(২৫) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৭৪২-৩৩৬৭), সর্বমোট হাদিসঃ ১৬২৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩৯৬টি]



2971 OK

(২৯৭১)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৬৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ امْرَأَةً رَكِبَتْ الْبَحْرَ فَنَذَرَتْ إِنْ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى أَنْجَاهَا أَنْ تَصُومَ شَهْرًا فَأَنْجَاهَا اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فَلَمْ تَصُمْ حَتَّى مَاتَتْ فَجَاءَتْ قَرَابَةٌ لَهَا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ صُومِي


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক মহিলা সমুদ্র ভ্রমণে বের হয়েছিলেন, সে প্রতিজ্ঞা করলো যে, যদি আল্লাহ তাকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনেন তবে সে এক মাস রোজা রাখবে। মহিমান্বিত আল্লাহ তাকে রক্ষা করলেন, কিন্তু সে মারা যাওয়া পর্যন্ত রোজা রাখতে পারলো না। তার এক আত্মীয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে এসে পুরো ঘটনা বর্ণনা করলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা তার পক্ষ থেকে রোযা রাখো। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2972 OK

(২৯৭২)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৬৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ أَيَّامٍ الْعَمَلُ الصَّالِحُ فِيهَا أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مِنْ هَذِهِ الْأَيَّامِ يَعْنِي أَيَّامَ الْعَشْرِ قَالَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَلَا الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ وَلَا الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ إِلَّا رَجُلًا خَرَجَ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ ثُمَّ لَمْ يَرْجِعْ مِنْ ذَلِكَ بِشَيْءٍ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ أَبِي صَالِحٍ قَالَ وَحَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ مُجَاهِدٍ لَيْسَ فِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ يَعْنِي مَا مِنْ أَيَّامٍ الْعَمَلُ فِيهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যুল-হিজ্জার প্রথম দশ দিনের চেয়ে কোনো নেক আমল আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়ো নয়, যেমনটি এই দশ দিনে প্রিয়ো।” সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলেন, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে জিহাদও নয়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এমনকি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে জিহাদও নয়। তবে হ্যাঁ, যে ব্যক্তি নিজের জান-মাল নিয়ে বের হয় এবং তার কোনো একটি নিয়েও ফিরে আসে না, সে প্রিয়ো হতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2973 OK

(২৯৭৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৮৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ عِكْرِمَةَ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عَبَّاسٍ صَلَّيْتُ الظُّهْرَ بِالْبَطْحَاءِ خَلْفَ شَيْخٍ أَحْمَقَ فَكَبَّرَ ثِنْتَيْنِ وَعِشْرِينَ تَكْبِيرَةً يُكَبِّرُ إِذَا سَجَدَ وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ قَالَ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ تِلْكَ صَلَاةُ أَبِي الْقَاسِمِ عَلَيْهِ الصَّلَاة وَالسَّلَامُ


হজরত ইকরামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলাম যে, “আজ আমি ওয়াদি আল-বাথায় (মসজিদে নববীতে) এক মূর্খ শাইখের পিছনে যোহরের নামায পড়লাম। তিনি বাইশটি (২২) তাকবীর বললেন, যখন তিনি সিজদা করলেন এবং যখন সিজদা থেকে মাথা উঠালেন তখনও তাকবীর বললেন।” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক! আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামাযও এমনি ছিলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2974 OK

(২৯৭৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَيُّوبُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنْ السِّبَاعِ وَعَنْ كُلِّ ذِي مِخْلَبٍ مِنْ الطَّيْرِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন প্রত্যেক বন্য প্রাণীকে খেতে নিষেধ করেছেন, যারা তাদের হিংস্র থাবা দিয়ে শিকার করতে পারে। আর এমন প্রত্যেক পাখিকে খেতে নিষেধ করেছেন, যারা তাদের হিংস্র নখ দিয়ে শিকার করতে পারে। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2975 OK

(২৯৭৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৮৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ هِشَامٍ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ لَبَنِ شَاةِ الْجَلَّالَةِ وَعَنْ الْمُجَثَّمَةِ وَعَنْ الشُّرْبِ مِنْ فِي السِّقَاءِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ময়লা আহারকারী বকরীর দুধ, লক্ষ্যবস্তুতে ব্যবহৃত পশুর গোশত এবং পানির মশকে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2976 OK

(২৯৭৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৮৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ هِشَامٍ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ لَبَنِ شَاةِ الْجَلَّالَةِ وَعَنْ الْمُجَثَّمَةِ وَعَنْ الشُّرْبِ مِنْ فِي السِّقَاءِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ময়লা আহারকারী বকরীর দুধ, লক্ষ্যবস্তুতে ব্যবহৃত পশুর গোশত এবং পানির মশকে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2977 OK

(২৯৭৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩৬০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ قَالَا حَدَّثَنَا سَعِيدٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ جَابِرِ بْنِ زَيْدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُرِيدَ عَلَى ابْنَةِ حَمْزَةَ أَنْ يَتَزَوَّجَهَا فَقَالَ إِنَّهَا ابْنَةُ أَخِي مِنْ الرَّضَاعَةِ وَإِنَّهُ يَحْرُمُ مِنْ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنْ النَّسَبِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পরামর্শ দেওয়া হলো যে, তিনি যেনো হামযা রাদিয়াল্লাহু আনহুর কন্যাকে বিয়ে করেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “সে আমার ভাইয়ের মেয়ে (হামযা ও আমি একই মহিলার স্তন্য পান করেছি)। রক্তের বন্ধনের কারনে যেমন বিবাহ হারাম হয়, তেমনি স্তন্য পানের কারনেও বিবাহ হারাম হয়।”


[মুসনাদে আহমাদ : ২৯৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2978 OK

(২৯৭৮)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯২৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ وَمُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الَّذِي يَأْتِي امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ يَتَصَدَّقُ بِدِينَارٍ أَوْ بِنِصْفِ دِينَارٍ وَلَمْ يَرْفَعْهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ وَلَا بَهْزٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঋতুস্রাব অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাসকারী ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন, “সে যেনো এক দিনার বা অর্ধ দিনার সদকা করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2979 OK

(২৯৭৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৭৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ لَنَا مَثَلُ السُّوءِ الْعَائِدُ فِي هِبَتِهِ كَالْكَلْبِ يَعُودُ فِي قَيْئِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, “মন্দ উদাহরণ আমাদের জন্যে নয়। যে ব্যক্তি কাউকে উপহার দেওয়ার পর, তা পুনরায় ফেরত নেয়, তার উদাহরণ হলো ঐ কুকুরের মতো, যে বমি করে আবার চেটে খায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2980 OK

(২৯৮০)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯০৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى حَدَّثَنَا هِشَامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ عِنْدَ الْكَرْبِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ رَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কষ্ট পেতেন, তখন তিনি বলতেন,

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ رَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ

“সর্বশক্তিমান, সহনশীল আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবুদ নেই। পরাক্রমশালী আরশের অধিপতি আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। আসমান ও যমীনের পালনকর্তা, মহান আরশের মালিক আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই।”
[মুসনাদে আহমাদ : ২৯৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2981 OK

(২৯৮১)

হাদিস দেখুন [৩১:২০২১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ وَقَّتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ ذَا الْحُلَيْفَةِ وَلِأَهْلِ الشَّامِ الْجُحْفَةَ وَلِأَهْلِ الْيَمَنِ يَلَمْلَمَ وَلِأَهْلِ نَجْدٍ قَرْنًا وَقَالَ هُنَّ وَقْتٌ لِأَهْلِهِنَّ وَلِمَنْ مَرَّ بِهِنَّ مِنْ غَيْرِ أَهْلِهِنَّ يُرِيدُ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ فَمَنْ كَانَ مَنْزِلُهُ مِنْ وَرَاءِ الْمِيقَاتِ فَإِهْلَالُهُ مِنْ حَيْثُ يُنْشِئُ وَكَذَلِكَ حَتَّى أَهْلُ مَكَّةَ إِهْلَالُهُمْ مِنْ حَيْثُ يُنْشِئُونَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনাবাসীদের জন্যে যুল-হুলাইফাহ, সিরিয়াবাসীদের জন্যে আল-জুহফাহ, ইয়েমেনের অধিবাসীদের জন্যে ইয়ালামলাম এবং নজদের অধিবাসীদের জন্যে কর্ণকে মীকাত নির্ধারণ করেছেন এবং বলেছেন যে, “এই মীকাতগুলো ঐসব লোকদের জন্যে, যারা এর বাইরে থাকে এবং হজ ও ওমরাহ করার নিয়তে ঐ স্থানগুলোর মধ্য দিয়ে যায়। যারা এই সীমানার মধ্যে থাকে, তারা ঐ স্থান থেকেই ইহরাম বাঁধতে পারে। আর মক্কার লোকেরা যেখানে থাকে, সেখান থেকেই ইহরাম বাঁধতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2982 OK

(২৯৮২)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৮২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ قَتَادَةُ أَخْبَرَنِي قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حَسَّانَ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى الظُّهْرَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ ثُمَّ دَعَا بِبَدَنَتِهِ أَوْ أُتِيَ بِبَدَنَتِهِ فَأَشْعَرَ صَفْحَةَ سَنَامِهَا الْأَيْمَنِ ثُمَّ سَلَتَ الدَّمَ عَنْهَا وَقَلَّدَهَا بِنَعْلَيْنِ ثُمَّ أَتَى رَاحِلَتَهُ فَلَمَّا قَعَدَ عَلَيْهَا وَاسْتَوَتْ بِهِ عَلَى الْبَيْدَاءِ أَهَلَّ بِالْحَجِّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুল-হুলাইফাতে যোহরের নামায পড়লেন। তারপর তিনি তাঁর কুরবানীর উটকে ডাকলেন এবং তার কুঁজের ডান দিক থেকে রক্ত ​​বের করে তার ওপর ছিটিয়ে দিলেন। তারপর তা পরিষ্কার করলেন। তারপর দুটি জুতার মালা পরিয়ে দিলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সওয়ারী আনা হলো এবং যখন তিনি আল-বাইদাতে পৌঁছলেন, তখন তিনি হজের ইহরাম বাঁধলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2983 OK

(২৯৮৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৯৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ هَذِهِ وَهَذِهِ سَوَاءٌ الْخِنْصَرُ وَالْإِبْهَامُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, (রক্তপন দেয়ার ক্ষেত্রে) বুড়ো আঙুল ও কনিষ্ঠ আঙুল উভয়ই এক সমান। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2984 OK

(২৯৮৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৫০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ أَخْبَرَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ أَبِي الْأَسْوَدِ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَعَنَ الْوَاصِلَةَ وَالْمَوْصُولَةَ وَالْمُتَشَبِّهِينَ مِنْ الرِّجَالِ بِالنِّسَاءِ وَالْمُتَشَبِّهَاتِ مِنْ النِّسَاءِ بِالرِّجَالِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ সকল নারীদেরকে অভিশাপ দিয়েছেন, যারা পরচুলা ব্যবহার করে এবং যারা তা পরিয়ে দেয়। তিনি আরো অভিশাপ দিয়েছেন, নারী ছদ্মবেশ ধারণকারী পুরুষদেরকে ও পুরুষ ছদ্মবেশ ধারণকারী নারীদেরকে। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2985 OK

(২৯৮৫)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ يُحَدِّثُ أَنَّهُ سَمِعَ رَجُلًا مِنْ بَنِي تَمِيمٍ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ قَوْلِ الرَّجُلِ بِإِصْبَعِهِ يَعْنِي هَكَذَا فِي الصَّلَاةِ قَالَ ذَاكَ الْإِخْلَاصُ


হজরত আবু ইসহাক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি বনু তামীমের এক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছি যে, তিনি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কে একজন ব্যক্তি তার আঙ্গুল দিয়ে নামাযের মধ্যে ইশারা করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “এটি আন্তরিকতা।” আর হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে এমনভাবে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, আমরা মনে করেছিলাম যে, এ বিষয়ে তাঁর কাছে ওহী নাযিল হবে। আর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সেজদা করতে দেখেছি এবং আমি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখেছি।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৮৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2986 OK

(২৯৮৬)

হাসান হাদিস

وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لَقَدْ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالسِّوَاكِ حَتَّى ظَنَنَّا أَنَّهُ سَيُنْزَلُ عَلَيْهِ فِيهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে এমনভাবে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, আমরা মনে করেছিলাম যে, এ বিষয়ে তাঁর কাছে ওহী নাযিল হবে। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৮৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2987 OK

(২৯৮৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৮১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ التَّمِيمِيِّ الَّذِي يُحْدِثُ التَّفْسِيرَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ خَلْفِهِ فَرَأَيْتُ بَيَاضَ إِبْطَيْهِ وَهُوَ مُجَخٍّ قَدْ فَرَّجَ يَدَيْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা আমি পিছন থেকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এলাম এবং তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখতে পেলাম, তখন তিনি তাঁর হাত শরীর থেকে দূরে রেখে সিজদা করছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2988 OK

(২৯৮৮)

হাদিস দেখুন [৩১:২৪০২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا بَهْزٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ أَخْبَرَنِي عَدِيُّ بْنُ ثَابِتٍ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي فِطْرٍ فَلَمْ يُصَلِّ قَبْلَهَا وَلَا بَعْدَهَا ثُمَّ أَتَى النِّسَاءَ وَمَعَهُ بِلَالٌ فَجَعَلَ يَقُولُ تَصَدَّقْنَ فَجَعَلَتْ الْمَرْأَةُ تُلْقِي خُرْصَهَا وَسِخَابَهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন নামাযের জন্যে বের হয়ে গেলেন। তিনি এর আগে বা পরে কোন নামায আদায় করলেন না। তারপর তিনি হজরত বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে মহিলাদের কাছে গেলেন এবং বলতে লাগলেন, “তোমরা সদকা করো।” আর মহিলারা তাদের কানের দুল, গলার হার ও আংটি খুলে সদকা করতে থাকলো।

[মুসনাদে আহমাদ : ২৯৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2989 OK

(২৯৮৯)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৩৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ وَعَطَاءُ بْنُ السَّائِبِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ رَفَعَهُ أَحَدُهُمَا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ جِبْرِيلَ كَانَ يَدُسُّ فِي فَمِ فِرْعَوْنَ الطِّينَ مَخَافَةَ أَنْ يَقُولَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছে, “ফেরাউন যখন ডুবে যাচ্ছিলো, তখন হজরত জিব্রাইল (আঃ) তার মুখে কাদা ভরতে লাগলেন, এই ভয়ে যে, হয়তো সে (শাস্তি থেকে বাঁচতে) ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে ফেলবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2990 OK

(২৯৯০)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩৪৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْفَضْلُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ قَالَ مَرَّ ابْنُ عَبَّاسٍ عَلَى أُنَاسٍ قَدْ وَضَعُوا حَمَامَةً يَرْمُونَهَا فَقَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُتَّخَذَ الرُّوحُ غَرَضًا


হজরত ইকরিমা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কিছু লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যারা একটি কবুতরকে ধরে রেখেছিলো এবং তারা সেটিকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়ছিলো। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো প্রাণীকে বাঁধা এবং তা লক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2991 OK

(২৯৯১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْحَكَمِ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ نَبِيذِ الْجَرِّ وَعَنْ الدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمِ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مَنْ سَرَّهُ أَنْ يُحَرِّمَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ فَلْيُحَرِّمْ النَّبِيذَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে মাটির পাত্র, লাউ এবং সবুজ চকচকে কলসিতে তৈরি নাবীজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের হারাম জিনিসকে হারাম মনে করতে চায়, সে যেনো নবীদকে হারাম মনে করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2992 OK

(২৯৯২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْحَكَمِ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَمَّ الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “আজকের এই মাস ঊনত্রিশ (২৯) দিনে পূর্ণ হয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2993 OK

(২৯৯৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭১৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي مُشَاشٌ عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ضَعَفَةَ بَنِي هَاشِمٍ أَمَرَهُمْ أَنْ يَتَعَجَّلُوا مِنْ جَمْعٍ بِلَيْلٍ


হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বনু হাশিমের দুর্বল নারী ও শিশুদেরকে রাতে তাড়াতাড়ি মুযদালিফা ত্যাগ করার নির্দেশ দেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2994 OK

(২৯৯৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُخَوَّلٍ قَالَ سَمِعْتُ مُسْلِمًا الْبَطِينَ يُحَدِّثُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ يَقْرَأُ فِي صَلَاةِ الصُّبْحِ الم تَنْزِيلُ السَّجْدَةَ وَهَلْ أَتَى عَلَى الْإِنْسَانِ وَفِي الْجُمُعَةِ بِسُورَةِ الْجُمُعَةِ وَالْمُنَافِقِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনে ফজরের নামাযে আলিফ-লাম-মীম তানযীল (৩৩. সূরা আস-সাজদাহ) এবং হাল আতাআলাল-ইনসান (৭৬. সূরা আদ দাহর / আল ইনসান) পাঠ করতেন। আর জুমার নামাযে সূরা (৬২. জুমা) ও সূরা (৬৩. মুনাফিকুন) পড়তেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2995 OK

(২৯৯৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ وَحَجَّاجٌ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سُلَيْمَانَ وَمَنْصُورٍ عَنْ ذَرٍّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُمْ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا نُحَدِّثُ أَنْفُسَنَا بِالشَّيْءِ لَأَنْ يَكُونَ أَحَدُنَا حُمَمَةً أَحَبُّ إِلَيْهِ مِنْ أَنْ يَتَكَلَّمَ بِهِ قَالَ فَقَالَ أَحَدُهُمَا الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَمْ يَقْدِرْ مِنْكُمْ إِلَّا عَلَى الْوَسْوَسَةِ وَقَالَ الْآخَرُ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي رَدَّ أَمْرَهُ إِلَى الْوَسْوَسَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাহবীরা বললো, “হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, কখনো কখনো আমাদের মনে এমন বিষয়গুলি আসে যে, আমরা তা মুখে বলার চেয়ে কাঠের কয়লায় পরিণত হওয়া বেশি পছন্দ করি।” (একজন বর্ণনাকারীর মতে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন যে, “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে, যিনি তোমাদের উপরে শয়তানকে কোনো ক্ষমতা দেননি, কেবল মাত্র ফিসফিসানি করা ছাড়া।” (অন্য একজন বর্ণনাকারীর মতে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন যে, “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে, যিনি শয়তানের ছলনাকে নিছক ফিসফিসানিতে কমিয়ে দিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2996 OK

(২৯৯৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ حَدَّثَنِي مَنْصُورٌ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْمَدِينَةِ يُرِيدُ مَكَّةَ فَصَامَ حَتَّى أَتَى عُسْفَانَ قَالَ فَدَعَا بِإِنَاءٍ فَوَضَعَهُ عَلَى يَدِهِ حَتَّى نَظَرَ النَّاسُ إِلَيْهِ ثُمَّ أَفْطَرَ قَالَ فَكَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَقُولُ مَنْ شَاءَ صَامَ وَمَنْ شَاءَ أَفْطَرَ حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ بْن أَحْمَد حَدَّثَنِي أَبِي حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ عَنْ مَنْصُورٍ فَذَكَرَهُ بِإِسْنَادِهِ أَوْ مَعْنَاهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসে মক্কা বিজয়ের উদ্দেশ্যে মদীনা ছেড়ে মক্কার দিকে রওনা হলেন এবং উসফানে পৌঁছনো পর্যন্ত তিনি রোযা রাখলেন। অতঃপর তিনি একটি খাবারের পাত্র আনতে বললেন। তিনি তা হাতে নিলেন, যাতে লোকেরা তাঁকে দেখতে পায়। অতঃপর তিনি রোযা ভঙ্গ করলেন। সুতরাং মুসাফিরকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে যে, সে ইচ্ছে হলে রোযা রাখবে অথবা রোযা রাখবে না (তবে পরে তা পূরণ করতে হবে)। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2997 OK

(২৯৯৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৮৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي أَبُو بِشْرٍ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ خَالَتَهُ أُمَّ حُفَيْدٍ أَهْدَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَمْنًا وَأَضُبًّا وَأَقِطًا قَالَ فَأَكَلَ مِنْ السَّمْنِ وَمِنْ الْأَقِطِ وَتَرَكَ الْأَضُبَّ تَقَذُّرًا فَأُكِلَ عَلَى مَائِدَةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَوْ كَانَ حَرَامًا لَمْ يُؤْكَلْ عَلَى مَائِدَةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ مَنْ قَالَ لَوْ كَانَ حَرَامًا قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমার খালা উম্মে হুফাইদ রাদিয়াল্লাহু আনহু রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কিছু ঘি, একটি রান্না করা দুব্বা (টিকটিকি জাতীয় প্রাণী) এবং কিছু দই দিয়েছিলেন। তিনি ঘি ও দই খেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি দুব্বা খাননি, কারণ তিনি তা অপছন্দ করেছিলেন। কিন্তু তা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনেই খাওয়া হয়েছিলো এবং যদি তা হারাম হতো তবে তা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে খাওয়া হতো না। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2998 OK

(২৯৯৮)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫১২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ فَرَأَى الْيَهُودَ يَصُومُونَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَقَالَ مَا هَذَا الْيَوْمُ الَّذِي تَصُومُونَ قَالُوا هَذَا يَوْمٌ صَالِحٌ هَذَا يَوْمٌ نَجَّى اللَّهُ بَنِي إِسْرَائِيلَ مِنْ عَدُوِّهِمْ قَالَ فَصَامَهُ مُوسَى قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَا أَحَقُّ بِمُوسَى مِنْكُمْ قَالَ فَصَامَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَمَرَ بِصَوْمِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনায় এসে ইহুদীদেরকে আশুরার দিনে রোযা রাখতে দেখলেন। তিনি তাদেরকে বললেন যে, “এটি এমন কোন দিন, যেদিন তোমরা রোযা রাখো?” তারা বললো, “এটি একটি উত্তম দিন। যে দিন আল্লাহ বনী ইসরাঈলকে তাদের শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন। তাই এই দিনে হজরত মূসা (আঃ) রোজা রেখেছিলেন।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি তোমাদের চেয়ে হজরত মূসা (আঃ)-এর নিকটবর্তী হওয়ার অধিক হকদার।” অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেদিন রোযা রাখলেন এবং সাহবীদেরকে রোযা রাখার নির্দেশ দিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2999 OK

(২৯৯৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৪৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ عَنْ ذَرَارِيِّ الْمُشْرِكِينَ فَقَالَ اللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا كَانُوا عَامِلِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মুশরিকদের সন্তানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো (যারা মারা গেছে)। তিনি বললেন, “তারা বড় হয়ে কি করতো আল্লাহই ভালো জানেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৯৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3000 OK

(৩০০০)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩৬৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو حَدَّثَنَا زَائِدَةُ حَدَّثَنَا حَبِيبُ بْنُ أَبِي عَمْرَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمِ وَالْمُزَفَّتِ وَالنَّقِيرِ وَأَنْ يُخْلَطَ الْبَلَحُ وَالزَّهْوُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুব্বা (লাউয়ের খোলের পাত্র), হান্তাম (মাটির সবুজ পাত্র), মুজাফত (এক রকম তৈলাক্ত পাত্র) ও নাকির (কাঠের পাত্র) ব্যবহার করতে নিষিদ্ধ করেছেন (কেননা, এই সব পাত্রগুলো মদ তৈরি ও মদ পানের জন্যে ব্যবহৃত হতো)। আর কিসমিস এবং খেজুর একত্রে মিশিয়ে নাবীজ তৈরি করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩০০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস