(৫) হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৫৩০-১৩০৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৭৭৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২০৯টি]



1100 OK

(১১০০)

হাদিস দেখুন [৩১:১০৯৯] view_link


হাসান হাদিস


হাদিস নং ৫৯৯ দেখুন


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1101 OK

(১১০১)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৬৭] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي حَجَّاجُ بْنُ يُوسُفَ الشَّاعِرُ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ مُوسَى بْنِ سَالِمٍ أَبِي جَهْضَمٍ أَنَّ أَبَا جَعْفَرٍ حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ حَدَّثَهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَانِي عَنْ ثَلَاثَةٍ قَالَ فَمَا أَدْرِي لَهُ خَاصَّةً أَمْ لِلنَّاسِ عَامَّةً نَهَانِي عَنْ الْقَسِّيِّ وَالْمِيثَرَةِ وَأَنْ أَقْرَأَ وَأَنَا رَاكِعٌ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তিনটে কাজ করতে নিষেধ করেছেনঃ (বর্ণনাকারী বলেন, এ নিষেধাজ্ঞা শুধু তাঁর জন্য না। সবার জন্য তা আমি জানি না)। রেশমের জামা পরতে, রেশমে তৈরী জিন বা গদি ব্যবহার করতে এবং (নামাযে) রুকু’ অবস্থায় কুরআন পড়তে। [মুসনাদে আহমাদ : ১১০১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1102 OK

(১১০২)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৪০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ هَانِئِ بْنِ هَانِئٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَاءَ عَمَّارٌ فَاسْتَأْذَنَ فَقَالَ ائْذَنُوا لَهُ مَرْحَبًا بِالطَّيِّبِ الْمُطَيَّبِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বসেছিলাম। সহসা আম্মার রাদিয়াল্লাহু আনহু এলেন এবং ভেতরে আসার অনুমতি চাইলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওকে আসতে দাও। পবিত্র ও পবিত্রকৃত মানুষটাকে স্বাগতম। [মুসনাদে আহমাদ : ১১০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1103 OK

(১১০৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৯৭৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ حَارِثَةَ بْنِ مُضَرِّبٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ مَا كَانَ فِينَا فَارِسٌ يَوْمَ بَدْرٍ غَيْرُ الْمِقْدَادِ وَلَقَدْ رَأَيْتُنَا وَمَا فِينَا إِلَّا نَائِمٌ إِلَّا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَحْتَ شَجَرَةٍ يُصَلِّي وَيَبْكِي حَتَّى أَصْبَحَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

বদরের যুদ্ধে আমাদের মিকদাদ ছাড়া আর কোন ঘোড় সওয়ার যোদ্ধা ছিল না। আমি দেখলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া আমাদের সবাই ঘুমাচ্ছে। তিনি একটা গাছের নিচে সকাল পর্যন্ত নামায পড়েছেন এবং কান্নাকাটি করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1104 OK

(১১০৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ سُمَيْعٍ حَدَّثَنِي مَالِكُ بْنُ عُمَيْرٍ قَالَ جَاءَ زَيْدُ بْنُ صُوحَانَ إِلَى عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ حَدِّثْنِي مَا نَهَاكَ عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ نَهَانِي عَنْ الْحَنْتَمِ وَالدُّبَّاءِ وَالنَّقِيرِ وَالْجِعَةِ وَعَنْ خَاتَمِ الذَّهَبِ أَوْ قَالَ حَلْقَةِ الذَّهَبِ وَعَنْ الْحَرِيرِ وَالْقَسِّيِّ وَالْمِيثَرَةِ الْحَمْرَاءِ قَالَ وَأُهْدِيَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حُلَّةُ حَرِيرٍ فَكَسَانِيهَا فَخَرَجْتُ فِيهَا فَأَخَذَهَا فَأَعْطَاهَا فَاطِمَةَ أَوْ عَمَّتَهُ إِسْمَاعِيلُ يَقُولُ ذَلِكَ حَدَّثَنَاه يُونُسُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ فَذَكَرَهُ بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ إِلَّا أَنَّهُ قَالَ جَاءَ صَعْصَعَةُ بْنُ صُوحَانَ إِلَى عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ


মালিক ইবনে উমাইর থেকে বর্ণিতঃ

একদিন আমি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট বসা ছিলাম। তখন সা’সা’য়া ইবনে সুহান তার নিকট এলেন এবং সালাম করলেন। তারপর দাঁড়িয়ে বললেন, হে আমীরুল মুমিনীন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে যে সকল কাজ করতে নিষেধ করেছেন, তা থেকে আমাদেরকে নিষেধ করুন। তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, তিনি আমাদেরকে ’দুব্বা’ (লাউয়ের খোলস) ’হান্তম’ (মাটির সবুজ পত্র বিশেষ), ’মুযাফফাত’ (তৈলাক্তপাত্র বিশেষ) ও ’নকীর’ (কাঠের পাত্র বিশেষ) ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরো নিষেধ করেছেন রেশম ব্যবহার করতে, লাল বর্ণের গদি ব্যবহার করতে, রেশমী পোশাক পরতে ও স্বর্ণের আংটি পরতে। তারপর বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে একটা রেশমী পোশাক পরালেন। পরে আমি যখন সেটি পরিধান করে বাইরে বের হয়েছি, যাতে লোকেরা আমার পরনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেওয়া পোশাক দেখতে পায়, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখে পোশাকটি খুলে ফেলতে বললেন। পরে তার একাংশ ফাতিমাকে পাঠালেন এবং অপরাংশ তার ফুফুকে পাঠালেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1105 OK

(১১০৫)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكَّارٍ حَدَّثَنَا حِبَّانُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ ضِرَارِ بْنِ مُرَّةَ عَنْ حُصَيْنٍ الْمُزَنِيِّ قَالَ قَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى الْمِنْبَرِ أَيُّهَا النَّاسُ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا يَقْطَعُ الصَّلَاةَ إِلَّا الْحَدَثُ لَا أَسْتَحْيِيكُمْ مِمَّا لَا يَسْتَحْيِي مِنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ وَالْحَدَثُ أَنْ يَفْسُوَ أَوْ يَضْرِطَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু মিম্বারের উপর থেকে বললেন, হে জনতা, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ওযূ নষ্ট হওয়া ছাড়া আর কোন কারণে নামায ভঙ্গ হয় না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলতে লজ্জা পাননি, তা বলতে আমি লজ্জা পাইনা। তিনি বলেছেনঃ (মলদ্বার দিয়ে) বায়ু নিঃসরণে ওযূ নষ্ট হয়। [মুসনাদে আহমাদ : ১১০৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1106 OK

(১১০৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৪৯] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ حَدَّثَنَا عُتَيْبَةُ عَنْ بُرَيْدِ بْنِ أَصْرَمَ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ مَاتَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الصُّفَّةِ وَتَرَكَ دِينَارَيْنِ أَوْ دِرْهَمَيْنِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَيَّتَانِ صَلُّوا عَلَى صَاحِبِكُمْ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

সুফফাবাসীর মধ্য থেকে একজন দুই দিনার। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এ দুটি দিনার জাহান্নামের দুটি কয়লা।” তোমরা তোমাদের সাথীর জানাযার নামায পড়াও। [মুসনাদে আহমাদ : ১১০৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1107 OK

(১১০৭)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ سَلَمَةَ يَعْنِي ابْنَ أَبِي الْحُسَامِ حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ رَجُلٍ مِنْ الْأَنْصَارِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ عَادَ مَرِيضًا مَشَى فِي خِرَافِ الْجَنَّةِ فَإِذَا جَلَسَ عِنْدَهُ اسْتَنْقَعَ فِي الرَّحْمَةِ فَإِذَا خَرَجَ مِنْ عِنْدِهِ وُكِّلَ بِهِ سَبْعُونَ أَلْفَ مَلَكٍ يَسْتَغْفِرُونَ لَهُ ذَلِكَ الْيَوْمَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন রোগীকে দেখতে যাবে, সে জান্নাতের খেজুর বাগানে ঘুরে বেড়াবে। সে যখন রোগীর নিকট বসে, তখন রহমতের পুকুরে অবগাহন করে। যখন তার কাছ থেকে বেরিয়ে আসে, তখন সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জন্য সারা দিন আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়ার কাজে নিয়োজিত হয়। [মুসনাদে আহমাদ : ১১০৭]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1108 OK

(১১০৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৮৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ حَدَّثَنِي وَاقِدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ قَالَ شَهِدْتُ جَنَازَةً فِي بَنِي سَلِمَةَ فَقُمْتُ فَقَالَ لِي نَافِعُ بْنُ جُبَيْرٍ اجْلِسْ فَإِنِّي سَأُخْبِرُكَ فِي هَذَا بِثَبْتٍ حَدَّثَنِي مَسْعُودُ بْنُ الْحَكَمِ الزُّرَقِيُّ أَنَّهُ سَمِعَ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بِرَحَبَةِ الْكُوفَةِ وَهُوَ يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَنَا بِالْقِيَامِ فِي الْجِنَازَةِ ثُمَّ جَلَسَ بَعْدَ ذَلِكَ وَأَمَرَنَا بِالْجُلُوسِ


সা’দ বিন মু’আযের পৌত্র ওয়াকিদ বিন আমার থেকে বর্ণিতঃ

আমি বনু সালমা গোত্রে একটা মৃতদেহ দেখলাম এবং দেখা মাত্রই উঠে দাঁড়ালাম। না’ফে বিন যুবাইর আমাকে বললেনঃ বস। আমি এক্ষুণি তোমাকে এ বিষয়ে প্রমাণ সহকারে জানাবো। আমাকে মাসউদ ইবনুল হাকাম আয যারাকী বলেছেনঃ তিনি কুফার এক মাঠে আলী ইবনে আবী তালিবকে বলতে শুনেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সময় আমাদেরকে মৃতদেহ দেখে দাঁড়াতে বলতেন। পরে তিনি নিজেও বসে থাকতেন, আমাদেরকেও বসতে আদেশ দিতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১০৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1109 OK

(১১০৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا بُرْدَةَ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ وَاذْكُرْ بِالْهُدَى هِدَايَتَكَ الطَّرِيقَ وَاذْكُرْ بِالسَّدَادِ تَسْدِيدَكَ السَّهْمَ قَالَ وَنَهَى أَوْ نَهَانِي عَنْ الْقَسِّيِّ وَالْمِيثَرَةِ وَعَنْ الْخَاتَمِ فِي السَّبَّابَةِ أَوْ الْوُسْطَى


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, এই দোয়াটি পাঠ করো,

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ

“হে আল্লাহ, আমি তোমার কাছে হেদায়েত ও সুরক্ষা চাই।" যখন আমি হেদায়েতের কথা বলি, তখন হেদায়েতের কথা মনে রাখবে। এছাড়াও, হযরত আলী (রা.) বলেছেন যে নবী (সাঃ) রেশম পরিধান, লাল রঙের পোশাক পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এই তর্জনীতে বা তার পার্শ্ববতী আঙ্গুলে আঙটি পরতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1110 OK

(১১১০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي عَوْنٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا صَالِحٍ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ ذَكَرْتُ ابْنَةَ حَمْزَةَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّهَا ابْنَةُ أَخِي مِنْ الرَّضَاعَةِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হামযার মেয়ের কথা উল্লেখ করেছিলাম। তিনি বললেন, সে আমার দুধ ভাইয়ের মেয়ে। [মুসনাদে আহমাদ : ১১১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1111 OK

(১১১১)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২২] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ شُعْبَةَ عَنِ الْحَكَمِ عَنِ أَبِي مُحَمَّدٍ الْهُذَلِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي جَنَازَةٍ فَقَالَ أَيُّكُمْ يَنْطَلِقُ إِلَى الْمَدِينَةِ فَلَا يَدَعُ بِهَا وَثَنًا إِلَّا كَسَرَهُ وَلَا قَبْرًا إِلَّا سَوَّاهُ وَلَا صُورَةً إِلَّا لَطَّخَهَا فَقَالَ رَجُلٌ أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَانْطَلَقَ فَهَابَ أَهْلَ الْمَدِينَةِ فَرَجَعَ فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَا أَنْطَلِقُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ فَانْطَلِقْ فَانْطَلَقَ ثُمَّ رَجَعَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَمْ أَدَعْ بِهَا وَثَنًا إِلَّا كَسَرْتُهُ وَلَا قَبْرًا إِلَّا سَوَّيْتُهُ وَلَا صُورَةً إِلَّا لَطَّخْتُهَا ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ عَادَ لِصَنْعَةِ شَيْءٍ مِنْ هَذَا فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ لَا تَكُونَنَّ فَتَّانًا وَلَا مُخْتَالًا وَلَا تَاجِرًا إِلَّا تَاجِرَ الْخَيْرِ فَإِنَّ أُولَئِكَ هُمْ الْمَسْبُوقُونَ بِالْعَمَلِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ الْبَصْرَةِ قَالَ وَيُكَنُّونَهُ أَهْلُ الْبَصْرَةِ أَبَا مُوَرِّعٍ قَالَ وَأَهْلُ الْكُوفَةِ يُكَنُّونَهُ بِأَبِي مُحَمَّدٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي جَنَازَةٍ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ وَلَمْ يَقُلْ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَقَالَ وَلَا صُورَةً إِلَّا طَلَخَهَا فَقَالَ مَا أَتَيْتُكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ حَتَّى لَمْ أَدَعْ صُورَةً إِلَّا طَلَخْتُهَا وَقَالَ لَا تَكُنْ فَتَّانًا وَلَا مُخْتَالًا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি জানাযায় ছিলেন। তারপর বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে, মদীনায় গিয়ে সকল মূর্তি ভেঙ্গে দেবে, সকল কবর সমান করে দেবে এবং সকল ছবির ওপর কালো কালি মেখে দেবে? এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি পারবো। অতঃপর সে চলে গেল। কিন্তু মদীনাবাসীর ভয়ে ভীত হয়ে ফিরে এল। তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি যাবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বেশ, যাও। তিনি গেলেন, আবার ফিরে এলেন। এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি প্রতিটি মূর্তি ভেঙ্গে এসেছি, প্রতিটি কবর সমান করে এসেছি এবং প্রতিটি ছবিতে কালি মেখে এসেছি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এর একটিও যে ব্যক্তি পুনরায় করবে, সে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাযিলকৃত দীনকে অস্বীকার করবে। তারপর বললেনঃ কেউ নির্যাতনকারী হয়ো না, অহংকারী হয়ো না, ব্যবসায়ী হয়ো না, তবে সৎ ব্যবসায়ী হয়ো। কেননা এসকল (নির্যাতনকারী, অহংকারী ও অসৎ ব্যবসায়ী) লোক সৎকাজে পেছনে পড়ে যাবে। (সুতরাং কোন অজুহাতেই কোন প্রাণীর ছবি বা প্রতিকৃতি তৈরি করা ও স্থাপন করা ইসলাম সম্মত নয়।) [মুসনাদে আহমাদ : ১১১১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1112 OK

(১১১২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي عَوْنٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ أُهْدِيَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حُلَّةٌ سِيَرَاءُ فَبَعَثَ بِهَا إِلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَخَرَجْتُ فِيهَا فَغَضِبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى رَأَيْتُ الْغَضَبَ فِي وَجْهِهِ فَقَالَ إِنِّي لَمْ أُعْطِكَهَا لِتَلْبَسَهَا قَالَ فَأَمَرَنِي فَأَطَرْتُهَا بَيْنَ نِسَائِي


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

দুমার শাসক উকাইদির রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটা রেশমী পোশাক উপহার দিল। তিনি সেটা আমাকে দিলেন, আমি সেটা পরলাম এবং আমি রাসূল (সা.)-এর চেহারায় অসন্তুষ্টির প্রভাব দেখতে পেলাম অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তোমাকে এটা পরার জন্য দেইনি, তারপর তিনি আমাকে আদেশ করলেন, এটি টুকরো করে মহিলাদের মধ্যে ওড়না বানিয়ে বণ্টন করে দিলাম। [মুসনাদে আহমাদ : ১১১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1113 OK

(১১১৩)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُدْرِكٍ عَنْ أَبِي زُرْعَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُجَيٍّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْمَلَائِكَةُ لَا تَدْخُلُ بَيْتًا فِيهِ صُورَةٌ وَلَا جُنُبٌ وَلَا كَلْبٌ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ঘরে বীর্যপাতজনিত অপবিত্র লোক, ছবি বা কুকুর আছে, সে ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না। [মুসনাদে আহমাদ : ১১১৩]


['জুনুব' বা 'অপবিত্র লোক' এর উল্লেখ ব্যতীত হাদিসটি হাসান লিগায়রিহি এবং উক্ত সানাদ দুর্বল।]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1114 OK

(১১১৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৫০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَيْسَرَةَ عَنِ النَّزَّالِ بْنِ سَبْرَةَ قَالَ أُتِيَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بِكُوزٍ مِنْ مَاءٍ وَهُوَ فِي الرَّحْبَةِ فَأَخَذَ كَفًّا مِنْ مَاءٍ فَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ وَمَسَحَ وَجْهَهُ وَذِرَاعَيْهِ وَرَأْسَهُ ثُمَّ شَرِبَ وَهُوَ قَائِمٌ ثُمَّ قَالَ هَذَا وُضُوءُ مَنْ لَمْ يُحْدِثْ هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَ


নাযযাল ইবনে সাবরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আলীর নিকট এক মগ পানি আনা হলো। তিনি তখন বাড়ির প্রাঙ্গনে ছিলেন। তিনি এক আঁজল পানি নিয়ে কুলি করলেন। নাকে পানি দিলেন। তাঁর মুখমণ্ডল, দু’হাত ও মাথা মাসেহ করলেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ এ হলো সেই ব্যক্তির ওযূ, যে অপবিত্র হয়নি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকম ওযূ করতে দেখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ১১১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1115 OK

(১১১৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ الْحَكَمُ أَخْبَرَنِي عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ بَعَثَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْمَدِينَةِ فَأَمَرَهُ أَنْ يُسَوِّيَ الْقُبُورَ


হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সা.) একবার তাকে মদিনায় পাঠালেন এবং সমস্ত কবর সমতল করার নির্দেশ দিলেন।
[মুসনাদে আহমাদ : ১১১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1116 OK

(১১১৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২২] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ شُعْبَةَ عَنِ الْحَكَمِ عَنِ أَبِي مُحَمَّدٍ الْهُذَلِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي جَنَازَةٍ فَقَالَ أَيُّكُمْ يَنْطَلِقُ إِلَى الْمَدِينَةِ فَلَا يَدَعُ بِهَا وَثَنًا إِلَّا كَسَرَهُ وَلَا قَبْرًا إِلَّا سَوَّاهُ وَلَا صُورَةً إِلَّا لَطَّخَهَا فَقَالَ رَجُلٌ أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَانْطَلَقَ فَهَابَ أَهْلَ الْمَدِينَةِ فَرَجَعَ فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَا أَنْطَلِقُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ فَانْطَلِقْ فَانْطَلَقَ ثُمَّ رَجَعَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَمْ أَدَعْ بِهَا وَثَنًا إِلَّا كَسَرْتُهُ وَلَا قَبْرًا إِلَّا سَوَّيْتُهُ وَلَا صُورَةً إِلَّا لَطَّخْتُهَا ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ عَادَ لِصَنْعَةِ شَيْءٍ مِنْ هَذَا فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ لَا تَكُونَنَّ فَتَّانًا وَلَا مُخْتَالًا وَلَا تَاجِرًا إِلَّا تَاجِرَ الْخَيْرِ فَإِنَّ أُولَئِكَ هُمْ الْمَسْبُوقُونَ بِالْعَمَلِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ الْبَصْرَةِ قَالَ وَيُكَنُّونَهُ أَهْلُ الْبَصْرَةِ أَبَا مُوَرِّعٍ قَالَ وَأَهْلُ الْكُوفَةِ يُكَنُّونَهُ بِأَبِي مُحَمَّدٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي جَنَازَةٍ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ وَلَمْ يَقُلْ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَقَالَ وَلَا صُورَةً إِلَّا طَلَخَهَا فَقَالَ مَا أَتَيْتُكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ حَتَّى لَمْ أَدَعْ صُورَةً إِلَّا طَلَخْتُهَا وَقَالَ لَا تَكُنْ فَتَّانًا وَلَا مُخْتَالًا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি জানাযায় ছিলেন। তারপর বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে, মদীনায় গিয়ে সকল মূর্তি ভেঙ্গে দেবে, সকল কবর সমান করে দেবে এবং সকল ছবির ওপর কালো কালি মেখে দেবে? এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি পারবো। অতঃপর সে চলে গেল। কিন্তু মদীনাবাসীর ভয়ে ভীত হয়ে ফিরে এল। তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি যাবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বেশ, যাও। তিনি গেলেন, আবার ফিরে এলেন। এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি প্রতিটি মূর্তি ভেঙ্গে এসেছি, প্রতিটি কবর সমান করে এসেছি এবং প্রতিটি ছবিতে কালি মেখে এসেছি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এর একটিও যে ব্যক্তি পুনরায় করবে, সে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাযিলকৃত দীনকে অস্বীকার করবে। তারপর বললেনঃ কেউ নির্যাতনকারী হয়ো না, অহংকারী হয়ো না, ব্যবসায়ী হয়ো না, তবে সৎ ব্যবসায়ী হয়ো। কেননা এসকল (নির্যাতনকারী, অহংকারী ও অসৎ ব্যবসায়ী) লোক সৎকাজে পেছনে পড়ে যাবে। (সুতরাং কোন অজুহাতেই কোন প্রাণীর ছবি বা প্রতিকৃতি তৈরি করা ও স্থাপন করা ইসলাম সম্মত নয়।) [মুসনাদে আহমাদ : ১১১৬]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1117 OK

(১১১৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৮৩৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مَرْوَانُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ سَلْعٍ الْهَمْدَانِيُّ عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ قَالَ عَلَّمَنَا عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وُضُوءَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَصَبَّ الْغُلَامُ عَلَى يَدَيْهِ حَتَّى أَنْقَاهُمَا ثُمَّ أَدَخَلَ يَدَهُ فِي الرَّكْوَةِ فَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ وَغَسَلَ وَجْهَهُ ثَلَاثًا ثَلَاثًا وَذِرَاعَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ ثَلَاثًا ثَلَاثًا ثُمَّ أَدْخَلَ يَدَهُ فِي الرَّكْوَةِ فَغَمَرَ أَسْفَلَهَا بِيَدِهِ ثُمَّ أَخْرَجَهَا فَمَسَحَ بِهَا الْأُخْرَى ثُمَّ مَسَحَ بِكَفَّيْهِ رَأْسَهُ مَرَّةً ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَيْهِ إِلَى الْكَعْبَيْنِ ثَلَاثًا ثَلَاثًا ثُمَّ اغْتَرَفَ هُنَيَّةً مِنْ مَاءٍ بِكَفِّهِ فَشَرِبَهُ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ


আবদ খায়র থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওযূ শিখিয়েছিলেন। এক যুবক তার হাতে পানি ঢেলে দিল এবং তা দিয়ে তিনি হাত পরিষ্কার করলেন। তারপর তিনি হাত ঢুকিয়ে দিলেন বালতিতে। তারপর কুলি করলেন। নাকে পানি দিলেন। মুখ ধুলেন তিনবার করে। কনুই পর্যন্ত দু’হাত ধুলেন তিনবার করে। পুনরায় বালতিতে হাত ঢুকালেন, হাত পাত্রের নিচ পর্যন্ত ডুবালেন, তারপর হাত উঠালেন এবং তা দ্বারা অন্য হাত মাসেহ করলেন, তারপর দু’হাতের তালু দিয়ে একবার মাথা মাসেহ করলেন, তারপর তিনবার গিরা পর্যন্ত পা ধুলেন, তারপর হাতে এক কোষ পানি নিয়ে তা পান করলেন। তারপর বললেন, এভাবেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযূ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1118 OK

(১১১৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنَا جَمِيلُ بْنُ مُرَّةَ عَنْ أَبِي الْوَضِيءِ قَالَ شَهِدْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ حَيْثُ قَتَلَ أَهْلَ النَّهْرَوَانِ قَالَ الْتَمِسُوا إِلَيَّ الْمُخْدَجَ فَطَلَبُوهُ فِي الْقَتْلَى فَقَالُوا لَيْسَ نَجِدُهُ فَقَالَ ارْجِعُوا فَالْتَمِسُوا فَوَاللَّهِ مَا كَذَبْتُ وَلَا كُذِبْتُ فَرَجَعُوا فَطَلَبُوهُ فَرَدَّدَ ذَلِكَ مِرَارًا كُلُّ ذَلِكَ يَحْلِفُ بِاللَّهِ مَا كَذَبْتُ وَلَا كُذِبْتُ فَانْطَلَقُوا فَوَجَدُوهُ تَحْتَ الْقَتْلَى فِي طِينٍ فَاسْتَخْرَجُوهُ فَجِيءَ بِهِ فَقَالَ أَبُو الْوَضِيءِ فَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَيْهِ حَبَشِيٌّ عَلَيْهِ ثَدْيٌ قَدْ طَبَقَ إِحْدَى يَدَيْهِ مِثْلُ ثَدْيِ الْمَرْأَةِ عَلَيْهَا شَعَرَاتٌ مِثْلُ شَعَرَاتٍ تَكُونُ عَلَى ذَنَبِ الْيَرْبُوعِ


আবুল ওয়াযী থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন নাহরাওয়ান বাসীদেরকে হত্যা করেন, তখন আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম। তিনি বললেন, পঙ্গু হস্তধারী লোকটিকে খুঁজে আমার নিকট নিয়ে এস। লোকেরা নিহতদের মধ্যে তাকে খুঁজলো। তারপর তারা বললো, তাকে পাচ্ছি না। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আবার যাও, অনুসন্ধান কর। আল্লাহর কসম, আমি মিথ্যা বলিনি, আমাকে মিথ্যা কথা বলাও হয়নি। অগত্যা লোকেরা ফিরে গেল ও আবার তাকে খুঁজলো। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু তা সত্ত্বেও বহুবার আগের কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। প্রতিবার কসম খেয়ে বললেন, আমি মিথ্যা বলিনি, আমাকে মিথ্যা বলাও হয়নি। তাই তারা তাকে খুঁজতে চলে গেল এবং কাদামাটির ভেতরে নিহতদের মধ্যে তাকে পেল। সেখান থেকে তাকে বের করে আলীর নিকট নেয়া হলো। আবুল ওযী বলেন, আমি যেন এখনো দেখতে পাচ্ছি, একজন হাবশী, যার দেহে একটি স্তন রয়েছে, নারীর স্তনের মত। তার উপর ইদুরের লেজের চুলের মত চুল রয়েছে, যা তার একখানা হাত ছেয়ে গেছে। [মুসনাদে আহমাদ : ১১১৮]


[আবু দাউদ-8৭৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1119 OK

(১১১৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ عَنِ الْحَارِثِ بْنِ سُوَيْدٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ الدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

লাউ-এর খোসা ও তৈলাক্ত পাত্র বিশেষে ভরে রেখে তৈরি করা মদ খেতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1120 OK

(১১২০)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ جَالِسًا وَفِي يَدِهِ عُودٌ يَنْكُتُ بِهِ قَالَ فَرَفَعَ رَأْسَهُ فَقَالَ مَا مِنْكُمْ مِنْ نَفْسٍ إِلَّا وَقَدْ عُلِمَ مَنْزِلُهَا مِنْ الْجَنَّةِ وَالنَّارِ قَالَ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَلِمَ نَعْمَلُ قَالَ اعْمَلُوا فَكُلٌّ مُيَسَّرٌ لِمَا خُلِقَ لَهُ أَمَّا مَنْ أَعْطَى وَاتَّقَى وَصَدَّقَ بِالْحُسْنَى فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْيُسْرَى وَأَمَّا مَنْ بَخِلَ وَاسْتَغْنَى وَكَذَّبَ بِالْحُسْنَى فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْعُسْرَى


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন বসেছিলেন। তাঁর হাতে একটা কাঠি ছিল। তা দিয়ে তিনি মাটি খুদছিলেন। হঠাৎ তিনি মাথা তুললেন এবং বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেকেরই জান্নাতের ও জাহান্নামের বাসস্থান (অর্থাৎ কার বাসস্থান কোথায়) জানা হয়ে গেছে। উপস্থিত সাহাবীগণ বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, তাহলে আমরা আর আমল করবো কেন? তিনি বললেনঃ আমল করে যাও। কারণ প্রত্যেককে যে আমলের জন্য তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে, সে আমল তার জন্য সহজ সাধ্য করা হয়েছে। “যে ব্যক্তি দান করে, আল্লাহকে ভয় করে এবং যা ভালো তা মেনে নেয়, তার জন্য আমি শান্তির পথ সহজ করে দেব”। [সূরা লায়লঃ ৫-১০] [মুসনাদে আহমাদ : ১১২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1121 OK

(১১২১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سَمِعْتُ سُلَيْمَانَ يُحَدِّثُ عَنِ الْمُنْذِرِ الثَّوْرِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ اسْتَحْيَيْتُ أَنْ أَسْأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْمَذْيِ مِنْ أَجْلِ فَاطِمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا فَأَمَرْتُ الْمِقْدَادَ بْنَ الْأَسْوَدِ فَسَأَلَ عَنْ ذَلِكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ فِيهِ الْوُضُوءُ


হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি অনেক সমস্যায় পড়তাম, কারণ নবী (সা.)-এর কন্যা আমার সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন, তাই আমি নিজেই এই প্রশ্নটি করতে লজ্জিত হলাম, আমি হযরত মুকদাদ (রা.)-কে বললাম এই প্রশ্নটি করুন তিনি এ প্রশ্ন করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এমন ব্যক্তির উযূ করা উচিত। [মুসনাদে আহমাদ : ১১২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1122 OK

(১১২২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنِ الْحَسَنِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَرَادَ أَنْ يَرْجُمَ مَجْنُونَةً فَقَالَ لَهُ عَلِيٌّ مَا لَكَ ذَلِكَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ رُفِعَ الْقَلَمُ عَنْ ثَلَاثَةٍ عَنْ النَّائِمِ حَتَّى يَسْتَيْقِظَ وَعَنْ الطِّفْلِ حَتَّى يَحْتَلِمَ وَعَنْ الْمَجْنُونِ حَتَّى يَبْرَأَ أَوْ يَعْقِلَ فَأَدْرَأَ عَنْهَا عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ


হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত ওমর ফারুক (রা.) একজন মাতাল মহিলাকে পাথর মারার ইচ্ছা করলে, হযরত আলী (রা.) তাকে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিন ব্যক্তির উপর থেকে কলম তুলে নেয়া হয়েছে অর্থাৎ তাদেরকে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছেঃ (১) অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশুর উপর থেকে, যতক্ষণ না সে প্রাপ্তবয়স্ক হয়, (২) ঘুমন্ত ব্যক্তি থেকে, যতক্ষণ না সে জাগ্রত হয় এবং (৩) পাগল, যতক্ষণ না তার বিবেক ফিরে আসে। একথা শুনে হজরত ওমর ফারুক (রা.) মাতাল মহিলার শাস্তি স্থগিত করেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1123 OK

(১১২৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৯০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ الدَّانَاجِ عَنْ حُضَيْنٍ أَبِي سَاسَانَ الرَّقَاشِيِّ أَنَّهُ قَدِمَ نَاسٌ مِنْ أَهْلِ الْكُوفَةِ عَلَى عُثْمَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَأَخْبَرُوهُ بِمَا كَانَ مِنْ أَمْرِ الْوَلِيدِ أَيْ بِشُرْبِهِ الْخَمْرَ فَكَلَّمَهُ عَلِيٌّ فِي ذَلِكَ فَقَالَ دُونَكَ ابْنَ عَمِّكَ فَأَقِمْ عَلَيْهِ الْحَدَّ فَقَالَ يَا حَسَنُ قُمْ فَاجْلِدْهُ قَالَ مَا أَنْتَ مِنْ هَذَا فِي شَيْءٍ وَلِّ هَذَا غَيْرَكَ قَالَ بَلْ ضَعُفْتَ وَوَهَنْتَ وَعَجَزْتَ قُمْ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ جَعْفَرٍ فَجَعَلَ عَبْدُ اللَّهِ يَضْرِبُهُ وَيَعُدُّ عَلِيٌّ حَتَّى بَلَغَ أَرْبَعِينَ ثُمَّ قَالَ أَمْسِكْ أَوْ قَالَ كُفَّ جَلَدَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرْبَعِينَ وَأَبُو بَكْرٍ أَرْبَعِينَ وَكَمَّلَهَا عُمَرُ ثَمَانِينَ وَكُلٌّ سُنَّةٌ


হুদাইন আবু সাসান আর-রাক্কাশী থেকে বর্ণিতঃ

কুফাবাসীর একটি দল উসমানের কাছে এল। তারা ওয়ালীদের কার্যকলাপ সম্পর্কে তাকে অবহিত করলো। অর্থাৎ ওয়ালীদের মদপান সম্পর্কে। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এ ব্যাপারে তার সাথে কথা বললেন। তিনি বললেনঃ তোমার চাচাতো ভাইকে গ্রেফতার কর এবং তার ওপর হদ (শাস্তি) কার্যকর কর। তারপর বললেনঃ হে হাসান, ওঠ; ওকে বেত্রাঘাত কর। তিনি বললেনঃ এ ব্যাপারে আপনার কিছু করণীয় নেই। এ কাজে অন্য কাউকে দায়িত্ব দিন। তিনি বললেনঃ বরঞ্চ তুমি দুর্বল ও অক্ষম হয়ে গিয়েছ। হে আবদুল্লাহ ইবনে জাফর, তুমি ওঠ। তারপর আবদুল্লাহ বেত্রাঘাত করতে লাগলো আর আলী গণনা করতে লাগলেন। চল্লিশটিতে পৌছলে আলী বললেনঃ থাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চল্লিশটি বেত্রাঘাত করেছেন, আবু বাকরও চল্লিশটি বেত্রাঘাত করেছেন। কেবল উমার আশিটি পূর্ণ করেছেন। এর যেটাই করা হবে, সেটাই সুন্নাত। [মুসনাদে আহমাদ : ১১২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1124 OK

(১১২৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৭৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سَلَمَةَ وَالْمُجَالِدُ عَنِ الشَّعْبِيِّ أَنَّهُمَا سَمِعَاهُ يُحَدِّثُ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ حِينَ رَجَمَ الْمَرْأَةَ مِنْ أَهْلِ الْكُوفَةِ ضَرَبَهَا يَوْمَ الْخَمِيسِ وَرَجَمَهَا يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَقَالَ أَجْلِدُهَا بِكِتَابِ اللَّهِ وَأَرْجُمُهَا بِسُنَّةِ نَبِيِّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

কুফাবাসী এক মহিলাকে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু (ব্যভিচারের দায়ে) যখন পাথর মেরে হত্যা করলেন, তখন বৃহস্পতিবারে তাকে বেত্রাঘাত করলেন এবং শুক্রবারে পাথর মেরে হত্যা করলেন। তিনি বললেন, তাকে বেত্রাঘাত করছি আল্লাহর কিতাবের আদেশে আর পাথর মারছি আল্লাহর নবীর সুন্নাত অনুসারে। [মুসনাদে আহমাদ : ১১২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1125 OK

(১১২৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪০৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَارِظٍ عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَزْهَرَ قَالَ رَأَيْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَعُثْمَانَ يُصَلِّيَانِ يَوْمَ الْفِطْرِ وَالْأَضْحَى ثُمَّ يَنْصَرِفَانِ يُذَكِّرَانِ النَّاسَ قَالَ وَسَمِعْتُهُمَا يَقُولَانِ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ صِيَامِ هَذَيْنِ الْيَوْمَيْنِ


আবদুর রহমান বিন আযহারের মুক্ত গোলাম আবু উবাইদ থেকে বর্ণিতঃ

আমি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ও উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু কে দেখেছি, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামায পড়তেন, তারপর পেছনের দিকে ফিরে জনগণকে উপদেশ দিতেন। আবু উবাইদ আরো বলেন, আমি উক্ত দু’জনকেই বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দু’দিন রোযা থাকতে নিষেধ করেছেন। আবু উবাইদ বলেন, আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছি যে, তিন দিন পরে তোমাদের কুরবানীর কিছু অবশিষ্ট রাখতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১১২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1126 OK

(১১২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৭৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنِ الْمِنْهَالِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ نُعَيْمِ بْنِ دِجَاجَةَ أَنَّهُ قَالَ دَخَلَ أَبُو مَسْعُودٍ عُقْبَةُ بْنُ عَمْرٍو الْأَنْصَارِيُّ عَلَى عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ لَهُ عَلِيٌّ أَنْتَ الَّذِي تَقُولُ لَا يَأْتِي عَلَى النَّاسِ مِائَةُ سَنَةٍ وَعَلَى الْأَرْضِ عَيْنٌ تَطْرِفُ إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَأْتِي عَلَى النَّاسِ مِائَةُ سَنَةٍ وَعَلَى الْأَرْضِ عَيْنٌ تَطْرِفُ مِمَّنْ هُوَ حَيٌّ الْيَوْمَ وَاللَّهِ إِنَّ رَجَاءَ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ مِائَةِ عَامٍ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

একবার আবু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এলেন। তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বললেন, আপনিই কি সেই ব্যক্তি, যে বলে, মানুষের ওপর একশো বছর এমন অবস্থায় অতিক্রম করবে না। যখন পৃথিবীতে কোন ব্যক্তি জীবিত থাকবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন ঠিকই যে, মানুষের ওপর একশো বছর এমন অবস্থায় অতিক্রম করবে না যখন পৃথিবীতে কেউ জীবিত থাকবে। তবে সেটা বলেছিলেন আজ যারা জীবিত তাদের সম্পর্কে। আল্লাহর কসম, এ জাতির আশা ভরসা একশো বছর পর।” (অর্থাৎ সাধারণতঃ এ উম্মাতের লোকেরা একশো বছরের কম আয়ুষ্কাল পাবে এবং প্রতি একশো বছর পর তাদের জীবনে শুভ পরিবর্তন আসবে।) [মুসনাদে আহমাদ : ১১২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1127 OK

(১১২৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১১১৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنَا جَمِيلُ بْنُ مُرَّةَ عَنْ أَبِي الْوَضِيءِ قَالَ شَهِدْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ حَيْثُ قَتَلَ أَهْلَ النَّهْرَوَانِ قَالَ الْتَمِسُوا إِلَيَّ الْمُخْدَجَ فَطَلَبُوهُ فِي الْقَتْلَى فَقَالُوا لَيْسَ نَجِدُهُ فَقَالَ ارْجِعُوا فَالْتَمِسُوا فَوَاللَّهِ مَا كَذَبْتُ وَلَا كُذِبْتُ فَرَجَعُوا فَطَلَبُوهُ فَرَدَّدَ ذَلِكَ مِرَارًا كُلُّ ذَلِكَ يَحْلِفُ بِاللَّهِ مَا كَذَبْتُ وَلَا كُذِبْتُ فَانْطَلَقُوا فَوَجَدُوهُ تَحْتَ الْقَتْلَى فِي طِينٍ فَاسْتَخْرَجُوهُ فَجِيءَ بِهِ فَقَالَ أَبُو الْوَضِيءِ فَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَيْهِ حَبَشِيٌّ عَلَيْهِ ثَدْيٌ قَدْ طَبَقَ إِحْدَى يَدَيْهِ مِثْلُ ثَدْيِ الْمَرْأَةِ عَلَيْهَا شَعَرَاتٌ مِثْلُ شَعَرَاتٍ تَكُونُ عَلَى ذَنَبِ الْيَرْبُوعِ


আবুল ওয়াযী থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন নাহরাওয়ান বাসীদেরকে হত্যা করেন, তখন আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম। তিনি বললেন, পঙ্গু হস্তধারী লোকটিকে খুঁজে আমার নিকট নিয়ে এস। লোকেরা নিহতদের মধ্যে তাকে খুঁজলো। তারপর তারা বললো, তাকে পাচ্ছি না। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আবার যাও, অনুসন্ধান কর। আল্লাহর কসম, আমি মিথ্যা বলিনি, আমাকে মিথ্যা কথা বলাও হয়নি। অগত্যা লোকেরা ফিরে গেল ও আবার তাকে খুঁজলো। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু তা সত্ত্বেও বহুবার আগের কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। প্রতিবার কসম খেয়ে বললেন, আমি মিথ্যা বলিনি, আমাকে মিথ্যা বলাও হয়নি। তাই তারা তাকে খুঁজতে চলে গেল এবং কাদামাটির ভেতরে নিহতদের মধ্যে তাকে পেল। সেখান থেকে তাকে বের করে আলীর নিকট নেয়া হলো। আবুল ওযী বলেন, আমি যেন এখনো দেখতে পাচ্ছি, একজন হাবশী, যার দেহে একটি স্তন রয়েছে, নারীর স্তনের মত। তার উপর ইদুরের লেজের চুলের মত চুল রয়েছে, যা তার একখানা হাত ছেয়ে গেছে। [মুসনাদে আহমাদ : ১১২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1128 OK

(১১২৮)

হাদিস দেখুন [৩১:১১২৭] view_link


সহিহ হাদিস


হাদিস নং ১১১৮ দেখুন


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1129 OK

(১১২৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৭৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سَلَمَةَ وَالْمُجَالِدُ عَنِ الشَّعْبِيِّ أَنَّهُمَا سَمِعَاهُ يُحَدِّثُ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ حِينَ رَجَمَ الْمَرْأَةَ مِنْ أَهْلِ الْكُوفَةِ ضَرَبَهَا يَوْمَ الْخَمِيسِ وَرَجَمَهَا يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَقَالَ أَجْلِدُهَا بِكِتَابِ اللَّهِ وَأَرْجُمُهَا بِسُنَّةِ نَبِيِّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

কুফাবাসী এক মহিলাকে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু (ব্যভিচারের দায়ে) যখন পাথর মেরে হত্যা করলেন, তখন বৃহস্পতিবারে তাকে বেত্রাঘাত করলেন এবং শুক্রবারে পাথর মেরে হত্যা করলেন। তিনি বললেন, তাকে বেত্রাঘাত করছি আল্লাহর কিতাবের আদেশে আর পাথর মারছি আল্লাহর নবীর সুন্নাত অনুসারে। [মুসনাদে আহমাদ : ১১২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস