

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُ عَنْ يَزِيدَ يَعْنِي ابْنَ الْهَادِ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ لَقِيَ نَاسًا خَرَجُوا مِنْ عِنْدِ مَرْوَانَ فَقَالَ مِنْ أَيْنَ جَاءَ هَؤُلَاءِ قَالُوا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِ الْأَمِيرِ مَرْوَانَ قَالَ وَكُلُّ حَقٍّ رَأَيْتُمُوهُ تَكَلَّمْتُمْ بِهِ وَأَعَنْتُمْ عَلَيْهِ وَكُلُّ مُنْكَرٍ رَأَيْتُمُوهُ أَنْكَرْتُمُوهُ وَرَدَدْتُمُوهُ عَلَيْهِ قَالُوا لَا وَاللَّهِ بَلْ يَقُولُ مَا يُنْكَرُ فَنَقُولُ قَدْ أَصَبْتَ أَصْلَحَكَ اللَّهُ فَإِذَا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِهِ قُلْنَا قَاتَلَهُ اللَّهُ مَا أَظْلَمَهُ وَأَفْجَرَهُ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ كُنَّا بِعَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَعُدُّ هَذَا نِفَاقًا لِمَنْ كَانَ هَكَذَا
হজরত উমর ইবনে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার মারওয়ান থেকে কিছু লোক বের হচ্ছিলো, তখন সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদের সাথে দেখা হলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “তোমরা কোথা থেকে আসছো?” সেই লোকেরা বললো যে, “আমরা মদীনার আমির মারওয়ানের কাছ থেকে আসছি।” সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “তোমরা সেখানে যে সত্য দেখেছো, তা কি সমর্থন করেছো এবং যা মিথ্যা দেখেছো, তা কি প্রত্যাখ্যান করেছো ও অস্বীকার করেছো?” তারা বললো, “আল্লাহর কসম! এমনটা ঘটেনি। কিন্তু সে ভুল কথা বলতো এবং আমরা তাকে সমর্থন করতাম। আর তাকে বলতাম যে, আল্লাহ তার মঙ্গল করুন। আর আমরা তার কাছ থেকে চলে যেতাম, তখন আমরা বললাম যে, আল্লাহ তাকে হত্যা করুন, সে কতো নিষ্ঠুর ও দুষ্ট প্রকৃতির লোক।” সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সময়ে আমরা এটাকে মুনাফিকী মনে করতাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَفَلَ مِنْ حَجٍّ أَوْ غَزْوٍ فَعَلَا فَدْفَدًا مِنْ الْأَرْضِ أَوْ شَرَفًا قَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ آيِبُونَ تَائِبُونَ سَاجِدُونَ عَابِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন হজ্জ, জিহাদ বা ওমরাহ থেকে ফিরে আসতেন, তখন তিনি এই দুআ পাঠ করতেন।
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ آيِبُونَ تَائِبُونَ سَاجِدُونَ عَابِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ
“আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। সত্যিকার অর্থে আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। তিনি এক, তাঁর কোন শারীক নেই। সকল রাজত্ব এবং প্রশংসা একমাত্র তাঁরই। সব বিষয়ে তিনিই সর্বশক্তিমান। আমরা তাঁরই কাছে প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাহ্কারী, তাঁরই ইবাদাতকারী। আমরা আমাদের প্রভুর কাছে সাজদাহ্কারী, তাঁরই প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছেন। তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই তিনি সকল শত্রু বাহিনীকে পরাজিত করেছেন।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ زَائِدَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا الظُّلْمَ فَإِنَّهُ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “হে লোক সকল! জুলুম করা থেকে সাবধান হও, কেননা বিচারের দিন জুলুম অন্ধকারের আকার ধারণ করবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ حُرَيْثٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْجَرِّ وَالدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ وَأَمَرَ أَنْ يُنْتَبَذَ فِي الْأَسْقِيَةِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লাউয়ের খোসা ও তৈলাক্ত পাত্র বিশেষে নাবীজ তৈরি করতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু মাটির পাত্রে নাবীজ বানানোর অনুমতি দিয়েছে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَحْيَى حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ أَخْبَرَنِي أَبِي أَخْبَرَنِي ابْنُ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَتَحَرَّوْا بِصَلَاتِكُمْ طُلُوعَ الشَّمْسِ وَلَا غُرُوبَهَا فَإِنَّهَا تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَيْ شَيْطَانٍ فَإِذَا طَلَعَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَلَا تُصَلُّوا حَتَّى تَبْرُزَ وَإِذَا غَابَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَلَا تُصَلُّوا حَتَّى تَغِيبَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময় নামাযের নিয়ত করো না। কারণ সূর্য উদিত হয় শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখানে। যখন সূর্য উদিত হয়, তবে তা দৃশ্যমান না হওয়া পর্যন্ত, সালাত আদায় করবে না। অনুরূপভাবে, যখন সূর্য অস্ত যেতে শুরু করে, তখন ততক্ষণ পর্যন্ত সালাত আদায় করবে না, যতক্ষণ না এটি সম্পূর্ণরূপে অস্ত যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَحْيَى حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ أَخْبَرَنِي أَبِي أَخْبَرَنِي ابْنُ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَتَحَرَّوْا بِصَلَاتِكُمْ طُلُوعَ الشَّمْسِ وَلَا غُرُوبَهَا فَإِنَّهَا تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَيْ شَيْطَانٍ فَإِذَا طَلَعَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَلَا تُصَلُّوا حَتَّى تَبْرُزَ وَإِذَا غَابَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَلَا تُصَلُّوا حَتَّى تَغِيبَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময় নামাযের নিয়ত করো না। কারণ সূর্য উদিত হয় শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখানে। যখন সূর্য উদিত হয়, তবে তা দৃশ্যমান না হওয়া পর্যন্ত, সালাত আদায় করবে না। অনুরূপভাবে, যখন সূর্য অস্ত যেতে শুরু করে, তখন ততক্ষণ পর্যন্ত সালাত আদায় করবে না, যতক্ষণ না এটি সম্পূর্ণরূপে অস্ত যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ زِيَادٍ الشَّيْبَانِيُّ حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ صُبَيْحٍ الْحَنَفِيُّ قَالَ كُنْتُ قَائِمًا أُصَلِّي إِلَى الْبَيْتِ وَشَيْخٌ إِلَى جَانِبِي فَأَطَلْتُ الصَّلَاةَ فَوَضَعْتُ يَدَيَّ عَلَى خَصْرِي فَضَرَبَ الشَّيْخُ صَدْرِي بِيَدِهِ ضَرْبَةً لَا يَأْلُو فَقُلْتُ فِي نَفْسِي مَا رَابَهُ مِنِّي فَأَسْرَعْتُ الِانْصِرَافَ فَإِذَا غُلَامٌ خَلْفَهُ قَاعِدٌ فَقُلْتُ مَنْ هَذَا الشَّيْخُ قَالَ هَذَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ فَجَلَسْتُ حَتَّى انْصَرَفَ فَقُلْتُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا رَابَكَ مِنِّي قَالَ أَنْتَ هُوَ قُلْتُ نَعَمْ قَالَ ذَاكَ الصَّلْبُ فِي الصَّلَاةِ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْهَى عَنْهُ
হজরত যিয়াদ বিন সাবিহ হানাফী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার আমি বায়তুল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলাম এবং আমার পাশে একজন বৃদ্ধ বসে ছিলেন। আমি নামায দীর্ঘ করলাম এবং এক পর্যায়ে আমার কোলে হাত রাখলাম। এই দেখে বৃদ্ধটি আমার বুকে খুব জোরে আঘাত করলেন। আমি মনে মনে ভাবলাম, বৃদ্ধটির সমস্যা কি? তাই আমি তাড়াতাড়ি নামাজ শেষ করলাম। বৃদ্ধটির পিছনে একজন ক্রীতদাস বসে ছিলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “এই বৃদ্ধ কে?” সে বললো, “হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু।” তাই তার সালাত শেষ না হওয়া পর্যন্ত, আমি বসে ছিলাম। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “হে আব্দুর রহমান, আমার সাথে আপনার সমস্যা কি ছিলো?” তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কি সেই একই ব্যক্তি?” আমি বললাম, “হ্যাঁ।” তিনি বললেন, “নামাযে এতো কঠিন? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাযে কঠিন হতে নিষেধ করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ عُمَارَةَ عَنْ أَبِي تَمِيمَةَ الْهُجَيْمِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ فَلَا صَلَاةَ بَعْدَ الْغَدَاةِ حَتَّى تَطْلُعَ يَعْنِي الشَّمْسَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তিন খলিফার সঙ্গে সালাত আদায় করেছি। ফজরের নামাজের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোনো নামাজ নেই। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ الْأَزْرَقُ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ عُمَرَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَجْمَعُ بَيْنَ الصَّلَاتَيْنِ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ إِذَا غَابَ الشَّفَقُ قَالَ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَجْمَعُ بَيْنَهُمَا إِذَا جَدَّ بِهِ السَّيْرُ
হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূর্যাস্তের পর মাগরিব ও এশার নামাজ একত্রে আদায় করতেন এবং বলতেন যে, “যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সফরে তাড়াহুড়ো করতেন, তখন তিনি মাগরিব ও এশার মধ্যবর্তী সময়ে এই দুই ওয়াক্তের নামায একত্রে আদায় করতেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا الْعُمَرِيُّ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ مَا كَانَ لِي مَبِيتٌ وَلَا مَأْوَى عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَّا فِي الْمَسْجِدِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে মসজিদ ছাড়া আমার আর কোনো আবাস ছিলো না এবং রাত কাটানোর জায়গাও ছিলো না। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا هُرَيْمٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ تُحْمَلُ مَعَهُ الْعَنَزَةُ فِي الْعِيدَيْنِ فِي أَسْفَارِهِ فَتُرْكَزُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَيُصَلِّي إِلَيْهَا
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
ঈদুল আযহা উপলক্ষে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে একটি বর্শা বহন করা হয়েছিলো। যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে রাখা হয়েছিলো। আর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটাকে সতরা বানিয়ে নামাজের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُعَرِّضُ عَلَى رَاحِلَتِهِ وَيُصَلِّي إِلَيْهَا
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ঘোড়াকে সামনে রাখতেন এবং এটিকে সাতরার মতো ব্যবহার করতেন এবং সালাত আদায় করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ فُضَيْلِ بْنِ مَرْزُوقٍ عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَجْدَةٌ مِنْ سُجُودِ هَؤُلَاءِ أَطْوَلُ مِنْ ثَلَاثِ سَجَدَاتٍ مِنْ سُجُودِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
এসব লোকদের একটি সিজদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তিনটি সিজদার চেয়ে দীর্ঘ। (যদিও ইমামকে নামায সহজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে)। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৭৮]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস


حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا افْتَتَحَ الصَّلَاةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ مَنْكِبَيْهِ وَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ وَبَعْدَمَا يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنْ الرُّكُوعِ وَقَالَ سُفْيَانُ مَرَّةً وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ وَأَكْثَرُ مَا كَانَ يَقُولُ وَبَعْدَمَا يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنْ الرُّكُوعِ وَلَا يَرْفَعُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি, সালাতের শুরুতে কাঁধের সমতলে হাত দিয়ে রফে ইয়াদীন করতে। পাশাপাশি রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে মাথা উঠানোর পরও আমি তাঁকে রফে ইয়াদ্দীন করতে দেখেছি। কিন্তু দুই সেজদার মাঝে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রফে ইয়াদ্দীন করেননি। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْنِي أُتِيَ بِفَضِيخٍ فِي مَسْجِدِ الْفَضِيخِ فَشَرِبَهُ فَلِذَلِكَ سُمِّيَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
ফাযীখ মসজিদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে “ফাযীখ” অর্থাৎ কাঁচা খেজুরের নাবীজ পেশ করা হলো, যেটা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পান করতেন, তাই এই মসজিদের নাম রাখা হয়েছে মসজিদে ফাযীখ। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৮০]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস


حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ مَالِكٍ حَدَّثَنَا نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فِي الدُّنْيَا وَلَمْ يَتُبْ مِنْهَا حُرِمَهَا فِي الْآخِرَةِ لَمْ يُسْقَهَا
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মদ পান করে এবং তা থেকে তওবা করে না। সে আখিরাতে তা থেকে বঞ্চিত হবে এবং তাকে আখিরাতে মদ দেওয়া হবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى صَبِيًّا قَدْ حُلِقَ بَعْضُ شَعَرِهِ وَتُرِكَ بَعْضُهُ فَنَهَى عَنْ ذَلِكَ وَقَالَ احْلِقُوا كُلَّهُ أَوْ اتْرُكُوا كُلَّهُ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি শিশুকে দেখলেন, যার চুল কেটে ফেলা হয়েছে। তার কিছু চুল কেটে ফেলা হয়েছে অথবা কিছু চুল ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটা করতে নিষেধ করলেন এবং বললেন যে, “হয় সব চুল কেটে ফেলো, নতুবা সব চুল ছেড়ে দাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ جَدِّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَكَلَ أَحَدُكُمْ فَلْيَأْكُلْ بِيَمِينِهِ وَإِذَا شَرِبَ فَلْيَشْرَبْ بِيَمِينِهِ فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَأْكُلُ بِشِمَالِهِ وَيَشْرَبُ بِشِمَالِهِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন খায়, তখন সে যেনো, ডান হাতে খায় এবং যখন পান করে, তখন সে যেনো, তার ডান হাতে পান করে। কারণ শয়তান তার বাম হাতে খায় ও পান করে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَّرَ أُسَامَةَ عَلَى قَوْمٍ فَطَعَنَ النَّاسُ فِي إِمَارَتِهِ فَقَالَ إِنْ تَطْعَنُوا فِي إِمَارَتِهِ فَقَدْ طَعَنْتُمْ فِي إِمَارَةِ أَبِيهِ وَايْمُ اللَّهِ إِنْ كَانَ لَخَلِيقًا لِلْإِمَارَةِ وَإِنْ كَانَ لَمِنْ أَحَبِّ النَّاسِ إِلَيَّ وَإِنَّ ابْنَهُ هَذَا لَأَحَبُّ النَّاسِ إِلَيَّ بَعْدَهُ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেনাদল পাঠালেন এবং উসামাহ ইবনে যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু কে তাঁদের আমীর নিয়োগ করলেন। কিন্তু তার আমীর নিযুক্তির সমালোচনা করা হলো। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা যদি তার আমীর নিযুক্তির সমালোচনা করো, তোমরা এর আগে তার পিতার আমীর নিযুক্তিরও সমালোচনা করেছিলে। আল্লাহর কসম! সে আমীর হওয়ার যোগ্য ছিলো। আর সে ছিলো আমার কাছে মানুষদের মাঝে সবচেয়ে প্রিয়। আর তারপরে এ হলো আমার নিকট সর্বাধিক প্রিয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ حَدَّثَنِي سَالِمٌ عَنْ رُؤْيَا رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي وَبَاءِ الْمَدِينَةِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رَأَيْتُ امْرَأَةً سَوْدَاءَ ثَائِرَةَ الرَّأْسِ خَرَجَتْ مِنْ الْمَدِينَةِ حَتَّى قَامَتْ بِمَهْيَعَةَ فَأَوَّلْتُ أَنَّ وَبَاءَهَا نُقِلَ إِلَى مَهْيَعَةَ وَهِيَ الْجُحْفَةُ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, মদীনা থেকে কালো চুলের এক মহিলা বের হয়ে যাচ্ছে। সে মাহিয়্যাহ অর্থাৎ জাফফায় গিয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলো। আমি এর অর্থ এই করেছি যে, মদীনার মহামারী ও দুর্যোগ জাফফায় স্থানান্তরিত হয়েছে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ بَيْعِ الْوَلَاءِ وَعَنْ هِبَتِهِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘অলা’ এর বিক্রয় ও হেবা (দান) কে নিষিদ্ধ করেছেন।
[টীকাঃ ‘অলা’ ( الْوَلَاءِ ) বলা হয় উত্তরাধিকারের অধিকারকে। আযাদকৃত দাস দাসীর মৃত্যুর পর, তার ফেলে যাওয়া সম্পদের হকদার হয় সেই আযাদকারী অথবা তার ওয়ারিসগণ। দাস দাসীর পক্ষ থেকে আযাদকারী ব্যক্তি সম্পদ অর্জন করে থাকে। জাহেলিয়াতের যুগে আযাদলাভকারীর মৃত্যুর পূর্বেই দাস দাসীদের সম্পদ বিক্রি অথবা দান করে দিতো।] [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ وَيَزِيدُ قَالَ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ اتَّخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَاتَمًا مِنْ ذَهَبٍ فَاتَّخَذَ النَّاسُ خَوَاتِيمَهُمْ مِنْ ذَهَبٍ فَرَمَى بِهِ وَقَالَ لَنْ أَلْبَسَهُ أَبَدًا قَالَ يَزِيدُ فَنَبَذَ النَّاسُ خَوَاتِيمَهُمْ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণের একটি আংটি পরেন। আংটিটির মোহর হাতের তালুর ভিতরের দিকে ঘুরিয়ে রাখেন। তাতে তিনি مُحَمَّدٌ رَسُوْلُ اللهِ খোদাই করেছিলেন। লোকেরাও এ রকম আংটি ব্যবহার করতে শুরু করেন। যখন তিনি দেখলেন যে, তারাও ঐ রকম আংটি ব্যবহার করছে, তখন তিনি তা ছুঁড়ে ফেলে দেন এবং বলেন, “আমি আর কখনও এটা ব্যবহার করবো না।” তাই লোকেরাও তাদের আংটি গুলি নিক্ষেপ করেছিলো। এরপর তিনি একটি রূপার আংটি ব্যবহার করেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা দিয়ে মোহর করতেন, কিন্তু পরতেন না। লোকেরাও রূপার আংটি পরা শুরু করে। ইবনু উমার বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে আবূ বাকর , তারপর উমার ও তারপর উসমান তা ব্যবহার করেছেন। শেষে উসমানের হাত থেকে আংটিটি ‘আরীস’ নামক কূপের মধ্যে পড়ে যায়। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “বিলাল কেবল মাত্র রাতেই আযান দেয়, সুতরাং ইবনে উম্মে মাকতুম আযান না দেওয়া পর্যন্ত, তোমরা সেহরীর জন্যে পানাহার করতে থাকো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ وَقَّتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ ذَا الْحُلَيْفَةِ وَلِأَهْلِ الشَّامِ الْجُحْفَةَ وَلِأَهْلِ الْيَمَنِ يَلَمْلَمَ وَلِأَهْلِ نَجْدٍ قَرْنًا وَقَالَ هُنَّ وَقْتٌ لِأَهْلِهِنَّ وَلِمَنْ مَرَّ بِهِنَّ مِنْ غَيْرِ أَهْلِهِنَّ يُرِيدُ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ فَمَنْ كَانَ مَنْزِلُهُ مِنْ وَرَاءِ الْمِيقَاتِ فَإِهْلَالُهُ مِنْ حَيْثُ يُنْشِئُ وَكَذَلِكَ حَتَّى أَهْلُ مَكَّةَ إِهْلَالُهُمْ مِنْ حَيْثُ يُنْشِئُونَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনাবাসীদের জন্যে যুল-হুলাইফাহ, সিরিয়াবাসীদের জন্যে আল-জুহফাহ, ইয়েমেনের অধিবাসীদের জন্যে ইয়ালামলাম এবং নজদের অধিবাসীদের জন্যে কর্ণকে মীকাত নির্ধারণ করেছেন এবং বলেছেন যে, “এই মীকাতগুলো ঐসব লোকদের জন্যে, যারা এর বাইরে থাকে এবং হজ ও ওমরাহ করার নিয়তে ঐ স্থানগুলোর মধ্য দিয়ে যায়। যারা এই সীমানার মধ্যে থাকে, তারা ঐ স্থান থেকেই ইহরাম বাঁধতে পারে। আর মক্কার লোকেরা যেখানে থাকে, সেখান থেকেই ইহরাম বাঁধতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَجُلٌ مِنْ قُرَيْشٍ يُغْبَنُ فِي الْبَيْعِ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْ لَا خِلَابَةَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
কুরাইশদের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিলো, যে ব্যবসার ক্ষেত্রে লোকদের থেকে প্রতারণায় পড়তো। সে এই বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে উল্লেখ করলে, তিনি বললেন, “তুমি লেন-দেনের সময় বলো যে, এই লেন-দেনে কোনো প্রতারণা নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنِي عَاصِمُ بْنُ الْمُنْذِرِ قَالَ كُنَّا فِي بُسْتَانٍ لَنَا أَوْ لِعُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ نَرْمِي فَحَضَرَتْ الصَّلَاةُ فَقَامَ عُبَيْدُ اللَّهِ إِلَى مَقْرَى الْبُسْتَانِ فِيهِ جِلْدُ بَعِيرٍ فَأَخَذَ يَتَوَضَّأُ فِيهِ فَقُلْتُ أَتَتَوَضَّأُ فِيهِ وَفِيهِ هَذَا الْجِلْدُ فَقَالَ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا فَإِنَّهُ لَا يَنْجُسُ
হজরত আসিম বিন মুনজার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার আমরা আমাদের বা উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহর বাগানে গল্প করছিলাম। যখন নামাজের সময় হলো, তখন উবায়দুল্লাহ উঠে দাঁড়ালেন এবং বাগানের পুকুরে গেলেন। সেখানে একটি উটের চামড়া পানিতে পড়ে ছিলো। আমি তাকে বললাম, “আপনি এই পানি দিয়ে ওযু করছেন, অথচ এই চামড়াও এতে পড়ে আছে?” তিনি বললেন, “আমার পিতা আমাকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘পানি যখন দুই বা তিন মটকা হয়, তখন তা অপবিত্র নয়’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ زَيْدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمَرَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ إِنَّ عِنْدَنَا رِجَالًا يَزْعُمُونَ أَنَّ الْأَمْرَ بِأَيْدِيهِمْ فَإِنْ شَاءُوا عَمِلُوا وَإِنْ شَاءُوا لَمْ يَعْمَلُوا فَقَالَ أَخْبِرْهُمْ أَنِّي مِنْهُمْ بَرِيءٌ وَأَنَّهُمْ مِنِّي بُرَآءُ ثُمَّ قَالَ جَاءَ جِبْرِيلُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا مُحَمَّدُ مَا الْإِسْلَامُ فَقَالَ تَعْبُدُ اللَّهَ لَا تُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا وَتُقِيمُ الصَّلَاةَ وَتُؤْتِي الزَّكَاةَ وَتَصُومُ رَمَضَانَ وَتَحُجُّ الْبَيْتَ قَالَ فَإِذَا فَعَلْتُ ذَلِكَ فَأَنَا مُسْلِمٌ قَالَ نَعَمْ قَالَ صَدَقْتَ قَالَ فَمَا الْإِحْسَانُ قَالَ تَخْشَى اللَّهَ تَعَالَى كَأَنَّكَ تَرَاهُ فَإِنْ لَا تَكُ تَرَاهُ فَإِنَّهُ يَرَاكَ قَالَ فَإِذَا فَعَلْتُ ذَلِكَ فَأَنَا مُحْسِنٌ قَالَ نَعَمْ قَالَ صَدَقْتَ قَالَ فَمَا الْإِيمَانُ قَالَ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْبَعْثِ مِنْ بَعْدِ الْمَوْتِ وَالْجَنَّةِ وَالنَّارِ وَالْقَدَرِ كُلِّهِ قَالَ فَإِذَا فَعَلْتُ ذَلِكَ فَأَنَا مُؤْمِنٌ قَالَ نَعَمْ قَالَ صَدَقْتَ حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ سُوَيْدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمَرَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِثْلِهِ قَالَ وَكَانَ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَام يَأْتِي النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي صُورَةِ دِحْيَةَ
হজরত ইয়াহইয়া ইবনু ইয়ামার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
তাক্বদীর মতবাদের ব্যাপারে সর্বপ্রথম মা’বাদ আল-জুহানীই কথা বলেন। কোন এক সময় আমি ও হুমাইদ ইবনু ‘আব্দুর রাহমান আল-হিময়ারী মাদীনায় আসলাম এবং নিজেদের মধ্যে আলোচনা করলাম, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কোন সাহাবীর সাক্ষাৎ পেলে এসব লোকেরা যে নতুন কথা বের করেছে, সেই বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করতাম। আমরা ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর দেখা পেলাম। তিনি মাসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন। আমি ও আমার সাথী গিয়ে তার পাশে পাশে চললাম। আমি মনে করলাম আমার সঙ্গী আমার উপরি কথা বলার দায়িত্ব দিবেন। তাই আমি বললাম, “হে আবূ ‘আব্দুর রাহমান! কিছু সংখ্যক লোক কুরআন তিলাওয়াত করে, জ্ঞানও অন্বেষণ করে, কিন্তু তাদের ধারণায় তাক্বদীর বলতে কিছু নেই, যা কিছু হচ্ছে তা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটে।” ইবনু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “তাদের সাথে তোমার দেখা হলে বলবে, তাদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই এবং তারাও আমার হতে সম্পর্ক মুক্ত।” তারপর ইবনু ‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু আল্লাহ তা‘আলার নামে শপথ করে বলেন, “তাদের কেউ উহূদ পাহাড় সমান স্বর্ণ দান-খাইরাত করলেও তা গ্রহণ করা হবে না, তাক্বদীরের ভাল-মন্দের উপর যে পর্যন্ত না সে ঈমান আনবে।” তারপর তিনি বললেন, ‘উমার ইবনু খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, কোন এক সময় আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে বসে ছিলাম। এমন সময় সাদা ধবধবে জামা পরা এবং কালো কুচকুচে চুলধারী এক লোক এসে উপস্থিত। তার মধ্যে সফরের কোন চিহ্নও ছিলো না এবং আমাদের মধ্যে কেউই তাকে চিনতে পারলো না। তারপর তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে এসে তার হাঁটুদ্বয় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাঁটুদ্বয়ের সাথে মিলিয়ে বসলেন। অতঃপর তিনি প্রশ্ন করেন, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ঈমান কি?” তিনি বললেন, “ঈমান হলো, তুমি আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাকুলে, কিতাবসমূহে, রাসূলগণে, পরকালে এবং তাক্বদীরের ভাল-মন্দের উপর বিশ্বাস স্থাপন করো।” আগন্তুক প্রশ্ন করলেন, “ইসলাম কি?” তিনি বললেন, “এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করা যে, আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত আর কোন প্রভু নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তার রাসূল, নামায প্রতিষ্ঠা করা, যাকাত প্রদান করা, বাইতুল্লাহ্র হাজ্জ্ব আদায় করা এবং রামাযানের রোযা রাখা।” তিনি আবার প্রশ্ন করেন, “ইহসান কি?” তিনি বললেন, “তুমি (এমনভাবে) আল্লাহ তা‘আলার ইবাদাত করবে যেনো তুমি তাঁকে দেখছো। তুমি যদি তাঁকে না দেখো, তাহলে অবশ্যই তিনি তোমাকে দেখেন”। বর্ণনাকারী বলেন, প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরেই তিনি বলতেন, “আপনি সত্যই বলেছেন।” তার এই আচরণে আমরা অবাক হলাম যে, তিনিই প্রশ্ন করছেন আবার তিনিই তা সমর্থন করছেন। তিনি আবার প্রশ্ন করেন, “কখন ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে?” তিনি এবার বললেন, “জিজ্ঞাসিত ব্যক্তি এই ব্যাপারে প্রশ্নকারীর চাইতে বেশি কিছু জানে না।” তিনি আবার প্রশ্ন করেন, “এর নিদর্শন গুলো কি কি?” তিনি বললেন, “যখন দাসী তার মনিবকে প্রসব করবে এবং খোলা পা, উলঙ্গ শরীরের অভাবী মেষপালক রাখালগণকে বিশাল দালান-কোঠার প্রতিযোগিতায় গর্ব করতে দেখবে।” ‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনদিন পর আমার সাক্ষাৎ পেয়ে প্রশ্ন করেন, “হে উমার! তুমি কি জানো, ঐ প্রশ্নকারী কে ছিলেন? তিনি ছিলেন জিবরীল আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তোমাদেরকে ধর্মীয় অনুশাসন শিখাতে এসেছিলেন। ” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي ابْنُ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَسْلَمُ سَالَمَهَا اللَّهُ وَغِفَارٌ غَفَرَ اللَّهُ لَهَا وَعُصَيَّةُ عَصَتْ اللَّهَ وَرَسُولَهُ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আসলাম গোত্রকে আল্লাহ রক্ষা করুন, গাফফার গোত্রকে আল্লাহ ক্ষমা করুন। আর উসিয়া গোত্র আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা করেছে (সুতরাং আল্লাহ উসিয়া গোত্রকে ধংস করুন)। হে আল্লাহ জাকওয়ান ও বনু লাহিয়ানকে অভিশাপ দিন।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ حَدَّثَنِي سَالِمٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ رُؤْيَا رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ النَّاسَ قَدْ اجْتَمَعُوا فَقَامَ أَبُو بَكْرٍ فَنَزَعَ ذَنُوبًا أَوْ ذَنُوبَيْنِ وَفِي نَزْعِهِ ضَعْفٌ وَاللَّهُ يَغْفِرُ لَهُ ثُمَّ نَزَعَ عُمَرُ فَاسْتَحَالَتْ غَرْبًا فَمَا رَأَيْتُ عَبْقَرِيًّا مِنْ النَّاسِ يَفْرِي فَرِيَّهُ حَتَّى ضَرَبَ النَّاسُ بِعَطَنٍ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “একদা (স্বপ্নে) লোকজনকে একটি মাঠে সমবেত দেখতে পেলাম। তখন আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু উঠে দাঁড়ালেন এবং এক অথবা দুই বালতি পানি উঠালেন। পানি উঠাতে তিনি দুর্বলতা বোধ করছিলেন। আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন। অতঃপর উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বালতিটি হাতে নিলেন। বালতিটি তখন বড় আকার ধারণ করলো। আমি মানুষের মধ্যে পানি উঠাতে উমারের মত সুদক্ষ ও শক্তিশালী ব্যক্তি আর দেখিনি। শেষে উপস্থিত লোক তাদের উটগুলোকে পানি পান করিয়ে উটশালে নিয়ে গেলো।” হাম্মাম রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “আমি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করতে শুনেছি, আবূ বকর দুই বালতি পানি উঠালেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يُحَدِّثُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَزُورُهُ رَاكِبًا وَمَاشِيًا يَعْنِي مَسْجِدَ قُبَاءَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পায়ে হেঁটে ও ঘোড়ায় চড়ে মসজিদ কুবাতে আসতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস