّي أُرِيدُ أَنْ أَسْأَلَكَ عَنْ حَدِيثٍ وَأَنَا أَهَابُكَ أَنْ أَسْأَلَكَ عَنْهُ فَقَالَ لَا تَفْعَلْ يَا ابْنَ أَخِي إِذَا عَلِمْتَ أَنَّ عِنْدِي عِلْمًا فَسَلْنِي عَنْهُ وَلَا تَهَبْنِي قَالَ فَقُلْتُ قَوْلُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعَلِيٍّ حِينَ خَلَّفَهُ بِالْمَدِينَةِ فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ فَقَالَ سَعْدٌ خَلَّفَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلِيًّا بِالْمَدِينَةِ فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتُخَلِّفُنِي فِي الْخَالِفَةِ فِي النِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ فَقَالَ أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى قَالَ بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ فَأَدْبَرَ عَلِيٌّ مُسْرِعًا كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى غُبَارِ قَدَمَيْهِ يَسْطَعُ وَقَدْ قَالَ حَمَّادٌ فَرَجَعَ عَلِيٌّ مُسْرِعًا


হজরত সাঈদ ইবনে মুসায়ব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি আপনাকে একটি হাদিস সম্পর্কে প্রশ্ন করতে চাই, কিন্তু আমি আপনাকে জিজ্ঞাস করে ভয় পাচ্ছি। তিনি বললেন ভাতিজা! এমন করো না, যখন তুমি জানো যে আমি কিছু জানি, তখন আমাকে অকপটে জিজ্ঞাসা করো এবং ভয় পেয়ো না। আমি বললাম, যখন রাসুলুল্লাহ (সা.) তাবুক যুদ্ধের সময় হযরত আলী ( রা.)-কে মদীনা মুনওয়ারায় তাঁর সহকারী হিসেবে রেখে যান, তখন তিনি কি বলেছিলেন? হজরত সাদ (রা.) বলেন, নবী (সা.) যখন তাবুক যুদ্ধের সময় হজরত আলী (রা.)-কে মদীনায় তার সহকারী নিযুক্ত করেন এবং তাকে সেখানে রেখে যান, তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল (সা.)! আপনি কি আমাকে শিশু ও নারীদের সঙ্গে রেখে যাচ্ছেন?” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেনঃ “হে আলী! তুমি কি এতে খুশি নও যে, তোমার মর্যাদা আমার নিকট মূসা (আঃ)-এর নিকট হারূন (আঃ)-এর মতই? কিন্তু (পার্থক্য এই যে,) আমার পরবর্তীতে কোন নবী নেই।” আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন,“কেন না, হে আল্লাহর রাসূল (সা.)!” এই কথা বলে হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সেখান থেকে দ্রুত ফিরে গেলেন, আমি এখনও আমার চোখের সামনে তাঁর পায়ের পাতা থেকে উড়ন্ত ধুলো দেখতে পাচ্ছি। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1428 OK

(১৪২৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي عَوْنٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ وَبَهْزٌ وَعَفَّانُ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي أَبُو عَوْنٍ قَالَ بَهْزٌ قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ سَمُرَةَ قَالَ قَالَ عُمَرُ لِسَعْدٍ شَكَاكَ النَّاسُ فِي كُلِّ شَيْءٍ حَتَّى فِي الصَّلَاةِ قَالَ أَمَّا أَنَا فَأَمُدُّ مِنْ الْأُولَيَيْنِ وَأَحْذِفُ مِنْ الْأُخْرَيَيْنِ وَلَا آلُو مَا اقْتَدَيْتُ بِهِ مِنْ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ عُمَرُ ذَاكَ الظَّنُّ بِكَ أَوْ ظَنِّي بِكَ


হজরত জাবির ইবনে সামরা থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত ওমর ফারুক (রা.) হজরত সাদ (রা.)-কে বললেন, আপনার উপর সব বিষয়ে মানুষের অভিযোগ আছে, এমনকি নামাযের ক্ষেত্রেও। হজরত সাদ (রা.) বললেন, আমি প্রথম দুই রাকাত তুলনামূলক ভাবে লম্বা করি এবং বাকি দুই রাকাত ছোট করি। আমি নামাযের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ অনুসরণ করি। হজরত ওমর (রা.) বললেন যে, আমি আপনার কাছে এটাই আমি আশা করি। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1429 OK

(১৪২৯)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا فِطْرٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَرِيكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الرُّقَيْمِ الْكِنَانِيِّ قَالَ خَرَجْنَا إِلَى الْمَدِينَةِ زَمَنَ الْجَمَلِ فَلَقِيَنَا سَعْدُ بْنُ مَالِكٍ بِهَا فَقَالَ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِسَدِّ الْأَبْوَابِ الشَّارِعَةِ فِي الْمَسْجِدِ وَتَرْكِ بَابِ عَلِيٍّ


আবদুল্লাহ ইবনে রাকিম থেকে বর্ণিতঃ

উটের যুদ্ধের সময় আমরা মদিনায় পৌঁছলাম, সেখানে হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.)-এর সাথে দেখা হলো, তারপর তিনি বললেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদুল নববীর দিকের সকল দরজা বন্ধ করার নির্দেশ দিলেন এবং হযরত আলী ( রাঃ)-এর দরজা খোলা রাখার নির্দেশ দিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪২৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1430 OK

(১৪৩০)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৯৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ حَسَّانَ الْمَخْزُومِيُّ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي نَهِيكٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَتَغَنَّ بِالْقُرْآنِ قَالَ وَكِيعٌ يَعْنِي يَسْتَغْنِي بِهِ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি উত্তম কণ্ঠে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করে না, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1431 OK

(১৪৩১)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ أَنْبَأَنَا لَيْثٌ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَنَّهُ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ يَطْرُقَ الرَّجُلُ أَهْلَهُ بَعْدَ صَلَاةِ الْعِشَاءِ


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন যে, কোনো ব্যক্তি যেনো এশার নামাযের পর হঠাৎ সফর থেকে ফিরে এসে নিজ পরিবারকে বিরক্ত না করে। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৩১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1432 OK

(১৪৩২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ أَنْبَأَنَا لَيْثٌ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ سَمِعَ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ أَرَادَ عُثْمَانُ بْنُ مَظْعُونٍ أَنْ يَتَبَتَّلَ فَنَهَاهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَوْ أَجَازَ ذَلِكَ لَهُ لَاخْتَصَيْنَا


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত উসমান ইবনে মাযূন (রা.) রাসূল (সা.)-এর কাছে অবিবাহিত থাকার অনুমতি চাইলেন, কিন্তু রাসূল (সা.) তাকে অনুমতি দেননি। যদি রাসূল (সা.) তাকে অনুমতি দিতেন, তাহলে আমরাও নিজেদেরকে খাসি করে নিতাম। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1433 OK

(১৪৩৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ مَوْلَى الْأَسْوَدِ بْنِ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي عَيَّاشٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الرُّطَبِ بِالتَّمْرِ فَقَالَ أَلَيْسَ يَنْقُصُ الرُّطَبُ إِذَا يَبِسَ قَالُوا بَلَى فَكَرِهَهُ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা কেউ রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করল, শুকনো খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর বিক্রি করা জায়েজ কি না? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, এটা কি এমন নয় যে, তাজা খেজুর শুকানোর পর ওজনে কমে যায়? লোকেরা বলল, এটা এমনই। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই ধরনের বিক্রিয় নিষিদ্ধ ঘোষনা করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1434 OK

(১৪৩৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ حَكِيمٍ حَدَّثَنَا عَامِرُ بْنُ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ أَقْبَلْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى مَرَرْنَا عَلَى مَسْجِدِ بَنِي مُعَاوِيَةَ فَدَخَلَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَصَلَّيْنَا مَعَهُ وَنَاجَى رَبَّهُ عَزَّ وَجَلَّ طَوِيلًا قَالَ سَأَلْتُ رَبِّي عَزَّ وَجَلَّ ثَلَاثًا سَأَلْتُهُ أَنْ لَا يُهْلِكَ أُمَّتِي بِالْغَرَقِ فَأَعْطَانِيهَا وَسَأَلْتُهُ أَنْ لَا يُهْلِكَ أُمَّتِي بِالسَّنَةِ فَأَعْطَانِيهَا وَسَأَلْتُهُ أَنْ لَا يَجْعَلَ بَأْسَهُمْ بَيْنَهُمْ فَمَنَعَنِيهَا


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে কোথাও যাচ্ছিলাম। পথে বনু মুয়াবিয়ার মসজিদ পরলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। আমরাও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাত আদায় করলাম। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দীর্ঘক্ষণ প্রার্থনা করলেন এবং বিশ্রামের পর বললেন, আমি আমার প্রভুর কাছে তিনটি জিনিস চেয়েছি। প্রথম অনুরোধ এই ছিলো যে, আমার উম্মতকে যেনো সাগরে ডুবিয়ে ধ্বংস না করা হয়। আল্লাহ আমার এই অনুরোধটি কবুল করেছেন। দ্বিতীয় অনুরোধটি এই ছিলো যে, আমার উম্মতকে যেনো দুর্ভিক্ষের কারণে ধ্বংস না করা হয়। আল্লাহ আমার এই অনুরোধটিও কবুল করেছেন। তৃতীয় অনুরোধটি এই ছিলো যে, আমার উম্মত যেনো নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ না করে, কিন্তু আল্লাহ এ দোয়াটি কবুল করেননি। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1435 OK

(১৪৩৫)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْلَى وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ قَالَ يَحْيَى حَدَّثَنِي رَجُلٌ كُنْتُ أُسَمِّيهِ فَنَسِيتُ اسْمَهُ عَنْ عُمَرَ بْنِ سَعْدٍ قَالَ كَانَتْ لِي حَاجَةٌ إِلَى أَبِي سَعْدٍ قَالَ و حَدَّثَنَا أَبُو حَيَّانَ عَنْ مُجَمِّعٍ قَالَ كَانَ لِعُمَرَ بْنِ سَعْدٍ إِلَى أَبِيهِ حَاجَةٌ فَقَدَّمَ بَيْنَ يَدَيْ حَاجَتِهِ كَلَامًا مِمَّا يُحَدِّثُ النَّاسُ يُوصِلُونَ لَمْ يَكُنْ يَسْمَعُهُ فَلَمَّا فَرَغَ قَالَ يَا بُنَيَّ قَدْ فَرَغْتَ مِنْ كَلَامِكَ قَالَ نَعَمْ قَالَ مَا كُنْتَ مِنْ حَاجَتِكَ أَبْعَدَ وَلَا كُنْتُ فِيكَ أَزْهَدَ مِنِّي مُنْذُ سَمِعْتُ كَلَامَكَ هَذَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ سَيَكُونُ قَوْمٌ يَأْكُلُونَ بِأَلْسِنَتِهِمْ كَمَا تَأْكُلُ الْبَقَرَةُ مِنْ الْأَرْضِ


আমর বিন সাদ থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমার পিতা হজরত সাদ (রা.)-এর কাছে আমার একটি কাজ ছিলো, আমি মানুষের রীতি অনুযায়ী আমার উদ্দেশ্য বলার আগে একটি দীর্ঘ বয়ান করলাম। যখন আমি তা শেষ করলাম, তখন হজরত সাদ (রা.) বললেন, হে পুত্র! তুমি কি তোমার কথা শেষ করেছো? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি তোমার প্রয়োজন থেকে দূরে নও (আমি তোমার প্রয়োজন পূরণ করব), কিন্তু যেহেতু আমি তোমার কাছ থেকে অনেক কথা শুনেছি, তাই আমি আর তোমার প্রতি আগ্রহী নই। আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি: শীঘ্রই এমন একটি জাতি আসবে, যে তার (চর্বিযুক্ত) জিহ্বা দিয়ে উপার্জিত খাবার খাবে, যেমন একটি গরু তার জিহ্বা দিয়ে জমি থেকে খাবার খায়। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৩৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1436 OK

(১৪৩৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ شَكَا أَهْلُ الْكُوفَةِ سَعْدًا إِلَى عُمَرَ فَقَالُوا لَا يُحْسِنُ يُصَلِّي قَالَ فَسَأَلَهُ عُمَرُ فَقَالَ إِنِّي أُصَلِّي بِهِمْ صَلَاةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرْكُدُ فِي الْأُولَيَيْنِ وَأَحْذِفُ فِي الْأُخْرَيَيْنِ قَالَ ذَلِكَ الظَّنُّ بِكَ يَا أَبَا إِسْحَاقَ


হজরত জাবির ইবনে সামরা থেকে বর্ণিতঃ

একবার কুফাবাসীরা হজরত ওমর ফারুক (রা.)-এর কাছে হজরত সাদ (রা.)-এর ব্যাপারে অভিযোগ করলেন যে, তিনি ভালো ভাবে নামায পড়ান না। হজরত ওমর (রা.) হজরত সাদ (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, তখন হজরত সাদ (রা.) বললেন, আমি প্রথম দুই রাকাত অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ আদায় করি এবং দ্বিতীয় দুই রাকাত অপেক্ষাকৃত ছোট আদায় করি এবং আমি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অনুসরণ করে নামায পড়েছি। আর আমি তা পালন করতে কোন ভুল করি না। হজরত ওমর (রা.) বললেন, আমি আপনার কাছে এমনটাই আশা করি। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1437 OK

(১৪৩৭)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عُمَرَ بْنِ سَعْدٍ حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قِتَالُ الْمُؤْمِنِ كُفْرٌ وَسِبَابُهُ فُسُوقٌ وَلَا يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يَهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “কোনো মুসলমানের সাথে যুদ্ধ করা কুফরী এবং তাকে গালি দেওয়া ফাসেকি এবং কোনো মুসলমানের জন্য তার ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশি কথা বলা বন্ধ রাখা বৈধ নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৩৭]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1438 OK

(১৪৩৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ مِنْ أَكْبَرِ الْمُسْلِمِينَ فِي الْمُسْلِمِينَ جُرْمًا رَجُلًا سَأَلَ عَنْ شَيْءٍ وَنَقَّرَ عَنْهُ حَتَّى أُنْزِلَ فِي ذَلِكَ الشَّيْءِ تَحْرِيمٌ مِنْ أَجْلِ مَسْأَلَتِهِ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “মুসলমানদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অপরাধী হলো সেই ব্যক্তি, যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে এবং অতীতের অপ্রীতিকর বিষয়গুলো সম্পর্কে জানার চেষ্টা করে। এমনকি তার প্রশ্ন করার কারনে ঐ জিনিস হারাম হওয়ার ব্যপারে ওহী নাযিল হয় (অথচ তা ইতিপূর্বে হালাল ছিলো)।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1439 OK

(১৪৩৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৯৩] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ وَسَعْدٌ قَالَا حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ صَالِحٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ بْنِ جَارِيَةَ أَنَّ يُوسُفَ بْنَ الْحَكَمِ أَبَا الْحَجَّاجِ أَخْبَرَهُ أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ يُرِدْ هَوَانَ قُرَيْشٍ أَهَانَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি যে, “যে ব্যক্তি কুরাইশদের অপমান করতে চায়, আল্লাহ তাকে অপমানিত করবেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৩৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1440 OK

(১৪৪০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ أَعْطَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رِجَالًا وَلَمْ يُعْطِ رَجُلًا مِنْهُمْ شَيْئًا فَقَالَ سَعْدٌ يَا نَبِيَّ اللَّهِ أَعْطَيْتَ فُلَانًا وَفُلَانًا وَلَمْ تُعْطِ فُلَانًا شَيْئًا وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ مُسْلِمٌ حَتَّى أَعَادَهَا سَعْدٌ ثَلَاثًا وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ أَوْ مُسْلِمٌ ثُمَّ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنِّي لَأُعْطِي رِجَالًا وَأَدَعُ مَنْ هُوَ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْهُمْ فَلَا أُعْطِيهِ شَيْئًا مَخَافَةَ أَنْ يُكَبُّوا فِي النَّارِ عَلَى وُجُوهِهِمْ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রাসূলুল্লাহ (সা.) কিছু লোককে ধন-সম্পদ দান করলেন এবং তাদের একজনকে কিছুই দিলেন না। হযরত সাদ (রা.) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (সা.)! আপনি অমুক অমুককে দিয়েছেন, কিন্তু অমুককে কিছুই দেননি, যদিও সে একজন প্রকৃত মুমিন। রাসূল (সা.) বললেন, বরং বলো সে একজন মুসলিম। এই একই প্রশ্ন তিনবার করা হলো এবং তার উত্তর তিনবার একই দেওয়া হলো। তারপর রাসূল (সা.) বললেন যে, আমি কিছু লোককে দান করি এবং যারা আমার কাছে বেশি প্রিয় তাদেরকে ছেড়ে দেই ও তাদেরকে কিছুই দান করি না, এই ভয় ও উদ্বেগের কারণে যে, তাদেরকে না আবার তাদের মুখের উপর ভর দেয়া অবস্থায় জাহান্নামে টেনে নেওয়া হয়। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1441 OK

(১৪৪১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقَتْلِ الْوَزَغِ وَسَمَّاهُ فُوَيْسِقًا


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সা.) টিকটিকিকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং রাসূল (সা.) এর নাম রেখেছেন ‘ফাসেক’ (ক্ষতিকারক)। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1442 OK

(১৪৪২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كُنْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ فَمَرِضْتُ مَرَضًا أَشْفَيْتُ عَلَى الْمَوْتِ فَعَادَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي مَالًا كَثِيرًا وَلَيْسَ يَرِثُنِي إِلَّا ابْنَةٌ لِي أَفَأُوصِي بِثُلُثَيْ مَالِي قَالَ لَا قُلْتُ بِشَطْرِ مَالِي قَالَ لَا قُلْتُ فَثُلُثُ مَالِي قَالَ الثُّلُثُ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ إِنَّكَ يَا سَعْدُ أَنْ تَدَعَ وَرَثَتَكَ أَغْنِيَاءَ خَيْرٌ لَكَ مِنْ أَنْ تَدَعَهُمْ عَالَةً يَتَكَفَّفُونَ النَّاسَ إِنَّكَ يَا سَعْدُ لَنْ تُنْفِقَ نَفَقَةً تَبْتَغِي بِهَا وَجْهَ اللَّهِ تَعَالَى إِلَّا أُجِرْتَ عَلَيْهَا حَتَّى اللُّقْمَةَ تَجْعَلُهَا فِي فِي امْرَأَتِكَ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أُخَلَّفُ بَعْدَ أَصْحَابِي قَالَ إِنَّكَ لَنْ تَتَخَلَّفَ فَتَعْمَلَ عَمَلًا تَبْتَغِي بِهِ وَجْهَ اللَّهِ إِلَّا ازْدَدْتَ بِهِ دَرَجَةً وَرِفْعَةً وَلَعَلَّكَ تُخَلَّفُ حَتَّى يَنْفَعَ اللَّهُ بِكَ أَقْوَامًا وَيَضُرَّ بِكَ آخَرِينَ اللَّهُمَّ أَمْضِ لِأَصْحَابِي هِجْرَتَهُمْ وَلَا تَرُدَّهُمْ عَلَى أَعْقَابِهِمْ لَكِنْ الْبَائِسُ سَعْدُ ابْنُ خَوْلَةَ رَثَى لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ مَاتَ بِمَكَّةَ


আমির ইবনু সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে তার বাবার সূত্রে থেকে বর্ণিতঃ

তিনি (সা’দ) বলেন, মক্কা বিজয়ের বছর আমি গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে গেলাম এবং মৃত্যুর আশংকা করলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখতে এলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার প্রচুর ধন-সম্পদ রয়েছে। মাত্র একটি মেয়ে সন্তান ব্যতীত আমার আর কোন উত্তরাধিকারী নেই। আমি আমার সমস্ত সম্পদের ওয়াসিয়াত করবো কি? তিনি বললেনঃ না। আমি বললাম, তবে দুই-তৃতীয়াংশ সম্পদ ওয়াসিয়াত করব কি? তিনি বললেনঃ না। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক? তিনি বললেনঃ না। আমি বললাম, তাহলে এক-তৃতীয়াংশ? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ এক তৃতীয়াংশ করতে পার, তবে এক-তৃতীয়াংশও অনেক। তোমার উত্তরাধিকারীদেরকে দরিদ্র এবং অন্যকারো নিকট হাত পতাতে বাধ্য অবস্থায় রেখে যাওয়ার চাইতে তাদেরকে সম্পদশালী অবস্থায় রেখে যাওয়া অধিক উত্তম। তুমি যেটুকু খরচ কর না কেন নেকী অবশ্যই পাবে। এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যে গ্রাসটি তুলে দাও তুমি তার জন্যও নেকী পাবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম হে আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আমি কি আমার হিজরাত হতে পিছনে পড়ে থাকব (মাদীনায় ফিরে যেতে পারব না)? তিনি বললেনঃ তুমি আমার পরেও যদি জীবিত থাক এবং আল্লাহ্ তা’আলার সন্তুষ্টি হাসিলের উদ্দেশ্যে যে কোন কাজই কর তাতে তোমার মর্যাদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে। আশা করি আমার পরবর্তীতেও তুমি জীবিত থাকবে। তোমার মাধ্যমে বহু লোকের উপকার হবে এবং অসংখ্য লোকের ক্ষতি সাধিত হবে। হে আল্লাহ! আমার সাহাবীদের হিজরাত পূর্ণ করে দাও, তাদেরকে পিছনে ফিরিয়ে দিও না। সা’দ ইবনু খাওলা হতভাগ্য। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সা’দ ইবনু খাওলার জন্য অনেক দুঃখ প্রকাশ করতেন। তিনি মক্কাতে মারা যান। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৪২]


[আবু ঈসা বলেন, ইবনু আব্বাস রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ্। এ হাদীসটি সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) হতেও একধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীস মুতাবিক অভিজ্ঞ আলিমগণ আমল কারেছেন। কারো পক্ষে তার সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি ওয়াসিয়াত করা উচিত নয়। ‘তিনের-একাংশও বেশী’ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এক-তৃতীয়াংশের কম পরিমাণ ওয়াসিয়াত করাকেই একদল বিশেষজ্ঞ আলিম উত্তম বলেছেন।]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1443 OK

(১৪৪৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪৩২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ أَنْبَأَنَا لَيْثٌ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ سَمِعَ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ أَرَادَ عُثْمَانُ بْنُ مَظْعُونٍ أَنْ يَتَبَتَّلَ فَنَهَاهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَوْ أَجَازَ ذَلِكَ لَهُ لَاخْتَصَيْنَا


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত উসমান ইবনে মাযূন (রা.) রাসূল (সা.)-এর কাছে অবিবাহিত থাকার অনুমতি চাইলেন, কিন্তু রাসূল (সা.) তাকে অনুমতি দেননি। যদি রাসূল (সা.) তাকে অনুমতি দিতেন, তাহলে আমরাও নিজেদেরকে খাসি করে নিতাম। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1444 OK

(১৪৪৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهُ لَمْ يَكُنْ نَبِيٌّ إِلَّا وَصَفَ الدَّجَّالَ لِأُمَّتِهِ وَلَأَصِفَنَّهُ صِفَةً لَمْ يَصِفْهَا أَحَدٌ كَانَ قَبْلِي إِنَّهُ أَعْوَرُ وَإِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ لَيْسَ بِأَعْوَرَ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রত্যেক নবীই তার উম্মতের সামনে দাজ্জালের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন, কিন্তু আমি তোমাদের কাছে তার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করবো যা আমার আগে কোনো নবী বর্ণনা করেননি। মনে রেখো দাজ্জাল হবে কানা (এবং প্রভুত্ব দাবি করবে) অথচ আল্লাহ কানা নন।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1445 OK

(১৪৪৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪০৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا سَلِيمُ بْنُ حَيَّانَ حَدَّثَنِي عِكْرِمَةُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ ذُكِرَ الطَّاعُونُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رِجْزٌ أُصِيبَ بِهِ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ فَإِذَا كَانَ بِأَرْضٍ فَلَا تَدْخُلُوهَا وَإِذَا كَانَ بِهَا وَأَنْتُمْ بِهَا فَلَا تَخْرُجُوا مِنْهَا


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সামনে প্লেগের কথা উল্লেখ করা হলো। রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেনঃ “তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের উপর প্লেগের এই আযাব এসেছিল। যদি কোনো এলাকায় এই মহামারী ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে সেখানে তোমরা যাবে না এবং যদি তোমরা কোন এলাকায় থাকো এবং সেখানে প্লেগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়, তাহলে সেখান থেকে বের হবে না। ” [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1446 OK

(১৪৪৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৬৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَعْنِي ابْنَ مَعْمَرٍ قَالَ حَدَّثَ عَامِرُ بْنُ سَعْدٍ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَهُوَ أَمِيرٌ عَلَى الْمَدِينَةِ أَنَّ سَعْدًا قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ أَكَلَ سَبْعَ تَمَرَاتِ عَجْوَةٍ مِنْ بَيْنَ لَابَتَيْ الْمَدِينَةِ عَلَى الرِّيقِ لَمْ يَضُرَّهُ يَوْمَهُ ذَلِكَ شَيْءٌ حَتَّى يُمْسِيَ قَالَ فُلَيْحٌ وَأَظُنُّهُ قَالَ وَإِنْ أَكَلَهَا حِينَ يُمْسِي لَمْ يَضُرَّهُ شَيْءٌ حَتَّى يُصْبِحَ فَقَالَ عُمَرُ انْظُرْ يَا عَامِرُ مَا تُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ أَشْهَدُ مَا كَذَبْتُ عَلَى سَعْدٍ وَمَا كَذَبَ سَعْدٌ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


ইবনে মুয়াম্মার থেকে বর্ণিতঃ

আমির ইবনে সাদ মদীনার গভর্নর থাকাকালীন সময় একবার হযরত উমর ইবনে আব্দুল আযীয (রা.)-এর কাছে তাঁর পিতা হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) সম্পর্কে এই হাদিসটি বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি সকাল বেলা খালি পেটে মদিনাবাসীদের মধ্যে থেকে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেইদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না। বর্ণনাকারী মনে করেন যে, তিনি আরও বলেছেন যে, যে ব্যক্তি এটি সন্ধ্যায় খাবে, তবে সকাল পর্যন্ত কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না। হযরত উমর ইবনে আব্দুল আযীয (রা.) বললেন, আপনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে কোন হাদীস বর্ণনা করার ব্যাপারে ভালো করে ভেবে দেখুন। আমির ইবনে সাদ বললেন, আমি সাক্ষী দিচ্ছি যে, আমি হজরত সাদ (রা.) সম্পর্কে মিথ্যা বলছিনা এবং হজরত সাদ (রা.) নবী (সা.) সম্পর্কে মিথ্যা বলতে পারেন না। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1447 OK

(১৪৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৬৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحَنَفِيُّ عَبْدُ الْكَبِيرِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا بُكَيْرُ بْنُ مِسْمَارٍ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ أَنَّ أَخَاهُ عُمَرَ انْطَلَقَ إِلَى سَعْدٍ فِي غَنَمٍ لَهُ خَارِجًا مِنْ الْمَدِينَةِ فَلَمَّا رَآهُ سَعْدٌ قَالَ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شَرِّ هَذَا الرَّاكِبِ فَلَمَّا أَتَاهُ قَالَ يَا أَبَتِ أَرَضِيتَ أَنْ تَكُونَ أَعْرَابِيًّا فِي غَنَمِكَ وَالنَّاسُ يَتَنَازَعُونَ فِي الْمُلْكِ بِالْمَدِينَةِ فَضَرَبَ سَعْدٌ صَدْرَ عُمَرَ وَقَالَ اسْكُتْ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يُحِبُّ الْعَبْدَ التَّقِيَّ الْغَنِيَّ الْخَفِيَّ


আমির বিন সাদ থেকে বর্ণিতঃ

একবার তাঁর ভাই উমর মদীনার বাইরে হজরত সাদ (রা.)-এর ছাগলের খামার দেখতে গিয়েছিলেন। যখন হজরত সাদ (রা.) উমরকে দেখলেন (তখন তিনি দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হলেন এবং আল্লাহর কাছে চাইলেন যে, সে যেনো কোনো সুসংবাদ নিয়ে আসে) এবং বললেন, “যদি এই সওয়ারীর কাছে কোন দুঃসংবাদ থাকে, তাহলে আমি তার কাছ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।” উমর বললেন, হে আব্বাজান! “মদীনায় সরকার নিয়ে মানুষ তর্ক করছে আর তুমি গ্রামবাসীর মতো তোমার ছাগল নিয়ে ব্যস্ত?” হজরত সাদ (রা.) উমরের বুকে হাত মেরে বললেন, “চুপ করো।” আমি রাসূল (সা.)-কে বলতে শুনেছি যে, “আল্লাহ তায়ালা এমন একজন বান্দাকে ভালোবাসেন যে ধার্মিক, বিনয়ী এবং নিজেকে গোপন রাখে।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1448 OK

(১৪৪৮)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৮৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْهَاشِمِيُّ أَنْبَأَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ لَقَدْ رَأَيْتُ عَنْ يَمِينِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَنْ يَسَارِهِ يَوْمَ أُحُدٍ رَجُلَيْنِ عَلَيْهِمَا ثِيَابٌ بِيضٌ يُقَاتِلَانِ عَنْهُ كَأَشَدِّ الْقِتَالِ مَا رَأَيْتُهُمَا قَبْلُ وَلَا بَعْدُ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

উহুদ যুদ্ধের দিন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুপাশে ডানে ও বামে দুজন লোককে দেখলাম যারা সাদা পোশাক পরা ছিল এবং তারা প্রচণ্ড যুদ্ধ করছিলো। আমি তাদেরকে এর আগে ও পরে কখনোই দেখিনি। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1449 OK

(১৪৪৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪০৫] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ الْمَعْنَى قَالَا أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْعَيْزَارِ بْنِ حُرَيْثٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَجِبْتُ مِنْ قَضَاءِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ لِلْمُؤْمِنِ إِنْ أَصَابَهُ خَيْرٌ حَمِدَ رَبَّهُ وَشَكَرَ وَإِنْ أَصَابَتْهُ مُصِيبَةٌ حَمِدَ رَبَّهُ وَصَبَرَ الْمُؤْمِنُ يُؤْجَرُ فِي كُلِّ شَيْءٍ حَتَّى فِي اللُّقْمَةِ يَرْفَعُهَا إِلَى فِي امْرَأَتِهِ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমি মুমিন বান্দার ব্যাপারে আল্লাহর নিয়ত ও ফয়সালা দেখে আশ্চর্য হই যে, সে যদি কোনো কল্যাণ পায়, তবে সে তার রবের শুকরিয়া আদায় করে এবং যদি তার উপর কোন বিপদ আসে, তখন সে ধৈর্য ধরে ও আলহামদুলিল্লাহ বলে (এবং আল্লাহ ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতা উভয়কেই পছন্দ করেন)। এমনকি সে তার স্ত্রীর মুখে যে খাবারের লোকমা তুলে দেয় এর বিনিময়েও সে পুরস্কার পায়। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৪৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1450 OK

(১৪৫০)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৮৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ حَدَّثَنَا الْجُعَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَائِشَةَ بِنْتِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهَا أَنَّ عَلِيًّا خَرَجَ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى جَاءَ ثَنِيَّةَ الْوَدَاعِ وَعَلِيٌّ يَبْكِي يَقُولُ تُخَلِّفُنِي مَعَ الْخَوَالِفِ فَقَالَ أَوَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى إِلَّا النُّبُوَّةَ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন রাসুলুল্লাহ (সা.) তাবুক যুদ্ধের সময় হযরত আলী ( রা.)-কে মদীনা মুনওয়ারায় তাঁর সহকারী হিসেবে রেখে যান, তখন হজরত আলী (রা.) কাঁদতে লাগলেন এবং বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল (সা.)! আপনি কি আমাকে শিশু ও নারীদের সঙ্গে রেখে যাচ্ছেন?” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেনঃ “হে আলী! তুমি কি এতে খুশি নও যে, তোমার মর্যাদা আমার নিকট মূসা (আঃ)-এর নিকট হারূন (আঃ)-এর মতই? কিন্তু (পার্থক্য এই যে,) আমার পরে কোন নবী নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1451 OK

(১৪৫১)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৭৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنِي مَالِكٌ يَعْنِي ابْنَ أَنَسٍ عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ مَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لِحَيٍّ مِنْ النَّاسِ يَمْشِي إِنَّهُ فِي الْجَنَّةِ إِلَّا لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَامٍ


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) ব্যতীত আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে কোনো জীবিত ব্যক্তি সম্পর্কে বলতে শুনিনি যে, সে একজন পৃথিবীতে বিচরণকারী জান্নাতী। [মুসনাদে আহমাদ : ১৪৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস