Loading...


৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৭৪৪

Edit
حَدَّثَنَا هَاشِمُ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانَ يَعْنِي ابْنَ الْمُغِيرَةِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ نَوْفَلٍ الْهَاشِمِيُّ قَالَ كَانَ أَبِي الْحَارِثُ عَلَى أَمْرٍ مِنْ أُمُورِ مَكَّةَ فِي زَمَنِ عُثْمَانَ فَأَقْبَلَ عُثْمَانُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِلَى مَكَّةَ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ فَاسْتَقْبَلْتُ عُثْمَانَ بِالنُّزُلِ بِقُدَيْدٍ فَاصْطَادَ أَهْلُ الْمَاءِ حَجَلًا فَطَبَخْنَاهُ بِمَاءٍ وَمِلْحٍ فَجَعَلْنَاهُ عُرَاقًا لِلثَّرِيدِ فَقَدَّمْنَاهُ إِلَى عُثْمَانَ وَأَصْحَابِهِ فَأَمْسَكُوا فَقَالَ عُثْمَانُ صَيْدٌ لَمْ أَصْطَدْهُ وَلَمْ آمُرْ بِصَيْدِهِ اصْطَادَهُ قَوْمٌ حِلٌّ فَأَطْعَمُونَاهُ فَمَا بَأْسٌ فَقَالَ عُثْمَانُ مَنْ يَقُولُ فِي هَذَا فَقَالُوا عَلِيٌّ فَبَعَثَ إِلَى عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَجَاءَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ فَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى عَلِيٍّ حِينَ جَاءَ وَهُوَ يَحُتُّ الْخَبَطَ عَنْ كَفَّيْهِ فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ صَيْدٌ لَمْ نَصْطَدْهُ وَلَمْ نَأْمُرْ بِصَيْدِهِ اصْطَادَهُ قَوْمٌ حِلٌّ فَأَطْعَمُونَاهُ فَمَا بَأْسٌ قَالَ فَغَضِبَ عَلِيٌّ وَقَالَ أَنْشُدُ اللَّهَ رَجُلًا شَهِدَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ أُتِيَ بِقَائِمَةِ حِمَارِ وَحْشٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّا قَوْمٌ حُرُمٌ فَأَطْعِمُوهُ أَهْلَ الْحِلِّ قَالَ فَشَهِدَ اثْنَا عَشَرَ رَجُلًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ عَلِيٌّ أُشْهِدُ اللَّهَ رَجُلًا شَهِدَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ أُتِيَ بِبَيْضِ النَّعَامِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّا قَوْمٌ حُرُمٌ أَطْعِمُوهُ أَهْلَ الْحِلِّ قَالَ فَشَهِدَ دُونَهُمْ مِنْ الْعِدَّةِ مِنْ الِاثْنَيْ عَشَرَ قَالَ فَثَنَى عُثْمَانُ وَرِكَهُ عَنْ الطَّعَامِ فَدَخَلَ رَحْلَهُ وَأَكَلَ ذَلِكَ الطَّعَامَ أَهْلُ الْمَاءِ

আবদুল্লাহ ইবনুল হারিছ থেকে বর্ণিতঃ

আমার পিতা হারিস উসমানের আমলে মক্কার একটা দায়িত্বে ছিলেন। তৎকালে একদিন উসমান মক্কায় এলেন। আমি কুদাইদে উসমানকে রকমারি খাদ্যদ্রব্য নিয়ে অভ্যর্থনা জানালাম। এ সময় জলাশয়ের পার্শ্ববর্তী লোকেরা একটা তিতির পাখি শিকার করলো। আমরা সেটা লবণ ও পানি দিয়ে রান্না করলাম। অতঃপর ওটিকে ছারীদ এর মাংস হিসাবে যুক্ত করলাম। তারপর তা উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু ও তাঁর সাথীদের সামনে পেশ করলাম। কিন্তু কেউ তা খেল না। তা দেখে উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ এটা একটা শিকার বটে। তবে আমরা ওটা শিকার করিনি, শিকার করার আদেশও দেইনি। ইহরাম থেকে মুক্ত একদল লোক ওটা শিকার করেছে এবং আমাদেরকে খেতে দিয়েছে। সুতরাং এটা খাওয়ার অসুবিধা কোথায়? এ ব্যাপারে কে সঠিক মত দিতে পারবে? লোকেরা বললোঃ আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু।

তখন আলীর নিকট দূত পাঠালেন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এলেন। আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস বলেনঃ আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন এলেন, তখনকার অবস্থা এখনও যেন আমি দেখতে পাচ্ছি। তিনি নিজের দুই কাঁধ থেকে ধুলোবালি ঝাড়ছেন। উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বললেনঃ একটা শিকার, যা আমরা ধরিনি, ধরতে আদেশও দেইনি। ইহরামমুক্ত একদল লোক শিকার করেছে, তারপর আমাদেরকে খেতে দিয়েছে। এতে বাধা কী? এ কথা শুনে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু রেগে গেলেন। তিনি বললেনঃ আমি আল্লাহর শপথ দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, এমন কেউ কি এখানে আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে একটা জংলী গাধার পা যখন এনে দেয়া হয়েছিল, তখন সেখানে উপস্থিত ছিল?

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “আমরা ইহরামে আছি, তাই এটা ইহরাম মুক্তদেরকে আহার করাও। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্য থেকে বারো জন সাক্ষ্য দিলেন যে, তাঁরা ঐ সময় উপস্থিত ছিলেন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু পুনরায় বললেনঃ আমি আল্লাহর শপথ দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, এখানে এমন কেউ আছে কি, যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কবুতরের ডিম আনা হলে তিনি বলেছিলেনঃ “আমরা ইহরামে আছি। যারা ইহরাম বাঁধেনি, তাদেরকে এটা খাওয়াও।” এ ব্যাপারে আরো বারো জন সাক্ষ্য দিল। তা শুনে উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু উক্ত খাদ্য বর্জন করে নিজের তাবুর মধ্যে প্রবেশ করলেন। আর ঐ খাবার জলাশয়বাসী খেয়ে নিল।


সর্বমোট হাদিস পাওয়া গিয়েছেঃ ২টি


(১)

হাদিস নং ৭৪৪ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৭৪৫) Edit

(২)

হাদিস নং ৭৪৪ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৭৭৩) Edit