(৭) হযরত যুবাইর বিন আওয়াম রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৩৩১-১৩৬১), সর্বমোট হাদিসঃ ৩১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩১টি]



1331 OK
View Quran

(১৩৩১)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَاطِبٍ عَنِ ابْنِ الزُّبَيْرِ عَنِ الزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ ثُمَّ إِنَّكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عِنْدَ رَبِّكُمْ تَخْتَصِمُونَ قَالَ الزُّبَيْرُ أَيْ رَسُولَ اللَّهِ مَعَ خُصُومَتِنَا فِي الدُّنْيَا قَالَ نَعَمْ وَلَمَّا نَزَلَتْ ثُمَّ لَتُسْأَلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنْ النَّعِيمِ قَالَ الزُّبَيْرُ أَيْ رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ نَعِيمٍ نُسْأَلُ عَنْهُ وَإِنَّمَا يَعْنِي هُمَا الْأَسْوَدَانِ التَّمْرُ وَالْمَاءُ قَالَ أَمَا إِنَّ ذَلِكَ سَيَكُونُ


হজরত যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন এ আয়াত নাজিল হলো যে,

ثُمَّ إِنَّكُمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ عِندَ رَبِّكُمۡ تَخۡتَصِمُونَ

(৩১) তারপর নিশ্চয় কিয়ামতের দিনে তোমরা সবাই তোমাদের প্রভুর সামনে অভিযোগ পেশ করবে। [৩৯. আয যুমার : ৩১]

তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এই ঝগড়া বলতে কি এমন লোকেদের সাথে ঝগড়া করা বোঝানো হয়েছে যারা পৃথিবীতে একজনের বিপক্ষে? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। তারপর যখন এই আয়াত নাযিল হল যে, “তারপর তোমাদেরকে সেদিন অবশ্যই নিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে”-(সূরা তাকাসুর ৮) সে সময় যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদেরকে কোন নিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে? আমাদের নিকট তো শুধুমাত্র দুই ধরনের জিনিস রয়েছে; খেজুর ও পানি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ঐ (সম্পত্তি) তো অদূর ভবিষ্যতে অর্জিত হবে। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৩১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1332 OK

(১৩৩২)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩১৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ مَالِكِ بْنِ أَوْسٍ سَمِعْتُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ وَطَلْحَةَ وَالزُّبَيْرِ وَسَعْدٍ نَشَدْتُكُمْ بِاللَّهِ الَّذِي تَقُومُ بِهِ السَّمَاءُ وَالْأَرْضُ وَقَالَ سُفْيَانُ مَرَّةً الَّذِي بِإِذْنِهِ تَقُومُ أَعَلِمْتُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّا لَا نُورَثُ مَا تَرَكْنَا صَدَقَةٌ قَالُوا اللَّهُمَّ نَعَمْ


হজরত তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত ফারুক আযম (রা.) হজরত আবদুল রহমান ইবনে আউফ, হজরত তালহা, হজরত যুবায়ের ও হজরত সাদ (রা.) কে বললেন, আমি আপনাদেরকে সেই আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি, যাঁর নির্দেশে আসমান ও জমিন প্রতিষ্ঠিত, আপনারা কি জানেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, “আমাদের সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে হস্তান্তরিত হয়না, আমরা যা রেখে যাই তা হল সাদকা?” সকলেই বললো, “হে আল্লাহ, হ্যাঁ।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1333 OK

(১৩৩৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَأَنْ يَحْمِلَ الرَّجُلُ حَبْلًا فَيَحْتَطِبَ بِهِ ثُمَّ يَجِيءَ فَيَضَعَهُ فِي السُّوقِ فَيَبِيعَهُ ثُمَّ يَسْتَغْنِيَ بِهِ فَيُنْفِقَهُ عَلَى نَفْسِهِ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَسْأَلَ النَّاسَ أَعْطَوْهُ أَوْ مَنَعُوهُ


হজরত জুবায়ের বিন আল-আওয়াম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোনো ব্যক্তির জন্যে তার নিজের দড়ি নিয়ে কাঠ বেঁধে বাজারে নিয়ে আসা এবং তা বিক্রি করে, তা থেকে অর্থ উপার্জন করা এবং নিজের জন্যে তা ব্যয় করা, মানুষের কাছে কোনো কিছু চাওয়ার চেয়ে উত্তম। কেননা মানুষের কাছে কোনো কিছু চাইলে, সে তাকে দিতেও পারে আবার নাও দিতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1334 OK

(১৩৩৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنِ الزُّبَيْرِ قَالَ جَمَعَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَبَوَيْهِ يَوْمَ أُحُدٍ


হজরত জুবায়ের বিন আল-আওয়াম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

উহুদ যুদ্ধের দিন রাসুলুল্লাহ (সা.) তার পিতা-মাতাকে আমার জন্য একত্র করেছিলেন। (অর্থাৎ তিনি আমাকে বলেছিলেন যে, আমার পিতা-মাতা তোমার উপর কোরবান হোক। ) [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1335 OK

(১৩৩৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ أَنْبَأَنَا هِشَامٌ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ قَالَ لَمَّا كَانَ يَوْمُ الْخَنْدَقِ كُنْتُ أَنَا وَعُمَرُ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ فِي الْأُطُمِ الَّذِي فِيهِ نِسَاءُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُطُمِ حَسَّانَ فَكَانَ يَرْفَعُنِي وَأَرْفَعُهُ فَإِذَا رَفَعَنِي عَرَفْتُ أَبِي حِينَ يَمُرُّ إِلَى بَنِي قُرَيْظَةَ وَكَانَ يُقَاتِلُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الْخَنْدَقِ فَقَالَ مَنْ يَأْتِي بَنِي قُرَيْظَةَ فَيُقَاتِلَهُمْ فَقُلْتُ لَهُ حِينَ رَجَعَ يَا أَبَتِ تَاللَّهِ إِنْ كُنْتُ لَأَعْرِفُكَ حِينَ تَمُرُّ ذَاهِبًا إِلَى بَنِي قُرَيْظَةَ فَقَالَ يَا بُنَيَّ أَمَا وَاللَّهِ إِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيَجْمَعُ لِي أَبَوَيْهِ جَمِيعًا يُفَدِّينِي بِهِمَا يَقُولُ فِدَاكَ أَبِي وَأُمِّي


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

খন্দক যুদ্ধ চলা কালে আমি এবং উমার ইব্নু আবূ সালামাহ (অল্প বয়সি বলে) মহিলাদের দলে চলছিলাম। হঠাৎ যুবায়রকে দেখতে পেলাম যে, তিনি অশ্বারোহণ করে বনী কুরায়যা গোত্রের দিকে দুবার অথবা তিনবার আসা যাওয়া করছেন। যখন ফিরে আসলাম তখন বললাম, আব্বা! আমি আপনাকে কয়েকবার যাতায়াত করতে দেখেছি। তিনি বললেন, হে প্রিয় বৎস! তুমি কি আমাকে দেখতে পেয়েছিলে? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেন, কে বনী কুরায়যা গোত্রের নিকট গিয়ে তাদের খবরা-খবর জেনে আসবে? তখন আমিই গিয়েছিলাম। যখন আমি ফিরে আসলাম তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার জন্য তাঁর মাতা-পিতাকে একত্র করে বললেন, আমার মাতাপিতা তোমার জন্য কুরবান হোক। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1336 OK

(১৩৩৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَنْبَأَنَا سُلَيْمَانُ يَعْنِي التَّيْمِيَّ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرٍ عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ أَنَّ رَجُلًا حَمَلَ عَلَى فَرَسٍ يُقَالُ لَهَا غَمْرَةُ أَوْ غَمْرَاءُ وَقَالَ فَوَجَدَ فَرَسًا أَوْ مُهْرًا يُبَاعُ فَنُسِبَتْ إِلَى تِلْكَ الْفَرَسِ فَنُهِيَ عَنْهَا


হজরত জুবায়ের বিন আল-আওয়াম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এক ব্যক্তিকে ঘোড়ায় আরোহণ করালেন অর্থাৎ তাকে ঘোড়ার মালিক বানিয়ে দিলেন, ঐ ঘোড়াটির নাম ছিল ঘামরাহ বা ঘামরা, কিছুকাল পর এই ঘোড়া বা তার একটি বাচ্চা বিক্রি হতে দেখা গেল , যেহেতু তিনি যে ঘোড়াটি দান করেছিলেন সেই ঘোড়ার সাথে তা সম্পর্কিত ছিল, তাই তাকে ওটা কিনতে নিষেধ করা হয়েছিল। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1337 OK

(১৩৩৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَنْبَأَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ مُسْلِمِ بْنِ جُنْدُبٍ عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْجُمُعَةَ ثُمَّ نَنْصَرِفُ فَنَبْتَدِرُ الْآجَامَ فَلَا نَجِدُ إِلَّا قَدْرَ مَوْضِعِ أَقْدَامِنَا قَالَ يَزِيدُ الْآجَامُ هِيَ الْآطَامُ


হজরত জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে জুমার নামাজ পড়তাম, তারপর আমরা চলে যেতাম এবং দুর্গের ছায়া খুঁজতাম, কিন্তু আমরা আমাদের পায়ের জায়গা ছাড়া আর কোন ছায়া পেতাম না। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1338 OK

(১৩৩৮)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَنْبَأَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ يَعِيشَ بْنِ الْوَلِيدِ بْنِ هِشَامٍ وَأَبُو مُعَاوِيَةَ شَيْبَانُ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ يَعِيشَ بْنِ الْوَلِيدِ بْنِ هِشَامٍ عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَبَّ إِلَيْكُمْ دَاءُ الْأُمَمِ قَبْلَكُمْ الْحَسَدُ وَالْبَغْضَاءُ وَالْبَغْضَاءُ هِيَ الْحَالِقَةُ حَالِقَةُ الدِّينِ لَا حَالِقَةُ الشَّعَرِ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَا تُؤْمِنُوا حَتَّى تَحَابُّوا أَفَلَا أُنَبِّئُكُمْ بِشَيْءٍ إِذَا فَعَلْتُمُوهُ تَحَابَبْتُمْ أَفْشُوا السَّلَامَ بَيْنَكُمْ


হজরত যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিসমূহের রোগসমূহ, অর্থাৎ হিংসা ও বিদ্বেষ তোমাদের মধ্যেও গেঁথে গেছে এবং বিদ্বেষ এমন একটি জিনিস যা ধর্মকে কর্তন করে, যেমন চুলকে কর্তন করা হয়। সেই সত্তার কসম যার হাতে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রাণ, তোমরা পরিপূর্ণ ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমরা একে অপরকে ভালবাসতে শুরু কর। আমি কি তোমাদেরকে এমন কোনো পদ্ধতি বলবো না, যা অনুস্বরন করলে তোমরা একে অপরকে ভালোবাসতে শুরু করবে? যদি তোমরা একে অপরকে ভালবাসতে চাও, তবে নিজেদের মধ্যে সালামের অভ্যাস গড়ে তুলো। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৩৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1339 OK

(১৩৩৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ جَامِعِ بْنِ شَدَّادٍ عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قُلْتُ لِلزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ مَا لِي لَا أَسْمَعُكَ تُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَمَا أَسْمَعُ ابْنَ مَسْعُودٍ وَفُلَانًا وَفُلَانًا قَالَ أَمَا إِنِّي لَمْ أُفَارِقْهُ مُنْذُ أَسْلَمْتُ وَلَكِنِّي سَمِعْتُ مِنْهُ كَلِمَةً مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنْ النَّارِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি আমার পিতা হজরত যুবায়ের (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, আমি যেভাবে হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) ও অন্যদেরকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনি, আপনার কাছ থেকে সেভাবে শুনতে পাচ্ছি না, এর কোনো কারণ আছে কি? তিনি বলেন, ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে কখনোই আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গ থেকে পৃথক হইনি, কিন্তু আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করে, সে জাহান্নামে তার ঠিকানা করে নিবে (তাই আমি হাদীস বর্ণনা করতে ভয় পাই)। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1340 OK
View Quran

(১৩৪০)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ حَدَّثَنَا شَدَّادٌ يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا غَيْلَانُ بْنُ جَرِيرٍ عَنْ مُطَرِّفٍ قَالَ قُلْنَا لِلزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مَا جَاءَ بِكُمْ ضَيَّعْتُمْ الْخَلِيفَةَ حَتَّى قُتِلَ ثُمَّ جِئْتُمْ تَطْلُبُونَ بِدَمِهِ قَالَ الزُّبَيْرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِنَّا قَرَأْنَاهَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ وَاتَّقُوا فِتْنَةً لَا تُصِيبَنَّ الَّذِينَ ظَلَمُوا مِنْكُمْ خَاصَّةً لَمْ نَكُنْ نَحْسَبُ أَنَّا أَهْلُهَا حَتَّى وَقَعَتْ مِنَّا حَيْثُ وَقَعَتْ


মুতরফ থেকে বর্ণিতঃ

মুতরফ বলেন যে, একবার আমরা হযরত যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বললামঃ হে আবূ আবদুল্লাহ! আপনারা কি উদ্দেশ্যে এসেছেন, আপনারা একজন খলিফাকে শহীদ করে খিলাফতকে নষ্ট করেছেন, এখন আপনারাই তার প্রতিশোধ (কিসাস) দাবি করছেন? হজরত জুবায়ের (রা.) বলেন, আমরা পবিত্র কোরআনের এই আয়াতটি রাসূলুল্লাহ (সা.), হজরত সিদ্দিক আকবর, ফারুক আযম এবং হজরত উসমান গনি (রা.)-এর সময়ে পাঠ করতাম যে,

وَٱتَّقُواْ فِتۡنَةٗ لَّا تُصِيبَنَّ ٱلَّذِينَ ظَلَمُواْ مِنكُمۡ خَآصَّةٗۖ وَٱعۡلَمُوٓاْ أَنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلۡعِقَابِ

হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা ঐ বিপর্যয়কে ভয় করো, যে বিপর্যয় কেবল মাত্র তাদের উপরেই পতিত হবে না, যারা তোমাদের মধ্যে অত্যাচারী, কেনোনা ঐ বিপর্যয় সকলের উপর পতিত হবে। আর তোমরা জেনে রেখো যে, আল্লাহ প্রতিফল দানে কঠোর। [৮ : ২৫]

কিন্তু আমরা কখনো ভাবিনি যে, এটা আমাদের ওপরও প্রযোজ্য হবে, যতক্ষণ না এই বিপর্যয় আমাদের ওপর এসেছে। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৪০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1341 OK

(১৩৪১)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كُنَاسَةَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنِ الزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَيِّرُوا الشَّيْبَ وَلَا تَشَبَّهُوا بِالْيَهُودِ


হজরত যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমরা তোমাদের চুলের শুভ্রতা পরিবর্তন করতে পার, কিন্তু এ ব্যাপারে ইহুদিদের অনুসরণ করা থেকে বিরত থাকো।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৪১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1342 OK

(১৩৪২)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ مَخْزُومِيٌّ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِنْسَانَ قَالَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ خَيْرًا عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنِ الزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ أَقْبَلْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ لَيْلَةٍ حَتَّى إِذَا كُنَّا عِنْدَ السِّدْرَةِ وَقَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي طَرَفِ الْقَرْنِ الْأَسْوَدِ حَذْوَهَا فَاسْتَقْبَلَ نَخِبًا بِبَصَرِهِ يَعْنِي وَادِيًا وَقَفَ حَتَّى اتَّفَقَ النَّاسُ كُلُّهُمْ ثُمَّ قَالَ إِنَّ صَيْدَ وَجٍّ وَعِضَاهَهُ حَرَمٌ مُحَرَّمٌ لِلَّهِ وَذَلِكَ قَبْلَ نُزُولِهِ الطَّائِفَ وَحِصَارِهِ ثَقِيفَ


হযরত যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে লায়াহ নামক স্থান থেকে আসছিলাম, যখন আমরা একটি বেরি গাছের কাছে পৌঁছলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সামনে কুরআন-এ-আসওয়াদ নামক পাহাড়ের দিকে দাঁড়ালেন এবং ওয়াদী নাখাবের দিকে চোখ তুলে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন, এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন যে, তায়েফ উপত্যকার প্রতিটি কাঁটাযুক্ত গাছ হারামের অভ্যন্তরে এবং তা কাটা বা এখানে শিকার করা বা হত্যা করা আল্লাহর হুকুমে হারাম। এ কথা তিনি তায়েফে পৌঁছে বনু সাকিফ অবরোধ করার আগে বলেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৪২]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1343 OK

(১৩৪৩)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ عَبَّادِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنِ الزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يَوْمَئِذٍ أَوْجَبَ طَلْحَةُ حِينَ صَنَعَ بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا صَنَعَ يَعْنِي حِينَ بَرَكَ لَهُ طَلْحَةُ فَصَعِدَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى ظَهْرِهِ


হজরত জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যেদিন হজরত তালহা (রা.) রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর খেদমত করলেন, অর্থাৎ তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সামনে মাথা নত করে বসলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর পিঠে চড়ে বসলেন। সেইদিন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, তালহা নিজের জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে নিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৪৩]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1344 OK

(১৩৪৪)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْهَاشِمِيُّ أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ يَعْنِي ابْنَ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ هِشَامٍ عَنْ عُرْوَةَ قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي الزُّبَيْرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ لَمَّا كَانَ يَوْمُ أُحُدٍ أَقْبَلَتْ امْرَأَةٌ تَسْعَى حَتَّى إِذَا كَادَتْ أَنْ تُشْرِفَ عَلَى الْقَتْلَى قَالَ فَكَرِهَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تَرَاهُمْ فَقَالَ الْمَرْأَةَ الْمَرْأَةَ قَالَ الزُّبَيْرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَتَوَسَّمْتُ أَنَّهَا أُمِّي صَفِيَّةُ قَالَ فَخَرَجْتُ أَسْعَى إِلَيْهَا فَأَدْرَكْتُهَا قَبْلَ أَنْ تَنْتَهِيَ إِلَى الْقَتْلَى قَالَ فَلَدَمَتْ فِي صَدْرِي وَكَانَتْ امْرَأَةً جَلْدَةً قَالَتْ إِلَيْكَ لَا أَرْضَ لَكَ قَالَ فَقُلْتُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَزَمَ عَلَيْكِ قَالَ فَوَقَفَتْ وَأَخْرَجَتْ ثَوْبَيْنِ مَعَهَا فَقَالَتْ هَذَانِ ثَوْبَانِ جِئْتُ بِهِمَا لِأَخِي حَمْزَةَ فَقَدْ بَلَغَنِي مَقْتَلُهُ فَكَفِّنُوهُ فِيهِمَا قَالَ فَجِئْنَا بِالثَّوْبَيْنِ لِنُكَفِّنَ فِيهِمَا حَمْزَةَ فَإِذَا إِلَى جَنْبِهِ رَجُلٌ مِنْ الْأَنْصَارِ قَتِيلٌ قَدْ فُعِلَ بِهِ كَمَا فُعِلَ بِحَمْزَةَ قَالَ فَوَجَدْنَا غَضَاضَةً وَحَيَاءً أَنْ نُكَفِّنَ حَمْزَةَ فِي ثَوْبَيْنِ وَالْأَنْصَارِيُّ لَا كَفَنَ لَهُ فَقُلْنَا لِحَمْزَةَ ثَوْبٌ وَلِلْأَنْصَارِيِّ ثَوْبٌ فَقَدَرْنَاهُمَا فَكَانَ أَحَدُهُمَا أَكْبَرَ مِنْ الْآخَرِ فَأَقْرَعْنَا بَيْنَهُمَا فَكَفَّنَّا كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا فِي الثَّوْبِ الَّذِي صَارَ لَهُ


হজরত যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

উহুদ যুদ্ধের শেষের দিকে একজন মহিলাকে সামনে থেকে দ্রুত আসতে দেখা যায়। একজন মহিলা শহীদদের লাশকে দেখতে পারা নবী (সা.) ভালো মনে করেননি, তাই তিনি বললেন, এই মহিলাকে থামাও, এই মহিলাকে থামাও। হজরত যুবায়ের (রা.) বলে যে, আমি বুঝতে পারলাম যে, ইনি আমার মা হজরত সাফিয়া (রা.), তাই আমি তার দিকে দৌড়ে গিয়ে শহীদদের লাশের কাছে পৌঁছানোর আগেই তাকে ধরে ফেললাম। আমাকে দেখে আমার মা আমার বুকে দুইটা ধাক্কা দিয়ে আমাকে পিছনে ঠেলে দিল, সে একজন বলিষ্ঠ মহিলা ছিলো এবং বললো, সরে যাও, আমি তোমার সাথে কথা বলতে আসিনি। আমি বললাম যে, রাসুল (সা.) আপনাকে এই লাশ না দেখার শপথ করিয়েছেন আমাকে। এই কথা শুনে আমার মা থেমে গেল এবং তার সাথে থাকা দুটি কাপড় বের করে বললো, এই দুটি কাপড় আমি আমার ভাই হামজার জন্য নিয়ে এসেছি, কারণ আমি তার শাহাদাতের খবর পেয়েছি, তুমি তাকে এই কাপড়গুলো দিয়ে কাফন দেবে। আমরা যখন হজরত হামজা (রা.)-কে এই দুটি কাপড়ে কাফন দিতে শুরু করলাম, তখন দেখলাম, একজন আনসারী শহীদ তার পাশে শুয়ে আছেন, আমরা লজ্জিত হলাম যে, হজরত হামযা (রা.)-কে দুটি কাপড়ে কাফন দিতে হবে এবং এই আনসারীর জন্য একটি কাপড়ও জোটেনি। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যে, হজরত হামজা (রা.)-কে একটি কাপড়ে কাফন দিতে হবে এবং অন্যটি আমি এই আনসারী সাহাবীকে দেবো। পরে আমরা দেখতে পেলাম যে, দুইজনের একজন বেশি লম্বা। তাই আমরা লটারি করলাম এবং যার নামে যে কাপড়টি বের হয়েছিল তাকে ঐ কাপড়ে কাফন দিয়েছিলাম। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৪৪]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1345 OK

(১৩৪৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ أَنَّ الزُّبَيْرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ كَانَ يُحَدِّثُ أَنَّهُ خَاصَمَ رَجُلًا مِنْ الْأَنْصَارِ قَدْ شَهِدَ بَدْرًا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي شِرَاجِ الْحَرَّةِ كَانَا يَسْتَقِيَانِ بِهَا كِلَاهُمَا فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ اسْقِ ثُمَّ أَرْسِلْ إِلَى جَارِكَ فَغَضِبَ الْأَنْصَارِيُّ وَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنْ كَانَ ابْنَ عَمَّتِكَ فَتَلَوَّنَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ لِلزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ اسْقِ ثُمَّ احْبِسْ الْمَاءَ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَى الْجَدْرِ فَاسْتَوْعَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَئِذٍ لِلزُّبَيْرِ حَقَّهُ وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَبْلَ ذَلِكَ أَشَارَ عَلَى الزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بِرَأْيٍ أَرَادَ فِيهِ سَعَةً لَهُ وَلِلْأَنْصَارِيِّ فَلَمَّا أَحْفَظَ الْأَنْصَارِيُّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَوْعَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلزُّبَيْرِ حَقَّهُ فِي صَرِيحِ الْحُكْمِ قَالَ عُرْوَةُ فَقَالَ الزُّبَيْرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَاللَّهِ مَا أَحْسِبُ هَذِهِ الْآيَةَ أُنْزِلَتْ إِلَّا فِي ذَلِكَ فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا


আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক আনসারী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সঙ্গে হাররার নালার পানির ব্যাপারে ঝগড়া করল যে পানি দ্বারা খেজুর বাগান সিঞ্চন করত। আনসারী বলল, নালার পানি ছেড়ে দিন, যাতে তা (প্রবাহিত থাকে) কিন্তু যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু তা দিতে অস্বীকার করেন। তারা দু’জনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে এ নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হলে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু- কে বলেন, হে যুবাইর! তোমার যমীনে (প্রথমে) সিঞ্চন করে নাও। এরপর তোমার প্রতিবেশীর দিকে পানি ছেড়ে দাও। এতে আনসারী অসন্তুষ্ট হয়ে বলল, সে তো আপনার ফুফাতো ভাই। এতে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারায় অসন্তুষ্টির লক্ষণ প্রকাশ পেল। এরপর তিনি বললেন, হে যুবাইর! তুমি নিজের জমি সিঞ্চন কর। এরপর পানি আটকিয়ে রাখ, যাতে তা বাঁধ পর্যন্ত পৌঁছে। যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আল্লাহর কসম! আমার মনে হয়, এ আয়াতটি এ সম্পর্কে নাযিল হয়েছেঃ “তোমার প্রতিপালকের শপথ! তারা মু’মিন হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের নিজেদের বিবাদ বিসম্বাদের বিচার ভার আপনার উপর পত্যার্পণ না করে”- (আন-নিসাঃ ৬৫)। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1346 OK

(১৩৪৬)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ رَبِّهِ حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنِي جُبَيْرُ بْنُ عَمْرٍو الْقُرَشِيُّ حَدَّثَنِي أَبُو سَعْدٍ الْأَنْصَارِيُّ عَنْ أَبِي يَحْيَى مَوْلَى آلِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْبِلَادُ بِلَادُ اللَّهِ وَالْعِبَادُ عِبَادُ اللَّهِ فَحَيْثُمَا أَصَبْتَ خَيْرًا فَأَقِمْ


হজরত যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, শহরগুলো আল্লাহর এবং বান্দাও আল্লাহর, সুতরাং যেখানেই ভালো মনে করো, সেখানেই বসতি স্থাপন করো। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৪৬]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1347 OK
View Quran

(১৩৪৭)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنِي جُبَيْرُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَعْدٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ أَبِي يَحْيَى مَوْلَى آلِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ بِعَرَفَةَ يَقْرَأُ هَذِهِ الْآيَةَ شَهِدَ اللَّهُ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ وَالْمَلَائِكَةُ وَأُولُوا الْعِلْمِ قَائِمًا بِالْقِسْطِ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ وَأَنَا عَلَى ذَلِكَ مِنْ الشَّاهِدِينَ يَا رَبِّ


হজরত জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি আরাফাতের ময়দানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এই আয়াত পাঠ করতে শুনেছি যে,

شَهِدَ ٱللَّهُ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ وَأُوْلُواْ ٱلۡعِلۡمِ قَآئِمَۢا بِٱلۡقِسۡطِۚ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلۡعَزِيزُ ٱلۡحَكِيمُ ١٨

(১৮) আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। আর জ্ঞানের অধিকারীরা ও ফেরেশতাগণ ন্যায়ের উপরে অধিষ্ঠিত হয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। [৩. আল ইমরান : ১৮]

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন যে, হে আল্লাহ! আমিও এর একজন সাক্ষী। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৪৭]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1348 OK

(১৩৪৮)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَطَاءِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ مَوْلَى الزُّبَيْرِ عَنْ أُمِّهِ وَجَدَّتِهِ أُمِّ عَطَاءٍ قَالَتَا وَاللَّهِ لَكَأَنَّنَا نَنْظُرُ إِلَى الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ حِينَ أَتَانَا عَلَى بَغْلَةٍ لَهُ بَيْضَاءَ فَقَالَ يَا أُمَّ عَطَاءٍ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ نَهَى الْمُسْلِمِينَ أَنْ يَأْكُلُوا مِنْ لُحُومِ نُسُكِهِمْ فَوْقَ ثَلَاثٍ قَالَ فَقُلْتُ بِأَبِي أَنْتَ فَكَيْفَ نَصْنَعُ بِمَا أُهْدِيَ لَنَا فَقَالَ أَمَّا مَا أُهْدِيَ لَكُنَّ فَشَأْنَكُنَّ بِهِ


উম্মে আতা থেকে বর্ণিতঃ

উম্মে আতা ও অন্যরা বলেন যে, খোদা! আমরা মনে করি যেন আমরা এখনও হযরত যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে দেখতে পাচ্ছি, যখন তিনি তার সাদা খচ্চরে আমাদের কাছে এসে বললেনঃ হে উম্মে আতা! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলমানদেরকে তিন দিনের বেশি কোরবানির গোশত রেখে খেতে নিষেধ করেছেন। আমি বললাম, আপনার উপর আমার বাবা-মা কোরবান হোক, যদি আমাদের নিকট কোনো গোশত হাদিয়া হিসেবে আসে তাহলে আমাদের কী করা উচিত? হযরত যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, যে কোরবানির গোশত হাদিয়া হিসাবে আসে, তার উপর আপনার কর্তৃত্ব রয়েছে। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৪৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1349 OK

(১৩৪৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৩৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ أَنْبَأَنَا هِشَامٌ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ قَالَ لَمَّا كَانَ يَوْمُ الْخَنْدَقِ كُنْتُ أَنَا وَعُمَرُ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ فِي الْأُطُمِ الَّذِي فِيهِ نِسَاءُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُطُمِ حَسَّانَ فَكَانَ يَرْفَعُنِي وَأَرْفَعُهُ فَإِذَا رَفَعَنِي عَرَفْتُ أَبِي حِينَ يَمُرُّ إِلَى بَنِي قُرَيْظَةَ وَكَانَ يُقَاتِلُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الْخَنْدَقِ فَقَالَ مَنْ يَأْتِي بَنِي قُرَيْظَةَ فَيُقَاتِلَهُمْ فَقُلْتُ لَهُ حِينَ رَجَعَ يَا أَبَتِ تَاللَّهِ إِنْ كُنْتُ لَأَعْرِفُكَ حِينَ تَمُرُّ ذَاهِبًا إِلَى بَنِي قُرَيْظَةَ فَقَالَ يَا بُنَيَّ أَمَا وَاللَّهِ إِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيَجْمَعُ لِي أَبَوَيْهِ جَمِيعًا يُفَدِّينِي بِهِمَا يَقُولُ فِدَاكَ أَبِي وَأُمِّي


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

খন্দক যুদ্ধ চলা কালে আমি এবং উমার ইব্নু আবূ সালামাহ (অল্প বয়সি বলে) মহিলাদের দলে চলছিলাম। হঠাৎ যুবায়রকে দেখতে পেলাম যে, তিনি অশ্বারোহণ করে বনী কুরায়যা গোত্রের দিকে দুবার অথবা তিনবার আসা যাওয়া করছেন। যখন ফিরে আসলাম তখন বললাম, আব্বা! আমি আপনাকে কয়েকবার যাতায়াত করতে দেখেছি। তিনি বললেন, হে প্রিয় বৎস! তুমি কি আমাকে দেখতে পেয়েছিলে? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেন, কে বনী কুরায়যা গোত্রের নিকট গিয়ে তাদের খবরা-খবর জেনে আসবে? তখন আমিই গিয়েছিলাম। যখন আমি ফিরে আসলাম তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার জন্য তাঁর মাতা-পিতাকে একত্র করে বললেন, আমার মাতাপিতা তোমার জন্য কুরবান হোক। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1350 OK

(১৩৫০)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَتَّابٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُقْبَةَ وَهُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ لَهِيعَةَ بْنِ عُقْبَةَ حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَبِيبٍ عَمَّنْ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْمُغِيرَةِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ يَقُولُ سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ وَهْبٍ الْخَوْلَانِيَّ يَقُولُ لَمَّا افْتَتَحْنَا مِصْرَ بِغَيْرِ عَهْدٍ قَامَ الزُّبَيْرُ بْنُ الْعَوَّامِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ يَا عَمْرُو بْنَ الْعَاصِ اقْسِمْهَا فَقَالَ عَمْرٌو لَا أَقْسِمُهَا فَقَالَ الزُّبَيْرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَاللَّهِ لَتَقْسِمَنَّهَا كَمَا قَسَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَيْبَرَ قَالَ عَمْرٌو وَاللَّهِ لَا أَقْسِمُهَا حَتَّى أَكْتُبَ إِلَى أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ فَكَتَبَ إِلَى عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَكَتَبَ إِلَيْهِ عُمَرُ أَنْ أَقِرَّهَا حَتَّى يَغْزُوَ مِنْهَا حَبَلُ الْحَبَلَةِ


সুফিয়ান বিন ওয়াহিব খুলানি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা যখন তরবারির জোরে মিসর দেশ জয় করি, তখন হজরত যুবায়ের (রা.) হজরত আমর ইবনে আল-আস (রা.)-কে বললেন, যিনি ছিলেন মিসর বিজয়ী এবং ইসলামের সেনাবাহিনীর সেনাপতি, “হে আমর বিন আল আস! মিসরকে ভাগ করুন, তিনি বললেন, আমি এখন এটাকে ভাগ করবো না। হজরত জুবায়ের (রা.) শপথ করে বললেন যে, আপনাকেও সেভাবে ভাগ করতে হবে যেভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খায়বারকে ভাগ করেছিলেন। আমর ইবনে আল-আস (রা.) বললেন যে, আমি আমিরুল মুমিনীনকে একটি দরখাস্ত লিখে পাঠানোর আগে এটা ভাগ করতে পারি না। তাই তিনি হজরত ওমর (রা.)-এর খেদমতে একটি দরখাস্ত পাঠালেন এবং সেখান থেকে উত্তর এলো যে, তিনি যেনো এটিকে ভাগ না করে আপাতত এভাবেই রেখে দেন (যতক্ষণ না পরবর্তী প্রজন্ম যুদ্ধে যোগ দেয়)। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৫০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1351 OK

(১৩৫১)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَتَّابٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ حَدَّثَنَا فُلَيْحُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنِ الْمُنْذِرِ بْنِ الزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْطَى الزُّبَيْرَ سَهْمًا وَأُمَّهُ سَهْمًا وَفَرَسَهُ سَهْمَيْنِ


হজরত যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুদ্ধ শেষ করার পর তাকে গনীমতের একটি অংশ দিয়েছিলেন। তার মাকেও এক ভাগ দেওয়া হয়েছিল এবং ঘোড়াকে দুটি ভাগ দেওয়া হয়েছিল (অর্থাৎ প্রতিটি ঘোড়সওয়ারকে দুটি ভাগ দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি পদাতিককে একটি ভাগ দেওয়া হয়েছিল)। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৫১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1352 OK

(১৩৫২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا مُبَارَكٌ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ فَقَالَ أَقْتُلُ لَكَ عَلِيًّا قَالَ لَا وَكَيْفَ تَقْتُلُهُ وَمَعَهُ الْجُنُودُ قَالَ أَلْحَقُ بِهِ فَأَفْتِكُ بِهِ قَالَ لَا إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ الْإِيمَانَ قَيْدُ الْفَتْكِ لَا يَفْتِكُ مُؤْمِنٌ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَنْبَأَنَا مُبَارَكُ بْنُ فَضَالَةَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ قَالَ أَتَى رَجُلٌ الزُّبَيْرَ بْنَ الْعَوَّامِ فَقَالَ أَلَا أَقْتُلُ لَكَ عَلِيًّا قَالَ وَكَيْفَ تَسْتَطِيعُ قَتْلَهُ وَمَعَهُ النَّاسُ فَذَكَرَ مَعْنَاهُ


খাজা হাসান বসরী (রহ.) থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি হজরত যুবায়ের (রা.)-এর খেদমতে এসে বললেন, আমি কি আপনার জন্য আলীকে হত্যা করবো না? তিনি বললেন, না! তুমি তাকে কিভাবে হত্যা করতে পারবে, যখন তার সাথে এত বড় সেনাবাহিনী আছে? সে বলল, তাহলে আমি কি আপনার জন্য তার কাছে গিয়ে খিলাফতের বিষয়ে তর্ক করবো? তিনি বললেন, এটাও ঘটতে পারে না কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, ঈমান ঝগড়ার পা বেঁধে দেয়, তাই একজন মুমিন ঝগড়া করতে পারে না। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1353 OK

(১৩৫৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৩৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ جَامِعِ بْنِ شَدَّادٍ عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قُلْتُ لِلزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ مَا لِي لَا أَسْمَعُكَ تُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَمَا أَسْمَعُ ابْنَ مَسْعُودٍ وَفُلَانًا وَفُلَانًا قَالَ أَمَا إِنِّي لَمْ أُفَارِقْهُ مُنْذُ أَسْلَمْتُ وَلَكِنِّي سَمِعْتُ مِنْهُ كَلِمَةً مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنْ النَّارِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি আমার পিতা হজরত যুবায়ের (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, আমি যেভাবে হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) ও অন্যদেরকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনি, আপনার কাছ থেকে সেভাবে শুনতে পাচ্ছি না, এর কোনো কারণ আছে কি? তিনি বলেন, ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে কখনোই আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গ থেকে পৃথক হইনি, কিন্তু আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করে, সে জাহান্নামে তার ঠিকানা করে নিবে (তাই আমি হাদীস বর্ণনা করতে ভয় পাই)। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1354 OK

(১৩৫৪)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَأَنْ يَحْمِلَ الرَّجُلُ حَبْلًا فَيَحْتَطِبَ بِهِ ثُمَّ يَجِيءَ فَيَضَعَهُ فِي السُّوقِ فَيَبِيعَهُ ثُمَّ يَسْتَغْنِيَ بِهِ فَيُنْفِقَهُ عَلَى نَفْسِهِ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَسْأَلَ النَّاسَ أَعْطَوْهُ أَوْ مَنَعُوهُ


হজরত জুবায়ের বিন আল-আওয়াম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোনো ব্যক্তির জন্যে তার নিজের দড়ি নিয়ে কাঠ বেঁধে বাজারে নিয়ে আসা এবং তা বিক্রি করে, তা থেকে অর্থ উপার্জন করা এবং নিজের জন্যে তা ব্যয় করা, মানুষের কাছে কোনো কিছু চাওয়ার চেয়ে উত্তম। কেননা মানুষের কাছে কোনো কিছু চাইলে, সে তাকে দিতেও পারে আবার নাও দিতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1355 OK

(১৩৫৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৩৮] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَنْبَأَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ يَعِيشَ بْنِ الْوَلِيدِ بْنِ هِشَامٍ وَأَبُو مُعَاوِيَةَ شَيْبَانُ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ يَعِيشَ بْنِ الْوَلِيدِ بْنِ هِشَامٍ عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَبَّ إِلَيْكُمْ دَاءُ الْأُمَمِ قَبْلَكُمْ الْحَسَدُ وَالْبَغْضَاءُ وَالْبَغْضَاءُ هِيَ الْحَالِقَةُ حَالِقَةُ الدِّينِ لَا حَالِقَةُ الشَّعَرِ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَا تُؤْمِنُوا حَتَّى تَحَابُّوا أَفَلَا أُنَبِّئُكُمْ بِشَيْءٍ إِذَا فَعَلْتُمُوهُ تَحَابَبْتُمْ أَفْشُوا السَّلَامَ بَيْنَكُمْ


হজরত যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিসমূহের রোগসমূহ, অর্থাৎ হিংসা ও বিদ্বেষ তোমাদের মধ্যেও গেঁথে গেছে এবং বিদ্বেষ এমন একটি জিনিস যা ধর্মকে কর্তন করে, যেমন চুলকে কর্তন করা হয়। সেই সত্তার কসম যার হাতে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রাণ, তোমরা পরিপূর্ণ ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমরা একে অপরকে ভালবাসতে শুরু কর। আমি কি তোমাদেরকে এমন কোনো পদ্ধতি বলবো না, যা অনুস্বরন করলে তোমরা একে অপরকে ভালোবাসতে শুরু করবে? যদি তোমরা একে অপরকে ভালবাসতে চাও, তবে নিজেদের মধ্যে সালামের অভ্যাস গড়ে তুলো। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৫৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1356 OK

(১৩৫৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৫২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا مُبَارَكٌ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ فَقَالَ أَقْتُلُ لَكَ عَلِيًّا قَالَ لَا وَكَيْفَ تَقْتُلُهُ وَمَعَهُ الْجُنُودُ قَالَ أَلْحَقُ بِهِ فَأَفْتِكُ بِهِ قَالَ لَا إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ الْإِيمَانَ قَيْدُ الْفَتْكِ لَا يَفْتِكُ مُؤْمِنٌ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَنْبَأَنَا مُبَارَكُ بْنُ فَضَالَةَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ قَالَ أَتَى رَجُلٌ الزُّبَيْرَ بْنَ الْعَوَّامِ فَقَالَ أَلَا أَقْتُلُ لَكَ عَلِيًّا قَالَ وَكَيْفَ تَسْتَطِيعُ قَتْلَهُ وَمَعَهُ النَّاسُ فَذَكَرَ مَعْنَاهُ


খাজা হাসান বসরী (রহ.) থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি হজরত যুবায়ের (রা.)-এর খেদমতে এসে বললেন, আমি কি আপনার জন্য আলীকে হত্যা করবো না? তিনি বললেন, না! তুমি তাকে কিভাবে হত্যা করতে পারবে, যখন তার সাথে এত বড় সেনাবাহিনী আছে? সে বলল, তাহলে আমি কি আপনার জন্য তার কাছে গিয়ে খিলাফতের বিষয়ে তর্ক করবো? তিনি বললেন, এটাও ঘটতে পারে না কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, ঈমান ঝগড়ার পা বেঁধে দেয়, তাই একজন মুমিন ঝগড়া করতে পারে না। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1357 OK

(১৩৫৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৩১] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَاطِبٍ عَنِ ابْنِ الزُّبَيْرِ عَنِ الزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ ثُمَّ إِنَّكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عِنْدَ رَبِّكُمْ تَخْتَصِمُونَ قَالَ الزُّبَيْرُ أَيْ رَسُولَ اللَّهِ مَعَ خُصُومَتِنَا فِي الدُّنْيَا قَالَ نَعَمْ وَلَمَّا نَزَلَتْ ثُمَّ لَتُسْأَلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنْ النَّعِيمِ قَالَ الزُّبَيْرُ أَيْ رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ نَعِيمٍ نُسْأَلُ عَنْهُ وَإِنَّمَا يَعْنِي هُمَا الْأَسْوَدَانِ التَّمْرُ وَالْمَاءُ قَالَ أَمَا إِنَّ ذَلِكَ سَيَكُونُ


হজরত যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন এ আয়াত নাজিল হলো যে,

ثُمَّ إِنَّكُمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ عِندَ رَبِّكُمۡ تَخۡتَصِمُونَ

(৩১) তারপর নিশ্চয় কিয়ামতের দিনে তোমরা সবাই তোমাদের প্রভুর সামনে অভিযোগ পেশ করবে। [৩৯. আয যুমার : ৩১]

তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এই ঝগড়া বলতে কি এমন লোকেদের সাথে ঝগড়া করা বোঝানো হয়েছে যারা পৃথিবীতে একজনের বিপক্ষে? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। তারপর যখন এই আয়াত নাযিল হল যে, “তারপর তোমাদেরকে সেদিন অবশ্যই নিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে”-(সূরা তাকাসুর ৮) সে সময় যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদেরকে কোন নিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে? আমাদের নিকট তো শুধুমাত্র দুই ধরনের জিনিস রয়েছে; খেজুর ও পানি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ঐ (সম্পত্তি) তো অদূর ভবিষ্যতে অর্জিত হবে। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৫৭]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1358 OK
View Quran

(১৩৫৮)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ عَمْرٌو وَسَمِعْتُ عِكْرِمَةَ وَإِذْ صَرَفْنَا إِلَيْكَ وَقُرِئَ عَلَى سُفْيَانَ عَنِ الزُّبَيْرِ نَفَرًا مِنْ الْجِنِّ يَسْتَمِعُونَ الْقُرْآنَ قَالَ بِنَخْلَةَ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي الْعِشَاءَ الْآخِرَةَ كَادُوا يَكُونُونَ عَلَيْهِ لِبَدًا قَالَ سُفْيَانُ كَانَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ كَاللِّبَدِ بَعْضُهُ عَلَى بَعْضٍ


হজরত জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

পবিত্র কোরআনে জিনদের পবিত্র কোরআন শ্রবণ করার বিষয়টি নাখলা উপত্যকার সাথে সম্পর্কিত, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এশার সালাত আদায় করছিলেন। এবং কুরআনের এই আয়াত

وَأَنَّهُۥ لَمَّا قَامَ عَبۡدُ ٱللَّهِ يَدۡعُوهُ كَادُواْ يَكُونُونَ عَلَيۡهِ لِبَدٗا

(১৯) আর এটা সত্য যে, যখন আল্লাহর বান্দা মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহকে আহবান করতে নামাজে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন জ্বিনেরা প্রায় তাঁর অনেক কাছে এসে ভিড় করলো। [৭২. আল জ্বিন : ১৯]

كَادُوا يَكُونُونَ عَلَيْهِ لِبَدًا
এর অনুবাদ সুফিয়ান বলেন যে, “তারা যেনো একে অপরের উপর আরোহণ করছিল” (অর্থাৎ, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ইবাদতে মগ্ন দেখে মুশরিকরা ঝাঁকে ঝাঁকে এমনভাবে জড়ো হতো যে, মনে হচ্ছিলো যে তিনি এখনই আক্রান্ত হয়ে পরবেন এবং তারা তাঁকে এখনই আক্রমণ করবে।)
[মুসনাদে আহমাদ : ১৩৫৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1359 OK

(১৩৫৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৩৩৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَنْبَأَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ مُسْلِمِ بْنِ جُنْدُبٍ عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْجُمُعَةَ ثُمَّ نَنْصَرِفُ فَنَبْتَدِرُ الْآجَامَ فَلَا نَجِدُ إِلَّا قَدْرَ مَوْضِعِ أَقْدَامِنَا قَالَ يَزِيدُ الْآجَامُ هِيَ الْآطَامُ


হজরত জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে জুমার নামাজ পড়তাম, তারপর আমরা চলে যেতাম এবং দুর্গের ছায়া খুঁজতাম, কিন্তু আমরা আমাদের পায়ের জায়গা ছাড়া আর কোন ছায়া পেতাম না। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1360 OK

(১৩৬০)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ هِشَامٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلِمَةَ أَوْ مَسْلَمَةَ قَالَ كَثِيرٌ وَحِفْظِي سَلِمَةَ عَنْ عَلِيٍّ أَوْ عَنِ الزُّبَيْرِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْطُبُنَا فَيُذَكِّرُنَا بِأَيَّامِ اللَّهِ حَتَّى نَعْرِفَ ذَلِكَ فِي وَجْهِهِ وَكَأَنَّهُ نَذِيرُ قَوْمٍ يُصَبِّحُهُمْ الْأَمْرُ غُدْوَةً وَكَانَ إِذَا كَانَ حَدِيثَ عَهْدٍ بِجِبْرِيلَ لَمْ يَتَبَسَّمْ ضَاحِكًا حَتَّى يَرْتَفِعَ عَنْهُ


হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বা হজরত জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন আমাদেরকে উপদেশ দিতেন এবং আল্লাহর শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করতেন, তখন তার প্রভাব রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর বরকতময় চেহারায় দেখা যেতো। মনে হতো যেনো, তিনি সেই জাতিকে ভয় দেখাচ্ছেন যাদের ব্যাপারটি সকাল সকালেই মিটিয়ে দেওয়া হবে। রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন হজরত জিব্রাইল (আঃ)-এর সাথে দেখা করতেন, তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) ওহীর প্রভাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত হাসতেন না। [মুসনাদে আহমাদ : ১৩৬০]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস