(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৮৭১টি]



4936 OK

(৪৯৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩২৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلًا يَعِظُ أَخَاهُ فِي الْحَيَاءِ فَقَالَ الْحَيَاءُ مِنْ الْإِيمَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ব্যক্তির নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে তার ভাইকে বেশি লজ্জা না করার জন্যে নসীহত করছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, “এই বিষয়ে তাকে নসীহত করা হতে বিরত থাকো। কেননা লজ্জা ঈমানের অঙ্গ স্বরূপ।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4937 OK

(৪৯৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৩৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ حَدَّثَهُمْ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَصْلُحُ بَيْعُ الثَّمَرِ حَتَّى يَتَبَيَّنَ صَلَاحُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ফল বা খেজুর সম্পূর্ণ পাকা না হওয়া পর্যন্ত, বিক্রি করা বৈধ নয়।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4938 OK

(৪৯৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৩১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ عَنْ أَبِيهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا قَالَ خَرَجْنَا مَعَ ابْنِ عُمَرَ فَصَلَّيْنَا الْفَرِيضَةَ فَرَأَى بَعْضَ وَلَدِهِ يَتَطَوَّعُ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ فِي السَّفَرِ فَلَمْ يُصَلُّوا قَبْلَهَا وَلَا بَعْدَهَا قَالَ ابْنُ عُمَرَ وَلَوْ تَطَوَّعْتُ لَأَتْمَمْتُ


হজরত হাফস বিন আসিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমরা সাইয়্যিদুনা ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সাথে সফরে গিয়ে ফরজ নামায পড়লাম। কিছুক্ষণ পর সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর এক ছেলেকে লক্ষ্য করলেন যে, সে নফল নামায পড়ছে। তিনি বললেন, “আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তিন খলিফার সাথে সফরে কসর নামায পড়েছি, কিন্তু তারা সবাই ফরজ নামায আদায়ের আগে বা পরে কোনো নফল নামায আদায় করতেন না। আমি যদি সফরে নফল নামায পড়তাম, তাহলে আমি আমার ফরজ নামায পুরো রাকাতই পড়তাম, কসর নামায পড়তাম না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4939 OK

(৪৯৩৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَمَعَ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ بِجَمْعٍ بِإِقَامَةٍ وَلَمْ يُسَبِّحْ بَيْنَهُمَا وَلَا عَلَى أَثَرِ وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুযদালিফায় মাগরিব ও এশার নামায একই ইকামাতে আদায় করেছেন এবং উভয়ের মাঝে বা পরে নফল নামায আদায় করেননি। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4940 OK

(৪৯৪০)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ كُهَيْلٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْحَكَمِ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ نَبِيذِ الْجَرِّ وَالدُّبَّاءِ فَقَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ نَبِيذِ الْجَرِّ وَالدُّبَّاءِ وَقَالَ مَنْ سَرَّهُ أَنْ يُحَرِّمَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ تَعَالَى وَرَسُولُهُ فَلْيُحَرِّمْ النَّبِيذَ قَالَ وَسَأَلْتُ ابْنَ الزُّبَيْرِ فَقَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الدُّبَّاءِ وَالْجَرِّ قَالَ وَسَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَحَدَّثَ عَنْ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ الدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ قَالَ وَحَدَّثَنِي أَخِي عَنْ أَبِي سَعِيدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ الْجَرِّ وَالدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ وَالْبُسْرِ وَالتَّمْرِ


আবুল হাকাম থেকে বর্ণিতঃ

আমি ইবনুল আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে কলসীতে বানানো ফলের রসের মদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কলসী ও লাউয়ের খোলে করে বানানো ফলের রসের মদ নিষিদ্ধ করেছেন এবং বলেছেন, আল্লাহ ও তার রাসূলের নিষিদ্ধকৃত জিনিসকে বর্জন করা যার কাছে আনন্দদায়ক, সে যেন ফলের রসের মদ বর্জন করে। ইবনুয যুবাইরও রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কলসী ও লাউয়ের খোলে করে বানানো মদ নিষিদ্ধ করেছেন। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুও উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লাউয়ের খোলে করে বানানো মদ ও মুযাফফাত (আলকাতরার মত কালো এক ধরনের তরল মাদক) নিষিদ্ধ করেছেন। আবু সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু ও বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কলসী, লাউয়ের খোল, মুযাফফাত এবং কাচা খেজুর ও খোরমার নির্যাস দিয়ে তৈরী মদ নিষিদ্ধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4941 OK

(৪৯৪১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৮০৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ وَحَجَّاجٌ قَالَ حَدَّثَنِي شُعْبَةُ سَمِعْتُ مُسْلِمَ بْنَ يَنَّاقٍ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ رَأَى رَجُلًا يَجُرُّ إِزَارَهُ فَقَالَ مِمَّنْ أَنْتَ فَانْتَسَبَ لَهُ فَإِذَا رَجُلٌ مِنْ بَنِى لَيْثٍ فَعَرَفَهُ ابْنُ عُمَرَ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأُذُنَيَّ هَاتَيْنِ يَقُولُ مَنْ جَرَّ إِزَارَهُ لَا يُرِيدُ بِذَلِكَ إِلَّا الْمَخِيلَةَ فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى لَا يَنْظُرُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ


হজরত মুসলিম বিন ইয়ানাক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এক ব্যক্তিকে তার কাপড় মাটিতে টেনে নিয়ে যেতে দেখলেন। তখন তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কোথা থেকে এসেছেন?” যখন তিনি তার বংশ বর্ণনা করলেন, তখন দেখা গেলো যে, তিনি বনু লায়তের লোক। সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে শনাক্ত করলেন এবং তারপর বললেন, “আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমার উভয় কান দিয়ে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি অহঙ্কার বশত তার কাপড় মাটিতে টেনে নিয়ে হাঁটে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার প্রতি দয়া করবেন না’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4942 OK

(৪৯৪২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ بِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সওয়ারীর উপর নফল নামায পড়তেন, সওয়ারী যে দিকেই মুখ করে থাকতো না কেনো। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4943 OK

(৪৯৪৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৩৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ سَأَلَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ تُصِيبُنِي الْجَنَابَةُ مِنْ اللَّيْلِ فَمَا أَصْنَعُ قَالَ اغْسِلْ ذَكَرَكَ ثُمَّ تَوَضَّأْ ثُمَّ ارْقُدْ


উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেন, “রাতে (যদি) আমার বীর্যপাত হয় তখন কী করবো?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমার যৌনাঙ্গ ধুয়ে ফেলো, তারপর ওযূ করো। তারপর ঘুমাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4944 OK

(৪৯৪৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২৬৩২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِي مُعَاوِيةُ بْنُ عَمْرٍو قَالَ زَائِدَةُ حَدَّثَنَا سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اجْتَنِبُوا أَنْ تَشْرَبُوا فِي الْحَنْتَمِ وَالدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ وَاشْرَبُوا فِي السِّقَاءِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “দুব্বা (লাউয়ের খোলসের পাত্র), হান্তাম (মাটির সবুজ পাত্র বিশেষ), মুযাফফাত (তৈলাক্ত পাত্র বিশেষ) পাত্র থেকে তোমরা পানি পান করো না, বরং তোমরা মাটির পাত্র থেকে পানি পান করো।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4945 OK

(৪৯৪৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৭০৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْأَعْمَشِ سَمِعَ أَبَا وَائِلٍ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ لِكُلِّ غَادِرٍ لِوَاءٌ وَيُقَالُ هَذِهِ غَدْرَةُ فُلَانٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কেয়ামতের দিন প্রত্যেক প্রতারকের জন্যে একটি পতাকা থাকবে। আর বলা হবে যে, ‘এটি অমুক প্রতারকের পতাকা’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4946 OK

(৪৯৪৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي ابْنُ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَلْبَسَ الْمُحْرِمُ ثَوْبًا مَسَّهُ زَعْفَرَانٌ أَوْ وَرْسٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুহাররমকে যাফরান বা ওয়ারস (এক প্রকার হলুদ রঙের তৃণ জাতীয় সুগন্ধি) রঙের রঞ্জিত কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4947 OK

(৪৯৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنْ بَيَانٍ عَنْ وَبَرَةَ قَالَ قَالَ رَجُلٌ لِابْنِ عُمَرَ أَطُوفُ بِالْبَيْتِ وَقَدْ أَحْرَمْتُ بِالْحَجِّ قَالَ وَمَا بَأْسُ ذَلِكَ قَالَ إِنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ نَهَى عَنْ ذَلِكَ قَالَ قَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحْرَمَ بِالْحَجِّ وَطَافَ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

জনৈক ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে জিজ্ঞেস করলো যে, “আমি যদি হজ্জের ইহরাম বেঁধে থাকি, তাহলে কি আমি আল্লাহর ঘর প্রদক্ষিণ করতে পারবো?” তিনি বললেন, “এতে দোষ কি?” লোকটি বললো যে, “আসলে সাইয়্যিদুনা ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এটা করতে নিষেধ করেছেন।” সায়্যিদনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন যে, “আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হজ্জের ইহরাম পরিধান করতে দেখেছি এবং তিনি বায়তুল্লাহ তাওয়াফও করেছেন এবং সাফা ও মারওয়ার মধ্যে সায়ী করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4948 OK

(৪৯৪৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩২৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “বিলাল কেবল মাত্র রাতেই আযান দেয়, সুতরাং ইবনে উম্মে মাকতুম আযান না দেওয়া পর্যন্ত, তোমরা সেহরীর জন্যে পানাহার করতে থাকো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4949 OK

(৪৯৪৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৭৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَلَا لَا تُحْتَلَبَنَّ مَاشِيَةُ امْرِئٍ إِلَّا بِإِذْنِهِ أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ تُؤْتَى مَشْرُبَتُهُ فَيُكْسَرَ بَابُهَا ثُمَّ يُنْتَثَلَ مَا فِيهَا فَإِنَّمَا فِي ضُرُوعِ مَوَاشِيهِمْ طَعَامُ أَحَدِهِمْ أَلَا فَلَا تُحْتَلَبَنَّ مَاشِيَةُ امْرِئٍ إِلَّا بِإِذْنِهِ أَوْ قَالَ بِأَمْرِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা মালিকদের অনুমতি ব্যতীত, তার পশুদের দুধ দোহন করবে না এবং তা নিজের কাজে ব্যবহার করবে না। তোমাদের মধ্যে কেউ কি এটা পছন্দ করবে যে, কেউ তার গুদাম ঘরের দরজা ভেঙ্গে, তার সব কিছু বের করে নিয়ে যাক? তোমরা মনে রাখবে যে! পশুদের তলপেটে মালিকদের জন্যে খাবার থাকে, তাই মালিকদের অনুমতি ব্যতীত, তার পশুদের দুধ দোহন করা উচিত নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4950 OK

(৪৯৫০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৩৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ سَمِعْتُ بُرْدًا عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَبِيتُ أَحَدٌ ثَلَاثَ لَيَالٍ إِلَّا وَوَصِيَّتُهُ مَكْتُوبَةٌ قَالَ فَمَا بِتُّ مِنْ لَيْلَةٍ بَعْدُ إِلَّا وَوَصِيَّتِي عِنْدِي مَوْضُوعَةٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রত্যেক মুসলমানের উচিত যে, সে যেনো তার কাছে লিখিত ওসীয়ত ছাড়া, তিন রাত না কাটায়।” হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “সেদিনের পর থেকে এমন একটি রাতও যায় নি, যেদিন আমার কাছে আমার ওসিয়ত লেখা নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4951 OK

(৪৯৫১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ حَدَّثَنَا نَافِعٌ قَالَ وَجَدَ ابْنُ عُمَرَ الْقُرَّ وَهُوَ مُحْرِمٌ فَقَالَ أَلْقِ عَلَيَّ ثَوْبًا فَأَلْقَيْتُ عَلَيْهِ بُرْنُسًا فَأَخَّرَهُ وَقَالَ تُلْقِي عَلَيَّ ثَوْبًا قَدْ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَلْبَسَهُ الْمُحْرِمُ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার ইহরাম অবস্থায়, সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ঠাণ্ডা অনুভব করেন। তিনি আমাকে কিছু কাপড় দিতে বলেন। আমি তাকে একটি টুপি পরিয়ে দিতে গেলে, তিনি তা ফিরিয়ে দিলেন এবং বললেন, “মনে হচ্ছে তুমি আমার গায়ে এমন একটি কাপড় পরিয়ে দিতে চাচ্ছো, যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহরামের সময় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4952 OK

(৪৯৫২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৫৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يُحَدِّثُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَزُورُهُ رَاكِبًا وَمَاشِيًا يَعْنِي مَسْجِدَ قُبَاءَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পায়ে হেঁটে ও ঘোড়ায় চড়ে মসজিদ কুবাতে আসতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4953 OK

(৪৯৫৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْخَيْلُ بِنَوَاصِيهَا الْخَيْرُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের দিন পর্যন্ত ঘোড়ার কপালের কেশ গুচ্ছে কল্যাণ স্থাপন করা হয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4954 OK

(৪৯৫৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتَلِمُ الْحَجَرَ الْأَسْوَدَ فَلَا أَدَعُ اسْتِلَامَهُ فِي شِدَّةٍ وَلَا رَخَاءٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি নিজে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কালো পাথরকে স্পর্শ করতে দেখেছি, তাই আমি কালো পাথরকে স্পর্শ করতে থাকবো, তা কঠোর বা নরম যাই হোক না কেনো। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4955 OK

(৪৯৫৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৯৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَجُلًا لَاعَنَ امْرَأَتَهُ وَانْتَفَى مِنْ وَلَدِهَا فَفَرَّقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَهُمَا فَأَلْحَقَ الْوَلَدَ بِالْمَرْأَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি তার স্ত্রী স্পর্কে যিনাহের অভিযোগ করেছিলো এবং তার সাথে তার সন্তানের সম্পর্ক প্রত্যাখ্যান করেছিলো। তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঐ ব্যক্তি ও তার স্ত্রীকে লিয়ান করার আদেশ দিয়েছিলেন। পরে তাদেরকে তিনি তালাকের মাধ্যমে পরস্পর থেকে আলাদা করে দিয়েছিলেন। আর সন্তানটিকে মায়ের হাতে তুলে দিয়েছিলেন।
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4956 OK

(৪৯৫৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ يَوْمًا يَصُومُهُ أَهْلُ الْجَاهِلِيَّةِ فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ سُئِلَ عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ هُوَ يَوْمٌ مِنْ أَيَّامِ اللَّهِ تَعَالَى مَنْ شَاءَ صَامَهُ وَمَنْ شَاءَ تَرَكَهُ حَدَّثَنَا رَوْحٌ أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْأَخْنَسِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ فَذَكَرَ مِثْلَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

জাহিলিয়াতের সময় লোকেরা ১০ই মহররমের রোজা রাখতো। যখন রমজান মাসে রোজা রাখার হুকুম নাজিল, তখন লোকেরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ১০ই মহররমের রোজা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এটি আল্লাহর একটি দিন, ঐ দিন যে ব্যক্তি রোজা রাখতে চায়, সে রোজা রাখতে পারে আর যে ব্যক্তি রোজা রাখতে চায় না, সে রোজা ছেরে দিতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4957 OK

(৪৯৫৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৭০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنِي سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ أَنَّ نَاسًا دَخَلُوا عَلَى ابْنِ عَامَرٍ فِي مَرَضِهِ فَجَعَلُوا يُثْنُونَ عَلَيْهِ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ أَمَا إِنِّي لَسْتُ بِأَغَشِّهِمْ لَكَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى لَا يَقْبَلُ صَدَقَةً مِنْ غُلُولٍ وَلَا صَلَاةً بِغَيْرِ طُهُورٍ


হজরত মুসআব ইবনে সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

কিছু লোক অসুস্থ ব্যক্তির সেবা করার জন্যে ইবনে আমীরের কাছে এসে, তার প্রশংসা করতে শুরু করে। ইবনে আমীর বললেন যে, “আমি তোমাদেরকে এর চেয়ে বেশি প্রশংসা করতে দিবো না। কেননা আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, ‘গনীমতের মাল থেকে চুরি করা কোনো কিছুর দান, আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন না এবং পবিত্রতা (ওযু) ছাড়া সালাত কবুল করেন না’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4958 OK

(৪৯৫৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৯১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ أَبِي عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ وَهُوَ مُوَجِّهٌ إِلَى خَيْبَرَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি খায়বার যাওয়ার সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি যে, তিনি একটি গাধার উপর বসে নামায পড়ছেন।

[মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4959 OK

(৪৯৫৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عُمَرَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ قَالَ قَالَ لِي ابْنُ عُمَرَ أَمَا لَكَ بِرَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُوتِرُ عَلَى بَعِيرِهِ وَقَرَأْتُهُ عَلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ : مَالِكٌ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ


হজরত সাঈদ বিন ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বললেন, “তোমার জন্যে কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যক্তিত্বের মধ্যে উত্তম আদর্শ নেই? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উটে চড়ে বিতর পড়তেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4960 OK

(৪৯৬০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৩৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ জুমুআর নামাযের জন্যে আসে, তখন সে যেনো গোসল করে আসে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4961 OK

(৪৯৬১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا حَنْظَلَةُ الْجُمَحِيُّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا اسْتَأْذَنَكُمْ نِسَاؤُكُمْ إِلَى الْمَسَاجِدِ فَأْذَنُوا لَهُنَّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কারোর স্ত্রী মসজিদে যাওয়ার অনুমতি চায়, তখন তোমরা তাকে অনুমতি দিবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4962 OK

(৪৯৬২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا أَبَانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجَلِيُّ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَفْصٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ خَرَجَ يَوْمَ عِيدٍ فَلَمْ يُصَلِّ قَبْلَهَا وَلَا بَعْدَهَا فَذَكَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ঈদের দিন ঘর থেকে বের হয়ে, ঈদের নামাযের আগে বা পরে কোনো নফল সালাত আদায় করেননি এবং বলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও তাই করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4963 OK

(৪৯৬৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৭৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ عَنْ أَبِي حَنْظَلَةَ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ الصَّلَاةِ فِي السَّفَرِ فَقَالَ الصَّلَاةُ فِي السَّفَرِ رَكْعَتَيْنِ فَقَالَ إِنَّا آمِنُونَ لَا نَخَافُ أَحَدًا قَالَ سُنَّةُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবু হানযালা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমরকে সফরের নামায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, “সফরের নামায দুই রাকাত।” আমি বললাম, “এখন তো সব জায়গায় মুসলমানদের বিজয় সূচিত হয়েছে এবং শত্রু পক্ষের দিক থেকে কোনো ভয় নেই। তাহলে কি নামায সংক্ষেপ করার কোনো প্রয়োজন আছে?” তিনি বললেন, “এটা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4964 OK

(৪৯৬৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬২৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَنْبَأَنَا شُعْبَةُ عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ خُبَيْبٍ عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ سِتَّ سِنِينَ بِمِنًى فَصَلَّوْا صَلَاةَ الْمُسَافِرِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি মিনায় ছয় বছর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে, সাইয়্যিদুনা আবু বক্কর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে, সাইয়্যিদুনা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে এবং সাইয়্যিদুনা উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথেও সালাত আদায় করেছি। সকলেই মুসাফিরের সালাত (দুই রাকাত সালাত) আদায় করেছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4965 OK

(৪৯৬৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَرَأَ فِي الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ وَالرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ بِضْعًا وَعِشْرِينَ مَرَّةً أَوْ بِضْعَ عَشْرَةَ مَرَّةً قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ وَ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের আগে এবং মাগরিবের পরে দুই রাকাত সুন্নত নামাযে, সূরা আল-কাফিরুন এবং সূরা আল-ইখলাস বিশবার বা দশবার করে পাঠ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস