(২৫) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৭৪২-৩৩৬৭), সর্বমোট হাদিসঃ ১৬২৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৬৬৬টি]



2701 OK

(২৭০১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ قَالَ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ عَطَاءٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ لَا صَرُورَةَ فِي الْإِسْلَامِq


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন, “ইসলামে অবিবাহিত থাকার কোনো অনুমতি নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2702 OK

(২৭০২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ وَحَسَنُ بْنُ مُوسَى قَالَا حَدَّثَنَا حَمَّادٌ قَالَ أَخْبَرَنَا عَمَّارُ بْنُ أَبِي عَمَّارٍ قَالَ حَسَنٌ عَنْ عَمَّارٍ قَالَ حَمَّادٌ وَأَظُنُّهُ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ وَلَمْ يَشُكَّ فِيهِ حَسَنٌ قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ قَالَ أَبِي و حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عَمَّارِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ مُرْسَلٌ لَيْسَ فِيهِ ابْنُ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِخَدِيجَةَ فَذَكَرَ عَفَّانُ الْحَدِيثَ وَقَالَ أَبُو كَامِلٍ وَحَسَنٌ فِي حَدِيثِهِمَا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِخَدِيجَةَ إِنِّي أَرَى ضَوْءًا وَأَسْمَعُ صَوْتًا وَإِنِّي أَخْشَى أَنْ يَكُونَ بِي جَنَنٌ قَالَتْ لَمْ يَكُنْ اللَّهُ لِيَفْعَلَ ذَلِكَ بِكَ يَا ابْنَ عَبْدِ اللَّهِ ثُمَّ أَتَتْ وَرَقَةَ بْنَ نَوْفَلٍ فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ إِنْ يَكُ صَادِقًا فَإِنَّ هَذَا نَامُوسٌ مِثْلُ نَامُوسِ مُوسَى فَإِنْ بُعِثَ وَأَنَا حَيُّ فَسَأُعَزِّزُهُ وَأَنْصُرُهُ وَأُومِنُ بِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাদীজা বিনতু খুওয়ায়লিদের নিকট এসে বললেন, ‘আমাকে চাদর দ্বারা আবৃত কর’, ‘আমাকে চাদর দ্বারা আবৃত কর’। তাঁরা তাঁকে চাদর দ্বারা আবৃত করলেন। এমনকি তাঁর শংকা দূর হলো। তখন তিনি খাদীজা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট ঘটনাবৃত্তান্ত জানিয়ে তাঁকে বললেন, “আমি আমার নিজেকে নিয়ে শংকা বোধ করছি।” খাদীজা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আল্লাহর কসম, কখনই নয়। আল্লাহ আপনাকে কখনো লাঞ্ছিত করবেন না। আপনি তো আত্মীয়–স্বজনের সঙ্গে সদাচরণ করেন, অসহায় দুস্থদের দায়িত্ব বহন করেন, নিঃস্বকে সহযোগিতা করেন, মেহমানের আপ্যায়ন করেন এবং হক পথের দুর্দশাগ্রস্থকে সাহায্য করেন।” অতঃপর তাঁকে নিয়ে খাদীজা রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর চাচাত ভাই ওয়ারাকাহ ইব্নু নাওফাল ইব্‌নু আবদুল আসাদ ইব্নু আবদুল উযযাহর নিকট গেলেন, যিনি অন্ধকার যুগে ঈসায়ী ধর্ম গ্রহন করেছিলেন। যিনি ইবরানী ভাষায় লিখতে পারতেন এবং আল্লাহর তাওফীক অনুযায়ী ইবরানী ভাষায় ইনজীল হতে ভাষান্তর করতেন। তিনি ছিলেন অতি বৃদ্ধ এবং অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। খাদীজা রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বললেন, “হে চাচাতো ভাই! আপনার ভাতিজার কথা শুনুন।” ওয়ারাকাহ তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, “ভাতিজা! তুমি কী দেখেছো?” আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা দেখেছিলেন, সবই বর্ণনা করলেন। তখন ওয়ারাকাহ তাঁকে বললেন, “এটা সেই বার্তাবাহক যাকে আল্লাহ মূসা (আঃ)- এর নিকট পাঠিয়েছিলেন। আফসোস! আমি যদি সেদিন যুবক থাকতাম। আফসোস ! আমি যদি সেদিন জীবিত থাকতাম, যেদিন তোমার কওম তোমাকে বহিষ্কার করবে।” আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তারা কি আমাকে বের করে দিবে?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ, তুমি যা নিয়ে এসেছো, অনুরূপ (ওয়াহী) কিছু যিনিই নিয়ে এসেছেন, তাঁর সঙ্গেই বৈরিতাপূর্ণ আচরণ করা হয়েছে। সেদিন যদি আমি থাকি, তবে তোমাকে জোরালোভাবে সাহায্য করবো।” এর কিছুদিন পর ওয়ারাকাহ (আঃ) ইন্তিকাল করেন। আর ওয়াহীর বিরতি ঘটে। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2703 OK

(২৭০৩)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৭৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَمَّارِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقَامَ بِمَكَّةَ خَمْسَ عَشْرَةَ سَنَةً ثَمَانِ سِنِينَ أَوْ سَبْعًا يَرَى الضَّوْءَ وَيَسْمَعُ الصَّوْتَ وَثَمَانِيًا أَوْ سَبْعًا يُوحَى إِلَيْهِ وَأَقَامَ بِالْمَدِينَةِ عَشْرًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পনের বছর মক্কায় অবস্থান করেছিলেন, যার মধ্যে সাত বা আট বছর তিনি শুধু আলো দেখতে পেতেন এবং একটি আওয়াজ শুনতে পেতেন এবং সাত বা আট বছর তাঁর কাছে ওহী আসে। এবং তিনি মদীনায় দশ বছর অবস্থান করেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2704 OK

(২৭০৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৪৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَمَّارِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ قَالَ كُنْتُ مَعَ أَبِي عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعِنْدَهُ رَجُلٌ يُنَاجِيهِ فَكَانَ كَالْمُعْرِضِ عَنْ أَبِي فَخَرَجْنَا مِنْ عِنْدِهِ فَقَالَ لِي أَبِي أَيْ بُنَيَّ أَلَمْ تَرَ إِلَى ابْنِ عَمِّكَ كَالْمُعْرِضِ عَنِّي فَقُلْتُ يَا أَبَتِ إِنَّهُ كَانَ عِنْدَهُ رَجُلٌ يُنَاجِيهِ قَالَ فَرَجَعْنَا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ أَبِي يَا رَسُولَ اللَّهِ قُلْتُ لِعَبْدِ اللَّهِ كَذَا وَكَذَا فَأَخْبَرَنِي أَنَّهُ كَانَ عِنْدَكَ رَجُلٌ يُنَاجِيكَ فَهَلْ كَانَ عِنْدَكَ أَحَدٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهَلْ رَأَيْتَهُ يَا عَبْدَ اللَّهِ قَالَ قُلْتُ نَعَمْ قَالَ فَإِنَّ ذَاكَ جِبْرِيلُ وَهُوَ الَّذِي شَغَلَنِي عَنْكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি আমার পিতার সাথে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে ছিলাম। সেখানে একজন লোক ছিলো, যিনি তাঁর সাথে কথা বলছিলেন। আমার মনে হচ্ছিলো যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার পিতার প্রতি মনোযোগী ছিলেন না, তাই আমরা চলে গেলাম। আমার পিতা আমাকে বললেন, “হে বৎস, তুমি কি দেখনি যে, তোমার চাচাতো ভাই আমার প্রতি মনোযোগ দেয়নি?” আমি বললাম, “হে আমার বাবা! তাঁর সাথে একজন লোক ছিলেন, যিনি তাঁর সাথে কথা বলছিলেন।” অতঃপর আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে পুনরায় ফিরে গেলাম এবং আমার পিতা বললেন, “হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আবদুল্লাহকে অমুক অমুক কথা বলেছি এবং সে আমাকে বললো যে, আপনার সাথে একজন লোক ছিলে, যিনি আপনার সাথে কথা বলছিলেন। (অথচো আমি ঐ ব্যক্তিকে দেকতে পাইনি।) আপনার সাথে সত্যি কি কেউ ছিলেন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হে আবদুল্লাহ, তুমি কি তাকে সত্যিই দেখতে পেয়েছো?” আমি বললাম, “হ্যাঁ।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তিনি ছিলেন জিবরীল (আঃ)। তিনিই আমাকে আপনার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2705 OK

(২৭০৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَمَّارِ بْنِ أَبِى عَمَّارٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِيمَا يَحْسَبُ حَمَّادٌ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَكَرَ خَدِيجَةَ وَكَانَ أَبُوهَا يَرْغَبُ أَنْ يُزَوِّجَهُ فَصَنَعَتْ طَعَامًا وَشَرَابًا فَدَعَتْ أَبَاهَا وَزُمَرًا مِنْ قُرَيْشٍ فَطَعِمُوا وَشَرِبُوا حَتَّى ثَمِلُوا فَقَالَتْ خَدِيجَةُ لِأَبِيهَا إِنَّ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَخْطُبُنِي فَزَوِّجْنِي إِيَّاهُ فَزَوَّجَهَا إِيَّاهُ فَخَلَعَتْهُ وَأَلْبَسَتْهُ حُلَّةً وَكَذَلِكَ كَانُوا يَفْعَلُونَ بِالْآبَاءِ فَلَمَّا سُرِّيَ عَنْهُ سُكْرُهُ نَظَرَ فَإِذَا هُوَ مُخَلَّقٌ وَعَلَيْهِ حُلَّةٌ فَقَالَ مَا شَأْنِي مَا هَذَا قَالَتْ زَوَّجْتَنِي مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ أَنَا أُزَوِّجُ يَتِيمَ أَبِي طَالِبٍ لَا لَعَمْرِي فَقَالَتْ خَدِيجَةُ أَمَا تَسْتَحِي تُرِيدُ أَنْ تُسَفِّهَ نَفْسَكَ عِنْدَ قُرَيْشٍ تُخْبِرُ النَّاسَ أَنَّكَ كُنْتَ سَكْرَانَ فَلَمْ تَزَلْ بِهِ حَتَّى رَضِيَ حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ قَالَ أَخْبَرَنَا عَمَّارُ بْنُ أَبِي عَمَّارٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِيمَا يَحْسَبُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَكَرَ خَدِيجَةَ بِنْتَ خُوَيْلِدٍ فَذَكَرَ مَعْنَاهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহুর কথা উল্লেখ করেছেন। হজরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বাবা তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। তাই হজরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহু কিছু খাবার ও পানীয় তৈরি করলেন এবং তিনি তার পিতা ও কুরাইশের কিছু লোককে ডাকলেন এবং তারা মাতাল না হওয়া পর্যন্ত খাওয়া-দাওয়া করলেন। অতঃপর হজরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহু তার পিতাকে বললেন, “মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বিয়ে করতে চায়; তার সাথে আমার বিয়ে দাও।” তাই তিনি তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে বিবাহ দিলেন। হজরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহু তার বাবার গায়ে কিছু সুগন্ধি লাগালেন এবং তাকে একটি হুল্লা পোশাক পরিয়ে দিলেন, কারণ আরবরা তাদের বাবাদের জন্য এটিই করতো। যখন হজরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বাবা নেশা থেকে সেরে উঠলো, তখন সে তাকিয়ে নিজেকে দেখতে পেলো যে, তার গায়ে সুগন্ধি মাখা এবং একটি হুল্লা পোশাক পরা। হজরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বাবা বললো, “আমার কি হয়েছে? এটা কি?” হজরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললো, “তুমি আমাকে মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে বিবাহ দিয়েছো।” হজরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বাবা বললো, “আমি তোমাকে আবু তালিবের ইয়াতীমের সাথে বিয়ে দিয়েছি? না, কখনই না!” হজরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললো, “কুরাইশদের সামনে বোকার মতো তাকিয়ে তোমার কি লোকদেরকে বলতে লজ্জা করবে না যে, তুমি মাতাল?” যতক্ষণ পর্যন্ত না সে হাল ছেড়ে দিলো, ততক্ষণ পর্যন্ত হজরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহু তার বাবাকে বুঝাতেই থাকলো। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2706 OK

(২৭০৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২৬৯৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ قَالَ عَطَاءٌ الْخُرَاسَانِيُّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَاهُ رَجُلٌ فَقَالَ إِنَّ عَلَيَّ بَدَنَةً وَأَنَا مُوسِرٌ لَهَا وَلَا أَجِدُهَا فَأَشْتَرِيَهَا فَأَمَرَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَبْتَاعَ سَبْعَ شِيَاهٍ فَيَذْبَحَهُنَّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললো, “আমার উপর একটি উট কোরবানী ওয়াজিব, এবং আমার এর আর্থিক সামর্থ্যও আছে, কিন্তু ক্রয় করার জন্যে আমি একটি উট পাচ্ছি না।” তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে সাতটি ছাগল কিনে জবাই করার নির্দেশ দিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭০৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2707 OK

(২৭০৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৪১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ فِي الدَّجَّالِ أَعْوَرُ هِجَانٌ أَزْهَرُ كَأَنَّ رَأْسَهُ أَصَلَةٌ أَشْبَهُ النَّاسِ بِعَبْدِ الْعُزَّى بْنِ قَطَنٍ فَإِمَّا هَلَكَ الْهُلَّكُ فَإِنَّ رَبَّكُمْ تَعَالَى لَيْسَ بِأَعْوَرَ قَالَ شُعْبَةُ فَحَدَّثْتُ بِهِ قَتَادَةَ فَحَدَّثَنِي بِنَحْوٍ مِنْ هَذَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাজ্জাল সম্পর্কে বলেছেন, “তার একটি চোখ কানা হবে, গোলাপী আভা সহ সাদা রঙ্গের হবে এবং তার মাথা সাপের মতো মনে হবে। মানুষের মধ্যে যার সাথে সে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ সে হলো আব্দুল-উজ্জা বিন কাতান। যারা তার দ্বারা বিভ্রান্ত হবে, তারাই ধ্বংস প্রাপ্ত হবে। তোমার মনে রেখো যে, দাজ্জালের এক চোখ কানা হবে, কিন্তু তোমাদের প্রভু কানা নন।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭০৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2708 OK

(২৭০৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ قَالَا أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ أَنَّهُ سَمِعَ طَاوُسًا يَقُولُ قُلْنَا لِابْنِ عَبَّاسٍ فِي الْإِقْعَاءِ عَلَى الْقَدَمَيْنِ فَقَالَ هِيَ السُّنَّةُ قَالَ فَقُلْنَا إِنَّا لَنَرَاهُ جَفَاءً بِالرِّجْلِ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ هِيَ سُنَّةُ نَبِيِّكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত তাউস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে পা সোজা করে গোড়ালির উপর বসার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বললেন, “এটা সুন্নাত।” আমরা বললাম, “আমরা মনে করি এটা একজন মানুষের জন্যে কঠিন।” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “এটা তোমাদের রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭০৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2709 OK

(২৭০৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ قَالَ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي يَزِيدَ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ مَا عَلِمْتُ رَسُولَ اللَّهِ كَانَ يَتَحَرَّى يَوْمًا كَانَ يَبْتَغِي فَضْلَهُ عَلَى غَيْرِهِ إِلَّا هَذَا الْيَوْمَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ أَوْ شَهْرَ رَمَضَانَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি জানি না যে, আশুরার দিন এবং এই পবিত্র রমজান মাস ব্যতীত, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্য কোনো দিনে রোজা রাখতেন, যা তিনি অন্যান্য দিনের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2710 OK

(২৭১০)

হাদিস দেখুন [৩১:২৭০৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ قَالَا أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ أَنَّهُ سَمِعَ طَاوُسًا يَقُولُ قُلْنَا لِابْنِ عَبَّاسٍ فِي الْإِقْعَاءِ عَلَى الْقَدَمَيْنِ فَقَالَ هِيَ السُّنَّةُ قَالَ فَقُلْنَا إِنَّا لَنَرَاهُ جَفَاءً بِالرِّجْلِ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ هِيَ سُنَّةُ نَبِيِّكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত তাউস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে পা সোজা করে গোড়ালির উপর বসার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বললেন, “এটা সুন্নাত।” আমরা বললাম, “আমরা মনে করি এটা একজন মানুষের জন্যে কঠিন।” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “এটা তোমাদের রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2711 OK

(২৭১১)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৮৩] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا مَرْوَانُ حَدَّثَنَا خُصَيْفٌ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ إِنَّمَا نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الثَّوْبِ الْمُصْمَتِ مِنْ قَزٍّ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَمَّا السَّدَى وَالْعَلَمُ فَلَا نَرَى بِهِ بَأْسًا حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ يَعْنِي ابْنَ سُلَيْمَانَ الرَّقِّيَّ قَالَ قَالَ خُصَيْفٌ حَدَّثَنِي غَيْرُ وَاحِدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ إِنَّمَا نَهَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْمُصْمَتِ مِنْهُ فَأَمَّا الْعَلَمُ فَلَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুধুমাত্র সম্পূর্ণ রূপে সিল্কের তৈরি পোশাক নিষিদ্ধ করেছেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তবে যে কাপড়ে সিল্কের নমুনা বা নকশা থাকে, তাতে কোন সমস্যা নেই। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭১১]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2712 OK

(২৭১২)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৮৩] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا مَرْوَانُ حَدَّثَنَا خُصَيْفٌ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ إِنَّمَا نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الثَّوْبِ الْمُصْمَتِ مِنْ قَزٍّ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَمَّا السَّدَى وَالْعَلَمُ فَلَا نَرَى بِهِ بَأْسًا حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ يَعْنِي ابْنَ سُلَيْمَانَ الرَّقِّيَّ قَالَ قَالَ خُصَيْفٌ حَدَّثَنِي غَيْرُ وَاحِدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ إِنَّمَا نَهَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْمُصْمَتِ مِنْهُ فَأَمَّا الْعَلَمُ فَلَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুধুমাত্র সম্পূর্ণ রূপে সিল্কের তৈরি পোশাক নিষিদ্ধ করেছেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তবে যে কাপড়ে সিল্কের নমুনা বা নকশা থাকে, তাতে কোন সমস্যা নেই। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭১২]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2713 OK

(২৭১৩)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৫৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا ابْنُ أَخِي ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عَمِّهِ حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ أَنَّ الْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَبْدٍ الْقَارِيَّ حَدَّثَاهُ أَنَّهُمَا سَمِعَا عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَقُولُ سَمِعْتُ هِشَامَ بْنَ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ يَقْرَأُ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ قَالَ مُحَمَّدٌ وَحَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَقْرَأَنِي جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَام عَلَى حَرْفٍ فَرَاجَعْتُهُ فَلَمْ أَزَلْ أَسْتَزِيدُهُ وَيَزِيدُنِي حَتَّى انْتَهَى إِلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, “জিবরীল আমিন (আঃ) আমাকে পবিত্র কুরআন একটি পাঠ রিতীতে শিখিয়েছিলেন। আমি তাকে বারবার কুরআনের পাঠ রিতীকে বাড়াতে বলতে থাকি এবং তিনি সমান ভাবে এটিকে বাড়াতে থাকেন, যতক্ষণ না তিনি কুরআনের সাতটি পাঠ রিতীতে পৌঁছে যান। এরপর তিনি থেমে যান।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2714 OK

(২৭১৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৯৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ حَدَّثَنَا سِمَاكٌ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ مِنْ الشِّعْرِ حُكْمًا وَمِنْ الْبَيَانِ سِحْرًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কিছু কবিতা প্রজ্ঞায় পরিপূর্ণ এবং কিছু বক্তব্যে যাদুর প্রভাব রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2715 OK

(২৭১৫)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫২৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَلْحِقُوا الْفَرَائِضَ بِأَهْلِهَا فَمَا بَقِيَ فَهُوَ لِأَوْلَى رَجُلٍ ذَكَرٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “উত্তরাধিকারের অংশ তার প্রাপ্যকে পৌঁছে দাও। প্রত্যেকে তাদের অংশ দেওয়ার পর, অবশিষ্ট সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির নিকটতম আত্মীয়কে দিতে হবে।” (আল-ফারেজের পরিভাষায় যাকে আসাবা বলা হয়)। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2716 OK

(২৭১৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৭০] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ ، حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ أَرْطَاةَ ، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ ، قَالَ: يَعْنِي حَجَّاجًا وَحَدَّثَنِي الْحَكَمُ ، عَنْ مِقْسَمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُفِّنَ فِي ثَوْبَيْنِ أَبْيَضَيْنِ، وَفِي بُرْدٍ أَحْمَرَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দুটি সাদা কাপড় এবং একটি লাল কাপড়ে আবৃত করে দাফন দেয়া হয়েছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭১৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2717 OK

(২৭১৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২৪১০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ أَنَّ طَاوُسًا قَالَ حَدَّثَنِي مَنْ هُوَ أَعْلَمُ بِهِ مِنْهُمْ يَعْنِي عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَأَنْ يَمْنَحَ الرَّجُلُ أَخَاهُ أَرْضَهُ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَأْخُذَ عَلَيْهَا خَرْجًا مَعْلُومًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের একজন তার ভাইকে তার জমি উপহার হিসেবে পেশ করা, তার কাছ থেকে নির্ধারিত খাজনা আদায়ের চেয়ে উত্তম।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2718 OK

(২৭১৮)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৩২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ يَعْنِي ابْنَ زِيَادٍ حَدَّثَنَا لَيْثٌ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ تَمَتَّعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى مَاتَ وَأَبُو بَكْرٍ حَتَّى مَاتَ وَعُمَرُ حَتَّى مَاتَ وَعُثْمَانُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ حَتَّى مَاتَ وَكَانَ أَوَّلَ مَنْ نَهَى عَنْهَا مُعَاوِيَةُ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ فَعَجِبْتُ مِنْهُ وَقَدْ حَدَّثَنِي أَنَّهُ قَصَّرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِشْقَصٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজ্জের মৌসুমে ওমরাহ করেছেন, যতক্ষণ না তিনি ইন্তেকাল করেছেন। অনুরূপ ভাবে হজরত আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং হজরত উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু-ও ইন্তেকাল না হওয়া পর্যন্ত হজ্জের মৌসুমে ওমরাহ করেছেন। সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি হজ্জের মৌসুমে ওমরাহ নিষিদ্ধ করে, সে ছিলো মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু। আমি এ ব্যাপারে অনেক আশ্চর্য হলাম, কারণ মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বলেছে যে, সে (হজ্জের মৌসুমে) কাঁচি দিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চুল কেটেছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2719 OK

(২৭১৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ جَابِرٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا ضَرَرَ وَلَا ضِرَارَ وَلِلرَّجُلِ أَنْ يَجْعَلَ خَشَبَةً فِي حَائِطِ جَارِهِ وَالطَّرِيقُ الْمِيتَاءُ سَبْعَةُ أَذْرُعٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ইসলামে কারো কোনো ক্ষতি করা বা কারো কাছ থেকে ক্ষতি সহ্য করার কোনো সুযোগ নেই। যখন তোমরা পথ পরিমাপ সম্পর্কে মতানৈক্য করো, তখন তোমরা ঐ পথকে সাত হাত পর্যন্ত বাড়িয়ে দাও। আর যে ব্যক্তি কোনো ভবন নির্মাণ করে ও তার প্রতিবেশীর দেয়ালে কাঠ লাগাতে চায়। তবে তার প্রতিবেশীর উচিত তাকে অনুমতি দেওয়া।”
[মুসনাদে আহমাদ : ২৭১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2720 OK

(২৭২০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَنْبَأَنَا عَطَاءٌ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ إِنْ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ لَا يَغْدُوَ أَحَدُكُمْ يَوْمَ الْفِطْرِ حَتَّى يَطْعَمَ فَلْيَفْعَلْ قَالَ فَلَمْ أَدَعْ أَنْ آكُلَ قَبْلَ أَنْ أَغْدُوَ مُنْذُ سَمِعْتُ ذَلِكَ مِنْ ابْنِ عَبَّاسٍ فَآكُلَ مِنْ طَرَفِ الصَّرِيقَةِ الْأَكْلَةَ أَوْ أَشْرَبَ اللَّبَنَ أَوْ الْمَاءَ قُلْتُ فَعَلَامَ يُؤَوَّلُ هَذَا قَالَ سَمِعَهُ أَظُنُّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ كَانُوا لَا يَخْرُجُونَ حَتَّى يَمْتَدَّ الضَّحَاءُ فَيَقُولُونَ نَطْعَمُ لِئَلَّا نَعْجَلَ عَنْ صَلَاتِنَا


হজরত আতা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি যে, “যদি তোমাদের মধ্যে কেউ কিছু না খাওয়ার আগে, রোযার ঈদের দিনে বাইরে যেতে না চায়, তবে সে তা করুক।” হজরত আতা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছ থেকে শুনেছি বলে, রোযার ঈদের দিনে আমি বাইরে যাওয়ার আগে, কখনও খাওয়া বাদ দেইনি। আমি এক টুকরো চাপাতি রুটি খাই বা কিছু দুধ পান করি বা পানি পান করি।” আমি [বর্ণনাকারী] বললাম, “এর কারণ কি?” হজরত আতা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি তাকে বলতে শুনেছি, আমার মনে হয় তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা সকাল পর্যন্ত বের হয় নি। তাই তারা বললো, ‘আমাদের খাওয়া উচিত, যাতে আমাদের নামাযে তাড়াহুড়ো করতে না হয়’।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2721 OK

(২৭২১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا الثَّوْرِيُّ عَنْ إِسْمَاعِيلَ قَالَ أَبِي هُوَ أَبُو إِسْرَائِيلَ الْمُلَائِيُّ عَنْ فُضَيْلٍ يَعْنِي ابْنَ عَمْرٍو عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَعَجَّلُوا إِلَى الْحَجِّ يَعْنِي الْفَرِيضَةَ فَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَا يَدْرِي مَا يَعْرِضُ لَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা ফরয হজ্জের ব্যাপারে তাড়াতাড়ি হজ্জ আদায় করো। কেননা তোমাদের কেউই জানে না যে, পরবর্তী বছরে তার কি হতে পারে (তার উপর কী ধরনের অভাব-অনটন ঘটবে।) ” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2722 OK

(২৭২২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنِ ابْنِ خُثَيْمٍ عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَصْحَابِهِ حِينَ أَرَادُوا دُخُولَ مَكَّةَ فِي عُمْرَتِهِ بَعْدَ الْحُدَيْبِيَةِ إِنَّ قَوْمَكُمْ غَدًا سَيَرَوْنَكُمْ فَلْيَرَوْكُمْ جُلْدًا فَلَمَّا دَخَلُوا الْمَسْجِدَ اسْتَلَمُوا الرُّكْنَ ثُمَّ رَمَلُوا وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَهُمْ حَتَّى إِذَا بَلَغُوا إِلَى الرُّكْنِ الْيَمَانِي مَشَوْا إِلَى الرُّكْنِ الْأَسْوَدِ فَفَعَلَ ذَلِكَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ثُمَّ مَشَى الْأَرْبَعَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হুদায়বিয়ার শান্তির পর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ওমরার নিয়তে মক্কায় প্রবেশ করতে শুরু করেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীদের বলেছিলেন, “আগামীকাল মক্কার লোকেরা তোমাদেরকে দেখবে, তাই তাদেরকে তোমাদের শক্তি দেখাও।” যখন তারা মসজিদে প্রবেশ করলো, তারা সবাই কালো পাথরের কোণটি স্পর্শ করলো, তারপর তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মতো স্বাভাবিক গতিতে হাঁটলো, যতক্ষণ না তারা ইয়েমেনি কর্নারে পৌঁছেছিলো, তারপর তারা কালো পাথরের কোণে পৌঁছনো পর্যন্ত জোরে হাঁটলো (রমল করলো)। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিন চক্কর রমল করেছিলেন, তারপর চারটি চক্কর স্বাভাবিক গতিতে হাঁটলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2723 OK

(২৭২৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ قَالَ أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ وَأَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الرِّكَازِ الْخُمُسَ قَالَ أَبِي حَدَّثَنَاه أَسْوَدُ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ قَالَ وَقَضَى وَقَالَ أَبُو نُعَيْمٍ فِي حَدِيثِهِ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الرِّكَازِ الْخُمُسَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রালুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাইতুল মালে প্রপ্ত গুপ্তধনের এক-পঞ্চমাংশ (খুমুস) জমা করা ওয়াজিব বলে নির্দেশ দিয়েছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2724 OK

(২৭২৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২৬৩৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يُبَاشِرْ الرَّجُلُ الرَّجُلَ وَلَا الْمَرْأَةُ الْمَرْأَةَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোনো পুরুষ যেনো অন্য পুরুষের সাথে উলঙ্গ অবস্থায় (একই আবরণে) না শোয় এবং কোন মহিলা যেনো অন্য মহিলার সাথে উলঙ্গ অবস্থায় (একই আবরণে) না শোয়।”

[মুসনাদে আহমাদ : ২৭২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2725 OK

(২৭২৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯১৮] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قِيلَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ فَرَغَ مِنْ بَدْرٍ عَلَيْكَ الْعِيرَ لَيْسَ دُونَهَا شَيْءٌ قَالَ فَنَادَاهُ الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ إِنَّهُ لَا يَصْلُحُ لَكَ قَالَ وَلِمَ قَالَ لِأَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ إِنَّمَا وَعَدَكَ إِحْدَى الطَّائِفَتَيْنِ وَقَدْ أَعْطَاكَ مَا وَعَدَكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন বদরের যুদ্ধ শেষ করলেন, তখন কেউ একজন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কুরাইশদের কাফেলার পিছনে ধাওয়া করতে বললো। সে বললো ঐ কাফেলা আপনার হস্তগত করতে আর কোনো বাধা নেই। তখন আল আব্বাস বিন আব্দুল-মুত্তালিব রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললেন, আপনি এটি পেতে পারবেন না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “কেনো নয়?” আল আব্বাস বিন আব্দুল-মুত্তালিব বললেন, আল্লাহ আপনাকে দুটি দলের মধ্যে একটির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং তিনি আপনাকে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা আপনাকে দিয়েছেন।

وَإِذۡ يَعِدُكُمُ ٱللَّهُ إِحۡدَى ٱلطَّآئِفَتَيۡنِ أَنَّهَا لَكُمۡ وَتَوَدُّونَ أَنَّ غَيۡرَ ذَاتِ ٱلشَّوۡكَةِ تَكُونُ لَكُمۡ وَيُرِيدُ ٱللَّهُ أَن يُحِقَّ ٱلۡحَقَّ بِكَلِمَٰتِهِۦ وَيَقۡطَعَ دَابِرَ ٱلۡكَٰفِرِينَ٧
যখন বদর যুদ্ধের সময় আল্লাহ তোমাদেরকে শত্রু পক্ষের দুই দলের একটি সম্পর্কে প্রতি‌শ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তা তোমাদের হস্তগত হবে। আর তোমরা চেয়েছিলে যে, অস্ত্র সজ্জিত নয় এমন দলটি তোমাদের হস্তগত হোক। অথচ আল্লাহ চেয়েছিলেন যে, সত্যকে স্বীয় বাণীর মাধ্যমে সত্যে পরিণত করতে। আর যেনো আল্লাহ অবিশ্বাসীদের শিকড় কেটে দেন, [৮ : ৭] [মুসনাদে আহমাদ : ২৭২৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2726 OK

(২৭২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৯২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَقِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَاعِزَ بْنَ مَالِكٍ فَقَالَ أَحَقٌّ مَا بَلَغَنِي عَنْكَ قَالَ وَمَا بَلَغَكَ عَنِّي قَالَ بَلَغَنِي أَنَّكَ فَجَرْتَ بِأَمَةِ آلِ فُلَانٍ قَالَ نَعَمْ فَرَدَّهُ حَتَّى شَهِدَ أَرْبَعَ مَرَّاتٍ ثُمَّ أَمَرَ بِرَجْمِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজরত মায়েয ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সাক্ষাত করলেন এবং তিনি বললেন, “আমি তোমার সম্পর্কে যা শুনেছি, তা কি সত্য?” সে জিজ্ঞেস করলো, “আপনি আমার সম্পর্কে কি শুনেছেন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “আমি শুনেছি যে, তুমি অমুক পরিবারের দাসীর সাথে যিনা করেছো।” সে বললো, “হ্যাঁ।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ফেরত পাঠালেন, যতক্ষণ না সে চারবার নিজেদের সম্পর্কে স্বীকার করে। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে পাথর মেরে মারার নির্দেশ দিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2727 OK

(২৭২৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ الطَّلَاقُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبِي بَكْرٍ وَسَنَتَيْنِ مِنْ خِلَافَةِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ طَلَاقُ الثَّلَاثِ وَاحِدَةً فَقَالَ عُمَرُ إِنَّ النَّاسَ قَدْ اسْتَعْجَلُوا فِي أَمْرٍ كَانَ لَهُمْ فِيهِ أَنَاةٌ فَلَوْ أَمْضَيْنَاهُ عَلَيْهِمْ فَأَمْضَاهُ عَلَيْهِمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সময় এবং উমরের খিলাফতের প্রথম দুই বছর তিন তালাককে এক তালাক হিসাবে গণ্য করা হয়েছিলো। অতঃপর হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “লোকেরা এমন একটি বিষয়ে তাড়াহুড়ো করতে শুরু করেছে, যাতে তাদের সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত ছিলো। এখন আমাদের উচিত তাদের উপর তিন তালাক চাপিয়ে দেওয়া।” সুতরাং তিনি তা করলেন (অর্থাৎ, তিন তালাককে তিন তালাক হিসাবে গণ্য করলেন)। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2728 OK

(২৭২৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ قَالَ حَدَّثَنَا الْفَرَجُ بْنُ فَضَالَةَ عَنْ أَبِي هَرِمٍ عَنْ صَدَقَةَ الدِّمَشْقِيِّ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ يَسْأَلُهُ عَنْ الصِّيَامِ فَقَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ مِنْ أَفْضَلِ الصِّيَامِ صِيَامَ أَخِي دَاوُدَ كَانَ يَصُومُ يَوْمًا وَيُفْطِرُ يَوْمًا


হজরত সাদাকাহ আদ-দিমাশকী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এসে রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছন, “আমার ভাই দাউদ (আঃ)-এর রোযা হলো সর্বোত্তম রোযা। তিনি একদিন রোজা রাখতেন এবং পরের দিন রোজা রাখতেন না।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2729 OK

(২৭২৯)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৩২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ يَعْنِي ابْنَ زِيَادٍ حَدَّثَنَا لَيْثٌ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ تَمَتَّعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى مَاتَ وَأَبُو بَكْرٍ حَتَّى مَاتَ وَعُمَرُ حَتَّى مَاتَ وَعُثْمَانُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ حَتَّى مَاتَ وَكَانَ أَوَّلَ مَنْ نَهَى عَنْهَا مُعَاوِيَةُ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ فَعَجِبْتُ مِنْهُ وَقَدْ حَدَّثَنِي أَنَّهُ قَصَّرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِشْقَصٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজ্জের মৌসুমে ওমরাহ করেছেন, যতক্ষণ না তিনি ইন্তেকাল করেছেন। অনুরূপ ভাবে হজরত আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং হজরত উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু-ও ইন্তেকাল না হওয়া পর্যন্ত হজ্জের মৌসুমে ওমরাহ করেছেন। সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি হজ্জের মৌসুমে ওমরাহ নিষিদ্ধ করে, সে ছিলো মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু। আমি এ ব্যাপারে অনেক আশ্চর্য হলাম, কারণ মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বলেছে যে, সে (হজ্জের মৌসুমে) কাঁচি দিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চুল কেটেছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2730 OK

(২৭৩০)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ أَخِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَرَادَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَتَوَضَّأَ مِنْ سِقَاءٍ فَقِيلَ لَهُ إِنَّهُ مَيْتَةٌ فَقَالَ دِبَاغُهُ يُذْهِبُ خَبَثَهُ أَوْ رِجْسَهُ أَوْ نَجَسَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি চামড়ার পানির পাত্র থেকে ওযু করতে চাইলেন এবং তাঁকে বলা হলো যে, এটি প্রাকৃতিক ভাবে মারা যাওয়া পশুর চামড়া থেকে তৈরি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “চামড়া প্রক্রিয়াজাত করলে এর ময়লা ও অপবিত্রতা দুর হয়ে যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৩০]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস