
حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ سَمِعَ ابْنَ أُكَيْمَةَ يُحَدِّثُ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةً يَظُنُّ أَنَّهَا الصُّبْحُ فَلَمَّا قَضَى صَلَاتَهُ قَالَ هَلْ قَرَأَ مِنْكُمْ أَحَدٌ قَالَ رَجُلٌ أَنَا قَالَ أَقُولُ مَا لِي أُنَازَعُ الْقُرْآنَ قَالَ مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ فَانْتَهَى النَّاسُ عَنْ الْقِرَاءَةِ فِيمَا يَجْهَرُ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ سُفْيَانُ خَفِيَتْ عَلَيَّ هَذِهِ الْكَلِمَةُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে একটি সালাত আদায় করালেন। আমার বিশ্বাস এটি ছিলো ফজরের সালাত। সালাত শেষ হওয়ার পর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ কি নামাজের মধ্যে কুরআন তেলাওয়াত করেছে?” এক ব্যক্তি বললো, “আমি তেলাওয়াত করেছি।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাই তো আমি ভাবছি, তোমাদের মধ্যে কে আমার সাথে কুরআন নিয়ে তর্ক করছে?” ইমাম যুহরী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, “এরপর থেকে লোকেরা প্রকাশ্য নামাজে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিছনে কুরআন তেলাওয়াত করা বন্ধ করে দেয়।” হাদীসের বর্ণনাকারী সুফিয়ান বলেন, “এই শেষ বাক্যটি আমার কাছে গোপন ছিল (আমি শুনতে পাইনি)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رِوَايَةً أَسْرِعُوا بِجَنَائِزِكُمْ فَإِنْ كَانَ صَالِحًا قَدَّمْتُمُوهُ إِلَيْهِ وَإِنْ كَانَ سِوَى ذَلِكَ فَشَرٌّ تَضَعُونَهُ عَنْ رِقَابِكُمْ وَقَالَ مَرَّةً أُخْرَى يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَسْرِعُوا بِالْجِنَازَةِ فَإِنْ تَكُ صَالِحَةً خَيْرٌ تُقَدِّمُوهَا إِلَيْهِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “জানাজা বহনের সময় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। কারণ মৃত ব্যক্তি যদি ভালো হয়, তাহলে তুমি তাকে কল্যাণের দিকে নিয়ে যাচ্ছো। আর মৃত ব্যক্তি যদি পাপী হয়, তাহলে সে এমন এক মন্দ, যা তুমি তোমার কাঁধ থেকে সরিয়ে ফেলছো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ حَنْظَلَةَ الْأَسْلَمِيِّ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَيُهِلَّنَّ ابْنُ مَرْيَمَ بِفَجِّ الرَّوْحَاءِ حَاجًّا أَوْ مُعْتَمِرًا أَوْ لَيَثْنِيَنَّهُمَا
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যাঁর হাতে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রাণ, তাঁর কসম, এটা নিশ্চিত যে, হযরত ঈসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘ফজরের রুহার’ স্থান থেকে হজ্জ বা ওমরা অথবা উভয়ের জন্যে ইহরাম বাঁধবেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ وَسُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ سَمِعَا أَبَا هُرَيْرَةَ يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى لَا يَصْبُغُونَ فَخَالِفُوهُمْ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ইহুদী ও খৃষ্টানরা মেহেদী দিয়ে চুল রাঙে না, তাই তোমরা তাদের বিরোধিতা করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَعْرَجِ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ إِنَّكُمْ تَزْعُمُونَ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ يُكْثِرُ الْحَدِيثَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاللَّهُ الْمَوْعِدُ إِنِّي كُنْتُ امْرَأً مِسْكِينًا أَلْزَمُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى مِلْءِ بَطْنِي وَكَانَ الْمُهَاجِرُونَ يَشْغَلُهُمْ الصَّفْقُ بِالْأَسْوَاقِ وَكَانَتْ الْأَنْصَارُ يَشْغَلُهُمْ الْقِيَامُ عَلَى أَمْوَالِهِمْ فَحَضَرْتُ مِنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَجْلِسًا فَقَالَ مَنْ يَبْسُطْ رِدَاءَهُ حَتَّى أَقْضِيَ مَقَالَتِي ثُمَّ يَقْبِضْهُ إِلَيْهِ فَلَنْ يَنْسَى شَيْئًا سَمِعَهُ مِنِّي وَبَسَطْتُ بُرْدَةً عَلَيَّ حَتَّى قَضَى حَدِيثَهُ ثُمَّ قَبَضْتُهَا إِلَيَّ فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا نَسِيتُ شَيْئًا بَعْدَ أَنْ سَمِعْتُهُ مِنْهُ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ قَالَ إِنَّ النَّاسَ يَقُولُونَ أَكْثَرَ أَبُو هُرَيْرَةَ وَاللَّهِ لَوْلَا آيَتَانِ فِي كِتَابِ اللَّهِ مَا حَدَّثْتُ حَدِيثًا ثُمَّ يَتْلُو هَاتَيْنِ الْآيَتَيْنِ إِنَّ الَّذِينَ يَكْتُمُونَ مَا أَنْزَلْنَا مِنْ الْبَيِّنَاتِ وَالْهُدَى فَذَكَرَ الْحَدِيثَ حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ وَأَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ إِنَّكُمْ تَقُولُونَ إِنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ يُكْثِرُ فَذَكَرَهُ
হজরত আব্দুর-রহমান আল-আরজ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছিলাম যে, তোমরা বলছো যে, আবূ হুরায়রা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অধিক হাদীস রিওয়ায়াত করছে। আর আল্লাহই তো হিসাব গ্রহণকারী। আমি ছিলাম একজন মিসকীন। আমি সর্বদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সেবায় থাকতাম (খেয়ে না খেয়ে তাঁর সাহচর্যে থাকতাম), যখন মুহাজিরগণ বাজারে ব্যবসায়-বাণিজ্যে মনোনিবেশ করতেন এবং আনসারগণ তাদের ধন-সম্পদের সংরক্ষণ ও হিফাযাতে ব্যতিব্যস্ত থাকতেন। একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমার কথা শেষ হওয়া পর্যন্ত, যে ব্যক্তি তার চাদর প্রসারিত করে, তারপর তা নিজের বুকের সাথে মিলিয়ে নিবে, সে আমার নিকট হতে শোনা কিছুই কোনো দিন ভুলবে না।” তখন আমি আমার চাদর বিছিয়ে দিলাম এবং তিনি হাদীস রিওয়ায়াত করলেন। তারপর আমি ঐ চাদরটা আমার বুকের সাথে মিলিয়ে নিলাম। তখন হতে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছ থেকে যা কিছু শুনেছি, তার কিছুই ভুলে যাইনি।
হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, লোকেরা বলে যে আবু হুরায়রা অনেক হাদিস বর্ণনা করেন। যদি আল্লাহর কিতাবে দুটি আয়াত না থাকতো, তাহলে আমি কখনও একটি হাদিসও বর্ণনা করতাম না। তারপর তিনি এই আয়াত পাঠ করলেন, “যারা আমার নাযিলকৃত স্পষ্ট প্রমাণ এবং হেদায়েত গোপন করে।”
إِنَّ ٱلَّذِينَ يَكۡتُمُونَ مَآ أَنزَلۡنَا مِنَ ٱلۡبَيِّنَٰتِ وَٱلۡهُدَىٰ مِنۢ بَعۡدِ مَا بَيَّنَّٰهُ لِلنَّاسِ فِي ٱلۡكِتَٰبِ أُوْلَٰٓئِكَ يَلۡعَنُهُمُ ٱللَّهُ وَيَلۡعَنُهُمُ ٱللَّٰعِنُونَ١٥٩
নিশ্চয় আমি যে সকল স্পষ্ট নিদর্শন সমূহ ও পথ-নির্দেশ অবতীর্ণ করেছি, মানুষের জন্যে ধর্ম গ্রন্থের মধ্যে এগুলো সুস্পষ্ট ভাবে বর্ণনা করার পরেও, যারা এগুলোকে গোপন করে রাখে, সুতরাং এরাই তারা, যাদের প্রতি আল্লাহর অভিশাপ এবং তাদের প্রতি অন্যান্য অভিশাপকারীদেরও অভিশাপ রয়েছে। (২. আল বাক্বারাহ : ১৫৯)
[মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَقُرِئَ عَلَيْهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا اسْتَأْذَنَ أَحَدَكُمْ جَارُهُ أَنْ يَغْرِزَ خَشَبَةً فِي جِدَارِهِ فَلَا يَمْنَعْهُ فَلَمَّا حَدَّثَهُمْ أَبُو هُرَيْرَةَ طَأْطَئُوا رُءُوسَهُمْ فَقَالَ مَا لِي أَرَاكُمْ مُعْرِضِينَ وَاللَّهِ لَأَرْمِيَنَّ بِهَا بَيْنَ أَكْتَافِكُمْ
হজরত আল-আরাজ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যদি তোমাদের কারো প্রতিবেশী তার দেয়ালে কাঠের কাঠ লাগানোর অনুমতি চায়, তাহলে তাকে নিষেধ করো না। অর্থাৎ, কোনো প্রতিবেশী যেনো তার প্রতিবেশীকে তার দেয়ালে খুঁটি পুততে নিষেধ না করে।” হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন এই হাদিসটি লোকদের সামনে বর্ণনা করলেন, তখন লোকেরা মাথা তুলে তার দিকে তাকালো (যেনো তারা এতে অবাক হয়েছে)। হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু এটা দেখে বললেন, “তোমাদের কী হয়েছে যে, আমি তোমাদেরকে আমাকে সন্দেহ করতে দেখছি? আল্লাহর কসম, আমি ঐ কাঠ দিয়েই তোমাদের কাঁধের মাঝখানে আঘাত করবো। অর্থাৎ, আমি এই হাদীসটি দিয়ে তোমাদের কাঁধের মাঝখানে আঘাত করবো অর্থাৎ, আমি এই হাদীসটি খুব প্রচার করবো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ سُفْيَانُ سَأَلْتُهُ عَنْهُ كَيْفَ الطَّعَامُ أَيْ طَعَامُ الْأَغْنِيَاءِ قَالَ أَخْبَرَنِي الْأَعْرَجُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ شَرُّ الطَّعَامِ الْوَلِيمَةُ يُدْعَى إِلَيْهَا الْأَغْنِيَاءُ وَيُتْرَكُ الْمَسَاكِينُ وَمَنْ لَمْ يَأْتِ الدَّعْوَةَ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সবচেয়ে নিকৃষ্ট খাবার হলো, সেই বিয়ের ভোজের খাবার, যেখানে ধনীদের দাওয়াত করা হয় এবং গরীবদের বাদ দেওয়া হয়। যে ব্যক্তি দাওয়াত পাওয়ার পরেও আসে না, সে আল্লাহ এবং তাঁর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অমান্য করলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ صَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ قَالَ أَبِي سَمِعْتُهُ أَرْبَعَ مَرَّاتٍ مِنْ سُفْيَانَ وَقَالَ مَرَّةً مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَقَالَ مَرَّةً مَنْ قَامَ وَمَنْ قَامَ لَيْلَةَ الْقَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখে, তার অতীতের সকল পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” আমার বাবা বলেন যে, “আমি সুফিয়ানের কাছ থেকে এই হাদিসটি চারবার শুনেছি এবং আরও বলা হয়েছে যে, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াবের নিয়তে কদরের রাতে নামাজে দাঁড়াবে, তার অতীতের সকল পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُرَغِّبُ فِي قِيَامِ يَعْنِي رَمَضَانَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রোজা রাখার প্রতি উৎসাহ দিতে শুনেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رِوَايَةً إِذَا اسْتَيْقَظَ أَحَدُكُمْ مِنْ نَوْمِهِ فَلَا يَغْمِسْ يَدَهُ فِي إِنَائِهِ حَتَّى يَغْسِلَهَا ثَلَاثًا فَإِنَّهُ لَا يَدْرِي أَيْنَ بَاتَتْ يَدُهُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ ঘুম থেকে জেগে ওঠে, তখন সে যেনো তার হাত তিনবার ধৌত না করা পর্যন্ত, তার হাত কোনো পাত্রে না রাখে। কারণ সে জানে না যে, তার হাত সারা রাত কোথায় ছিলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا مَاتَ النَّجَاشِيُّ أَخْبَرَهُمْ أَنَّهُ قَدْ مَاتَ فَاسْتَغْفَرُوا لَهُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
যখন আবিসিনিয়ার বাদশাহ নাজ্জাশী মারা যান, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবীদেরকে তার মৃত্যুর খবর জানান, তাই সাহাবীরা তার জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَنْ أَدْرَكَ مِنْ صَلَاةٍ رَكْعَةً فَقَدْ أَدْرَكَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি যে কোনো নামাযের এক রাকাত নামায পড়লো, সে যেনো পুরো নামায আদায় করলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ سَمِعْتُ الزُّهْرِيَّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ التَّسْبِيحُ لِلرِّجَالِ وَالتَّصْفِيقُ لِلنِّسَاءِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ইমাম নামাযের মধ্যে কোনো কিছু ভুলে গেলে, সুবহানাল্লাহ বলার বিধান হচ্ছে পুরুষ মুসল্লিদের জন্যে। আর হাততালি দেওয়ার বিধান হচ্ছে মহিলা মুসল্লিদের জন্যে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْتِي أَحَدَكُمْ الشَّيْطَانُ وَهُوَ فِي صَلَاتِهِ فَيَلْبِسُ عَلَيْهِ حَتَّى لَا يَدْرِيَ كَمْ صَلَّى فَمَنْ وَجَدَ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا فَلْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ নামাজ পড়ে, তখন শয়তান তার কাছে আসে এবং তাকে ভুল পথে পরিচালিত করে। এমনকি সে কত রাকাত নামাজ পড়েছে, তাও সে মনে রাখতে পারে না। যে ব্যক্তির এই ধরণের সমস্যা হয়, তাকে শেষ বৈঠকে বসে, দুটি সাহু সিজদা করতে হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيْكُمْ بِهَذِهِ الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ فَإِنَّ فِيهَا شِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاءٍ إِلَّا السَّامَ قَالَ سُفْيَانُ السَّامُ الْمَوْتُ وَهِيَ الشُّونِيزُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা এই কালোজিরা ব্যবহার করা বাধ্যতা মূলক করে নাও, কারণ এতে মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের ঔষধ রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ حُرَيْثٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْجَرِّ وَالدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ وَأَمَرَ أَنْ يُنْتَبَذَ فِي الْأَسْقِيَةِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লাউয়ের খোসা ও তৈলাক্ত পাত্র বিশেষে নাবীজ তৈরি করতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু মাটির পাত্রে নাবীজ বানানোর অনুমতি দিয়েছে। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ دَخَلَ عُيَيْنَةُ بْنُ حِصْنٍ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَآهُ يُقَبِّلُ حَسَنًا أَوْ حُسَيْنًا فَقَالَ لَهُ لَا تُقَبِّلْهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَقَدْ وُلِدَ لِي عَشَرَةٌ مَا قَبَّلْتُ أَحَدًا مِنْهُمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ مَنْ لَا يَرْحَمُ لَا يُرْحَمُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার উইয়া বিন হিসন. রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে তাঁকে হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর এক ভাইকে চুম্বন করতে দেখে বললেন, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি ওদের চুমু খাচ্ছেন, অথচো আমার দশটা ছেলে আছে, কিন্তু আমি ওদের কাউকে চুমু খাই না?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “যে অন্যদের প্রতি দয়া করে না, তার প্রতিও দয়া করা হবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ قَالَ رَجُلٌ أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ هَلَكْتُ قَالَ وَمَا أَهْلَكَكَ قَالَ وَقَعْتُ عَلَى امْرَأَتِي فِي رَمَضَانَ فَقَالَ أَتَجِدُ رَقَبَةً قَالَ لَا قَالَ تَسْتَطِيعُ أَنْ تَصُومَ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ قَالَ لَا قَالَ تَسْتَطِيعُ تُطْعِمُ سِتِّينَ مِسْكِينًا قَالَ لَا قَالَ اجْلِسْ فَأُتِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِعَرْقٍ فِيهِ تَمْرٌ وَالْعَرْقُ الْمِكْتَلُ الضَّخْمُ قَالَ تَصَدَّقْ بِهَذَا قَالَ عَلَى أَفْقَرَ مِنَّا مَا بَيْنَ لَابَتَيْهَا أَفْقَرُ مِنَّا قَالَ فَضَحِكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ أَطْعِمْهُ أَهْلَكَ وَقَالَ مَرَّةً فَتَبَسَّمَ حَتَّى بَدَتْ أَنْيَابُهُ وَقَالَ أَطْعِمْهُ عِيَالَكَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি ধ্বংস হয়ে গেছি।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমার কি হয়েছে?” সে বললো, “আমি সায়িম অবস্থায় আমার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়েছি।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আযাদ করার মতো, কোনো ক্রীতদাস তুমি মুক্ত করতে পারবে কি?” সে বললো, “না।” তিনি বললেন, “তুমি কি একাধারে দুই মাস সওম পালন করতে পারবে?” সে বললো, “না।” এরপর তিনি বললেন, “ষাটজন মিসকীন খাওয়াতে পারবে কি?” সে বললো, “না।” রাবী বলেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেমে গেলেন, আমরাও এ অবস্থায় ছিলাম। এ সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে একটি ঝুড়ি পেশ করা হলো, যাতে খেজুর ছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “প্রশ্নকারী কোথায়?” সে বললো, “আমি এখানে, হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!” তিনি বললেন, “এগুলো নিয়ে সদাকাহ করে দাও।” তখন লোকটি বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার চাইতেও বেশি অভাব গ্রস্থকে সদাকাহ করবো? আল্লাহর শপথ, মাদীনার উভয় প্রান্তের মধ্যে আমার পরিবারের চেয়ে অভাব গ্রস্থ কেউ নেই।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হেসে উঠলেন এবং তাঁর দাঁত দেখা গেলো। অতঃপর তিনি বললেন, “এগুলো তোমার পরিবারকেই খাওয়াও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ أَخْبَرَنِي الْعَلَاءُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْقُوبَ الْحُرَقِيِّ فِي بَيْتِهِ عَلَى فِرَاشِهِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَيُّمَا صَلَاةٍ لَا يُقْرَأُ فِيهَا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَهِيَ خِدَاجٌ ثُمَّ هِيَ خِدَاجٌ ثُمَّ هِيَ خِدَاجٌ قَالَ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ وَقَالَ قَبْلَ ذَلِكَ حَبِيبِي عَلَيْهِ الصَّلَاة وَالسَّلَامُ قَالَ فَقَالَ يَا فَارِسِيُّ اقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ قَسَمْتُ الصَّلَاةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي وَقَالَ مَرَّةً لِعَبْدِي مَا سَأَلَ فَإِذَا قَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ قَالَ حَمِدَنِي عَبْدِي فَإِذَا قَالَ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قَالَ مَجَّدَنِي عَبْدِي أَوْ أَثْنَى عَلَيَّ عَبْدِي فَإِذَا قَالَ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ قَالَ فَوَّضَ إِلَيَّ عَبْدِي فَإِذَا قَالَ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ قَالَ فَهَذِهِ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ وَقَالَ مَرَّةً مَا سَأَلَنِي فَيَسْأَلُهُ عَبْدُهُ اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ قَالَ هَذَا لِعَبْدِي لَكَ مَا سَأَلْتَ وَقَالَ مَرَّةً وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَنِي
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোনো সালাত আদায় করে, আর তাতে সূরা ফাতিহা পড়ে না, ঐ সালাত অসম্পূর্ণ, অসম্পূর্ণ, অসম্পূর্ণ।” তখন হিশাম ইবনু যুহরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললো, “হে আবু হুরায়রা! আমি অনেক সময় ইমামের পেছনে সালাত আদায় করে থাকি, তখনও কি আমি তা পাঠ করবো?” তিনি আমার বাহুটান দিয়ে বললেন, হে পারসিক (ইরানী); তুমি তা মনে মনে পড়বে। কেননা, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, “আমি আমার ও আমার বান্দার মধ্যে সালাত আধাআধি ভাগ করেছি। অতএব, এর অর্ধেক আমার জন্য আর অর্ধেক বান্দার জন্যে। আর আমার বান্দার জন্যে তাই রয়েছে, যা সে চায়।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ো।” বান্দা যখন বলে,
ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ ٢
(২) সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে যিনি বিশ্বজগতের প্রভু। (১. আল ফাতিহা : ২)
তখন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করলো। আর যখন বান্দা বলে,
ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ٣
(৩) যিনি অতি দয়াময় ও অতি দয়ালু। (১. আল ফাতিহা : ৩)
তখন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমার বান্দা আমার গুণগান বর্ণনা করলো। আর বান্দা যখন বলে,
مَٰلِكِ يَوۡمِ ٱلدِّينِ ٤
(৪) যিনি বিচার দিনের মালিক। (১. আল ফাতিহা : ৪)
তখন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমার বান্দা আমার মর্যাদা বর্ণনা করলো। আর বান্দা যখন বলে,
إِيَّاكَ نَعۡبُدُ وَإِيَّاكَ نَسۡتَعِينُ ٥
(৫) হে আল্লাহ! আমরা একমাত্র আপনারই উপাসনা করি এবং একমাত্র আপনার কাছেই আমরা সাহায্য প্রার্থনা করি। (১. আল ফাতিহা : ৫)
তখন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, এই আয়াতটি আমার ও আমার বান্দার মধ্যে। আর আমার বান্দার জন্যে তাই রয়েছে, যা সে চায়। আর বান্দা যখন বলে,
ٱهۡدِنَا ٱلصِّرَٰطَ ٱلۡمُسۡتَقِيمَ ٦ صِرَٰطَ ٱلَّذِينَ أَنۡعَمۡتَ عَلَيۡهِمۡ غَيۡرِ ٱلۡمَغۡضُوبِ عَلَيۡهِمۡ وَلَا ٱلضَّآلِّينَ ٧
(৬) আপনি আমাদেরকে সরল-সঠিক পথে পরিচালিত করুন। (৭) আপনি আমাদেরকে তাদের পথে পরিচালিত করুন, যাদের উপরে আপনি অনুগ্রহ দান করেছেন, তাদের পথে নয়, যাদের উপরে আপনার অভিশাপ অবতীর্ণ হয়েছে এবং তাদের পথে নয়, যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে। (১. আল ফাতিহা : ৬-৭)
তখন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, এসবই আমার বান্দার জন্যে। আর আমার বান্দার জন্যে তাই রয়েছে, যা সে চায়। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الْعَلَاءِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ بِرَجُلٍ يَبِيعُ طَعَامًا فَسَأَلَهُ كَيْفَ تَبِيعُ فَأَخْبَرَهُ فَأُوحِيَ إِلَيْهِ أَدْخِلْ يَدَكَ فِيهِ فَأَدْخَلَ يَدَهُ فَإِذَا هُوَ مَبْلُولٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ غَشَّ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, সে গম বিক্রি করছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি কিসের বিনিময়ে গম বিক্রি করছো?” সে দামটা বললো। ঠিক সেই মুহূর্তে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গমের স্তূপে হাত ঢুকিয়ে দেখতে উৎসাহিত হলেন। তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাতে হাত ঢুকিয়ে দিলেন এবং তা ভেজা অবস্থায় বেরিয়ে এলো। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “যে ব্যক্তি প্রতারণা করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ شُعْبَةَ عَنِ الْعَلَاءِ وَابْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سَمِعْتُ الْعَلَاءَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْيَمِينُ الْكَاذِبَةُ مَنْفَقَةٌ لِلسِّلْعَةِ مَمْحَقَةٌ لِلْكَسْبِ وَقَالَ ابْنُ جَعْفَرٍ الْبَرَكَةَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মিথ্যা শপথ করলে মাল বিক্রি হয়, কিন্তু বরকত নষ্ট হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الْعَلَاءِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ يَرْفَعُهُ إِذَا تَثَاءَبَ أَحَدُكُمْ يَضَعُ يَدَهُ عَلَى فِيهِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
যখন তোমাদের কেউ হাই তোলে, তখন সে যেনো তার (বাম) হাত মুখে রাখে। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ عَنْ عِرَاكٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ عَلَى الْمُسْلِمِ فِي فَرَسِهِ وَلَا عَبْدِهِ صَدَقَةٌ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একজন মুসলিমের জন্যে তার ঘোড়া বা দাসের উপর যাকাত ফরজ নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ إِنْ هَمَّ عَبْدِي بِحَسَنَةٍ فَاكْتُبُوهُ فَإِنْ عَمِلَهَا فَاكْتُبُوهَا بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا وَإِنْ هَمَّ بِسَيِّئَةٍ فَلَا تَكْتُبُوهَا فَإِنْ عَمِلَهَا فَاكْتُبُوهَا بِمِثْلِهَا فَإِنْ تَرَكَهَا فَاكْتُبُوهَا حَسَنَةً
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা তাঁর ফেরেশতাদেরকে বলেন, “আমার কোনো বান্দা যদি কোনো নেক আমল করার ইচ্ছা করে, তাহলে তা লিখে রাখো। আর যদি সে তা করে, তাহলে তার দশগুণ বেশি লিখে রাখো। আর যদি সে পাপ করার ইচ্ছা করে, তাহলে তা লেখো না। আর যদি সে পাপ করে, তাহলে কেবল একটি পাপ লিখে রাখো। আর যদি সে তা থেকে বিরত থাকে, তাহলে একটি নেক আমল লিখে রাখো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لَا يَأْتِي النَّذْرُ عَلَى ابْنِ آدَمَ بِشَيْءٍ لَمْ أُقَدِّرْهُ عَلَيْهِ وَلَكِنَّهُ شَيْءٌ أَسْتَخْرِجُ بِهِ مِنْ الْبَخِيلِ يُؤْتِينِي عَلَيْهِ مَا لَا يُؤْتِينِي عَلَى الْبُخْلِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ বলেছেন, “আদম সন্তানের মানত তাকে তা দিতে পারে না, যা আমি ঠিক করিনি, কিন্তু এই মানতের মাধ্যমে আমি একজন কৃপণ থেকে অর্থ আদায় করি এবং সে আমার মানত গ্রহণ করে এবং আমাকে এমন কিছু দেয়, যা সে তার কৃপণ অবস্থায় কখনো দিবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ يَا ابْنَ آدَمَ أَنْفِقْ أُنْفِقْ عَلَيْكَ وَقَالَ يَمِينُ اللَّهِ مَلْأَى سَحَّاءُ لَا يَغِيضُهَا شَيْءٌ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মহান আল্লাহ বলেন, “হে আদম সন্তান! তোমরা খরচ করো, আমি তোমার উপর খরচ করবো।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহর ডান হাত পূর্ণ ও উদার। তাঁর কোনো কিছুর অভাব নেই, এবং তিনি দিনরাত ব্যয় করেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رِوَايَةً قَالَ قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ سَبَقَتْ رَحْمَتِي غَضَبِي
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আল্লাহ তাআলা বলেন, “আমার রহমত আমার ক্রোধের উপর বিজয়ী।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ فَلْيَجْعَلْ فِي أَنْفِهِ ثُمَّ لِيَسْتَنْثِرْ وَقَالَ مَرَّةً لِيَنْثُرْ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন ওযু করবে, তখন সে যেনো তার নাক পরিষ্কার করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلَا رَجُلٌ يَمْنَحُ أَهْلَ بَيْتٍ نَاقَةً تَغْدُو بِعُسٍّ وَتَرُوحُ بِعُسٍّ إِنَّ أَجْرَهَا لَعَظِيمٌ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা মনে রাখবে যে, যদি কোনো ব্যক্তি, একটি পরিবারের কোনো সদস্যকে একটি উট উপহার হিসেবে দান করে, যা সকাল-সন্ধ্যা দুধ দেয়, তার সওয়াব অনেক বড়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৭০০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ وَابْنِ عَجْلَانَ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يُكْلَمُ أَحَدٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِمَنْ يُكْلَمُ فِي سَبِيلِهِ إِلَّا جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَالْجُرْحُ يَثْعَبُ دَمًا اللَّوْنُ لَوْنُ دَمٍ وَالرِّيحُ رِيحُ مِسْكٍ وَأَفْرَدَهُ سُفْيَانُ مَرَّةً عَنْ أَبِي الزِّنَادِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে আহত হয় এবং আল্লাহ জানেন যে, কে তার পথে আহত হয়েছে, সে কিয়ামতের দিন সেভাবেই সতেজ থাকবে, যেমন সে আহত হওয়ার দিনে ছিলো। তার রঙ রক্তের মতো হবে, কিন্তু তার গন্ধ হবে কস্তুরীর মতো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৭০০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস