

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ حَدَّثَهُمْ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَصْلُحُ بَيْعُ الثَّمَرِ حَتَّى يَتَبَيَّنَ صَلَاحُهُ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ফল বা খেজুর সম্পূর্ণ পাকা না হওয়া পর্যন্ত, বিক্রি করা বৈধ নয়।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৮১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ حَدَّثَهُمْ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَصْلُحُ بَيْعُ الثَّمَرِ حَتَّى يَتَبَيَّنَ صَلَاحُهُ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ফল বা খেজুর সম্পূর্ণ পাকা না হওয়া পর্যন্ত, বিক্রি করা বৈধ নয়।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৮১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ بِهِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সওয়ারীর উপর নফল নামায পড়তেন, সওয়ারী যে দিকেই মুখ করে থাকতো না কেনো। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ وَحَجَّاجٌ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ الْمَعْنَى قَالَ حَجَّاجٌ عَنْ جَبَلَةَ وَقَالَ ابْنُ جَعْفَرٍ سَمِعْتُ جَبَلَةَ قَالَ كَانَ ابْنُ الزُّبَيْرِ يَرْزُقُنَا التَّمْرَ قَالَ وَقَدْ كَانَ أَصَابَ النَّاسَ يَوْمَئِذٍ جَهْدٌ فَكُنَّا نَأْكُلُ فَيَمُرُّ عَلَيْنَا ابْنُ عُمَرَ وَنَحْنُ نَأْكُلُ فَيَقُولُ لَا تُقَارِنُوا فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ الْإِقْرَانِ قَالَ حَجَّاجٌ نَهَى عَنْ الْقِرَانِ إِلَّا أَنْ يَسْتَأْذِنَ الرَّجُلُ أَخَاهُ وَقَالَ شُعْبَةُ لَا أُرَى هَذِهِ الْكَلِمَةَ فِي الِاسْتِئْذَانِ إِلَّا مِنْ كَلَامِ ابْنِ عُمَرَ
হজরত জাবলা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
সাইয়্যিদুনা আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে খেজুর খেতে দিতেন। একদা আমরা খেজুর খাচ্ছিলাম, তখন সাইয়্যিদনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের পাশ দিয়ে গেলেন ও তিনি বললেন, “তোমরা একসাথে অনেক গুলো খেজুর খাবেন না, কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার ভাইয়ের অনুমতি ছাড়া, একসাথে অনেক খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন।” ইমাম শুবা বলেন যে, “আমি মনে করি যে, জায়েজ জিনিস হলো, সাইয়্যিদুনা ইবনে উমরের কথা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ يَبِيعَ الرَّجُلُ طَعَامًا حَتَّى يَسْتَوْفِيَهُ قَالَ فَقُلْتُ لَهُ كَيْفَ ذَلِكَ قَالَ ذَلِكَ دَرَاهِمُ بِدَرَاهِمَ وَالطَّعَامُ مُرْجَأٌ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য বা কোনো শস্য ক্রয় করে, সে যেনো তা পুরোপুরি দখল করার আগে বিক্রি না করে।” আমি [বর্ণনাকারী] তাকে বললাম, “কেনো এমন হলো?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “এটা হবে দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম বিক্রি করার মতো, অথচ খাদ্যদ্রব্য এখনো স্থগিত রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ قَالَ وَجَدْتُ فِي كِتَابِ أَبِي حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَنْبَأَنَا شُعْبَةُ عَنْ سِمَاكٍ يَعْنِي الْحَنَفِيَّ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْبَيْتِ رَكْعَتَيْنِ
হজরত সামাক হানাফী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার আমি হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি যে, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর ঘরের ভিতরে দুই রাকাত সালাত আদায় করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ وَحَجَّاجٌ قَالَ حَدَّثَنِي شُعْبَةُ عَنْ سِمَاكٍ الْحَنَفِيِّ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى فِي الْبَيْتِ وَسَتَأْتُونَ مَنْ يَنْهَاكُمْ عَنْهُ فَتَسْمَعُونَ مِنْهُ يَعْنِي ابْنَ عَبَّاسٍ قَالَ حَجَّاجٌ فَتَسْمَعُونَ مِنْ قَوْلِهِ قَالَ ابْنُ جَعْفَرٍ وَابْنُ عَبَّاسٍ جَالِسٌ قَرِيبًا مِنْهُ
হজরত সামাক হানাফী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার আমি সায়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছিলাম যে, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাবা ঘরে নামাজ পড়েছেন, কিন্তু এখন আপনি এমন ব্যক্তির কাছে যাবেন এবং তার কথা আপনি শুনতে পাবেন যে, তিনি তা অস্বীকার করবেন।” এ দ্বারা তিনি সাইয়্যিদুনা ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বোঝাতে চেয়েছিলেন, যিনি কাছেই বসা ছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ قَالَ وَجَدْتُ فِي كِتَابِ أَبِي حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ رَجُلٍ مِنْ نَجْرَانَ أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ عُمَرَ فَقَالَ إِنَّمَا أَسْأَلُكَ عَنْ اثْنَتَيْنِ عَنْ الزَّبِيبِ وَالتَّمْرِ وَعَنْ السَّلَمِ فِي النَّخْلِ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ أُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِرَجُلٍ سَكْرَانَ فَقَالَ إِنَّمَا شَرِبْتُ زَبِيبًا وَتَمْرًا قَالَ فَجَلَدَهُ الْحَدَّ وَنَهَى عَنْهُمَا أَنْ يُجْمَعَا قَالَ وَأَسْلَمَ رَجُلٌ فِي نَخْلٍ لِرَجُلٍ فَقَالَ لَمْ تَحْمِلْ نَخْلُهُ ذَلِكَ الْعَامَ فَأَرَادَ أَنْ يَأْخُذَ دَرَاهِمَهُ فَلَمْ يُعْطِهِ فَأَتَى بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَمْ تَحْمِلْ نَخْلُهُ قَالَ لَا قَالَ فَفِيمَ تَحْبِسُ دَرَاهِمَهُ قَالَ فَدَفَعَهَا إِلَيْهِ قَالَ وَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ السَّلَمِ فِي النَّخْلِ حَتَّى يَبْدُوَ صَلَاحُهُ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
নাজরানের এক ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে প্রশ্ন করে বলেন, “আমি আপনাকে দুটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করছি, একটি কিসমিস ও খেজুর সম্পর্কে এবং আরেকটি খেজুর গাছের বিক্রি সম্পর্কে।” সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “একবার এক মাতাল ব্যক্তিকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে আনা হলো এবং সে কিসমিস ও খেজুর পান করার কথা স্বীকার করলো। তিনি তাদের উভয়ে একত্রিত করে, নাজীব বানিয়ে পান করতে নিষেধ করলেন। এছাড়াও, এক ব্যক্তি অন্যের কাছে একটি খেজুর গাছ বন্ধক রেখেছিলো। কিন্তু সে তার অর্থ ফেরত দিতে চাইলো না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গাছের মালিককে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তার গাছে ফল ধরেছিলো কি না?’ সে বললো, ‘না।’ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘তাহলে তুমি তার টাকা আটকে রাখলে কেনো?’ যাইহোক, সে তার টাকা ফেরত দিয়েছিলো। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফল পাকা না হওয়া পর্যন্ত, বিক্রি করতে নিষেধ করেছিলেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮২৩]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস


حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ سُئِلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الضَّبِّ فَقَالَ لَا آكُلُهُ وَلَا أُحَرِّمُهُ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দব্ব (অনেকটা গুইসাপের মতো দেখতে) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, “আমি তা খাই না এবং হারামও করি না।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৮২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ قَالَ وَجَدْتُ فِي كِتَابِ أَبِي حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ قَالَ عِكْرِمَةُ بْنُ خَالِدٍ سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ عَنْ الْعُمْرَةِ قَبْلَ الْحَجِّ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ لَا بَأْسَ عَلَى أَحَدٍ يَعْتَمِرُ قَبْلَ أَنْ يَحُجَّ قَالَ عِكْرِمَةُ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ اعْتَمَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَبْلَ أَنْ يَحُجَّ
হজরত ইকরামা বিন খালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি একবার হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে হজের আগে ওমরাহ করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বলেন, “হজের আগে ওমরা করায় কোনো ক্ষতি নেই। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজ্জের আগে ওমরাহও করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ وَقَّتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ ذَا الْحُلَيْفَةِ وَلِأَهْلِ الشَّامِ الْجُحْفَةَ وَلِأَهْلِ الْيَمَنِ يَلَمْلَمَ وَلِأَهْلِ نَجْدٍ قَرْنًا وَقَالَ هُنَّ وَقْتٌ لِأَهْلِهِنَّ وَلِمَنْ مَرَّ بِهِنَّ مِنْ غَيْرِ أَهْلِهِنَّ يُرِيدُ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ فَمَنْ كَانَ مَنْزِلُهُ مِنْ وَرَاءِ الْمِيقَاتِ فَإِهْلَالُهُ مِنْ حَيْثُ يُنْشِئُ وَكَذَلِكَ حَتَّى أَهْلُ مَكَّةَ إِهْلَالُهُمْ مِنْ حَيْثُ يُنْشِئُونَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনাবাসীদের জন্যে যুল-হুলাইফাহ, সিরিয়াবাসীদের জন্যে আল-জুহফাহ, ইয়েমেনের অধিবাসীদের জন্যে ইয়ালামলাম এবং নজদের অধিবাসীদের জন্যে কর্ণকে মীকাত নির্ধারণ করেছেন এবং বলেছেন যে, “এই মীকাতগুলো ঐসব লোকদের জন্যে, যারা এর বাইরে থাকে এবং হজ ও ওমরাহ করার নিয়তে ঐ স্থানগুলোর মধ্য দিয়ে যায়। যারা এই সীমানার মধ্যে থাকে, তারা ঐ স্থান থেকেই ইহরাম বাঁধতে পারে। আর মক্কার লোকেরা যেখানে থাকে, সেখান থেকেই ইহরাম বাঁধতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا حُمَيْدٌ عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَتْ تَلْبِيَةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ وَزَادَ فِيهَا ابْنُ عُمَرَ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ لَبَّيْكَ وَالرَّغْبَاءُ إِلَيْكَ وَالْعَمَلُ
হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তালবিয়া ছিলো এটি।
لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ
“আমি উপস্থিত হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত। তোমার কোন শরীক নেই, আমি উপস্থিত। নিঃসন্দেহে সমস্ত প্রশংসা ও সমস্ত বরকত তোমারই এবং সমস্ত সার্বভৌমত্ব তোমারই, তোমার কোন শরীক নেই।”
ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সাথে যোগ করতেন যে,
لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ لَبَّيْكَ وَالرَّغْبَاءُ إِلَيْكَ وَالْعَمَلُ
“আমি উপস্থিত, আমি উপস্থিত। আমি আপনার খেদমতে এসেছি। সকল প্রকার কল্যাণ আপনার হাতে, আমি উপস্থিত। সকল ইচ্ছা ও কর্ম আপনার জন্যে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৮২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ وَابْنُ بَكْرٍ قَالَا أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي ابْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَجُلًا سَأَلَهُ فَقَالَ أَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُنْبَذَ فِي الْجَرِّ وَالدُّبَّاءِ قَالَ نَعَمْ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
এক লোক হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট এসে বললো, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি কলসী ও লাউয়ের খোলে নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছেন?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “হ্যাঁ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ اقْتَنَى كَلْبًا إِلَّا كَلْبَ صَيْدٍ أَوْ مَاشِيَةٍ نَقَصَ مِنْ أَجْرِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطَانِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি এমন কুকুর পালন করে, যা পাহারাদার কুকুর নয় এবং শিকারী কুকুরও নয়, তবে তার সওয়াব প্রতিদিন দুই কিরাআত কমানো হবে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৮২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ وَابْنُ بَكْرٍ قَالَا أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي ابْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَجُلًا سَأَلَهُ فَقَالَ أَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُنْبَذَ فِي الْجَرِّ وَالدُّبَّاءِ قَالَ نَعَمْ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
এক লোক হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট এসে বললো, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি কলসী ও লাউয়ের খোলে নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছেন?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “হ্যাঁ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَجُلًا قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ أَوْ قَالَ مَا يَتْرُكُ الْمُحْرِمُ فَقَالَ لَا يَلْبَسُ الْقَمِيصَ وَلَا السَّرَاوِيلَ وَلَا الْعِمَامَةَ وَلَا الْخُفَّيْنِ إِلَّا أَنْ لَا يَجِدَ نَعْلَيْنِ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ نَعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْهُمَا أَسْفَلَ مِنْ الْكَعْبَيْنِ وَلَا الْبُرْنُسَ وَلَا شَيْئًا مِنْ الثِّيَابِ مَسَّهُ وَرْسٌ وَلَا زَعْفَرَانٌ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! মুহাররম কি ধরনের পোশাক পরতে পারে?” অথবা জিজ্ঞেস করলো, “মহাররমকে কি ধরনের পোশাক পরিত্যাগ করতে হবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একজন মুহাররম জামা, শালওয়ার, পাগড়ী ও মোজা পরিধান করতে পারবে না। যার জুতা নেই, সে যেনো পায়ের গোড়ালির নিচে কাটা মোজা পরিধান করে এবং সেই সাথে টুপি বা টুপির টুকরো পরিধান করে। ওয়ারিস (এক প্রকার হলুদ রঙের তৃণ জাতীয় সুগন্ধি) নামক ঘাসযুক্ত কাপড় বা জাফরান কাপড়ে লাগালে মুহাররম ঐ কাপড় পরিধান করতে পারবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ قَالَ وَجَدْتُ فِي كِتَابِ أَبِي حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنِي شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يُحَدِّثُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ نَهَى عَنْ الْوَرْسِ وَالزَّعْفَرَانِ قَالَ شُعْبَةُ فَقُلْتُ أَنَا لِلْمُحْرِمِ فَقَالَ نَعَمْ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে দীনার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি একবার সায়্যিদুনা ইবনে উমরকে জিজ্ঞেস করলাম যে, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি মহরম ব্যক্তিকে জাফরান পোষাক পড়তে নিষেধ করেছেন?” তিনি বললেন, “হ্যা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي ابْنُ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَحَدُكُمْ قَالَ لِأَخِيهِ يَا كَافِرُ فَقَدْ بَاءَ بِهَا أَحَدُهُمَا
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ যখন তার ভাইকে বলবে, ‘হে কাফির!’ তখন তাদের দুজনের একজন কাফির হয়ে যাবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ قَالَ وَجَدْتُ فِي كِتَابِ أَبِي حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ وَثَّابٍ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ الْغُسْلِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ قَالَ فَقَالَ أَمَرَنَا بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হজরত ইয়াহইয়া বিন ওয়াথাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি হযরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জুমার গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বলেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে তা করার নির্দেশ দিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَزِيدُ قَالَ أَخْبَرَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ قَالَ بَيْنَمَا عُبَيْدُ بْنُ عُمَيْرٍ يَقُصُّ وَعِنْدَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ فَقَالَ عُبَيْدُ بْنُ عُمَيْرٍ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَثَلُ الْمُنَافِقِ كَشَاةٍ مِنْ بَيْنِ رَبِيضَيْنِ إِذَا أَتَتْ هَؤُلَاءِ نَطَحْنَهَا وَإِذَا أَتَتْ هَؤُلَاءِ نَطَحْنَهَا فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ لَيْسَ كَذَلِكَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَشَاةٍ بَيْنَ غَنَمَيْنِ قَالَ فَاحْتَفَظَ الشَّيْخُ وَغَضِبَ فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ أَمَا إِنِّي لَوْ لَمْ أَسْمَعْهُ لَمْ أَرُدَّ ذَلِكَ عَلَيْكَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মুনাফিকের উদাহরণ ঐ বকরীর ন্যায়, যে দুই বকরীর পালের মধ্যস্থলে থাকে। কখনও এই পালের দিকে আসে, কখনও ঐ পালের দিকে যায়, সে বুঝতে পারে না যে, সে কোন দলের সাথে থাকবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ وَسُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ قَالَا حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي نَجِيحٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سُئِلَ ابْنُ عُمَرَ عَنْ صَوْمِ يَوْمِ عَرَفَةَ فَقَالَ حَجَجْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمْ يَصُمْهُ وَحَجَجْتُ مَعَ أَبِي بَكْرٍ فَلَمْ يَصُمْهُ وَحَجَجْتُ مَعَ عُمَرَ فَلَمْ يَصُمْهُ وَحَجَجْتُ مَعَ عُثْمَانَ فَلَمْ يَصُمْهُ وَأَنَا لَا أَصُومُهُ وَلَا آمُرُ بِهِ وَلَا أَنْهَى عَنْهُ وَقَالَ سُفْيَانُ مَرَّةً عَمَّنْ سَأَلَ ابْنَ عُمَرَ
হজরত আবু জাইহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার কেউ হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে আরাফার দিনে রোজা রাখার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বলেন, “আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামর সঙ্গে হজ করেছি, কিন্তু তিনি সেদিন রোজা রাখেননি। আমি হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ও হজরত উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর সঙ্গে হজ করেছি, কিন্তু তারাও সেদিন রোজা রাখেননি। আমি নিজেও এই দিন রোজা রাখি না আর কাউকে এই দিনে রোজা রাখতেও নিষেধ করি না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا افْتَتَحَ الصَّلَاةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ مَنْكِبَيْهِ وَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ وَبَعْدَمَا يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنْ الرُّكُوعِ وَقَالَ سُفْيَانُ مَرَّةً وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ وَأَكْثَرُ مَا كَانَ يَقُولُ وَبَعْدَمَا يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنْ الرُّكُوعِ وَلَا يَرْفَعُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি, সালাতের শুরুতে কাঁধের সমতলে হাত দিয়ে রফে ইয়াদীন করতে। পাশাপাশি রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে মাথা উঠানোর পরও আমি তাঁকে রফে ইয়াদ্দীন করতে দেখেছি। কিন্তু দুই সেজদার মাঝে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রফে ইয়াদ্দীন করেননি। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا دَخَلَ أَدْنَى الْحَرَمِ أَمْسَكَ عَنْ التَّلْبِيَةِ ثُمَّ يَأْتِي ذَا طُوًى فَيَبِيتُ بِهِ وَيُصَلِّي بِهِ صَلَاةَ الصُّبْحِ وَيَغْتَسِلُ وَيُحَدِّثُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَ ذَلِكَ
হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
যখন সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হারামের নিকটবর্তী অংশে পৌঁছাতেন, তখন তিনি তালবিয়া পড়া বন্ধ করতেন। অতঃপর যী-তুয়া নামক স্থানে রাত যাপন করতেন। এরপর সেখানে ফজরের সালাত আদায় করতেন ও গোসল করতেন। তিনি বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরূপ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ জুমুআর নামাযের জন্যে আসে, তখন সে যেনো গোসল করে আসে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الَّذِي تَفُوتُهُ صَلَاةُ الْعَصْرِ مُتَعَمِّدًا حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلَهُ وَمَالَهُ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সূর্যাস্ত পর্যন্ত ইচ্ছাকৃত ভাবে আসরের সালাত ত্যাগ করলো, তার পরিবার-পরিজন ও সম্পদ যেনো ধ্বংস হয়ে গেলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ تَأْمُرُنَا أَنْ نُصَلِّيَ مِنْ اللَّيْلِ قَالَ يُصَلِّي أَحَدُكُمْ مَثْنَى مَثْنَى فَإِذَا خَشِيَ الصُّبْحَ صَلَّى وَاحِدَةً فَأَوْتَرَتْ لَهُ مَا قَدْ صَلَّى مِنْ اللَّيْلِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একদা এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! রাতের নামায সম্পর্কে আপনি আমাদেরকে কি নির্দেশ দেন (রাতে কিভাবে নামাজ পড়তে হয়)?” তিনি বললেন, “তুমি দুই রাকাত নামায পড়ো এবং যখন ফজরের আশঙ্কা থাকে, তখন এ দুয়ের সাথে আরও এক রাকাত নামায যোগ করো। রাতে তুমি যতটুকু সালাত আদায় করেছো, ততটুকুই বিতরের জন্যে যথেষ্ট হবে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ مُزَاحِمٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِذَا لَبَّى يَقُولُ لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ قَالَ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ انْتَهِ إِلَيْهَا فَإِنَّهَا تَلْبِيَةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হজরত দাহহাক ইবনে মুযাহিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন তালবিয়া বলতেন, তখন তিনি বলতেন,
لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ
“আমি উপস্থিত হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত। তোমার কোন শরীক নেই, আমি উপস্থিত। নিঃসন্দেহে সমস্ত প্রশংসা ও সমস্ত বরকত তোমারই এবং সমস্ত সার্বভৌমত্ব তোমারই, তোমার কোন শরীক নেই।”
এবং হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তোমরাও এভাবেই তালবিয়া পাঠ করো, কেননা এটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তালবিয়া।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ وَقَّتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ ذَا الْحُلَيْفَةِ وَلِأَهْلِ الشَّامِ الْجُحْفَةَ وَلِأَهْلِ الْيَمَنِ يَلَمْلَمَ وَلِأَهْلِ نَجْدٍ قَرْنًا وَقَالَ هُنَّ وَقْتٌ لِأَهْلِهِنَّ وَلِمَنْ مَرَّ بِهِنَّ مِنْ غَيْرِ أَهْلِهِنَّ يُرِيدُ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ فَمَنْ كَانَ مَنْزِلُهُ مِنْ وَرَاءِ الْمِيقَاتِ فَإِهْلَالُهُ مِنْ حَيْثُ يُنْشِئُ وَكَذَلِكَ حَتَّى أَهْلُ مَكَّةَ إِهْلَالُهُمْ مِنْ حَيْثُ يُنْشِئُونَ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনাবাসীদের জন্যে যুল-হুলাইফাহ, সিরিয়াবাসীদের জন্যে আল-জুহফাহ, ইয়েমেনের অধিবাসীদের জন্যে ইয়ালামলাম এবং নজদের অধিবাসীদের জন্যে কর্ণকে মীকাত নির্ধারণ করেছেন এবং বলেছেন যে, “এই মীকাতগুলো ঐসব লোকদের জন্যে, যারা এর বাইরে থাকে এবং হজ ও ওমরাহ করার নিয়তে ঐ স্থানগুলোর মধ্য দিয়ে যায়। যারা এই সীমানার মধ্যে থাকে, তারা ঐ স্থান থেকেই ইহরাম বাঁধতে পারে। আর মক্কার লোকেরা যেখানে থাকে, সেখান থেকেই ইহরাম বাঁধতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنِي صَخْرُ بْنُ جُوَيْرِيَةَ عَنْ نَافِعٍ قَالَ لَمَّا خَلَعَ النَّاسُ يَزِيدَ بْنَ مُعَاوِيَةَ جَمَعَ ابْنُ عُمَرَ بَنِيهِ وَأَهْلَهُ ثُمَّ تَشَهَّدَ ثُمَّ قَالَ أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّا قَدْ بَايَعْنَا هَذَا الرَّجُلَ عَلَى بَيْعِ اللَّهِ وَرَسُولِهِ وَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ الْغَادِرَ يُنْصَبُ لَهُ لِوَاءٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُقَالُ هَذِهِ غَدْرَةُ فُلَانٍ وَإِنَّ مِنْ أَعْظَمِ الْغَدْرِ أَنْ لَا يَكُونَ الْإِشْرَاكُ بِاللَّهِ تَعَالَى أَنْ يُبَايِعَ رَجُلٌ رَجُلًا عَلَى بَيْعِ اللَّهِ وَرَسُولِهِ ثُمَّ يَنْكُثَ بَيْعَتَهُ فَلَا يَخْلَعَنَّ أَحَدٌ مِنْكُمْ يَزِيدَ وَلَا يُشْرِفَنَّ أَحَدٌ مِنْكُمْ فِي هَذَا الْأَمْرِ فَيَكُونَ صَيْلَمٌ بَيْنِي وَبَيْنَهُ
হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
লোকেরা যখন ইয়াজিদ বিন মুয়াবিয়ার আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করেছিলো, তখন সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর সমস্ত পুত্র ও পরিবারকে একত্রিত করেছিলেন। তিনি শহীদদের কথা স্বীকার করে বললেন, “আমরা এই ব্যক্তির কাছে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নামে আনুগত্যের অঙ্গীকার করেছি এবং আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, ‘প্রত্যেক প্রতারকের জন্য কিয়ামতের দিন একটি পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং বলা হবে যে, এটি অমুক ব্যক্তির ধোঁকা এবং শিরকের পর সবচেয়ে বড় ধোঁকা হচ্ছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর প্রতি বিশ্বাসী নয়। সে রসূলের নামে কারো কাছে আনুগত্যের শপথ করে অতঃপর তা ভঙ্গ করে।’ তাই তোমাদের কেউ যেনো ইয়াজিদের আনুগত্য ভঙ্গ না করে, এমনকি খিলাফতের নির্দেশের দিকেও না তাকায়, অন্যথায় আমার আর তার মধ্যে কোনো সম্পর্ক থাকবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي رَجُلٌ مِنْ بَنِي غِفَارٍ فِي مَجْلِسِ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي فُلَانٌ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُتِيَ بِطَعَامٍ مِنْ خُبْزٍ وَلَحْمٍ فَقَالَ نَاوِلْنِي الذِّرَاعَ فَنُووِلَ ذِرَاعًا فَأَكَلَهَا قَالَ يَحْيَى لَا أَعْلَمُهُ إِلَّا هَكَذَا ثُمَّ قَالَ نَاوِلْنِي الذِّرَاعَ فَنُووِلَ ذِرَاعًا فَأَكَلَهَا ثُمَّ قَالَ نَاوِلْنِي الذِّرَاعَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّمَا هُمَا ذِرَاعَانِ فَقَالَ وَأَبِيكَ لَوْ سَكَتَّ مَا زِلْتُ أُنَاوَلُ مِنْهَا ذِرَاعًا مَا دَعَوْتُ بِهِ فَقَالَ سَالِمٌ أَمَّا هَذِهِ فَلَا سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَنْهَاكُمْ أَنْ تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ
হজরত আবূ রাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমাকে একটি বকরী হাদিয়্যাহ দেয়া হলো এবং আমি তা পাতিলে রান্না করলেন। এমন সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার কাছে এসে উপস্থিত হলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এটা কী, হে আবূ রাফি?” আমি বললাম, “আমাদেরকে একটি বকরী হাদিয়্যাহ হিসেবে দেয়া হয়েছে, হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! পাতিলে তা পাক করেছি।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হে আবূ রাফি! আমাকে এর একটি বাজু দাও তো।” আমি তাঁকে একটি বাজু দিলাম। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমাকে আরো একটি বাজু দাও।” অতঃপর আমি তাঁকে আরো একটি বাজু দিলাম। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবার বললেন, “আমাকে আরো একটি বাজু দাও।” তখন আমি বললাম, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! একটি বকরীর তো দু’টি বাজু হয়।” এটা শুনে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আহ! তুমি যদি চুপ থাকতে, তাহলে বাজুর পর বাজু আমাকে দিতে পারতে, যে পর্যন্ত তুমি নিশ্চুপ থাকতে।” এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পানি চাইলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুলি করলেন, নিজের আঙ্গুলের মাথা ধুয়ে নিলেন, অতঃপর সলাতে দাঁড়ালেন এবং সলাত আদায় করলেন। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবার আমাদের কাছে ফিরে এলেন। এবার আমাদের কাছে ঠান্ডা গোশত দেখতে পেলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা খেলেন, এরপর মাসজিদে প্রবেশ করলেন এবং সলাত আদায় করলেন। কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পানি ব্যবহার করলেন না অর্থাৎ উযূ করলেন না। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৮৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস