

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدَّثَنِي الْفَضْلُ بْنُ عَبَّاسٍ قَالَ أَتَتْ امْرَأَةٌ مِنْ خَثْعَمٍ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبِي أَدْرَكَتْهُ فَرِيضَةُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ فِي الْحَجِّ وَهُوَ شَيْخٌ كَبِيرٌ لَا يَسْتَطِيعُ أَنْ يَثْبُتَ عَلَى دَابَّتِهِ قَالَ فَحُجِّي عَنْ أَبِيكِ
হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
খাশাম গোত্রের এক মহিলা রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! হজ্জের ব্যাপারে আমার বাবার উপরে আল্লাহর দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে, কিন্তু তিনি এতই বৃদ্ধ যে তিনি সওয়ারীতেও বসতে পারেন না। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে বললেনঃ তুমি তার পক্ষ থেকে হজ্জ আদায় করো। [মুসনাদে আহমাদ : ১৭২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ أَخِيهِ الْفَضْلِ قَالَ كُنْتُ رَدِيفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ جَمْعٍ إِلَى مِنًى فَبَيْنَا هُوَ يَسِيرُ إِذْ عَرَضَ لَهُ أَعْرَابِيٌّ مُرْدِفًا ابْنَةً لَهُ جَمِيلَةً وَكَانَ يُسَايِرُهُ قَالَ فَكُنْتُ أَنْظُرُ إِلَيْهَا فَنَظَرَ إِلَيَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَلَبَ وَجْهِي عَنْ وَجْهِهَا ثُمَّ أَعَدْتُ النَّظَرَ فَقَلَبَ وَجْهِي عَنْ وَجْهِهَا حَتَّى فَعَلَ ذَلِكَ ثَلَاثًا وَأَنَا لَا أَنْتَهِي فَلَمْ يَزَلْ يُلَبِّي حَتَّى رَمَى جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ
হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি মুযদালিফা থেকে মিনায় ফেরার পথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সওয়ারীর পিছনে চড়ে যাচ্ছিলাম। তখন আমরা একজন বেদুঈনের দেখা পেলাম, যিনি তার পিছনে উপবিষ্ট তার সুন্দরী কন্যার সাথে সওয়ার ছিলেন। আমি সেই মেয়েটির দিকে তাকাতে লাগলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার দিকে তাকালেন এবং তার থেকে আমার মুখ ফিরিয়ে দিলেন। তারপর আমি আবার তার দিকে তাকালাম এবং তিনি তার থেকে আমার মুখ ফিরিয়ে দিলেন, তিনি তিনবার এটি করলেন। এরপর আমরা চলতে থাকলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তালবিয়া পড়তে থাকলেন, যতক্ষণ না তিনি জামরাতুল-আকাবাকে পাথর মেরেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৭২৬]
হাদিসের মান : হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَاثَةَ عَنْ مَسْلَمَةَ الْجُهَنِيِّ قَالَ سَمِعْتُهُ يُحَدِّثُ عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ قَالَ خَرَجْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا فَبَرِحَ ظَبْيٌ فَمَالَ فِي شِقِّهِ فَاحْتَضَنْتُهُ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ تَطَيَّرْتَ قَالَ إِنَّمَا الطِّيَرَةُ مَا أَمْضَاكَ أَوْ رَدَّكَ
হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বের হলাম, হঠাৎ একটি হরিণ আমাদের পাশ দিয়ে চলে গেল এবং একটি গর্তে ঢুকে পড়ল এবং আমি হরিণটিকে ধরলাম। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি এটাকে শুভ লক্ষণ মনে করেন? তিনি বললেন, বরং শুভ লক্ষণ হলো তাই, যা তোমাকে কোন কিছুর দিকে এগিয়ে যেতে বা বিরত রাখে। [মুসনাদে আহমাদ : ১৭২৭]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ كَانَ رِدْفَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ جَمْعٍ فَلَمْ يَزَلْ يُلَبِّي حَتَّى رَمَى الْجَمْرَةَ
হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
তিনি মুযদালিফা থেকে ফেরার পথে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘোড়ার পিছনে চড়ে বসেছিলেন এবং জামরাতে পাথর ছুড়ে মারার আগ পর্যন্ত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তালবিয়া পাঠ করতে থাকেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৭২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَنْبَأَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ رَجَاءِ بْنِ حَيْوَةَ قَالَ بَنَى يَعْلَى بْنُ عُقْبَةَ فِي رَمَضَانَ فَأَصْبَحَ وَهُوَ جُنُبٌ فَلَقِيَ أَبَا هُرَيْرَةَ فَسَأَلَهُ فَقَالَ أَفْطِرْ قَالَ أَفَلَا أَصُومُ هَذَا الْيَوْمَ وَأُجْزِئُهُ مِنْ يَوْمٍ آخَرَ قَالَ أَفْطِرْ فَأَتَى مَرْوَانَ فَحَدَّثَهُ فَأَرْسَلَ أَبَا بَكْرِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ إِلَى أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ فَسَأَلَهَا فَقَالَتْ قَدْ كَانَ يُصْبِحُ فِينَا جُنُبًا مِنْ غَيْرِ احْتِلَامٍ ثُمَّ يُصْبِحُ صَائِمًا فَرَجَعَ إِلَى مَرْوَانَ فَحَدَّثَهُ فَقَالَ الْقَ بِهَا أَبَا هُرَيْرَةَ فَقَالَ جَارٌ جَارٌ فَقَالَ أَعْزِمُ عَلَيْكَ لَتَلْقَانِهِ بِهِ قَالَ فَلَقِيَهُ فَحَدَّثَهُ فَقَالَ إِنِّي لَمْ أَسْمَعْهُ مِنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا أَنْبَأَنِيهِ الْفَضْلُ بْنُ عَبَّاسٍ قَالَ فَلَمَّا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ لَقِيتُ رَجَاءً فَقُلْتُ حَدِيثُ يَعْلَى مَنْ حَدَّثَكَهُ قَالَ إِيَّايَ حَدَّثَهُ
ইবনে আউন আমাদেরকে বলেছেন, রাজা ইবনে হাইওয়াহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
ইয়ালি বিন উকবা রাদিয়াল্লাহু আনহু রমজান মাসে তার বিবাহ সম্পন্ন করলেন, তার স্ত্রীর সাথে রাত কাটালেন এবং পরের দিন সকালে তিনি জুনুব ছিলেন। তিনি আবু হুরায়রার সাথে সাক্ষাত করলেন এবং তাকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, তোমার রোজা ভেঙ্গে দাও। ইয়ালি বিন উকবা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি কি এই দিনে রোজা রাখতে পারবো না, পরে কাযা করবো? আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, রোযা ভেঙ্গে দাও। তাই ইয়ালি বিন উকবা রাদিয়াল্লাহু আনহু মারওয়ানের কাছে গেলেন এবং তাকে ঘটনাটি বর্ণনা করলেন। মারওয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু আবু বকর বিন আবদ আল-রহমানকে এই সমস্যা সম্পর্কে জানতে উম্মুল মুমিনীনের কাছে পাঠান। উম্মুল মুমিনীন বললেন, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুনুবী অবস্থায় ঘুমিয়ে থাকতেন, যা তার স্ত্রীদের সাথে স্বংস্পর্শের কারনে হতো, কোনো স্বপ্ন দোষোর কারনে নয় এবং সকাল বেলায় তিনি রোজা রাখতেন। অতঃপর ইয়ালি বিন উকবা রাদিয়াল্লাহু আনহু মারওয়ানের কাছে ফিরে গেলেন এবং তাকে বললেন। মারওয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, যাও এবং আবু হুরায়রাকে এ সম্পর্কে বলো। ইয়ালি বিন উকবা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, সে আমার প্রতিবেশী, তাই তাকে বার বার প্রশ্ন করে বিরক্ত করতে চাই না। কিন্তু মারওয়ান বললেন, আমি তোমাকে শপথ দিয়ে বলছি তুমি তাকে গিয়ে বলো। অতঃপর ইয়ালি বিন উকবা রাদিয়াল্লাহু আনহু তার সাথে দেখা করলেন এবং তাকে বললেন, এবং আবু হুরায়রা বললেন, আমি এটা রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনিনি; বরং হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে এ সম্পর্কে বলেছেন। বর্ণনাকারী বললেন, এরপর আমি রাজা ইবনে হাইওয়াহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে দেখা করে বললাম, ইয়ালি বিন উকবা রাদিয়াল্লাহু আনহু সম্পর্কে হাদীছ তোমাকে কে বলেছে? রাজা ইবনে হাইওয়াহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ইয়ালি বিন উকবা রাদিয়াল্লাহু আনহু নিজেই আমার কাছে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৭২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ كَانَ رِدْفَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ جَمْعٍ فَلَمْ يَزَلْ يُلَبِّي حَتَّى رَمَى الْجَمْرَةَ
হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
তিনি মুযদালিফা থেকে ফেরার পথে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘোড়ার পিছনে চড়ে বসেছিলেন এবং জামরাতে পাথর ছুড়ে মারার আগ পর্যন্ত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তালবিয়া পাঠ করতে থাকেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৭৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ أَخِيهِ الْفَضْلِ قَالَ كُنْتُ رَدِيفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ جَمْعٍ إِلَى مِنًى فَبَيْنَا هُوَ يَسِيرُ إِذْ عَرَضَ لَهُ أَعْرَابِيٌّ مُرْدِفًا ابْنَةً لَهُ جَمِيلَةً وَكَانَ يُسَايِرُهُ قَالَ فَكُنْتُ أَنْظُرُ إِلَيْهَا فَنَظَرَ إِلَيَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَلَبَ وَجْهِي عَنْ وَجْهِهَا ثُمَّ أَعَدْتُ النَّظَرَ فَقَلَبَ وَجْهِي عَنْ وَجْهِهَا حَتَّى فَعَلَ ذَلِكَ ثَلَاثًا وَأَنَا لَا أَنْتَهِي فَلَمْ يَزَلْ يُلَبِّي حَتَّى رَمَى جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ
হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি মুযদালিফা থেকে মিনায় ফেরার পথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সওয়ারীর পিছনে চড়ে যাচ্ছিলাম। তখন আমরা একজন বেদুঈনের দেখা পেলাম, যিনি তার পিছনে উপবিষ্ট তার সুন্দরী কন্যার সাথে সওয়ার ছিলেন। আমি সেই মেয়েটির দিকে তাকাতে লাগলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার দিকে তাকালেন এবং তার থেকে আমার মুখ ফিরিয়ে দিলেন। তারপর আমি আবার তার দিকে তাকালাম এবং তিনি তার থেকে আমার মুখ ফিরিয়ে দিলেন, তিনি তিনবার এটি করলেন। এরপর আমরা চলতে থাকলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তালবিয়া পড়তে থাকলেন, যতক্ষণ না তিনি জামরাতুল-আকাবাকে পাথর মেরেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৭৩১]
হাদিসের মান : হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا بَهْزٌ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ حَدَّثَنِي عَزْرَةُ عَنِ الشَّعْبِيِّ أَنَّ الْفَضْلَ حَدَّثَهُ أَنَّهُ كَانَ رَدِيفَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ عَرَفَةَ فَلَمْ تَرْفَعْ رَاحِلَتُهُ رِجْلَهَا غَادِيَةً حَتَّى بَلَغَ جَمْعًا قَالَ و حَدَّثَنِي الشَّعْبِيُّ أَنَّ أُسَامَةَ حَدَّثَهُ أَنَّهُ كَانَ رَدِيفَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ جَمْعٍ فَلَمْ تَرْفَعْ رَاحِلَتُهُ رِجْلَهَا غَادِيَةً حَتَّى رَمَى الْجَمْرَةَ
হজরত ফজল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি আরাফাহ থেকে বের হওয়ার সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাতারে ছিলাম। সকাল পর্যন্ত আমাদের যাত্রা অব্যাহত ছিলো, যতক্ষণ না রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুযদালিফায় পৌঁছান। ইমাম শাবি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, হযরত ওসামা রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মুযদালিফা থেকে ফিরে আসার সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাতারে ছিলেন এবং তাঁর যাত্রা অব্যাহত ছিলো। এমনকি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামরাহ আকাবায় পাথর মারার আগ পর্যন্ত তাদের যাত্রা অব্যাহত ছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ১৭৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ فِي الْكَعْبَةِ فَسَبَّحَ وَكَبَّرَ وَدَعَا اللَّهَ وَاسْتَغْفَرَهُ وَلَمْ يَرْكَعْ وَلَمْ يَسْجُدْ
হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাবাঘরের ভেতরে দাঁড়িয়ে তাসবিহ ও তাকবীর পাঠ করেছেন। আল্লাহর মহিমা ও প্রশংসা ঘোষণা করেছেন এবং তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। কিন্তু তিনি রুকু ও সিজদা করেননি।
[মুসনাদে আহমাদ : ১৭৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ كَانَ رِدْفَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ جَمْعٍ فَلَمْ يَزَلْ يُلَبِّي حَتَّى رَمَى الْجَمْرَةَ
হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
তিনি মুযদালিফা থেকে ফেরার পথে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘোড়ার পিছনে চড়ে বসেছিলেন এবং জামরাতে পাথর ছুড়ে মারার আগ পর্যন্ত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তালবিয়া পাঠ করতে থাকেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৭৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ كَانَ رِدْفَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ جَمْعٍ فَلَمْ يَزَلْ يُلَبِّي حَتَّى رَمَى الْجَمْرَةَ
হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
তিনি মুযদালিফা থেকে ফেরার পথে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘোড়ার পিছনে চড়ে বসেছিলেন এবং জামরাতে পাথর ছুড়ে মারার আগ পর্যন্ত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তালবিয়া পাঠ করতে থাকেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১৭৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْرَائِيلَ عَنْ فُضَيْلِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَوْ عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ أَوْ أَحَدِهِمَا عَنْ صَاحِبِهِ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ أَرَادَ أَنْ يَحُجَّ فَلْيَتَعَجَّلْ فَإِنَّهُ قَدْ تَضِلُّ الضَّالَّةُ وَيَمْرَضُ الْمَرِيضُ وَتَكُونُ الْحَاجَةُ
হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি হজের নিয়ত করে, সে যেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এ নিয়ত পূরণ করে, কেননা সে তার সওয়ারী হারাতে পারে বা সে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বা কোনো প্রয়োজনে আটকা পড়তে পারে।
[মুসনাদে আহমাদ : ১৭৩৬]
হাদিসের মান : হাসান হাদিস


حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْرَائِيلَ عَنْ فُضَيْلِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَوْ عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ أَوْ أَحَدِهِمَا عَنْ صَاحِبِهِ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ أَرَادَ أَنْ يَحُجَّ فَلْيَتَعَجَّلْ فَإِنَّهُ قَدْ تَضِلُّ الضَّالَّةُ وَيَمْرَضُ الْمَرِيضُ وَتَكُونُ الْحَاجَةُ
হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি হজের নিয়ত করে, সে যেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এ নিয়ত পূরণ করে, কেননা সে তার সওয়ারী হারাতে পারে বা সে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বা কোনো প্রয়োজনে আটকা পড়তে পারে।
[মুসনাদে আহমাদ : ১৭৩৭]
হাদিসের মান : হাসান হাদিস