(৫) হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৫৩০-১৩০৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৭৭৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৫৩৯টি]



770 OK

(৭৭০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْوَرَكَانِيُّ أَنْبَأَنَا أَبُو شِهَابٍ الْحَنَّاطُ عَبْدُ رَبِّهِ بْنُ نَافِعٍ عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ أَرْطَاةَ عَنْ أَبِي يَعْلَى عَنْ مُحَمَّدِ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ لَمَّا أَعْيَانِي أَمْرُ الْمَذْيِ أَمَرْتُ الْمِقْدَادَ أَنْ يَسْأَلَ عَنْهُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ فِيهِ الْوُضُوءُ اسْتِحْيَاءً مِنْ أَجْلِ فَاطِمَةَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

তাঁর অতিমাত্রায় মযি নির্গত হতো, (বীর্যের চেয়ে পাতলা লালার মত পদার্থ, যা সাধারণতঃ কামোত্তেজনার সময়ে পুরুষাঙ্গ থেকে নির্গত হয়।) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট মযির বিষয়ে প্রশ্ন করতে তিনি লজ্জাবোধ করলেন। তাই মিকদাদকে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমার পক্ষ থেকে জিজ্ঞাসা কর। মিকদাদ জিজ্ঞাসা করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ জন্য ওযূ করতে হবে। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



771 OK

(৭৭১)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৫৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنِ الْحَسَنِ وَعَبْدِ اللَّهِ ابْنَيْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ أَبِيهِمَا وَكَانَ حَسَنٌ أَرْضَاهُمَا فِي أَنْفُسِنَا أَنَّ عَلِيًّا قَالَ لِابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ نِكَاحِ الْمُتْعَةِ وَعَنْ لُحُومِ الْحُمُرِ الْأَهْلِيَّةِ زَمَنَ خَيْبَرَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ইবনুল আব্বাসকে বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাইবরের যুদ্ধের সময় মুতা’আ (নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য) বিয়ে ও গৃহপালিত গাধার মাংস নিষিদ্ধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



772 OK

(৭৭২)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ زِرٍّ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قِيلَ لَهُ إِنَّ قَاتِلَ الزُّبَيْرِ عَلَى الْبَابِ فَقَالَ عَلِيٌّ لَيَدْخُلَنَّ قَاتِلُ ابْنِ صَفِيَّةَ النَّارَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لِكُلِّ نَبِيٍّ حَوَارِيٌّ وَإِنَّ حَوَارِيِّي الزُّبَيْرَ بْنَ الْعَوَّامِ


যির ইবনে হুবাইশ থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, ইবনে জুরমুয একবার আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সাক্ষাতের অনুমতি চাইল। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ সে কে? লোকেরা বললোঃ ইবনে জুরমুয সাক্ষাতের অনুমতি চাচ্ছে। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ ওকে আসতে দাও। যুবাইরের হত্যাকারীর পরিণাম জাহান্নামে প্রবেশ। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ প্রত্যেক নবীর একজন হাওয়ারী (অন্তরঙ্গ সহচর) থাকে। আমার হাওয়ারী হলো, যুবাইর। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৭২]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



773 OK

(৭৭৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৪৪] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمُ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانَ يَعْنِي ابْنَ الْمُغِيرَةِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ نَوْفَلٍ الْهَاشِمِيُّ قَالَ كَانَ أَبِي الْحَارِثُ عَلَى أَمْرٍ مِنْ أُمُورِ مَكَّةَ فِي زَمَنِ عُثْمَانَ فَأَقْبَلَ عُثْمَانُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِلَى مَكَّةَ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ فَاسْتَقْبَلْتُ عُثْمَانَ بِالنُّزُلِ بِقُدَيْدٍ فَاصْطَادَ أَهْلُ الْمَاءِ حَجَلًا فَطَبَخْنَاهُ بِمَاءٍ وَمِلْحٍ فَجَعَلْنَاهُ عُرَاقًا لِلثَّرِيدِ فَقَدَّمْنَاهُ إِلَى عُثْمَانَ وَأَصْحَابِهِ فَأَمْسَكُوا فَقَالَ عُثْمَانُ صَيْدٌ لَمْ أَصْطَدْهُ وَلَمْ آمُرْ بِصَيْدِهِ اصْطَادَهُ قَوْمٌ حِلٌّ فَأَطْعَمُونَاهُ فَمَا بَأْسٌ فَقَالَ عُثْمَانُ مَنْ يَقُولُ فِي هَذَا فَقَالُوا عَلِيٌّ فَبَعَثَ إِلَى عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَجَاءَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ فَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى عَلِيٍّ حِينَ جَاءَ وَهُوَ يَحُتُّ الْخَبَطَ عَنْ كَفَّيْهِ فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ صَيْدٌ لَمْ نَصْطَدْهُ وَلَمْ نَأْمُرْ بِصَيْدِهِ اصْطَادَهُ قَوْمٌ حِلٌّ فَأَطْعَمُونَاهُ فَمَا بَأْسٌ قَالَ فَغَضِبَ عَلِيٌّ وَقَالَ أَنْشُدُ اللَّهَ رَجُلًا شَهِدَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ أُتِيَ بِقَائِمَةِ حِمَارِ وَحْشٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّا قَوْمٌ حُرُمٌ فَأَطْعِمُوهُ أَهْلَ الْحِلِّ قَالَ فَشَهِدَ اثْنَا عَشَرَ رَجُلًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ عَلِيٌّ أُشْهِدُ اللَّهَ رَجُلًا شَهِدَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ أُتِيَ بِبَيْضِ النَّعَامِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّا قَوْمٌ حُرُمٌ أَطْعِمُوهُ أَهْلَ الْحِلِّ قَالَ فَشَهِدَ دُونَهُمْ مِنْ الْعِدَّةِ مِنْ الِاثْنَيْ عَشَرَ قَالَ فَثَنَى عُثْمَانُ وَرِكَهُ عَنْ الطَّعَامِ فَدَخَلَ رَحْلَهُ وَأَكَلَ ذَلِكَ الطَّعَامَ أَهْلُ الْمَاءِ


আবদুল্লাহ ইবনুল হারিছ থেকে বর্ণিতঃ

আমার পিতা হারিস উসমানের আমলে মক্কার একটা দায়িত্বে ছিলেন। তৎকালে একদিন উসমান মক্কায় এলেন। আমি কুদাইদে উসমানকে রকমারি খাদ্যদ্রব্য নিয়ে অভ্যর্থনা জানালাম। এ সময় জলাশয়ের পার্শ্ববর্তী লোকেরা একটা তিতির পাখি শিকার করলো। আমরা সেটা লবণ ও পানি দিয়ে রান্না করলাম। অতঃপর ওটিকে ছারীদ এর মাংস হিসাবে যুক্ত করলাম। তারপর তা উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু ও তাঁর সাথীদের সামনে পেশ করলাম। কিন্তু কেউ তা খেল না। তা দেখে উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ এটা একটা শিকার বটে। তবে আমরা ওটা শিকার করিনি, শিকার করার আদেশও দেইনি। ইহরাম থেকে মুক্ত একদল লোক ওটা শিকার করেছে এবং আমাদেরকে খেতে দিয়েছে। সুতরাং এটা খাওয়ার অসুবিধা কোথায়? এ ব্যাপারে কে সঠিক মত দিতে পারবে? লোকেরা বললোঃ আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু।

তখন আলীর নিকট দূত পাঠালেন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এলেন। আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস বলেনঃ আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন এলেন, তখনকার অবস্থা এখনও যেন আমি দেখতে পাচ্ছি। তিনি নিজের দুই কাঁধ থেকে ধুলোবালি ঝাড়ছেন। উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বললেনঃ একটা শিকার, যা আমরা ধরিনি, ধরতে আদেশও দেইনি। ইহরামমুক্ত একদল লোক শিকার করেছে, তারপর আমাদেরকে খেতে দিয়েছে। এতে বাধা কী? এ কথা শুনে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু রেগে গেলেন। তিনি বললেনঃ আমি আল্লাহর শপথ দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, এমন কেউ কি এখানে আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে একটা জংলী গাধার পা যখন এনে দেয়া হয়েছিল, তখন সেখানে উপস্থিত ছিল?

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “আমরা ইহরামে আছি, তাই এটা ইহরাম মুক্তদেরকে আহার করাও। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্য থেকে বারো জন সাক্ষ্য দিলেন যে, তাঁরা ঐ সময় উপস্থিত ছিলেন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু পুনরায় বললেনঃ আমি আল্লাহর শপথ দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, এখানে এমন কেউ আছে কি, যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কবুতরের ডিম আনা হলে তিনি বলেছিলেনঃ “আমরা ইহরামে আছি। যারা ইহরাম বাঁধেনি, তাদেরকে এটা খাওয়াও।” এ ব্যাপারে আরো বারো জন সাক্ষ্য দিল। তা শুনে উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু উক্ত খাদ্য বর্জন করে নিজের তাবুর মধ্যে প্রবেশ করলেন। আর ঐ খাবার জলাশয়বাসী খেয়ে নিল। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৭৩]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



774 OK

(৭৭৪)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي عَلِيُّ بْنُ مُدْرِكٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا زُرْعَةَ بْنَ عَمْرِو بْنِ جَرِيرٍ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُجَيٍّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ لَا تَدْخُلُ الْمَلَائِكَةُ بَيْتًا فِيهِ كَلْبٌ وَلَا صُورَةٌ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ঘরে বীর্যপাতজনিত অপবিত্র লোক, ছবি বা কুকুর আছে, সে ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৭৪]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



775 OK

(৭৭৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৬৭] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي حَجَّاجُ بْنُ يُوسُفَ الشَّاعِرُ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ مُوسَى بْنِ سَالِمٍ أَبِي جَهْضَمٍ أَنَّ أَبَا جَعْفَرٍ حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ حَدَّثَهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَانِي عَنْ ثَلَاثَةٍ قَالَ فَمَا أَدْرِي لَهُ خَاصَّةً أَمْ لِلنَّاسِ عَامَّةً نَهَانِي عَنْ الْقَسِّيِّ وَالْمِيثَرَةِ وَأَنْ أَقْرَأَ وَأَنَا رَاكِعٌ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তিনটে কাজ করতে নিষেধ করেছেনঃ (বর্ণনাকারী বলেন, এ নিষেধাজ্ঞা শুধু তাঁর জন্য না। সবার জন্য তা আমি জানি না)। রেশমের জামা পরতে, রেশমে তৈরী জিন বা গদি ব্যবহার করতে এবং (নামাযে) রুকু’ অবস্থায় কুরআন পড়তে। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৭৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



776 OK

(৭৭৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২৭] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا خَلَفٌ حَدَّثَنَا خَالِدٌ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ يَرْفَعَ الرَّجُلُ صَوْتَهُ بِالْقِرَاءَةِ قَبْلَ الْعِشَاءِ وَبَعْدَهَا يُغَلِّطُ أَصْحَابَهُ وَهُمْ يُصَلُّونَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার আগে ও পরে উচ্চস্বরে কুরআন পড়তে নিষেধ করেছেন। এতে নামায আদায়রত অন্যান্য লোকের নামাযে ভুল হতে পারে। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৭৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



777 OK

(৭৭৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يُودَى الْمُكَاتَبُ بِقَدْرِ مَا أَدَّى


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুকাতাব (মুক্তিপণ দিয়ে মুক্তি লাভের চুক্তি সম্পাদনকারী দাস) যতটা মুক্তিপণ পরিশোধ করবে, ততটুকু স্বাধীনতা লাভ করবে। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



778 OK

(৭৭৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৬০৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ أَنْبَأَنَا زَائِدَةُ حَدَّثَنَا عَطَاءُ بْنُ السَّائِبِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ جَهَّزَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاطِمَةَ فِي خَمِيلٍ وَقِرْبَةٍ وَوِسَادَةِ أَدَمٍ حَشْوُهَا لِيفُ الْإِذْخِرِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমাকে একটা মোটা কাপড়ের চাদর, একটা মশক ও একটা ইযখারের আঁশ ভরা চামড়ার বালিশ উপহার হিসাবে দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



779 OK

(৭৭৯)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَنْبَأَنَا الْحَجَّاجُ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ يُحَنَّسَ وَصَفِيَّةَ كَانَا مِنْ سَبْيِ الْخُمُسِ فَزَنَتْ صَفِيَّةُ بِرَجُلٍ مِنْ الْخُمُسِ فَوَلَدَتْ غُلَامًا فَادَّعَاهُ الزَّانِي وَيُحَنَّسُ فَاخْتَصَمَا إِلَى عُثْمَانَ فَرَفَعَهُمَا إِلَى عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ فَقَالَ عَلِيٌّ أَقْضِي فِيهِمَا بِقَضَاءِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ وَجَلَدَهُمَا خَمْسِينَ خَمْسِينَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

ইউহান্নাস ও ছাফিয়া খুমুস প্রাপ্ত বন্দীদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ছাফিয়া খুমুছের অপর এক পুরুষের সাথে ব্যভিচার করলো। অতঃপর ছাফিয়া একটি পুত্র সন্তান প্রসব করলো। ব্যভিচারকারী পুরুষটি ও ইউহান্নাস (ছাফিয়ার স্বামী) সন্তানটির দাবীদার হলো। তারা উভয়ে উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট দাবী উত্থাপন করলো। উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদের দু’জনকে আলীর রাদিয়াল্লাহু আনহু নিকট পাঠালেন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ফায়সালার অনুকরণে তাদের মামলার ফায়সালা করবো। সন্তান হবে বিছানার (অর্থাৎ স্বামীর) আর ব্যভিচারীর জন্য পাথর। তারপর উভয়কে (অর্থাৎ ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণীকে) পঞ্চাশ ঘা করে বেত মারলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৭৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



780 OK

(৭৮০)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ أَبِي الْحُسَامِ مَدَنِيٌّ مَوْلًى لِآلِ عُمَرَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ أُمِّهِ قَالَتْ بَيْنَمَا نَحْنُ بِمِنًى إِذَا عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ هَذِهِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ فَلَا يَصُومُهَا أَحَدٌ وَاتَّبَعَ النَّاسَ عَلَى جَمَلِهِ يَصْرُخُ بِذَلِكَ


আমর ইবনে সুলাইমের মাতা থেকে বর্ণিতঃ

(হজ্জের মাওসুমে) আমরা যখন মিনায় অবস্থান করছিলাম, তখন আলী ইবনে আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতে লাগলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, এই দিনগুলো (১০-১৩ জিলহজ) পানাহারের দিন। এ দিনগুলোতে তোমাদের কেউ যেন রোযা না রাখে। অতঃপর তিনি তাঁর উটে চড়ে এই ঘোষণা দিতে দিতে জনগণের অনুসরণ করতে লাগলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



781 OK

(৭৮১)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّا عَنْ حَجَّاجِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ حُجَيَّةَ بْنِ عَدِيٍّ عَنْ عَلِيٍّ أَنَّ الْعَبَّاسَ بْنَ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ سَأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي تَعْجِيلِ صَدَقَتِهِ قَبْلَ أَنْ تَحِلَّ فَرَخَّصَ لَهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন, সময় হওয়ার আগেই তার যাকাত দেয়া যাবে কিনা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এর অনুমতি দিলেন। (অর্থাৎ বছর পূর্ণ হবার আগেও যাকাত দেয়া যায়।) [মুসনাদে আহমাদ : ৭৮১]


[আবু দাউদ ১৬২৪, ইবনু মাজা ১৭৯৫, তিরমিযী ৬৭৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



782 OK

(৭৮২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ أَخْبَرَنِي مَخْرَمَةُ بْنُ بُكَيْرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ أَرْسَلْتُ الْمِقْدَادَ بْنَ الْأَسْوَدِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلَهُ عَنْ الْمَذْيِ يَخْرُجُ مِنْ الْإِنْسَانِ كَيْفَ يَفْعَلُ بِهِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَوَضَّأْ وَانْضَحْ فَرْجَكَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমরা মিকদাদ বিন আসওয়াদকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে পাঠালাম। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, মানুষের যৌনাঙ্গ থেকে যে মযি বের হয়, তার কী করতে হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওযূ কর এবং তোমার যৌনাঙ্গে পানি ঢাল। (অর্থাৎ ধৌত কর) [মুসনাদে আহমাদ : ৭৮২]


[মুসলিম ৩০৩, ইবনু খুযাইমা ২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



783 OK

(৭৮৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ أَبِي الْحُسَامِ مَدَنِيٌّ مَوْلًى لِآلِ عُمَرَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ أُمِّهِ قَالَتْ بَيْنَمَا نَحْنُ بِمِنًى إِذَا عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ هَذِهِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ فَلَا يَصُومُهَا أَحَدٌ وَاتَّبَعَ النَّاسَ عَلَى جَمَلِهِ يَصْرُخُ بِذَلِكَ


আমর ইবনে সুলাইমের মাতা থেকে বর্ণিতঃ

(হজ্জের মাওসুমে) আমরা যখন মিনায় অবস্থান করছিলাম, তখন আলী ইবনে আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতে লাগলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, এই দিনগুলো (১০-১৩ জিলহজ) পানাহারের দিন। এ দিনগুলোতে তোমাদের কেউ যেন রোযা না রাখে। অতঃপর তিনি তাঁর উটে চড়ে এই ঘোষণা দিতে দিতে জনগণের অনুসরণ করতে লাগলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



784 OK

(৭৮৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ حَدَّثَنَا مُطَرِّفٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُوتِرُ فِي أَوَّلِ اللَّيْلِ وَفِي وَسَطِهِ وَفِي آخِرِهِ ثُمَّ ثَبَتَ لَهُ الْوَتْرُ فِي آخِرِهِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের প্রথমাংশে, মধ্যরাতে ও শেষ রাতে বিতর পড়তেন। তারপর শেষ রাতের বিতরই তাঁর জন্য স্থায়ী হলো। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



785 OK

(৭৮৫)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سَلَمَةُ بْنُ كُهَيْلٍ أَنْبَأَنِي قَالَ سَمِعْتُ حُجَيَّةَ بْنَ عَدِيٍّ رَجُلًا مِنْ كِنْدَةَ قَالَ سَمِعْتُ رَجُلًا سَأَلَ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ إِنِّي اشْتَرَيْتُ هَذِهِ الْبَقَرَةَ لِلْأَضْحَى قَالَ عَنْ سَبْعَةٍ قَالَ الْقَرْنُ قَالَ لَا يَضُرُّكَ قَالَ الْعَرَجُ قَالَ إِذَا بَلَغَتْ الْمَنْسَكَ فَانْحَرْ ثُمَّ قَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نَسْتَشْرِفَ الْعَيْنَ وَالْأُذُنَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন, আমি এই গরুটি কোরবানির জন্য কিনেছি, তিনি বললেন, এর শিং নেই। কোনো সমস্যা নেই বললেই তিনি বলেন, পায়ে খোঁড়া আছে। তিনি বললেন, যদি সে নিজে হেঁটে বেদীর কাছে যেতে পারে, তাহলে কোন অসুবিধা নেই, তারপর তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের চোখ ও কান ভালোভাবে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। কোরবানির পশুতে কোনো ত্রুটি আছে কিনা তা দেখতে হবে।" [মুসনাদে আহমাদ : ৭৮৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



786 OK

(৭৮৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৬৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو قَالَ أَخْبَرَنِي حَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي رَافِعٍ وَقَالَ مَرَّةً إِنَّ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي رَافِعٍ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَا وَالزُّبَيْرَ وَالْمِقْدَادَ فَقَالَ انْطَلِقُوا حَتَّى تَأْتُوا رَوْضَةَ خَاخٍ فَإِنَّ بِهَا ظَعِينَةً مَعَهَا كِتَابٌ فَخُذُوهُ مِنْهَا فَانْطَلَقْنَا تَعَادَى بِنَا خَيْلُنَا حَتَّى أَتَيْنَا الرَّوْضَةَ فَإِذَا نَحْنُ بِالظَّعِينَةِ فَقُلْنَا أَخْرِجِي الْكِتَابَ قَالَتْ مَا مَعِي مِنْ كِتَابٍ قُلْنَا لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَنَقْلِبَنَّ الثِّيَابَ قَالَ فَأَخْرَجَتْ الْكِتَابَ مِنْ عِقَاصِهَا فَأَخَذْنَا الْكِتَابَ فَأَتَيْنَا بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِذَا فِيهِ مِنْ حَاطِبِ بْنِ أَبِي بَلْتَعَةَ إِلَى نَاسٍ مِنْ الْمُشْرِكِينَ بِمَكَّةَ يُخْبِرُهُمْ بِبَعْضِ أَمْرِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا حَاطِبُ مَا هَذَا قَالَ لَا تَعْجَلْ عَلَيَّ إِنِّي كُنْتُ امْرَأً مُلْصَقًا فِي قُرَيْشٍ وَلَمْ أَكُنْ مِنْ أَنْفُسِهَا وَكَانَ مَنْ كَانَ مَعَكَ مِنْ الْمُهَاجِرِينَ لَهُمْ قَرَابَاتٌ يَحْمُونَ أَهْلِيهِمْ بِمَكَّةَ فَأَحْبَبْتُ إِذْ فَاتَنِي ذَلِكَ مِنْ النَّسَبِ فِيهِمْ أَنْ أَتَّخِذَ فِيهِمْ يَدًا يَحْمُونَ بِهَا قَرَابَتِي وَمَا فَعَلْتُ ذَلِكَ كُفْرًا وَلَا ارْتِدَادًا عَنْ دِينِي وَلَا رِضًا بِالْكُفْرِ بَعْدَ الْإِسْلَامِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهُ قَدْ صَدَقَكُمْ فَقَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ دَعْنِي أَضْرِبْ عُنُقَ هَذَا الْمُنَافِقِ فَقَالَ إِنَّهُ قَدْ شَهِدَ بَدْرًا وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ اللَّهَ قَدْ اطَّلَعَ عَلَى أَهْلِ بَدْرٍ فَقَالَ اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ فَقَدْ غَفَرْتُ لَكُمْ


আবদুল্লাহ ইবনে আবি রাফে থেকে বর্ণিতঃ

তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে, যুবাইরকে ও মিকদাদকে (এক সফরে) পাঠালেন। তিনি বললেনঃ তোমরা খাখের বাগানে চলে যাও। সেখানে জনৈকা উষ্টারোহিণী রয়েছে, তার কাছে একটা চিঠি রয়েছে। সেই চিঠিটা তার কাছ থেকে নিয়ে এস। আমরা রওনা হয়ে গেলাম। ঐ উষ্টারোহিণীকেও পেয়ে গেলাম। বললাম, তোমার কাছে যে চিঠি রয়েছে, তা বের করা। সে বললোঃ আমার কাছে কোন চিঠি নেই। আমরা বললামঃ তুমি যদি চিঠি বের না কর তাহলে আমরা তোমার পোশাক খুলবো। তখন সে তার চুলের বেণীর মধ্য থেকে চিঠিটি বের করলো। দেখলাম, চিঠিটি হাতিব ইবনে আবি বালতায়া কর্তৃক মক্কার কিছু মুশরিককে উদ্দেশ্য করে লেখা। হাতিব তাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য জানিয়েছেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে হাতিব, এটা কী? হাতিব বললেনঃ আমার ব্যাপারে তাড়াহুড়া করবেন না। আমি কুরাইশদের সাথে সংযুক্ত ছিলাম। অথচ তাদের কেউ ছিলাম না। আপনার সাথে যে সব মুহাজির রয়েছে, মক্কায় তাদের কিছু না কিছু আত্মীয়স্বজন রয়েছে, যারা তাদের পরিবার পরিজনকে রক্ষা করছে। যেহেতু মক্কাবাসীদের মধ্যে আমার বংশীয় কেউ নেই, তাই ইচ্ছা করলাম, তাদের মধ্যে কিছু লোককে প্রস্তুত রাখি আমার পরিবারকে রক্ষা করার জন্য। আমি এ কাজ কুফরের মনোভাব নিয়ে করিনি, ইসলাম থেকে মুরতাদ হয়েও করিনি, ইসলাম গ্রহণের পর এখন কুফরির প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে গিয়েছি এমনও নয়।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ নিশ্চয়ই হাতিব সত্য বলেছে। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আমাকে অনুমতি দিন, এই মুনাফিকটার গর্দান মেরে দিই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছে। তুমি কিভাবে জানবে, আল্লাহ হয়তো বদর যোদ্ধাদের জানিয়ে দিয়েছেনঃ তোমাদের যা খুশী করা। আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



787 OK

(৭৮৭)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ قَالَ عَبْد اللَّهِ وَسَمِعْتُهُ أَنَا مِنْ هَارُونَ أَنْبَأَنَا ابْنُ وَهْبٍ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْجُهَنِيُّ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ ثَلَاثَةٌ يَا عَلِيُّ لَا تُؤَخِّرْهُنَّ الصَّلَاةُ إِذَا أَتَتْ وَالْجَنَازَةُ إِذَا حَضَرَتْ وَالْأَيِّمُ إِذَا وَجَدَتْ كُفُؤًا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে আলী, তিনটে জিনিসকে বিলম্বিত করো নাঃ নামাযকে, যখন তা উপস্থিত হয় (অর্থাৎ ওয়াক্ত হয়ে যায়)। জানাযা, যখন লাশ হাজির হয় এবং কুমারী মেয়ের বিয়ে, যখন সে উপযুক্ত পাত্র পায়। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৮৭]


[ইবনু মাজা ১৪৮৬, তিরমিযী ১৭১ ও ১০৭৫]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



788 OK

(৭৮৮)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الْمُبَارَكِيُّ سُلَيْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ جَارُ خَلَفٍ الْبَزَّارِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ نَوْفَلٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ خَاتَمِ الذَّهَبِ وَعَنْ لُبْسِ الْحُمْرَةِ وَعَنْ الْقِرَاءَةِ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে স্বর্ণের আংটি, লাল (রেশমী) পোশাক ও রুকু সিজদায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৮৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



789 OK

(৭৮৯)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ أُتِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِلَحْمِ صَيْدٍ وَهُوَ مُحْرِمٌ فَلَمْ يَأْكُلْهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন, তখন তাঁকে শিকারের মাংস দেয়া হলে তা খাননি। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৮৯]


[ইবনু মাজা ৩০৯১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



790 OK

(৭৯০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمُحَارِبِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْأَجْلَحِ عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ لِبَاسِ الْقَسِّيِّ وَالْمَيَاثِرِ وَالْمُعَصْفَرِ وَعَنْ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ وَالرَّجُلُ رَاكِعٌ أَوْ سَاجِدٌ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রুকু’ অবস্থায় কুরআন পড়তে, সোনার আঙটি পরতে, রেশমী কাপড় পরতে ও হলুদ বর্ণের পোশাক পরতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



791 OK

(৭৯১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي أَبُو مُحَمَّدٍ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجَرْمِيُّ قَدِمَ عَلَيْنَا مِنْ الْكُوفَةِ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْأُمَوِيُّ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ ح قَالَ عَبْد اللَّهِ و حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبِي حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ تَمَارَيْنَا فِي سُورَةٍ مِنْ الْقُرْآنِ فَقُلْنَا خَمْسٌ وَثَلَاثُونَ آيَةً سِتٌّ وَثَلَاثُونَ آيَةً قَالَ فَانْطَلَقْنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَوَجَدْنَا عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يُنَاجِيهِ فَقُلْنَا إِنَّا اخْتَلَفْنَا فِي الْقِرَاءَةِ فَاحْمَرَّ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تَقْرَءُوا كَمَا عُلِّمْتُمْ


আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা কুরআনের একটা সূরা নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হলাম। আমাদের কেউ বললোঃ পঁয়ত্রিশ আয়াত, কেউ বললোঃ ছত্রিশ আয়াত। তারপর আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেলাম। দেখলাম, আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে চুপিসারে কি বলছেন। আমরা বললামঃ কুরআন পড়া নিয়ে আমাদের মধ্যে মতভেদ হয়েছে। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেহারা লাল হয়ে গেল। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদেরকে আদেশ দিচ্ছেন যেন কুরআন যেভাবে তোমাদেরকে শেখানো হয়েছে, সেইভাবে পড়। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



792 OK

(৭৯২)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ التِّرْمِذِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عَاصِمٍ ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ الْقَوَارِيرِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ قَالَ الْقَوَارِيرِيُّ فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ أَبِي النَّجُودِ عَنْ زِرٍّ يَعْنِي ابْنَ حُبَيْشٍ عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا أَبُو بَكْرٍ ثُمَّ قَالَ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ أَبِي بَكْرٍ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

এই উম্মাতের নবীর পরে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি কে তা কি তোমাদেরকে জানাবো? তিনি হচ্ছেন আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, আর আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পরে কে শ্রেষ্ঠ তা কি জানাবো? তিনি হচ্ছেন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৯২]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



793 OK

(৭৯৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ خَيْرُ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا أَبُو بَكْرٍ وَبَعْدَ أَبِي بَكْرٍ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَلَوْ شِئْتُ أَخْبَرْتُكُمْ بِالثَّالِثِ لَفَعَلْتُ


ওয়াহিব সওদাই রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হযরত আলী (রা.) একবার খুতবার সময় বলেছিলেন, নবী (সা.)-এর পর এই উম্মতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি কে? আমি বললাম আমিরুল মুমিনীন! তিনি বললেন, না, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরে হযরত সিদ্দিক আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহু সর্বোত্তম ব্যক্তি এবং হযরত ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহু হযরত সিদ্দীক আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পরে সর্বোত্তম ব্যক্তি এতে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। উমারের মুখ দিয়ে প্রশান্তি কথা বলবে- এ কথা উড়িয়ে দিচ্ছিনা। এই দু’জনের পর তৃতীয় আর একজন রয়েছে, যার নাম উল্লেখ করেননি। তৃতীয় জন সম্পর্কে যদি জানাতে ইচ্ছা করতাম, তবে জানাতাম। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



794 OK

(৭৯৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৯৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ خَيْرُ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا أَبُو بَكْرٍ وَبَعْدَ أَبِي بَكْرٍ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَلَوْ شِئْتُ أَخْبَرْتُكُمْ بِالثَّالِثِ لَفَعَلْتُ


ওয়াহিব সওদাই রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হযরত আলী (রা.) একবার খুতবার সময় বলেছিলেন, নবী (সা.)-এর পর এই উম্মতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি কে? আমি বললাম আমিরুল মুমিনীন! তিনি বললেন, না, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরে হযরত সিদ্দিক আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহু সর্বোত্তম ব্যক্তি এবং হযরত ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহু হযরত সিদ্দীক আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পরে সর্বোত্তম ব্যক্তি এতে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। উমারের মুখ দিয়ে প্রশান্তি কথা বলবে- এ কথা উড়িয়ে দিচ্ছিনা। এই দু’জনের পর তৃতীয় আর একজন রয়েছে, যার নাম উল্লেখ করেননি। তৃতীয় জন সম্পর্কে যদি জানাতে ইচ্ছা করতাম, তবে জানাতাম। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



795 OK

(৭৯৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৯৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ خَيْرُ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا أَبُو بَكْرٍ وَبَعْدَ أَبِي بَكْرٍ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَلَوْ شِئْتُ أَخْبَرْتُكُمْ بِالثَّالِثِ لَفَعَلْتُ


ওয়াহিব সওদাই রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হযরত আলী (রা.) একবার খুতবার সময় বলেছিলেন, নবী (সা.)-এর পর এই উম্মতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি কে? আমি বললাম আমিরুল মুমিনীন! তিনি বললেন, না, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরে হযরত সিদ্দিক আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহু সর্বোত্তম ব্যক্তি এবং হযরত ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহু হযরত সিদ্দীক আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পরে সর্বোত্তম ব্যক্তি এতে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। উমারের মুখ দিয়ে প্রশান্তি কথা বলবে- এ কথা উড়িয়ে দিচ্ছিনা। এই দু’জনের পর তৃতীয় আর একজন রয়েছে, যার নাম উল্লেখ করেননি। তৃতীয় জন সম্পর্কে যদি জানাতে ইচ্ছা করতাম, তবে জানাতাম। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



796 OK

(৭৯৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৯৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ خَيْرُ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا أَبُو بَكْرٍ وَبَعْدَ أَبِي بَكْرٍ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَلَوْ شِئْتُ أَخْبَرْتُكُمْ بِالثَّالِثِ لَفَعَلْتُ


ওয়াহিব সওদাই রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হযরত আলী (রা.) একবার খুতবার সময় বলেছিলেন, নবী (সা.)-এর পর এই উম্মতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি কে? আমি বললাম আমিরুল মুমিনীন! তিনি বললেন, না, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরে হযরত সিদ্দিক আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহু সর্বোত্তম ব্যক্তি এবং হযরত ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহু হযরত সিদ্দীক আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পরে সর্বোত্তম ব্যক্তি এতে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। উমারের মুখ দিয়ে প্রশান্তি কথা বলবে- এ কথা উড়িয়ে দিচ্ছিনা। এই দু’জনের পর তৃতীয় আর একজন রয়েছে, যার নাম উল্লেখ করেননি। তৃতীয় জন সম্পর্কে যদি জানাতে ইচ্ছা করতাম, তবে জানাতাম। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



797 OK

(৭৯৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ أَنْبَأَنَا عَطَاءُ بْنُ السَّائِبِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا زَوَّجَهُ فَاطِمَةَ بَعَثَ مَعَهُ بِخَمِيلَةٍ وَوِسَادَةٍ مِنْ أَدَمٍ حَشْوُهَا لِيفٌ وَرَحَيَيْنِ وَسِقَاءٍ وَجَرَّتَيْنِ فَقَالَ عَلِيٌّ لِفَاطِمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا ذَاتَ يَوْمٍ وَاللَّهِ لَقَدْ سَنَوْتُ حَتَّى لَقَدْ اشْتَكَيْتُ صَدْرِي قَالَ وَقَدْ جَاءَ اللَّهُ أَبَاكِ بِسَبْيٍ فَاذْهَبِي فَاسْتَخْدِمِيهِ فَقَالَتْ وَأَنَا وَاللَّهِ قَدْ طَحَنْتُ حَتَّى مَجَلَتْ يَدَايَ فَأَتَتْ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مَا جَاءَ بِكِ أَيْ بُنَيَّةُ قَالَتْ جِئْتُ لَأُسَلِّمَ عَلَيْكَ وَاسْتَحْيَا أَنْ تَسْأَلَهُ وَرَجَعَتْ فَقَالَ مَا فَعَلْتِ قَالَتْ اسْتَحْيَيْتُ أَنْ أَسْأَلَهُ فَأَتَيْنَاهُ جَمِيعًا فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَاللَّهِ لَقَدْ سَنَوْتُ حَتَّى اشْتَكَيْتُ صَدْرِي وَقَالَتْ فَاطِمَةُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَدْ طَحَنْتُ حَتَّى مَجَلَتْ يَدَايَ وَقَدْ جَاءَكَ اللَّهُ بِسَبْيٍ وَسَعَةٍ فَأَخْدِمْنَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاللَّهِ لَا أُعْطِيكُمَا وَأَدَعُ أَهْلَ الصُّفَّةِ تَطْوَ بُطُونُهُمْ لَا أَجِدُ مَا أُنْفِقُ عَلَيْهِمْ وَلَكِنِّي أَبِيعُهُمْ وَأُنْفِقُ عَلَيْهِمْ أَثْمَانَهُمْ فَرَجَعَا فَأَتَاهُمَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَدْ دَخَلَا فِي قَطِيفَتِهِمَا إِذَا غَطَّتْ رُءُوسَهُمَا تَكَشَّفَتْ أَقْدَامُهُمَا وَإِذَا غَطَّيَا أَقْدَامَهُمَا تَكَشَّفَتْ رُءُوسُهُمَا فَثَارَا فَقَالَ مَكَانَكُمَا ثُمَّ قَالَ أَلَا أُخْبِرُكُمَا بِخَيْرٍ مِمَّا سَأَلْتُمَانِي قَالَا بَلَى فَقَالَ كَلِمَاتٌ عَلَّمَنِيهِنَّ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَام فَقَالَ تُسَبِّحَانِ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ عَشْرًا وَتَحْمَدَانِ عَشْرًا وَتُكَبِّرَانِ عَشْرًا وَإِذَا أَوَيْتُمَا إِلَى فِرَاشِكُمَا فَسَبِّحَا ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَاحْمَدَا ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَكَبِّرَا أَرْبَعًا وَثَلَاثِينَ قَالَ فَوَاللَّهِ مَا تَرَكْتُهُنَّ مُنْذُ عَلَّمَنِيهِنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فَقَالَ لَهُ ابْنُ الْكَوَّاءِ وَلَا لَيْلَةَ صِفِّينَ فَقَالَ قَاتَلَكُمْ اللَّهُ يَا أَهْلَ الْعِرَاقِ نَعَمْ وَلَا لَيْلَةَ صِفِّينَ


হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন তাঁর কন্যা হজরত ফাতিমা (রা.)-কে তার সঙ্গে বিয়ে দেন, তখন তিনি তাকে একটি পশমী কাপড়, ঘাসে ভরা একটি চামড়ার বালিশ, দুটি কলস, একটি চাকিও দেন। একদিন হজরত আলী (রা.) হজরত ফাতেমা (রা.)-কে বললেন, আল্লাহর কসম! কূপ থেকে পানি তোলার পর আমার বুকে ব্যথা শুরু হয়েছে, তোমার বাবার কাছে কিছু বন্দী এসেছে, তুমি গিয়ে তাদের কাছে চাকর চাও। কল চালানোর পরে, আমার হাতেও গলদ ছিল। যাইহোক, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে উপস্থিত হলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসার কারণ জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি বললেন যে তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাম দিতে এসেছেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তার অনুরোধ জানাতে লজ্জিত হয়ে ফিরে গেলেন আলী (রহঃ) জিজ্ঞেস করলেন কি হয়েছে? তিনি বলেন, আমি তাঁর কাছে কিছু চাইতে লজ্জা পেয়েছিলাম, তাই ফিরে এলাম। অতঃপর আমরা উভয়ে একত্রিত হলাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সুফফাবাসীদের পেট যখন ক্ষুধার জ্বালায় কুণ্ডলী পাকিয়ে থাকে, তখন তাদেরকে বাদ দিয়ে আমি তোমাদেরকে (সাহায্য) দেব না। সুফফাবাসীর সমস্যা গুটিয়ে রেখে আমি তোমাদেরকে সেবা করতে পারবো না। রাতের বেলায় তিনি যে চাদরটি পরিধান করতেন তা এতই ছোট ছিল যে, মাথা ঢেকে রাখলে পা অনাবৃত হয়ে যেত, আর পা ঢেকে রাখলে মাথা অনাবৃত হয়ে যেত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, প্রত্যেক সালাতের পর দশবার সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার বলো এবং যখন ঘুমাতে যাবে তখন ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ এবং ৩৪ বার আল্লাহু আকবার বলো। (তোমার সমস্ত ক্লান্তি এবং অসুস্থতা দূর হবে)। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



798 OK

(৭৯৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৭৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سَلَمَةَ وَالْمُجَالِدُ عَنِ الشَّعْبِيِّ أَنَّهُمَا سَمِعَاهُ يُحَدِّثُ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ حِينَ رَجَمَ الْمَرْأَةَ مِنْ أَهْلِ الْكُوفَةِ ضَرَبَهَا يَوْمَ الْخَمِيسِ وَرَجَمَهَا يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَقَالَ أَجْلِدُهَا بِكِتَابِ اللَّهِ وَأَرْجُمُهَا بِسُنَّةِ نَبِيِّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

কুফাবাসী এক মহিলাকে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু (ব্যভিচারের দায়ে) যখন পাথর মেরে হত্যা করলেন, তখন বৃহস্পতিবারে তাকে বেত্রাঘাত করলেন এবং শুক্রবারে পাথর মেরে হত্যা করলেন। তিনি বললেন, তাকে বেত্রাঘাত করছি আল্লাহর কিতাবের আদেশে আর পাথর মারছি আল্লাহর নবীর সুন্নাত অনুসারে। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



799 OK

(৭৯৯)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ قَالَ دَخَلْتُ عَلَى عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ أَنَا وَرَجُلَانِ رَجُلٌ مِنْ قَوْمِي وَرَجُلٌ مِنْ بَنِي أَسَدٍ أَحْسِبُ فَبَعَثَهُمَا وَجْهًا وَقَالَ أَمَا إِنَّكُمَا عِلْجَانِ فَعَالِجَا عَنْ دِينِكُمَا ثُمَّ دَخَلَ الْمَخْرَجَ فَقَضَى حَاجَتَهُ ثُمَّ خَرَجَ فَأَخَذَ حَفْنَةً مِنْ مَاءٍ فَتَمَسَّحَ بِهَا ثُمَّ جَعَلَ يَقْرَأُ الْقُرْآنَ قَالَ فَكَأَنَّهُ رَآنَا أَنْكَرْنَا ذَلِكَ ثُمَّ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْضِي حَاجَتَهُ ثُمَّ يَخْرُجُ فَيَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَيَأْكُلُ مَعَنَا اللَّحْمَ وَلَمْ يَكُنْ يَحْجُبُهُ عَنْ الْقُرْآنِ شَيْءٌ لَيْسَ الْجَنَابَةَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনে সালামা বলেন, একবার আমি এবং আরও দু’জন এলাম, যাদের একজন আমার সম্প্রদায়ের লোক এবং অন্যজন বনু আসাদের লোক, হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদের উভয়কে তাঁর কাছে পাঠালেন এবং বললেন, “তোমরা এখনও এ বিষয়ে অজ্ঞ। তাই দ্বীন বোঝার অভ্যাস করুন, তারপর তিনি টয়লেটে গিয়ে মলত্যাগের পর বেরিয়ে আসেন, এক মুঠো পানি নিয়ে মুখে ছিটিয়ে দিয়ে কুরআন তিলাওয়াত শুরু করেন, যখন তিনি দেখলেন আমরা অবাক হয়ে গেলাম। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযু করে বের হওয়ার পর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করতেন এবং আমাদের সাথে গোশত খেতেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যতক্ষণ ’জুনুব’ (বীর্যপাত জনিত অপবিত্র) না হতেন, ততক্ষণ আমাদেরকে কুরআন পড়াতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৭৯৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস