(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২০৮১টি]



4726 OK

(৪৭২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ قَالَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنْطَبٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عُمَرَ يَتَوَضَّأُ ثَلَاثًا يَرْفَعُهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَتَوَضَّأُ مَرَّةً يَرْفَعُهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ওযু করে তিনবার তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধৌত করতেন এবং তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে তুলনা করেছেন, আর সাইয়্যিদনা ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু একবার ধৌত করতেন এবং তিনিও তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে তুলনা করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4727 OK

(৪৭২৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২৪৪৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ خَطَبَ وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ فِي الْعِيدِ بِغَيْرِ أَذَانٍ وَلَا إِقَامَةٍ قَالَ أَبِي قَدْ سَمِعَهُ عَبْدُ اللَّهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদের দিনে কোন আযান বা ইকামাহ ছাড়াই সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি খুতবা দিলেন। অনুরূপ ভাবে হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ও হজরত উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু এরা সবাই ঈদের দিনে খুতবার আগে আযান ও ইকামা ছাড়াই নামাজের ইমামতি করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4728 OK

(৪৭২৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৭০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنِي سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ أَنَّ نَاسًا دَخَلُوا عَلَى ابْنِ عَامَرٍ فِي مَرَضِهِ فَجَعَلُوا يُثْنُونَ عَلَيْهِ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ أَمَا إِنِّي لَسْتُ بِأَغَشِّهِمْ لَكَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى لَا يَقْبَلُ صَدَقَةً مِنْ غُلُولٍ وَلَا صَلَاةً بِغَيْرِ طُهُورٍ


হজরত মুসআব ইবনে সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

কিছু লোক অসুস্থ ব্যক্তির সেবা করার জন্যে ইবনে আমীরের কাছে এসে, তার প্রশংসা করতে শুরু করে। ইবনে আমীর বললেন যে, “আমি তোমাদেরকে এর চেয়ে বেশি প্রশংসা করতে দিবো না। কেননা আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, ‘গনীমতের মাল থেকে চুরি করা কোনো কিছুর দান, আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন না এবং পবিত্রতা (ওযু) ছাড়া সালাত কবুল করেন না’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4729 OK

(৪৭২৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ زَائِدَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ عَنْ أَبِي الشَّعْثَاءِ قَالَ أَتَيْنَا ابْنَ عُمَرَ فِي الْيَوْمِ الْأَوْسَطِ مِنْ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ قَالَ فَأُتِيَ بِطَعَامٍ فَدَنَا الْقَوْمُ وَتَنَحَّى ابْنٌ لَهُ قَالَ فَقَالَ لَهُ ادْنُ فَاطْعَمْ قَالَ فَقَالَ إِنِّي صَائِمٌ قَالَ فَقَالَ أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّهَا أَيَّامُ طُعْمٍ وَذِكْرٍ


হজরত আবুল শুশাআ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার তাশরীকের মাঝামাঝি সময়ে আমরা হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর খেদমতে হাজির হলাম। কিছুক্ষণ পর খাবার এলো এবং লোকজন খাবারের কাছে এলো, কিন্তু তার এক ছেলে একপাশে বসলো। হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, “তুমি এগিয়ে যাও এবং খাও।” সে বললো, “আমি রোজা রেখেছি।” হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “তুমি কি জানো যে, এগুলি খাওয়া-দাওয়া ও স্মরণের দিন?” তিনি আরো বললেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তাশরীকের দিনগুলো হচ্ছে খাওয়া-দাওয়ার দিন, কাজেই ঐ দিন গুলোর মধ্যে কোনো রোজা নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4730 OK

(৪৭৩০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ وَمَنْ صَلَّى مِنْ أَوَّلِ اللَّيْلِ فَلْيَجْعَلْ آخِرَ صَلَاتِهِ وِتْرًا فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَأْمُرُ بِذَلِكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যে ব্যক্তি রাতের শুরুতে নামায পড়ে, সে যেনো রাতের শেষ নামায হিসেবে বিতর আদায় করে। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে তা করার উপদেশ দিতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4731 OK

(৪৭৩১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ حَدَّثَنِي سَالِمٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ رُؤْيَا رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ النَّاسَ قَدْ اجْتَمَعُوا فَقَامَ أَبُو بَكْرٍ فَنَزَعَ ذَنُوبًا أَوْ ذَنُوبَيْنِ وَفِي نَزْعِهِ ضَعْفٌ وَاللَّهُ يَغْفِرُ لَهُ ثُمَّ نَزَعَ عُمَرُ فَاسْتَحَالَتْ غَرْبًا فَمَا رَأَيْتُ عَبْقَرِيًّا مِنْ النَّاسِ يَفْرِي فَرِيَّهُ حَتَّى ضَرَبَ النَّاسُ بِعَطَنٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “একদা (স্বপ্নে) লোকজনকে একটি মাঠে সমবেত দেখতে পেলাম। তখন আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু উঠে দাঁড়ালেন এবং এক অথবা দুই বালতি পানি উঠালেন। পানি উঠাতে তিনি দুর্বলতা বোধ করছিলেন। আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন। অতঃপর উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বালতিটি হাতে নিলেন। বালতিটি তখন বড় আকার ধারণ করলো। আমি মানুষের মধ্যে পানি উঠাতে উমারের মত সুদক্ষ ও শক্তিশালী ব্যক্তি আর দেখিনি। শেষে উপস্থিত লোক তাদের উটগুলোকে পানি পান করিয়ে উটশালে নিয়ে গেলো।” হাম্মাম রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “আমি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করতে শুনেছি, আবূ বকর দুই বালতি পানি উঠালেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4732 OK

(৪৭৩২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৪৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُثْمَانَ يَعْنِي الْغَطَفَانِيَّ أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ نَافِعٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْقَزَعِ وَالْقَزَعُ أَنْ يُحْلَقَ الصَّبِيُّ فَيُتْرَكَ بَعْضُ شَعَرِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘কুযা’ করতে নিষেধ করেছেন। ‘কুযা’ অর্থ হলো শিশুদের মাথার সম্পূর্ণ চুল না কেটে, মাথায় কিছু চুল বাকি রাখা। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4733 OK

(৪৭৩৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৪৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُثْمَانَ يَعْنِي الْغَطَفَانِيَّ أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ نَافِعٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْقَزَعِ وَالْقَزَعُ أَنْ يُحْلَقَ الصَّبِيُّ فَيُتْرَكَ بَعْضُ شَعَرِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘কুযা’ করতে নিষেধ করেছেন। ‘কুযা’ অর্থ হলো শিশুদের মাথার সম্পূর্ণ চুল না কেটে, মাথায় কিছু চুল বাকি রাখা। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4734 OK

(৪৭৩৪)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ وَحَجَّاجٌ حَدَّثَنِي شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ عَنِ سَعْدٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَأَنْ يَمْتَلِئَ جَوْفُ أَحَدِكُمْ قَيْحًا يَرِيهِ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمْتَلِئَ شِعْرًا قَالَ حَجَّاجٌ سَمِعْتُ يُونُسَ بْنَ جُبَيْرٍ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমাদের কারো জন্য কবিতা দিয়ে পেট ভরানোর চেয়ে পুঁজ দিয়ে পেট ভরা উত্তম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4735 OK

(৪৭৩৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৪৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ اتَّخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَاتَمًا مِنْ ذَهَبٍ وَكَانَ يَجْعَلُ فَصَّهُ مِمَّا يَلِي كَفَّهُ فَاتَّخَذَهُ النَّاسُ فَرَمَى بِهِ وَاتَّخَذَ خَاتَمًا مِنْ وَرِقٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বর্ণের একটি আংটি ব্যবহার করেন। আংটির মোহর হাতের তালুর দিকে ঘুরিয়ে রাখেন। লোকেরা ঐ রকমই আংটি ব্যবহার করা শুরু করলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বর্ণের আংটিটি ফেলে দিয়ে রৌপ্যের আংটি বানিয়ে নিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4736 OK

(৪৭৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫১৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ عَنْ حَنْظَلَةَ عَنْ سَالِمٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رَأَيْتُ عِنْدَ الْكَعْبَةِ رَجُلًا آدَمَ سَبْطَ الرَّأْسِ وَاضِعًا يَدَهُ عَلَى رَجُلَيْنِ يَسْكُبُ رَأْسُهُ أَوْ يَقْطُرُ رَأْسُهُ فَسَأَلْتُ مَنْ هَذَا فَقَالُوا عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ أَوْ الْمَسِيحُ ابْنُ مَرْيَمَ وَلَا أَدْرِي أَيَّ ذَلِكَ قَالَ وَرَأَيْتُ وَرَاءَهُ رَجُلًا أَحْمَرَ جَعْدَ الرَّأْسِ أَعْوَرَ عَيْنِ الْيُمْنَى أَشْبَهُ مَنْ رَأَيْتُ بِهِ ابْنُ قَطَنٍ فَسَأَلْتُ مَنْ هَذَا فَقَالُوا الْمَسِيحُ الدَّجَّالُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমি একবার ঘুমিয়ে ছিলাম। তখন আমি স্বপ্নে নিজেকে কাবা গৃহ তাওয়াফরত অবস্থায় দেখতে পেলাম। এমন সময় সোজা চুলওয়ালা একজন পুরুষকে দুইজন পুরুষের মাঝে দেখলাম, যার মাথা থেকে পানি ঝরছিলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “ইনি কে?” তারা বললো, “ইনি হচ্ছেন ইবনে মারইয়াম ইসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম।” এরপর আমি ফিরে আসতে লাগলাম। এ সময় একজন লাল রঙ্গের মোটাসোটা, কোঁকড়ানো চুলওয়ালা, ডান চোখ কানা ব্যক্তিকে দেখলাম। তার চোখটি যেনো ভাসমান আঙুর। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “এ ব্যক্তি কে?” তারা বললো, “এ হচ্ছে দাজ্জাল।” তার সঙ্গে সবচেয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ লোক হলো ইবনে কাতান। আর ইবনে কাতান হলো বনু মুসতালিক গোত্রের খুযাআ বংশের একজন লোক।
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4737 OK

(৪৭৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ رَأَى حُلَّةَ سِيَرَاءَ أَوْ حَرِيرٍ تُبَاعُ فَقَالَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ اشْتَرَيْتَ هَذِهِ تَلْبَسُهَا يَوْمَ الْجُمُعَةِ أَوْ لِلْوُفُودِ قَالَ إِنَّمَا يَلْبَسُ هَذِهِ مَنْ لَا خَلَاقَ لَهُ قَالَ فَأُهْدِيَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْهَا حُلَلٌ فَبَعَثَ إِلَى عُمَرَ مِنْهَا بِحُلَّةٍ قَالَ سَمِعْتُ مِنْكَ تَقُولُ مَا قُلْتَ وَبَعَثْتَ إِلَيَّ بِهَا قَالَ إِنَّمَا بَعَثْتُ بِهَا إِلَيْكَ لِتَبِيعَهَا أَوْ تَكْسُوَهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার সাইয়্যিদুনা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বাজারে একটি রেশম জোড়া বিক্রি হতে দেখলেন। তখন তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললো, “আপনি যদি তা ক্রয় করতেন, তবে শুক্রবারে পরিধান করতেন বা কোনো প্রতিনিধি দলের সাথে সাক্ষাতের সময় পরিধান করতেন।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “এটি এমন এক ব্যক্তির দ্বারা পরিধান করা হয়, যার আখেরাতের কোনো অংশ নেই।” এর পর ঐ রেশম জোড়া রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিয়া হিসাবে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে পাঠালেন। হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে এসে বললো, “আপনি রেশম সম্পর্কে যা বলেছিলেন, আমি তা শুনেছিলাম। এখন আপনি নিজেই এই রেশম জোড়া আমার কাছে পাঠিয়েছেন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি এটি তোমাকে পরিধান করার জন্যে পাঠায়নি। আমি এটা তোমার কাছে পাঠিয়েছি, যাতে তুমি এটা বিক্রি করতে পারো এবং এর মূল্য নিজের কাজে লাগাতে পারো অথবা অন্য কারো কাজে লাগাতে পারো।” যাইহোক, হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সেই রেশম জোড়াটি তাঁর মা সম্পর্কীয় ভাইকে দিয়েছিলেন, যিনি একজন মুশরিক ছিলেন এবং মক্কায় থাকতেন।
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4738 OK

(৪৭৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৫০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ قَائِمًا عِنْدَ بَابِ عَائِشَةَ فَأَشَارَ بِيَدِهِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ فَقَالَ الْفِتْنَةُ هَاهُنَا حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যেদা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কক্ষের দরজায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাত দিয়ে পূর্ব দিকে ইশারা করে বললেন, “এই দিক থেকেই ফিতনা শুরু হবে, যেখান থেকে শয়তানের শিং বেরোয়।” এই কথাটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনবার বললেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4739 OK

(৪৭৩৯)

হাদিস দেখুন [৩১:২৯৯২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْحَكَمِ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَمَّ الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “আজকের এই মাস ঊনত্রিশ (২৯) দিনে পূর্ণ হয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4740 OK

(৪৭৪০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ بِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সওয়ারীর উপর নফল নামায পড়তেন, সওয়ারী যে দিকেই মুখ করে থাকতো না কেনো। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4741 OK

(৪৭৪১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬১২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا طَافَ بِالْبَيْتِ الطَّوَافَ الْأَوَّلَ خَبَّ ثَلَاثَةً وَمَشَى أَرْبَعَةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাওয়াফের প্রথম তিন চক্কর রমল করতেন এবং বাকি চার চক্করে স্বাভাবিক গতিতে হাঁটতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4742 OK

(৪৭৪২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ حَدَّثَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا رَجَعَ مِنْ أُحُدٍ فَجَعَلَتْ نِسَاءُ الْأَنْصَارِ يَبْكِينَ عَلَى مَنْ قُتِلَ مِنْ أَزْوَاجِهِنَّ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَكِنْ حَمْزَةُ لَا بَوَاكِيَ لَهُ قَالَ ثُمَّ نَامَ فَاسْتَنْبَهَ وَهُنَّ يَبْكِينَ قَالَ فَهُنَّ الْيَوْمَ إِذًا يَبْكِينَ يَنْدُبْنَ بِحَمْزَةَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন উহুদ যুদ্ধ থেকে ফিরে আসেন, তখন আনসার মহিলারা তাদের শহীদ স্বামীদের জন্যে কাঁদতে থাকে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হামযার জন্যে কাঁদার কেউ নেই?” তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিছু সময়ের জন্যে ঘুমিয়ে পড়লেন। এরপর যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চোখ জেগে উঠলো এবং সেই মহিলারাও একইভাবে কাঁদছিলো, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা আজ হামযার নাম ধরে কাঁদতে থাকো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4743 OK

(৪৭৪৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَتَّابٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ وَعَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَرَادَ اللَّهُ بِقَوْمٍ عَذَابًا أَصَابَ الْعَذَابُ مَنْ كَانَ فِيهِمْ ثُمَّ بُعِثُوا عَلَى أَعْمَالِهِمْ وَقَالَ عَلِيٌّ فِي حَدِيثِهِ قَالَ حَدَّثَنِي حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ যখন কোনো সম্প্রদায়কে শাস্তি দিতে চান, তখন তিনি সেখানে বসবাসকারী সকলকে শাস্তি দেন। তারপর তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম অনুযায়ী জীবিত করা হবে।” (সব নেককার মানুষই ঐ সময় দুনিয়ায় শাস্তির অংশীদার হবে, তবে আখিরাতে পুরষ্কার ও শাস্তি হবে আমল অনুযায়ী।) [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4744 OK

(৪৭৪৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتَلِمُ الْحَجَرَ الْأَسْوَدَ فَلَا أَدَعُ اسْتِلَامَهُ فِي شِدَّةٍ وَلَا رَخَاءٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি নিজে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কালো পাথরকে স্পর্শ করতে দেখেছি, তাই আমি কালো পাথরকে স্পর্শ করতে থাকবো, তা কঠোর বা নরম যাই হোক না কেনো। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4745 OK

(৪৭৪৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৪৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ صَلَاةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى وَالْوِتْرُ رَكْعَةٌ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “রাতের নামায হলো দুই রাকাত, দুই রাকাত করে। আর বিতর নামায হলো, রাতের শেষ অংশে এক রাকাত। আর যখন তোমরা ফজরের আশঙ্কা করো, তখন তোমরা বিতর পড়ে নাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4746 OK

(৪৭৪৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُمْ كَانُوا يُضْرَبُونَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا اشْتَرَوْا طَعَامًا جُزَافًا أَنْ يَبِيعُوهُ فِي مَكَانِهِ حَتَّى يُؤْوُوهُ إِلَى رِحَالِهِمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে লোকেরা অনুমানে কিছু শস্য ক্রয় করে, দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় অন্য কারো কাছে তা বিক্রি করাতো। অতচো তা তাদের গুদাম ঘরে বহন করে নিয়ে যেতো না। এধরনের ক্রয়-বিক্রয়ের জন্যে তারা বেত্রাঘাত খেতো, কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এধরনের ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4747 OK

(৪৭৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৬৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ خَالِهِ الْحَارِثِ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْمُرُنَا بِالتَّخْفِيفِ وَإِنْ كَانَ لَيَؤُمُّنَا بِالصَّافَّاتِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে সংক্ষিপ্ত নামাযের ইমামতি করার নির্দেশ দিতেন। আর আমাদের ইমামতি করার সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূরা সাফাতের কয়েকটি আয়াতের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4748 OK

(৪৭৪৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৮১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي الصِّدِّيقِ هُوَ النَّاجِيُّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا وَضَعْتُمْ مَوْتَاكُمْ فِي الْقَبْرِ فَقُولُوا بِسْمِ اللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমরা তোমাদের মৃতকে কবরে নামিয়ে দেবে, তখন তোমরা বলো, ”

بِسْمِ اللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

“আল্লাহ তায়ালার নামে ও তাঁর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নতের উপর।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4749 OK

(৪৭৪৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৭৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدةَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ عَنْ عَمِّهِ وَاسِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ رَقِيتُ يَوْمًا فَوْقَ بَيْتِ حَفْصَةَ فَرَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى حَاجَتِهِ مُسْتَقْبِلَ الشَّامِ مُسْتَدْبِرَ الْقِبْلَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি একদা আমার বোন হাফসার ঘরের ছাদে উঠলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ইস্তিঞ্জায় বসা অবস্থায় দেখতে পেলাম। তিনি সিরিয়ার দিকে মুখ করে এবং কিবলার দিকে পিঠ করে বসেছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4750 OK

(৪৭৫০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬১৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا هِشَامٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ صَلَاةُ الْمَغْرِبِ وِتْرُ النَّهَارِ فَأَوْتِرُوا صَلَاةَ اللَّيْلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মাগরিবের সালাত হচ্ছে দিনের বিতর। সুতরাং তোমরা রাতের বিতরও আদায় করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4751 OK

(৪৭৫১)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ الْمُغِيرَةِ الطَّائِفِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمِقْدَامِ قَالَ رَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ يَمْشِي بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَقُلْتُ لَهُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا لَكَ لَا تَرْمُلُ فَقَالَ قَدْ رَمَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَرَكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুকাদাম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে সাফা-মারওয়ার মাঝখানে স্বাভাবিক গতিতে হাঁটতে দেখেছি। তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, “হে আবু আব্দুর রহমান! আপনি কেনো দ্রুত হাঁটছেন না?” তিনি বললেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এখানে উভয়টিই করেছেন, এখানে গতি বাড়িয়েছেন এবং গতি বাড়াননি। আমি যদি স্বাভাবিক গতিতে হাঁটি, তবে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এভাবে হাঁটতে দেখেছি এবং আমি যদি দ্রুত হাঁটি, তবে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও এভাবে দ্রুত হাঁটতে দেখেছি।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৫১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4752 OK

(৪৭৫২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৬০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ حُسَيْنٍ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ مَوْلَى مَيْمُونَةَ قَالَ أَتَيْتُ عَلَى ابْنِ عُمَرَ وَهُوَ بِالْبَلَاطِ وَالْقَوْمُ يُصَلُّونَ فِي الْمَسْجِدِ قُلْتُ مَا يَمْنَعُكَ أَنْ تُصَلِّيَ مَعَ النَّاسِ أَوْ الْقَوْمِ قَالَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تُصَلُّوا صَلَاةً فِي يَوْمٍ مَرَّتَيْنِ


হজরত সুলাইমান মাওলা মায়মুনাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এলাম। সে সময় তিনি গাছের ঝোপে ছিলেন এবং লোকেরা মসজিদে সালাত আদায় করছিলো। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “আপনি কেনো লোকদের সাথে সালাত আদায় করছেন না?” তিনি বললেন, “আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘তোমরা দিনে দুইবার একই সালাত আদায় করো না’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4753 OK

(৪৭৫৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯১৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنِي أَبُو جَمْرَةَ وَابْنُ جَعْفَرٍ قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي جَمْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ إِنَّ وَفْدَ عَبْدِ الْقَيْسِ لَمَّا قَدِمُوا الْمَدِينَةَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مِمَّنْ الْوَفْدُ أَوْ قَالَ الْقَوْمُ قَالُوا رَبِيعَةُ قَالَ مَرْحَبًا بِالْوَفْدِ أَوْ قَالَ الْقَوْمِ غَيْرَ خَزَايَا وَلَا نَدَامَى قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتَيْنَاكَ مِنْ شُقَّةٍ بَعِيدَةٍ وَبَيْنَنَا وَبَيْنَكَ هَذَا الْحَيُّ مِنْ كُفَّارِ مُضَرَ وَلَسْنَا نَسْتَطِيعُ أَنْ نَأْتِيَكَ إِلَّا فِي شَهْرٍ حَرَامٍ فَأَخْبِرْنَا بِأَمْرٍ نَدْخُلُ بِهِ الْجَنَّةَ وَنُخْبِرُ بِهِ مَنْ وَرَاءَنَا وَسَأَلُوهُ عَنْ أَشْرِبَةٍ فَأَمَرَهُمْ بِأَرْبَعٍ وَنَهَاهُمْ عَنْ أَرْبَعٍ أَمَرَهُمْ بِالْإِيمَانِ بِاللَّهِ قَالَ أَتَدْرُونَ مَا الْإِيمَانُ بِاللَّهِ قَالُوا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ قَالَ شَهَادَةُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ وَإِقَامُ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءُ الزَّكَاةِ وَصَوْمُ رَمَضَانَ وَأَنْ تُعْطُوا الْخُمُسَ مِنْ الْمَغْنَمِ وَنَهَاهُمْ عَنْ الدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمِ وَالنَّقِيرِ وَالْمُزَفَّتِ قَالَ وَرُبَّمَا قَالَ وَالْمُقَيَّرِ قَالَ احْفَظُوهُنَّ وَأَخْبِرُوا بِهِنَّ مَنْ وَرَاءَكُمْ


হজরত আবূ জামরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, আবদুল কায়েসের প্রতিনিধি দল রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এলো এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এই প্রতিনিধি দলটি কে?” বা “এরা কারা?” তারা বললো, আমরা রাবীআহ গোত্রের। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “ঐ প্রতিনিধি দলকে বা লোকেদেরকে স্বাগত জানাই, যারা অপদস্থ ও লজ্জিত না হয়েই আগমন করেছে।” তারা বললো, হে আল্লাহর রসূল, আমরা আপনার কাছে দূরবর্তী দেশ থেকে এসেছি। আমাদের এবং আপনার মধ্যে এই কাফের মুদার গোত্র রয়েছে। আমরা কেবল আপনার কাছে পবিত্র মাসেই আসতে পারি। সুতরাং আপনি আমাদেরকে একটি স্পষ্ট নির্দেশ দিন যার মাধ্যমে আমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারি এবং যা আমরা তাদের কাছে বলতে পারি, যাদেরকে আমরা পিছনে ফেলে এসেছি। তারা পানীয় সম্বন্ধেও জিজ্ঞেস করল। তিনি তাদেরকে চারটি জিনিসের নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং চারটি জিনিস থেকে নিষেধ করেছিলেন। তিনি তাদেরকে এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দিয়েছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা কি জানো, এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার অর্থ কী?” তারা বললো, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেন, “এর অর্থ হলো, সাক্ষ্য দেওয়া যে, একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর প্রেরিত রসূল। নিয়মিত নামায কায়েম করা, রমযানের রোযা রাখা এবং যুদ্ধের গনীমতের এক পঞ্চমাংশ সম্পদ (খুমুস) দান করা। তিনি তাদেরকে সবুজ কলস, শুকনো কদুর খোল, খেজুর বৃক্ষের গুড়ি হতে তৈরী বাসন এবং আলকাতরা দ্বারা রাঙানো পাত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করেছিলেন। এবং তিনি তাদেরকে আরো বললেন, “তোমরা এ বিষয়গুলো ভালো করে মনে রেখো এবং যাদেরকে তোমরা পিছনে ফেলে এসেছো, তাদেরকেও জানাও। ” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4754 OK

(৪৭৫৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا حُمَيْدٌ عَنْ بَكْرٍ قَالَ ذَكَرْتُ لِابْنِ عُمَرَ أَنَّ أَنَسًا حَدَّثَنَا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ وَحَجٍّ فَقَالَ وَهِلَ أَنَسٌ إِنَّمَا أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْحَجِّ وَأَهْلَلْنَا مَعَهُ فَلَمَّا قَدِمَ قَالَ مَنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ هَدْيٌ فَلْيَجْعَلْهَا عُمْرَةً وَكَانَ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَدْيٌ فَلَمْ يَحِلَّ


হজরত বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে উল্লেখ করেছিলাম যে, “সাইয়্যেদনা আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের কাছে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজ্জ ও উমরা উভয়ের জন্যে ইহরাম পরিধান করেছিলেন।” তিনি বলেন, “সাইয়্যিদুনা আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু ভুল করে বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুরুতে হজের ইহরাম বেঁধেছিলেন এবং আমরাও তাঁর সঙ্গে হজের ইহরাম বেঁধেছিলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মক্কায় পৌঁছলেন, তখন তিনি বললেন যে, ‘যার কুরবানীর পশু নেই, সে যেনো উমরা করে।’ যেহেতু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার সাথে একটি কুরবানীর পশু ছিলো, তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহরাম খোলেননি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4755 OK

(৪৭৫৫)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৮০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ مُزَاحِمٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِذَا لَبَّى يَقُولُ لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ قَالَ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ انْتَهِ إِلَيْهَا فَإِنَّهَا تَلْبِيَةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত দাহহাক ইবনে মুযাহিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন তালবিয়া বলতেন, তখন তিনি বলতেন,

لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ

“আমি উপস্থিত হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত। তোমার কোন শরীক নেই, আমি উপস্থিত। নিঃসন্দেহে সমস্ত প্রশংসা ও সমস্ত বরকত তোমারই এবং সমস্ত সার্বভৌমত্ব তোমারই, তোমার কোন শরীক নেই।”

এবং হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তোমরাও এভাবেই তালবিয়া পাঠ করো, কেননা এটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তালবিয়া।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৭৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস