(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৩১টি]



6676 OK

(৬৬৭৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ حَدَّثَنَا عِمْرَانُ الْقَطَّانُ حَدَّثَنَا عَامِرٌ الْأَحْوَلُ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَجُلًا قَالَ فُلَانٌ ابْنِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا دِعَاوَةَ فِي الْإِسْلَامِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

মক্কা বিজয়ের সময় এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, “অমুক আমার ছেলে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “ইসলামে এই দাবির কোনো বৈধতা নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6677 OK

(৬৬৭৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ هِشَامٍ الدَّسْتُوَائِيِّ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى عَلَيْهِ ثَوْبَيْنِ مُعَصْفَرَيْنِ قَالَ هَذِهِ ثِيَابُ الْكُفَّارِ لَا تَلْبَسْهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার শরীরে জাফরান রঞ্জিত দুটি পোশাক দেখে বললেন, “এগুলো কাফেরদের পোশাক; এগুলো খুলে ফেলো, এগুলো পরো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6678 OK

(৬৬৭৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৬১৯১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ قَالَ حَاتِمُ بْنُ أَبِي صَغِيرَةَ عَنْ أَبِي بَلْجٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا عَلَى الْأَرْضِ رَجُلٌ يَقُولُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ وَسُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ إِلَّا كُفِّرَتْ عَنْهُ ذُنُوبُهُ وَلَوْ كَانَتْ أَكْثَرَ مِنْ زَبَدِ الْبَحْرِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি পৃথিবীতে এই বাক্য গুলি বলবে, এই বাক্যগুলি তার সমস্ত পাপের কাফফারা হিসেবে গণ্য হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার সমান হয়।”

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ وَسُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

“আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহর জন্যে অনেক প্রশংসা, আল্লাহর জন্যে সকল মহিমা, আল্লাহ ছাড়া কোন শক্তি ও কোন সামর্থ নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6679 OK

(৬৬৭৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৯২১] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّيْمِيُّ أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ يَزِيدَ أَبِي الْخَطَّابِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فَاجْلِدُوهُ فَإِنْ شَرِبَهَا فَاجْلِدُوهُ فَإِنْ شَرِبَهَا فَاجْلِدُوهُ فَقَالَ فِي الرَّابِعَةِ أَوْ الْخَامِسَةِ فَاقْتُلُوهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি মদ পান করে, তাকে তোমরা বেত্রাঘাত করো, সে যদি আবার পান করে, তাহলে তাকে আবার বেত্রাঘাত করো। তারপর তাকে আবার বেত্রাঘাত করো। তারপর তাকে আবার বেত্রাঘাত করো। তারপর তাকে আবার বেত্রাঘাত করো।” আর চতুর্থ বা পঞ্চমবার তিনি বলেছেন, “তাকে তোমরা হত্যা করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৭৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6680 OK

(৬৬৮০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَظَرَ إِلَى أَعْرَابِيٍّ قَائِمًا فِي الشَّمْسِ وَهُوَ يَخْطُبُ فَقَالَ مَا شَأْنُكَ قَالَ نَذَرْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنْ لَا أَزَالَ فِي الشَّمْسِ حَتَّى تَفْرُغَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ هَذَا نَذْرًا إِنَّمَا النَّذْرُ مَا ابْتُغِيَ بِهِ وَجْهُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুতবা দেওয়ার সময় এক গ্রামবাসীকে রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমার কী হয়েছে?” সে বলল, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি মানত করেছি যে, আপনার খুতবা শেষ না হওয়া পর্যন্ত, আমি এভাবেই রোদে দাঁড়িয়ে থাকবো।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “এটি কোনো মানত নয়, বরং মানত হলো, যার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6681 OK

(৬৬৮১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ تَخَلَّفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَفْرَةٍ سَافَرْنَاهَا فَأَدْرَكَنَا وَقَدْ أَرْهَقَتْنَا صَلَاةُ الْعَصْرِ وَنَحْنُ نَتَوَضَّأُ فَجَعَلْنَا نَمْسَحُ عَلَى أَرْجُلِنَا فَنَادَى بِأَعْلَى صَوْتِهِ وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ مِنْ النَّارِ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক সফরে পিছনে থেকে গেলেন এবং যখন আসরের নামাযের সময় ঘনিয়ে আসলো, তখন তিনি আমাদের কাছে এলেন। আমরা অজু করছিলাম এবং পা মুছছিলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উচ্চস্বরে দুই বা তিনবার বললেন, “পায়ের গোড়ালি জন্যে জাহান্নামের আগুন রয়েছে, সুতরাং তা ভালো ভাবে ধৌত করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6682 OK

(৬৬৮২)

হাদিস দেখুন [৩১:১২৭] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ أَنْبَأَنَا عَمَّارُ بْنُ أَبِي عَمَّارٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى فِي يَدِ رَجُلٍ خَاتَمًا مِنْ ذَهَبٍ فَقَالَ أَلْقِ ذَا فَأَلْقَاهُ فَتَخَتَّمَ بِخَاتَمٍ مِنْ حَدِيدٍ فَقَالَ ذَا شَرٌّ مِنْهُ فَتَخَتَّمَ بِخَاتَمٍ مِنْ فِضَّةٍ فَسَكَتَ عَنْهُ


উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ব্যক্তির হাতে সোনার আংটি দেখলেন। তিনি তাকে বললেন, “এটা ফেলে দাও।” সে ফেলে দিলো। এরপর সে একটা লোহার আংটি পরলো। সেটি দেখে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এটা তো আরো খারাপ। এটা জাহান্নামীদের অলংকার।” এরপর সে একটা রূপার আংটি পরলো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটি সম্পর্কে কিছু বললেন না। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৮২]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



6683 OK

(৬৬৮৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُؤَمَّلِ عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْتِي الرُّكْنُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْظَمَ مِنْ أَبِي قُبَيْسٍ لَهُ لِسَانٌ وَشَفَتَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের দিন যখন কালো পাথরটি আসবে, তখন এটি আবু কুবাইস পাহাড়ের চেয়েও বড় হবে এবং এর একটি জিহ্বা এবং দুটি ঠোঁট থাকবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6684 OK

(৬৬৮৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ زِيَادِ بْنِ فَيَّاضٍ عَنْ أَبِي عِيَاضٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اجْتَنِبُوا مِنْ الْأَوْعِيَةِ الدُّبَّاءَ وَالْمُزَفَّتَ وَالْحَنْتَمَ قَالَ شَرِيكٌ وَذَكَرَ أَشْيَاءَ قَالَ فَقَالَ لَهُ أَعْرَابِيٌّ لَا ظُرُوفَ لَنَا فَقَالَ اشْرَبُوا مَا حَلَّ وَلَا تَسْكَرُوا أَعَدْتُهُ عَلَى شَرِيكٍ فَقَالَ اشْرَبُوا وَلَا تَشْرَبُوا مُسْكِرًا وَلَا تَسْكَرُوا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “‘দাবা’, ‘মুজাফাত’ এবং ‘হানতাম’ নামক পাত্র ব্যবহার করা থেকে সাবধান থাকো।” একজন গ্রামবাসী বললো, “আমাদের কাছে এগুলো ছাড়া অন্য কোনো পাত্র নেই।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাহলে তোমরা এতে কেবল হালাল পানীয় পান করো, নেশাগ্রস্ত দ্রব্য পান করো না, তাহলে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়বে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6685 OK

(৬৬৮৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ لَيْثٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ زِيَادٍ سِيمِينْ كُوشَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ تَكُونُ فِتْنَةٌ تَسْتَنْظِفُ الْعَرَبَ قَتْلَاهَا فِي النَّارِ اللِّسَانُ فِيهَا أَشَدُّ مِنْ وَقْعِ السَّيْفِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “শীঘ্রই আরবের লোকেরা এমন একটি ফিতনা দেখতে পাবে, যার দিকে তারা ঝুঁকে পড়বে। যারা ঐ ফিতনার মধ্যে পতিত হয়ে মারা যাবে, তারা জাহান্নামে যাবে। আর তখন জিহ্বার আঘাত তরবারির আঘাতের চেয়েও ভয়াবহ হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6686 OK

(৬৬৮৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৩১৮] view_link


যঈফ হাদিস

و سَمِعْت عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو يَقُولُ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا كَالْمُوَدِّعِ فَقَالَ أَنَا مُحَمَّدٌ النَّبِيُّ الْأُمِّيُّ قَالَهُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ وَلَا نَبِيَّ بَعْدِي أُوتِيتُ فَوَاتِحَ الْكَلِمِ وَخَوَاتِمَهُ وَجَوَامِعَهُ وَعَلِمْتُ كَمْ خَزَنَةُ النَّارِ وَحَمَلَةُ الْعَرْشِ وَتُجُوِّزَ بِي وَعُوفِيتُ وَعُوفِيَتْ أُمَّتِي فَاسْمَعُوا وَأَطِيعُوا مَا دُمْتُ فِيكُمْ فَإِذَا ذُهِبَ بِي فَعَلَيْكُمْ بِكِتَابِ اللَّهِ أَحِلُّوا حَلَالَهُ وَحَرِّمُوا حَرَامَهُ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ وَمَرَّةً أُخْرَى قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ هُبَيْرَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِي يَقُولُ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا كَالْمُوَدِّعِ فَذَكَرَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের কাছে এমন ভাবে এলেন যেনো তিনি বিদায় জানাচ্ছেন। এবং তিনি তিনবার বললেন, “আমি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, একজন নিরক্ষর নবী, এবং আমার পরে আর কোনো নবী আসবে না। আমাকে শুরুর বাক্য, শেষ বাক্য এবং বিস্তৃত বাক্য দেওয়া হয়েছে। আমি জানি জাহান্নামের পাহারাদার এবং কতজন ফেরেশতা আল্লাহর আরশ বহনকারী? আমার উপর জুলুম করা হয়েছে, আমাকে এবং আমার জাতিকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। তাই যতক্ষণ আমি তোমাদের মধ্যে আছি, ততক্ষণ আমার কথা শোনো এবং আমার আনুগত্য করো। আর যখন আমাকে ধরা হবে (আমার মৃত্যু হব), তখন আল্লাহর কিতাবকে শক্ত করে ধরে রাখো এবং এর হালাল জিনিস গুলোকে হালাল এবং এর হারাম জিনিস গুলোকে হারাম মনে করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৮৬]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6687 OK

(৬৬৮৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২২৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا عَامِرٌ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ الْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ وَالْمُهَاجِرُ مَنْ هَجَرَ مَا نَهَى اللَّهُ عَنْهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রকৃত মুসলিম হলো সেই ব্যক্তি, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিমরা নিরাপদ থাকে। আর মুহাজির হলো সেই ব্যক্তি, যে ব্যক্তি আল্লাহ যা নিষিদ্ধ করেছেন, তা ত্যাগ করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6688 OK

(৬৬৮৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২২৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا عَامِرٌ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ الْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ وَالْمُهَاجِرُ مَنْ هَجَرَ مَا نَهَى اللَّهُ عَنْهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রকৃত মুসলিম হলো সেই ব্যক্তি, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিমরা নিরাপদ থাকে। আর মুহাজির হলো সেই ব্যক্তি, যে ব্যক্তি আল্লাহ যা নিষিদ্ধ করেছেন, তা ত্যাগ করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6689 OK

(৬৬৮৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২৪৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ خَالِهِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الرَّاشِيَ وَالْمُرْتَشِيَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘুষ গ্রহণকারী এবং ঘুষ প্রদানকারী উভয়কেই অভিশাপ দিয়েছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6690 OK

(৬৬৯০)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৪১৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ حَدَّثَنَا أَبُو حَازِمٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يُؤْمِنُ الْمَرْءُ حَتَّى يُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ قَالَ أَبُو حَازِمٍ لَعَنَ اللَّهُ دِينًا أَنَا أَكْبَرُ مِنْهُ يَعْنِي التَّكْذِيبَ بِالْقَدَرِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ভালো ভাগ্য হোক বা খারাপ ভাগ্য হোক, ভাগ্যের উপর বিশ্বাস না করে কেউই মুমিন হতে পারে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6691 OK

(৬৬৯১)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২২০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ سَمِعْتُ رَجُلًا فِي بَيْتِ أَبِي عُبَيْدَةَ أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو يُحَدِّثُ ابْنَ عُمَرَ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ سَمَّعَ النَّاسَ بِعَمَلِهِ سَمَّعَ اللَّهُ بِهِ سَامِعَ خَلْقِهِ وَصَغَّرَهُ وَحَقَّرَهُ قَالَ فَذَرَفَتْ عَيْنَا عَبْدِ اللَّهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার কর্মের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে খ্যাতি অর্জন করতে চায়, আল্লাহ তাকে তার অবস্থায় ছেরে দেন এবং তাকে অপমানিত করেন।” সাইয়্যিদুনা আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এই কথাটি বললেন, আর তার চোখ থেকে অশ্রু ঝরতে লাগলো। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6692 OK

(৬৬৯২)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২১৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ عَنْ يُونُسَ عَنِ الْحَسَنِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَيْفَ أَنْتَ إِذَا بَقِيتَ فِي حُثَالَةٍ مِنْ النَّاسِ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ ذَلِكَ قَالَ إِذَا مَرِجَتْ عُهُودُهُمْ وَأَمَانَاتُهُمْ وَكَانُوا هَكَذَا وَشَبَّكَ يُونُسُ بَيْنَ أَصَابِعِهِ يَصِفُ ذَاكَ قَالَ قُلْتُ مَا أَصْنَعُ عِنْدَ ذَاكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ اتَّقِ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ وَخُذْ مَا تَعْرِفُ وَدَعْ مَا تُنْكِرُ وَعَلَيْكَ بِخَاصَّتِكَ وَإِيَّاكَ وَعَوَامَّهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার আমাকে বললেন, “যখন তুমি অকেজো ও নিকৃষ্ট লোকদের মধ্যে থাকবে, তখন তোমার কী হবে?” আমি বললাম, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা কিভাবে হবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন প্রতিশ্রুতি ও আমানত ভঙ্গ করা হবে এবং লোকেরা এইরকম হয়ে যায় (বর্ণনাকারী ইশারা করে দেখিয়েছেন যে, লোকদেরকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলা হবে এবং কেবল ময়লা অবশিষ্ট থাকবে।)।” আমি বললাম, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এই মুহূর্তে আমার জন্যে কী আদেশ?” তিনি বললেন, “আল্লাহকে ভয় করা, সৎকর্ম করা, মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকা, অভিজাতদের সাথে মেলামেশা করা এবং জনসাধারণের কাছ থেকে নিজেকে রক্ষা করা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6693 OK

(৬৬৯৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২৪১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ وَمِسْعَرٌ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ الْمَكِّيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا صَامَ مَنْ صَامَ الْأَبَدَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সর্বদা রোজা রাখে, সে রোজাদার নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6694 OK

(৬৬৯৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৩৮৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا لَيْثٌ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَنْتِفُوا الشَّيْبَ فَإِنَّهُ نُورُ الْمُسْلِمِ مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَشِيبُ شَيْبَةً فِي الْإِسْلَامِ إِلَّا كُتِبَ لَهُ بِهَا حَسَنَةٌ وَرُفِعَ بِهَا دَرَجَةً أَوْ حُطَّ عَنْهُ بِهَا خَطِيئَةٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা সাদা চুল উপড়াবে না, কারণ এটি একজন মুসলিমের নূর। ইসলামে যে মুসলিমের চুল সাদা হয়, তার প্রতিটি চুলের জন্যে একটি নেকী লেখা হয়, তার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়, অথবা একটি পাপ ক্ষমা করা হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6695 OK

(৬৬৯৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْأَخْنَسِ أَبُو مَالِكٍ الْأَزْدِيُّ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا نَذْرَ وَلَا يَمِينَ فِيمَا لَا يَمْلِكُ ابْنُ آدَمَ وَلَا فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ وَلَا قَطِيعَةِ رَحِمٍ فَمَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ فَرَأَى غَيْرَهَا خَيْرًا مِنْهَا فَلْيَدَعْهَا وَلْيَأْتِ الَّذِي هُوَ خَيْرٌ فَإِنَّ تَرْكَهَا كَفَّارَتُهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোনো ব্যক্তির মালিকানাধীন নয়, এমন বিষয়ে শপথ করা বা শপথ করা বাধ্যতা মূলক নয়, অথবা আল্লাহর অবাধ্যতা মূলক কাজ, অথবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার মতো কাজ। যদি কেউ কোনো কিছুর নামে শপথ করে এবং অন্য কিছুতে ভালো কিছু দেখতে পায়, তাহলে তার উচিত পূর্ববর্তী কাজটি ত্যাগ করা এবং ভালো কাজটি গ্রহণ করা, কারণ তা ত্যাগ করা, তার জন্যে ঐ শপথের কাফফারা হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6696 OK

(৬৬৯৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৩৮৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الشِّرَاءِ وَالْبَيْعِ فِي الْمَسْجِدِ وَأَنْ تُنْشَدَ فِيهِ الْأَشْعَارُ وَأَنْ تُنْشَدَ فِيهِ الضَّالَّةُ وَعَنْ الْحِلَقِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ قَبْلَ الصَّلَاةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদের মধ্যে ক্রয়-বিক্রয়, কবিতা আবৃত্তি, হারানো জিনিসের ঘোষণা এবং জুমার নামাজের আগে আংটি পরা নিষেধ করেছেন [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6697 OK

(৬৬৯৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৩৯৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ حُسَيْنٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ لَمَّا فُتِحَتْ مَكَّةُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ كُفُّوا السِّلَاحَ إِلَّا خُزَاعَةَ عَنْ بَنِي بَكْرٍ فَأَذِنَ لَهُمْ حَتَّى صَلَّى الْعَصْرَ ثُمَّ قَالَ كُفُّوا السِّلَاحَ فَلَقِيَ رَجُلٌ مِنْ خُزَاعَةَ رَجُلًا مِنْ بَنِي بَكْرٍ مِنْ غَدٍ بِالْمُزْدَلِفَةِ فَقَتَلَهُ فَبَلَغَ ذَلِكَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَامَ خَطِيبًا فَقَالَ وَرَأَيْتُهُ وَهُوَ مُسْنِدٌ ظَهْرَهُ إِلَى الْكَعْبَةِ قَالَ إِنَّ أَعْدَى النَّاسِ عَلَى اللَّهِ مَنْ قَتَلَ فِي الْحَرَمِ أَوْ قَتَلَ غَيْرَ قَاتِلِهِ أَوْ قَتَلَ بِذُحُولِ الْجَاهِلِيَّةِ فَقَامَ إِلَيْهِ رَجُلٌ فَقَالَ إِنَّ فُلَانًا ابْنِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا دَعْوَةَ فِي الْإِسْلَامِ ذَهَبَ أَمْرُ الْجَاهِلِيَّةِ الْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْأَثْلَبُ قَالُوا وَمَا الْأَثْلَبُ قَالَ الْحَجَرُ قَالَ وَفِي الْأَصَابِعِ عَشْرٌ عَشْرٌ وَفِي الْمَوَاضِحِ خَمْسٌ خَمْسٌ قَالَ وَقَالَ لَا صَلَاةَ بَعْدَ الْغَدَاةِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَلَا صَلَاةَ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ قَالَ وَلَا تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ عَلَى عَمَّتِهَا وَلَا عَلَى خَالَتِهَا وَلَا يَجُوزُ لِامْرَأَةٍ عَطِيَّةٌ إِلَّا بِإِذْنِ زَوْجِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

মক্কা বিজয়ের সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “বনু খুজাআ ব্যতীত তোমরা সকলেই তোমাদের অস্ত্র রেখে দাও।” তিনি বনু খুজাআকে দুপুরের নামাজ পর্যন্ত বনু বকরের সাথে থাকার অনুমতি দিলেন। তারপর তিনি তাদের বললেন, “তোমাদের অস্ত্র রেখে দাও।” এরপর বনু খুজাআর এক ব্যক্তি পরের দিন মুযদালিফায় বনু বকরের এক ব্যক্তির সাথে দেখা করে তাকে হত্যা করে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন এই কথা শুনতে পেলেন, তখন তিনি খুতবা দেওয়ার জন্যে দাঁড়িয়ে গেলেন। আমি দেখলাম যে, সে কাবার দিকে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এবং বলছে, “আল্লাহর পথ থেকে সবচেয়ে বিপথগামী ব্যক্তি হলো সেই ব্যক্তি, যে ব্যক্তি কাউকে পবিত্র স্থানে হত্যা করে, অথবা এমন কাউকে হত্যা করে, যে খুনি নয়, অথবা ইসলাম-পূর্ব যুগে শত্রুতাবশত কাউকে হত্যা করে।” ইতিমধ্যে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, “অমুক আমার ছেলে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “ইসলামে এই দাবির কোনো বৈধতা নেই। ইসলাম-পূর্ব যুগের ব্যাপার শেষ হয়ে গেছে। শিশুটি শয্যাশায়ী ব্যক্তির, আর পাথর হচ্চে ব্যভিচারীর জন্যে।” তারপর রক্তপণ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে তিনি বললেন, “আঙ্গুলের জন্যে দশটি উট, মাথার আঘাতের জন্যে পাঁচটি উট, এবং ফজরের নামাজের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোনো নফল নামাজ নেই, এবং আসরের নামাজের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো নফল নামাজ নেই।” তিনি বললেন, “কোনো পুরুষ যেনো কোন মহিলাকে তার ফুফুর উপস্থিতিতে বিয়ে না করে, এবং কোন মহিলার জন্যে তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোনো উপহার গ্রহণ করা জায়েজ নয়। জাহেলি যুগের চুক্তিগুলো পূর্ণ করো, কারণ ইসলামে এ ধরনের কোনো চুক্তিই বাড়েনি, বরং নতুন কোনো চুক্তিই করা হয়নি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6698 OK

(৬৬৯৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৬৭১] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ وَقْتُ الظُّهْرِ إِذَا زَالَتْ الشَّمْسُ وَكَانَ ظِلُّ الرَّجُلِ كَطُولِهِ مَا لَمْ يَحْضُرْ الْعَصْرُ وَوَقْتُ الْعَصْرِ مَا لَمْ تَصْفَرَّ الشَّمْسُ وَوَقْتُ صَلَاةِ الْمَغْرِبِ مَا لَمْ يَغْرُبْ الشَّفَقُ وَوَقْتُ صَلَاةِ الْعِشَاءِ إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ الْأَوْسَطِ وَوَقْتُ صَلَاةِ الصُّبْحِ مِنْ طُلُوعِ الْفَجْرِ مَا لَمْ تَطْلُعْ الشَّمْسُ فَإِذَا طَلَعَتْ الشَّمْسُ فَأَمْسِكْ عَنْ الصَّلَاةِ فَإِنَّهَا تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَيْ شَيْطَانٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যোহরের সময় হলো সূর্য অস্ত যাওয়ার সময়, যখন প্রত্যেক ব্যক্তির ছায়া তার দৈর্ঘ্যের সমান হয় এবং এটি আসরের সময় পর্যন্ত স্থায়ী হয়। আসরের সময় হলো সূর্য হলুদ হয়ে যাওয়ার আগে। মাগরিবের সময় হলো সূর্যাস্ত পর্যন্ত। এশার সময় হলো রাতের প্রথমার্ধ পর্যন্ত। ফজরের সময় হলো ফজর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত। যখন সূর্যোদয় হয়, তখন সালাত (নামাজ) বন্ধ করো, কারণ সূর্য শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখানে থাকে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৯৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6699 OK

(৬৬৯৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الطَّالْقَانِيُّ حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَكٍ عَنْ لَيْثِ بْنِ سَعْدٍ حَدَّثَنِي عَامِرُ بْنُ يَحْيَى عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَسْتَخْلِصُ رَجُلًا مِنْ أُمَّتِي عَلَى رُءُوسِ الْخَلَائِقِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيَنْشُرُ عَلَيْهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ سِجِلًّا كُلُّ سِجِلٍّ مَدَّ الْبَصَرِ ثُمَّ يَقُولُ لَهُ أَتُنْكِرُ مِنْ هَذَا شَيْئًا أَظَلَمَتْكَ كَتَبَتِي الْحَافِظُونَ قَالَ لَا يَا رَبِّ فَيَقُولُ أَلَكَ عُذْرٌ أَوْ حَسَنَةٌ فَيُبْهَتُ الرَّجُلُ فَيَقُولُ لَا يَا رَبِّ فَيَقُولُ بَلَى إِنَّ لَكَ عِنْدَنَا حَسَنَةً وَاحِدَةً لَا ظُلْمَ الْيَوْمَ عَلَيْكَ فَتُخْرَجُ لَهُ بِطَاقَةٌ فِيهَا أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ فَيَقُولُ أَحْضِرُوهُ فَيَقُولُ يَا رَبِّ مَا هَذِهِ الْبِطَاقَةُ مَعَ هَذِهِ السِّجِلَّاتِ فَيُقَالُ إِنَّكَ لَا تُظْلَمُ قَالَ فَتُوضَعُ السِّجِلَّاتُ فِي كَفَّةٍ قَالَ فَطَاشَتْ السِّجِلَّاتُ وَثَقُلَتْ الْبِطَاقَةُ وَلَا يَثْقُلُ شَيْءٌ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের দিন আল্লাহ আমার উম্মতের একজন ব্যক্তিকে সকল সৃষ্টির সামনে তুলে ধরবেন এবং তার সামনে নিরানব্বইটি আমলনামা খুলে দিবেন, যার প্রতিটি আমলনামা চোখের দৃষ্টির দূরত্বের সমান থাকবে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন, তুমি কি এগুলোর কোনটিকে অস্বীকার করো? আমার অভিভাবক লেখকরা কি তোমার সাথে অন্যায় করেছেন?” সে বলবে, “না, আমার প্রভু।” আল্লাহ বলবেন, “তোমার কি কোনো অজুহাত আছে অথবা কোনো নেক আমল আছে?” লোকটি অবাক হয়ে বলবে, “না, আমার প্রভু।” আল্লাহ বলবেন, “কেনো নয়? আমাদের কাছে তোমার একটি নেক আমল আছে। আজ তোমার প্রতি কোনো অবিচার করা হবে না।” তারপর একটি কাগজ বের করা হবে, যার উপর লেখা থাকবে, “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল।” আল্লাহ বলবেন, “তাকে আমলের পাল্লায় নিয়ে এসো।” সে বলবে, “প্রভু, এতো বড় বড় গুনাহের সাথে এই কাগজের টুকরোটির তুলনা কী?” তাকে বলা হবে, “আজ তোমার উপর কোনো জুলুম করা হবে না।” সুতরাং এই আমলনা মাগুলো একটি দাঁড়িপাল্লায় স্থাপন করা হবে, তাদের দাঁড়িপাল্লা উঁচু করা হবে এবং সেই কাগজের টুকরো সহ দাঁড়িপাল্লাটি নামিয়ে দেওয়া হবে, কারণ আল্লাহর নামের চেয়ে ভারী আর কিছু নেই, যিনি পরম করুণাময় এবং পরম দয়ালু।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৬৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6700 OK

(৬৭০০)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৩০৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ وَمُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو قَالَا حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ حَدَّثَنِي عَمْرٌو أَنَّ بَكْرَ بْنَ سَوَادَةَ حَدَّثَهُ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ جُبَيْرٍ حَدَّثَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِي حَدَّثَهُ أَنَّ نَفَرًا مِنْ بَنِي هَاشِمٍ دَخَلُوا عَلَى أَسْمَاءَ بِنْتِ عُمَيْسٍ فَدَخَلَ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ وَهِيَ تَحْتَهُ يَوْمَئِذٍ فَرَآهُمْ فَكَرِهَ ذَلِكَ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَمْ أَرَ إِلَّا خَيْرًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ قَدْ بَرَّأَهَا مِنْ ذَلِكَ ثُمَّ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى الْمِنْبَرِ فَقَالَ لَا يَدْخُلَنَّ رَجُلٌ بَعْدَ يَوْمِي هَذَا عَلَى مُغِيبَةٍ إِلَّا وَمَعَهُ رَجُلٌ أَوْ اثْنَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার বনু হাশিমের কিছু লোক সায়্যিদুনা আসমা বিনতে উমাইস রাদিয়াল্লাহু আনহার কাছে এসেছিলো। তার সম্মানিত স্বামী সায়্যিদুনা সিদ্দীক আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহুও এসেছিলেন। যেহেতু তিনি তার স্ত্রী ছিলেন, তাই তিনি তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামর কাছে এই বিষয়টি উল্লেখ করে বললেন, “আমি কেবল ভালোই দেখেছি (আমি কোনো খারাপ দৃশ্য দেখিনি, তবুও আমার পছন্দ হয়নি)।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আল্লাহ তাকে রক্ষা করেছেন।” তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিম্বরে আরোহণ করলেন এবং বললেন, “আজকের পর থেকে, কোনো পুরুষ যেনো কোনো মহিলার কাছে একা না যায়, যদি না তার স্বামীর সাথে আরও এক বা দুইজন পুরুষ থাকে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6701 OK

(৬৭০১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَتَّابُ بْنُ زِيَادٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ مُبَارَكٍ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَوْذَبٍ قَالَ حَدَّثَنِي عَامِرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَقْسِمَ غَنِيمَةً أَمَرَ بِلَالًا رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ فَنَادَى ثَلَاثًا فَأَتَى رَجُلٌ بِزِمَامٍ مِنْ شَعَرٍ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْدَ أَنْ قَسَمَ الْغَنِيمَةَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذِهِ مِنْ غَنِيمَةٍ كُنْتُ أَصَبْتُهَا قَالَ أَمَا سَمِعْتَ بِلَالًا يُنَادِي ثَلَاثًا قَالَ نَعَمْ قَالَ فَمَا مَنَعَكَ أَنْ تَأْتِيَنِي بِهِ فَاعْتَلَّ لَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنِّي لَنْ أَقْبَلَهُ حَتَّى تَكُونَ أَنْتَ الَّذِي تُوَافِينِي بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন গনীমতের মাল বণ্টন করার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তিনবার ঘোষণা করার নির্দেশ দিতেন। একবার, গনীমতের মাল বণ্টনের পর, এক ব্যক্তি চুলের তৈরী একটি লাগাম নিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা আমার কাছে আসা গনীমতের মাল।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তুমি কি বিলালের তিনটি ঘোষণা শুনতে পাওনি?” সে বললো, “হ্যাঁ।” আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “সেই সময় আমাদের কাছে আসতে তোমাদের কী বাধা দিয়েছিলো?” সে একটি অজুহাত দেখালো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি তোমার কোনো অজুহাত গ্রহণ করতে পারছি না। তুমি কিয়ামতের দিন এটি নিয়ে আমার কাছে আসবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6702 OK

(৬৭০২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَتَّابٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ أَخْبَرَنَا أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الْفَتْحِ وَهُوَ بِمَكَّةَ يَقُولُ إِنَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ حَرَّمَ بَيْعَ الْخَمْرِ وَالْمَيْتَةَ وَالْخِنْزِيرَ فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ شُحُومَ الْمَيْتَةِ فَإِنَّهُ يُدْهَنُ بِهَا السُّفُنُ وَيُدْهَنُ بِهَا الْجُلُودُ وَيَسْتَصْبِحُ بِهَا النَّاسُ فَقَالَ لَا هِيَ حَرَامٌ ثُمَّ قَالَ قَاتَلَ اللَّهُ الْيَهُودَ إِنَّ اللَّهَ لَمَّا حَرَّمَ عَلَيْهِمْ الشُّحُومَ جَمَلُوهَا ثُمَّ بَاعُوهَا وَأَكَلُوا أَثْمَانَهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি মক্কা বিজয়ের বছর মক্কায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, “আল্লাহ এবং তাঁর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মৃত পশু এবং শূকর বিক্রি নিষিদ্ধ করেছেন।” কেউ জিজ্ঞাসা করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! মৃত পশুর চর্বির হুকুম কী, দয়া করে বলুন? কারণ এটি নৌকা এবং দেহের চামড়ার সাথে মিশ্রিত এবং লোকেরা এটি দিয়ে প্রদীপ জ্বালায়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “না, এটা নিষিদ্ধ।” তারপর তিনি বললেন, “আল্লাহ ইহুদিদের উপর লানত করুন। যখন আল্লাহ তাদের উপর চর্বি হারাম করে দিলেন, তখন তারা তা সুন্দর ভাবে গলিয়ে বিক্রি করে দিলো এবং এর মূল্য খেতে শুরু করলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6703 OK

(৬৭০৩)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَتَّابُ بْنُ زِيَادٍ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ أَخْبَرَنَا أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ لَا يُصَافِحُ النِّسَاءَ فِي الْبَيْعَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহিলাদের সাথে বাইয়াত গ্রহণের সময় তাদের সাথে হাত মিলাতেন না। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭০৩]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6704 OK

(৬৭০৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৬৭৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ قَالَ جَلَسْتُ إِلَى ابْنِ عُمَرَ وَمَعَهُ رَجُلٌ يُحَدِّثُهُ فَدَخَلْتُ مَعَهُمَا فَضَرَبَ بِيَدِهِ صَدْرِي وَقَالَ أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا تَنَاجَى اثْنَانِ فَلَا تَجْلِسْ إِلَيْهِمَا حَتَّى تَسْتَأْذِنَهُمَا


হজরত সাঈদ আল-মাকবারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কারো সাথে কথোপকথন করছিলেন, আমি গিয়ে তাদের মাঝখানে বসলাম। তিনি আমার বুকে হাত মারলেন এবং বললেন, “তুমি কি জানো না রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, ‘যখন দুই জন লোক গোপনে কথা বলে, তখন তাদের অনুমতি ছাড়া তাদের কাছে বসবে না’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6705 OK

(৬৭০৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا رَجَاءٌ أَبُو يَحْيَى حَدَّثَنَا مُسَافِعُ بْنُ شَيْبَةَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو يَقُولُ فَأَنْشُدُ بِاللَّهِ ثَلَاثًا وَوَضَعَ إِصْبَعَهُ فِي أُذُنَيْهِ لَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَقُولُ إِنَّ الرُّكْنَ وَالْمَقَامَ يَاقُوتَتَانِ مِنْ يَاقُوتِ الْجَنَّةِ طَمَسَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ نُورَهُمَا وَلَوْلَا أَنَّ اللَّهَ طَمَسَ نُورَهُمَا لَأَضَاءَتَا مَا بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাইয়্যিদুনা ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনবার আল্লাহর নামে কসম করে, কানে হাত দিয়ে স্পর্শ করে বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “কালো পাথর এবং ইব্রাহিমের মাকাম জান্নাতের দুটি রত্ন। আল্লাহ তাদের নূর নিভিয়ে দিয়েছেন। যদি আল্লাহ তাদের নূর নিভিয়ে না দিতেন, তাহলে তারা পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী সমগ্র স্থান আলোকিত করে দিতো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস