(২৫) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৭৪২-৩৩৬৭), সর্বমোট হাদিসঃ ১৬২৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৫৪৬টি]



2821 OK

(২৮২১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَدْ مَسَحَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى الْخُفَّيْنِ فَاسْأَلُوا هَؤُلَاءِ الَّذِينَ يَزْعُمُونَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَسَحَ قَبْلَ نُزُولِ الْمَائِدَةِ أَوْ بَعْدَ الْمَائِدَةِ وَاللَّهِ مَا مَسَحَ بَعْدَ الْمَائِدَةِ وَلَأَنْ أَمْسَحَ عَلَى ظَهْرِ عَابِرٍ بِالْفَلَاةِ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أَمْسَحَ عَلَيْهِمَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মোজার ওপর মাসিহ করেছিলেন। সুতরাং এই লোকদের জিজ্ঞাসা করুন যারা বলে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি সূরা আল-মায়েদা নাযিল হওয়ার পূর্বে মোজার ওপর মাসিহ করেছিলেন, নাকি পরে? আল্লাহর কসম, তিনি সূরা আল-মায়েদা নাযিল হওয়ার পরে মোজার ওপর মাসিহ করেছিলেন। মরুপ্রান্তরে কোনো পথচারীর পিঠ মুছে ফেলা, আমার কাছে মোজার ওপর মাসিহ করার চেয়েও প্রিয়। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2822 OK

(২৮২২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ وَرْدٍ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لِعُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ يَا عُرَيَّةُ سَلْ أُمَّكَ أَلَيْسَ قَدْ جَاءَ أَبُوكَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَحَلَّ


হজরত ইবনু আবি মুলাইকাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু, হজরত উরওয়া ইবনে যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বললেন, “হে উরওয়া! তোমার মাকে জিজ্ঞেস করো, তোমার পিতা কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে এসে ইহরাম ত্যাগ করেননি?” [মুসনাদে আহমাদ : ২৮২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2823 OK

(২৮২৩)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩৫২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ الْجِنُّ يَسْمَعُونَ الْوَحْيَ فَيَسْتَمِعُونَ الْكَلِمَةَ فَيَزِيدُونَ فِيهَا عَشْرًا فَيَكُونُ مَا سَمِعُوا حَقًّا وَمَا زَادُوهُ بَاطِلًا وَكَانَتْ النُّجُومُ لَا يُرْمَى بِهَا قَبْلَ ذَلِكَ فَلَمَّا بُعِثَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ أَحَدُهُمْ لَا يَأْتِي مَقْعَدَهُ إِلَّا رُمِيَ بِشِهَابٍ يُحْرِقُ مَا أَصَابَ فَشَكَوْا ذَلِكَ إِلَى إِبْلِيسَ فَقَالَ مَا هَذَا إِلَّا مِنْ أَمْرٍ قَدْ حَدَثَ فَبَثَّ جُنُودَهُ فَإِذَا هُمْ بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي بَيْنَ جَبَلَيْ نَخْلَةَ فَأَتَوْهُ فَأَخْبَرُوهُ فَقَالَ هَذَا الْحَدَثُ الَّذِي حَدَثَ فِي الْأَرْضِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

জিনেরা আকাশের বাণী শুনতো। তারা একটি সত্য শব্দ শুনে, তার সাথে দশটি মিথ্যা শব্দ যোগ করে গনকদের নিকট পৌছে দিতো। তারা যা শুনেছে তা সত্য এবং তারা যা যুক্ত করেছে তা মিথ্যা। এর আগে জ্বিনদের তাড়ানোর জন্যে উল্কাপিন্ড ব্যবহার করা হয়নি। যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রেরিত করা হয়েছিলো, তখন জিনদের কেউ আকাশের বাণী শোনার মতো অবস্থানে আসতো না। কিন্তু যদি তারা শুনার চেষ্টা করতো, তবে একটি উল্কাপিন্ড তাদের দিকে লক্ষ্য করে ছুড়া হতো, যা তাদেরকে আঘাত করতো ও তাদেরকে পুড়িয়ে ফেলতো। তারা এ বিষয়ে ইবলীসের কাছে অভিযোগ জানালো এবং ইবলীস বললো, “এটি কেবল মাত্র এমন কিছুর কারণে হতে পারে, যা পৃথিবীতে ঘটেছে।” সে তার সৈন্যদল পৃথিবীতে পাঠালো এবং তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নাখলা নামক স্থানে দুই পাহাড়ের মাঝখানে সালাত আদায় করতে দেখলো। তারা এসে ইবলীসকে সে কথা বললো এবং ইবলীস বললো, “পৃথিবীতে এটাই ঘটেছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৮২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2824 OK

(২৮২৪)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯৩৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ وَعْلَةَ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ بَيْعِ الْخَمْرِ فَقَالَ كَانَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدِيقٌ مِنْ ثَقِيفٍ أَوْ مِنْ دَوْسٍ فَلَقِيَهُ بِمَكَّةَ عَامَ الْفَتْحِ بِرَاوِيَةِ خَمْرٍ يُهْدِيهَا إِلَيْهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا أَبَا فُلَانٍ أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ اللَّهَ حَرَّمَهَا فَأَقْبَلَ الرَّجُلُ عَلَى غُلَامِهِ فَقَالَ اذْهَبْ فَبِعْهَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا أَبَا فُلَانٍ بِمَاذَا أَمَرْتَهُ قَالَ أَمَرْتُهُ أَنْ يَبِيعَهَا قَالَ إِنَّ الَّذِي حَرَّمَ شُرْبَهَا حَرَّمَ بَيْعَهَا فَأَمَرَ بِهَا فَأُفْرِغَتْ فِي الْبَطْحَاءِ


হজরত আবদুর-রহমান ইবনু ওয়ালাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে মদ বিক্রির বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলাম এবং তিনি বললেন যে, মক্কা বিজয়ের বছর মক্কায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সাক্ষাত করার জন্য সাকীফ বা দাউস গোত্রের একজন ব্যক্তি এসেছিলো। সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বন্ধু ছিলো। সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে উপহার হিসাবে দেওয়ার জন্য একটি মদের একটি বড় কলস নিয়ে এসেছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন যে, “হে অমুকের পিতা, তুমি কি জানো না যে, আল্লাহ মদ হারাম করেছেন?” একথা শুনে লোকটি তার গোলামের দিকে ফিরে ফিসফিস করে বললো, “যাও এবং মদটি বিক্রি করে দাও।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, “হে অমুকের পিতা, তুমি তাকে কি করতে বলছো?” সে বললো, “আমি তাকে মদটি বিক্রি করতে বলেছি।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, “যিনি এটা পান করতে নিষেধ করেছেন, তিনি তা বিক্রি করতেও নিষেধ করেছেন।” তাই তিনি তা আল-বাথায় শহরে নিয়ে গিয়ে ঢেলে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2825 OK

(২৮২৫)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৪৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ جَابِرٍ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا احْتَجَمَ احْتَجَمَ فِي الْأَخْدَعَيْنِ قَالَ فَدَعَا غُلَامًا لِبَنِي بَيَاضَةَ فَحَجَمَهُ وَأَعْطَى الْحَجَّامَ أَجْرَهُ مُدًّا وَنِصْفًا قَالَ وَكَلَّمَ مَوَالِيَهُ فَحَطُّوا عَنْهُ نِصْفَ مُدٍّ وَكَانَ عَلَيْهِ مُدَّانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে শিঙ্গা দিয়ে চিকিৎসা করা হয়েছিলো, তখন তাঁর ঘাড়ের পাশের দুটি শিরায় চিকিৎসা করা হয়েছিলো। তিনি বনু বায়দাহর ক্রীতদাসকে ডেকেছিলেন, যে তাঁকে শিঙ্গা দিয়ে চিকিৎসা করেছিলো। তিনি মজুরি হিসেবে তাকে দেড় মুদ গম প্রদান করেছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঐ ক্রীতদাসের মালিকদের সাথে কথা বলেছিলেন। তাই তারা ক্রীতদাসের মজুরি অর্ধেক মুদ মওকুফ করে এত মুদ নির্ধারন করেছিলো। অন্যথায় ইতিপূর্বে ঐ ক্রীতদাসকে তার মালিকদেরকে পুরো দুই মুদ মজুরি দিতে হতো। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2826 OK

(২৮২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮১৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ عَمْرٌو قَالَ أَبُو الشَّعْثَاءِ مَنْ هِيَ قَالَ قُلْتُ يَقُولُونَ مَيْمُونَةُ قَالَ أَخْبَرَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَكَحَ مَيْمُونَةَ وَهُوَ مُحْرِمٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত মায়মুনা বিনতে আল হারিস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বিয়ে করেছিলেন, যখন তারা উভয়েই ইহরাম অবস্থায় ছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2827 OK

(২৮২৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮৫৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ مَسْعُودِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنِّي نُصِرْتُ بِالصَّبَا وَإِنَّ عَادًا أُهْلِكَتْ بِالدَّبُورِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমাকে পূর্ব দিকের বাতাস (কাবার দিক থেকে আসা বাতাস) দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে এবং পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত বাতাস দ্বারা আদ জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৮২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2828 OK

(২৮২৮)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮২৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أُمِرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَسْجُدَ عَلَى سَبْعٍ وَنُهِيَ أَنْ يَكُفَّ شَعَرَهُ وَثِيَابَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাতটি হাড়ের ওপর (নাক, উভয় হাত, উভয় হাঁটু এবং উভয় পায়) সিজদা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো এবং নামাযের সময় কাপড় ও চুল মোড়ানো নিষিদ্ধ ছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2829 OK

(২৮২৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯২৬] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَوَكِيعٌ قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَةَ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا صَالِحٍ يُحَدِّثُ بَعْدَمَا كَبِرَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَائِرَاتِ الْقُبُورِ وَالْمُتَّخِذِينَ عَلَيْهَا الْمَسَاجِدَ وَالسُّرُجَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কবর যিয়ারতকারী মহিলাদেরকে (যারা অবৈধ কাজ করে), যারা কবরের ওপর মসজিদ নির্মাণ করে এবং যারা কবরের ওপর প্রদীপ জ্বালায়, তাদেরকে অভিশাপ দিয়েছেন।

[মুসনাদে আহমাদ : ২৮২৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2830 OK

(২৮৩০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي جَمْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي ثَلَاثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً مِنْ اللَّيْلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে ১৩ রাকাত নামায পড়তেন (৮ রাকাত তাহাজ্জুদ, ৩ রাকাত বিতর এবং ২ রাকাত ফজরের সুন্নত)। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2831 OK

(২৮৩১)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯১৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَرَّ رَجُلٌ مِنْ بَنِي سُلَيْمٍ بِنَفَرٍ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَسُوقُ غَنَمًا لَهُ فَسَلَّمَ عَلَيْهِمْ فَقَالُوا مَا سَلَّمَ عَلَيْنَا إِلَّا لِيَتَعَوَّذَ مِنَّا فَعَمَدُوا إِلَيْهِ فَقَتَلُوهُ وَأَتَوْا بِغَنَمِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَزَلَتْ الْآيَةُ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا ضَرَبْتُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَتَبَيَّنُوا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

বনু সুলাইমের এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীদের একটি দলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো। সে তার কিছু বকরীর পাল চালাচ্ছিলো এবং তাদেরকে সালাম দিলো। সাহাবী বললেন, সে আমাদেরকে সালাম দিচ্ছে যাতে আমাদের থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে। অতঃপর তারা গিয়ে তাকে হত্যা করলেন এবং তার বকরী গুলোকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামর কাছে নিয়ে এলেন। অতঃপর এই আয়াতটি নাযিল হয়,
يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا ضَرَبۡتُمۡ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ فَتَبَيَّنُواْ وَلَا تَقُولُواْ لِمَنۡ أَلۡقَىٰٓ إِلَيۡكُمُ ٱلسَّلَٰمَ لَسۡتَ مُؤۡمِنٗا تَبۡتَغُونَ عَرَضَ ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا فَعِندَ ٱللَّهِ مَغَانِمُ كَثِيرَةٞۚ كَذَٰلِكَ كُنتُم مِّن قَبۡلُ فَمَنَّ ٱللَّهُ عَلَيۡكُمۡ فَتَبَيَّنُوٓاْۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِمَا تَعۡمَلُونَ خَبِيرٗا٩٤
ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা যখন আল্লাহর পথে জিহাদের জন্যে যাত্রা করো, তখন তোমরা সব কিছু যাচাই করে নিও। যে ব্যক্তি তোমাদের প্রতি সালাম নিবেদন করে, তোমরা তাকে এ কথা বলো না যে, “তুমি বিশ্বাসী নও।” তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদ অনুসন্ধান করো অথচ আল্লাহর কাছে প্রচুর যুদ্ধ লব্ধ সম্পদ রয়েছে। ইতিপূর্বে তোমরা এমনই ছিলে, কিন্তু আল্লাহ তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। সুতরাং এখন থেকে তোমরা সব কিছু, যাচাই করে নিও। নিশ্চয় তোমরা যা করো আল্লাহ ঐ বিষয়ে সংবাদ রাখেন। [৪ : ৯৪] [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2832 OK

(২৮৩২)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩৩৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ وَأَبُو نُعَيْمٍ قَالَا حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي قَوْلِهِ عَزَّ وَجَلَّ كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنْ الْمُنْكَرِ قَالَ هُمْ الَّذِينَ هَاجَرُوا مَعَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْمَدِينَةِ قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

كُنتُمۡ خَيۡرَ أُمَّةٍ أُخۡرِجَتۡ لِلنَّاسِ تَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَتَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِ وَتُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِۗ وَلَوۡ ءَامَنَ أَهۡلُ ٱلۡكِتَٰبِ لَكَانَ خَيۡرٗا لَّهُمۚ مِّنۡهُمُ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ وَأَكۡثَرُهُمُ ٱلۡفَٰسِقُونَ١١٠
তোমরা হচ্ছো এক শ্রেষ্ঠ জাতি, পৃথিবীতে তোমাদেরকে মানব জাতির জন্যে বের করা হয়েছে, যেনো তোমরা মানুষকে ন্যায়ভাবে নির্দেশ দাও, অন্যায় কাজ থেকে নিষেধ করো আর আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করো। গ্রন্থপ্রাপ্তরাও যদি আল্লাহর প্রতি তোমাদের বিশ্বাস করার মতো বিশ্বাস করতো, তবে তাদের জন্যে এটাই ভালো হতো! তাদের মধ্যে অনেকেই বিশ্বাসী, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিপর্যয় সৃষ্টিকারী। (৩. আল ইমরান : ১১০)

এই আয়াতের দৃষ্টান্ত হলো সেই সমস্ত লোক, যারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে মদীনায় হিজরত করেছিলো।

[মুসনাদে আহমাদ : ২৮৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2833 OK

(২৮৩৩)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৫৪] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ حَسَنٍ الْأَشْقَرُ حَدَّثَنَا أَبُو كُدَيْنَةَ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ أَبِي الضُّحَى عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَرَّ يَهُودِيٌّ بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ جَالِسٌ قَالَ كَيْفَ تَقُولُ يَا أَبَا الْقَاسِمِ يَوْمَ يَجْعَلُ اللَّهُ السَّمَاءَ عَلَى ذِهْ وَأَشَارَ بِالسَّبَّابَةِ وَالْأَرْضَ عَلَى ذِهْ وَالْمَاءَ عَلَى ذِهْ وَالْجِبَالَ عَلَى ذِهْ وَسَائِرَ الْخَلْقِ عَلَى ذِهْ كُلُّ ذَلِكَ يُشِيرُ بِأَصَابِعِهِ قَالَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ وَمَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ইহুদি পাদরী রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো, যখন তিনি বসে ছিলেন। ঐ ইহুদি পাদরী বললো, “হে আবুল কাসিম, কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তাআলা আকাশ মণ্ডলীকে এক আঙ্গুলে, জমিন সমূহকে এক আঙ্গুলে, পাহাড় ও গাছপালাকে এক আঙ্গুলে; পানি ও মাটি এক আঙ্গুলে এবং সকল প্রকার সৃষ্টিকে এক আঙ্গুলে তুলে ধরবেন। তারপর এগুলো দুলিয়ে বলবেন, আমিই বাদশাহ, আমিই অধিপতি।” আর সে প্রতিবার তার আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করলো। পাদরীর কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিস্ময়ের সাথে তার সত্যায়ন স্বরূপ হাসলেন। অতঃপর আল্লাহ তাআলা এই আয়াতটি অবতীর্ণ করলেন,
وَمَا قَدَرُواْ ٱللَّهَ حَقَّ قَدۡرِهِۦ وَٱلۡأَرۡضُ جَمِيعٗا قَبۡضَتُهُۥ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ وَٱلسَّمَٰوَٰتُ مَطۡوِيَّٰتُۢ بِيَمِينِهِۦۚ سُبۡحَٰنَهُۥ وَتَعَٰلَىٰ عَمَّا يُشۡرِكُونَ٦٧
তারা আল্লাহকে যথার্থ রূপে সম্মান করে না। অথচ কিয়ামতের দিনে সব ভূমন্ডল থাকবে তাঁর হাতের মুঠোতে এবং নভোমন্ডল ভাঁজ করা অবস্থায় তাঁর ডান হাতে থাকবে। আল্লাহ পবিত্র আর তারা যাকে আল্লাহর সাথে অংশীদার করে, তা থেকে আল্লাহ অনেক উর্ধ্বে। [৩৯ : ৬৭]


[মুসনাদে আহমাদ : ২৮৩৩]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2834 OK

(২৮৩৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৫৫] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ الْأَشْقَرُ حَدَّثَنَا أَبُو كُدَيْنَةَ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ أَبِي الضُّحَى عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَصْبَحَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ وَلَيْسَ فِي الْعَسْكَرِ مَاءٌ فَأَتَاهُ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَيْسَ فِي الْعَسْكَرِ مَاءٌ قَالَ هَلْ عِنْدَكَ شَيْءٌ قَالَ نَعَمْ قَالَ فَأْتِنِي بِهِ قَالَ فَأَتَاهُ بِإِنَاءٍ فِيهِ شَيْءٌ مِنْ مَاءٍ قَلِيلٍ قَالَ فَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَصَابِعَهُ فِي فَمِ الْإِنَاءِ وَفَتَحَ أَصَابِعَهُ قَالَ فَانْفَجَرَتْ مِنْ بَيْنِ أَصَابِعِهِ عُيُونٌ وَأَمَرَ بِلَالًا فَقَالَ نَادِ فِي النَّاسِ الْوَضُوءَ الْمُبَارَكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন ঘুম থেকে জেগে উঠলেন এবং ঐ সময় শিবিরে পানি ছিলো না। তখন এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বললো, “হে আল্লাহর রাসূল, শিবিরে পানি নেই।” তিনি বললেন, “তোমার কাছে কি কিছু পানি আছে?” সে বললো, “হ্যাঁ।” তিনি বললেন, “আমার কাছে নিয়ে এসো।” তাই সে একটি বোতল এনে দিলো, যাতে সামান্য পানি ছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাত্রের মুখের উপর আঙ্গুল রাখলেন এবং তাঁর আঙ্গুলের মাঝখান থেকে পানির ঝর্ণা প্রবাহিত হলো। তিনি বিলালকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, “লোকদেরকে ডাকো ও বলো, এসো এবং এই বরকতময় পানি দিয়ে ওজু করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৩৪]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2835 OK

(২৮৩৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ سَمِعْتُ يُونُسَ يُحَدِّثُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَمَّا حَضَرَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْوَفَاةُ قَالَ هَلُمَّ أَكْتُبْ لَكُمْ كِتَابًا لَنْ تَضِلُّوا بَعْدَهُ وَفِي الْبَيْتِ رِجَالٌ فِيهِمْ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ فَقَالَ عُمَرُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ غَلَبَهُ الْوَجَعُ وَعِنْدَكُمْ الْقُرْآنُ حَسْبُنَا كِتَابُ اللَّهِ قَالَ فَاخْتَلَفَ أَهْلُ الْبَيْتِ فَاخْتَصَمُوا فَمِنْهُمْ مَنْ يَقُولُ يَكْتُبُ لَكُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ قَالَ قَرِّبُوا يَكْتُبْ لَكُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمِنْهُمْ مَنْ يَقُولُ مَا قَالَ عُمَرُ فَلَمَّا أَكْثَرُوا اللَّغَطَ وَالِاخْتِلَافَ وَغُمَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ قُومُوا عَنِّي فَكَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَقُولُ إِنَّ الرَّزِيَّةَ كُلَّ الرَّزِيَّةِ مَا حَالَ بَيْنَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبَيْنَ أَنْ يَكْتُبَ لَهُمْ ذَلِكَ الْكِتَابَ مِنْ اخْتِلَافِهِمْ وَلَغَطِهِمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিদায়ের সময় ঘনিয়ে এলো, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমার আমার কাছে লেখার জন্যে কিছু নিয়ে এসো। আমি তোমাদের জন্যে এমন কিছু লিখবো, যাতে আমি চলে যাওয়ার পর তোমরা বিপথগামী না হও।” সে সময় বাড়িতে অনেক লোক ছিলো, যাদের মধ্যে হযরত ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহু-ও ছিলেন। হযরত ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছিলেন যে, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রচণ্ড ব্যথায় কাবু হয়েছে এবং আমাদের কাছে আল্লাহর কিতাব পবিত্র কুরআন আছে, যা আমাদের জন্যে যথেষ্ট।” কিন্তু তারা এ বিষয়ে তর্ক করেছিলো এবং মতবিরোধ দেখা দিলো, যদিও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপস্থিতিতে তা উপযুক্ত ছিলো না। তারা বললো, তাঁর কি হলো? তিনি কি প্রলাপ করছেন? তাঁর কাছ থেকে পুনরায় জানার চেষ্টা করুন, তাঁর উদ্দেশ্য কি? তাই তারা তাঁর কাছে এটি পুনরাবৃত্তি করতে থাকলেন, কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এখন তোমরা আমাকে ছেড়ে দাও। আমি এখন যে অবস্থায় আছি তা, তোমরা আমাকে যা করাতে চাও তার চেয়ে উত্তম।” দুর্ভাগ্য আমাদের! জনগণের মতানৈক্য ও কোলাহলের কারণে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের লেখা বাধাগ্রস্ত হয়। হযরত সাঈদ বিন জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনটি বিষয়ের অসিয়ত করলেন, “(১) তোমরা মুশরিকদেরকে আরব উপদ্বীপ থেকে বের করে দাও এবং (২) তোমরা আগন্তক প্রতিনিধিদেরকে সেইভাবে সম্মান করো, যেভাবে আমি তাদেরকে সম্মান করতাম।” এবং তৃতীয় বিষয়ে সাঈদ বিন জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু নীরব থাকলেন অথবা তিনি ভুলে গেছেন।
[মুসনাদে আহমাদ : ২৮৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2836 OK

(২৮৩৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي وَهُوَ بِمَكَّةَ نَحْوَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ وَالْكَعْبَةُ بَيْنَ يَدَيْهِ وَبَعْدَ مَا هَاجَرَ إِلَى الْمَدِينَةِ سِتَّةَ عَشَرَ شَهْرًا ثُمَّ صُرِفَ إِلَى الْكَعْبَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যতক্ষণ মক্কায় থাকতেন, তিনি বায়তুল মাকদিসের দিকে নামায পড়তেন এবং কাবা সর্বদা তাঁর সামনে থাকতো, এমনকি হিজরতের পরও তিনি ষোল মাস ধরে বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতে থাকেন, পরে তিনি কাবার দিকে মুখ ফিরিয়ে নেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2837 OK

(২৮৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২৬২০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ يَعْنِي ابْنَ صَالِحٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ جَاءَ عُمَرُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ فِي مَشْرُبَةٍ لَهُ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيَدْخُلُ عُمَرُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ওপরের ঘরে ছিলেন। এমন সময় হজরত উমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহু এসে তাকে সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ভেতরে আসতে পারবেন কি?”
[মুসনাদে আহমাদ : ২৮৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2838 OK

(২৮৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫২৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَلْحِقُوا الْفَرَائِضَ بِأَهْلِهَا فَمَا بَقِيَ فَهُوَ لِأَوْلَى رَجُلٍ ذَكَرٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “উত্তরাধিকারের অংশ তার প্রাপ্যকে পৌঁছে দাও। প্রত্যেকে তাদের অংশ দেওয়ার পর, অবশিষ্ট সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির নিকটতম আত্মীয়কে দিতে হবে।” (আল-ফারেজের পরিভাষায় যাকে আসাবা বলা হয়)। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2839 OK

(২৮৩৯)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ حَدَّثَنِي مَنْصُورٌ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْمَدِينَةِ يُرِيدُ مَكَّةَ فَصَامَ حَتَّى أَتَى عُسْفَانَ قَالَ فَدَعَا بِإِنَاءٍ فَوَضَعَهُ عَلَى يَدِهِ حَتَّى نَظَرَ النَّاسُ إِلَيْهِ ثُمَّ أَفْطَرَ قَالَ فَكَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَقُولُ مَنْ شَاءَ صَامَ وَمَنْ شَاءَ أَفْطَرَ حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ بْن أَحْمَد حَدَّثَنِي أَبِي حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ عَنْ مَنْصُورٍ فَذَكَرَهُ بِإِسْنَادِهِ أَوْ مَعْنَاهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসে মক্কা বিজয়ের উদ্দেশ্যে মদীনা ছেড়ে মক্কার দিকে রওনা হলেন এবং উসফানে পৌঁছনো পর্যন্ত তিনি রোযা রাখলেন। অতঃপর তিনি একটি খাবারের পাত্র আনতে বললেন। তিনি তা হাতে নিলেন, যাতে লোকেরা তাঁকে দেখতে পায়। অতঃপর তিনি রোযা ভঙ্গ করলেন। সুতরাং মুসাফিরকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে যে, সে ইচ্ছে হলে রোযা রাখবে অথবা রোযা রাখবে না (তবে পরে তা পূরণ করতে হবে)। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2840 OK

(২৮৪০)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯২৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ وَمُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الَّذِي يَأْتِي امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ يَتَصَدَّقُ بِدِينَارٍ أَوْ بِنِصْفِ دِينَارٍ وَلَمْ يَرْفَعْهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ وَلَا بَهْزٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঋতুস্রাব অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাসকারী ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন, “সে যেনো এক দিনার বা অর্ধ দিনার সদকা করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2841 OK

(২৮৪১)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৯০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ كَثِيرٍ أَبُو دَاوُدَ الْوَاسِطِيُّ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ شِهَابٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي سِنَانٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ خَطَبَنَا يَعْنِي رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ كُتِبَ عَلَيْكُمْ الْحَجُّ قَالَ فَقَامَ الْأَقْرَعُ بْنُ حَابِسٍ فَقَالَ فِي كُلِّ عَامٍ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ لَوْ قُلْتُهَا لَوَجَبَتْ وَلَوْ وَجَبَتْ لَمْ تَعْمَلُوا بِهَا أَوْ لَمْ تَسْتَطِيعُوا أَنْ تَعْمَلُوا بِهَا فَمَنْ زَادَ فَهُوَ تَطَوُّعٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুতবা দেওয়ার সময় আমাদেরকে বললেন যে, “হে লোক সকল! তোমাদের উপর হজ্ব ফরজ করা হয়েছে।” এ কথা শুনে আকুয়া ইবনে হাবস উঠে দাঁড়ালো এবং বললো যে, “ইয়া রাসূলাল্লাহ, প্রতি বছর কি হজ্ব ফরয?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি যদি বলতাম, হ্যাঁ। তাহলে প্রতি বছর হজ্ব করা (ধনীদের জন্যে) বাধ্যতামূলক হয়ে যেতো। কিন্তু যদি তা হয়ে যেতো, তবে তোমরা তা পালন করতে পারতে না। হজ্ব সারা জীবনে একবার ফরয হয় আর যে এর বেশি করে, সে স্বেচ্ছায় তা করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2842 OK

(২৮৪২)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৫৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنِ صَالِحٍ قَالَ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ خَرَجَ مِنْ عِنْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي وَجَعِهِ الَّذِي تُوُفِّيَ فِيهِ فَقَالَ النَّاسُ يَا أَبَا حَسَنٍ كَيْفَ أَصْبَحَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ أَصْبَحَ بِحَمْدِ اللَّهِ بَارِئًا قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ فَأَخَذَ بِيَدِهِ عَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ فَقَالَ أَلَا تَرَى أَنْتَ وَاللَّهِ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَيُتَوَفَّى فِي وَجَعِهِ هَذَا إِنِّي أَعْرِفُ وُجُوهَ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ عِنْدَ الْمَوْتِ فَاذْهَبْ بِنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلْنَسْأَلْهُ فِيمَنْ هَذَا الْأَمْرُ فَإِنْ كَانَ فِينَا عَلِمْنَا ذَلِكَ وَإِنْ كَانَ فِي غَيْرِنَا كَلَّمْنَاهُ فَأَوْصَى بِنَا فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَاللَّهِ لَئِنْ سَأَلْنَاهَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَمَنَعَنَاهَا لَا يُعْطِينَاهَا النَّاسُ أَبَدًا فَوَاللَّهِ لَا أَسْأَلُهُ أَبَدًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের সময় গৃহ থেকে বের হয়েছিলেন এবং লোকেরা তাকে জিজ্ঞেস করেছিলো, “হে আবু আল হাসান! নবীজি কেমন আছেন”? তিনি বলেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকাল থেকে ভালো আছেন।” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাত ধরে বললেন, “তুমি কি দেখছো না? আল্লাহর শপথ! এই রোগ থেকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুস্থ হতে পারবেন না। চলুন আমরা তাঁর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করি যে, তাঁর পরে কে খিলাফত পাবে? যদি তিনি আমাদের ব্যাপারে রায় দেন, তবে আমরা তা জানতে পারবো এবং যদি এটি আমাদের ব্যাপারে ব্যতীত অন্য কারো জন্যে রায় দেন, তবে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে কথা বলবো, যাতে তিনি আমাদের মত অনুযায়ী খলিফাকে অসিয়ত করেন।” হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “যদি আমরা সূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এই অনুরোধ করি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের অনুরোধ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। তবে লোকেরা কখনই আমাদেরকে খিলাফত দেবে না, তাই আমি কখনও তাঁর কাছে এই অনুরোধ করবো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2843 OK

(২৮৪৩)

হাদিস দেখুন [৩১:২০২২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ عَنْ يَعْلَى بْنِ حَكِيمٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِمَاعِزِ بْنِ مَالِكٍ حِينَ أَتَاهُ فَأَقَرَّ عِنْدَهُ بِالزِّنَا لَعَلَّكَ قَبَّلْتَ أَوْ لَمَسْتَ قَالَ لَا قَالَ فَنِكْتَهَا قَالَ نَعَمْ فَأَمَرَ بِهِ فَرُجِمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত মাআয ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু তার অপরাধ স্বীকার করার জন্যে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে হাজির হলো এবং বললো যে, সে যিনা করেছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, “সম্ভবত তুমি তাকে চুম্বন করেছো বা তুমি তাকে শুধু স্পর্শ করেছো?” সে তা প্রত্যাখ্যান করে বললো, “না।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, “তুমি কি তার সাথে সহবাস করেছো?” সে বললো, “হ্যাঁ!” অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশে তাকে পাথর ছুড়ে মেরে ফেলা হলো। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2844 OK

(২৮৪৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩৬৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ أَيُّ الْقِرَاءَتَيْنِ كَانَتْ أَخِيرًا قِرَاءَةُ عَبْدِ اللَّهِ أَوْ قِرَاءَةُ زَيْدٍ قَالَ قُلْنَا قِرَاءَةُ زَيْدٍ قَالَ لَا إِلَّا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَعْرِضُ الْقُرْآنَ عَلَى جَبْرَائِيلَ كُلَّ عَامٍ مَرَّةً فَلَمَّا كَانَ فِي الْعَامِ الَّذِي قُبِضَ فِيهِ عَرَضَهُ عَلَيْهِ مَرَّتَيْنِ وَكَانَتْ آخِرَ الْقِرَاءَةِ قِرَاءَةُ عَبْدِ اللَّهِ


হজরত মুজাহিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, দুটি তিলাওয়াতের মধ্যে, শেষ তিলাওয়াত কোনটি, হজরত আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর তিলাওয়াত নাকি হজরত যায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর তিলাওয়াত? আমরা বললাম, হজরত যায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর তিলাওয়াত। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, না, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি বছর জিবরীলের সাথে কুরআন তিলাওয়াত করতেন এবং যে বছর তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন, তিনি তাঁর সাথে দুবার কুরআন তিলাওয়াত করেছেন এবং সর্বশেষ তেলাওয়াতটি ছিলো হজরত আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর তিলাওয়াত। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2845 OK
View Quran

(২৮৪৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ وَلَا تَقْرَبُوا مَالَ الْيَتِيمِ إِلَّا بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ عَزَلُوا أَمْوَالَ الْيَتَامَى حَتَّى جَعَلَ الطَّعَامُ يَفْسُدُ وَاللَّحْمُ يُنْتِنُ فَذُكِرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَزَلَتْ وَإِنْ تُخَالِطُوهُمْ فَإِخْوَانُكُمْ وَاللَّهُ يَعْلَمُ الْمُفْسِدَ مِنْ الْمُصْلِحِ قَالَ فَخَالَطُوهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন এই আয়াত নাযিল হয়,
وَلَا تَقۡرَبُواْ مَالَ ٱلۡيَتِيمِ إِلَّا بِٱلَّتِي هِيَ أَحۡسَنُ حَتَّىٰ يَبۡلُغَ أَشُدَّهُۥۚ وَأَوۡفُواْ بِٱلۡعَهۡدِۖ إِنَّ ٱلۡعَهۡدَ كَانَ مَسۡـُٔولٗا٣٤
তোমরা পৃতিহীনদের সম্পদের কাছেও যেয়ো না, তবে কেবল মাত্র ঐ উদ্দেশ্য ব্যতীত যা শ্রেষ্ঠতম; যে পর্যন্ত না, ঐ পৃতিহীন তার যৌবনে পৌঁছে। আর তোমরা অঙ্গীকার পূর্ণ করো। নিশ্চয় অঙ্গীকার সম্পর্কে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৩৪)
তারা এতিমদের সম্পদ একপাশে রেখে দেয়, যতক্ষণ না খাবার চলে যেতে শুরু করে এবং গোশত পচে যেতে শুরু করে। যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামর কাছে সে কথা উল্লেখ করা হয়, তখন এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।
فِي ٱلدُّنۡيَا وَٱلۡأٓخِرَةِۗ وَيَسۡـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلۡيَتَٰمَىٰۖ قُلۡ إِصۡلَاحٞ لَّهُمۡ خَيۡرٞۖ وَإِن تُخَالِطُوهُمۡ فَإِخۡوَٰنُكُمۡۚ وَٱللَّهُ يَعۡلَمُ ٱلۡمُفۡسِدَ مِنَ ٱلۡمُصۡلِحِۚ وَلَوۡ شَآءَ ٱللَّهُ لَأَعۡنَتَكُمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٞ٢٢٠
এই দুনিয়া ও পরকাল সম্পর্কে। আর তারা আপনাকে পৃতিহীনদের সম্পর্কে প্রশ্ন করে। আপনি বলুন, “তাদের জন্যে সুব্যবস্থা করা উত্তম। আর যদি তোমরা তাদের ব্যয়ভার নিজেদের সঙ্গে মিশিয়ে নাও, তবে তারা তোমাদের ভাই। বস্তুত আল্লাহ ভালো করে জানেন, কে অনর্থ সৃষ্টিকারী আর কে সমাধানকারী। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তবে অবশ্যই তোমাদেরকে কষ্ট দিতে পারতেন। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।” (২. আল বাক্বারাহ : ২২০)

তারপর তারা তাদের ব্যয়ভার নিজেদের সঙ্গে মিশিয়ে নিয়েছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2846 OK

(২৮৪৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯১৮] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قِيلَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ فَرَغَ مِنْ بَدْرٍ عَلَيْكَ الْعِيرَ لَيْسَ دُونَهَا شَيْءٌ قَالَ فَنَادَاهُ الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ إِنَّهُ لَا يَصْلُحُ لَكَ قَالَ وَلِمَ قَالَ لِأَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ إِنَّمَا وَعَدَكَ إِحْدَى الطَّائِفَتَيْنِ وَقَدْ أَعْطَاكَ مَا وَعَدَكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন বদরের যুদ্ধ শেষ করলেন, তখন কেউ একজন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কুরাইশদের কাফেলার পিছনে ধাওয়া করতে বললো। সে বললো ঐ কাফেলা আপনার হস্তগত করতে আর কোনো বাধা নেই। তখন আল আব্বাস বিন আব্দুল-মুত্তালিব রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললেন, আপনি এটি পেতে পারবেন না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “কেনো নয়?” আল আব্বাস বিন আব্দুল-মুত্তালিব বললেন, আল্লাহ আপনাকে দুটি দলের মধ্যে একটির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং তিনি আপনাকে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা আপনাকে দিয়েছেন।

وَإِذۡ يَعِدُكُمُ ٱللَّهُ إِحۡدَى ٱلطَّآئِفَتَيۡنِ أَنَّهَا لَكُمۡ وَتَوَدُّونَ أَنَّ غَيۡرَ ذَاتِ ٱلشَّوۡكَةِ تَكُونُ لَكُمۡ وَيُرِيدُ ٱللَّهُ أَن يُحِقَّ ٱلۡحَقَّ بِكَلِمَٰتِهِۦ وَيَقۡطَعَ دَابِرَ ٱلۡكَٰفِرِينَ٧
যখন বদর যুদ্ধের সময় আল্লাহ তোমাদেরকে শত্রু পক্ষের দুই দলের একটি সম্পর্কে প্রতি‌শ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তা তোমাদের হস্তগত হবে। আর তোমরা চেয়েছিলে যে, অস্ত্র সজ্জিত নয় এমন দলটি তোমাদের হস্তগত হোক। অথচ আল্লাহ চেয়েছিলেন যে, সত্যকে স্বীয় বাণীর মাধ্যমে সত্যে পরিণত করতে। আর যেনো আল্লাহ অবিশ্বাসীদের শিকড় কেটে দেন, [৮ : ৭] [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৪৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2847 OK

(২৮৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَيُّوبُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنْ السِّبَاعِ وَعَنْ كُلِّ ذِي مِخْلَبٍ مِنْ الطَّيْرِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন প্রত্যেক বন্য প্রাণীকে খেতে নিষেধ করেছেন, যারা তাদের হিংস্র থাবা দিয়ে শিকার করতে পারে। আর এমন প্রত্যেক পাখিকে খেতে নিষেধ করেছেন, যারা তাদের হিংস্র নখ দিয়ে শিকার করতে পারে। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2848 OK

(২৮৪৮)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯৭৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ وَمِسْعَرٌ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ عَنِ الْحَسَنِ الْعُرَنِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَدَّمَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُغَيْلِمَةَ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ عَلَى حُمُرَاتٍ لَنَا مِنْ جَمْعٍ قَالَ سُفْيَانُ بِلَيْلٍ فَجَعَلَ يَلْطَحُ أَفْخَاذَنَا وَيَقُولُ أُبَيْنَى لَا تَرْمُوا الْجَمْرَةَ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَزَادَ سُفْيَانُ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مَا إِخَالُ أَحَدًا يَعْقِلُ يَرْمِي حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা, বনু আব্দুল মুত্তালিবের গোত্রের যুবকরা, মুযদালিফা থেকে আমাদের লাল উটে চড়ে রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসেছিলাম। তিনি আমাদের উরুতে স্পর্শ করার সময় বলতে লাগলেন, “হে আমার যুবকরা! সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত জামরাহকে পাথর মারবে না।” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি মনে করি না যে, সূর্যোদয়ের আগে কোনো জ্ঞানী ব্যক্তি জামরাকে পাথর মারবে। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2849 OK

(২৮৪৯)

হাদিস দেখুন [৩১:২৮৩০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي جَمْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي ثَلَاثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً مِنْ اللَّيْلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে ১৩ রাকাত নামায পড়তেন (৮ রাকাত তাহাজ্জুদ, ৩ রাকাত বিতর এবং ২ রাকাত ফজরের সুন্নত)। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2850 OK

(২৮৫০)

হাদিস দেখুন [৩১:২৭৫০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَوْلَى آلِ طَلْحَةَ عَنْ كُرَيْبٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ كَانَ اسْمُ جُوَيْرِيَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَرَّةَ فَحَوَّلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْمَهَا فَسَمَّاهَا جُوَيْرِيَةَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী হজরত জুওয়াইরিয়া বিনতে আল-হারিসের নাম ছিল বাররাহ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার নাম পরিবর্তন করে জুওয়াইরিয়া রাখেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৮৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস