(৫) হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৫৩০-১৩০৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৭৭৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩৮৯টি]



920 OK

(৯২০)

হাদিস দেখুন [৩১:৭১০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنْ الْحَجَّاجِ عَنِ الْحَكَمِ عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَيْمِرَةَ عَنْ شُرَيْحِ بْنِ هَانِئٍ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا عَنْ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ فَقَالَتْ سَلْ عَلِيًّا فَإِنَّهُ أَعْلَمُ بِهَذَا مِنِّي كَانَ يُسَافِرُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فَسَأَلْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلْمُسَافِرِ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ وَلَيَالِيهِنَّ وَلِلْمُقِيمِ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنِ الْحَجَّاجِ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِثْلِهِ


শুরাইহ ইবনে হানী থেকে বর্ণিতঃ

আমি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহু কে মোজার ওপর মাসিহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ আলীকে জিজ্ঞাসা কর। তিনি এ বিষয়ে আমার চেয়ে বেশী জানেন। (কারণ) তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে (প্রায়ই) সফর করতেন। অতঃপর আমি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসাফির তিন দিন তিন রাত এবং মুকীম এক দিন ও এক রাত মোজার ওপর মাসিহ করবে। [মুসনাদে আহমাদ : ৯২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



921 OK

(৯২১)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيُّ عَنْ عَطَاءٍ مَوْلَى أُمِّ صُبَيَّةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ وَلَأَخَّرْتُ عِشَاءَ الْآخِرَةِ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ الْأَوَّلِ فَإِنَّهُ إِذَا مَضَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الْأَوَّلُ هَبَطَ اللَّهُ تَعَالَى إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا فَلَمْ يَزَلْ هُنَاكَ حَتَّى يَطْلُعَ الْفَجْرُ فَيَقُولَ قَائِلٌ أَلَا سَائِلٌ يُعْطَى أَلَا دَاعٍ يُجَابُ أَلَا سَقِيمٌ يَسْتَشْفِي فَيُشْفَى أَلَا مُذْنِبٌ يَسْتَغْفِرُ فَيُغْفَرَ لَهُ حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي عَمِّي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَسَارٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ


আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “আমার উম্মাতের জন্যে আমি যদি কঠিন মনে না করতাম, তবে আমি তাদেরকে প্রত্যেক নামাযের আগে মিসওয়াক করার আদেশ দিতাম এবং ইশার নামাযকে রাতের প্রথম এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্বিত করাতাম। কেননা রাতের প্রথম এক-তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হওয়ার পর আল্লাহ তাআলা সর্বনিম্ন আকাশে নেমে আসেন এবং ফজর পর্যন্ত সেখানে থাকেন। তখন একজন ঘোষক ঘোষণা করে, ‘কোনো প্রার্থনাকারী আছে কি, যাকে দেয়া হবে। কোনো দুআকারী আছে কি, যার দুআ কবুল করা হবে, কোনো রোগী আছে কি, যে রোগ নিরাময় চায়, তাহলে তার রোগ নিরাময় করা হবে। কোনো গুনাহগার ব্যক্তি আছে কি যে ক্ষমাপ্রাথী, তার গুনাহ মাফ করা হবে’?” [মুসনাদে আহমাদ : ৯২১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



922 OK

(৯২২)

হাদিস দেখুন [৩১:৬১৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ الْوَتْرُ لَيْسَ بِحَتْمٍ مِثْلَ الصَّلَاةِ وَلَكِنَّهُ سُنَّةٌ سَنَّهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

বিতর ফরয নামাযের মত বাধ্যতামূলক নয়। তবে এটা সুন্নাত- যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চালু করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৯২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



923 OK

(৯২৩)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ الْأَشْجَعِيِّ حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ سُفْيَانَ عَنِ السُّدِّيِّ عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ دَعَا بِكُوزٍ مِنْ مَاءٍ ثُمَّ قَالَ أَيْنَ هَؤُلَاءِ الَّذِينَ يَزْعُمُونَ أَنَّهُمْ يَكْرَهُونَ الشُّرْبَ قَائِمًا قَالَ فَأَخَذَهُ فَشَرِبَ وَهُوَ قَائِمٌ ثُمَّ تَوَضَّأَ وُضُوءًا خَفِيفًا وَمَسَحَ عَلَى نَعْلَيْهِ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا وُضُوءُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلطَّاهِرِ مَا لَمْ يُحْدِثْ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

একদা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এক পাত্র পানি আনতে বললেন। তারপর বললেন যারা দাবি করে যে, তারা দাঁড়িয়ে পান করা অপছন্দ করে তারা কোথায়? তারপর তিনি পানির পাত্রটি ধরলেন ও দাঁড়িয়ে পানি পান করলেন। অতঃপর হালকাভাবে ওযূ করলেন এবং তার উভয় পাদুকার উপর মাসেহ করলেন। অতঃপর বললেন, এরূপই ছিলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওযূ। যার ওযূ ভংগ হয়নি তার ওযূ এ রকম। [মুসনাদে আহমাদ : ৯২৩]


[আবু দাউদ-১১৬, ইবনু মাজাহ ৪৩৬, ৪৫৬, তিরমিযী ৪৪, ৪৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



924 OK

(৯২৪)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي حَيَّةَ بْنِ قَيْسٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ تَوَضَّأَ ثَلَاثًا ثَلَاثًا وَشَرِبَ فَضْلَ وَضُوئِهِ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

তিনি তিনবার করে সংশ্লিষ্ট অংগসমূহ ধুয়ে ওযূ করলেন এবং ওযূর উদ্বৃত্ত পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকমই করতে দেখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৯২৪]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



925 OK

(৯২৫)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عِيسَى عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا عَطَسَ أَحَدُكُمْ فَلْيَقُلْ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَلْيَقُلْ مَنْ حَوْلَهُ يَرْحَمُكَ اللَّهُ وَلْيَقُلْ هُوَ يَهْدِيكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো যখন হাঁচি হয়, তখন তার বলা উচিত “আলহামদু লিল্লাহি আলা কুল্লি হাল” (সর্বাবস্থায় আল্লাহর প্রশংসা) আর তার আশপাশের লোকদের বলা উচিত, ইয়ারহামুকাল্লাহ, (আল্লাহ তোমার উপর দয়া করুন) আর তার জবাবে হাঁচি দাতার বলা উচিত, “ইয়াহদিকুমুল্লাহু ওয়া ইউসলিহু বালাকুম” (আল্লাহ তোমাদের সুপথ প্রদর্শন করুন এবং তোমাদের মনের সংশোধন করুন)। [মুসনাদে আহমাদ : ৯২৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



926 OK

(৯২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৯২৫] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عِيسَى عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا عَطَسَ أَحَدُكُمْ فَلْيَقُلْ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَلْيَقُلْ مَنْ حَوْلَهُ يَرْحَمُكَ اللَّهُ وَلْيَقُلْ هُوَ يَهْدِيكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো যখন হাঁচি হয়, তখন তার বলা উচিত “আলহামদু লিল্লাহি আলা কুল্লি হাল” (সর্বাবস্থায় আল্লাহর প্রশংসা) আর তার আশপাশের লোকদের বলা উচিত, ইয়ারহামুকাল্লাহ, (আল্লাহ তোমার উপর দয়া করুন) আর তার জবাবে হাঁচি দাতার বলা উচিত, “ইয়াহদিকুমুল্লাহু ওয়া ইউসলিহু বালাকুম” (আল্লাহ তোমাদের সুপথ প্রদর্শন করুন এবং তোমাদের মনের সংশোধন করুন)। [মুসনাদে আহমাদ : ৯২৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



927 OK

(৯২৭)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا غَسَّانُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْرَائِيلَ عَنِ السُّدِّيِّ عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَنَحْنُ فِي الْمَسْجِدِ فَقَالَ أَيْنَ السَّائِلُ عَنْ الْوَتْرِ فَمَنْ كَانَ مِنَّا فِي رَكْعَةٍ شَفَعَ إِلَيْهَا أُخْرَى حَتَّى اجْتَمَعْنَا إِلَيْهِ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُوتِرُ فِي أَوَّلِ اللَّيْلِ ثُمَّ أَوْتَرَ فِي وَسَطِهِ ثُمَّ أَثْبَتَ الْوَتْرَ فِي هَذِهِ السَّاعَةِ قَالَ وَذَلِكَ عِنْدَ طُلُوعِ الْفَجْرِ


আবদু খায়র থেকে বর্ণিতঃ

আমরা তখন মসজিদে। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের সামনে বের হয়ে এলেন। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি বিতর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছিল সে কোথায়? এ সময় আমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এক রাকায়াত পড়েছে, সে তার সাথে আরো এক রাকায়াত পড়লো। অবশেষে আমরা তার কাছে সমবেত হলাম। তখন তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের প্রথমভাগে বিতর পড়তেন। তারপর মধ্য রাতে পড়তেন, তারপর রাতের এ অংশে স্থায়ীভাবে পড়তে থাকেন। এ সময়টা ছিল ফজরের পূর্বক্ষণ। [মুসনাদে আহমাদ : ৯২৭]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



928 OK

(৯২৮)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَافِعٍ قَالَ عَادَ أَبُو مُوسَى الْأَشْعَرِيُّ الْحَسَنَ بْنَ عَلِيٍّ فَقَالَ لَهُ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَعَائِدًا جِئْتَ أَمْ زَائِرًا فَقَالَ أَبُو مُوسَى بَلْ جِئْتُ عَائِدًا فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ عَادَ مَرِيضًا بَكَرًا شَيَّعَهُ سَبْعُونَ أَلْفَ مَلَكٍ كُلُّهُمْ يَسْتَغْفِرُ لَهُ حَتَّى يُمْسِيَ وَكَانَ لَهُ خَرِيفٌ فِي الْجَنَّةِ وَإِنْ عَادَهُ مَسَاءً شَيَّعَهُ سَبْعُونَ أَلْفَ مَلَكٍ كُلُّهُمْ يَسْتَغْفِرُ لَهُ حَتَّى يُصْبِحَ وَكَانَ لَهُ خَرِيفٌ فِي الْجَنَّةِ


আবু মূসা আল আশয়ারী থেকে বর্ণিতঃ

আবু মূসা আল আশয়ারী হাসানকে তাঁর রুগ্নাবস্থায় দেখতে এলেন। তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বললেন, আপনি কি তাকে দেখতে এসেছেন না বেড়াতে এসেছেন? আবু মূসা বললেন, বরং আমি হাসানকে দেখতে এসেছি। তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কোন রোগীকে সকাল বেলা দেখতে আসে, তাঁর পিছু পিছু সত্তর হাজার ফেরেশতা আসে, সকলেই তার জন্য সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্ষমা চাইতে থাকে। আর জন্নাতে তাঁর জন্য পাকা খেজুরে পরিপূর্ণ একটা খেজুর গাছ থাকবে। আর সে যদি সন্ধ্যাবেলা তাকে দেখতে আসে, তার পিছু পিছু সত্তর হাজার ফেরেশতা আসে, সকলেই তার জন্য সকাল পর্যন্ত ক্ষমা চাইতে থাকে। আর জান্নাতে তার জন্য পাকা খেজুরে পরিপূর্ণ একটা খেজুর গাছ থাকবে। [মুসনাদে আহমাদ : ৯২৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



929 OK

(৯২৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৯২৮] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَافِعٍ قَالَ عَادَ أَبُو مُوسَى الْأَشْعَرِيُّ الْحَسَنَ بْنَ عَلِيٍّ فَقَالَ لَهُ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَعَائِدًا جِئْتَ أَمْ زَائِرًا فَقَالَ أَبُو مُوسَى بَلْ جِئْتُ عَائِدًا فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ عَادَ مَرِيضًا بَكَرًا شَيَّعَهُ سَبْعُونَ أَلْفَ مَلَكٍ كُلُّهُمْ يَسْتَغْفِرُ لَهُ حَتَّى يُمْسِيَ وَكَانَ لَهُ خَرِيفٌ فِي الْجَنَّةِ وَإِنْ عَادَهُ مَسَاءً شَيَّعَهُ سَبْعُونَ أَلْفَ مَلَكٍ كُلُّهُمْ يَسْتَغْفِرُ لَهُ حَتَّى يُصْبِحَ وَكَانَ لَهُ خَرِيفٌ فِي الْجَنَّةِ


আবু মূসা আল আশয়ারী থেকে বর্ণিতঃ

আবু মূসা আল আশয়ারী হাসানকে তাঁর রুগ্নাবস্থায় দেখতে এলেন। তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বললেন, আপনি কি তাকে দেখতে এসেছেন না বেড়াতে এসেছেন? আবু মূসা বললেন, বরং আমি হাসানকে দেখতে এসেছি। তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কোন রোগীকে সকাল বেলা দেখতে আসে, তাঁর পিছু পিছু সত্তর হাজার ফেরেশতা আসে, সকলেই তার জন্য সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্ষমা চাইতে থাকে। আর জন্নাতে তাঁর জন্য পাকা খেজুরে পরিপূর্ণ একটা খেজুর গাছ থাকবে। আর সে যদি সন্ধ্যাবেলা তাকে দেখতে আসে, তার পিছু পিছু সত্তর হাজার ফেরেশতা আসে, সকলেই তার জন্য সকাল পর্যন্ত ক্ষমা চাইতে থাকে। আর জান্নাতে তার জন্য পাকা খেজুরে পরিপূর্ণ একটা খেজুর গাছ থাকবে। [মুসনাদে আহমাদ : ৯২৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



930 OK

(৯৩০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا شَيْبَانُ أَبُو مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ يَعْنِي أَبَا زَيْدٍ الْقَسْمَلِيَّ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كُنْتُ رَجُلًا مَذَّاءً فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ فِي الْمَذْيِ الْوُضُوءُ وَفِي الْمَنِيِّ الْغُسْلُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমার ঘন ঘন মযি বের হতো। তাই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (মিকদাদের মাধ্যমে) এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, মনি (বীর্য) বের হলে গোসল করতে হয়। আর মযি বের হলে ওযূ করতে হয়। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



931 OK

(৯৩১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ مُجَالِدٍ حَدَّثَنَا عَامِرٌ قَالَ كَانَ لِشَرَاحَةَ زَوْجٌ غَائِبٌ بِالشَّامِ وَإِنَّهَا حَمَلَتْ فَجَاءَ بِهَا مَوْلَاهَا إِلَى عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ إِنَّ هَذِهِ زَنَتْ فَاعْتَرَفَتْ فَجَلَدَهَا يَوْمَ الْخَمِيسِ مِائَةً وَرَجَمَهَا يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَحَفَرَ لَهَا إِلَى السُّرَّةِ وَأَنَا شَاهِدٌ ثُمَّ قَالَ إِنَّ الرَّجْمَ سُنَّةٌ سَنَّهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَوْ كَانَ شَهِدَ عَلَى هَذِهِ أَحَدٌ لَكَانَ أَوَّلَ مَنْ يَرْمِي الشَّاهِدُ يَشْهَدُ ثُمَّ يُتْبِعُ شَهَادَتَهُ حَجَرَهُ وَلَكِنَّهَا أَقَرَّتْ فَأَنَا أَوَّلُ مَنْ رَمَاهَا فَرَمَاهَا بِحَجَرٍ ثُمَّ رَمَى النَّاسُ وَأَنَا فِيهِمْ قَالَ فَكُنْتُ وَاللَّهِ فِيمَنْ قَتَلَهَا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমির বলেন, শিরাহা নামক এক মহিলার স্বামী তার সাথে উপস্থিত ছিল না, সে সিরিয়ায় ব্যভিচার করেছিল, এই মহিলাও স্বীকার করেছেন, হযরত আলী (রা.) প্রথমে তাকে বৃহস্পতিবারে পঞ্চাশটি বেত্রাঘাত করেছিলেন, তারপর শুক্রবারে পাথর মেরে হত্যা করলেন। তার উপর দিয়ে তার নাভি পর্যন্ত একটি গর্ত খনন করলাম, আমিও সেই সময় উপস্থিত ছিলাম। অতঃপর হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, পাথর ছুড়ে মারা রাসূল (সাঃ) এর সুন্নত, যদি কোন সাক্ষীর সাক্ষ্য দিয়ে তার অপরাধ প্রমাণিত হতো তাহলে তিনি তাকে পাথর মারতে শুরু করতেন কারণ সাক্ষী প্রথমে সাক্ষ্য দেয় তারপর তাকে পাথর মেরেছে তার স্বীকারোক্তি দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে, এখন আমি প্রথমে তাকে পাথর মারব, তাই হযরত আলী (রা.) এটি শুরু করলেন, পরে আমিসহ লোকে তাকে পাথর মারতে শুরু করলো! আমি তাদের মধ্যে ছিলাম যারা এই মহিলাকে আল্লাহর কাছে পাঠিয়েছে। তিনি বললেন, তাকে বেত্রাঘাত করছি আল্লাহর কিতাবের আদেশে আর পাথর মারছি আল্লাহর নবীর সুন্নাত অনুসারে। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



932 OK

(৯৩২)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ أَنْبَأَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَمِّهِ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَسُئِلَ يَرْكَبُ الرَّجُلُ هَدْيَهُ فَقَالَ لَا بَأْسَ بِهِ قَدْ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمُرُّ بِالرِّجَالِ يَمْشُونَ فَيَأْمُرُهُمْ يَرْكَبُونَ هَدْيَهُ وَهَدْيَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ وَلَا تَتَّبِعُونَ شَيْئًا أَفْضَلَ مِنْ سُنَّةِ نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কে জিজ্ঞাসা করা হলো, কেউ তার কুরবানীর জন্তুর পিঠে আরোহন করলে তা কেমন হয়? তিনি বললেন, কোন ক্ষতি নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেঁটে চলা লোকদের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় তাদেরকে তাদের কুরবানীর জন্তুর পিঠের উপর আরোহণ করার আদেশ দিতেন। ফলে প্রত্যেকে নিজ নিজ কুরবানীর জন্তু ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কুরবানীর জন্তুর পিঠে আরোহণ করতো। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তোমাদের নবীর সুন্নাতের চেয়ে উত্তম কোন জিনিস তোমরা অনুকরণের জন্য পাবে না। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৩২]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



933 OK

(৯৩৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৬০১] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ مُجَالِدٍ حَدَّثَنِي عَامِرٌ عَنْ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَشَرَةً آكِلَ الرِّبَا وَمُوكِلَهُ وَكَاتِبَهُ وَشَاهِدَيْهِ وَالْحَالَّ وَالْمُحَلَّلَ لَهُ وَمَانِعَ الصَّدَقَةِ وَالْوَاشِمَةَ وَالْمُسْتَوْشِمَةَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

দশ ব্যক্তিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিশাপ দিয়েছেন, সুদখোর, সুদদাতা, সুদ সংক্রান্ত বিষয়ের লেখক, সুদের দুইজন সাক্ষী, হিল্লাকারী, যার জন্যে হিল্লা করা হয়, যে ব্যক্তি যাকাত দেয় না, উল্কি অঙ্কনকারী, যে উল্কি করায়। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৩৩]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



934 OK

(৯৩৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَنْبَأَنَا هِشَامٌ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبِيدَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ نُهِيَ عَنْ مَيَاثِرِ الْأُرْجُوَانِ وَلُبْسِ الْقَسِّيِّ وَخَاتَمِ الذَّهَبِ قَالَ مُحَمَّدٌ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِأَخِي يَحْيَى بْنِ سِيرِينَ فَقَالَ أَوَلَمْ تَسْمَعْ هَذَا نَعَمْ وَكِفَافِ الدِّيبَاجِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

লাল রং-এর জিন বা গদি ব্যবহার করা, রেশমী কাপড় পরিধান করা ও স্বর্ণের আংটি পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ হাদীসের বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ বলেন, আমার ভাই ইয়াহইয়া ইবনে সিরীনের কাছে যখন এ হাদীস তুলে ধরলাম, তখন তিনি বললেন, আর এ কথাও কি তুমি শোননি যে, রেশমী কাপড়ের পাড় লাগানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে? [মুসনাদে আহমাদ : ৯৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



935 OK

(৯৩৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৯২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبِيدَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ ذُكِرَ الْخَوَارِجُ فَقَالَ فِيهِمْ مُخْدَجُ الْيَدِ أَوْ مُودَنُ الْيَدِ أَوْ مُثَدَّنُ الْيَدِ لَوْلَا أَنْ تَبْطَرُوا لَحَدَّثْتُكُمْ بِمَا وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ يَقْتُلُونَهُمْ عَلَى لِسَانِ مُحَمَّدٍ قُلْتُ أَنْتَ سَمِعْتَهُ مِنْ مُحَمَّدٍ قَالَ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

একবার আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর উপস্থিতিতে খারিজীদের (বিদ্রোহী গোষ্ঠী) প্রসঙ্গ আলোচিত হলো। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তাদের মধ্যে একজনের হাত জন্মগতভাবে অসম্পূর্ণ। তোমরা অহঙ্কারী হয়ে যাবে এই আশঙ্কা যদি না থাকতো, তবে আমি তোমাদেরকে জানাতাম, যারা তাদেরকে হত্যা করবে তাদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ দিয়ে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সে সম্পর্কে। আবিদা বললেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ থেকে এ কথা শুনেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, কাবার প্রভুর শপথ, হ্যাঁ, কা’বার প্রভুর শপথ, হ্যাঁ, কা’বার প্রভুর শপথ! [মুসনাদে আহমাদ : ৯৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



936 OK

(৯৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৯২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبِيدَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ ذُكِرَ الْخَوَارِجُ فَقَالَ فِيهِمْ مُخْدَجُ الْيَدِ أَوْ مُودَنُ الْيَدِ أَوْ مُثَدَّنُ الْيَدِ لَوْلَا أَنْ تَبْطَرُوا لَحَدَّثْتُكُمْ بِمَا وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ يَقْتُلُونَهُمْ عَلَى لِسَانِ مُحَمَّدٍ قُلْتُ أَنْتَ سَمِعْتَهُ مِنْ مُحَمَّدٍ قَالَ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

একবার আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর উপস্থিতিতে খারিজীদের (বিদ্রোহী গোষ্ঠী) প্রসঙ্গ আলোচিত হলো। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তাদের মধ্যে একজনের হাত জন্মগতভাবে অসম্পূর্ণ। তোমরা অহঙ্কারী হয়ে যাবে এই আশঙ্কা যদি না থাকতো, তবে আমি তোমাদেরকে জানাতাম, যারা তাদেরকে হত্যা করবে তাদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ দিয়ে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সে সম্পর্কে। আবিদা বললেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ থেকে এ কথা শুনেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, কাবার প্রভুর শপথ, হ্যাঁ, কা’বার প্রভুর শপথ, হ্যাঁ, কা’বার প্রভুর শপথ! [মুসনাদে আহমাদ : ৯৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



937 OK

(৯৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৭৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ عَفَوْتُ لَكُمْ عَنْ الْخَيْلِ وَالرَّقِيقِ فَهَاتُوا صَدَقَةَ الرِّقَّةِ مِنْ كُلِّ أَرْبَعِينَ دِرْهَمًا دِرْهَمًا وَلَيْسَ فِي تِسْعِينَ وَمِائَةٍ شَيْءٌ فَإِذَا بَلَغَتْ مِائَتَيْنِ فَفِيهَا خَمْسَةُ دَرَاهِمَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঘোড়া ও দাসদাসীর যাকাত থেকে আমি তোমাদেরকে অব্যাহতি দিয়েছি। তবে তোমরা রৌপ্য মুদ্রার যাকাত দাও। প্রত্যেক চল্লিশ দিরহাম থেকে এক দিরহাম। একশো নব্বই দিরহামে কিছু নয়। দুইশো হলে তাতে পাঁচ দিরহাম যাকাত। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



938 OK

(৯৩৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ إِذَا حُدِّثْتُمْ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثًا فَظُنُّوا بِهِ الَّذِي هُوَ أَهْدَى وَالَّذِي هُوَ أَهْيَا وَالَّذِي هُوَ أَتْقَى


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

যখন তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন হাদীস শুনবে, তখন এরূপ বিশ্বাস পোষণ করবে যে, তিনি সেই নির্দেশই দিয়েছেন, যা সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ, সবচেয়ে সৎপথ প্রদর্শক এবং সবচেয়ে তাকওয়ায় পরিপূর্ণ। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



939 OK

(৯৩৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৯৩৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ إِذَا حُدِّثْتُمْ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثًا فَظُنُّوا بِهِ الَّذِي هُوَ أَهْدَى وَالَّذِي هُوَ أَهْيَا وَالَّذِي هُوَ أَتْقَى


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

যখন তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন হাদীস শুনবে, তখন এরূপ বিশ্বাস পোষণ করবে যে, তিনি সেই নির্দেশই দিয়েছেন, যা সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ, সবচেয়ে সৎপথ প্রদর্শক এবং সবচেয়ে তাকওয়ায় পরিপূর্ণ। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



940 OK

(৯৪০)

হাদিস দেখুন [৩১:৯৩৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ إِذَا حُدِّثْتُمْ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثًا فَظُنُّوا بِهِ الَّذِي هُوَ أَهْدَى وَالَّذِي هُوَ أَهْيَا وَالَّذِي هُوَ أَتْقَى


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

যখন তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন হাদীস শুনবে, তখন এরূপ বিশ্বাস পোষণ করবে যে, তিনি সেই নির্দেশই দিয়েছেন, যা সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ, সবচেয়ে সৎপথ প্রদর্শক এবং সবচেয়ে তাকওয়ায় পরিপূর্ণ। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



941 OK

(৯৪১)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৯২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبِيدَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ ذُكِرَ الْخَوَارِجُ فَقَالَ فِيهِمْ مُخْدَجُ الْيَدِ أَوْ مُودَنُ الْيَدِ أَوْ مُثَدَّنُ الْيَدِ لَوْلَا أَنْ تَبْطَرُوا لَحَدَّثْتُكُمْ بِمَا وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ يَقْتُلُونَهُمْ عَلَى لِسَانِ مُحَمَّدٍ قُلْتُ أَنْتَ سَمِعْتَهُ مِنْ مُحَمَّدٍ قَالَ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

একবার আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর উপস্থিতিতে খারিজীদের (বিদ্রোহী গোষ্ঠী) প্রসঙ্গ আলোচিত হলো। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তাদের মধ্যে একজনের হাত জন্মগতভাবে অসম্পূর্ণ। তোমরা অহঙ্কারী হয়ে যাবে এই আশঙ্কা যদি না থাকতো, তবে আমি তোমাদেরকে জানাতাম, যারা তাদেরকে হত্যা করবে তাদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ দিয়ে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সে সম্পর্কে। আবিদা বললেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ থেকে এ কথা শুনেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, কাবার প্রভুর শপথ, হ্যাঁ, কা’বার প্রভুর শপথ, হ্যাঁ, কা’বার প্রভুর শপথ! [মুসনাদে আহমাদ : ৯৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



942 OK

(৯৪২)

হাদিস দেখুন [৩১:৮৩৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مَرْوَانُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ سَلْعٍ الْهَمْدَانِيُّ عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ قَالَ عَلَّمَنَا عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وُضُوءَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَصَبَّ الْغُلَامُ عَلَى يَدَيْهِ حَتَّى أَنْقَاهُمَا ثُمَّ أَدَخَلَ يَدَهُ فِي الرَّكْوَةِ فَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ وَغَسَلَ وَجْهَهُ ثَلَاثًا ثَلَاثًا وَذِرَاعَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ ثَلَاثًا ثَلَاثًا ثُمَّ أَدْخَلَ يَدَهُ فِي الرَّكْوَةِ فَغَمَرَ أَسْفَلَهَا بِيَدِهِ ثُمَّ أَخْرَجَهَا فَمَسَحَ بِهَا الْأُخْرَى ثُمَّ مَسَحَ بِكَفَّيْهِ رَأْسَهُ مَرَّةً ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَيْهِ إِلَى الْكَعْبَيْنِ ثَلَاثًا ثَلَاثًا ثُمَّ اغْتَرَفَ هُنَيَّةً مِنْ مَاءٍ بِكَفِّهِ فَشَرِبَهُ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ


আবদ খায়র থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওযূ শিখিয়েছিলেন। এক যুবক তার হাতে পানি ঢেলে দিল এবং তা দিয়ে তিনি হাত পরিষ্কার করলেন। তারপর তিনি হাত ঢুকিয়ে দিলেন বালতিতে। তারপর কুলি করলেন। নাকে পানি দিলেন। মুখ ধুলেন তিনবার করে। কনুই পর্যন্ত দু’হাত ধুলেন তিনবার করে। পুনরায় বালতিতে হাত ঢুকালেন, হাত পাত্রের নিচ পর্যন্ত ডুবালেন, তারপর হাত উঠালেন এবং তা দ্বারা অন্য হাত মাসেহ করলেন, তারপর দু’হাতের তালু দিয়ে একবার মাথা মাসেহ করলেন, তারপর তিনবার গিরা পর্যন্ত পা ধুলেন, তারপর হাতে এক কোষ পানি নিয়ে তা পান করলেন। তারপর বললেন, এভাবেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযূ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



943 OK

(৯৪৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৫৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي حَسَّانَ عَنْ عَبِيدَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَوْمَ الْأَحْزَابِ مَلَأَ اللَّهُ بُيُوتَهُمْ وَقُبُورَهُمْ نَارًا كَمَا شَغَلُونَا عَنْ الصَّلَاةِ حَتَّى آبَتْ الشَّمْسُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

খন্দক যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তারা যেমন সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে নামায পড়তে দেয়নি, তেমনি আল্লাহ তাদের বাড়িঘর ও কবরকে আগুন দিয়ে ভরে দিন। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



944 OK

(৯৪৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৯১৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا بَهْزٌ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ أَنْبَأَنَا قَتَادَةُ عَنْ أَبِي حَسَّانَ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ كَانَ يَأْمُرُ بِالْأَمْرِ فَيُؤْتَى فَيُقَالُ قَدْ فَعَلْنَا كَذَا وَكَذَا فَيَقُولُ صَدَقَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ قَالَ فَقَالَ لَهُ الْأَشْتَرُ إِنَّ هَذَا الَّذِي تَقُولُ قَدْ تَفَشَّغَ فِي النَّاسِ أَفَشَيْءٌ عَهِدَهُ إِلَيْكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ مَا عَهِدَ إِلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْئًا خَاصَّةً دُونَ النَّاسِ إِلَّا شَيْءٌ سَمِعْتُهُ مِنْهُ فَهُوَ فِي صَحِيفَةٍ فِي قِرَابِ سَيْفِي قَالَ فَلَمْ يَزَالُوا بِهِ حَتَّى أَخْرَجَ الصَّحِيفَةَ قَالَ فَإِذَا فِيهَا مَنْ أَحْدَثَ حَدَثًا أَوْ آوَى مُحْدِثًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لَا يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ قَالَ وَإِذَا فِيهَا إِنَّ إِبْرَاهِيمَ حَرَّمَ مَكَّةَ وَإِنِّي أُحَرِّمُ الْمَدِينَةَ حَرَامٌ مَا بَيْنَ حَرَّتَيْهَا وَحِمَاهَا كُلُّهُ لَا يُخْتَلَى خَلَاهَا وَلَا يُنَفَّرُ صَيْدُهَا وَلَا تُلْتَقَطُ لُقَطَتُهَا إِلَّا لِمَنْ أَشَارَ بِهَا وَلَا تُقْطَعُ مِنْهَا شَجَرَةٌ إِلَّا أَنْ يَعْلِفَ رَجُلٌ بَعِيرَهُ وَلَا يُحْمَلُ فِيهَا السِّلَاحُ لِقِتَالٍ قَالَ وَإِذَا فِيهَا الْمُؤْمِنُونَ تَتَكَافَأُ دِمَاؤُهُمْ وَيَسْعَى بِذِمَّتِهِمْ أَدْنَاهُمْ وَهُمْ يَدٌ عَلَى مَنْ سِوَاهُمْ أَلَا لَا يُقْتَلُ مُؤْمِنٌ بِكَافِرٍ وَلَا ذُو عَهْدٍ فِي عَهْدِهِ


আবু হাসসান থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন কোন আদেশ জারী করতেন তা কার্যকর করা হতো এবং তারপর বলা হতো, আমরা অমুক কাজটি সম্পন্ন করেছি, তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সত্য বলেছেন। এ কথা শুনে একদিন আশতার তাকে বললেন, এই যে কথাটা আপনি বলেন, এটা জনগণের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এটা কি এমন কোন বিষয়, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার জন্য বিশেষভাবে নির্দিষ্ট করেছেন? আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, অন্য সব মানুষকে বাদ দিয়ে শুধু আমার জন্য কোন জিনিস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দিষ্ট করেননি। তবে কোন বিশেষ বাণী যদি এমন থাকে যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকে শুনেছি, তা আমি একটা বিশেষ পুস্তিকায় লিখে রাখি এবং আমার তরবারীর খাপে তা সংরক্ষণ করি। লোকরা তাঁর সেই পুস্তিকাটি সবসময় দেখতে চাইতো।

অবশেষে পুস্তিকাটি তিনি বের করলেন। দেখা গেল তাতে লেখা রয়েছে, যে ব্যক্তি কোন নতুন জিনিস তৈরি করবে, (অর্থাৎ ইসলামের নামে নতুন মতবাদ বা বিধি মনগড়াভাবে রচনা ও প্রচার করবে) অথবা এরূপ নতুন জিনিস রচনাকারীকে প্রশ্রয় দেবে, তার উপর আল্লাহর, ফেরেশতাদের ও সকল মানুষের অভিশাপ। তার পক্ষ থেকে কোন মুক্তিপণ বা ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করা হবে না। তাতে আরো লেখা রয়েছে, ইবরাহীম মক্কাকে নিরাপদ ও পবিত্ররূপে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, আর আমি মদীনাকে নিরাপদ ও পবিত্ররূপে প্রতিষ্ঠিত করেছি। তার দু’পাশের দুই পাথুরে ভূখণ্ডের মাঝের সমগ্র অঞ্চল নিরাপদ ও পবিত্র। তার কোন জনবসতিহীন স্থান দখল করা যাবে না। তার কোন শিকার তাড়ানো যাবে না। সেখানে কোন হারানো বস্তু কুড়ানো যাবে না। অবশ্য যে ব্যক্তি হারানো বস্তুর মালিক খুঁজবে, সে কুড়াতে পারবে। এর কোন গাছ-কাটা যাবে না। তবে কেউ যদি তার উটকে ঘাস, লতা ও গাছের পাতা খাওয়ায়, তবে তা খাওয়াতে পারবে। সেখানে লড়াই এর জন্য অস্ত্র বহন করা যাবে না। তাতে আরো রয়েছে, মুমিনরা পরস্পরের জীবনের রক্ষক ও ক্ষতিপূরণদাতা। তাদের যে কোন নগণ্য ব্যক্তি অপর মুমিনকে নিরাপত্তা দিতে পারে। এখানে অমুমিনদের উপর মুমিনদের কর্তৃত্ব থাকবে।

জেনে রাখ, কোন কাফিরের বদলায় কোন মুমিনকে হত্যা করা যাবে না। যাকে নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তাকে প্রতিশ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যা করা যাবে না। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



945 OK

(৯৪৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ أَبِي الْحُسَامِ مَدَنِيٌّ مَوْلًى لِآلِ عُمَرَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ أُمِّهِ قَالَتْ بَيْنَمَا نَحْنُ بِمِنًى إِذَا عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ هَذِهِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ فَلَا يَصُومُهَا أَحَدٌ وَاتَّبَعَ النَّاسَ عَلَى جَمَلِهِ يَصْرُخُ بِذَلِكَ


আমর ইবনে সুলাইমের মাতা থেকে বর্ণিতঃ

(হজ্জের মাওসুমে) আমরা যখন মিনায় অবস্থান করছিলাম, তখন আলী ইবনে আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতে লাগলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, এই দিনগুলো (১০-১৩ জিলহজ) পানাহারের দিন। এ দিনগুলোতে তোমাদের কেউ যেন রোযা না রাখে। অতঃপর তিনি তাঁর উটে চড়ে এই ঘোষণা দিতে দিতে জনগণের অনুসরণ করতে লাগলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



946 OK

(৯৪৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৮১৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ عَنْ مَنْصُورِ بْنِ حَيَّانَ عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ قَالَ قُلْنَا لِعَلِيٍّ أَخْبِرْنَا بِشَيْءٍ أَسَرَّهُ إِلَيْكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مَا أَسَرَّ إِلَيَّ شَيْئًا كَتَمَهُ النَّاسَ وَلَكِنْ سَمِعْتُهُ يَقُولُ لَعَنَ اللَّهُ مَنْ ذَبَحَ لِغَيْرِ اللَّهِ وَلَعَنَ اللَّهُ مَنْ آوَى مُحْدِثًا وَلَعَنَ اللَّهُ مَنْ لَعَنَ وَالِدَيْهِ وَلَعَنَ اللَّهُ مَنْ غَيَّرَ تُخُومَ الْأَرْضِ يَعْنِي الْمَنَارَ


আবুত্ তুফাইল থেকে বর্ণিতঃ

আমরা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বললামঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে গোপনে বলেছেন, এমন কোন কথা থাকলে আমাদেরকে বলুন। আলীরাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমাকে গোপনে এমন কিছুই বলেননি, যা অন্যদের কাছ থেকে লুকিয়েছেন। তবে আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে কুরবানী করে তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ। যে ব্যক্তি ইসলামের নামে নতুন কিছু চালু করতে সচেষ্ট লোককে প্রশ্রয় ও আসকারা দেয়, তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ। যে ব্যক্তি নিজের পিতামাতাকে অভিশাপ দেয় তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ এবং যে ব্যক্তি জমির সীমানা পাল্টাতে চেষ্টা করে, তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ। অর্থাৎ সীমানার চিহ্ন পরিবর্তন করে (জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে) তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



947 OK

(৯৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৫৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي حَسَّانَ عَنْ عَبِيدَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَوْمَ الْأَحْزَابِ مَلَأَ اللَّهُ بُيُوتَهُمْ وَقُبُورَهُمْ نَارًا كَمَا شَغَلُونَا عَنْ الصَّلَاةِ حَتَّى آبَتْ الشَّمْسُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

খন্দক যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তারা যেমন সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে নামায পড়তে দেয়নি, তেমনি আল্লাহ তাদের বাড়িঘর ও কবরকে আগুন দিয়ে ভরে দিন। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



948 OK

(৯৪৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৯২৫] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عِيسَى عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا عَطَسَ أَحَدُكُمْ فَلْيَقُلْ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَلْيَقُلْ مَنْ حَوْلَهُ يَرْحَمُكَ اللَّهُ وَلْيَقُلْ هُوَ يَهْدِيكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো যখন হাঁচি হয়, তখন তার বলা উচিত “আলহামদু লিল্লাহি আলা কুল্লি হাল” (সর্বাবস্থায় আল্লাহর প্রশংসা) আর তার আশপাশের লোকদের বলা উচিত, ইয়ারহামুকাল্লাহ, (আল্লাহ তোমার উপর দয়া করুন) আর তার জবাবে হাঁচি দাতার বলা উচিত, “ইয়াহদিকুমুল্লাহু ওয়া ইউসলিহু বালাকুম” (আল্লাহ তোমাদের সুপথ প্রদর্শন করুন এবং তোমাদের মনের সংশোধন করুন)। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৪৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



949 OK

(৯৪৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ حَدَّثَنَا أَزْهَرُ بْنُ سَعْدٍ عَنِ ابْنِ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبِيدَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ اشْتَكَتْ إِلَيَّ فَاطِمَةُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا مَجْلَ يَدَيْهَا مِنْ الطَّحْنِ فَأَتَيْنَا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَاطِمَةُ تَشْتَكِي إِلَيْكَ مَجْلَ يَدَيْهَا مِنْ الطَّحْنِ وَتَسْأَلُكَ خَادِمًا فَقَالَ أَلَا أَدُلُّكُمَا عَلَى مَا هُوَ خَيْرٌ لَكُمَا مِنْ خَادِمٍ فَأَمَرَنَا عِنْدَ مَنَامِنَا بِثَلَاثٍ وَثَلَاثِينَ وَثَلَاثٍ وَثَلَاثِينَ وَأَرْبَعٍ وَثَلَاثِينَ مِنْ تَسْبِيحٍ وَتَحْمِيدٍ وَتَكْبِيرٍ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

ফাতিমা আমার নিকট অনুযোগ পেশ করলো যে, আটা পিষতে পিষতে তার হাতে দাগ পড়ে গেছে। তখন আমরা উভয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেলাম। বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, ফাতিমা আপনার নিকট অনুযোগ পেশ করছে যে, আটা পিষার দরুণ তার হাতে দাগ পড়ে গেছে। সে আপনার নিকট একজন চাকর চায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে চাকরের চেয়ে ভালো জিনিসের সন্ধান দেব না? অতঃপর তিনি আমাদেরকে আদেশ দিলেন যেন ঘুমানোর পূর্বে তেত্রিশবার সুবহানাল্লাহ, তেত্রিশবার আলহামদুলিল্লাহ ও চৌত্রিশবার আল্লাহু আকবার পড়ি। [মুসনাদে আহমাদ : ৯৪৯]


[তিরমিযী-৩৪০৮, ৩৪০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস