(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৯৭১টি]



5836 OK

(৫৮৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১১৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ أَخْبَرَنِي سَالِمٌ أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ لَقِيَ زَيْدَ بْنَ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ بِأَسْفَلِ بَلْدَحَ وَذَلِكَ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْوَحْيُ فَقَدَّمَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُفْرَةً فِيهَا لَحْمٌ فَأَبَى أَنْ يَأْكُلَ مِنْهَا ثُمَّ قَالَ إِنِّي لَا آكُلُ مَا تَذْبَحُونَ عَلَى أَنْصَابِكُمْ وَلَا آكُلُ إِلَّا مِمَّا ذُكِرَ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ حَدَّثَ هَذَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার মক্কার নিম্নভূমিতে, ওহী নাযিলের আগে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যায়েদ ইবনে আমর ইবনে নাফাইলের সাথে দেখা করলেন। ইবনে নাফাইল খাবারের জন্যে দস্তর খানা বিছিয়ে তাতে গোশত এনে রাখলো। কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা খেতে অস্বীকার করলেন ও বললেন, “তোমরা তোমাদের মূর্তিদের নামে যেসব পশু বলি দান করো, আমি সেগুলোর গোশত খাই না। বরং আমি শুধু সেসব জিনিস থেকে খাই, যার উপর আল্লাহর নাম উচ্চারিত হয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5837 OK

(৫৮৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৮১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي الصِّدِّيقِ هُوَ النَّاجِيُّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا وَضَعْتُمْ مَوْتَاكُمْ فِي الْقَبْرِ فَقُولُوا بِسْمِ اللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমরা তোমাদের মৃতকে কবরে নামিয়ে দেবে, তখন তোমরা বলো, ”

بِسْمِ اللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

“আল্লাহ তায়ালার নামে ও তাঁর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নতের উপর।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5838 OK

(৫৮৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১১৬] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَارِثِ الْحَارِثِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا لَقِيتَ الْحَاجَّ فَسَلِّمْ عَلَيْهِ وَصَافِحْهُ وَمُرْهُ أَنْ يَسْتَغْفِرَ لَكَ قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بَيْتَهُ فَإِنَّهُ مَغْفُورٌ لَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তুমি কোনো হাজীর সাথে দেখা করবে, তখন তাকে সালাম দাও, তার সাথে মুছাফা করো এবং সে তার বাড়িতে প্রবেশ করার আগে, নিজের জন্যে তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনার দুয়া করতে বলো। কারণ সে নিজে আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমা প্রাপ্ত হয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৩৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5839 OK

(৫৮৩৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১১৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ عَنْ قَطَنِ بْنِ وَهْبِ بْنِ عُوَيْمِرِ بْنِ الْأَجْدَعِ عَمَّنْ حَدَّثَهُ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ ثَلَاثَةٌ قَدْ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ الْجَنَّةَ مُدْمِنُ الْخَمْرِ وَالْعَاقُّ وَالدَّيُّوثُ الَّذِي يُقِرُّ فِي أَهْلِهِ الْخَبَثَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তিন ব্যক্তির জন্যে জান্নাত হারাম করেছেন। (১) একজন মদ পানকারী ব্যক্তি, (২) পিতা-মাতার অবাধ্য ব্যক্তি এবং (৩) এমন একজন অসম্মান-জনক ব্যক্তি, যে তার বাড়িতে নোংরামি (ইসলাম বিরোধী কাজ) সহ্য করে।

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5840 OK

(৫৮৪০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا تَجَرَّعَ عَبْدٌ جَرْعَةً أَفْضَلَ عِنْدَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مِنْ جَرْعَةِ غَيْظٍ يَكْظِمُهَا ابْتِغَاءَ وَجْهِ اللَّهِ تَعَالَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোন বান্দা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে যে ক্রোধের পানীয় পান করে, তার চেয়ে বেশি প্রিয় পানীয় কখনও সে পান করেনি।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5841 OK

(৫৮৪১)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩৫৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَلَقَ رَأْسَهُ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজ্জ আল-ওয়াদা (বিদায় হজ্জ) উপলক্ষে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মাথা মুণ্ডন করেছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5842 OK

(৫৮৪২)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৮৪০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا تَجَرَّعَ عَبْدٌ جَرْعَةً أَفْضَلَ عِنْدَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مِنْ جَرْعَةِ غَيْظٍ يَكْظِمُهَا ابْتِغَاءَ وَجْهِ اللَّهِ تَعَالَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোন বান্দা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে যে ক্রোধের পানীয় পান করে, তার চেয়ে বেশি প্রিয় পানীয় কখনও সে পান করেনি।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5843 OK

(৫৮৪৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩০৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ جَدِّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَكَلَ أَحَدُكُمْ فَلْيَأْكُلْ بِيَمِينِهِ وَإِذَا شَرِبَ فَلْيَشْرَبْ بِيَمِينِهِ فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَأْكُلُ بِشِمَالِهِ وَيَشْرَبُ بِشِمَالِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন খায়, তখন সে যেনো, ডান হাতে খায় এবং যখন পান করে, তখন সে যেনো, তার ডান হাতে পান করে। কারণ শয়তান তার বাম হাতে খায় ও পান করে।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5844 OK

(৫৮৪৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৪৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ اتَّخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَاتَمًا مِنْ ذَهَبٍ وَكَانَ يَجْعَلُ فَصَّهُ مِمَّا يَلِي كَفَّهُ فَاتَّخَذَهُ النَّاسُ فَرَمَى بِهِ وَاتَّخَذَ خَاتَمًا مِنْ وَرِقٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বর্ণের একটি আংটি ব্যবহার করেন। আংটির মোহর হাতের তালুর দিকে ঘুরিয়ে রাখেন। লোকেরা ঐ রকমই আংটি ব্যবহার করা শুরু করলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বর্ণের আংটিটি ফেলে দিয়ে রৌপ্যের আংটি বানিয়ে নিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5845 OK

(৫৮৪৫)

হাদিস দেখুন [৩১:২৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ حَدِّثْنِي عَنْ طَلَاقِكَ امْرَأَتَكَ قَالَ طَلَّقْتُهَا وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَذَكَرَهُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا فَإِذَا طَهُرَتْ فَلْيُطَلِّقْهَا فِي طُهْرِهَا قَالَ قُلْتُ لَهُ هَلْ اعْتَدَدْتَ بِالَّتِي طَلَّقْتَهَا وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ فَمَا لِي لَا أَعْتَدُّ بِهَا وَإِنْ كُنْتُ قَدْ عَجَزْتُ وَاسْتَحْمَقْتُ


আনাস বিন সিরীন থেকে বর্ণিতঃ

আমি ইবনে উমারকে বললাম, “আপনার স্ত্রীকে তালাক দেয়ার ঘটনাটি আমাকে বর্ণনা করুন।” তিনি বললেন, “সে ঋতুবতী থাকা অবস্থায় তাকে তালাক দিয়েছিলাম। অতঃপর এ কথা উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জানালাম। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তা জানালেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘ওকে তালাক প্রত্যাহার করার নির্দেশ দাও। যখন স্ত্রী পবিত্র হবে, তখন তাকে তালাক দিক’।” আনাস বলেন, আমি ইবনে উমারকে বললাম, “ঋতুবতী অবস্থায় যাকে তালাক দিয়েছিলেন, তার সাথে কি ইদ্দাত পালন করেছিলেন?” তিনি বললেন, “ইদ্দাত পালন না করার কী আছে? আমি তো বুড়ো হয়ে গিয়েছিলাম এবং বোকামি করেছিলাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5846 OK

(৫৮৪৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৯১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ أَبِي عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ وَهُوَ مُوَجِّهٌ إِلَى خَيْبَرَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি খায়বার যাওয়ার সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি যে, তিনি একটি গাধার উপর বসে নামায পড়ছেন।

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5847 OK

(৫৮৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬০০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاذٌ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَزَالُ هَذَا الْأَمْرُ فِي قُرَيْشٍ مَا بَقِيَ مِنْ النَّاسِ اثْنَانِ قَالَ وَحَرَّكَ إِصْبَعَيْهِ يَلْوِيهِمَا هَكَذَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “খিলাফত ও শাসন ক্ষমতা সর্বদাই কুরাইশদের হাতে থাকবে, যতো দিন তাদের দুই জন লোকও বেঁচে থাকবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5848 OK

(৫৮৪৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ أَحَبَّ الْأَسْمَاءِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَبْدُ اللَّهِ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট সবচেয়ে প্রিয় নাম ছিলো আব্দুল্লাহ এবং আব্দুর রহমান। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5849 OK

(৫৮৪৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৭২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ سَمِعْتُ مُحَارِبَ بْنَ دِثَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ جَرَّ ثَوْبَهُ مِنْ مَخِيلَةٍ لَمْ يَنْظُرْ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি অহঙ্কার বশত মাটিতে কাপড় টেনে নিয়ে হাঁটে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না। আল্লাহ তার সাথে কথা বলবেন না ও তার প্রতি দয়া করবেন না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5850 OK

(৫৮৫০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৯৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ يَعْنِي ابْنَ مَهْدِيٍّ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ بَيْعِ الثَّمَرَةِ حَتَّى يَبْدُوَ صَلَاحُهَا نَهَى الْبَائِعَ وَالْمُشْتَرِيَ وَنَهَى أَنْ يُسَافَرَ بِالْقُرْآنِ إِلَى أَرْضِ الْعَدُوِّ مَخَافَةَ أَنْ يَنَالَهُ الْعَدُوُّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফল পাকানোর আগ পর্যন্ত, ফল বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। আর তিনি তা ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের জন্যেই নিধেষ করেছেন। এছাড়াও, ভ্রমণের সময় পবিত্র কুরআন সাথে নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ করেছেন, কারণ এটি শত্রুর হাতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5851 OK

(৫৮৫১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৯১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ وَاصَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي رَمَضَانَ فَوَاصَلَ النَّاسُ فَقَالُوا نَهَيْتَنَا عَنْ الْوِصَالِ وَأَنْتَ تُوَاصِلُ قَالَ إِنِّي لَسْتُ كَأَحَدٍ مِنْكُمْ إِنِّي أُطْعَمُ وَأُسْقَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসে একটি সাহরী খেয়ে পরপর একাধিক রোজা পালন করতেন। যখন লোকেরাও তা পালন করতে লাগলো, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে তা করতে নিষেধ করেন। তারা বললো যে, “আপনি আমাদেরকে একটানা অনেক দিন রোজা রাখতে নিষেধ করছেন, অথচো আপনি নিজেই তা পালন করছেন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি তোমাদের মতো নই, আমাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে খাওয়ানো ও পান করানো হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5852 OK

(৫৮৫২)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১৫৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنَا حَبِيبٌ يَعْنِي الْمُعَلِّمَ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ عُمَرَ أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْتَمِرُ فِي رَجَبٍ قَالَ نَعَمْ فَأَخْبَرَ بِذَلِكَ عَائِشَةَ فَقَالَتْ يَرْحَمُ اللَّهُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا اعْتَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عُمْرَةً إِلَّا وَهُوَ مَعَهُ وَمَا اعْتَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي رَجَبٍ قَطُّ


হজরত উরওয়া ইবনে যুবায়েররাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলাম, “হে আবূ আবদুর রহমান! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি রজব মাসে উমরাহ করেছেন?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” আমি হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে বললাম, “হে আম্মা! আপনি কি শুনতে পাচ্ছেন, আবূ আবদুর রহমান কী বলছেন?” তিনি বললেন, “সে কী বলছে?” আমি বললাম, “তিনি বলছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রজব মাসে উমরাহ করেছেন।” তিনি বললেন, “আল্লাহ তাআলা আবূ আবদুর রহমানকে ক্ষমা করুন। আমার জীবনের শপথ, তিনি রজব মাসে কখনও উমরাহ করেননি। আর তিনি যখনই উমরাহ করেছেন, অবশ্যই আবূ আবদুর রহমান তাঁর সঙ্গে ছিলেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5853 OK

(৫৮৫৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৯২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا رَبَاحٌ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ صَدَقَةَ الْمَكِّيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اعْتَكَفَ وَخَطَبَ النَّاسَ فَقَالَ أَمَا إِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا قَامَ فِي الصَّلَاةِ فَإِنَّهُ يُنَاجِي رَبَّهُ فَلْيَعْلَمْ أَحَدُكُمْ مَا يُنَاجِي رَبَّهُ وَلَا يَجْهَرْ بَعْضُكُمْ عَلَى بَعْضٍ بِالْقِرَاءَةِ فِي الصَّلَاةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার রমজানের শেষ দশ দিনে ইতিকাফ করছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্যে খেজুর গাছের ডাল দিয়ে একটি তাঁবু তৈরি করা হয়েছিলো। একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা থেকে মাথা বের করে বললেন, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি সালাতে দাঁড়ায়, সে আসলে তার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করছে। সুতরাং তোমাদের জানা উচিত যে, তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে কী প্রার্থনা করছো? আর তোমরা নামাযে একে অপরের উপরে উচ্চ আওয়াজে কোরআন পাঠ করো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5854 OK

(৫৮৫৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৩৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُعَرِّضُ عَلَى رَاحِلَتِهِ وَيُصَلِّي إِلَيْهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ঘোড়াকে সামনে রাখতেন এবং এটিকে সাতরার মতো ব্যবহার করতেন এবং সালাত আদায় করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5855 OK

(৫৮৫৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنِي الْأَسْوَدُ بْنُ قَيْسٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَمْرٍو الْقُرَشِيِّ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ حَدَّثَهُمْ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ إِنَّا أُمَّةٌ أُمِّيَّةٌ لَا نَحْسُبُ وَلَا نَكْتُبُ وَإِنَّ الشَّهْرَ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا ثُمَّ نَقَصَ وَاحِدَةً فِي الثَّالِثَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমরা একটি নিরক্ষর জাতি, আমরা হিসাব করতে জানি না। কখনও কখনও মাস এইরকম, এইরকম, এবং এইরকম হয়।” তারপর তিনি তৃতীয়বার তার বৃদ্ধাঙ্গুলি বন্ধ করলেন। (অর্থাৎ, মাস কোনো কোনো সময় উনত্রিশ (২৯) দিনেও হয়, আবার ত্রিশ (৩০) দিনেও হয়)। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5856 OK

(৫৮৫৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ ابْنِ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ غَدَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ مِنًى حِينَ صَلَّى الصُّبْحَ فِي صَبِيحَةِ يَوْمِ عَرَفَةَ حَتَّى أَتَى عَرَفَةَ فَنَزَلَ بِنَمِرَةَ وَهِيَ مَنْزِلُ الْإِمَامِ الَّذِي كَانَ يَنْزِلُ بِهِ بِعَرَفَةَ حَتَّى إِذَا كَانَ عِنْدَ صَلَاةِ الظُّهْرِ رَاحَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُهَجِّرًا فَجَمَعَ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ ثُمَّ خَطَبَ النَّاسَ ثُمَّ رَاحَ فَوَقَفَ عَلَى الْمَوْقِفِ مِنْ عَرَفَةَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

৯ই যিলহজ্জের ফজরের নামাজ আদায়ের পর, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিনা থেকে রওনা হন এবং আরাফাতের ময়দানে পৌঁছান এবং মসজিদে নিমরার কাছে তাঁবু স্থাপন করেন। যেখানে আজ ইমাম দাঁড়িয়ে নামায পড়িয়ে থাকে। যখন যোহরের নামাজের সময় ঘনিয়ে আসে, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাড়াতাড়ি এসে যোহর ও আসরের নামাজ একসাথে আদায় করেন। তারপর খুতবা দেন। তারপর তিনি চলে যান এবং আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের স্থানে চলে যান। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5857 OK

(৫৮৫৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يُحِبُّ إِذَا اسْتَطَاعَ أَنْ يُصَلِّيَ الظُّهْرَ بِمِنًى مِنْ يَوْمِ التَّرْوِيَةِ وَذَلِكَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى الظُّهْرَ بِمِنًى


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ৮ই যিলহজ্জ তারিখে যতটা সম্ভব মিনায় জোহরের নামাজ পড়তে পছন্দ করতেন। কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঐ দিনে মিনায় জোহরের নামাজ পড়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5858 OK

(৫৮৫৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى حِينَ أَقْبَلَ مِنْ حَجَّتِهِ قَافِلًا فِي تِلْكَ الْبَطْحَاءِ قَالَ ثُمَّ دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ فَأَنَاخَ عَلَى بَابِ مَسْجِدِهِ ثُمَّ دَخَلَهُ فَرَكَعَ فِيهِ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ انْصَرَفَ إِلَى بَيْتِهِ قَالَ نَافِعٌ فَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ كَذَلِكَ يَصْنَعُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন হজ্জ থেকে ফিরে আসছিলেন, তখন তিনি ওয়াদি বাথায় সালাত আদায় করেছিলেন। তারপর, যখন তিনি মদিনায় প্রবেশ করেছিলেন, তখন তিনি তাঁর উটটিকে মসজিদে নববীর দরজায় বসিয়েছিলেন। তিনি মসজিদে প্রবেশ করেছিলেন এবং সেখানেও দুই রাকাত সালাত আদায় করেছিলেন। তারপর তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু নিজেও একই কাজ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5859 OK

(৫৮৫৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৭৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَثَلُكُمْ وَمَثَلُ الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى كَرَجُلٍ اسْتَعْمَلَ عُمَّالًا فَقَالَ مَنْ يَعْمَلُ مِنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ إِلَى نِصْفِ النَّهَارِ عَلَى قِيرَاطٍ قِيرَاطٍ أَلَا فَعَمِلَتْ الْيَهُودُ ثُمَّ قَالَ مَنْ يَعْمَلُ لِي مِنْ نِصْفِ النَّهَارِ إِلَى صَلَاةِ الْعَصْرِ عَلَى قِيرَاطٍ قِيرَاطٍ أَلَا فَعَمِلَتْ النَّصَارَى ثُمَّ قَالَ مَنْ يَعْمَلُ لِي مِنْ صَلَاةِ الْعَصْرِ إِلَى غُرُوبِ الشَّمْسِ عَلَى قِيرَاطَيْنِ قِيرَاطَيْنِ أَلَا فَأَنْتُمْ الَّذِينَ عَمِلْتُمْ فَغَضِبَ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَى قَالُوا نَحْنُ كُنَّا أَكْثَرَ عَمَلًا وَأَقَلَّ عَطَاءً قَالَ هَلْ ظَلَمْتُكُمْ مِنْ حَقِّكُمْ شَيْئًا قَالُوا لَا قَالَ فَإِنَّمَا هُوَ فَضْلِي أُوتِيهِ مَنْ أَشَاءُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদেরও পূর্বের যেসব উম্মত অতীত হয়ে গেছে, তাদের অনুপাতে তোমাদের অবস্থান হলো আসরের সালাত এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার মধ্যবর্তী সময় টুকুর সমান। আর তোমাদের ও ইয়াহূদী নাসারাদের দৃষ্টান্ত হলো ঐ ব্যক্তির মতো, যে ব্যক্তি কয়েকজন লোককে তার কাজে লাগালো এবং জিজ্ঞেস করলো, “তোমাদের মধ্যে কে আছে যে, আমার জন্যে দুপুর পর্যন্ত এক কিরাতের বিনিময়ে কাজ করবে?” তখন ইয়াহূদীরা এক এক কিরাতের বিনিময়ে দুপুর পর্যন্ত কাজ করলো। অতঃপর সে ব্যক্তি আবার বললো, “তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে, সে দুপুর হতে আসরের সালাত পর্যন্ত এক কিরাতের বিনিময়ে আমার কাজটুকু করে দিবে?” তখন নাসারারা এক কিরাতের বিনিময়ে দুপুর হতে আসর সালাত পর্যন্ত কাজ করলো। সে ব্যক্তি আবার বললো, “কে এমন আছ, যে দুই কিরাতের বদলায় আসর সালাত হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আমার কাজ করে দিবে?” আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “দেখো, তোমরাই হলে সে সব লোক, যারা আসর সালাত হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দুই কিরাতের বিনিময়ে কাজ করলে। দেখো, তোমাদের পারিশ্রমিক দ্বিগুণ।” এতে ইয়াহূদী ও নাসারারা অসন্তুষ্ট হয়ে গেলো এবং বললো, “আমরা কাজ করলাম অধিক আর মজুরি পেলাম কম।” আল্লাহ বলেন, “আমি কি তোমাদের পাওনা দিতে কোনো যুলুম করেছি বা কিছু কম করেছি?” তারা উত্তরে বললো, “না।” তখন আল্লাহ বললেন, “এটা হলো আমার অনুগ্রহ, আমি যাকে ইচ্ছা, তা দান করে থাকি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5860 OK

(৫৮৬০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৯৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَجُلٌ مِنْ قُرَيْشٍ يُغْبَنُ فِي الْبَيْعِ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْ لَا خِلَابَةَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

কুরাইশদের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিলো, যে ব্যবসার ক্ষেত্রে লোকদের থেকে প্রতারণায় পড়তো। সে এই বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে উল্লেখ করলে, তিনি বললেন, “তুমি লেন-দেনের সময় বলো যে, এই লেন-দেনে কোনো প্রতারণা নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5861 OK

(৫৮৬১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ وَسَعْدٌ قَالَا حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ وَحَدَّثَنِي نَافِعٌ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ يَخْطُبَ الرَّجُلُ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ أَوْ يَبِيعَ عَلَى بَيْعِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন পুরুষকে তার ভাইয়ের বিয়ের প্রস্তাবের উপর বিয়ের প্রস্তাব পাঠাতে এবং তার ভাইয়ের বিয়ের প্রস্তাবের পর, বিয়ের প্রস্তাব পাঠাতে নিষেধ করেছেন। (যতক্ষন না তার ভাই তাকে অনুমতি দেয় অথবা, প্রথম বিয়ের প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়।) [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5862 OK

(৫৮৬২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ حُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ مَوْلَى آلِ حَاطِبٍ عَنْ نَافِعٍ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ تُوُفِّيَ عُثْمَانُ بْنُ مَظْعُونٍ وَتَرَكَ ابْنَةً لَهُ مِنْ خُوَيْلَةَ بِنْتِ حَكِيمِ بْنِ أُمَيَّةَ بْنِ حَارِثَةَ بْنِ الْأَوْقَصِ قَالَ وَأَوْصَى إِلَى أَخِيهِ قُدَامَةَ بْنِ مَظْعُونٍ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ وَهُمَا خَالَايَ قَالَ فَمَضَيْتُ إِلَى قُدَامَةَ بْنِ مَظْعُونٍ أَخْطُبُ ابْنَةَ عُثْمَانَ بْنِ مَظْعُونٍ فَزَوَّجَنِيهَا وَدَخَلَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ يَعْنِي إِلَى أُمِّهَا فَأَرْغَبَهَا فِي الْمَالِ فَحَطَّتْ إِلَيْهِ وَحَطَّتْ الْجَارِيَةُ إِلَى هَوَى أُمِّهَا فَأَبَيَا حَتَّى ارْتَفَعَ أَمْرُهُمَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ قُدَامَةُ بْنُ مَظْعُونٍ يَا رَسُولَ اللَّهِ ابْنَةُ أَخِي أَوْصَى بِهَا إِلَيَّ فَزَوَّجْتُهَا ابْنَ عَمَّتِهَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ فَلَمْ أُقَصِّرْ بِهَا فِي الصَّلَاحِ وَلَا فِي الْكَفَاءَةِ وَلَكِنَّهَا امْرَأَةٌ وَإِنَّمَا حَطَّتْ إِلَى هَوَى أُمِّهَا قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هِيَ يَتِيمَةٌ وَلَا تُنْكَحُ إِلَّا بِإِذْنِهَا قَالَ فَانْتُزِعَتْ وَاللَّهِ مِنِّي بَعْدَ أَنْ مَلَكْتُهَا فَزَوَّجُوهَا الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন উসমান বিন মাযউন রাদিয়াল্লাহু আনহু মারা যান, তখন তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে একজন ছিল খাওয়াইলা বিনতে হাকিম বিন উমাইয়া বিন হারিসা বিন আল-আওকাসের গর্ভে জন্ম নেওয়া এক কন্যা। তিনি তার ভাই কুদামা বিন মাযউন রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তার খলিফা নিযুক্ত করেন। তারা দুজনেই আমার মামা ছিলেন। আমি কুদামা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর কন্যার সাথে বিবাহের প্রস্তাব দেওয়ার জন্যে একটি বার্তা পাঠাই, যা তিনি গ্রহণ করেন এবং আমার সাথে তার বিবাহ দেন। একই সময়ে, মুগীরা বিন শুবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু তার মায়ের কাছে আসেন এবং তাকে সম্পদের প্রলোভনে ফেলেন এবং তিনিও পিছিয়ে যান, এবং মেয়েটিও তার মায়ের ইচ্ছা দেখে পিছিয়ে যায় এবং উভয়েই সম্পর্ক প্রত্যাখ্যান করে। অবশেষে, এই বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে আনা হলো। সায়্যিদুনা কুদামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এ আমার ভাইয়ের মেয়ে। সে নিজেই আমাকে তার জন্যে ওসিয়াত করেছে। আমি তাকে তার মামা আবদুল্লাহ বিন উমরের সাথে বিয়ে দিয়েছি। জুটি খুঁজে বের করতে এবং দম্পতির ভালোমন্দ এবং উপযুক্ততা মূল্যায়ন করতে আমি কোনও অবহেলা করিনি। কিন্তু এও একজন মহিলা এবং সে কি তার মায়ের ইচ্ছা অনুযায়ী অন্য দিকে তাকিয়ে সরে যাচ্ছে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এটি একটি এতিম মেয়ে, তার অনুমতি ছাড়া তাকে বিয়ে দেওয়া উচিত নয়।” ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আল্লাহর কসম, সে আমার অধিকারে আসার পর, তাকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয় এবং তাকে হজরত মুগিরা ইবনে শুবা রাদিয়াল্লাহু আনহুর সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5863 OK

(৫৮৬৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৭২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي ابْنُ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَسْلَمُ سَالَمَهَا اللَّهُ وَغِفَارٌ غَفَرَ اللَّهُ لَهَا وَعُصَيَّةُ عَصَتْ اللَّهَ وَرَسُولَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আসলাম গোত্রকে আল্লাহ রক্ষা করুন, গাফফার গোত্রকে আল্লাহ ক্ষমা করুন। আর উসিয়া গোত্র আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা করেছে (সুতরাং আল্লাহ উসিয়া গোত্রকে ধংস করুন)। হে আল্লাহ জাকওয়ান ও বনু লাহিয়ানকে অভিশাপ দিন।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5864 OK

(৫৮৬৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৭২১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ حَدَّثَنِي أَبِي عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا صَارَ أَهْلُ الْجَنَّةِ فِي الْجَنَّةِ وَأَهْلُ النَّارِ فِي النَّارِ جِيءَ بِالْمَوْتِ حَتَّى يُوقَفَ بَيْنَ الْجَنَّةِ وَالنَّارِ ثُمَّ يُذْبَحُ ثُمَّ يُنَادِي مُنَادٍ يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ خُلُودٌ لَا مَوْتَ يَا أَهْلَ النَّارِ خُلُودٌ لَا مَوْتَ فَازْدَادَ أَهْلُ الْجَنَّةِ فَرَحًا إِلَى فَرَحِهِمْ وَازْدَادَ أَهْلُ النَّارِ حُزْنًا إِلَى حُزْنِهِمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে, তখন মৃত্যুকে এনে জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝখানে স্থাপন করা হবে, এবং তাকে জবাই করা হবে। তখন একজন ঘোষণাকারী ডাক দিয়ে বলবে, ‘হে জান্নাতীরা! তোমরা চিরকাল জান্নাতে থাকবে, তোমরা এখানে কখনোই মরবে না। আর হে জাহান্নামীরা! তোমরা চিরকাল জাহান্নামে থাকবে, তোমরা এখানে কখনোই মরবে না।’ এই ঘোষণা শুনে জান্নাত বাসীদের আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে যাবে। আর জাহান্নাম বাসীদের দুঃখ আরও বেড়ে যাবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5865 OK

(৫৮৬৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ صَالِحٍ حَدَّثَنَا نَافِعٌ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْمَسْجِدَ كَانَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَبْنِيًّا بِاللَّبِنِ وَسَقْفُهُ الْجَرِيدُ وَعُمُدُهُ خَشَبُ النَّخْلِ فَلَمْ يَزِدْ فِيهِ أَبُو بَكْرٍ شَيْئًا وَزَادَ فِيهِ عُمَرُ وَبَنَاهُ عَلَى بِنَائِهِ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّبِنِ وَالْجَرِيدِ وَأَعَادَ عُمُدَهُ خَشَبًا ثُمَّ غَيَّرَهُ عُثْمَانُ فَزَادَ فِيهِ زِيَادَةً كَثِيرَةً وَبَنَى جِدَارَهُ بِالْحِجَارَةِ الْمَنْقُوشَةِ وَالْقَصَّةِ وَجَعَلَ عُمُدَهُ مِنْ حِجَارَةٍ مَنْقُوشَةٍ وَسَقْفَهُ بِالسَّاجِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে মসজিদ তৈরি হয় কাঁচা ইট দিয়ে। তার ছাদ ছিলো খেজুরের ডালের, খুঁটি ছিলো খেজুর গাছের। আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এতে কিছু বাড়ান নি। অবশ্য উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বাড়িয়েছেন। আর তার ভিত্তি তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে যে ভিত্তি ছিলো, তার উপর কাঁচা ইট ও খেজুরের ডাল দিয়ে নির্মাণ করেন এবং তিনি খুঁটিগুলো পরিবর্তন করে কাঠের (খুঁটি) লাগান। অতঃপর উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু তাতে পরিবর্তন সাধন করেন এবং অনেক বৃদ্ধি করেন। তিনি দেয়াল তৈরি করেন নকশী পাথর ও চুন-সুরকি দিয়ে। খুঁটিও দেন নকশা করা পাথরের, আর ছাদ বানিয়েছিলেন সেগুন কাঠের। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস