(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৯৩১টি]



4876 OK

(৪৮৭৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ أَنَّهُ سَمِعَ عَلِيًّا الْأَزْدِيَّ يُحَدِّثُ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ يُحَدِّثُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ صَلَاةُ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ مَثْنَى مَثْنَى وَكَانَ شُعْبَةُ يَفْرَقُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “রাত ও দিনের নফল নামাজ হলো দুই রাকাত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4877 OK

(৪৮৭৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৭০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنِي سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ أَنَّ نَاسًا دَخَلُوا عَلَى ابْنِ عَامَرٍ فِي مَرَضِهِ فَجَعَلُوا يُثْنُونَ عَلَيْهِ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ أَمَا إِنِّي لَسْتُ بِأَغَشِّهِمْ لَكَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى لَا يَقْبَلُ صَدَقَةً مِنْ غُلُولٍ وَلَا صَلَاةً بِغَيْرِ طُهُورٍ


হজরত মুসআব ইবনে সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

কিছু লোক অসুস্থ ব্যক্তির সেবা করার জন্যে ইবনে আমীরের কাছে এসে, তার প্রশংসা করতে শুরু করে। ইবনে আমীর বললেন যে, “আমি তোমাদেরকে এর চেয়ে বেশি প্রশংসা করতে দিবো না। কেননা আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, ‘গনীমতের মাল থেকে চুরি করা কোনো কিছুর দান, আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন না এবং পবিত্রতা (ওযু) ছাড়া সালাত কবুল করেন না’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4878 OK

(৪৮৭৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬২৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاذٌ حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ قَالَ كَتَبْتُ إِلَى نَافِعٍ أَسْأَلُهُ هَلْ كَانَتْ الدَّعْوَةُ قَبْلَ الْقِتَالِ قَالَ فَكَتَبَ إِلَيَّ إِنَّ ذَاكَ كَانَ فِي أَوَّلِ الْإِسْلَامِ وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أَغَارَ عَلَى بَنِي الْمُصْطَلِقِ وَهُمْ غَارُّونَ وَأَنْعَامُهُمْ تُسْقَى عَلَى الْمَاءِ فَقَتَلَ مُقَاتِلَتَهُمْ وَسَبَى سَبْيَهُمْ وَأَصَابَ يَوْمَئِذٍ جُوَيْرِيَةَ ابْنَةَ الْحَارِثِ وَحَدَّثَنِي بِهَذَا الْحَدِيثِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ وَكَانَ فِي ذَلِكَ الْجَيْشِ


হজরত ইবনে আউন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি নাফিকে একটি চিঠি লিখেছিলাম, যাতে আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, “যুদ্ধের পূর্বে বিধর্মীদের প্রতি দ্বীনের দাওয়াত দেওয়া প্রয়োজন কিনা?” তিনি আমাকে উত্তরে লিখেছিলেন যে, “এ প্রথা ইসলামের প্রারম্ভিক যুগে ছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বানূ মুসতালিকের উপর অতর্কিত আক্রমণ করলেন, এমন অবস্থায় যে, তখন তাদের পশুদের পানি পান করানো হচ্ছিলো। তিনি তাদের যোদ্ধাদের হত্যা করলেন এবং বাকীদের বন্দী করলেন। আর সেই দিনেই হারিসের কন্যা তাঁর হস্তগত হয়েছিলো। আমাকে এই হাদিসটি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, যিনি ঐ যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেছিলেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4879 OK

(৪৮৭৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ وَحَجَّاجٌ قَالَ حَدَّثَنِي شُعْبَةُ سَمِعْتُ قَتَادَةَ يُحَدِّثُ عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَبِشْرِ بْنِ الْمُحْتَفِزِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ فِي الْحَرِيرِ إِنَّمَا يَلْبَسُهُ مَنْ لَا خَلَاقَ لَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রেশম সম্পর্কে বলেছেন, “এটি এমন ব্যক্তি পরিধান করে, যার পরকালে কোনো অংশ নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4880 OK

(৪৮৮০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৪৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ صَلَاةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى وَالْوِتْرُ رَكْعَةٌ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “রাতের নামায হলো দুই রাকাত, দুই রাকাত করে। আর বিতর নামায হলো, রাতের শেষ অংশে এক রাকাত। আর যখন তোমরা ফজরের আশঙ্কা করো, তখন তোমরা বিতর পড়ে নাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4881 OK

(৪৮৮১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ وَحَجَّاجٌ قَالَ حَدَّثَنِي شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ سَلْمَانَ قَالَ حَجَّاجٌ فِي حَدِيثِهِ سَمِعْتُ الْمُغِيرَةَ بْنَ سَلْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ كَانَتْ صَلَاةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الَّتِي لَا يَدَعُ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ الظُّهْرِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَهَا وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعِشَاءِ وَرَكْعَتَيْنِ قَبْلَ الصُّبْحِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যে নামায গুলো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো পরিত্যাগ করেননি তা হলো, যোহরের নামাযের আগে দুই রাকাত এবং তার পরে দুই রাকাত, মাগরিবের নামাযের পরে দুই রাকাত, ইশার নামাযের পরে দুই রাকাত এবং দুই রাকাত ফজরের নামাজের আগে। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4882 OK

(৪৮৮২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৮৩৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ قَالَ وَجَدْتُ فِي كِتَابِ أَبِي حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ وَثَّابٍ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ الْغُسْلِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ قَالَ فَقَالَ أَمَرَنَا بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত ইয়াহইয়া বিন ওয়াথাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি হযরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জুমার গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বলেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে তা করার নির্দেশ দিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4883 OK

(৪৮৮৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৮২৩] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ قَالَ وَجَدْتُ فِي كِتَابِ أَبِي حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ رَجُلٍ مِنْ نَجْرَانَ أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ عُمَرَ فَقَالَ إِنَّمَا أَسْأَلُكَ عَنْ اثْنَتَيْنِ عَنْ الزَّبِيبِ وَالتَّمْرِ وَعَنْ السَّلَمِ فِي النَّخْلِ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ أُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِرَجُلٍ سَكْرَانَ فَقَالَ إِنَّمَا شَرِبْتُ زَبِيبًا وَتَمْرًا قَالَ فَجَلَدَهُ الْحَدَّ وَنَهَى عَنْهُمَا أَنْ يُجْمَعَا قَالَ وَأَسْلَمَ رَجُلٌ فِي نَخْلٍ لِرَجُلٍ فَقَالَ لَمْ تَحْمِلْ نَخْلُهُ ذَلِكَ الْعَامَ فَأَرَادَ أَنْ يَأْخُذَ دَرَاهِمَهُ فَلَمْ يُعْطِهِ فَأَتَى بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَمْ تَحْمِلْ نَخْلُهُ قَالَ لَا قَالَ فَفِيمَ تَحْبِسُ دَرَاهِمَهُ قَالَ فَدَفَعَهَا إِلَيْهِ قَالَ وَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ السَّلَمِ فِي النَّخْلِ حَتَّى يَبْدُوَ صَلَاحُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

নাজরানের এক ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে প্রশ্ন করে বলেন, “আমি আপনাকে দুটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করছি, একটি কিসমিস ও খেজুর সম্পর্কে এবং আরেকটি খেজুর গাছের বিক্রি সম্পর্কে।” সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “একবার এক মাতাল ব্যক্তিকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে আনা হলো এবং সে কিসমিস ও খেজুর পান করার কথা স্বীকার করলো। তিনি তাদের উভয়ে একত্রিত করে, নাজীব বানিয়ে পান করতে নিষেধ করলেন। এছাড়াও, এক ব্যক্তি অন্যের কাছে একটি খেজুর গাছ বন্ধক রেখেছিলো। কিন্তু সে তার অর্থ ফেরত দিতে চাইলো না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গাছের মালিককে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তার গাছে ফল ধরেছিলো কি না?’ সে বললো, ‘না।’ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘তাহলে তুমি তার টাকা আটকে রাখলে কেনো?’ যাইহোক, সে তার টাকা ফেরত দিয়েছিলো। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফল পাকা না হওয়া পর্যন্ত, বিক্রি করতে নিষেধ করেছিলেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৮৩]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4884 OK

(৪৮৮৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৫৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْبَيِّعَانِ بِالْخِيَارِ حَتَّى يَتَفَرَّقَا أَوْ يَكُونَ بَيْعَ خِيَارٍ قَالَ وَرُبَّمَا قَالَ نَافِعٌ أَوْ يَقُولَ أَحَدُهُمَا لِلْآخَرِ اخْتَرْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “বিক্রেতা এবং ক্রেতা পৃথক না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্তৃত্ব রয়েছে যে, তারা পন্য ক্রয়-বিক্রয় করবে অথবা ক্রয়-বিক্রয় বাতিল করবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4885 OK

(৪৮৮৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৮৩২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ قَالَ وَجَدْتُ فِي كِتَابِ أَبِي حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنِي شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يُحَدِّثُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ نَهَى عَنْ الْوَرْسِ وَالزَّعْفَرَانِ قَالَ شُعْبَةُ فَقُلْتُ أَنَا لِلْمُحْرِمِ فَقَالَ نَعَمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে দীনার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি একবার সায়্যিদুনা ইবনে উমরকে জিজ্ঞেস করলাম যে, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি মহরম ব্যক্তিকে জাফরান পোষাক পড়তে নিষেধ করেছেন?” তিনি বললেন, “হ্যা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4886 OK

(৪৮৮৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২২৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ وَابْنُ عَوْنٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ مَا يَقْتُلُ الْمُحْرِمُ قَالَ يَقْتُلُ الْعَقْرَبَ وَالْفُوَيْسِقَةَ وَالْحِدَأَةَ وَالْغُرَابَ وَالْكَلْبَ الْعَقُورَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

কেউ একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, “মুহাররাম ব্যক্তি কোন কোন প্রাণীকে হত্যা করতে পারে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “পাঁচ ধরনের প্রাণী হত্যা করা যাবে। ইঁদুর, বিচ্ছু, ঈগল, পাগলা কুকুর এবং কাক।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4887 OK
View Quran

(৪৮৮৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَفَاتِيحُ الْغَيْبِ خَمْسٌ لَا يَعْلَمُهُنَّ إِلَّا اللَّهُ لَا يَعْلَمُ مَا فِي غَدٍ إِلَّا اللَّهُ وَلَا يَعْلَمُ نُزُولَ الْغَيْثِ إِلَّا اللَّهُ وَلَا يَعْلَمُ مَا فِي الْأَرْحَامِ إِلَّا اللَّهُ وَلَا يَعْلَمُ السَّاعَةَ إِلَّا اللَّهُ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ مَاذَا تَكْسِبُ غَدًا وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ بِأَيِّ أَرْضٍ تَمُوتُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “গায়েবের চাবি হল পাঁচটি, যা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। (১) কেউ জানে না যে, আগামীকাল কী ঘটবে। (২) কেউ জানে না যে, আগামীকাল সে কী অর্জন করবে। (৩) কেউ জানে না যে, মায়ের গর্ভে কী আছে। (৪) কেউ জানে না যে, সে কোথায় মারা যাবে। (৫) কেউ জানে না যে, কখন বৃষ্টি হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4888 OK

(৪৮৮৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৫৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تُبَاعَ الثَّمَرَةُ حَتَّى يَبْدُوَ صَلَاحُهَا قَالَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا صَلَاحُهَا قَالَ إِذَا ذَهَبَتْ عَاهَتُهَا وَخَلَصَ طَيِّبُهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফল পাকানোর আগে ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ফল পাকা বলতে কী বোঝায়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “যখন তা থেকে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দূর হয়ে যায় এবং উত্তম ফল বের হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4889 OK

(৪৮৮৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪২৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَنْبَأَنَا نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحْفُوا الشَّوَارِبَ وَأَعْفُوا اللِّحَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা গোঁফ ভালো ভাবে ছাঁটো এবং দাড়ি ভালো ভাবে বড় করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4890 OK

(৪৮৯০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩০৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَطَعَ نَخْلَ بَنِي النَّضِيرِ وَحَرَّقَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বনু নাযীরের গাছ কেটে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4891 OK

(৪৮৯১)

হাদিস দেখুন [৩১:১৫০৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ سَعْدٍ قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَضْرِبُ بِإِحْدَى يَدَيْهِ عَلَى الْأُخْرَى وَهُوَ يَقُولُ الشَّهْرُ هَكَذَا وَهَكَذَا ثُمَّ نَقَصَ أُصْبُعَهُ فِي الثَّالِثَةِ


হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের কাছে আসলেন এবং সেই সময় তিনি এক হাত অপর হাতের উপর আঘাত করলেন এবং বললেন, “মাস এমন এবং এই রকম হয়”, তারপর তিনি তৃতীয়বার তার বুড়ো আঙ্গুল বন্ধ করলেন। (অর্থাৎ, মাস কোনো কোনো সময় উনত্রিশ (২৯) দিনেও হয়, আবার ত্রিশ (৩০) দিনেও হয়)। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4892 OK

(৪৮৯২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪২৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَنْبَأَنَا نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحْفُوا الشَّوَارِبَ وَأَعْفُوا اللِّحَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা গোঁফ ভালো ভাবে ছাঁটো এবং দাড়ি ভালো ভাবে বড় করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4893 OK

(৪৮৯৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯১] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ وَحَجَّاجٌ قَالَ سَمِعْتُ شُعْبَةَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا أَنَّهُ قَالَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرَأَيْتَ مَا نَعْمَلُ فِيهِ أَقَدْ فُرِغَ مِنْهُ أَوْ فِي شَيْءٍ مُبْتَدَإٍ أَوْ أَمْرٍ مُبْتَدَعٍ قَالَ فِيمَا قَدْ فُرِغَ مِنْهُ فَقَالَ عُمَرُ أَلَا نَتَّكِلُ فَقَالَ اعْمَلْ يَا ابْنَ الْخَطَّابِ فَكُلٌّ مُيَسَّرٌ أَمَّا مَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ السَّعَادَةِ فَيَعْمَلُ لِلسَّعَادَةِ وَأَمَّا أَهْلُ الشَّقَاءِ فَيَعْمَلُ لِلشَّقَاءِ


উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললেন, “আপনি কি ভেবে দেখেছেন, আমরা যে কাজ করি, তা কি পূর্ব থেকে চূড়ান্ত (অর্থাৎ ভাগ্যের লিখন) অথবা প্রথম, অথবা নতুন কাজ বলে গণ্য হবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “পূর্ব থেকেই চূড়ান্ত।” উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “তবে কি আমরা তার ওপর নির্ভর করবো না?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “ওহে খাত্তাবের ছেলে! কাজ করতে থাক। সবাইকেই কাজ করার সুযোগ দেয়া হয়। যে ব্যক্তি সৌভাগ্যবান সে সৌভাগ্যের কাজ করে। আর যে দুর্ভাগা, সে দুর্ভাগ্যের কাজ করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৯৩]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



4894 OK

(৪৮৯৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ مُوسَى بْنِ أَبِي عَائِشَةَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ دَخَلْتُ عَلَى عَائِشَةَ فَقُلْتُ أَلَا تُحَدِّثِينِي عَنْ مَرَضِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ بَلَى ثَقُلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ أَصَلَّى النَّاسُ فَقُلْنَا لَا هُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ضَعُوا لِي مَاءً فِي الْمِخْضَبِ فَفَعَلْنَا فَاغْتَسَلَ ثُمَّ ذَهَبَ لِيَنُوءَ فَأُغْمِيَ عَلَيْهِ ثُمَّ أَفَاقَ فَقَالَ أَصَلَّى النَّاسُ قُلْنَا لَا هُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ضَعُوا لِي مَاءً فِي الْمِخْضَبِ فَذَهَبَ لِيَنُوءَ فَغُشِيَ عَلَيْهِ قَالَتْ وَالنَّاسُ عُكُوفٌ فِي الْمَسْجِدِ يَنْتَظِرُونَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِصَلَاةِ الْعِشَاءِ فَأَرْسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى أَبِي بَكْرٍ بِأَنْ يُصَلِّيَ بِالنَّاسِ وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ رَجُلًا رَقِيقًا فَقَالَ يَا عُمَرُ صَلِّ بِالنَّاسِ فَقَالَ أَنْتَ أَحَقُّ بِذَلِكَ فَصَلَّى بِهِمْ أَبُو بَكْرٍ تِلْكَ الْأَيَّامَ ثُمَّ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَجَدَ خِفَّةً فَخَرَجَ بَيْنَ رَجُلَيْنِ أَحَدُهُمَا الْعَبَّاسُ لِصَلَاةِ الظُّهْرِ فَلَمَّا رَآهُ أَبُو بَكْرٍ ذَهَبَ لِيَتَأَخَّرَ فَأَوْمَأَ إِلَيْهِ أَنْ لَا يَتَأَخَّرَ وَأَمَرَهُمَا فَأَجْلَسَاهُ إِلَى جَنْبِهِ فَجَعَلَ أَبُو بَكْرٍ يُصَلِّي قَائِمًا وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي قَاعِدًا فَدَخَلْتُ عَلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَقُلْتُ أَلَا أَعْرِضُ عَلَيْكَ مَا حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ عَنْ مَرَضِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ هَاتِ فَحَدَّثْتُهُ فَمَا أَنْكَرَ مِنْهُ شَيْئًا غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ هَلْ سَمَّتْ لَكَ الرَّجُلَ الَّذِي كَانَ مَعَ الْعَبَّاسِ قُلْتُ لَا قَالَ هُوَ عَلِيٌّ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ


হজরত উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার খিদমতে উপস্থিত হয়ে বললাম, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের (অন্তিম কালের) অসুস্থতা সম্পর্কে কি আপনি আমাকে কিছু শুনাবেন?” তিনি বললেন, “অবশ্যই। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মারাত্মক ভাবে রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, ‘লোকেরা কি সালাত আদায় করে ফেলেছে?’ আমরা বললাম, না, হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাঁরা আপনার জন্যে অপেক্ষা করছে। তিনি বললেন, ‘আমার জন্যে গোসলের পানি দাও।’ আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, আমরা তাই করলাম। তিনি গোসল করলেন। অতঃপর একটু উঠতে চাইলেন, কিন্তু বেহুঁশ হয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর একটু হুঁশ ফিরে পেলে আবার তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘লোকেরা কি সালাত আদায় করে ফেলেছে?’ আমরা বললাম, না, হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাঁরা আপনার অপেক্ষায় আছেন। তিনি বললেন, ‘আমার জন্যে গোসলের পাত্রে পানি রাখো।’ আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, আমরা তাই করলাম। তিনি গোসল করলেন। আবার উঠতে চাইলেন, কিন্তু বেহুঁশ হয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর আবার হুঁশ ফিরে পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘লোকেরা কি সালাত আদায় করে ফেলেছে?’ আমরা বললাম, না, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাঁরা আপনার জন্যে অপেক্ষা করছেন। তিনি বললেন, ‘আমার জন্যে গোসলের পাত্রে পানি রাখো।’ অতঃপর তিনি উঠে বসলেন, এবং গোসল করলেন। এবং উঠতে গিয়ে বেহুঁশ হয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর আবার হুঁশ ফিরে পেলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, ‘লোকেরা কি সালাত আদায় করে ফেলেছে?’ আমরা বললাম, না, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাঁরা আপনার জন্যে অপেক্ষারত। ওদিকে সাহাবীগণ ইশার সালাতের জন্য রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অপেক্ষায় মাসজিদে বসে ছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট এ মর্মে লোক পাঠালেন যে, তিনি যেনো লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে নেন। সংবাদ বাহক আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট উপস্থিত হয়ে বলরেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনাকে লোকদের নিয়ে সালাত আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু অত্যস্ত কোমল মনের লোক ছিলেন, তাই তিনি উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বললেন, হে উমর! আপনি সাহাবীগণকে নিয়ে সালাত আদায় করে নিন। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আপনিই এর অধিক যোগ্য। তাই আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু সে কয়দিন সালাত আদায় করলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটু নিজে হাল্কাবোধ করলেন এবং দু’জন লোকের কাঁধে ভর করে যুহরের সালাতের জন্যে বের হলেন। সে দু’জনের একজন ছিলেন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু। আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তখন সাহাবীগণকে নিয়ে সালাত আদায় করছিলেন। তিনি যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখতে পেলেন, পিছনে সরে আসতে চাইলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে পিছিয়ে না আসার জন্যে ইঙ্গিত করলেন এবং বললেন, ‘তোমরা আমাকে তাঁর পাশে বসিয়ে দাও।’ তাঁরা তাঁকে আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর পাশে বসিয়ে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের ইকতিদা করে সালাত আদায় করতে লাগলেন। আর সাহাবীগণ আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সালাতের ইকতিদা করতে লাগলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন উপবিষ্ট ছিলেন।” উবাইদুল্লাহ্‌ বলেন, আমি আবদুল্লাহ্‌ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অন্তিম কালের অসুস্থতা সম্পর্কে আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা আমাকে যে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তা কি আমি আপনার নিকট বর্ণনা করবো না?” তিনি বললেন, “বর্ণনা করুন।” তাই আমি তাঁকে সে হাদীস শুনালাম। তিনি এ বর্ণনার কোনো অংশেই আপত্তি করলেন না, তবে তিনি জিজ্ঞেস করলেন যে, “আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে যে অপর এক সাহাবী ছিলেন,আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা কি আপনার নিকট তাঁর নাম বলেছেন?” আমি বললাম, “না।” তিনি বললেন, “তিনি ছিলেন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4895 OK

(৪৮৯৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৩৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ জুমুআর নামাযের জন্যে আসে, তখন সে যেনো গোসল করে আসে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4896 OK

(৪৮৯৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৫১] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ الْمُغِيرَةِ الطَّائِفِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمِقْدَامِ قَالَ رَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ يَمْشِي بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَقُلْتُ لَهُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا لَكَ لَا تَرْمُلُ فَقَالَ قَدْ رَمَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَرَكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুকাদাম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে সাফা-মারওয়ার মাঝখানে স্বাভাবিক গতিতে হাঁটতে দেখেছি। তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, “হে আবু আব্দুর রহমান! আপনি কেনো দ্রুত হাঁটছেন না?” তিনি বললেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এখানে উভয়টিই করেছেন, এখানে গতি বাড়িয়েছেন এবং গতি বাড়াননি। আমি যদি স্বাভাবিক গতিতে হাঁটি, তবে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এভাবে হাঁটতে দেখেছি এবং আমি যদি দ্রুত হাঁটি, তবে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও এভাবে দ্রুত হাঁটতে দেখেছি।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৯৬]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4897 OK

(৪৮৯৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৬৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَتْ تَحْتِي امْرَأَةٌ أُحِبُّهَا وَكَانَ عُمَرُ يَكْرَهُهَا فَأَمَرَنِي أَنْ أُطَلِّقَهَا فَأَبَيْتُ فَأَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ عِنْدَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ امْرَأَةً كَرِهْتُهَا لَهُ فَأَمَرْتُهُ أَنْ يُطَلِّقَهَا فَأَبَى فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا عَبْدَ اللَّهِ طَلِّقْ امْرَأَتَكَ فَطَلَّقْتُهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি আমার স্ত্রীকে ভালোবাসতাম। কিন্তু হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে অপছন্দ করতেন। তাই তিনি আমাকে আমার স্ত্রীকে তালাক দিতে বললেন। তাই হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে আসেন ও বললেন, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আবদুল্লাহ ইবনে উমরের সাথে বিবাহিত মহিলাকে আমি পছন্দ করি না, আমি তাকে তালাক দিতে বলি, কিন্তু সে আমার কথা শোনে না।” তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বললেন যে, “তুমি তোমার স্ত্রীকে তালাক দাও।” সুতরাং, আমি তাকে তালাক দিলাম।

[মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4898 OK

(৪৮৯৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو حَدَّثَنَا نَافِعُ بْنُ أَبِي نُعَيْمٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى جَعَلَ الْحَقَّ عَلَى لِسَانِ عُمَرَ وَقَلْبِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তাআলা হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর জিহ্বা ও অন্তরে সত্য প্রকাশ করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4899 OK

(৪৮৯৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩০৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ أَنَّ يَحْيَى بْنَ أَبِي كَثِيرٍ حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا قِلَابَةَ حَدَّثَهُ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ تَخْرُجُ نَارٌ مِنْ حَضْرَمَوْتَ أَوْ بِحَضْرَمَوْتَ فَتَسُوقُ النَّاسَ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا تَأْمُرُنَا قَالَ عَلَيْكُمْ بِالشَّامِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “সিরিয়ার একটি অঞ্চল হাদরামাউত থেকে একটি আগুন বের হবে, যা লোকদেরকে গ্রাস করবে।” আমরা জিজ্ঞেস করলাম, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! তাহলে ঐ সময়ের জন্যে, আপনি আমাদেরকে কি আদেশ করেন?” তিনি বললেন, “সিরিয়া দেশকে তোমাদের উপর ওয়াজিব করা (সেখানে যাওয়া)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4900 OK

(৪৯০০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৫৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا حُمَيْدٌ عَنْ بَكْرٍ قَالَ ذَكَرْتُ لِابْنِ عُمَرَ أَنَّ أَنَسًا حَدَّثَنَا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ وَحَجٍّ فَقَالَ وَهِلَ أَنَسٌ إِنَّمَا أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْحَجِّ وَأَهْلَلْنَا مَعَهُ فَلَمَّا قَدِمَ قَالَ مَنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ هَدْيٌ فَلْيَجْعَلْهَا عُمْرَةً وَكَانَ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَدْيٌ فَلَمْ يَحِلَّ


হজরত বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে উল্লেখ করেছিলাম যে, “সাইয়্যেদনা আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের কাছে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজ্জ ও উমরা উভয়ের জন্যে ইহরাম পরিধান করেছিলেন।” তিনি বলেন, “সাইয়্যিদুনা আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু ভুল করে বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুরুতে হজের ইহরাম বেঁধেছিলেন এবং আমরাও তাঁর সঙ্গে হজের ইহরাম বেঁধেছিলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মক্কায় পৌঁছলেন, তখন তিনি বললেন যে, ‘যার কুরবানীর পশু নেই, সে যেনো উমরা করে।’ যেহেতু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার সাথে একটি কুরবানীর পশু ছিলো, তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহরাম খোলেননি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4901 OK

(৪৯০১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُمْ كَانُوا يُضْرَبُونَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا اشْتَرَوْا طَعَامًا جُزَافًا أَنْ يَبِيعُوهُ فِي مَكَانِهِ حَتَّى يُؤْوُوهُ إِلَى رِحَالِهِمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে লোকেরা অনুমানে কিছু শস্য ক্রয় করে, দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় অন্য কারো কাছে তা বিক্রি করাতো। অতচো তা তাদের গুদাম ঘরে বহন করে নিয়ে যেতো না। এধরনের ক্রয়-বিক্রয়ের জন্যে তারা বেত্রাঘাত খেতো, কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এধরনের ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4902 OK

(৪৯০২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৩৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ حَمَلَ عَلَيْنَا السِّلَاحَ فَلَيْسَ مِنَّا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নেয়, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4903 OK

(৪৯০৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৭৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى أَنْبَأَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ أَعْتَقَ شِرْكًا لَهُ فِي عَبْدٍ فَكَانَ لَهُ مَا يَبْلُغُ ثَمَنَ الْعَبْدِ فَإِنَّهُ يُقَوَّمُ قِيمَةَ عَدْلٍ فَيُعْطَى شُرَكَاؤُهُ حَقَّهُمْ وَعَتَقَ عَلَيْهِ الْعَبْدَ وَإِلَّا فَقَدْ أَعْتَقَ مَا أَعْتَقَ


ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি যৌথ মালিকানাভুক্ত দাসের নিজের প্রাপ্য অংশকে স্বাধীন করে দেয়, যদি সে ধনী হয়, তবে দাসটিকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত করা তার দায়িত্ব হয়ে যায়। এরপর ঐ দাসের আনুপাতিক অংশের মূল্য নির্ধারণ করা হবে, অতঃপর তার শরীকদেরকে তাদের প্রাপ্য দেয়া হবে এবং তার জন্যে দাসটি স্বাধীন হয়ে যাবে। অন্যথায় (আনুপাতিক অংশের মূল্য নির্ধারণ ও অন্যান্য শরীককে তাদের প্রাপ্য না দেয়া হলে) সে যেটুকু স্বাধীন করেছে, দাসটি সেটুকুই স্বাধীন হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4904 OK

(৪৯০৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৪৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ قَالَ نَادَى ابْنُ عُمَرَ بِالصَّلَاةِ بِضَجْنَانَ ثُمَّ نَادَى أَنْ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ ثُمَّ حَدَّثَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ يَأْمُرُ الْمُنَادِيَ فَيُنَادِي بِالصَّلَاةِ ثُمَّ يُنَادِي أَنْ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ فِي اللَّيْلَةِ الْبَارِدَةِ وَفِي اللَّيْلَةِ الْمَطِيرَةِ فِي السَّفَرِ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

জাজনান উপত্যকায় একবার সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু নামাযের ঘোষণা দেন, তারপর প্রচার করেন যে, তোমরা তোমাদের নিজেদের তাঁবুতে নামায পড়ো এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে এই হাদীসটি বর্ণনা করলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভ্রমণের সময় ঠান্ডার রাতে বা বৃষ্টির রাতে নামাযের ঘোষণা দিতেন এবং প্রচার করতেন যে, “তোমরা নিজেদের তাঁবুতে নামায পড়ো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4905 OK

(৪৯০৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى نُخَامَةً فِي قِبْلَةِ الْمَسْجِدِ فَقَامَ فَحَكَّهَا أَوْ قَالَ فَحَتَّهَا بِيَدِهِ ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ فَتَغَيَّظَ عَلَيْهِمْ وَقَالَ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قِبَلَ وَجْهِ أَحَدِكُمْ فِي صَلَاتِهِ فَلَا يَتَنَخَّمَنَّ أَحَدٌ مِنْكُمْ قِبَلَ وَجْهِهِ فِي صَلَاتِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদে কিবলার সাথে কফ লেগে থাকতে দেখে, রাগান্বিত হয়ে বললেন, “যখন একজন ব্যক্তি নামাজে থাকে, তখন আল্লাহ তার মুখের সামনে থাকেন। সুতরাং তোমাদের কেউ তার নামাযে তার মুখের সামনে, তার নাক পরিষ্কার করবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস