Loading...


৩১. মুসনাদে আহমাদ : ২০৯৬

Edit
حَدَّثَنَا يُونُسُ وَعَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ قَالَ عَفَّانُ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ زَيْدٍ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مِهْرَانَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَجُلًا أَتَى عُمَرَ فَقَالَ امْرَأَةٌ جَاءَتْ تُبَايِعُهُ فَأَدْخَلْتُهَا الدَّوْلَجَ فَأَصَبْتُ مِنْهَا مَا دُونَ الْجِمَاعِ فَقَالَ وَيْحَكَ لَعَلَّهَا مُغِيبٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ أَجَلْ قَالَ فَأْتِ أَبَا بَكْرٍ فَاسْأَلْهُ قَالَ فَأَتَاهُ فَسَأَلَهُ فَقَالَ لَعَلَّهَا مُغِيبٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ فَقَالَ مِثْلَ قَوْلِ عُمَرَ ثُمَّ أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ قَالَ فَلَعَلَّهَا مُغِيبٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَنَزَلَ الْقُرْآنُ وَأَقِمْ الصَّلَاةَ طَرَفَيْ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنْ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ إِلَى آخِرِ الْآيَةِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلِي خَاصَّةً أَمْ لِلنَّاسِ عَامَّةً فَضَرَبَ عُمَرُ صَدْرَهُ بِيَدِهِ فَقَالَ لَا وَلَا نَعْمَةَ عَيْنٍ بَلْ لِلنَّاسِ عَامَّةً فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدَقَ عُمَرُ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এসে বললো, একজন মহিলা কিছু কিনতে এসেছিলো, এবং আমি তাকে একটি গুদাম ঘরে নিয়ে গিয়েছিলাম এবং এমন কিছু করেছি যা সহবাসের চেয়ে কম ছিলো। হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “তোমার জন্য আফসোস! সম্ভবত সে এমন একজনের স্ত্রী, যিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে দূরে কোথায় জিহাদ করছেন।” সে বললো, “হ্যাঁ।” তিনি বললেন, “তুমি হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে যাও এবং তাকে জিজ্ঞেস করো।” অতঃপর সে হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে গেলো এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলো, এবং তিনি বললেন, “সম্ভবত সে এমন একজনের স্ত্রী, যিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে দূরে কোথায় জিহাদ করছেন।” সে বললো, “হ্যাঁ।” তিনি বললেন, “তুমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে যাও এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করো।” তারপর সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গেলো এবং অনুরূপ কিছু বললো এবং তিনি বললেন, “সম্ভবত সে এমন একজনের স্ত্রী, যিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে দূরে কোথায় জিহাদ করছেন।” অতঃপর কোরানের এই আয়াত নাযিল হয়,
وَأَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ طَرَفَيِ ٱلنَّهَارِ وَزُلَفٗا مِّنَ ٱلَّيۡلِۚ إِنَّ ٱلۡحَسَنَٰتِ يُذۡهِبۡنَ ٱلسَّيِّـَٔاتِۚ ذَٰلِكَ ذِكۡرَىٰ لِلذَّٰكِرِينَ١١٤
হে রসূল! আপনি ফজর ও আসর আর মাগরীব ও এশার সময় নামায প্রতিষ্ঠিত করুন। নিশ্চয় ভালো কাজ, মন্দ কাজকে দূর করে দেয়। এ কুরআন তাদের জন্যে একটি স্মরণীয় উপদেশ, যারা আল্লাহকে স্মরণ করে। [১১ : ১১৪]

সে বললো, “হে আল্লাহর রাসূল, এই আয়াতের হুকুম কি শুধু আমার জন্যে, নাকি সকল মানুষের জন্যে?” হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার বুকে হাত দিয়ে আঘাত করলেন এবং বললেন, “ তুমি এমনটা মনে করো না; বরং এটা সব মানুষের জন্য।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “উমর ঠিক কথা বলেছে।”



সর্বমোট হাদিস পাওয়া গিয়েছেঃ ১টি


(১)

হাদিস নং ২০৯৬ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৪০৬৪) Edit