(৫) হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৫৩০-১৩০৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৭৭৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৮৯টি]



1220 OK

(১২২০)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ حَمَّادٍ عَنْ أَسْبَاطِ بْنِ نَصْرٍ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ حَنَشٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ بَعَثَهُ بِبَرَاءَةٌ فَقَالَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ إِنِّي لَسْتُ بِاللَّسِنِ وَلَا بِالْخَطِيبِ قَالَ مَا بُدٌّ أَنْ أَذْهَبَ بِهَا أَنَا أَوْ تَذْهَبَ بِهَا أَنْتَ قَالَ فَإِنْ كَانَ وَلَا بُدَّ فَسَأَذْهَبُ أَنَا قَالَ فَانْطَلِقْ فَإِنَّ اللَّهَ يُثَبِّتُ لِسَانَكَ وَيَهْدِي قَلْبَكَ قَالَ ثُمَّ وَضَعَ يَدَهُ عَلَى فَمِهِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাঁকে মুশরিকদেরকে সূরা বারায়াত শুনাতে পাঠালেন, তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী, আমি তেমন বাকপটু কিংবা বড় বক্তা নই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এই ঘোষণা দিতে হয় তোমাকে না হয় আমাকে যেতেই হবে। তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, এমন জরুরী যদি হয় তবে আমিই যাবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাহলে যাও। আল্লাহ তোমার জিহ্বাকে দৃঢ়তা দেবেন ও মনকে সুপথ দেখাবেন। তারপর তাঁর হাত আলীর রাদিয়াল্লাহু আনহু মুখের উপর রাখলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১২২০]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1221 OK

(১২২১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ جَابِرٍ أَنَّ عَاصِمَ بْنَ بَهْدَلَةَ قَالَ سَمِعْتُ زِرًّا يُحَدِّثُ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ يَوْمَ أُحُدٍ شَغَلُونَا عَنْ صَلَاةِ الْوُسْطَى حَتَّى آبَتِ الشَّمْسُ مَلَأَ اللَّهُ قُبُورَهُمْ وَبُيُوتَهُمْ وَبُطُونَهُمْ نَارًا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদ যুদ্ধের দিন বললেন, ওরা আমাদেরকে সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে আসরের নামায থেকে বিরত রেখেছে। আল্লাহ তাদের কবর, তাদের বাড়িঘর ও তাদের পেটকে আগুন দিয়ে ভরে দিন। [মুসনাদে আহমাদ : ১২২১]


[ইবনু খুযাইমা-১৩৩৬, ইবনু মাজাহ-৬৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1222 OK

(১২২২)

হাদিস দেখুন [৩১:৬০১] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ مُجَالِدٍ حَدَّثَنِي عَامِرٌ عَنْ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَشَرَةً آكِلَ الرِّبَا وَمُوكِلَهُ وَكَاتِبَهُ وَشَاهِدَيْهِ وَالْحَالَّ وَالْمُحَلَّلَ لَهُ وَمَانِعَ الصَّدَقَةِ وَالْوَاشِمَةَ وَالْمُسْتَوْشِمَةَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

দশ ব্যক্তিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিশাপ দিয়েছেন, সুদখোর, সুদদাতা, সুদ সংক্রান্ত বিষয়ের লেখক, সুদের দুইজন সাক্ষী, হিল্লাকারী, যার জন্যে হিল্লা করা হয়, যে ব্যক্তি যাকাত দেয় না, উল্কি অঙ্কনকারী, যে উল্কি করায়। [মুসনাদে আহমাদ : ১২২২]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1223 OK

(১২২৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৭৪] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ حَدَّثَنَا مُغِيرَةُ بْنُ مِقْسَمٍ حَدَّثَنَا الْحَارِثُ الْعُكْلِيُّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُجَيٍّ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ كَانَ لِي مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَدْخَلَانِ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَكُنْتُ إِذَا دَخَلْتُ عَلَيْهِ وَهُوَ يُصَلِّي تَنَحْنَحَ فَأَتَيْتُهُ ذَاتَ لَيْلَةٍ فَقَالَ أَتَدْرِي مَا أَحْدَثَ الْمَلَكُ اللَّيْلَةَ كُنْتُ أُصَلِّي فَسَمِعْتُ خَشْفَةً فِي الدَّارِ فَخَرَجْتُ فَإِذَا جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَام فَقَالَ مَا زِلْتُ هَذِهِ اللَّيْلَةَ أَنْتَظِرُكَ إِنَّ فِي بَيْتِكَ كَلْبًا فَلَمْ أَسْتَطِعْ الدُّخُولَ وَإِنَّا لَا نَدْخُلُ بَيْتًا فِيهِ كَلْبٌ وَلَا جُنُبٌ وَلَا تِمْثَالٌ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

আমি দিনে ও রাতে দু’বার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট যেতাম। তিনি নামাযরত অবস্থায় যখন যেতাম, তখন তিনি কাশি দিতেন। একদিন রাতে তার কাছে গেলাম। তিনি বললেনঃ ফেরেশতা আজ রাতে কী ঘটনা ঘটিয়েছে? আমি নামায পড়ছিলাম। সহসা বাড়িতে মৃদু শব্দ শুনতে পেলাম। তখন আমি বের হলাম। দেখলাম জিবরীল (আলাইহিস সালাম) উপস্থিত। তিনি বললেন, আমি আজ সারা রাত আপনার অপেক্ষায় ছিলাম। আপনার ঘরে একটা কুকুর রয়েছে, সেজন্য আমি ঢুকতে পারিনি। আমরা এমন ঘরে ঢুকিনা যেখানে কুকুর, জুনুব (এমন অপবিত্র ব্যক্তি যার ওপর গোসল করা জরুরী) এবং ছবি থাকে। [মুসনাদে আহমাদ : ১২২৩]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1224 OK

(১২২৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৫৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ بْنِ أَبِي مُوسَى عَنْ أَبِي مُوسَى عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أَجْعَلَ خَاتَمِي فِي هَذِهِ السَّبَّاحَةِ أَوْ الَّتِي تَلِيهَا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এই তর্জনীতে বা তার পার্শ্ববতী আঙ্গুলে আঙটি পরতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১২২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1225 OK

(১২২৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৯৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنَا مَنْصُورٌ قَالَ سَمِعْتُ رِبْعِيًّا قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَكْذِبُوا عَلَيَّ فَإِنَّهُ مَنْ يَكْذِبْ عَلَيَّ يَلِجْ النَّارَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে মিথ্যা কথা রটিও না। যে ব্যক্তি আমার নামে মিথ্যা রটাবে, সে জাহান্নামে যাবে। [মুসনাদে আহমাদ : ১২২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1226 OK

(১২২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৯৯] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ هِشَامٍ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ جُرَيِّ بْنِ كُلَيْبٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُضَحَّى بِعَضْبَاءِ الْقَرْنِ وَالْأُذُنِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কানকাটা ও শিং ভাঙ্গা জন্তু দিয়ে কুরবানী দিতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১২২৬]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1227 OK

(১২২৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১২২৬] view_link


হাসান হাদিস


হাদিস নং ৫৯৯ দেখুন


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1228 OK

(১২২৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৭১২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَنْبَأَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ فِي آخِرِ وِتْرِهِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ وَأَعُوذُ بِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ لَا أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতরের শেষে (এই দু’আ) পড়তেনঃ

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ وَمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ لَا أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ

হে আল্লাহ, তোমার ক্রোধ থেকে তোমার সন্তষ্টির, তোমার শান্তি থেকে তোমার নিরাপত্তার এবং তোমার থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাইছি। তোমার প্রশংসা করে শেষ করতে পারি না। তুমি তেমনই যেমন নিজের প্রশংসা নিজে করেছ। [মুসনাদে আহমাদ : ১২২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1229 OK

(১২২৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৫৩] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا أَبُو سَلَّامٍ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُسْلِمٍ الْحَنَفِيُّ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ ظَبْيَانَ عَنْ حُكَيْمِ بْنِ سَعْدٍ أَبِي تِحْيَى عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَرَادَ سَفَرًا قَالَ بِكَ اللَّهُمَّ أَصُولُ وَبِكَ أَجُولُ وَبِكَ أَسِيرُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

যখনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন সফরের ইচ্ছা করতেন, বলতেনঃ

بِكَ اللَّهُمَّ أَصُولُ وَبِكَ أَجُولُ وَبِكَ أَسِيرُ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নামে কোন কিছুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ি, তোমারই নামে স্থানান্তরিত হই এবং তোমারই নামে ভ্রমণ করি। [মুসনাদে আহমাদ : ১২২৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1230 OK

(১২৩০)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ لُوَيْنٌ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَابِرٍ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ حَنَشٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ عَشْرُ آيَاتٍ مِنْ بَرَاءَةٌ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَعَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَبَا بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَبَعَثَهُ بِهَا لِيَقْرَأَهَا عَلَى أَهْلِ مَكَّةَ ثُمَّ دَعَانِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لِي أَدْرِكْ أَبَا بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَحَيْثُمَا لَحِقْتَهُ فَخُذْ الْكِتَابَ مِنْهُ فَاذْهَبْ بِهِ إِلَى أَهْلِ مَكَّةَ فَاقْرَأْهُ عَلَيْهِمْ فَلَحِقْتُهُ بِالْجُحْفَةِ فَأَخَذْتُ الْكِتَابَ مِنْهُ وَرَجَعَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ نَزَلَ فِيَّ شَيْءٌ قَالَ لَا وَلَكِنَّ جِبْرِيلَ جَاءَنِي فَقَالَ لَنْ يُؤَدِّيَ عَنْكَ إِلَّا أَنْتَ أَوْ رَجُلٌ مِنْكَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

যখন সূরা বারায়াতের প্রথম দশ আয়াত নাযিল হলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বাকরকে ডাকলেন এবং মক্কাবাসীকে তা পড়ে শোনানোর জন্য তাকে পাঠালেন। তারপর আমাকে ডাকলেন এবং বললেন, যাও, আবু বাকরের সাথে মিলিত হও। যেখানেই তুমি তাকে পাবে, তার কাছ থেকে লিখিত আয়াতগুলো নিয়ে নেবে। তা নিয়ে মক্কাবাসীর কাছে যাবে ও তা তাদেরকে পড়ে শুনাবে। আমি আবু বকরকে জুহাফাতে পেলাম। তার কাছ থেকে লিখিত লিপিটি নিলাম। আবু বাকর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ফিরে গেলেন। গিয়ে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার সম্পর্কে কি কিছু নাযিল হয়েছে? তিনি বললেন, না, তবে জিবরীল আমার কাছে এসেছিল এবং বলেছেন, এ দায়িত্ব তোমার পক্ষ থেকে তুমি অথবা তোমার নিজস্ব লোক ছাড়া কেউ পালন করতে পারবে না। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৩০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1231 OK

(১২৩১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ عَنِ الْحَارِثِ بْنِ سُوَيْدٍ قَالَ قِيلَ لِعَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِنَّ رَسُولَكُمْ كَانَ يَخُصُّكُمْ بِشَيْءٍ دُونَ النَّاسِ عَامَّةً قَالَ مَا خَصَّنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشَيْءٍ لَمْ يَخُصَّ بِهِ النَّاسَ إِلَّا بِشَيْءٍ فِي قِرَابِ سَيْفِي هَذَا فَأَخْرَجَ صَحِيفَةً فِيهَا شَيْءٌ مِنْ أَسْنَانِ الْإِبِلِ وَفِيهَا أَنَّ الْمَدِينَةَ حَرَمٌ مِنْ بَيْنِ ثَوْرٍ إِلَى عَائِرٍ مَنْ أَحْدَثَ فِيهَا حَدَثًا أَوْ آوَى مُحْدِثًا فَإِنَّ عَلَيْهِ لَعْنَةَ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لَا يُقْبَلُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ وَذِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ فَمَنْ أَخْفَرَ مُسْلِمًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لَا يُقْبَلُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ وَمَنْ تَوَلَّى مَوْلًى بِغَيْرِ إِذْنِهِمْ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لَا يُقْبَلُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ


হারিস বিন সুওয়াইদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কে জিজ্ঞাসা করা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি আপনাদেরকে এমন কোনো আদেশ বা উপদেশ দিতেন, যা সাধারণ মানুষকে দিতেন না? তিনি বললেন, আমার এই তরবারীর খাপে যা আছে, তা ছাড়া আর কোন জিনিস এমন নেই, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুধু আমাদেরকে জানাতেন, অন্য কাউকে জানাতেন না। অতঃপর আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু একখানা পুস্তিকা বের করলেন, যাতে উটের দাঁতের তৈরি কিছু ছিল। তাতে আরো ছিল, সমগ্র মদীনা একটা পবিত্র নগরী। এখানে যে ব্যক্তি কোন নতুন জিনিস চালু করবে, অথবা নতুন জিনিসের প্রচলনকারীকে প্রশ্রয় দেবে, তার ওপর আল্লাহর, ফেরেশতাদের ও সমগ্র মানবজাতির অভিসম্পাত। কিয়ামতের দিন তার পক্ষ থেকে কোন বিনিময় বা সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না। আর মুসলিমদের পক্ষ থেকে যে কোনো একজন কোনো অমুসলিমের দায়িত্ব গ্রহণ করলেই সে নিরাপদ হয়ে যাবে। যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের উপর গোয়েন্দাগিরী করে তার উপর আল্লাহর ফেরেশতাদের ও সমগ্র মানবজাতির অভিসম্পাত। কিয়ামতের দিন তার পক্ষ থেকে কোনো বিনিময় বা সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না। আর যে ব্যক্তি মুসলিমদের অনুমতি ব্যতীত কোনো মুক্ত গোলামের মনিব হয়, তার উপর আল্লাহর, ফেরেশতাদের ও সমগ্র মানবজাতির অভিসম্পাত। কিয়ামতের দিন তার পক্ষ হতে কোনো বিনিময় ও কোনো সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1232 OK

(১২৩২)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ مُسْلِمٍ عَنْ شُتَيْرِ بْنِ شَكَلٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الْأَحْزَابِ شَغَلُونَا عَنْ صَلَاةِ الْوُسْطَى صَلَاةِ الْعَصْرِ مَلَأَ اللَّهُ قُبُورَهُمْ وَبُيُوتَهُمْ نَارًا ثُمَّ صَلَّاهَا بَيْنَ الْعِشَاءَيْنِ بَيْنِ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহযাব (খন্দক) যুদ্ধের দিন বলেছিলেন, “ওরা (মুশরিক ও ইহুদীরা) আমাদের আছরের নামায পড়তে না দিয়ে যুদ্ধে লিপ্ত রেখেছে। আল্লাহ ওদের কবর ও বাড়িগুলোকে আগুন দিয়ে ভরে দিন।” তারপর তিনি মাগরিব ও ইশার মধ্যবর্তী সময় আছরের নামায পড়লেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1233 OK

(১২৩৩)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ قَيْسٍ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ قَيْسٍ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَازِنٍ أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ انْعَتْ لَنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صِفْهُ لَنَا فَقَالَ كَانَ لَيْسَ بِالذَّاهِبِ طُولًا وَفَوْقَ الرَّبْعَةِ إِذَا جَاءَ مَعَ الْقَوْمِ غَمَرَهُمْ أَبْيَضَ شَدِيدَ الْوَضَحِ ضَخْمَ الْهَامَةِ أَغَرَّ أَبْلَجَ هَدِبَ الْأَشْفَارِ شَثْنَ الْكَفَّيْنِ وَالْقَدَمَيْنِ إِذَا مَشَى يَتَقَلَّعُ كَأَنَّمَا يَنْحَدِرُ فِي صَبَبٍ كَأَنَّ الْعَرَقَ فِي وَجْهِهِ اللُّؤْلُؤُ لَمْ أَرَ قَبْلَهُ وَلَا بَعْدَهُ مِثْلَهُ بِأَبِي وَأُمِّي صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ قَيْسٍ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ قَيْسٍ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَازِنٍ عَنْ رَجُلٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ قِيلَ لَهُ انْعَتْ لَنَا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ كَانَ لَيْسَ بِالذَّاهِبِ طُولًا فَذَكَرَ مِثْلَهُ سَوَاءً


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন, হে আমীরুল মুমিনীন, আমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের (দেহাকৃতির) বিবরণ দিন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “তিনি খুব বেশি দীর্ঘকায় ছিলেন না, তবে মধ্যমের চেয়ে কিছু বেশি লম্বা ছিলেন। যখন কোন দলের সাথে আসতেন, তখন তাদেরকে আচ্ছন্ন করে ফেলতেন, (অর্থাৎ তাদের সবার চেয়ে তাকে উঁচু মনে হতো)। তাঁর শরীরের রং ছিল সাদা ও অত্যধিক উজ্জ্বল, তাঁর মাথা ছিল বড়, পৃথক ভ্রু, অতীব শুভ্র, ঝুলন্ত চোখের পলক, হাত ও পা হৃষ্টপুষ্ট। হাঁটার সময় এমনভাবে সামনের দিকে ঝুঁকে হাঁটতেন যে, মনে হতো, কোন ঢালু জায়গায় নামছেন, মুখমণ্ডলের ঘামের ফোটা মুক্তার মত দেখাতো, তাঁর আগে ও পরে কখনো তাঁর মত কাউকে দেখিনি। আমার পিতা-মাতা তার জন্য উৎসর্গ হোক। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৩৩]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1234 OK

(১২৩৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৬০৯] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَكِيمٍ الْمَدَائِنِيُّ عَنْ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ انْطَلَقْتُ أَنَا وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى أَتَيْنَا الْكَعْبَةَ فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اجْلِسْ وَصَعِدَ عَلَى مَنْكِبَيَّ فَذَهَبْتُ لِأَنْهَضَ بِهِ فَرَأَى مِنِّي ضَعْفًا فَنَزَلَ وَجَلَسَ لِي نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ اصْعَدْ عَلَى مَنْكِبَيَّ قَالَ فَصَعِدْتُ عَلَى مَنْكِبَيْهِ قَالَ فَنَهَضَ بِي قَالَ فَإِنَّهُ يُخَيَّلُ إِلَيَّ أَنِّي لَوْ شِئْتُ لَنِلْتُ أُفُقَ السَّمَاءِ حَتَّى صَعِدْتُ عَلَى الْبَيْتِ وَعَلَيْهِ تِمْثَالُ صُفْرٍ أَوْ نُحَاسٍ فَجَعَلْتُ أُزَاوِلُهُ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ وَبَيْنَ يَدَيْهِ وَمِنْ خَلْفِهِ حَتَّى إِذَا اسْتَمْكَنْتُ مِنْهُ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اقْذِفْ بِهِ فَقَذَفْتُ بِهِ فَتَكَسَّرَ كَمَا تَتَكَسَّرُ الْقَوَارِيرُ ثُمَّ نَزَلْتُ فَانْطَلَقْتُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَسْتَبِقُ حَتَّى تَوَارَيْنَا بِالْبُيُوتِ خَشْيَةَ أَنْ يَلْقَانَا أَحَدٌ مِنْ النَّاسِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

একদিন আমি ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সাথে চলতে চলতে কা’বার সন্নিকটে উপনীত হলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, বস। আমি বসলে তিনি আমার ঘাড়ে চড়লেন। আমি তাঁকে নিয়ে উঠে দাঁড়ালাম; চলতে লাগলাম। কিন্তু তিনি আমার মধ্যে কিছু দুর্বলতা দেখলেন। তাই তিনি নামলেন। এরপর আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য বসলেন এবং বললেনঃ আমার ঘাড়ে ওঠ। আমি তাঁর ঘাড়ে উঠলাম। তিনি আমাকে নিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। তখন আমার মনে হলো, আমি ইচ্ছে করলে আকাশের কিনারা ধরতে পারি। অবশেষে কা’বা ঘরের ওপরে আরোহণ করলাম। তখনও তার ওপরে একটা পিতল বা তামার মূর্তি ছিল। সেটি আমি তার আগে, পিছে, ডানে ও বামে ধরে নাড়াতে লাগলাম। যখন আমি মূর্তিটাকে নিজের হাতে নিয়ে নিলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ ওটা ছুঁড়ে ফেলে দাও। আমি সঙ্গে সঙ্গে ছুঁড়ে ফেলে দিলাম। ফলে শিশি বোতল যেভাবে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়, মূর্তিটিও সেভাবে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেল। এরপর আমি নামলাম। তারপর আমি ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরস্পর পাল্লা দিয়ে চলতে লাগলাম। অবশেষে বাড়ি-ঘর সমূহের আড়ালে লুকিয়ে চলতে লাগলাম, যাতে লোকেরা আমাদের দেখতে না পায়। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৩৪]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1235 OK

(১২৩৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৮০৭] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ الْوَلِيدِ الْهَمْدَانِيُّ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الْأَعْلَى عَنْ طَارِقِ بْنِ زِيَادٍ قَالَ خَرَجْنَا مَعَ عَلِيٍّ إِلَى الْخَوَارِجِ فَقَتَلَهُمْ ثُمَّ قَالَ انْظُرُوا فَإِنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّهُ سَيَخْرُجُ قَوْمٌ يَتَكَلَّمُونَ بِالْحَقِّ لَا يُجَاوِزُ حَلْقَهُمْ يَخْرُجُونَ مِنْ الْحَقِّ كَمَا يَخْرُجُ السَّهْمُ مِنْ الرَّمِيَّةِ سِيمَاهُمْ أَنَّ مِنْهُمْ رَجُلًا أَسْوَدَ مُخْدَجَ الْيَدِ فِي يَدِهِ شَعَرَاتٌ سُودٌ إِنْ كَانَ هُوَ فَقَدْ قَتَلْتُمْ شَرَّ النَّاسِ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ هُوَ فَقَدْ قَتَلْتُمْ خَيْرَ النَّاسِ فَبَكَيْنَا ثُمَّ قَالَ اطْلُبُوا فَطَلَبْنَا فَوَجَدْنَا الْمُخْدَجَ فَخَرَرْنَا سُجُودًا وَخَرَّ عَلِيٌّ مَعَنَا سَاجِدًا غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ يَتَكَلَّمُونَ بِكَلِمَةِ الْحَقِّ


তারেক বিন যিয়াদ থেকে বর্ণিতঃ

আমরা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সাথে খারিজীদের বিরুদ্ধে অভিযানে বের হয়েছিলাম। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এই অভিযানে তাদেরকে হত্যা করলেন। তারপর বললেনঃ তোমরা খোঁজ নাও। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একটা দল আবির্ভূত হবে। যারা সত্য কথা বলবে কিন্তু সে সত্য কথা তাদের মুখেই থাকবে, কণ্ঠ অতিক্রম করবে না। (অর্থাৎ অন্তর থেকে বলবে না) তীর যেভাবে ধনুক থেকে বের হয়, তারা সেই ভাবেই সত্য থেকে বের হবে। তাদের আলামত হলো, তাদের মধ্যে এক ব্যক্তির বর্ণ কালো ও হাত আংশিক পঙ্গু থাকবে। তার হাতে কালো পশম থাকবে। নিহতদের মধ্যে যদি এই ব্যক্তি থাকে, তাহলে তোমরা নিকৃষ্টতম লোককে হত্যা করেছ। সে যদি না থেকে থাকে তাহলে তোমরা সর্বোত্তম ব্যক্তিকে হত্যা করেছ।

আমরা এ কথা শুনে কেঁদে ফেললাম। তারপর তিনি বললেনঃ অনুসন্ধান কর। আমরা অনুসন্ধান করলাম এবং আংশিক পঙ্গু হাত ওয়ালাকে নিহতদের মধ্যে পেলাম। ফলে আমরা শোকর আদায়ের লক্ষে সিজদায় উপুড় হলাম। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুও সিজদায় উপুড় হলেন। তবে তখনো তিনি বললেন, তারা মুখে যা বলতো সত্যই বলতো। (খারিজীদের শ্লোগান ছিলঃ “আল্লাহর হুকুম ছাড়া আর কিছু মানি না।” আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর জবাবে বলতেনঃ ওদের কথাটা সত্য কিন্তু উদ্দেশ্য অসৎ। অর্থাৎ এই ধুয়া তুলে তারা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ও খিলাফাতে রাশেদার শাসন উচ্ছেদের চেষ্টায় লিপ্ত ছিল।) [মুসনাদে আহমাদ : ১২৩৫]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1236 OK

(১২৩৬)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ قَالَا حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ عَنْ نُعَيْمِ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ امْرَأَةَ الْوَلِيدِ بْنِ عُقْبَةَ أَتَتْ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الْوَلِيدَ يَضْرِبُهَا وَقَالَ نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ فِي حَدِيثِهِ تَشْكُوهُ قَالَ قُولِي لَهُ قَدْ أَجَارَنِي قَالَ عَلِيٌّ فَلَمْ تَلْبَثْ إِلَّا يَسِيرًا حَتَّى رَجَعَتْ فَقَالَتْ مَا زَادَنِي إِلَّا ضَرْبًا فَأَخَذَ هُدْبَةً مِنْ ثَوْبِهِ فَدَفَعَهَا إِلَيْهَا وَقَالَ قُولِي لَهُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أَجَارَنِي فَلَمْ تَلْبَثْ إِلَّا يَسِيرًا حَتَّى رَجَعَتْ فَقَالَتْ مَا زَادَنِي إِلَّا ضَرْبًا فَرَفَعَ يَدَيْهِ وَقَالَ اللَّهُمَّ عَلَيْكَ الْوَلِيدَ أَثِمَ بِي مَرَّتَيْنِ وَهَذَا لَفْظُ حَدِيثِ الْقَوَارِيرِيِّ وَمَعْنَاهُمَا وَاحِدٌ حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَأَبُو خَيْثَمَةَ قَالَا حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى أَنْبَأَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَكِيمٍ عَنْ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ عَلِيٍّ أَنَّ امْرَأَةَ الْوَلِيدِ بْنِ عُقْبَةَ جَاءَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَشْتَكِي الْوَلِيدَ أَنَّهُ يَضْرِبُهَا فَذَكَرَ الْحَدِيثَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

ওয়ালীদের স্ত্রী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ, ওয়ালীদ আমাকে প্রহার করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে গিয়ে বল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এর অল্প কয়েকদিন পর সে আবার এলো এবং বললো, এখন সে আমাকে আরো বেশি প্রহার করে। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের কাপড়ের একটা পাড় তাকে দিয়ে বললেন, (এটা দেখিয়ে) তাকে গিয়ে বল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন। এর অল্প কয়েকদিন পর সে আবার এল এবং বললো, এখন সে আমাকে আরো বেশি প্রহার করে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আল্লাহ, তুমি ওয়ালিদকে সামলাও। সে দু’বার আমাকে অমান্য করেছে। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৩৬]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1237 OK

(১২৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:১০৭৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ شُعْبَةَ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ يَحْيَى بْنِ الْجَزَّارِ عَنْ عَلِيٍّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ قَاعِدًا يَوْمَ الْخَنْدَقِ عَلَى فُرْضَةٍ مِنْ فُرَضِ الْخَنْدَقِ فَقَالَ شَغَلُونَا عَنْ الصَّلَاةِ الْوُسْطَى حَتَّى غَابَتْ الشَّمْسُ مَلَأَ اللَّهُ بُطُونَهُمْ وَبُيُوتَهُمْ نَارًا


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

খন্দকের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খন্দকের একটা ঢালু অংশে বসে ছিলেন। তিনি বললেন, “কাফিররা আমাদেরকে আছরের নামায পড়তে দেয়নি। এই অবস্থায় সূর্য ডুবে গেছে। আল্লাহ ওদের বাড়ি-ঘর ও পেট আগুন দিয়ে ভরে দিন।” [মুসনাদে আহমাদ : ১২৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1238 OK

(১২৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৮১৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ عَنْ مَنْصُورِ بْنِ حَيَّانَ عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ قَالَ قُلْنَا لِعَلِيٍّ أَخْبِرْنَا بِشَيْءٍ أَسَرَّهُ إِلَيْكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مَا أَسَرَّ إِلَيَّ شَيْئًا كَتَمَهُ النَّاسَ وَلَكِنْ سَمِعْتُهُ يَقُولُ لَعَنَ اللَّهُ مَنْ ذَبَحَ لِغَيْرِ اللَّهِ وَلَعَنَ اللَّهُ مَنْ آوَى مُحْدِثًا وَلَعَنَ اللَّهُ مَنْ لَعَنَ وَالِدَيْهِ وَلَعَنَ اللَّهُ مَنْ غَيَّرَ تُخُومَ الْأَرْضِ يَعْنِي الْمَنَارَ


আবুত্ তুফাইল থেকে বর্ণিতঃ

আমরা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বললামঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে গোপনে বলেছেন, এমন কোন কথা থাকলে আমাদেরকে বলুন। আলীরাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমাকে গোপনে এমন কিছুই বলেননি, যা অন্যদের কাছ থেকে লুকিয়েছেন। তবে আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে কুরবানী করে তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ। যে ব্যক্তি ইসলামের নামে নতুন কিছু চালু করতে সচেষ্ট লোককে প্রশ্রয় ও আসকারা দেয়, তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ। যে ব্যক্তি নিজের পিতামাতাকে অভিশাপ দেয় তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ এবং যে ব্যক্তি জমির সীমানা পাল্টাতে চেষ্টা করে, তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ। অর্থাৎ সীমানার চিহ্ন পরিবর্তন করে (জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে) তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1239 OK

(১২৩৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৫৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي حَسَّانَ عَنْ عَبِيدَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَوْمَ الْأَحْزَابِ مَلَأَ اللَّهُ بُيُوتَهُمْ وَقُبُورَهُمْ نَارًا كَمَا شَغَلُونَا عَنْ الصَّلَاةِ حَتَّى آبَتْ الشَّمْسُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

খন্দক যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তারা যেমন সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে নামায পড়তে দেয়নি, তেমনি আল্লাহ তাদের বাড়িঘর ও কবরকে আগুন দিয়ে ভরে দিন। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1240 OK

(১২৪০)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৯৪] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سَلَمَةَ عَنْ حُجَيَّةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نَسْتَشْرِفَ الْعَيْنَ وَالْأُذُنَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন, যেন কুরবানীর জন্তুর চোখ ও কানে খুঁত আছে কিনা ভালোভাবে দেখে নেই। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৪০]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1241 OK

(১২৪১)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪১] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ حَدَّثَنَا سِمَاكٌ عَنْ حَنَشٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْيَمَنِ فَانْتَهَيْنَا إِلَى قَوْمٍ قَدْ بَنَوْا زُبْيَةً لِلْأَسَدِ فَبَيْنَا هُمْ كَذَلِكَ يَتَدَافَعُونَ إِذْ سَقَطَ رَجُلٌ فَتَعَلَّقَ بِآخَرَ ثُمَّ تَعَلَّقَ رَجُلٌ بِآخَرَ حَتَّى صَارُوا فِيهَا أَرْبَعَةً فَجَرَحَهُمْ الْأَسَدُ فَانْتَدَبَ لَهُ رَجُلٌ بِحَرْبَةٍ فَقَتَلَهُ وَمَاتُوا مِنْ جِرَاحَتِهِمْ كُلُّهُمْ فَقَامُوا أَوْلِيَاءُ الْأَوَّلِ إِلَى أَوْلِيَاءِ الْآخِرِ فَأَخْرَجُوا السِّلَاحَ لِيَقْتَتِلُوا فَأَتَاهُمْ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَلَى تَفِيئَةِ ذَلِكَ فَقَالَ تُرِيدُونَ أَنْ تَقَاتَلُوا وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَيٌّ إِنِّي أَقْضِي بَيْنَكُمْ قَضَاءً إِنْ رَضِيتُمْ فَهُوَ الْقَضَاءُ وَإِلَّا حَجَزَ بَعْضُكُمْ عَنْ بَعْضٍ حَتَّى تَأْتُوا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَكُونَ هُوَ الَّذِي يَقْضِي بَيْنَكُمْ فَمَنْ عَدَا بَعْدَ ذَلِكَ فَلَا حَقَّ لَهُ اجْمَعُوا مِنْ قَبَائِلِ الَّذِينَ حَفَرُوا الْبِئْرَ رُبُعَ الدِّيَةِ وَثُلُثَ الدِّيَةِ وَنِصْفَ الدِّيَةِ وَالدِّيَةَ كَامِلَةً فَلِلْأَوَّلِ الرُّبُعُ لِأَنَّهُ هَلَكَ مَنْ فَوْقَهُ وَلِلثَّانِي ثُلُثُ الدِّيَةِ وَلِلثَّالِثِ نِصْفُ الدِّيَةِ فَأَبَوْا أَنْ يَرْضَوْا فَأَتَوْا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ عِنْدَ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ فَقَصُّوا عَلَيْهِ الْقِصَّةَ فَقَالَ أَنَا أَقْضِي بَيْنَكُمْ وَاحْتَبَى فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ الْقَوْمِ إِنَّ عَلِيًّا قَضَى فِينَا فَقَصُّوا عَلَيْهِ الْقِصَّةَ فَأَجَازَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدَّثَنَا بَهْزٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ أَنْبَأَنَا سِمَاكٌ عَنْ حَنَشٍ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ وَلِلرَّابِعِ الدِّيَةُ كَامِلَةً


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম আমাকে ইয়ামানে প্রেরণ করলেন। আমরা এমন একটা গোষ্ঠীর কাছে যাত্রা বিরতি করলাম, যারা সিংহের জন্য একটা গর্ত তৈরী করেছিল। এলাকার লোকেরা গর্তের পাশে ধাক্কাধাক্কি করতে করতে একজন গর্তে পড়ে গেল। সে ওপরে থাকা অন্য একজনের সাথে যুক্ত ছিল। (সেও পড়ে গেল) সে আর একজনের সাথে যুক্ত ছিল। এভাবে গর্তের ভেতরে চারজন একত্রিত হলো। ভেতরে থাকা সিংহটি তাদেরকে আহত করলো। তৎক্ষণাত এক ব্যক্তি বর্শা নিয়ে সিংহের মুখোমুখী হলো এবং তাকে হত্যা করলো, সিংহের আঘাতে ৪ ব্যক্তিই মারা গেল। প্রথম ব্যক্তির উত্তরাধিকারীরা শেষ ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের কাছে গেল এবং উভয় পক্ষ অস্ত্র সজ্জিত হয়ে যুদ্ধ করতে উদ্যত হলো।

তখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু উত্তেজনা প্রশমিত করতে তাদের কাছে গেলেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবিত থাকতেই তোমরা যুদ্ধ করতে চাও? আমি তোমাদের বিবাদ মিটিয়ে দিচ্ছি। আমার ফায়সালা যদি তোমাদের মনঃপূত হয় তবে তো ভালো কথা। নচেত তোমরা একে অপর থেকে নিরন্ত্র থাকবে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যাবে। তিনি ফায়সালা করে দেবেন। তারপরও যে ব্যক্তি বাড়াবাড়ি করবে, সে কিছুই পাবে না।

যে সকল গোত্র এই কুয়োটা খুঁড়েছে, তাদের কাছ থেকে দিয়াতের এক চতুর্থাংশ, এক তৃতীয়াংশ, অর্ধাংশ এবং পূর্ণ দিয়াত আদায় কর। তারপর প্রথম জন পাবে এক চতুর্থাংশ। কেননা তার ওপরের জন মারা গেছে। আর দ্বিতীয়জন পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং তৃতীয়জন অর্ধেক। এ ফায়সালা তারা মানতে রাজী হলো না। অগত্যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গেল। তিনি তখন মাকামে ইবরাহীমে ছিলেন। তারা তার কাছে পুরো ঘটনা খুলে বললো। তিনি ’আমি তোমাদের বিবাদের মীমাংসা করে দিচ্ছি’ এই বলে ঠেস দিয়ে বসলেন। আগন্তুকদের একজন বললোঃ আলী আমাদের বিবাদের নিম্পত্তি করেছেন। অতপর সে আলীর বিচারের বিবরণ দিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলীর বিচারকে যথার্থ বলে সম্মতি দিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৪১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1242 OK

(১২৪২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي حَجَّاحُ بْنُ الشَّاعِرِ حَدَّثَنَا شَبَابَةُ حَدَّثَنِي نُعَيْمُ بْنُ حَكِيمٍ حَدَّثَنِي أَبُو مَرْيَمَ وَرَجُلٌ مِنْ جُلَسَاءِ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ عَلِيٍّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَوْمَ غَدِيرِ خُمٍّ مَنْ كُنْتُ مَوْلَاهُ فَعَلِيٌّ مَوْلَاهُ قَالَ فَزَادَ النَّاسُ بَعْدُ وَالِ مَنْ وَالَاهُ وَعَادِ مَنْ عَادَاهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’গাদীরে খুমে’ বলেছেন, আমি যার অভিভাবক, আলী তার অভিভাবক। কিন্তু লোকেরা এরপর এই কথাটা অতিরিক্ত জুড়ে দিয়েছে, “হে আল্লাহ, যে ব্যক্তি তার বন্ধু হবে, তুমি তার বন্ধু হও, আর যে ব্যক্তি তার শত্রু হবে, তুমি তার শত্রু হও।” [মুসনাদে আহমাদ : ১২৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1243 OK

(১২৪৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৯৪] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سَلَمَةَ عَنْ حُجَيَّةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نَسْتَشْرِفَ الْعَيْنَ وَالْأُذُنَ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন, যেন কুরবানীর জন্তুর চোখ ও কানে খুঁত আছে কিনা ভালোভাবে দেখে নেই। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৪৩]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



1244 OK

(১২৪৪)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ النَّرْسِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْجُرَيْرِيُّ عَنْ أَبِي الْوَرْدِ عَنِ ابْنِ أَعْبُدَ قَالَ قَالَ لِي عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَا ابْنَ أَعْبُدَ هَلْ تَدْرِي مَا حَقُّ الطَّعَامِ قَالَ قُلْتُ وَمَا حَقُّهُ يَا ابْنَ أَبِي طَالِبٍ قَالَ تَقُولُ بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيمَا رَزَقْتَنَا قَالَ وَتَدْرِي مَا شُكْرُهُ إِذَا فَرَغْتَ قَالَ قُلْتُ وَمَا شُكْرُهُ قَالَ تَقُولُ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنَا وَسَقَانَا ثُمَّ قَالَ أَلَا أُخْبِرُكَ عَنِّي وَعَنْ فَاطِمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا كَانَتْ ابْنَةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَتْ مِنْ أَكْرَمِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ وَكَانَتْ زَوْجَتِي فَجَرَتْ بِالرَّحَى حَتَّى أَثَّرَ الرَّحَى بِيَدِهَا وَأَسْقَتْ بِالْقِرْبَةِ حَتَّى أَثَّرَتْ الْقِرْبَةُ بِنَحْرِهَا وَقَمَّتْ الْبَيْتَ حَتَّى اغْبَرَّتْ ثِيَابُهَا وَأَوْقَدَتْ تَحْتَ الْقِدْرِ حَتَّى دَنِسَتْ ثِيَابُهَا فَأَصَابَهَا مِنْ ذَلِكَ ضَرَرٌ فَقُدِمَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِسَبْيٍ أَوْ خَدَمٍ قَالَ فَقُلْتُ لَهَا انْطَلِقِي إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاسْأَلِيهِ خَادِمًا يَقِيكِ حَرَّ مَا أَنْتِ فِيهِ فَانْطَلَقَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَوَجَدَتْ عِنْدَهُ خَدَمًا أَوْ خُدَّامًا فَرَجَعَتْ وَلَمْ تَسْأَلْهُ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ فَقَالَ أَلَا أَدُلُّكِ عَلَى مَا هُوَ خَيْرٌ لَكِ مِنْ خَادِمٍ إِذَا أَوَيْتِ إِلَى فِرَاشِكِ سَبِّحِي ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَاحْمَدِي ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَكَبِّرِي أَرْبَعًا وَثَلَاثِينَ قَالَ فَأَخْرَجَتْ رَأْسَهَا فَقَالَتْ رَضِيتُ عَنْ اللَّهِ وَرَسُولِهِ مَرَّتَيْنِ فَذَكَرَ مِثْلَ حَدِيثِ ابْنِ عُلَيَّةَ عَنِ الْجُرَيْرِيِّ أَوْ نَحْوَهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

হে ইবনে আ’বুদ, খাবারের হক কি জান?

ইবনে আ’বুদঃ হে আবু তালিবের ছেলে, বলুন খাবারের হক কি?

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু : খাবারের হক হলো, তুমি বলবে,

بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيمَا رَزَقْتَنَا

বিসমিল্লাহ, হে আল্লাহ, আমাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছ তাতে বরকত দাও।”

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু : আর যখন খাওয়া শেষ হবে তখন খাবারের শোকর কি জান?

ইবনে আ’বুদঃ খাবারের শোকর কী?

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু : শোকর হলো, তুমি বলবে,

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنَا وَسَقَانَا

আল্লাহর জন্য প্রশংসা, যিনি আমাদেরকে খাওয়ালেন ও পান করালেন।

তারপর আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমার ও ফাতিমার কাহিনী তোমাকে শুনাবো? ফাতিমা ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মেয়ে এবং তাঁর পরিবারের মধ্যে তার নিকট সবচেয়ে আদরের দুলালী। সে আমার স্ত্রী ছিল। আটা পিষতে পিষতে তার হাতে দাগ পড়ে যেত। আর মশক দিয়ে পানি আনতে আনতে তার ঘাড়ে দাগ হয়ে যেত। ঘর ঝাড়ু দিতে দিতে তার কাপড় ধুলায় মলিন হয়ে যেত। চুলায় আগুন জ্বালাতে জ্বালাতে তার পোশাক ময়লা হয়ে যেত। এসব কাজ করতে করতে সে শারীরিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এ সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অনেক দাসদাসী বন্দী হয়ে এল।

আমি তাকে বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট যাও এবং তার কাছে একজন গৃহভৃত্য চাও, যা তোমাকে তোমার বর্তমান অসহনীয় ব্যস্ততা থেকে কিছুটা রক্ষা করবে। অগত্যা ফাতিমা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেল এবং সেখানে অনেক চাকর দেখতে পেল। কিন্তু সে কিছুই না চেয়ে ফিরে এল। এরপর আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু পুরো কাহিনী বর্ণনা করলেন। অবশেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমাকে বললেন, একজন গৃহভূত্যের চেয়েও তোমার জন্য যা উত্তম, তা কি আমি বলবো না? যখন বিছানায় ঘুমাতে যাবে তখন তেত্রিশবার সুবহানাল্লাহ, তেত্রিশবার আলহামদুল্লিাহ ও চৌত্রিশবার আল্লাহু আকবার বলবে। এ কথা শুনে ফাতিমা তার ঘোমটা থেকে মাথা বের করে “আমি আল্লাহ ও রাসূলের উপর সন্তুষ্ট” এ কথাটা দুবার বললেন। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৪৪]


[আবু দাউদ-২৯৮৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



1245 OK

(১২৪৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৫৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي حَسَّانَ عَنْ عَبِيدَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَوْمَ الْأَحْزَابِ مَلَأَ اللَّهُ بُيُوتَهُمْ وَقُبُورَهُمْ نَارًا كَمَا شَغَلُونَا عَنْ الصَّلَاةِ حَتَّى آبَتْ الشَّمْسُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

খন্দক যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তারা যেমন সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে নামায পড়তে দেয়নি, তেমনি আল্লাহ তাদের বাড়িঘর ও কবরকে আগুন দিয়ে ভরে দিন। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1246 OK

(১২৪৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৬০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَيْسَرَةَ سَمِعَ زَيْدَ بْنَ وَهْبٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُهْدِيَتْ لَهُ حُلَّةٌ سِيَرَاءُ فَأَرْسَلَ بِهَا إِلَيَّ فَرُحْتُ بِهَا فَعَرَفْتُ فِي وَجْهِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْغَضَبَ قَالَ فَقَسَمْتُهَا بَيْنَ نِسَائِي


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একসেট রেশম মিশ্রিত নতুন পোশাক উপহার দেয়া হলো। তিনি সেটি আমার কাছে পাঠালেন। আমি তা নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে উপস্থিত হলাম। এতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখমণ্ডলে ক্রোধের লক্ষণ পরিস্ফুট দেখতে পেলাম। তাই আমি সেটটি আমার মহিলাদের মধ্যে বণ্টন করে দিলাম। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1247 OK

(১২৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৫০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَيْسَرَةَ عَنِ النَّزَّالِ بْنِ سَبْرَةَ قَالَ أُتِيَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بِكُوزٍ مِنْ مَاءٍ وَهُوَ فِي الرَّحْبَةِ فَأَخَذَ كَفًّا مِنْ مَاءٍ فَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ وَمَسَحَ وَجْهَهُ وَذِرَاعَيْهِ وَرَأْسَهُ ثُمَّ شَرِبَ وَهُوَ قَائِمٌ ثُمَّ قَالَ هَذَا وُضُوءُ مَنْ لَمْ يُحْدِثْ هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَ


নাযযাল ইবনে সাবরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আলীর নিকট এক মগ পানি আনা হলো। তিনি তখন বাড়ির প্রাঙ্গনে ছিলেন। তিনি এক আঁজল পানি নিয়ে কুলি করলেন। নাকে পানি দিলেন। তাঁর মুখমণ্ডল, দু’হাত ও মাথা মাসেহ করলেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ এ হলো সেই ব্যক্তির ওযূ, যে অপবিত্র হয়নি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকম ওযূ করতে দেখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1248 OK

(১২৪৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ عَنِ الشَّعْبِيِّ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ لِشَرَاحَةَ لَعَلَّكِ اسْتُكْرِهْتِ لَعَلَّ زَوْجَكِ أَتَاكِ لَعَلَّكِ قَالَتْ لَا فَلَمَّا وَضَعَتْ جَلَدَهَا ثُمَّ رَجَمَهَا فَقِيلَ لَهُ لِمَ جَلَدْتَهَا ثُمَّ رَجَمْتَهَا قَالَ جَلَدْتُهَا بِكِتَابِ اللَّهِ وَرَجَمْتُهَا بِسُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


ইমাম শাবি (র.) থেকে বর্ণিতঃ

হযরত আলী (রা.) শারাহা হামাদানিয়্যাহকে বলেছিলেন: "সম্ভবত আপনি জোর করে এই কাজটি করতে বাধ্য হয়েছেন?" হয়তো তিনি আপনার স্বামী? কিন্তু তিনি সব কিছুর জবাবে 'না' বলতে থাকেন, তাই হজরত আলী (রা.) গর্ভবতী হওয়ার পর বৃহস্পতিবারে তাকে বেত্রাঘাত করলেন এবং শুক্রবারে পাথর মেরে হত্যা করলেন। তারপর কেউ তাকে জিজ্ঞাসা করেন কেন তিনি তাকে উভয় শাস্তি দিয়েছেন। তাই তিনি বললেন, আমি তাকে বেত্রাঘাত করছি আল্লাহর কিতাবের আদেশে আর পাথর মারছি আল্লাহর নবীর সুন্নাত অনুসারে। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1249 OK

(১২৪৯)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ فُضَيْلُ بْنُ الْحُسَيْنِ وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ حِسَابٍ قَالَا حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خِيَارُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যারা কুরআন শিখে ও শেখায়, তারাই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। [মুসনাদে আহমাদ : ১২৪৯]


[তিরমিযী-২৯০৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস