(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৩৯১টি]



5416 OK
View Quran

(৫৪১৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ حَدَّثَنَا أَبُو عَقِيلٍ قَالَ أَبِي وَهُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَقِيلٍ صَالِحُ الْحَدِيثِ ثِقَةٌ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَمْزةَ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ اللَّهُمَّ الْعَنْ فُلَانًا اللَّهُمَّ الْعَنْ الْحَارِثَ بْنَ هِشَامٍ اللَّهُمَّ الْعَنْ سُهَيْلَ بْنَ عَمْرٍو اللَّهُمَّ الْعَنْ صَفْوَانَ بْنَ أُمَيَّةَ قَالَ فَنَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ لَيْسَ لَكَ مِنْ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ قَالَ فَتِيبَ عَلَيْهِمْ كُلِّهِمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ফাজরের সলাতের শেষ রাকআতে রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ বলার পর বলতে শুনেছেন যে, “হে আল্লাহ! আপনি অমুক, অমুক এবং অমুকের উপর আপনার অভিশাপ বর্ষণ করুন। হে আল্লাহ! আপনি হারিস বিন হিশাম, সুহাইল বিন আমর ও সাফওয়ান বিন উমাইয়ার উপর আপনার অভিশাপ বর্ষণ করুন।” তখন আল্লাহ তায়ালা এই আয়াত অবতীর্ণ করলেন,
لَيۡسَ لَكَ مِنَ ٱلۡأَمۡرِ شَيۡءٌ أَوۡ يَتُوبَ عَلَيۡهِمۡ أَوۡ يُعَذِّبَهُمۡ فَإِنَّهُمۡ ظَٰلِمُونَ١٢٨
হে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এই ব্যাপারে আপনার কোনো কিছুই করণীয় নেই যে, হয় আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দিবেন, কেননা নিশ্চয় তারা অন্যায়কারী। (৩. আল ইমরান : ১২৮)
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৪১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5417 OK

(৫৪১৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩১২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي يَعْقُوبَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي نُعَيْمٍ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَسَأَلَهُ رَجُلٌ عَنْ شَيْءٍ قَالَ شُعْبَةُ وَأَحْسِبُهُ سَأَلَهُ عَنْ الْمُحْرِمِ يَقْتُلُ الذُّبَابَ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ أَهْلُ الْعِرَاقِ يَسْأَلُونَ عَنْ الذُّبَابِ وَقَدْ قَتَلُوا ابْنَ بِنْتِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُمَا رَيْحَانَتِي مِنْ الدُّنْيَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার ইরাকের জনৈক ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন যে, “মহররম ব্যক্তি যদি একটি মাছি মেরে ফেলে, তাহলে তার হুকুম কি?” সাইয়্যিদুনা ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন যে, “এই ইরাকের লোকেরা এসে আমাকে মৌমাছি হত্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করছে, অথচো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাতিকে তারা (কাউকে জিজ্ঞাসা না করে) শহীদ করেছে। যদিও নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর দুই নাতি সম্পর্কে বলেছিলেন যে, ‘এই দুইজনই পৃথিবীতে আমার শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5418 OK

(৫৪১৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلَانَ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ نَزَعَ يَدَهُ مِنْ الطَّاعَةِ فَلَا حُجَّةَ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَمَنْ مَاتَ مُفَارِقًا لِلْجَمَاعَةِ مَاتَ مِيتَةً جَاهِلِيَّةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সঠিক শাসকের আনুগত্য থেকে হাত সরিয়ে নেয়, কিয়ামতের দিন তার কোনো দলীল গ্রহণ করা হবে না এবং যে ব্যক্তি মুসলমানদের জামায়াত ত্যাগ করে মৃত্যুবরণ করবে, সে জাহিলিয়্যাহতের মৃত্যুবরণ করবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5419 OK

(৫৪১৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬০০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاذٌ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَزَالُ هَذَا الْأَمْرُ فِي قُرَيْشٍ مَا بَقِيَ مِنْ النَّاسِ اثْنَانِ قَالَ وَحَرَّكَ إِصْبَعَيْهِ يَلْوِيهِمَا هَكَذَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “খিলাফত ও শাসন ক্ষমতা সর্বদাই কুরাইশদের হাতে থাকবে, যতো দিন তাদের দুই জন লোকও বেঁচে থাকবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5420 OK

(৫৪২০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪০১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ عَنْ عَبْدِ الْخَالِقِ قَالَ سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ عَنْ النَّبِيذِ فَقَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ عِنْدَ مِنْبَرِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَذَا قَدِمَ وَفْدُ عَبْدِ الْقَيْسِ مَعَ الْأَشَجِّ فَسَأَلُوا نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الشَّرَابِ فَقَالَ لَا تَشْرَبُوا فِي حَنْتَمَةٍ وَلَا فِي دُبَّاءٍ وَلَا نَقِيرٍ فَقُلْتُ لَهُ يَا أَبَا مُحَمَّدٍ وَالْمُزَفَّتُ فَظَنَنْتُ أَنَّهُ نَسِيَ فَقَالَ لَمْ أَسْمَعْهُ يَوْمَئِذٍ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ وَقَدْ كَانَ يَكْرَهُهُ


হজরত আবদুল খালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি একবার হযরত সাঈদ ইবনে মুসায়ব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নাবীজ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম এবং তিনি উত্তর দেন যে, আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি যে, একবার বনু আবদুল কায়সের প্রতিনিধিদল তাদের নেতার সঙ্গে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসেছিলো। তারা বললো, “আমরা পান করি। আমাদের কি ধরনের পাত্র ব্যবহার করা উচিত?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেন, “লাউয়ের পাত্র, বার্নিশ করা পাত্র, ফাঁপা পাত্র বা সবুজ চকচকে কলস থেকে পান করবে না। চামড়ার পাত্র থেকে পান করো।” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “হে আবু মুহাম্মাদ! এই নিষেধাজ্ঞা কি ‘মুজফাত’ এর অন্তর্ভুক্ত?” আমি ভেবেছিলাম যে, হয়তো তিনি এই শব্দটি ভুলে গেছেন। কিন্তু তিনি বলেছেন যে, “আমি সেদিন হযরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে এটি উল্লেখ করতে শুনিনি, যদিও তিনি অবশ্যই এটি অপছন্দ করেছিলেন।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৪২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5421 OK

(৫৪২১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ حَدَّثَنَا عُقْبَةُ يَعْنِي ابْنَ أَبِي الصَّهْبَاءِ حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ حَدَّثَهُ أَنَّهُ كَانَ ذَاتَ يَوْمٍ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَ نَفَرٍ مِنْ أَصْحَابِهِ فَأَقْبَلَ عَلَيْهِمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا هَؤُلَاءِ أَلَسْتُمْ تَعْلَمُونَ أَنِّي رَسُولُ اللَّهِ إِلَيْكُمْ قَالُوا بَلَى نَشْهَدُ أَنَّكَ رَسُولُ اللَّهِ قَالَ أَلَسْتُمْ تَعْلَمُونَ أَنَّ اللَّهَ أَنْزَلَ فِي كِتَابِهِ مَنْ أَطَاعَنِي فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ قَالُوا بَلَى نَشْهَدُ أَنَّهُ مَنْ أَطَاعَكَ فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ وَأَنَّ مِنْ طَاعَةِ اللَّهِ طَاعَتَكَ قَالَ فَإِنَّ مِنْ طَاعَةِ اللَّهِ أَنْ تُطِيعُونِي وَإِنَّ مِنْ طَاعَتِي أَنْ تُطِيعُوا أَئِمَّتَكُمْ أَطِيعُوا أَئِمَّتَكُمْ فَإِنْ صَلَّوْا قُعُودًا فَصَلُّوا قُعُودًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদিন আমরা কয়েকজন সাহাবীর সাথে বসে ছিলেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসে বললেন, “হে লোক সকল! তোমরা কি জানো না যে, আমি তোমার কাছে আল্লাহর রাসুল হয়ে এসেছি?” লোকেরা বললো, “কেনো নয়? আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি আল্লাহর রাসুল।” রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা কি জানো না যে, আল্লাহ তাআলা তাঁর কিতাবে নির্দেশ দিয়েছেন যে, যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করলো, সে যেনো আল্লাহর আনুগত্য করলো?” লোকেরা বললো, “কেনো নয়? আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, যে ব্যক্তি আপনার আনুগত্য করে, সে আল্লাহর আনুগত্য করে। যে ব্যক্তি আপনাকে মান্য করে, সে আল্লাহকেই মান্য করে। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তাহলে এটা আল্লাহর আনুগত্যের অংশ যে, তোমরা আমার আনুগত্য করো এবং এটা আমার আনুগত্যের অংশ যে, তোমরা তোমাদের ইমামদের আনুগত্য করো। যদি তারা বসে সালাত আদায় করে, তাহলে তোমরাও বসে সালাত আদায় করবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5422 OK

(৫৪২২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ الْمَسْأَلَةُ كُدُوحٌ فِي وَجْهِ صَاحِبِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَمَنْ بَدَنَ فَلْيَسْتَبْقِ عَلَى وَجْهِهِ وَأَهْوَنُ الْمَسْأَلَةِ مَسْأَلَةُ ذِي الرَّحِمِ تَسْأَلُهُ فِي حَاجَةٍ وَخَيْرُ الْمَسْأَلَةِ الْمَسْأَلَةُ عَنْ ظَهْرِ غِنًى وَابْدَأْ بِمَنْ تَعُولُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি মানুষের কাছে ভিক্ষা করবে, কিয়ামতের দিন তার মুখে আঁচড় থাকবে। তাই যে ব্যক্তি তার মুখ বাঁচাতে চায়, সে যেনো মানুষের কাছে ভিক্ষা না করে।” জিজ্ঞাসা করা হলো, “একজন ব্যক্তি তার প্রয়োজনের জন্যে যা করে, তা কি ভিক্ষার অন্তর্ভূক্ত?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “সর্বোত্তম অভাব পূরণ হলো, যা হৃদয় দিয়ে করা হয় এবং তোমরা যাদের জন্যে দ্বায়ীত্বশীল, তাদের থেকে দান দিতে শুরু করো।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৪২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5423 OK

(৫৪২৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ لَنْ يَزَالَ الْمَرْءُ فِي فُسْحَةٍ مِنْ دِينِهِ مَا لَمْ يُصِبْ دَمًا حَرَامًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একজন ব্যক্তি দ্বীনের দিক থেকে স্বাধীন থাকে, যতক্ষণ না, সে কোনো ব্যক্তিকে অন্যায় ভাবে হত্যা করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5424 OK

(৫৪২৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২৯৬৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْمِنْهَالِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ قَالَ مَرَرْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ وَابْنِ عَبَّاسٍ فِي طَرِيقٍ مِنْ طُرُقِ الْمَدِينَةِ فَإِذَا فِتْيَةٌ قَدْ نَصَبُوا دَجَاجَةً يَرْمُونَهَا لَهُمْ كُلُّ خَاطِئَةٍ قَالَ فَغَضِبَ وَقَالَ مَنْ فَعَلَ هَذَا قَالَ فَتَفَرَّقُوا فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ يُمَثِّلُ بِالْحَيَوَانِ


হজরত সাঈদ বিন যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি, ইবনে ওমর ও ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু মদীনার একটি রাস্তা দিয়ে হেঁটেছিলাম এবং আমরা কিছু অল্প বয়স্ক ছেলেকে দেখলাম যে, তারা একটি মুরগিকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নিয়ে, সেটিকে লক্ষ্য করে তীর ছুড়ছিলো। তাদের নিক্ষেপকৃত যে তীর গুলো মুরগির গায়ে লাগবে না, ঐ প্রতিটি তীর মুরগির মালিকদের থাকবে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু রাগান্বিত হয়ে বললেন, “কে করেছে এটা?” ফলে ঐ ছেলেরা বিক্ষিপ্ত হয়ে গেলো। ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঐ ব্যক্তিকে অভিসম্পাত করেছেন, যে কোনো প্রাণীকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গ্রহণ করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5425 OK

(৫৪২৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫০৮১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ رَجُلٍ مِنْ آلِ خَالِدِ بْنِ أَسِيدٍ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ إِنَّا نَجِدُ صَلَاةَ الْخَوْفِ فِي الْقُرْآنِ وَصَلَاةَ الْحَضَرِ وَلَا نَجِدُ صَلَاةَ السَّفَرِ فَقَالَ إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى بَعَثَ مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا نَعْلَمُ شَيْئًا فَإِنَّمَا نَفْعَلُ كَمَا رَأَيْنَا مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَفْعَلُ


হজরত উমাইয়্যাহ বিন আবদুল্লাহ বিন খালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন, “আমরা কুরআনুল কারীমে মুকীম ব্যক্তির সালাত ও ভীতির সালাত (সলাতুল খাউফ) সম্পর্কে বর্ণনা পাই, অথচ মুসাফিরের সলাতের বর্ণনা পাই না।” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বলেন, “আল্লাহ তায়ালা আমাদের নিকট রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রেরণ করেছেন এবং আমরা কিছুই জানতাম না। আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যেরূপ করতে দেখেছি, আমরাও অবশ্যই তদ্রূপ করি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5426 OK

(৫৪২৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَكَمِ عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ قَالَ كَانَ رَجُلٌ يَمْدَحُ ابْنَ عُمَرَ قَالَ فَجَعَلَ ابْنُ عُمَرَ يَقُولُ هَكَذَا يَحْثُو فِي وَجْهِهِ التُّرَابَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِذَا رَأَيْتُمْ الْمَدَّاحِينَ فَاحْثُوا فِي وُجُوهِهِمْ التُّرَابَ


হজরত আতা বিন আবি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার কেউ একজন হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর প্রশংসা করলো। তখন তিনি তার মুখে মাটি নিক্ষেপ করতে লাগলেন এবং বললেন যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এ কথা বলতে শুনেছি যে, “যখন তুমি কাউকে তোমার প্রশংসা করতে দেখবে, তখন তুমি তার মুখে মাটি নিক্ষেপ করবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5427 OK

(৫৪২৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ فِي خَاتَمِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আংটির গায়ে ‘মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ’ শব্দটি লিখা ছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5428 OK

(৫৪২৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ لِلنَّبِيِّ مُؤَذِّنَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুই জন মুয়াজ্জিন ছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5429 OK

(৫৪২৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪২২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ مَالِكٍ حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ جَاءَ رَجُلَانِ مِنْ أَهْلِ الْمَشْرِقِ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَخَطَبَا فَعَجِبَ النَّاسُ مِنْ بَيَانِهِمَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ مِنْ الْبَيَانِ سِحْرًا أَوْ إِنَّ بَعْضَ الْبَيَانِ سِحْرٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

পূর্ব দিক থেকে দুইজন লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে এসেছিলেন। লোকেরা তারদের কথোপ-কথনের সাবলীলতা এবং উৎকর্ষ দেখে বিস্মিত হয়েছিলো, তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “কিছু কথায় যাদুর প্রভাব রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5430 OK

(৫৪৩০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ إِذَا انْصَرَفَ مِنْ الْجُمُعَةِ انْصَرَفَ إِلَى مَنْزِلِهِ فَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ وَذَكَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু জুমার নামাজ শেষ করে ঘরে ফিরে যেতেন এবং দুই রাকাত নামাজ পড়তেন এবং বলতেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও একই কাজ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5431 OK

(৫৪৩১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ مِغْوَلٍ عَنْ جُنَيْدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لِجَهَنَّمَ سَبْعَةُ أَبْوَابٍ بَابٌ مِنْهَا لِمَنْ سَلَّ سَيْفَهُ عَلَى أُمَّتِي أَوْ قَالَ أُمَّةِ مُحَمَّدٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “জাহান্নামের সাতটি দরজা রয়েছে, যার একটি দরজা ঐ ব্যক্তির জন্যে নির্ধারিত রয়েছে, যে ব্যক্তি আমার উম্মতের ওপর তরবারি চালাবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5432 OK

(৫৪৩২)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১২৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ بَيَانٍ عَنْ وَبَرَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ وَنَحْنُ نَرْجُو أَنْ يُحَدِّثَنَا حَدِيثًا أَوْ حَدِيثًا حَسَنًا فَبَدَرَنَا رَجُلٌ مِنَّا يُقَالُ لَهُ الْحَكَمُ فَقَالَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا تَقُولُ فِي الْقِتَالِ فِي الْفِتْنَةِ قَالَ ثَكِلَتْكَ أُمُّكَ وَهَلْ تَدْرِي مَا الْفِتْنَةُ إِنَّ مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُقَاتِلُ الْمُشْرِكِينَ فَكَانَ الدُّخُولُ فِيهِمْ أَوْ فِي دِينِهِمْ فِتْنَةً وَلَيْسَ كَقِتَالِكُمْ عَلَى الْمُلْكِ


হজরত সাঈদ বিন জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার সাইয়্যিদুনা আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের কাছে আসলেন। আমরা আশা করেছিলাম যে, তিনি আমাদেরকে ভালো হাদীস বর্ণনা করবেন। কিন্তু আমাদের আগেই হকম নামের একজন লোক কথা বললো। সে বললো, “হে আবু আব্দুল রহমান! ফিতনার যুগে যুদ্ধ সম্পর্কে আপনার মতামত কি?” তিনি বললেন, “তোমার মা তোমার জন্যে কান্না করুক, তুমি কি জানো ফিতনা কি? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুশরিকদের সাথে যুদ্ধ করতেন, কেননা তাদের মাঝে বা তাদের ধর্মের মধ্যে প্রবেশ করাটা ছিলো ফিতনা স্বরূপ। আর ঐ যুদ্ধ এমনটা ছিলো না, যেমনটা আজকে তোমরা সরকারের স্বার্থে যুদ্ধ করছো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5433 OK

(৫৪৩৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَرَأَ فِي الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ وَالرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ بِضْعًا وَعِشْرِينَ مَرَّةً أَوْ بِضْعَ عَشْرَةَ مَرَّةً قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ وَ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের আগে এবং মাগরিবের পরে দুই রাকাত সুন্নত নামাযে, সূরা আল-কাফিরুন এবং সূরা আল-ইখলাস বিশবার বা দশবার করে পাঠ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5434 OK

(৫৪৩৪)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ فُضَيلٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ أَخَّرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةَ الْعِشَاءِ حَتَّى نَامَ النَّاسُ وَتَهَجَّدَ الْمُتَهَجِّدُونَ وَاسْتَيْقَظَ الْمُسْتَيْقِظُ فَخَرَجَ فَأُقِيمَتْ الصَّلَاةُ وَقَالَ لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَخَّرْتُهَا إِلَى هَذَا الْوَقْتِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এশার সালাত এতো বিলম্বিত করলেন যে, যারা সালাত আদায় করতে চেয়ে ছিলো, তারা সালাত আদায় করে ছিলো, যারা জেগে থাকতে চেয়ে ছিলো, তারা জেগে ছিলো, যারা ঘুমিয়ে থাকতে চেয়ে ছিলো, তারা ঘুমিয়ে ছিলো এবং যারা তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করতে চেয়ে ছিলো, তারা তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করে ছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাইরে এসে বললেন, “আমি যদি আমার উম্মতের উপর কষ্টের আশঙ্কা না করতাম, তাহলে আমি তাদেরকে এই সময়েই এশার নামায পড়ার নির্দেশ দিতাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৩৪]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5435 OK

(৫৪৩৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ عَقِيلٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَسَاهُ حُلَّةً سِيَرَاءَ وَكَسَا أُسَامَةَ قُبْطِيَّتَيْنِ ثُمَّ قَالَ مَا مَسَّ الْأَرْضَ فَهُوَ فِي النَّارِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে একটি রেশমী কাপড় দিলেন এবং সাইয়্যিদুনা উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে একজোড়া রেশমী কাপড় দিলেন এবং বললেন যে, “কাপড়ের যে অংশ মাটিতে পড়বে, তা জাহান্নামে থাকবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5436 OK

(৫৪৩৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ إِيَادِ بْنِ لَقِيطٍ حَدَّثَنَا إِيَادٌ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ نُعْمٍ أَوْ نُعَيْمٍ الْأَعْرَجِيِّ شَكَّ أَبُو الْوَلِيدِ قَالَ سَأَلَ رَجُلٌ ابْنَ عُمَرَ عَنْ الْمُتْعَةِ وَأَنَا عِنْدَهُ مُتْعَةِ النِّسَاءِ فَقَالَ وَاللَّهِ مَا كُنَّا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَانِينَ وَلَا مُسَافِحِينَ ثُمَّ قَالَ وَاللَّهِ لَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَيَكُونَنَّ قَبْلَ يَوْمِ الْقِيَامَةِ الْمَسِيحُ الدَّجَّالُ وَكَذَّابُونَ ثَلَاثُونَ أَوْ أَكْثَرُ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ إِيَادِ بْنِ لَقِيطٍ أَخْبَرَنَا إِيَادٌ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَعْرَجِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَلَمْ يَشُكَّ فِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ


হজরত আব্দুর রহমান আল-আরজি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি আমার উপস্থিতিতে হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নারীদের সঙ্গে যৌন মিলন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বললেন যে, “আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে কোনো অনৈতিক বা যৌন অনৈতিক কাজ করিনি।” তিনি আরো বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, “কিয়ামতের পূর্বে খ্রীষ্ট দাজ্জাল এবং ত্রিশ বা ততোধিক মিথ্যাবাদী অবশ্যই আসবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5437 OK

(৫৪৩৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ حَدَّثَنَا خَارِجَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللَّهُمَّ أَعِزَّ الْإِسْلَامَ بِأَحَبِّ هَذَيْنِ الرَّجُلَيْنِ إِلَيْكَ بِأَبِي جَهْلٍ أَوْ بِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَكَانَ أَحَبُّهُمَا إِلَى اللَّهِ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ইসলামের শুরুতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই দোয়াটি বলেছিলেন,

اللَّهُمَّ أَعِزَّ الْإِسْلَامَ بِأَحَبِّ هَذَيْنِ الرَّجُلَيْنِ إِلَيْكَ بِأَبِي جَهْلٍ أَوْ بِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ

“হে আল্লাহ! আপনার দৃষ্টিতে আবু জেহেল বা উমর ইবনে খাত্তাবের মধ্যে যে বেশি প্রিয়ো, আপনি তার মাধ্যমে ইসলামকে শক্তিশালী করুন।”
এর কিছু দিন পর উমর ইবনে খাত্তাব ইসলাম গ্রহণ করলেন। সুতরাং জানা গেলো যে, উমর ইবনে খাত্তাব আল্লাহর নিকট বেশি প্রিয়ো। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5438 OK

(৫৪৩৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ حَدَّثَنَا خَارِجَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ جَعَلَ الْحَقَّ عَلَى قَلْبِ عُمَرَ وَلِسَانِهِ قَالَ وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ مَا نَزَلَ بِالنَّاسِ أَمْرٌ قَطُّ فَقَالُوا فِيهِ وَقَالَ فِيهِ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَوْ قَالَ عُمَرُ إِلَّا نَزَلَ الْقُرْآنُ عَلَى نَحْوٍ مِمَّا قَالَ عُمَرُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তায়ালা হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর অন্তর ও জিহ্বাতে সত্য প্রকাশ করেছেন।” যদি হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতামত ও অন্যান্য লোকদের মতামত ভিন্ন হতো, তবে হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতামতের অনুরূপ পবিত্র কোরআন নাজিল হতো। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5439 OK

(৫৪৩৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا مَطَرٌ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَافَرْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَعَ عُمَرَ فَكَانَا لَا يَزِيدَانِ عَلَى رَكْعَتَيْنِ وَكُنَّا ضُلَّالًا فَهَدَانَا اللَّهُ بِهِ فَبِهِ نَقْتَدِي


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাইয়্যিদুনা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সফর করেছি। তাঁরা উভয়েই সফরেরে সময় দুই রাকাত নামায পড়েছেন। আমরা গুমরাহ ছিলাম, এরপর আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে হেদায়েত দান করেছেন, রহমত, শান্তি ও বরকত দান করেছেন। সুতরাং এখন আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পথকেই অনুসরণ করবো।
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5440 OK

(৫৪৪০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَرَأَ فِي الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ وَالرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ بِضْعًا وَعِشْرِينَ مَرَّةً أَوْ بِضْعَ عَشْرَةَ مَرَّةً قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ وَ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের আগে এবং মাগরিবের পরে দুই রাকাত সুন্নত নামাযে, সূরা আল-কাফিরুন এবং সূরা আল-ইখলাস বিশবার বা দশবার করে পাঠ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5441 OK

(৫৪৪১)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ أَبِي الْأَخْضَرِ حَدَّثَنَا ابْنُ شِهَابٍ عَنْ سَالِمٍ قَالَ كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ يُفْتِي بِالَّذِي أَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ مِنْ الرُّخْصَةِ بِالتَّمَتُّعِ وَسَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهِ فَيَقُولُ نَاسٌ لِابْنِ عُمَرَ كَيْفَ تُخَالِفُ أَبَاكَ وَقَدْ نَهَى عَنْ ذَلِكَ فَيَقُولُ لَهُمْ عَبْدُ اللَّهِ وَيْلَكُمْ أَلَا تَتَّقُونَ اللَّهَ إِنْ كَانَ عُمَرُ نَهَى عَنْ ذَلِكَ فَيَبْتَغِي فِيهِ الْخَيْرَ يَلْتَمِسُ بِهِ تَمَامَ الْعُمْرَةِ فَلِمَ تُحَرِّمُونَ ذَلِكَ وَقَدْ أَحَلَّهُ اللَّهُ وَعَمِلَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَفَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحَقُّ أَنْ تَتَّبِعُوا سُنَّتَهُ أَمْ سُنَّةَ عُمَرَ إِنَّ عُمَرَ لَمْ يَقُلْ لَكُمْ إِنَّ الْعُمْرَةَ فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ حَرَامٌ وَلَكِنَّهُ قَالَ إِنَّ أَتَمَّ الْعُمْرَةِ أَنْ تُفْرِدُوهَا مِنْ أَشْهُرِ الْحَجِّ


হজরত সেলিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হযরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুও তামাত্তু হজের বিষয়ে সেইভাবে রায় দিতেন, যেভাবে আল্লাহ কুরআনে বিধান নাযিল করেছেন এবং তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ দ্বারাও প্রমাণিত। কিন্তু কিছু লোক তাকে বলতো যে, “আপনার বাবা তো হজের মৌসুমে উমরা করতে নিষেধ করতেন, তাহলে আপনি কেনো তার বিরোধিতা করেন?” হযরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদের জবাব দিতেন যে, “তোমরা কি আল্লাহকে ভয় করো না? যদি সাইয়্যিদুনা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হজের মৌসুমে উমরা করতে নিষেধ করে থাকেন, তাহলে তাঁর দৃষ্টিতে এটা ভালো ছিলো যে, মানুষ ঐ সময় উমরা সম্পূর্ণ করবে, যখন আল্লাহ তা হালাল করেছেন এবং রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা অনুসরণ করেছেন। তাহলে তোমরা কেনো নিজেরা ঐ সময়ে উমরা করা নিষেধ করছো? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত অনুসরণ করা কি উত্তম, নাকি উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সুন্নত? সায়্যিদুনা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তোমাদেরকে এ কথা বলেননি যে, হজের মৌসুমে উমরা করা হারাম। তিনি শুধু এ কথা বলেছেন যে, তোমরা হজের মাস ব্যতীত, অন্য কোনো মাসে উমরার জন্যে আলাদা ভাবে সফর করবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5442 OK

(৫৪৪২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ أَرَاكَ تُزَاحِمُ عَلَى هَذَيْنِ الرُّكْنَيْنِ قَالَ إِنْ أَفْعَلْ فَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ مَسْحَهُمَا يَحُطَّانِ الْخَطَايَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

উবায়দ বিন উমায়ের একবার হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন, “আমি দেখছি আপনি কালো পাথর ও ইয়ামানি স্তম্ভ, এই দুটি স্তম্ভ স্পর্শ করার জন্যে ছুটে আসেন, এর কারণ কী?” হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি যদি এটা করি, তাহলে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “রুকনে ইয়ামানী ও হাজরে আসওয়াদকে স্পর্শ করা ব্যক্তির গুনাহ আল্লাহ তায়ালা মাফ করে দেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5443 OK

(৫৪৪৩)

সহিহ হাদিস

قَالَ وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ مَنْ طَافَ بِهَذَا الْبَيْتِ أُسْبُوعًا يُحْصِيهِ كُتِبَ لَهُ بِكُلِّ خُطْوَةٍ حَسَنَةٌ وَكُفِّرَ عَنْهُ سَيِّئَةٌ وَرُفِعَتْ لَهُ دَرَجَةٌ وَكَانَ عَدْلَ عِتْقِ رَقَبَةٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতেও শুনেছি যে, “যে ব্যক্তি গণনা করে তাওয়াফের সাত চক্কর সম্পন্ন করবে, অতঃপর আরো দুই বার তাওয়াফ করবে, তাহলে প্রতিটি ধাপে একটি করে নেকী লেখা হবে, একটি করে গুনাহ মুছে ফেলা হবে, একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হবে এবং একটি ক্রীতদাস মুক্ত করার সমান নেকী লেখা হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5444 OK

(৫৪৪৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ يَعْنِي ابْنَ عَيَّاشٍ عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ قُعَيْسٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَيَكُونُ عَلَيْكُمْ أُمَرَاءُ يَأْمُرُونَكُمْ بِمَا لَا يَفْعَلُونَ فَمَنْ صَدَّقَهُمْ بِكِذْبِهِمْ وَأَعَانَهُمْ عَلَى ظُلْمِهِمْ فَلَيْسَ مِنِّي وَلَسْتُ مِنْهُ وَلَنْ يَرِدَ عَلَيَّ الْحَوْضَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “শীঘ্রই আমার পরে এমন শাসক আসবে, যারা এমন কথা বলবে, যা তারা নিজেরা করে না। আর তারা এমন কাজ করবে, যা করতে তাদেরকে আদেশ দেওয়া হয়নি। যে ব্যক্তি তাদের মিথ্যাকে সমর্থন করবে ও তাদের জুলুমে তাদেরকে সাহায্য করবেন, তার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আর আমার সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং সে হাউজে কাউসারে আমার কাছে আসতে পারবে না।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5445 OK

(৫৪৪৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১১০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الْأَعْمَشُ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ اسْتَعَاذَ بِاللَّهِ فَأَعِيذُوهُ وَمَنْ سَأَلَكُمْ بِاللَّهِ فَأَعْطُوهُ وَمَنْ دَعَاكُمْ فَأَجِيبُوهُ وَمَنْ أَتَى إِلَيْكُمْ مَعْرُوفًا فَكَافِئُوهُ فَإِنْ لَمْ تَجِدُوا مَا تُكَافِئُوهُ فَادْعُوا لَهُ حَتَّى تَعْلَمُوا أَنْ قَدْ كَافَأْتُمُوهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে তামাদের কাছে আশ্রয় চায়, তোমরা তাকে আশ্রয় দাও। যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে তামাদের কাছে কিছু চায়, তোমরা তাকে তা দাও। যে ব্যক্তি তামাদেরকে দাওয়াত দেয়, তোমরা তা গ্রহণ করো। যে ব্যক্তি তামাদের কোনো ভালো করে, তোমরা তাকে পুরস্কৃত করো। যদি তোমাদের কাছে তাকে প্রতিদান দেওয়ার মতো কিছু না থাকে, তবে তার জন্যে এতো বেশি দোয়া করো যে, যেনো তোমরা নিশ্চিত হয়ে যাও যে, তোমরা তাকে পুরস্কৃত করেছো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস