Loading...


৩১. মুসনাদে আহমাদ : ২০৪৮

Edit
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ جَابِرٍ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا احْتَجَمَ احْتَجَمَ فِي الْأَخْدَعَيْنِ قَالَ فَدَعَا غُلَامًا لِبَنِي بَيَاضَةَ فَحَجَمَهُ وَأَعْطَى الْحَجَّامَ أَجْرَهُ مُدًّا وَنِصْفًا قَالَ وَكَلَّمَ مَوَالِيَهُ فَحَطُّوا عَنْهُ نِصْفَ مُدٍّ وَكَانَ عَلَيْهِ مُدَّانِ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে শিঙ্গা দিয়ে চিকিৎসা করা হয়েছিলো, তখন তাঁর ঘাড়ের পাশের দুটি শিরায় চিকিৎসা করা হয়েছিলো। তিনি বনু বায়দাহর ক্রীতদাসকে ডেকেছিলেন, যে তাঁকে শিঙ্গা দিয়ে চিকিৎসা করেছিলো। তিনি মজুরি হিসেবে তাকে দেড় মুদ গম প্রদান করেছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঐ ক্রীতদাসের মালিকদের সাথে কথা বলেছিলেন। তাই তারা ক্রীতদাসের মজুরি অর্ধেক মুদ মওকুফ করে এত মুদ নির্ধারন করেছিলো। অন্যথায় ইতিপূর্বে ঐ ক্রীতদাসকে তার মালিকদেরকে পুরো দুই মুদ মজুরি দিতে হতো।


সর্বমোট হাদিস পাওয়া গিয়েছেঃ ৩টি


(১)

হাদিস নং ২০৪৮ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ২৮২৫) Edit

(২)

হাদিস নং ২০৪৮ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ২৯১৭) Edit

(৩)

হাদিস নং ২০৪৮ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৩২৭৮) Edit