(২৬) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৩৩৬৮-৪২১৬), সর্বমোট হাদিসঃ ৮৪৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৫৯টি]



4057 OK

(৪০৫৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৩৮৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ الْهَيْثَمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى الظُّهْرَ خَمْسًا فَقِيلَ زِيدَ فِي الصَّلَاةِ قِيلَ صَلَّيْتَ خَمْسًا فَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যোহরের নামায চার রাকাতের পরিবর্তে পাঁচ রাকাত পড়ালেন। কেউ জিজ্ঞেস করলো যে, “আপনি পাঁচ রাকাত নামায পড়ালেন, নামাযের রাকাত বেড়েছে কি না?” এতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুটি সাহু সিজদা করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4058 OK

(৪০৫৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي قَيْسٍ عَنْ الْهُزَيْلِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْوَاشِمَةَ وَالْمُوتَشِمَةَ وَالْوَاصِلَةَ وَالْمَوْصُولَةَ وَالْمُحِلَّ وَالْمُحَلَّلَ لَهُ وَآكِلَ الرِّبَا وَمُوكِلَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক ঐ ব্যক্তির উপর, যে সুদ খায়, যে সুদ প্রদান করে, যে সুদ প্রত্যক্ষ করে (সুদ লিখায় সাক্ষী দেয়) এবং যে সুদ লিখে রাখে (অর্থাৎ, সুদখোর, সুদদাতা, সুদের সাক্ষী, সুদের লেখক)। যে ব্যক্তি হিল্লা করে, যার জন্যে হিল্লা করা হয়, যে ব্যক্তি যাকাত দেয় না, যে ব্যক্তি উল্কি অঙ্কন করে, যে ব্যক্তি উল্কি করায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4059 OK

(৪০৫৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪০৫৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي قَيْسٍ عَنْ الْهُزَيْلِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْوَاشِمَةَ وَالْمُوتَشِمَةَ وَالْوَاصِلَةَ وَالْمَوْصُولَةَ وَالْمُحِلَّ وَالْمُحَلَّلَ لَهُ وَآكِلَ الرِّبَا وَمُوكِلَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক ঐ ব্যক্তির উপর, যে সুদ খায়, যে সুদ প্রদান করে, যে সুদ প্রত্যক্ষ করে (সুদ লিখায় সাক্ষী দেয়) এবং যে সুদ লিখে রাখে (অর্থাৎ, সুদখোর, সুদদাতা, সুদের সাক্ষী, সুদের লেখক)। যে ব্যক্তি হিল্লা করে, যার জন্যে হিল্লা করা হয়, যে ব্যক্তি যাকাত দেয় না, যে ব্যক্তি উল্কি অঙ্কন করে, যে ব্যক্তি উল্কি করায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4060 OK

(৪০৬০)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৬৯৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي الْوَلِيدُ بْنُ الْعَيْزَارِ بْنِ حُرَيْثٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا عَمْرٍو الشَّيْبَانِيَّ قَالَ حَدَّثَنَا صَاحِبُ هَذِهِ الدَّارِ وَأَشَارَ إِلَى دَارِ عَبْدِ اللَّهِ وَلَمْ يُسَمِّهِ قَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّ الْعَمَلِ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ قَالَ الصَّلَاةُ عَلَى وَقْتِهَا قَالَ قُلْتُ ثُمَّ أَيٌّ قَالَ ثُمَّ بِرُّ الْوَالِدَيْنِ قَالَ قُلْتُ ثُمَّ أَيٌّ قَالَ ثُمَّ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ فَحَدَّثَنِي بِهِنَّ وَلَوْ اسْتَزَدْتُهُ لَزَادَنِي


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম, “কোন আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “সময়মত নামায পড়া।” আমি বললাম, “তারপর কোনটি?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তারপর পিতা-মাতার সম্মান করা।” আমি বললাম, “তারপর কোনটি?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তারপর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে জিহাদ?” আমি যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আরো জিজ্ঞাসা করতাম, তবে তিনি আমাকে আরো বলতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4061 OK

(৪০৬১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ قَالَ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ رَجُلٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ وَابِصَةَ الْأَسَدِيِّ عَنْ أَبِيهِ قَالَ إِنِّي بِالْكُوفَةِ فِي دَارِي إِذْ سَمِعْتُ عَلَى بَابِ الدَّارِ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ أَأَلِجُ قُلْتُ عَلَيْكُمْ السَّلَامُ فَلِجْ فَلَمَّا دَخَلَ فَإِذَا هُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ قُلْتُ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَيَّةُ سَاعَةِ زِيَارَةٍ هَذِهِ وَذَلِكَ فِي نَحْرِ الظَّهِيرَةِ قَالَ طَالَ عَلَيَّ النَّهَارُ فَذَكَرْتُ مَنْ أَتَحَدَّثُ إِلَيْهِ قَالَ فَجَعَلَ يُحَدِّثُنِي عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأُحَدِّثُهُ قَالَ ثُمَّ أَنْشَأَ يُحَدِّثُنِي قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ تَكُونُ فِتْنَةٌ النَّائِمُ فِيهَا خَيْرٌ مِنْ الْمُضْطَجِعِ وَالْمُضْطَجِعُ فِيهَا خَيْرٌ مِنْ الْقَاعِدِ وَالْقَاعِدُ فِيهَا خَيْرٌ مِنْ الْقَائِمِ وَالْقَائِمُ فِيهَا خَيْرٌ مِنْ الْمَاشِي وَالْمَاشِي خَيْرٌ مِنْ الرَّاكِبِ وَالرَّاكِبُ خَيْرٌ مِنْ الْمُجْرِي قَتْلَاهَا كُلُّهَا فِي النَّارِ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَتَى ذَلِكَ قَالَ ذَلِكَ أَيَّامَ الْهَرْجِ قُلْتُ وَمَتَى أَيَّامُ الْهَرْجِ قَالَ حِينَ لَا يَأْمَنُ الرَّجُلُ جَلِيسَهُ قَالَ قُلْتُ فَمَا تَأْمُرُنِي إِنْ أَدْرَكْتُ ذَلِكَ قَالَ اكْفُفْ نَفْسَكَ وَيَدَكَ وَادْخُلْ دَارَكَ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِنْ دَخَلَ رَجُلٌ عَلَيَّ دَارِي قَالَ فَادْخُلْ بَيْتَكَ قَالَ قُلْتُ أَفَرَأَيْتَ إِنْ دَخَلَ عَلَيَّ بَيْتِي قَالَ فَادْخُلْ مَسْجِدَكَ وَاصْنَعْ هَكَذَا وَقَبَضَ بِيَمِينِهِ عَلَى الْكُوعِ وَقُلْ رَبِّيَ اللَّهُ حَتَّى تَمُوتَ عَلَى ذَلِكَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ رَاشِدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ وَابِصَةَ الْأَسَدِيِّ


হজরত আমর বিন ওয়াবিসাহ আল-আসাদী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তার পিতা বলেছেন, আমি কুফাতে আমার বাড়িতে ছিলাম এবং আমি বাড়ির দরজায় (এই শব্দগুলি) শুনতে পেলাম, “আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আমি কি ভিতরে প্রবেশ করতে পারি?” আমি বললাম, “আপনার উপরেও শান্তি বর্ষিত হোক; ভিতরে আসুন।” যখন তিনি ভিতরে এলেন, তখন দেখলাম যে তিনি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু। আমি বললাম, “হে আবু আব্দুর রহমান, এটা কি আসার সময়, তাও আবার দিনের মধ্যভাগে?” তিনি বললেন, “আমি দিনের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাইনি; ভাবলাম কারো সাথে কথা বলা উচিত।” এবং তিনি আমার সাথে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে কথা বলতে লাগলেন এবং আমি তাঁর সাথে কথা বললাম। অতঃপর তিনি আমাকে বলতে লাগলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “এমন একটা ফিতনার সময় আসবে, যখন ঘুমন্ত ব্যক্তি, শুয়ে থাকা ব্যক্তির চেয়ে উত্তম হবে। যে শুয়ে আছে, সে বসে থাকা ব্যক্তির চেয়ে উত্তম হবে। যে বসে আছে, সে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তির চেয়ে উত্তম হবে। যে দাঁড়িয়ে আছে, সে হাঁটতে থাকা ব্যক্তির চেয়ে উত্তম হবে। যে হাঁটছে, সে অশ্বারোহীর চেয়ে উত্তম হবে। যে অশ্বারোহণ করছে, সে অশ্বারোহীতে বসে থাকা একদল ব্যক্তির চেয়ে উত্তম হবে। আর তারা সকলেই জাহান্নামে যাবে।” আমি বললাম, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তা কখন হবে?” তিনি বললেন, “সে দিনগুলো হবে আল-হারজ (হত্যার) দিন।” আমি বললাম, “হত্যার দিন কবে হবে?” তিনি বললেন, “যখন একজন মানুষ, যার সাথে সে বসে থাকে, তার সাথে নিরাপদ বোধ করে না।” আমি বললাম, “আমি যদি তা দেখতে বেঁচে থাকি, তাহলে আপনি আমাকে কী করতে নির্দেশ দেন?” তিনি বললেন, “তুমি নিজেকে সংযতো করো ও তোমার ঘরের মধ্যে থাকো।” আমি বললাম, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যদি কোনো লোক আমার ঘরে প্রবেশ করে?” তিনি বললেন, “তোমার কক্ষের ভিতর যাও।” আমি বললাম, “যদি সে আমার কক্ষের ভিতর প্রবেশ করে, তাহলে কি হবে?” তিনি বললেন, “তোমার নামাযের স্থানে যাও এবং এভাবে দুই হাত তুলে আল্লাহর নিকট দুয়া করো, হে আমার আল্লাহ। যতক্ষণ না তুমি সেই অবস্থায় মৃত্যু বরণ করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4062 OK

(৪০৬২)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪৩৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ شَقِيقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ تَعَاهَدُوا هَذِهِ الْمَصَاحِفَ وَرُبَّمَا قَالَ الْقُرْآنَ فَلَهُوَ أَشَدُّ تَفَصِّيًا مِنْ صُدُورِ الرِّجَالِ مِنْ النَّعَمِ مِنْ عُقُلِهِ قَالَ وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَقُلْ أَحَدُكُمْ إِنِّي نَسِيتُ آيَةَ كَيْتَ وَكَيْتَ بَلْ هُوَ نُسِّيَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এই কোরআনকে কীভাবে রক্ষা করা উচিত, কারণ এটি মানুষের বুক থেকে এতো দ্রুত বেরিয়ে আসে যে, একটি উটও তার দড়ি ছেড়ে দিয়ে এতো দ্রুত পালিয়ে যায় না। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যেনো না বলে যে, ‘আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলে গেছি’; বরং তাকে তা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4063 OK

(৪০৬৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৬৭০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ قَيْسٍ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ أَبِي الْكَهْتَلَةِ قَالَ مُحَمَّدٌ أَظُنُّهُ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ أَنَّهُ قَالَ إِنَّ مُحَمَّداً لَمْ يَرَ جِبْرِيلَ فِي صُورَتِهِ إِلَّا مَرَّتَيْنِ أَمَّا مَرَّةٌ فَإِنَّهُ سَأَلَهُ أَنْ يُرِيَهُ نَفْسَهُ فِي صُورَتِهِ فَأَرَاهُ صُورَتَهُ فَسَدَّ الْأُفُقَ وَأَمَّا الْأُخْرَى فَإِنَّهُ صَعِدَ مَعَهُ حِينَ صَعِدَ بِهِ وَقَوْلُهُ وَهُوَ بِالْأُفُقِ الْأَعْلَى ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّى فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَى فَأَوْحَى إِلَى عَبْدِهِ مَا أَوْحَى قَالَ فَلَمَّا أَحَسَّ جِبْرِيلُ رَبَّهُ عَادَ فِي صُورَتِهِ وَسَجَدَ فَقَوْلُهُ وَلَقَدْ رَآهُ نَزْلَةً أُخْرَى عِنْدَ سِدْرَةِ الْمُنْتَهَى عِنْدَهَا جَنَّةُ الْمَأْوَى إِذْ يَغْشَى السِّدْرَةَ مَا يَغْشَى مَا زَاغَ الْبَصَرُ وَمَا طَغَى لَقَدْ رَأَى مِنْ آيَاتِ رَبِّهِ الْكُبْرَى قَالَ خَلْقَ جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلَام


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হজরত জিবরীল (আঃ)-কে তার আসল রূপে দুইবার দেখেছেন। একবার তিনি তাকে তার আসল রূপ দেখাতে বললেন, তাই তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তার আসল রূপ দেখালেন এবং হজরত জিবরীল (আঃ) দিগন্ত পূর্ণ করে দাড়িয়ে ছিলেন।

وَهُوَ بِٱلۡأُفُقِ ٱلۡأَعۡلَىٰ٧
আর ফেরেশতা জিবরিল ছিলেন উর্ধ্ব দিগন্তে, (৫৩. আন নাজম : ৭)
ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّىٰ٨
তারপর তিনি নিকটবর্তী হলেন, তারপর তিনি রসূলের দিকে ঝুঁকে গেলেন। (৫৩. আন নাজম : ৮)
فَكَانَ قَابَ قَوۡسَيۡنِ أَوۡ أَدۡنَىٰ٩
তখন তাদের মধ্যে দুই ধনুকের ব্যবধান ছিলো অথবা আরো কম। (৫৩. আন নাজম : ৯)
فَأَوۡحَىٰٓ إِلَىٰ عَبۡدِهِۦ مَآ أَوۡحَىٰ١٠
তখন আল্লাহ রসূলের প্রতি যা ওহী করবার, তা ওহী করলেন। (৫৩. আন নাজম : ১০)

দ্বিতীয়বার, যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিরাজের রাতে আকাশে আরোহণ করেছিলেন, তখন তিনি হজরত জিবরীল (আঃ)-কে দেখেছিলেন।

وَلَقَدۡ رَءَاهُ نَزۡلَةً أُخۡرَىٰ١٣
অবশ্যই রসূল ফেরেশতা জিবরিল কে অবতরণের সময় আরেকবার দেখেছিলেন, (৫৩. আন নাজম : ১৩)
عِندَ سِدۡرَةِ ٱلۡمُنتَهَىٰ١٤
দিগন্তের গাছের নিকটে, (৫৩. আন নাজম : ১৪)
عِندَهَا جَنَّةُ ٱلۡمَأۡوَىٰٓ١٥
ঐ গাছের নিকটে রয়েছে বসবাসের বেহেশত। (৫৩. আন নাজম : ১৫)
إِذۡ يَغۡشَى ٱلسِّدۡرَةَ مَا يَغۡشَىٰ١٦
যখন গাছটি ফেরেশতাগণ দ্বারা আচ্ছন্ন ছিলো, যে ফেরেশতাগণ দ্বারা গাছটিকে আচ্ছন্ন করা হয়। (৫৩. আন নাজম : ১৬)
مَا زَاغَ ٱلۡبَصَرُ وَمَا طَغَىٰ١٧
রসূলের দৃষ্টি বিভ্রম হয়নি এবং তিনি সীমালঙ্ঘনও করেননি। (৫৩. আন নাজম : ১৭)
لَقَدۡ رَأَىٰ مِنۡ ءَايَٰتِ رَبِّهِ ٱلۡكُبۡرَىٰٓ١٨
অবশ্যই রসূল তাঁর প্রভুর নিদর্শন গুলোর মধ্যে বড় নিদর্শন গুলো দেখেছেন। (৫৩. আন নাজম : ১৮) [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4064 OK

(৪০৬৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৯৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ وَعَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ قَالَ عَفَّانُ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ زَيْدٍ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مِهْرَانَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَجُلًا أَتَى عُمَرَ فَقَالَ امْرَأَةٌ جَاءَتْ تُبَايِعُهُ فَأَدْخَلْتُهَا الدَّوْلَجَ فَأَصَبْتُ مِنْهَا مَا دُونَ الْجِمَاعِ فَقَالَ وَيْحَكَ لَعَلَّهَا مُغِيبٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ أَجَلْ قَالَ فَأْتِ أَبَا بَكْرٍ فَاسْأَلْهُ قَالَ فَأَتَاهُ فَسَأَلَهُ فَقَالَ لَعَلَّهَا مُغِيبٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ فَقَالَ مِثْلَ قَوْلِ عُمَرَ ثُمَّ أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ قَالَ فَلَعَلَّهَا مُغِيبٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَنَزَلَ الْقُرْآنُ وَأَقِمْ الصَّلَاةَ طَرَفَيْ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنْ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ إِلَى آخِرِ الْآيَةِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلِي خَاصَّةً أَمْ لِلنَّاسِ عَامَّةً فَضَرَبَ عُمَرُ صَدْرَهُ بِيَدِهِ فَقَالَ لَا وَلَا نَعْمَةَ عَيْنٍ بَلْ لِلنَّاسِ عَامَّةً فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدَقَ عُمَرُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এসে বললো, একজন মহিলা কিছু কিনতে এসেছিলো, এবং আমি তাকে একটি গুদাম ঘরে নিয়ে গিয়েছিলাম এবং এমন কিছু করেছি যা সহবাসের চেয়ে কম ছিলো। হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “তোমার জন্য আফসোস! সম্ভবত সে এমন একজনের স্ত্রী, যিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে দূরে কোথায় জিহাদ করছেন।” সে বললো, “হ্যাঁ।” তিনি বললেন, “তুমি হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে যাও এবং তাকে জিজ্ঞেস করো।” অতঃপর সে হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে গেলো এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলো, এবং তিনি বললেন, “সম্ভবত সে এমন একজনের স্ত্রী, যিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে দূরে কোথায় জিহাদ করছেন।” সে বললো, “হ্যাঁ।” তিনি বললেন, “তুমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে যাও এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করো।” তারপর সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গেলো এবং অনুরূপ কিছু বললো এবং তিনি বললেন, “সম্ভবত সে এমন একজনের স্ত্রী, যিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে দূরে কোথায় জিহাদ করছেন।” অতঃপর কোরানের এই আয়াত নাযিল হয়,
وَأَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ طَرَفَيِ ٱلنَّهَارِ وَزُلَفٗا مِّنَ ٱلَّيۡلِۚ إِنَّ ٱلۡحَسَنَٰتِ يُذۡهِبۡنَ ٱلسَّيِّـَٔاتِۚ ذَٰلِكَ ذِكۡرَىٰ لِلذَّٰكِرِينَ١١٤
হে রসূল! আপনি ফজর ও আসর আর মাগরীব ও এশার সময় নামায প্রতিষ্ঠিত করুন। নিশ্চয় ভালো কাজ, মন্দ কাজকে দূর করে দেয়। এ কুরআন তাদের জন্যে একটি স্মরণীয় উপদেশ, যারা আল্লাহকে স্মরণ করে। [১১ : ১১৪]

সে বললো, “হে আল্লাহর রাসূল, এই আয়াতের হুকুম কি শুধু আমার জন্যে, নাকি সকল মানুষের জন্যে?” হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার বুকে হাত দিয়ে আঘাত করলেন এবং বললেন, “ তুমি এমনটা মনে করো না; বরং এটা সব মানুষের জন্য।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “উমর ঠিক কথা বলেছে।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৪০৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4065 OK

(৪০৬৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৪০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سِمَاكٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ قَالَ شُعْبَةُ وَأَحْسِبُهُ قَدْ رَفَعَهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَثَلُ الَّذِي يُعِينُ عَشِيرَتَهُ عَلَى غَيْرِ الْحَقِّ مَثَلُ الْبَعِيرِ رُدِّيَ فِي بِئْرٍ فَهُوَ يَمُدُّ بِذَنَبِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার জাতিকে অন্যায় কাজে সাহায্য করে, তার দৃষ্টান্ত হলো সেই উটের মতো, যেটি শুকনো কূপে পড়ে গেছে, তারপর তাকে কূপ থেকে উঠনোর জন্যে তার লেজ ধরে টানা হচ্ছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4066 OK

(৪০৬৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৭৭২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ كُنْتُ مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ بِجَمْعٍ فَصَلَّى الصَّلَاتَيْنِ كُلَّ صَلَاةٍ وَحْدَهَا بِأَذَانٍ وَإِقَامَةٍ وَالْعَشَاءُ بَيْنَهُمَا وَصَلَّى الْفَجْرَ حِينَ سَطَعَ الْفَجْرُ أَوْ قَالَ حِينَ قَالَ قَائِلٌ طَلَعَ الْفَجْرُ وَقَالَ قَائِلٌ لَمْ يَطْلُعْ ثُمَّ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ هَاتَيْنِ الصَّلَاتَيْنِ تُحَوَّلَانِ عَنْ وَقْتِهِمَا فِي هَذَا الْمَكَانِ لَا يَقْدَمُ النَّاسُ جَمْعًا حَتَّى يُعْتِمُوا وَصَلَاةُ الْفَجْرِ هَذِهِ السَّاعَةُ


হজরত আবদ আল-রহমান বিন ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি মুযদালিফার ময়দানে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ছিলাম। তিনি দুই ওয়াক্ত (মাগরিব ও এশা) নামায পড়ালেন। তিনি প্রত্যেক নামায একাকী আযান ও ইকামাতের সাথে আদায় করলেন এবং উভয়ের মধ্যে খাবারও খেয়ে ফেললেন। ফজর উদিত হলে তিনি এমন সময় ফজরের সালাত আদায় করলেন যে, যখন ভোরের প্রথম আলো দেখা গেলো, অথবা যখন কেউ বলতে পারে, ভোর হয়েছে, আবার কেউ বলতে পারে, ভোর হয়নি। অতঃপর তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “এ দুটি নামাযকে তাদের নিয়মিত সময় থেকে এই স্থানে সরিয়ে নিতে হবে। আর অন্ধকার না হওয়া পর্যন্ত লোকেরা যেনো মুযদালিফায় না আসে। আর এই সময়ে ফজরের সালাত আদায় করা উচিত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4067 OK

(৪০৬৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنِي أَبِي عَنْ مِينَاءَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْلَةَ وَفْدِ الْجِنِّ فَلَمَّا انْصَرَفَ تَنَفَّسَ فَقُلْتُ مَا شَأْنُكَ فَقَالَ نُعِيَتْ إِلَيَّ نَفْسِي يَا ابْنَ مَسْعُودٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি ঐ সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলাম, যে রাতে জিনদের প্রতিনিধি দল এসেছিলো। যখন তিনি তাদের কথা শেষ করলেন, তখন তিনি গভীর শ্বাস ফেললেন ও তাঁর শ্বাসকষ্ট হচ্ছিলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “কি ব্যাপার, আপনি ভালো আছেন তো?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হে ইবনে মাসউদ! আমাকে আমার মৃত্যুর সংবাদ দেয়া হয়েছে। আমার মৃত্যু সন্নিকটে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4068 OK

(৪০৬৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৬২৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِقَوْمٍ يَتَخَلَّفُونَ عَنْ الْجُمُعَةِ لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ رَجُلًا يُصَلِّي بِالنَّاسِ ثُمَّ أُحَرِّقَ عَلَى رِجَالٍ يَتَخَلَّفُونَ عَنْ الْجُمُعَةِ بُيُوتَهُمْ قَالَ زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقُ أَنَّهُ سَمِعَهُ مِنْ أَبِي الْأَحْوَصِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমার ইচ্ছা হয় যে, এক ব্যক্তিকে আদেশ করি যেনো, সে লোকদের জুম্মার নামাযের ইমামতি করে। অতঃপর লাকড়ি বহনকারী কিছু লোককে সাথে নিয়ে আমি বেরিয়ে পড়ি, তারপর আমি সেগুলো দ্বারা ঐসব লোকের ঘর-বাড়ি আগুনে জ্বালিয়ে দেই, যারা জুম্মার নামাযের জামাআতে উপস্থিত হয়নি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4069 OK

(৪০৬৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৯৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ قَيْسِ بْنِ الْحَجَّاجِ عَنْ حَنَشٍ الصَّنْعَانِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا أَنَّهُ كَانَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْلَةَ الْجِنِّ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا عَبْدَ اللَّهِ أَمَعَكَ مَاءٌ قَالَ مَعِي نَبِيذٌ فِي إِدَاوَةٍ فَقَالَ اصْبُبْ عَلَيَّ فَتَوَضَّأَ قَالَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ شَرَابٌ وَطَهُورٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

জিনদের রাতে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বললেন, “হে আবদুল্লাহ, তোমার কাছে কি পানি আছে?” আমি বললাম, “আমার কাছে একটি পাত্রে কিছু নাবীদ আছে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমার জন্যে তা ঢেলে দাও।” তিনি তা দিয়ে উযূ করলেন এবং আমাদেরকে নামায পড়ালেন। তিনি বললেন, “হে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ! এটি পানযোগ্য ও পবিত্রতার মাধ্যম উভয়ই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4070 OK

(৪০৭০)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৬২৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِقَوْمٍ يَتَخَلَّفُونَ عَنْ الْجُمُعَةِ لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ رَجُلًا يُصَلِّي بِالنَّاسِ ثُمَّ أُحَرِّقَ عَلَى رِجَالٍ يَتَخَلَّفُونَ عَنْ الْجُمُعَةِ بُيُوتَهُمْ قَالَ زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقُ أَنَّهُ سَمِعَهُ مِنْ أَبِي الْأَحْوَصِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমার ইচ্ছা হয় যে, এক ব্যক্তিকে আদেশ করি যেনো, সে লোকদের জুম্মার নামাযের ইমামতি করে। অতঃপর লাকড়ি বহনকারী কিছু লোককে সাথে নিয়ে আমি বেরিয়ে পড়ি, তারপর আমি সেগুলো দ্বারা ঐসব লোকের ঘর-বাড়ি আগুনে জ্বালিয়ে দেই, যারা জুম্মার নামাযের জামাআতে উপস্থিত হয়নি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4071 OK

(৪০৭১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا رَبَاحٌ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ عَنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ الْوَلِيدَ بْنَ عُقْبَةَ أَخَّرَ الصَّلَاةَ مَرَّةً فَقَامَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ فَثَوَّبَ بِالصَّلَاةِ فَصَلَّى بِالنَّاسِ فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ الْوَلِيدُ مَا حَمَلَكَ عَلَى مَا صَنَعْتَ أَجَاءَكَ مِنْ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ أَمْرٌ فِيمَا فَعَلْتَ أَمْ ابْتَدَعْتَ قَالَ لَمْ يَأْتِنِي أَمْرٌ مِنْ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ وَلَمْ أَبْتَدِعْ وَلَكِنْ أَبَى اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَيْنَا وَرَسُولُهُ أَنْ نَنْتَظِرَكَ بِصَلَاتِنَا وَأَنْتَ فِي حَاجَتِكَ


হজরত কাসিম তার পিতা থেকে রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার ওয়ালিদ বিন উকবা সালাতে বিলম্ব করলেন। তা দেখে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু উঠে দাঁড়ালেন, ইকামাহ বললেন এবং লোকদের নামাজে নেতৃত্ব দিলেন। ওয়ালিদ তাকে বার্তা পাঠালো যে, “আপনি কেনো এমন করলেন? আপনি কি এ ব্যাপারে আমিরুল মুমিনীনের কাছ থেকে কোনো আদেশ পেয়েছেন, না আপনি নিজেই নতুন কিছু উদ্ভাবন করেছেন?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু উত্তরে বললেন, “আমি আমীরুল মুমিনীনের কাছ থেকে কোনো আদেশ পাইনি বা আমি নতুন কোনো কিছু উদ্ভাবনও করিনি। কিন্তু আল্লাহ ও তাঁর রাসুল চান না যে, আমরা আপনার জন্যে আমাদের নামাযের ব্যাপারে অপেক্ষা করি এবং আপনি আপনার কাজে ব্যস্ত থাকুন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4072 OK

(৪০৭২)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫০২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي عُبَيْدَهَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ خَرَجَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِحَاجَتِهِ فَقَالَ الْتَمِسْ لِي ثَلَاثَةَ أَحْجَارٍ قَالَ فَأَتَيْتُهُ بِحَجَرَيْنِ وَرَوْثَةٍ قَالَ فَأَخَذَ الْحَجَرَيْنِ وَأَلْقَى الرَّوْثَةَ وَقَالَ إِنَّهَا رِكْسٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বাইরে গেলেন এবং তিনি আমাকে বললেন, “আমার জন্যে তিনটি পাথর খুঁজে নিয়ে এসো।” আমি তার কাছে দুটি পাথর এবং এক টুকরো গোবর নিয়ে এলাম, তিনি দুটি পাথর নিলেন আর গোবরের টুকরোটি দূরে ছুঁড়ে ফেলে দিলেন এবং তিনি বললেন, “এটা অপবিত্র।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4073 OK

(৪০৭৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৮৮] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ دِينَارٍ الْخُزَاعِيُّ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّهُ سَمِعَ عَمْرَو بْنَ الْحَارِثِ الْخُزَاعِيَّ يَقُولُ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ مَا صُمْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تِسْعًا وَعِشْرِينَ أَكْثَرُ مِمَّا صُمْتُ مَعَهُ ثَلَاثِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রমজান মাসের অধিকাংশ সময়ই ত্রিশটি (৩০) রোজা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে রাখতাম। আমি কখনোই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে রমজান মাসের ঊনত্রিশ দিনে (২৯) রোজা পাইনি। [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৭৩]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



4074 OK

(৪০৭৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৯৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ قَيْسِ بْنِ الْحَجَّاجِ عَنْ حَنَشٍ الصَّنْعَانِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا أَنَّهُ كَانَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْلَةَ الْجِنِّ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا عَبْدَ اللَّهِ أَمَعَكَ مَاءٌ قَالَ مَعِي نَبِيذٌ فِي إِدَاوَةٍ فَقَالَ اصْبُبْ عَلَيَّ فَتَوَضَّأَ قَالَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ شَرَابٌ وَطَهُورٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

জিনদের রাতে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বললেন, “হে আবদুল্লাহ, তোমার কাছে কি পানি আছে?” আমি বললাম, “আমার কাছে একটি পাত্রে কিছু নাবীদ আছে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমার জন্যে তা ঢেলে দাও।” তিনি তা দিয়ে উযূ করলেন এবং আমাদেরকে নামায পড়ালেন। তিনি বললেন, “হে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ! এটি পানযোগ্য ও পবিত্রতার মাধ্যম উভয়ই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4075 OK

(৪০৭৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا قَالَ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ عَنْ زَيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ خِشْفِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي دِيَةِ الْخَطَإِ عِشْرِينَ بِنْتَ مَخَاضٍ وَعِشْرِينَ ابْنَ مَخَاضٍ وَعِشْرِينَ ابْنَةَ لَبُونٍ وَعِشْرِينَ حِقَّةً وَعِشْرِينَ جَذَعَةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাসুলুল্লাহ দুর্ঘটনা বশত হত্যার রক্তপণ হিসেবে, একজন স্বাধীন ব্যক্তির হত্যার রক্তপণের এক পঞ্চমাংশ নির্ধারণ করেছেন। দ্বিতীয় বছরের বিশটি গর্ভবতী উট এবং বিশটি পুরুষ উট। তৃতীয় বছরের বিশটি গর্ভবতী উট এবং বিশটি পুরুষ উট। চতুর্থ বছরে বিশটি গর্ভবতী উট এবং পঞ্চম বছরের বিশটি গর্ভবতী উট। [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4076 OK

(৪০৭৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৩৭৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ هُوَ الْأَزْرَقُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ رَآنِي فِي الْمَنَامِ فَقَدْ رَآنِي فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَتَمَثَّلَ بِمَثَلِي


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখবে, সে যেনো বিশ্বাস করে যে, সে আমাকেই দেখেছে, কারণ আমার রূপ ধারণের শয়তানের কোনো ক্ষমতা নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4077 OK

(৪০৭৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৩৭৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ هُوَ الْأَزْرَقُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ رَآنِي فِي الْمَنَامِ فَقَدْ رَآنِي فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَتَمَثَّلَ بِمَثَلِي


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখবে, সে যেনো বিশ্বাস করে যে, সে আমাকেই দেখেছে, কারণ আমার রূপ ধারণের শয়তানের কোনো ক্ষমতা নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4078 OK

(৪০৭৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৩৮১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ حَدَّثَنَا خُصَيْفٌ الْجَزَرِيُّ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ عَلَّمَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ التَّشَهُّدَ وَأَمَرَهُ أَنْ يُعَلِّمَ النَّاسَ التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে তাশাহহুদ শিখিয়েছিলেন এবং লোকদেরকে শেখাতে নির্দেশ দিয়েছিলেন,

التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

“সকল সম্ভাষণ (মৌখিক ইবাদত), সকল (শারিরিক) ইবাদত ও সকল পবিত্রতা (আর্থিক ইবাদত) আল্লাহর জন্যে। হে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনার উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো প্রভু নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রসূল।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4079 OK

(৪০৭৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫১২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ أَبِي وَائِلٍ قَالَ كُنْتُ جَالِسًا مَعَ عَبْدِ اللَّهِ وَأَبِي مُوسَى فَقَالَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بَيْنَ يَدَيْ السَّاعَةِ أَيَّامًا يَنْزِلُ فِيهَا الْجَهْلُ وَيُرْفَعُ فِيهَا الْعِلْمُ وَيَكْثُرُ فِيهَا الْهَرْجُ قَالَ قُلْنَا وَمَا الْهَرْجُ قَالَ الْقَتْلُ


হজরত আবু ওয়াইল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু ও হজরত আবু মূসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহুর পাশে বসা ছিলাম। তারা উভয়েই বললেন, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে অজ্ঞতা প্রকাশ পাবে এবং জ্ঞান কেড়ে নেওয়া হবে এবং হারজের প্রাচুর্য থাকবে’।” আমরা বললাম, “হারজ কি?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “হত্যা করা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4080 OK

(৪০৮০)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪৭৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنَا جَامِعُ بْنُ شَدَّادٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي عَلْقَمَةَ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ يَقُولُ أَقْبَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْحُدَيْبِيَةِ لَيْلًا فَنَزَلْنَا دَهَاسًا مِنْ الْأَرْضِ فَقَالَ مَنْ يَكْلَؤُنَا فَقَالَ بِلَالٌ أَنَا قَالَ إِذًا تَنَامَ قَالَ لَا فَنَامَ حَتَّى طَلَعَتْ الشَّمْسُ فَاسْتَيْقَظَ فُلَانٌ وَفُلَانٌ فِيهِمْ عُمَرُ فَقَالَ اهْضِبُوا فَاسْتَيْقَظَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ افْعَلُوا مَا كُنْتُمْ تَفْعَلُونَ فَلَمَّا فَعَلُوا قَالَ هَكَذَا فَافْعَلُوا لِمَنْ نَامَ مِنْكُمْ أَوْ نَسِيَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে হুদায়বিয়া থেকে ফিরলেন এবং আমরা নরম মাটিতে শিবির স্থাপন করলাম। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “কে পাহারা দিবে? (ফজরের নামাযের জন্যে কে জাগবে?)” হযরত বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু বললো, “আমি পাহারা দিবো।” রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তুমিও যদি ঘুমিয়ে যাও?” হযরত বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু বললো, “না। আমি ঘুমাবো না।” কিন্তু হযরত বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত ঘুমিয়ে গেলো। তারপর হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সহ কিছু লোক জেগে উঠলো। যারা অন্যদেরকেও জাগিয়ে দিলো। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘুম থেকে উঠে বললেন, “তোমরা অন্য সময় যেভাবে নামায পড়ে থাকো, এখন সেভাবেই নামায পড়ো।” সুতরাং সবাই সালাত আদায় করলেন। এরপর রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ যদি ঘুমিয়ে পড়ে বা সালাতের কথা ভুলে যায়, তাহলে যখনই তা মনে পড়বে, তখনই সালাত আদায় করে নিবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4081 OK

(৪০৮১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ قَالَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ أَبِي الْوَاصِلِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لُعِنَ الْمُحِلُّ وَالْمُحَلَّلُ لَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “হিল্লাকারী এবং যার জন্যে হিল্লা করা হয় উভয়েই অভিশপ্ত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4082 OK

(৪০৮২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانُوا يَقْرَءُونَ خَلْفَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ خَلَطْتُمْ عَلَيَّ الْقُرْآنَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাহবীরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে নামায পড়ার সময় কোরআন তেলাওয়াত করতো। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা আমাকে কোরআন তেলাওয়াত করতে বাধাগ্রস্থ করেছো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4083 OK

(৪০৮৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৭১৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنِي الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ أَحَدٌ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ حَبَّةٍ مِنْ كِبْرٍ وَلَا يَدْخُلُ النَّارَ مَنْ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ حَبَّةٍ مِنْ خَرْدَلٍ مِنْ إِيمَانٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যার অন্তরে সরিষার দানার পরিমাণ অহঙ্কার আছে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আর যার অন্তরে সরিষার দানার পরিমাণও ঈমান আছে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4084 OK

(৪০৮৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪০৫১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّ الْأَسْوَدَ وَعَلْقَمَةَ كَانَا مَعَ عَبْدِ اللَّهِ فِي الدَّارِ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ صَلَّى هَؤُلَاءِ قَالُوا نَعَمْ قَالَ فَصَلَّى بِهِمْ بِغَيْرِ أَذَانٍ وَلَا إِقَامَةٍ وَقَامَ وَسَطَهُمْ وَقَالَ إِذَا كُنْتُمْ ثَلَاثَةً فَاصْنَعُوا هَكَذَا فَإِذَا كُنْتُمْ أَكْثَرَ فَلْيَؤُمَّكُمْ أَحَدُكُمْ وَلْيَضَعْ أَحَدُكُمْ يَدَيْهِ بَيْنَ فَخِذَيْهِ إِذَا رَكَعَ فَلْيَحْنَأْ فَكَأَنَّمَا أَنْظُرُ إِلَى اخْتِلَافِ أَصَابِعِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত ইবরাহীম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আলকামাহ ও আসওয়াদ উভয়েই হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর খেদমতে উপস্থিত ছিলেন। নামাযের সময় হলে আলকামাহ ও আসওয়াদ পিছনে দাঁড়ালো। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদের হাত ধরে একজনকে তার ডান পাশে এবং অন্যজনকে তার বাম পাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু নামাযের আযান ও ইকামা ছাড়াই তাদের ইমামতি করলেন এবং তিনি নিজেই তাদের মাঝখানে দাঁড়ালেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “যখন তোমরা তিনজন হয়ে যাবে, তখন তোমরা একইভাবে করবে এবং যখন তিনজনের বেশি হবে? তোমাদের মধ্যে একজন ব্যক্তি ইমামতি করবে।” অতঃপর যখন তারা উভয়ে রুকু করলো, তখন তারা তাদের হাঁটুর উপর হাত রাখলো। এটা দেখে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদের দুই হাতে আঘাত করলেন এবং আঙ্গুলগুলো পরস্পরের মধ্যে প্রবেশ করালেন এবং উভয় হাত তার উরুর মাঝে রেখে বললেন, “আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এমন আচরণ করতে দেখেছি।”

[টীকাঃ এই প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় উলাফ। পরবর্তীতে এই রায় রহিত করা হয়। কিন্তু হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু শেষ পর্যন্ত এর প্রত্যাখ্যানে বিশ্বাসী হননি।] [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4085 OK

(৪০৮৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ قَالَ أَخْبَرَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ بَيْنَمَا رَجُلٌ فِيمَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ كَانَ فِي مَمْلَكَتِهِ فَتَفَكَّرَ فَعَلِمَ أَنَّ ذَلِكَ مُنْقَطِعٌ عَنْهُ وَأَنَّ مَا هُوَ فِيهِ قَدْ شَغَلَهُ عَنْ عِبَادَةِ رَبِّهِ فَتَسَرَّبَ فَانْسَابَ ذَاتَ لَيْلَةٍ مِنْ قَصْرِهِ فَأَصْبَحَ فِي مَمْلَكَةِ غَيْرِهِ وَأَتَى سَاحِلَ الْبَحْرِ وَكَانَ بِهِ يَضْرِبُ اللَّبِنَ بِالْأَجْرِ فَيَأْكُلُ وَيَتَصَدَّقُ بِالْفَضْلِ فَلَمْ يَزَلْ كَذَلِكَ حَتَّى رَقِيَ أَمْرُهُ إِلَى مَلِكِهِمْ وَعِبَادَتُهُ وَفَضْلُهُ فَأَرْسَلَ مَلِكُهُمْ إِلَيْهِ أَنْ يَأْتِيَهُ فَأَبَى أَنْ يَأْتِيَهُ فَأَعَادَ ثُمَّ أَعَادَ إِلَيْهِ فَأَبَى أَنْ يَأْتِيَهُ وَقَالَ مَا لَهُ وَمَا لِي قَالَ فَرَكِبَ الْمَلِكُ فَلَمَّا رَآهُ الرَّجُلُ وَلَّى هَارِبًا فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ الْمَلِكُ رَكَضَ فِي أَثَرِهِ فَلَمْ يُدْرِكْهُ قَالَ فَنَادَاهُ يَا عَبْدَ اللَّهِ إِنَّهُ لَيْسَ عَلَيْكَ مِنِّي بَأْسٌ فَأَقَامَ حَتَّى أَدْرَكَهُ فَقَالَ لَهُ مَنْ أَنْتَ رَحِمَكَ اللَّهُ قَالَ أَنَا فُلَانُ بْنُ فُلَانٍ صَاحِبُ مُلْكِ كَذَا وَكَذَا تَفَكَّرْتُ فِي أَمْرِي فَعَلِمْتُ أَنَّ مَا أَنَا فِيهِ مُنْقَطِعٌ فَإِنَّهُ قَدْ شَغَلَنِي عَنْ عِبَادَةِ رَبِّي فَتَرَكْتُهُ وَجِئْتُ هَاهُنَا أَعْبُدُ رَبِّي عَزَّ وَجَلَّ فَقَالَ مَا أَنْتَ بِأَحْوَجَ إِلَى مَا صَنَعْتَ مِنِّي قَالَ ثُمَّ نَزَلَ عَنْ دَابَّتِهِ فَسَيَّبَهَا ثُمَّ تَبِعَهُ فَكَانَا جَمِيعًا يَعْبُدَانِ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ فَدَعَوَا اللَّهَ أَنْ يُمِيتَهُمَا جَمِيعًا قَالَ فَمَاتَا قَالَ لَوْ كُنْتُ بِرُمَيْلَةِ مِصْرَ لَأَرَيْتُكُمْ قُبُورَهُمَا بِالنَّعْتِ الَّذِي نَعَتَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

অতীতের জাতিসমূহে তোমাদের পূর্বে এমন এক বাদশাহ অতিবাহিত হয়েছে, যিনি নিজ রাজ্যে বসবাস করতেন। একদিন যখন তিনি ধ্যান করছিলেন, তখন তিনি বুঝতে পারলেন যে, তার শাসন একদিন না একদিন শেষ হবে এবং তিনি যে কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছিলেন, তার কারণে তিনি তার প্রভুর উপাসনা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এই ভেবে একদিন রাতে গোপনে নিজের প্রাসাদ ছেড়ে অন্য দেশে চলে গেলেন। সেখানে সমুদ্রের ধারে বসতি স্থাপন করে এবং ইট ধোয়া তার অভ্যাসে পরিণত হয়। যা দ্বারা শ্রম অর্জিত হবে। এর কিছু অংশ থেকে খাবারের ব্যবস্থা করতেন এবং বাকি অংশ আল্লাহর রাস্তায় দান করতেন। সে ভাবে তার কাজ অনুসরণ করেছে। এমনকি এ দেশের রাজার কাছেও এই খবরটি পৌছে গেছে। তার ইবাদত ও পুণ্যের কথা জানতে পেরে, সে দেশের রাজা তার কাছে রার্তা পাঠান। কিন্তু তিনি যেতে অস্বীকার করলেন। রাজা আবার তার কাছে বার্তা পাঠালেন, কিন্তু তিনি আবার প্রত্যাখ্যান করলেন এবং বললেন, “আমার সাথে রাজার কাজ কি?” রাজা যখন জানতে পারলেন, তিনি তার ঘোড়ায় চড়ে তার দিকে এগিয়ে গেলেন। রাজাকে দেখে লোকটি পালিয়ে গেলো। এটা দেখে রাজা তার ঘোড়ার জিন বেঁধে তার পিছু নিলেন, কিন্তু তাকে অতিক্রম করতে পারলেন না। অবশেষে তিনি দূর থেকে তাকে ডেকে বললেন, “হে আল্লাহর বান্দা! তোমার আমাকে ভয় করার দরকার নেই (আমি তোমার ক্ষতি করবো না)।” তাই তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং রাজা তার কাছে গেলেন। বাদশাহ তাকে জিজ্ঞাসা করলেন যে, “আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুন! তুমি কে?” তিনি বললেন, “আমি অমুক-অমুক। আমি অমুক দেশের রাজা ছিলাম। আমি একবার নিজের কথা ভেবেছিলাম এবং আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে, আমার ক্ষমতা একদিন না একদিন শেষ হবে এবং এই ক্ষমতার কারণে, আমি আমার প্রভুর ইবাদত থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। তাই আমি আমার ক্ষমতা ছেড়ে আমার প্রভুর ইবাদত করতে এসেছি।” সেই রাজা বললেন, “তুমি যা করেছো, আমাকে এর চেয়ে বেশি কিছু করতে হবে।” অতঃপর সে তার ঘোড়া থেকে নেমে, তাকে জঙ্গলে রেখে তার অনুসরণ করলো এবং তারা উভয়ে একসাথে আল্লাহর ইবাদত করতে লাগলো। তারা উভয়েই আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিল যে, তাদের উভয়ের মৃত্যু আসুক। আমি যদি মিশরের এই ছোট ঢিবির ওপর থাকতাম, তাহলে আমি তোমাদেরকে তাদের উভয়ের কবর দেখাতাম। যেমনটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সামনে এর নিদর্শনগুলো উল্লেখ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4086 OK

(৪০৮৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৬৯৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي الْوَلِيدُ بْنُ الْعَيْزَارِ بْنِ حُرَيْثٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا عَمْرٍو الشَّيْبَانِيَّ قَالَ حَدَّثَنَا صَاحِبُ هَذِهِ الدَّارِ وَأَشَارَ إِلَى دَارِ عَبْدِ اللَّهِ وَلَمْ يُسَمِّهِ قَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّ الْعَمَلِ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ قَالَ الصَّلَاةُ عَلَى وَقْتِهَا قَالَ قُلْتُ ثُمَّ أَيٌّ قَالَ ثُمَّ بِرُّ الْوَالِدَيْنِ قَالَ قُلْتُ ثُمَّ أَيٌّ قَالَ ثُمَّ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ فَحَدَّثَنِي بِهِنَّ وَلَوْ اسْتَزَدْتُهُ لَزَادَنِي


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম, “কোন আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “সময়মত নামায পড়া।” আমি বললাম, “তারপর কোনটি?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তারপর পিতা-মাতার সম্মান করা।” আমি বললাম, “তারপর কোনটি?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তারপর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে জিহাদ?” আমি যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আরো জিজ্ঞাসা করতাম, তবে তিনি আমাকে আরো বলতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪০৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস