(৫) হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৫৩০-১৩০৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৭৭৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩২৯টি]



980 OK

(৯৮০)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৯২] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ التِّرْمِذِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عَاصِمٍ ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ الْقَوَارِيرِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ قَالَ الْقَوَارِيرِيُّ فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ أَبِي النَّجُودِ عَنْ زِرٍّ يَعْنِي ابْنَ حُبَيْشٍ عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا أَبُو بَكْرٍ ثُمَّ قَالَ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ أَبِي بَكْرٍ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

এই উম্মাতের নবীর পরে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি কে তা কি তোমাদেরকে জানাবো? তিনি হচ্ছেন আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, আর আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পরে কে শ্রেষ্ঠ তা কি জানাবো? তিনি হচ্ছেন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৮০]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



981 OK

(৯৮১)

হাদিস দেখুন [৩১:৯৭৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ أَنْبَأَنَا خَالِدٌ عَنْ عَطَاءٍ يَعْنِي ابْنَ السَّائِبِ عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَبُو بَكْرٍ ثُمَّ خَيْرُهَا بَعْدَ أَبِي بَكْرٍ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ثُمَّ يَجْعَلُ اللَّهُ الْخَيْرَ حَيْثُ أَحَبَّ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

এই উম্মাতের নবীর পর শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি কে জান? তিনি হচ্ছেন আবু বাকর। তারপর উমার। তারপর আল্লাহ যাকেই পছন্দ করবেন, শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি তৈরি করবেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



982 OK

(৯৮২)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৪০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ هَانِئِ بْنِ هَانِئٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَاءَ عَمَّارٌ فَاسْتَأْذَنَ فَقَالَ ائْذَنُوا لَهُ مَرْحَبًا بِالطَّيِّبِ الْمُطَيَّبِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বসেছিলাম। সহসা আম্মার রাদিয়াল্লাহু আনহু এলেন এবং ভেতরে আসার অনুমতি চাইলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওকে আসতে দাও। পবিত্র ও পবিত্রকৃত মানুষটাকে স্বাগতম। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



983 OK

(৯৮৩)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ ذِي حُدَّانَ حَدَّثَنِي مَنْ سَمِعَ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ سَمَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْحَرْبَ خَدْعَةً


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহ তা’আলা তাঁর নবীর মুখ দিয়ে যুদ্ধকে ধোঁকা নাম দিয়েছেন। (অর্থাৎ যুদ্ধে ধোঁকাবাজীর আশ্রয় নেয়া বৈধ।) [মুসনাদে আহমাদ : ৯৮৩]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



984 OK

(৯৮৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ هِشَامٍ أَخْبَرَنِي أَبِي أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ لِلْمِقْدَادِ سَلْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الرَّجُلِ يَدْنُو مِنْ الْمَرْأَةِ فَيُمْذِي فَإِنِّي أَسْتَحْيِي مِنْهُ لِأَنَّ ابْنَتَهُ عِنْدِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَغْسِلُ ذَكَرَهُ وَأُنْثَيَيْهِ وَيَتَوَضَّأُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু মিকদাদকে বললেন, যে পুরুষ নারীর কাছে ঘেঁষলেই তার মযি বের হয়, তার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা কর। আমার লজ্জা করছে কেননা, তাঁর মেয়ে আমার কাছে রয়েছে। অতঃপর যখন জিজ্ঞাসা করা হলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার পুরুষাংগ ও উভয় অণ্ডকোষ ধুয়ে ফেলবে ও ওযূ করবে। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



985 OK

(৯৮৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ مُسْلِمٍ عَنْ شُتَيْرِ بْنِ شَكَلٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الْأَحْزَابِ شَغَلُونَا عَنْ صَلَاةِ الْوُسْطَى صَلَاةِ الْعَصْرِ مَلَأَ اللَّهُ قُبُورَهُمْ وَبُيُوتَهُمْ نَارًا ثُمَّ صَلَّاهَا بَيْنَ الْعِشَاءَيْنِ بَيْنِ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহযাব (খন্দক) যুদ্ধের দিন বলেছিলেন, “ওরা (মুশরিক ও ইহুদীরা) আমাদের আছরের নামায পড়তে না দিয়ে যুদ্ধে লিপ্ত রেখেছে। আল্লাহ ওদের কবর ও বাড়িগুলোকে আগুন দিয়ে ভরে দিন।” তারপর তিনি মাগরিব ও ইশার মধ্যবর্তী সময় আছরের নামায পড়লেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



986 OK

(৯৮৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ مَا عِنْدَنَا شَيْءٌ إِلَّا كِتَابَ اللَّهِ تَعَالَى وَهَذِهِ الصَّحِيفَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةُ حَرَامٌ مَا بَيْنَ عَائِرٍ إِلَى ثَوْرٍ مَنْ أَحْدَثَ فِيهَا حَدَثًا أَوْ آوَى مُحْدِثًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لَا يُقْبَلُ مِنْهُ عَدْلٌ وَلَا صَرْفٌ وَقَالَ ذِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ فَمَنْ أَخْفَرَ مُسْلِمًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لَا يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ وَمَنْ تَوَلَّى قَوْمًا بِغَيْرِ إِذْنِ مَوَالِيهِ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لَا يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْهُ صَرْفًا وَلَا عَدْلًا


ইবরাহীম আত তাইমী তার পিতা থেকে বর্ণিতঃ

একদিন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ভাষণ দিলেন। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি দাবী করে, আমাদের নিকট আল্লাহর কিতাব ও এই পুস্তিকা (হাদীস) ছাড়া আর কিছু আছে, যা আমরা অধ্যয়ন করি, সে মিথ্যা বলে। এ পুস্তকে উটের দাঁত ও কিছু আঘাতের বিবরণ রয়েছে। এতে আরো রয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল ও মরুভূমির মধ্যবর্তী একটি সম্মানিত শহর। যে ব্যক্তি এখানে নতুন কোন নীতি উদ্ভাবন করবে বা নতুন নীতি উদ্ভাবনকারীকে প্রশ্রয় দেবে, তার ওপর আল্লাহ, ফেরেশতা ও মানব জাতি সকলের অভিসম্পাত। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার নিকট থেকে কোন বিনিময় বা প্রতিকার গ্রহণ করবেন না। আর যে ব্যক্তি নিজের পিতা ছাড়া অন্য কারো সাথে নিজের সম্পর্কের দাবী করে অথবা উত্তরাধিকারী ব্যতীত অন্য কাউকে উত্তরাধিকারী বানায়, তার ওপর আল্লাহ, ফেরেশতা ও মানবজাতি সকলের অভিসম্পাত। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার কাছ থেকে কোনো বদলা বা প্রতিকার গ্রহণ করবেন না। আর মুসলিমদের পক্ষ থেকে দেয়া সকল নিরাপত্তামূলক আশ্রয় একই রকম। তাদের মধ্য থেকে একজন নগন্য ব্যক্তিও যে কাউকে আশ্রয় দিতে পারে। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



987 OK

(৯৮৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৮৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنِ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا لَكَ تَنَوَّقُ فِي قُرَيْشٍ وَتَدَعُنَا قَالَ وَعِنْدَكُمْ شَيْءٌ قَالَ قُلْتُ نَعَمْ ابْنَةُ حَمْزَةَ قَالَ إِنَّهَا لَا تَحِلُّ لِي هِيَ ابْنَةُ أَخِي مِنْ الرَّضَاعَةِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনার কী হয়েছে, কুরাইশদের মধ্য থেকেই (স্ত্রী) বাছাই করেন এবং আমাদেরকে (বনু হাশিমকে) এড়িয়ে চলেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার কাছে কি কোন প্রস্তাব আছে? আমি বললামঃ অবশ্যই, হামযার মেয়ে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে আমার জন্য বৈধ নয়। সে আমার দুধ ভাইয়ের মেয়ে। (অর্থাৎ হামযা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুধ ভাই।) [মুসনাদে আহমাদ : ৯৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



988 OK

(৯৮৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৯৩৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ إِذَا حُدِّثْتُمْ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثًا فَظُنُّوا بِهِ الَّذِي هُوَ أَهْدَى وَالَّذِي هُوَ أَهْيَا وَالَّذِي هُوَ أَتْقَى


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

যখন তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন হাদীস শুনবে, তখন এরূপ বিশ্বাস পোষণ করবে যে, তিনি সেই নির্দেশই দিয়েছেন, যা সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ, সবচেয়ে সৎপথ প্রদর্শক এবং সবচেয়ে তাকওয়ায় পরিপূর্ণ। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



989 OK

(৯৮৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৯২] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ التِّرْمِذِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عَاصِمٍ ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ الْقَوَارِيرِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ قَالَ الْقَوَارِيرِيُّ فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ أَبِي النَّجُودِ عَنْ زِرٍّ يَعْنِي ابْنَ حُبَيْشٍ عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا أَبُو بَكْرٍ ثُمَّ قَالَ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ أَبِي بَكْرٍ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

এই উম্মাতের নবীর পরে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি কে তা কি তোমাদেরকে জানাবো? তিনি হচ্ছেন আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, আর আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পরে কে শ্রেষ্ঠ তা কি জানাবো? তিনি হচ্ছেন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৮৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



990 OK
View Quran

(৯৯০)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا مُطَّلِبُ بْنُ زِيَادٍ عَنِ السُّدِّيِّ عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ عَنْ عَلِيٍّ فِي قَوْلِهِ إِنَّمَا أَنْتَ مُنْذِرٌ وَلِكُلِّ قَوْمٍ هَادٍ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُنْذِرُ وَالْهَادِ رَجُلٌ مِنْ بَنِي هَاشِمٍ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

সূরা রা’দের إِنَّمَا أَنْتَ مُنْذِرٌ وَلِكُلِّ قَوْمٍ هَادٍ “তুমি তো কেবল সতর্ককারী, আর প্রত্যেক জাতির জন্যই একজন পথপ্রদর্শক রয়েছে” এ আয়াতাংশ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বনু হাশিম থেকে এক ব্যক্তি হবে সতর্ককারী ও পথপ্রদর্শক। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৯০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



991 OK

(৯৯১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ حَارِثَةَ بْنِ مُضَرِّبٍ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ لَمَّا حَضَرَ الْبَأْسُ يَوْمَ بَدْرٍ اتَّقَيْنَا بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ مِنْ أَشَدِّ النَّاسِ مَا كَانَ أَوْ لَمْ يَكُنْ أَحَدٌ أَقْرَبَ إِلَى الْمُشْرِكِينَ مِنْهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমরা বদরের দিন নিজেদের দিকে তাকালাম। আমরা সবাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আশ্রয় নিচ্ছিলাম। অথচ তিনি আমাদের মধ্যে শত্রুর সবচেয়ে নিকটে অবস্থান করছিলেন। সেদিন তিনি ছিলেন সবচেয়ে দুর্ধর্ষ বীরযোদ্ধা। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



992 OK

(৯৯২)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৭২] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا أَقُولُ نَهَاكُمْ عَنْ تَخَتُّمِ الذَّهَبِ وَعَنْ لُبْسِ الْقَسِّيِّ وَالْمُعَصْفَرِ وَقِرَاءَةِ الْقُرْآنِ وَأَنَا رَاكِعٌ وَكَسَانِي حُلَّةً مِنْ سِيَرَاءَ فَخَرَجْتُ فِيهَا فَقَالَ يَا عَلِيُّ إِنِّي لَمْ أَكْسُكَهَا لِتَلْبَسَهَا قَالَ فَرَجَعْتُ بِهَا إِلَى فَاطِمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا فَأَعْطَيْتُهَا نَاحِيَتَهَا فَأَخَذَتْ بِهَا لِتَطْوِيَهَا مَعِي فَشَقَّقْتُهَا بِثِنْتَيْنِ قَالَ فَقَالَتْ تَرِبَتْ يَدَاكَ يَا ابْنَ أَبِي طَالِبٍ مَاذَا صَنَعْتَ قَالَ فَقُلْتُ لَهَا نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ لُبْسِهَا فَالْبَسِي وَاكْسِي نِسَاءَكِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে স্বর্ণের আংটি, শক্ত ও মোটা কাপড়, হলুদ রং-এর কাপড় পরতে এবং রুকুতে কুরআন পড়তে নিষেধ করেছেন। আর আমাকে রেশম মিশ্রিত এক সেট পোশাক পরিয়ে দিলেন। পরে আমি সেই পোশাক পরে বের হলাম। তা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আলী, আমি ঐ পোশাকটি তোমাকে এ জন্য পরাইনি যে, তুমি স্থায়ীভাবে ওটা পরবে। তখন আমি ওটা নিয়ে ফাতিমার কাছে গেলাম। তাকে তার একটা অংশ দিলাম। ফাতিমা সেটি নিল যাতে, আমাকেসহ তা গায়ে জড়াতে পারে। তখন আমি তা ফেড়ে দু’টুকরো বানালাম। ফাতিমা বললো, এ কী করলে হে আবু তালিবের ছেলে? আমি বললাম- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এটা পরতে নিষেধ করেছেন। ওটা তুমি পর, আর তোমার মহিলাদেরকে পরাও। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৯২]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



993 OK

(৯৯৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৯৯২] view_link


হাসান হাদিস


হাদিস নং ৬৭২ দেখুন


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



994 OK

(৯৯৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৭২১] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ يَعْنِي ابْنَ أَبِي عَرُوبَةَ عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أَبِيعَ غُلَامَيْنِ أَخَوَيْنِ فَبِعْتُهُمَا وَفَرَّقْتُ بَيْنَهُمَا فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ أَدْرِكْهُمَا فَأَرْجِعْهُمَا وَلَا تَبِعْهُمَا إِلَّا جَمِيعًا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আদেশ দিলেন সহোদর দুই গোলামকে বিক্রি করে দিতে। আমি তাদেরকে আলাদাভাবে দু’জনের কাছে বিক্রি করলাম। অতঃপর এ খবর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানালাম। তিনি আমাকে বললেনঃ ওদেরকে খুঁজে বের কর ও ফেরত আন। তারপর দু’জনকে একই সাথে একই জায়গায় ব্যতীত বিক্রি করো না। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৯৪]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



995 OK

(৯৯৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৯২৪] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي حَيَّةَ بْنِ قَيْسٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ تَوَضَّأَ ثَلَاثًا ثَلَاثًا وَشَرِبَ فَضْلَ وَضُوئِهِ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

তিনি তিনবার করে সংশ্লিষ্ট অংগসমূহ ধুয়ে ওযূ করলেন এবং ওযূর উদ্বৃত্ত পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকমই করতে দেখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৯৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



996 OK

(৯৯৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৯৯] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ هِشَامٍ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ جُرَيِّ بْنِ كُلَيْبٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُضَحَّى بِعَضْبَاءِ الْقَرْنِ وَالْأُذُنِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কানকাটা ও শিং ভাঙ্গা জন্তু দিয়ে কুরবানী দিতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৯৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



997 OK

(৯৯৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৬৭] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي حَجَّاجُ بْنُ يُوسُفَ الشَّاعِرُ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ مُوسَى بْنِ سَالِمٍ أَبِي جَهْضَمٍ أَنَّ أَبَا جَعْفَرٍ حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ حَدَّثَهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَانِي عَنْ ثَلَاثَةٍ قَالَ فَمَا أَدْرِي لَهُ خَاصَّةً أَمْ لِلنَّاسِ عَامَّةً نَهَانِي عَنْ الْقَسِّيِّ وَالْمِيثَرَةِ وَأَنْ أَقْرَأَ وَأَنَا رَاكِعٌ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তিনটে কাজ করতে নিষেধ করেছেনঃ (বর্ণনাকারী বলেন, এ নিষেধাজ্ঞা শুধু তাঁর জন্য না। সবার জন্য তা আমি জানি না)। রেশমের জামা পরতে, রেশমে তৈরী জিন বা গদি ব্যবহার করতে এবং (নামাযে) রুকু’ অবস্থায় কুরআন পড়তে। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৯৭]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



998 OK

(৯৯৮)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ إِسْرَائِيلَ وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ أَنْبَأَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي حَيَّةَ الْوَادِعِيِّ قَالَ عَبْدُ الرَّزَّاقِ عَنْ أَبِي حَيَّةَ قَالَ رَأَيْتُ عَلِيًّا بَالَ فِي الرَّحَبَةِ وَدَعَا بِمَاءٍ فَتَوَضَّأَ فَغَسَلَ كَفَّيْهِ ثَلَاثًا وَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ ثَلَاثًا وَغَسَلَ وَجْهَهُ ثَلَاثًا وَغَسَلَ ذِرَاعَيْهِ ثَلَاثًا ثَلَاثًا وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ وَغَسَلَ قَدَمَيْهِ ثَلَاثًا ثَلَاثًا ثُمَّ قَامَ فَشَرِبَ مِنْ فَضْلِ وَضُوئِهِ ثُمَّ قَالَ إِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَ كَالَّذِي رَأَيْتُمُونِي فَعَلْتُ فَأَرَدْتُ أَنْ أُرِيَكُمُوهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আবু হাইয়া বলেন, একবার আমি হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে উঠানে পেশাব করতে দেখেছি, তারপর তিনি পানির জন্য ডাকলেন এবং প্রথমে উভয় হাত ধুয়ে পরিষ্কার করলেন, তারপর তিনি তিনবার, তিনবার নাকে পানি ঢেলে দিলেন তাঁর মুখমণ্ডল তিনবার, কনুইসহ উভয় হাত তিনবার ধৌত করলেন, মাথা মুছলেন এবং গোড়ালিসহ উভয় পা ধৌত করলেন এবং ওযুর অবশিষ্ট পানি গ্রহণ করলেন এবং দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পান করলেন এবং বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকমই করতে দেখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৯৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



999 OK

(৯৯৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৯২] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ التِّرْمِذِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عَاصِمٍ ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ الْقَوَارِيرِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ قَالَ الْقَوَارِيرِيُّ فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ أَبِي النَّجُودِ عَنْ زِرٍّ يَعْنِي ابْنَ حُبَيْشٍ عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا أَبُو بَكْرٍ ثُمَّ قَالَ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ أَبِي بَكْرٍ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

এই উম্মাতের নবীর পরে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি কে তা কি তোমাদেরকে জানাবো? তিনি হচ্ছেন আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, আর আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পরে কে শ্রেষ্ঠ তা কি জানাবো? তিনি হচ্ছেন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৯৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1000 OK

(১০০০)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৯২] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ التِّرْمِذِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عَاصِمٍ ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ الْقَوَارِيرِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ قَالَ الْقَوَارِيرِيُّ فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ أَبِي النَّجُودِ عَنْ زِرٍّ يَعْنِي ابْنَ حُبَيْشٍ عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا أَبُو بَكْرٍ ثُمَّ قَالَ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ أَبِي بَكْرٍ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

এই উম্মাতের নবীর পরে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি কে তা কি তোমাদেরকে জানাবো? তিনি হচ্ছেন আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, আর আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পরে কে শ্রেষ্ঠ তা কি জানাবো? তিনি হচ্ছেন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু। [মুসনাদে আহমাদ : ১০০০]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1001 OK

(১০০১)

হাদিস দেখুন [৩১:৭০৬] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ وَمِسْعَرٌ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هُرْمُزَ عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَثْنَ الْكَفَّيْنِ وَالْقَدَمَيْنِ ضَخْمَ الْكَرَادِيسِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বরকতময় মাথা ছিল লাল-সাদা এবং তাঁর দাড়ি ছিল ঘন, তাঁর হাড় ছিল অত্যন্ত মজবুত, তাঁর হাতের তালুদ্বয় ও পা দ্বয় হৃষ্ট-পুষ্ট ও গ্রন্থিগুলো মাংসে পূর্ণ ছিল এবং তাঁর চুলের লম্বা লাইন ছিল। সামান্য কোঁকড়ানো চুল ছিল, হাঁটতে হাঁটতে ছোট ছোট পদক্ষেপ নিতেন, মনে হতো যেন একটি গিরিখাত থেকে নেমে আসছেন, খুব লম্বা এবং খুব ছোট ছিল না, আমি তাঁর আগে বা পরে তাঁর মতো কাউকে দেখিনি। [মুসনাদে আহমাদ : ১০০১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1002 OK

(১০০২)

হাদিস দেখুন [৩১:৭৯২] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ التِّرْمِذِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عَاصِمٍ ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ الْقَوَارِيرِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ قَالَ الْقَوَارِيرِيُّ فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ أَبِي النَّجُودِ عَنْ زِرٍّ يَعْنِي ابْنَ حُبَيْشٍ عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا أَبُو بَكْرٍ ثُمَّ قَالَ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ أَبِي بَكْرٍ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

এই উম্মাতের নবীর পরে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি কে তা কি তোমাদেরকে জানাবো? তিনি হচ্ছেন আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, আর আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পরে কে শ্রেষ্ঠ তা কি জানাবো? তিনি হচ্ছেন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু। [মুসনাদে আহমাদ : ১০০২]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1003 OK

(১০০৩)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ حَدَّثَنَا مَرْوَانُ الْفَزَارِيُّ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ سَلْعٍ عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ قَالَ سَمِعْتُهُ يَقُولُ قَامَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى الْمِنْبَرِ فَذَكَرَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ قُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاسْتُخْلِفَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَعَمِلَ بِعَمَلِهِ وَسَارَ بِسِيرَتِهِ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَى ذَلِكَ ثُمَّ اسْتُخْلِفَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى ذَلِكَ فَعَمِلَ بِعَمَلِهِمَا وَسَارَ بِسِيرَتِهِمَا حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَى ذَلِكَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

একদিন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু মিম্বরে দাঁড়িয়ে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পর আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু খালীফা নিযুক্ত হলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুকরণে যাবতীয় কাজ করতেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুরূপ স্বভাব চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। তারপর আল্লাহ তাঁকে নিয়ে গেলেন। অতঃপর উমারকে খালীফা নিযুক্ত করা হলো। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবু বকরের পদাঙ্ক অনুসরণ করতেন এবং তাঁদের মতই স্বভাব চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। অবশেষে আল্লাহ উমারকে তুলে নিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১০০৩]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1004 OK

(১০০৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৭১৪] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَنْبَأَنَا شَرِيكُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ قَالَ رَأَيْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أُتِيَ بِدَابَّةٍ لِيَرْكَبَهَا فَلَمَّا وَضَعَ رِجْلَهُ فِي الرِّكَابِ قَالَ بِسْمِ اللَّهِ فَلَمَّا اسْتَوَى عَلَيْهَا قَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ ثُمَّ حَمِدَ اللَّهَ ثَلَاثًا وَكَبَّرَ ثَلَاثًا ثُمَّ قَالَ سُبْحَانَكَ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ قَدْ ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي ثُمَّ ضَحِكَ فَقُلْتُ مِمَّ ضَحِكْتَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَ مِثْلَ مَا فَعَلْتُ ثُمَّ ضَحِكَ فَقُلْتُ مِمَّ ضَحِكْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ يَعْجَبُ الرَّبُّ مِنْ عَبْدِهِ إِذَا قَالَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَيَقُولُ عَلِمَ عَبْدِي أَنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ غَيْرِي


আলী বিন রাবি’আ থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট একটি জন্তু আনা হলো, যার ওপর তিনি আরোহণ করবেন। তিনি যখন জিনে পা রাখলেন, বললেন, বিসমিল্লাহ। যখন উঠে বসলেন তখন বললেনঃ আলহামদুলিল্লাহ, সুবহানাল্লাজী সাখখারা লানা হাযা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরীনীন ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লা মুনকালিবুন। তারপর তিনবার আলহামদুলিল্লাহ ও তিন বার আল্লাহু আকবার বললেন। তারপর বললেনঃ সুবহানাকা লা-ইলাহা ইল্লা আনতা, কাদ যালামতু নাফছী ফাগাফির লী। তারপর হাসলেন। আলী বিন রাবি’আ বলেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে আমীরুল মুমিনীন, হাসলেন কেন? তিনি বললেনঃ আমি যা করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অদ্রপ করতে দেখেছি। তারপর তিনি হেসেছিলেন। আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, হাসলেন কেন? তিনি বললেনঃ আল্লাহ তাঁর বান্দাকে দেখে অবাক হন, যখন সে বলে, হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা কর এবং বলেনঃ আমার বান্দা জানে আমি ছাড়া কেউ গুনাহ মাফ করতে পারে না। [মুসনাদে আহমাদ : ১০০৪]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1005 OK

(১০০৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلِمَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ اشْتَكَيْتُ فَأَتَانِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا أَقُولُ اللَّهُمَّ إِنْ كَانَ أَجَلِي قَدْ حَضَرَ فَأَرِحْنِي وَإِنْ كَانَ مُتَأَخِّرًا فَاشْفِنِي أَوْ عَافِنِي وَإِنْ كَانَ بَلَاءً فَصَبِّرْنِي فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَيْفَ قُلْتَ قَالَ فَأَعَدْتُ عَلَيْهِ قَالَ فَمَسَحَ بِيَدِهِ ثُمَّ قَالَ اللَّهُمَّ اشْفِهِ أَوْ عَافِهِ قَالَ فَمَا اشْتَكَيْتُ وَجَعِي ذَاكَ بَعْدُ


হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, আমি তখন অসুস্থ ছিলাম এবং দোয়া করছিলাম যে, হে আল্লাহ ! যদি আমার মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে আসে, তবে আমাকে এই রোগ থেকে মুক্তি দিন এবং আমাকে আপনার কাছে ডাকুন। যদি আমি এই অবস্থায় থাকি তবে আমাকে আরোগ্য দান করুন। যদি কোন পরীক্ষা হয় তবে আমাকে ধৈর্য দান করুন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তুমি কি বলছো?” আমি আমার কথার পুনরাবৃত্তি করলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার গায়ে হাত রেখে দোয়া করলেন, “হে আল্লাহ! তাকে সুস্থতা ও আরোগ্য দান করুন।” হযরত আলী (রা.) বলেন, এর পর আমার আর কোনো কষ্ট হয়নি।
[মুসনাদে আহমাদ : ১০০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1006 OK

(১০০৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৭২৩] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ وَشُعْبَةُ وَإِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ هُبَيْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُوقِظُ أَهْلَهُ فِي الْعَشْرِ الْأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানের শেষ দশ দিনে তার পরিবার পরিজনকে রাতে জাগাতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১০০৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1007 OK

(১০০৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১০০৩] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ حَدَّثَنَا مَرْوَانُ الْفَزَارِيُّ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ سَلْعٍ عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ قَالَ سَمِعْتُهُ يَقُولُ قَامَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى الْمِنْبَرِ فَذَكَرَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ قُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاسْتُخْلِفَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَعَمِلَ بِعَمَلِهِ وَسَارَ بِسِيرَتِهِ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَى ذَلِكَ ثُمَّ اسْتُخْلِفَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى ذَلِكَ فَعَمِلَ بِعَمَلِهِمَا وَسَارَ بِسِيرَتِهِمَا حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَى ذَلِكَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

একদিন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু মিম্বরে দাঁড়িয়ে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পর আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু খালীফা নিযুক্ত হলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুকরণে যাবতীয় কাজ করতেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুরূপ স্বভাব চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। তারপর আল্লাহ তাঁকে নিয়ে গেলেন। অতঃপর উমারকে খালীফা নিযুক্ত করা হলো। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবু বকরের পদাঙ্ক অনুসরণ করতেন এবং তাঁদের মতই স্বভাব চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। অবশেষে আল্লাহ উমারকে তুলে নিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১০০৭]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1008 OK

(১০০৮)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى رَحْمَوَيْهِ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ مُجَاشِعٍ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ عَلَى الْمِنْبَرِ خَيْرُ هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ وَلَوْ شِئْتُ أَنْ أُسَمِّيَ الثَّالِثَ لَسَمَّيْتُهُ فَقَالَ رَجُلٌ لِأَبِي إِسْحَاقَ إِنَّهُمْ يَقُولُونَ إِنَّكَ تَقُولُ أَفْضَلُ فِي الشَّرِّ فَقَالَ أَحَرُورِيٌّ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

এই উম্মাতের নবীর পরে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি কে তা কি তোমাদেরকে জানাবো? তিনি হচ্ছেন আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, আর আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পরে কে শ্রেষ্ঠ তা কি জানাবো? তিনি হচ্ছেন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং আমি চাইলে তৃতীয় ব্যক্তির নাম বলতে পারি। [মুসনাদে আহমাদ : ১০০৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1009 OK

(১০০৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৭৫] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ شُرَيْحِ بْنِ النُّعْمَانِ الْهَمْدَانِيِّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُضَحَّى بِالْمُقَابَلَةِ أَوْ بِمُدَابَرَةٍ أَوْ شَرْقَاءَ أَوْ خَرْقَاءَ أَوْ جَدْعَاءَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর পশুকে সামনে থেকে বা পেছনে থেকে যাবাই করতে, কান কাটা, নাক কাটা বা একেবারেই অকর্মন্য অঙ্গ বিশিষ্ট পশু যবাই করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১০০৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস