
حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْغَدِ يَوْمَ النَّحْرِ وَهُوَ بِمِنًى نَحْنُ نَازِلُونَ غَدًا بِخَيْفِ بَنِي كِنَانَةَ حَيْثُ تَقَاسَمُوا عَلَى الْكُفْرِ يَعْنِي بِذَلِكَ الْمُحَصَّبَ وَذَلِكَ أَنَّ قُرَيْشًا وَكِنَانَةَ تَحَالَفَتْ عَلَى بَنِي هَاشِمٍ وَبَنِي الْمُطَّلِبِ أَنْ لَا يُنَاكِحُوهُمْ وَلَا يُبَايِعُوهُمْ حَتَّى يُسْلِمُوا إِلَيْهِمْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরবানীর পরের দিন (১১ই যিলহজ্জ) মিনায় থাকাকালীন বলেছিলেন, “আগামীকাল, আমরা (ইনশাআল্লাহ) খাইফ বনি কিনানা উপত্যকায় তাঁবু স্থাপন করবো, যেখানে কুরাইশরা কুফরী করার শপথ করেছিলো।” এর অর্থ ছিলো মুহাসাব উপত্যকা। প্রকৃতপক্ষে, কুরাইশ এবং বনি কিনানা, বনু হাশিম এবং বনু আব্দুল মুত্তালিবের বিরুদ্ধে একে অপরের সাথে চুক্তি করেছিলো যে, তারা বনু হাশিম ও বনু আব্দুল মুত্তালিবের সাথে কোনো বিয়ের সম্পর্ক করবে না বা তাদের কাছে কোনো কিছু বিক্রি করবে না, যতক্ষণ না, তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাদের কাছে হস্তান্তর করে। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي قُرَّةُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ إِنَّ أَحَبَّ عِبَادِي إِلَيَّ أَعْجَلُهُمْ فِطْرًا
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,“আমার কাছে আমার সবচেয়ে প্রিয় বান্দা হলো সেই ব্যক্তি, যে ব্যক্তি ইফতারের সময় হলেই তাড়াতাড়ি ইফতার করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৪৩]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَبِي وَأَبُو دَاوُدَ قَالَ حَدَّثَنَا حَرْبٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ الْمَعْنَى قَالَ لَمَّا فَتَحَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَكَّةَ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهِمْ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ إِنَّ اللَّهَ حَبَسَ عَنْ مَكَّةَ الْفِيلَ وَسَلَّطَ عَلَيْهَا رَسُولَهُ وَالْمُؤْمِنِينَ وَإِنَّمَا أُحِلَّتْ لِي سَاعَةً مِنْ النَّهَارِ ثُمَّ هِيَ حَرَامٌ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ لَا يُعْضَدُ شَجَرُهَا وَلَا يُنَفَّرُ صَيْدُهَا وَلَا تَحِلُّ لُقَطَتُهَا إِلَّا لِمُنْشِدٍ وَمَنْ قُتِلَ لَهُ قَتِيلٌ فَهُوَ بِخَيْرِ النَّظَرَيْنِ إِمَّا أَنْ يَفْدِيَ وَإِمَّا أَنْ يَقْتُلَ فَقَامَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْيَمَنِ يُقَالُ لَهُ أَبُو شَاهٍ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ اكْتُبُوا لِي فَقَالَ اكْتُبُوا لَهُ فَقَالَ عَمُّ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَّا الْإِذْخِرَ فَإِنَّهُ لِقُبُورِنَا وَبُيُوتِنَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَّا الْإِذْخِرَ فَقُلْتُ لِلْأَوْزَاعِيِّ وَمَا قَوْلُهُ اكْتُبُوا لِأَبِي شَاهٍ وَمَا يَكْتُبُوا لَهُ قَالَ يَقُولُ اكْتُبُوا لَهُ خُطْبَتَهُ الَّتِي سَمِعَهَا قَالَ أَبُو عَبْد الرَّحْمَنِ لَيْسَ يُرْوَى فِي كِتَابَةِ الْحَدِيثِ شَيْءٌ أَصَحُّ مِنْ هَذَا الْحَدِيثِ لِأَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَهُمْ قَالَ اكْتُبُوا لِأَبِي شَاهٍ مَا سَمِعَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خُطْبَتَهُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
যখন আল্লাহ তাআলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে মক্কা বিজয় দান করেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুতবা দিতে দাঁড়ান এবং আল্লাহর প্রশংসা করে বলেন, “আল্লাহ তাআলা মক্কা থেকে হাতিদের সরিয়ে দিয়েছেন এবং তা তাঁর রাসূল এবং মুমিনদের হাতে দিয়েছেন। দিনের এক অংশের জন্যে আমার জন্যে সেখানে যুদ্ধ করা বৈধ করা হয়েছে, এরপর কিয়ামত পর্যন্ত তা নিষিদ্ধ থাকবে। এর গাছ কাটা যাবে না, এর শিকারকে ভয় দেখানো যাবে না এবং এখানে পড়ে থাকা কোনো জিনিস তুলে নেওয়া কারো জন্যে বৈধ নয়, যতক্ষণ না, সে ঘোষণা করে। আর যার প্রিয়জন নিহত হয়েছে তার কাছে দুটি জিনিসের মধ্যে যে কোনো একটির বিকল্প আছে, যেটি সে তার জন্যে ভালো মনে করে, হয় মুক্তিপণ গ্রহণ করো অথবা প্রতিশোধ হিসেবে হত্যাকারীকে হত্যা করো। এই খুতবা শুনে, আবু শাহ নামে ইয়েমেনের এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! দয়া করে আমার জন্যে এই খুতবাটি লিখে দিন।“রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীদেরকে এই খুতবাটি লিখে আবু শাহকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এদিকে হযরত আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুও দাঁড়িয়ে বললেন, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ইখজির নামক ঘাসের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম করুন, কারণ এটি আমাদের কবরস্থান এবং বাড়িতে ব্যবহৃত হয়।” তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন যে, আমি ইমাম আওযাঈ রহমাতুল্লাহি আলাইহি কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, “এটি লিখে আবু শাহকে দিয়ে দাও” এর অর্থ কী? তারা তাকে কী লিখে দিয়েছে? তিনি বললেন, এই বাক্যের অর্থ হলো, আবু শাহ যে খুতবা শুনেছেন, তা লিখে তাকে দেওয়া। এছাড়াও, ইমাম আহমদ রহমাতুল্লাহি আলাইহির পুত্র আবদুল্লাহ বলেন যে, হাদিস লেখার অনুমতি সম্পর্কে এর চেয়ে নির্ভরযোগ্য আর কোনো হাদিস বর্ণিত হয়নি, কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেই সাহাবীদেরকে সেই খুতবা লেখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَائِشَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ حَدَّثَهُمْ أَنَّ أَبَا ذَرٍّ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ذَهَبَ أَصْحَابُ الدُّثُورِ بِالْأُجُورِ يُصَلُّونَ كَمَا نُصَلِّي وَيَصُومُونَ كَمَا نَصُومُ وَلَهُمْ فُضُولُ أَمْوَالٍ يَتَصَدَّقُونَ بِهَا وَلَيْسَ لَنَا مَا نَتَصَدَّقُ بِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَفَلَا أَدُلُّكَ عَلَى كَلِمَاتٍ إِذَا عَمِلْتَ بِهِنَّ أَدْرَكْتَ مَنْ سَبَقَكَ وَلَا يَلْحَقُكَ إِلَّا مَنْ أَخَذَ بِمِثْلِ عَمَلِكَ قَالَ بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ تُكَبِّرُ دُبُرَ كُلِّ صَلَاةٍ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَتُسَبِّحُ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَتَحْمَدُ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَتَخْتِمُهَا بِلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যাদের ধন-সম্পদ আছে তারা তো প্রচুর সওয়াব বহন করে। তারা আমাদের মতো নামাজ পড়ে, আমাদের মতো রোজা রাখে, তাদের অতিরিক্ত সম্পদ আছে, যা তারা দান করে, অথচো আমাদের কাছে তাদের দান করার মতো যথেষ্ট অর্থ নেই। তাহলে আমরা কিভাবে তাদের মতো সওয়াব অর্জন করবো?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি কি তোমাদেরকে এমন কথা বলবো না, যা অনুসারে কাজ করলে, তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তীদের সমান হয়ে যাবে এবং কেউ তোমাদের স্তরে পৌঁছাতে পারবে না? যদি না, কেউ তোমাদের মতো করে আমল শুরু করে।” তারা বললো, “কেনো নয়, হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “প্রত্যেক নামাজের পর ৩৩ বার আল্লাহু আকবর, ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করো এবং শেষে বলো,
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি এক ও অদ্বিতীয়, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজ্য ও প্রশংসা তাঁরই, আর তিনি সবকিছুর উপর পরাক্রমশালী।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَعَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّهُمَا حَدَّثَاهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا قَالَ الْإِمَامُ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ فَقُولُوا آمِينَ فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ يَقُولُونَ آمِينَ وَإِنَّ الْإِمَامَ يَقُولُ آمِينَ فَمَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন ইমাম বলেন, غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ তখন তোমরা آمِينَ আমীন বলো, কারণ যখন ইমাম বলে, তখন ফেরেশতারাও আমীন বলেন। সুতরাং যার আমীন ফেরেশতাদের আমীনের সাথে মিলে যায়, তার অতীতের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللَّهُ يُؤْذِينِي ابْنُ آدَمَ يَسُبُّ الدَّهْرَ وَأَنَا الدَّهْرُ بِيَدِي الْأَمْرُ أُقَلِّبُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন, “আদম সন্তান সময়কে অপমান করে, আমার প্রতি অপবাদ দেয়, অথচো আমিই সময়ের স্রষ্টা, সকল বিষয় আমারই হাতে, আর আমিই দিন ও রাত পরিবর্তনকারী।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ هِشَامٍ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ شِدَّةُ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ فَأَبْرِدُوا بِالصَّلَاةِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “গরমের তীব্রতা জাহান্নামের উত্তাপের প্রভাব, তাই তোমরা শীতল অবস্থায় নামাজ পড়ো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اشْتَكَتْ النَّارُ إِلَى رَبِّهَا فَقَالَتْ أَكَلَ بَعْضِي بَعْضًا فَأَذِنَ لَهَا بِنَفَسَيْنِ نَفَسٌ فِي الشِّتَاءِ وَنَفَسٌ فِي الصَّيْفِ فَأَشَدُّ مَا يَكُونُ مِنْ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একবার জাহান্নামের আগুন তার প্রতিপালকের কাছে অভিযোগ করে বললো যে, ‘আমার এক অংশ অন্য অংশ খেয়ে ফেলছে।’ তাই আল্লাহ তাকে দুই বার শ্বাস নিতে অনুমতি দিলেন, একবার ঠান্ডায় এবং একবার গরমে। সুতরাং, সবচেয়ে তীব্র তাপ হলো, জাহান্নামের তাপের প্রভাব।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَبِعْ أَحَدُكُمْ عَلَى بَيْعِ أَخِيهِ وَلَا يَخْطُبْ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ إِلَّا أَنْ يَأْذَنَ لَهُ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “শহরবাসী গ্রামবাসীর পক্ষ হয়ে বিক্রয় করবে না। আর তোমরা (মূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশে) দালালী করবে না। তোমাদের কেউ যেনো তার ভাইয়ের ক্রয়ের উপরে দাম না বাড়ায় এবং কেউ যেনো তার ভাইয়ের (বিবাহের) প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়। আর কোনো স্ত্রীলোক যেনো তার বোনের (সতীনের) পাত্রের অধিকারী হওয়ার উদ্দেশে, তার তালাকের চেষ্টা না করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى ثَلَاثِ مَسَاجِدَ إِلَى الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَمَسْجِدِي هَذَا وَالْمَسْجِدِ الْأَقْصَى
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তিনটি মসজিদ ছাড়া, অন্য কোনো মসজিদের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তির ভ্রমণ করা উচিত নয়। (১) একটি হলো, মসজিদুল হারাম, (২) দ্বিতীয়ত হলো, আমার এই মসজিদ (মসজিদে নব্বী) এবং (৩) তৃতীয়টি হলো, মসজিদে আল-আকসা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا ابْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ مَالِكٍ عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَأْتُوا الصَّلَاةَ وَأَنْتُمْ تَسْعَوْنَ وَأْتُوهَا وَعَلَيْكُمْ السَّكِينَةُ فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা দৌড়ে নামাজে এসো না, বরং শান্ত ভাবে এসো। যতটা পাও নামাজ পড়ো এবং যা অবশিষ্ট থাকে, তা পরে পূর্ণ করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُصَلِّي أَحَدُنَا فِي ثَوْبٍ قَالَ أَوَلِكُلِّكُمْ ثَوْبَانِ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ أَتَعْرِفُ أَبَا هُرَيْرَةَ يُصَلِّي فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ وَثِيَابُهُ عَلَى الْمِشْجَبِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একদা এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, “আমাদের কেউ কি একটি মাত্র কাপড়ে নামাজ পড়তে পারে?”রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমাদের প্রত্যেকের কাছে কি দুটি করে কাপড় আছে?” এই হাদিসটি বর্ণনা করে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, “আপনি কি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু কে ভালো ভাবে চেনেন? তিনি একটি মাত্র কাপড়ে নামাজ পড়তেন এবং তার কাপড় কাঠের খুঁটিতে ঝুলানো থাকতো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا ابْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ مَالِكٍ عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَأْتُوا الصَّلَاةَ وَأَنْتُمْ تَسْعَوْنَ وَأْتُوهَا وَعَلَيْكُمْ السَّكِينَةُ فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা দৌড়ে নামাজে এসো না, বরং শান্ত ভাবে এসো। যতটা পাও নামাজ পড়ো এবং যা অবশিষ্ট থাকে, তা পরে পূর্ণ করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ يَعْنِي ابْنَ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْقَرَّاظِ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ صَلَاةٌ فِي مَسْجِدِي هَذَا خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ صَلَاةٍ فِيمَا سِوَاهُ إِلَّا الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ
হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মসজিদুল হারাম ব্যতীত, আমার এই মসজিদে নববীতে এক রাকাত নামাজ পড়ার সওয়াব, অন্যান্য মসজিদের তুলনায় এক হাজার নামাজের চেয়েও উত্তম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৫৫]
হাদিসের মান : হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ وَأَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْعَجْمَاءُ جَرْحُهَا جُبَارٌ وَالْمَعْدِنُ جُبَارٌ وَالْبِئْرُ جُبَارٌ وَفِي الرِّكَازِ الْخُمُسُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “পশুর আঘাতে মারা যাওয়া ব্যক্তির রক্ত বৃথা, কূপে পড়ে মারা যাওয়া ব্যক্তির রক্ত বৃথা, খনিতে যে মারা যায় তার রক্তও বৃথা এবং দাফনকৃত সম্পত্তির যদি কারো হাতে পড়ে, তবে তা এক পঞ্চমাংশ (খুমুস) ওয়াজিব।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ دَخَلَ أَعْرَابِيٌّ الْمَسْجِدَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ قَالَ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي وَمُحَمَّدًا وَلَا تَرْحَمْ مَعَنَا أَحَدًا فَالْتَفَتَ إِلَيْهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَقَدْ تَحَجَّرْتَ وَاسِعًا ثُمَّ لَمْ يَلْبَثْ أَنْ بَالَ فِي الْمَسْجِدِ فَأَسْرَعَ النَّاسُ إِلَيْهِ فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا بُعِثْتُمْ مُيَسِّرِينَ وَلَمْ تُبْعَثُوا مُعَسِّرِينَ أَهْرِيقُوا عَلَيْهِ دَلْوًا مِنْ مَاءٍ أَوْ سَجْلًا مِنْ مَاءٍ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার এক গ্রামবাসী মসজিদে নববীতে এসে দুই রাকাত নামাজ পড়লো এবং দুআ করতে লাগলো, “হে আল্লাহ! আমার এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামংর প্রতি দয়া করুন এবং আমাদের সাথে কাউকে এই কাজে শামিল করবেন না।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার দিকে ফিরে বললেন, “তুমি সর্বব্যাপী দুয়াকে একটি সীমিত বিষয়ে আবদ্ধ করেছো।” কিছুক্ষণ পর সেই গ্রামবাসী মসজিদে প্রস্রাব করতে শুরু করলো। এটা দেখে লোকেরা তার দিকে ছুটে গেলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমাকে সহজ করার জন্যে পাঠানো হয়েছেো, কঠিন করার জন্যে নয়। যেখানে সে প্রস্রাব করেছে, সেখানে এক বালতি পানি ঢেলে দাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ قَالَ إِنْ لَمْ أَكُنْ سَمِعْتُهُ مِنْهُ يَعْنِي الزُّهْرِيَّ فَحَدَّثَنِي سُفْيَانُ بْنُ حُسَيْنٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا عَتِيرَةَ فِي الْإِسْلَامِ وَلَا فَرَعَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ইসলামে রজব মাসে কোরবানি করার কোনো ফজিলত নেই। একই ভাবে মূর্তির নামে কোনো পশুর প্রথম জাতকে কোরবানি করার কোনো ফজিলত নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقِيلَ لَهُ مَرَّةً رَفَعْتَهُ فَقَالَ نَعَمْ وَقَالَ مَرَّةً يَبْلُغُ بِهِ يَقُولُونَ الْكَرْمُ وَإِنَّمَا الْكَرْمُ قَلْبُ الْمُؤْمِنِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষ আঙ্গুরকে বরকতময় বলে, কিন্তু প্রকৃত বরকতময় হলো মুমিনের হৃদয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ كَانَ عَلَى كُلِّ بَابٍ مِنْ أَبْوَابِ الْمَسْجِدِ مَلَائِكَةٌ يَكْتُبُونَ الْأَوَّلَ فَالْأَوَّلَ فَإِذَا خَرَجَ الْإِمَامُ طُوِيَتْ الصُّحُفُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন জুমার দিন আসে, তখন ফেরেশতারা মসজিদের প্রতিটি দরজায় এসে প্রথম ও দ্বিতীয় আগমনকারীর সওয়াব লিখে রাখে। আর যখন ইমাম খুতবা দেওয়া শুরু করে, তখন কিতাব ও হিসাব গুটিয়ে নেওয়া হয়। আর ফেরেশতারা খুতবা শুনতে বসে যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْأَغَرِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا كَانَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ وَقَفَتْ الْمَلَائِكَةُ عَلَى أَبْوَابِ الْمَسْجِدِ فَيَكْتُبُونَ الْأَوَّلَ فَالْأَوَّلَ فَمَثَلُ الْمُهَجِّرِ إِلَى الْجُمُعَةِ كَمَثَلِ الَّذِي يُهْدِي بَدَنَةً ثُمَّ كَالَّذِي يُهْدِي بَقَرَةً ثُمَّ كَالَّذِي يُهْدِي كَبْشًا ثُمَّ كَالَّذِي يُهْدِي دَجَاجَةً ثُمَّ كَالَّذِي يُهْدِي بَيْضَةً فَإِذَا خَرَجَ الْإِمَامُ وَقَعَدَ عَلَى الْمِنْبَرِ طَوَوْا صُحُفَهُمْ وَجَلَسُوا يَسْتَمِعُونَ الذِّكْرَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন জুমার দিন আসে, তখন ফেরেশতারা মসজিদের প্রতিটি দরজায় এসে প্রথম ও দ্বিতীয় আগমনকারীর সওয়াব লিখে রাখে। তাই জুমার নামাজে যে ব্যক্তি প্রথমে আসে, সে উট কোরবানির সওয়াব পায়। যে ব্যক্তি দ্বিতীয় স্থানে আসে, সে গরু কোরবানির সোয়াব পায় এবং তৃতীয় স্থানে যে ব্যক্তি আসে, সে মুরগী দান করার সোয়াব পায়। আর এর পর যে ব্যক্তি প্রথমে আসে, সে ডিম দান করার সোয়াব পায়। আর যখন ইমাম খুতবা দেওয়া শুরু করে, তখন কিতাব ও হিসাব গুটিয়ে নেওয়া হয়। আর ফেরেশতারা খুতবা শুনতে বসে যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ لَمَّا رَفَعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأْسَهُ مِنْ الرَّكْعَةِ الْآخِرَةِ مِنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ قَالَ اللَّهُمَّ أَنْجِ الْوَلِيدَ بْنَ الْوَلِيدِ وَسَلَمَةَ بْنَ هِشَامٍ وَعَيَّاشَ بْنَ أَبِي رَبِيعَةَ وَالْمُسْتَضْعَفِينَ بِمَكَّةَ اللَّهُمَّ اشْدُدْ وَطْأَتَكَ عَلَى مُضَرَ وَاجْعَلْهَا عَلَيْهِمْ سِنِينَ كَسِنِي يُوسُفَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ফজরের দ্বিতীয় রাকাত থেকে মাথা তুলতেন, তখন এই দোয়া করতেন, “হে আল্লাহ! ওয়ালিদ বিন ওয়ালিদ, সালামা বিন হিশাম, আইয়াশ বিন আবি রাবিয়াহ এবং মক্কার অন্যান্য দুর্বল লোকদের কুরাইশদের অত্যাচার থেকে মুক্তি দান করুন। হে আল্লাহ! মুযার গোত্রের উপর দৃঢ় আধিপত্য বিস্তার করুন এবং তাদের উপর হযরত ইউসুফ আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ের মতো দুর্ভিক্ষ চাপিয়ে দিন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ مَعْمَرٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَمْسٌ مِنْ الْفِطْرَةِ قَصُّ الشَّارِبِ وَتَقْلِيمُ الْأَظْفَارِ وَنَتْفُ الْإِبْطِ وَالِاسْتِحْدَادُ وَالْخِتَانُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “পাঁচটি জিনিস প্রকৃতির অংশ। (১) গোঁফ ছাঁটা (২) নখ কাটা (৩) বগলের লোম উপড়ে ফেলা (৪) যৌনাঙ্গের লোম পরিষ্কার করা (৫) খৎনা করা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَوْ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَحَدِهِمَا أَوْ كِلَيْهِمَا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “শয্যাশায়ী ব্যক্তির জন্যে শিশু আর ব্যভিচারী ব্যক্তির জন্যে পাথর রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تُقَاتِلُوا قَوْمًا كَأَنَّ وُجُوهَهُمْ الْمَجَانُّ الْمُطْرَقَةُ نِعَالُهُمْ الشَّعْرُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামত ততক্ষণ পর্যন্ত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না, তোমরা এমন এক জাতির সাথে যুদ্ধ করবে, যাদের মুখমণ্ডল হবে ধনুকের মতো চ্যাপ্টা এবং জুতা হবে লোমের তৈরি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَجُلًا مِنْ بَنِي فَزَارَةَ أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ إِنَّ امْرَأَتَهُ وَلَدَتْ غُلَامًا أَسْوَدَ وَكَأَنَّهُ يُعَرِّضُ أَنْ يَنْتَفِيَ مِنْهُ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلَكَ إِبِلٌ قَالَ نَعَمْ قَالَ مَا أَلْوَانُهَا قَالَ حُمْرٌ قَالَ فِيهَا ذَوْدٌ أَوْرَقُ قَالَ نَعَمْ فِيهَا ذَوْدٌ أَوْرَقُ قَالَ وَمِمَّا ذَاكَ قَالَ لَعَلَّهُ نَزَعَهُ عِرْقٌ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهَذَا لَعَلَّهُ يَكُونُ نَزَعَهُ عِرْقٌ حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ أَعْرَابِيًّا مِنْ بَنِي فَزَارَةَ صَاحَ بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّ امْرَأَتِي وَلَدَتْ غُلَامًا أَسْوَدَ فَذَكَرَ مَعْنَاهُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
বনু ফাযারার এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার স্ত্রী একটি কালো ছেলের জন্ম দিয়েছে।” আসলে সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে একটি অনুরোধ পেশ করতে চেয়েছিলো যে, এই সন্তানের বংশধর তার নিজের নয়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমার কি কোনো উট আছে?” সে বললো, “হ্যাঁ!” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন, “তাদের গায়ের রং কেমন?” সে বললো, “লাল।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন, “তাদের মধ্যে কি কোনো ধূসর উট আছে?” সে বললো, “হ্যাঁ! এর মধ্যে একটি ধূসর রঙের উটও রয়েছে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “লাল উটের মধ্যে ধূসর রঙের উট কীভাবে এলো?” সে বললো, “হয়তো কোনো শিরা এ রং টেনেছে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তাহলে এই শিশুটির ব্যাপারেও এটা বুঝে নাও। হয়তো কোনো শিরা এ রং টেনেছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَمُوتُ لِمُسْلِمٍ ثَلَاثَةٌ مِنْ الْوَلَدِ فَيَلِجَ النَّارَ إِلَّا تَحِلَّةَ الْقَسَمِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে মুসলমানের তিনটি সন্তান মারা গেছে সে জাহান্নামে যাবে না, তবে তাকে তার শপথ পূরণের জন্যে জাহান্নামে যেতে হবে।”
[টীকাঃ সে চিরকাল জাহান্নামে থাকবে না। কারণ আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “তোমাদের প্রত্যেকেই জাহান্নামে প্রবেশ করবে।” وَإِن مِّنكُمۡ إِلَّا وَارِدُهَاۚ كَانَ عَلَىٰ رَبِّكَ حَتۡمٗا مَّقۡضِيّٗا٧١
তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যে এই দোযখের উপরে অবস্থিত পুলসিরাত অতিক্রম করবে না। এটি হচ্ছে আপনার প্রভুর এক অনিবার্য সিদ্ধান্ত। (১৯. মারইয়াম : ৭১)] [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جُعِلَتْ لِي الْأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا قَالَ سُفْيَانُ أُرَاهُ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ
ইমাম যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমার জন্যে পৃথিবীকে মসজিদ ও পবিত্র স্থান ঘোষণা করা হয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رِوَايَةً أَسْرِعُوا بِجَنَائِزِكُمْ فَإِنْ كَانَ صَالِحًا قَدَّمْتُمُوهُ إِلَيْهِ وَإِنْ كَانَ سِوَى ذَلِكَ فَشَرٌّ تَضَعُونَهُ عَنْ رِقَابِكُمْ وَقَالَ مَرَّةً أُخْرَى يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَسْرِعُوا بِالْجِنَازَةِ فَإِنْ تَكُ صَالِحَةً خَيْرٌ تُقَدِّمُوهَا إِلَيْهِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “জানাজা বহনের সময় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। কারণ মৃত ব্যক্তি যদি ভালো হয়, তাহলে তুমি তাকে কল্যাণের দিকে নিয়ে যাচ্ছো। আর মৃত ব্যক্তি যদি পাপী হয়, তাহলে সে এমন এক মন্দ, যা তুমি তোমার কাঁধ থেকে সরিয়ে ফেলছো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا هَلَكَ كِسْرَى فَلَا كِسْرَى بَعْدَهُ وَإِذَا هَلَكَ قَيْصَرُ فَلَا قَيْصَرَ بَعْدَهُ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَتُنْفِقُنَّ كُنُوزَهُمَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন খসরু নিহত হবে, তখন তার পরে আর কোনো খসরু হবে না, এবং যখন কায়সার নিহত হবে, তখন তার পরে আর কোনো কায়সার হবে না। যার হাতে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রাণ, সেই সত্তার শপথ, তোমরা অবশ্যই তাদের উভয়ের ধন-সম্পদ আল্লাহর পথে ব্যয় করবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُوشِكُ أَنْ يَنْزِلَ فِيكُمْ ابْنُ مَرْيَمَ حَكَمًا مُقْسِطًا يَكْسِرُ الصَّلِيبَ وَيَقْتُلُ الْخِنْزِيرَ وَيَضَعُ الْجِزْيَةَ وَيَفِيضُ الْمَالُ حَتَّى لَا يَقْبَلَهُ أَحَدٌ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “শীঘ্রই ঈসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদের মধ্যে একজন ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে অবতীর্ণ করবেন। তিনি ক্রুশ ভেঙে ফেলবেন, শূকর হত্যা করবেন, জিজিয়া বন্ধ করবেন এবং সম্পদ পানির মতো ব্যয় করবেন, এমনকি তা গ্রহণ করার মতো কেউ থাকবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস