
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا انْتَعَلَ أَحَدُكُمْ فَلْيَبْدَأْ بِيَمِينِهِ وَإِذَا خَلَعَ فَلْيَبْدَأْ بِشِمَالِهِ وَقَالَ انْعَلْهُمَا جَمِيعًا
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন জুতা পরে, তখন সে যেনো তার ডান পা দিয়ে শুরু করে এবং যখন সে জুতা খুলে ফেলে, তখন সে যেনো প্রথমে তার বাম পা থেকে খুলে ফেলে।” তিনি আরও বলেন, “উভয় জুতাই পরো।” (এমন কাজ করো না যাতে, এক পায়ে জুতা থাকে এবং অন্য পায়ে জুতা না থাকে। যেমন কিছু লোক এমন করতো।) [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ عَنْ يُونُسَ عَنِ الْحَسَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَوْصَانِي خَلِيلِي بِثَلَاثٍ قَالَ هُشَيْمٌ فَلَا أَدَعُهُنَّ حَتَّى أَمُوتَ بِالْوِتْرِ قَبْلَ النَّوْمِ وَصِيَامِ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ وَالْغُسْلِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আমার বন্ধু, আল্লাহর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে তিনটি জিনিস করার উপদেশ দিয়েছেন (আমি মৃত্যু পর্যন্ত এগুলো ত্যাগ করবো না)। (১) ঘুমানোর আগে বিতরের নামায পড়া, (২) প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা, এবং (৩) শুক্রবারে গোসল করা। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ كُلُّ مَوْلُودٍ يُولَدُ عَلَى الْفِطْرَةِ فَأَبَوَاهُ يُهَوِّدَانِهِ وَيُنَصِّرَانِهِ أَوْ يُمَجِّسَانِهِ كَمَا تُنْتَجُ الْبَهِيمَةُ بَهِيمَةً هَلْ تُحِسُّونَ فِيهَا مِنْ جَدْعَاءَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রত্যেক শিশুই উত্তম স্বভাব নিয়ে (ইসলামের উপর) জন্মগ্রহণ করে। তারপর তার পিতামাতা তাকে ইহুদী, খ্রিস্টান অথবা মাজুস বানায়। এর উদাহরণ হলো, কোনো স্থানে জন্ম নেওয়া কোনো পশুর মতো। তুমি কি এতে কোনো ক্ষতি দেখতে পাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ مَوْلُودٍ يُولَدُ إِلَّا نَخَسَهُ الشَّيْطَانُ فَيَسْتَهِلُّ صَارِخًا مِنْ نَخْسَةِ الشَّيْطَانِ إِلَّا ابْنَ مَرْيَمَ وَأُمَّهُ ثُمَّ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ اقْرَءُوا إِنْ شِئْتُمْ إِنِّي أُعِيذُهَا بِكَ وَذُرِّيَّتَهَا مِنْ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রত্যেক নবজাতক শিশুকে শয়তান যন্ত্রণা দেয়, যার ফলে সে কাঁদে। কিন্তু হযরত ঈসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর মা হযরত মারইয়াম আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে এমনটি ঘটেনি।” এরপর হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “যদি তুমি চাও, তাহলে এর সমর্থনে এই আয়াতটি পাঠ করো,”
فَلَمَّا وَضَعَتۡهَا قَالَتۡ رَبِّ إِنِّي وَضَعۡتُهَآ أُنثَىٰ وَٱللَّهُ أَعۡلَمُ بِمَا وَضَعَتۡ وَلَيۡسَ ٱلذَّكَرُ كَٱلۡأُنثَىٰۖ وَإِنِّي سَمَّيۡتُهَا مَرۡيَمَ وَإِنِّيٓ أُعِيذُهَا بِكَ وَذُرِّيَّتَهَا مِنَ ٱلشَّيۡطَٰنِ ٱلرَّجِيمِ٣٦
তারপর যখন ইমরানের স্ত্রী মারইয়ামকে প্রসব করলো, সে বললো, “হে আমার প্রভু! নিশ্চয় আমি তাকে প্রসব করলাম সে তো দেখি একটি কন্যা!” আর আল্লাহ তা ভালো জানেন, যা সে প্রসব করেছে। ইমরানের স্ত্রী বললো, “ছেলে তো কখনোই মেয়ের মতো নয়। নিশ্চয় আমি তার নাম রাখলাম মারইয়াম। আমি তাকে ও তার সন্তান সমূহকে বিতাড়িত শয়তানের ধোকা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যে তোমার কাছে আশ্রয়ে রাখছি।” (৩. আল ইমরান : ৩৬) [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ رُؤْيَا الْمُؤْمِنِ جُزْءٌ مِنْ سِتَّةٍ وَأَرْبَعِينَ جُزْءًا مِنْ النُّبُوَّةِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মুমিনের সত্য স্বপ্ন নবুয়তের ছেচল্লিশতম (৪৬) অংশের এক ভাগ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا هَلَكَ كِسْرَى فَلَا كِسْرَى بَعْدَهُ وَإِذَا هَلَكَ قَيْصَرُ فَلَا قَيْصَرَ بَعْدَهُ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَتُنْفِقُنَّ كُنُوزَهُمَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন খসরু নিহত হবে, তখন তার পরে আর কোনো খসরু হবে না, এবং যখন কায়সার নিহত হবে, তখন তার পরে আর কোনো কায়সার হবে না। যার হাতে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রাণ, সেই সত্তার শপথ, তোমরা অবশ্যই তাদের উভয়ের ধন-সম্পদ আল্লাহর পথে ব্যয় করবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ تَفْضُلُ الصَّلَاةُ فِي الْجَمِيعِ عَلَى صَلَاةِ الرَّجُلِ وَحْدَهُ خَمْسًا وَعِشْرِينَ وَيَجْتَمِعُ مَلَائِكَةُ اللَّيْلِ وَمَلَائِكَةُ النَّهَارِ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ ثُمَّ يَقُولُ أَبُو هُرَيْرَةَ اقْرَءُوا إِنْ شِئْتُمْ وَقُرْآنَ الْفَجْرِ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একাকী নামাজ পড়ার চেয়ে জামাতের সাথে নামাজ আদায় করার ফজিলত পঁচিশ গুণ বেশি উত্তম। আর রাত ও দিনের ফেরেশতারা ফজরের নামাজের সময় একত্রিত হন।” এরপর হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “যদি তুমি চাও, তাহলে এর সমর্থনে এই আয়াতটি পাঠ করো,”
أَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ لِدُلُوكِ ٱلشَّمۡسِ إِلَىٰ غَسَقِ ٱلَّيۡلِ وَقُرۡءَانَ ٱلۡفَجۡرِۖ إِنَّ قُرۡءَانَ ٱلۡفَجۡرِ كَانَ مَشۡهُودٗا٧٨
হে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সূর্য হেলে পড়ার সময় থেকে রাতের অন্ধকার পর্যন্ত যোহর, আছর, মাগরীব ও এশার নামায প্রতিষ্ঠিত করুন। আর ফজরের সময় কুরআন পাঠও প্রতিষ্ঠিত করুন। নিশ্চয় ফজরের কুরআন পাঠের সময় মানুষ ও ফেরেশতারা উপস্থিত হয়। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ৭৮) [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَقَارَبُ الزَّمَانُ وَيُلْقَى الشُّحُّ وَتَظْهَرُ الْفِتَنُ وَيَكْثُرُ الْهَرْجُ قَالَ قَالُوا أَيُّمَا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ الْقَتْلُ الْقَتْلُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “শীঘ্রই এমন এক সময় আসবে, যখন মানুষের অন্তরে লোভ ও কৃপণতা ঢেলে দেওয়া হবে। ফিতনা দেখা দিবে এবং প্রচুর বিশৃঙ্খলা (হারজ) দেখা দিবে।” সাহাবাগণ রাদিয়াল্লাহু আনহুম জিজ্ঞাসা করলেন, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! হারজ বলতে কী বোঝায়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হারজ হলো হত্যা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَعَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّهُمَا حَدَّثَاهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا قَالَ الْإِمَامُ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ فَقُولُوا آمِينَ فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ يَقُولُونَ آمِينَ وَإِنَّ الْإِمَامَ يَقُولُ آمِينَ فَمَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন ইমাম বলেন, غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ তখন তোমরা آمِينَ আমীন বলো, কারণ যখন ইমাম বলে, তখন ফেরেশতারাও আমীন বলেন। সুতরাং যার আমীন ফেরেশতাদের আমীনের সাথে মিলে যায়, তার অতীতের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنِي سَالِمٌ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ تَبِعَ جَنَازَةً حَتَّى يُصَلِّيَ عَلَيْهَا فَإِنَّ لَهُ قِيرَاطًا فَسُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْقِيرَاطِ فَقَالَ مِثْلُ أُحُدٍ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি জানাজার সঙ্গে যাবে এবং জানাযার সালাত আদায় করবে, সে এক কিরাত সমান সওয়াব পাবে। আর দাফনে অংশ নিলে, সে দুই কিরাত সমান সওয়াব পাবেন। প্রতিটি কিরাত হবে উহুদ পাহাড়ের চেয়েও বড়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَجُلًا مِنْ بَنِي فَزَارَةَ أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ إِنَّ امْرَأَتَهُ وَلَدَتْ غُلَامًا أَسْوَدَ وَكَأَنَّهُ يُعَرِّضُ أَنْ يَنْتَفِيَ مِنْهُ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلَكَ إِبِلٌ قَالَ نَعَمْ قَالَ مَا أَلْوَانُهَا قَالَ حُمْرٌ قَالَ فِيهَا ذَوْدٌ أَوْرَقُ قَالَ نَعَمْ فِيهَا ذَوْدٌ أَوْرَقُ قَالَ وَمِمَّا ذَاكَ قَالَ لَعَلَّهُ نَزَعَهُ عِرْقٌ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهَذَا لَعَلَّهُ يَكُونُ نَزَعَهُ عِرْقٌ حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ أَعْرَابِيًّا مِنْ بَنِي فَزَارَةَ صَاحَ بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّ امْرَأَتِي وَلَدَتْ غُلَامًا أَسْوَدَ فَذَكَرَ مَعْنَاهُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
বনু ফাযারার এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার স্ত্রী একটি কালো ছেলের জন্ম দিয়েছে।” আসলে সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে একটি অনুরোধ পেশ করতে চেয়েছিলো যে, এই সন্তানের বংশধর তার নিজের নয়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমার কি কোনো উট আছে?” সে বললো, “হ্যাঁ!” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন, “তাদের গায়ের রং কেমন?” সে বললো, “লাল।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন, “তাদের মধ্যে কি কোনো ধূসর উট আছে?” সে বললো, “হ্যাঁ! এর মধ্যে একটি ধূসর রঙের উটও রয়েছে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “লাল উটের মধ্যে ধূসর রঙের উট কীভাবে এলো?” সে বললো, “হয়তো কোনো শিরা এ রং টেনেছে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তাহলে এই শিশুটির ব্যাপারেও এটা বুঝে নাও। হয়তো কোনো শিরা এ রং টেনেছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى ثَلَاثِ مَسَاجِدَ إِلَى الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَمَسْجِدِي هَذَا وَالْمَسْجِدِ الْأَقْصَى
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তিনটি মসজিদ ছাড়া, অন্য কোনো মসজিদের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তির ভ্রমণ করা উচিত নয়। (১) একটি হলো, মসজিদুল হারাম, (২) দ্বিতীয়ত হলো, আমার এই মসজিদ (মসজিদে নব্বী) এবং (৩) তৃতীয়টি হলো, মসজিদে আল-আকসা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَثَلُ الْمُؤْمِنِ مَثَلُ الزَّرْعِ لَا تَزَالُ الرِّيحُ تُمِيلُهُ وَلَا يَزَالُ الْمُؤْمِنُ يُصِيبُهُ الْبَلَاءُ وَمَثَلُ الْمُنَافِقِ كَشَجَرَةِ الْأَرْزَةِ لَا تَهْتَزُّ حَتَّى تُسْتَحْصَدَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একজন মুসলিমের উদাহরণ হলো, একটি ক্ষেতের মতো; যেখানে বাতাস সর্বদা প্রবাহিত হয় এবং এটিকে কাঁপিয়ে দেয়। ফলে একজন মুসলিম সর্বদা বিপদে পড়ে। আর মুনাফিকের উদাহরণ হলো, একটি তেঁতুল গাছের মতো, যা নিজে থেকে নড়ে না বরং একে উপড়ে ফেলা হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَتْرُكُونَ الْمَدِينَةَ عَلَى خَيْرِ مَا كَانَتْ عَلَيْهِ لَا يَغْشَاهَا إِلَّا الْعَوَافِي قَالَ يُرِيدُ عَوَافِيَ السِّبَاعِ وَالطَّيْرِ وَآخِرُ مَنْ يُحْشَرُ رَاعِيَانِ مِنْ مُزَيْنَةَ يَنْعِقَانِ لِغَنَمِهِمَا فَيَجِدَاهَا وُحُوشًا حَتَّى إِذَا بَلَغَا ثَنِيَّةَ الْوَدَاعِ حُشِرَا عَلَى وُجُوهِهِمَا أَوْ خَرَّا عَلَى وُجُوهِهِمَا
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষ মদীনা ছেড়ে চলে যাবে, যদিও এটি তার সর্বোত্তম অবস্থায় থাকবে। আর সেখানে কেবল মাত্র হিংস্র জন্তু ও পাখিরাই থাকবে। অবশেষে, মুযাইনা গোত্রের দুজন রাখাল মাদীনার উদ্দেশ্যে রওনা হবে, উচ্চস্বরে নিজেদের মেষপাল হাঁকিয়ে নিতে। কিন্তু যখন তারা সেখানে যাবে, তখন তারা সেখানে হিংস্র প্রাণীতে ভর্তি দেখতে পাবে। যতক্ষণ না, তারা সানিয়্যাতুল বিদা উপত্যকা পর্যন্ত পৌঁছাবে, তখন তারা মুখ থুবড়ে পড়ে যাবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

قَالَ مَنْ يُرِدْ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهُّ فِي الدِّينِ وَإِنَّمَا أَنَا قَاسِمٌ وَيُعْطِي اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ
হজরত আবু হারি আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মহান আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের বুঝ দান করেন। আমিই তো কেবল মাত্র জ্ঞান বিতরণকারী, আর আল্লাহ তায়ালা হচ্ছেন হেদায়ত দানকারী।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ الْقُرْدُوسِيُّ وَيَزِيدُ بْنُ هَارُونَ قَالَ أَخْبَرَنَا هِشَامٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا وَالصَّوْمُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ يَذَرُ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ بِجَرَّايَ قَالَ يَزِيدُ مِنْ أَجْلِي الصَّوْمُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ وَلَخُلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ عِنْدَ اللَّهِ أَطْيَبُ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একটি নেক কাজের প্রতিদান দশগুণ দেওয়া হয়। কেবল মাত্র রোজা ব্যতীত, কেননা আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘রোজা আমার জন্যে এবং আমি নিজেই এর প্রতিদান দিবো।’ রোজাদারের মুখের সুগন্ধ আল্লাহর কাছে কস্তুরীর সুগন্ধের চেয়েও প্রিয়ো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا يَحْيَى حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ ذَكْوَانَ عَنْ أَبِي رَجَاءٍ حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنْ هَمَّ بِحَسَنَةٍ فَعَمِلَهَا كُتِبَتْ عَشْرًا وَإِنْ لَمْ يَعْمَلْهَا كُتِبَتْ حَسَنَةً وَإِنْ هَمَّ بِسَيِّئَةٍ فَعَمِلَهَا كُتِبَتْ سَيِّئَةً وَإِنْ لَمْ يَعْمَلْهَا كُتِبَتْ حَسَنَةً
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি একটি ভালো কাজ করার নিয়ত করে এবং ঐ কাজটি করে, তবে তার জন্য দশটি নেক আমলের সওয়াব লিপিবদ্ধ করা হয়। অথবা সাতশত গুন বা তার চেয়েও বেশি সওয়াব লিপিবদ্ধ করা হয়। যদি সে ঐ কাজটি না করে, তবে শুধুমাত্র নিয়তের উপরই একটি নেক কাজের সওয়াব লেখা হয়। আর কেউ যদি কোনো পাপ কাজ করার নিয়ত করে এবং তা করে, তবে তার জন্য একটি গুনাহ লেখা হয়। আর যদি সে তা না করে, তবে তার জন্য একটি নেকী লেখা হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ حَدَّثَنَا خَالِدٌ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فُقِدَتْ أُمَّةٌ مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ لَمْ يُدْرَ مَا فَعَلَتْ وَإِنِّي لَا أُرَاهَا إِلَّا الْفَأْرَ أَلَا تَرَوْنَهَا إِذَا وُضِعَ لَهَا أَلْبَانُ الْإِبِلِ لَا تَشْرَبُ وَإِذَا وُضِعَ لَهَا أَلْبَانُ الشَّاءِ شَرِبَتْهُ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ حَدَّثْتُ بِهَذَا الْحَدِيثِ كَعْبًا فَقَالَ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ نَعَمْ فَقَالَ لِي ذَلِكَ مِرَارًا فَقُلْتُ أَتَقْرَأُ التَّوْرَاةَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “বনী ইসরাঈলের একদল লোক নিখোঁজ হয়েছিলো। কেউ জানেনা তাদের কী হলো আর আমি তাদেরকে ইঁদুর বলেই মনে করি। কেননা তাদের সামনে যখন উটের দুধ রাখা হয়, তারা তা পান করে না। আর যখন তাদের সামনে ছাগলের দুধরাখা হয়, তখন তারা তা পান করে।” আমি এই হাদিসটি কাব আল-আহবার রাদিয়াল্লাহু আনহু কে (যিনি একজন ইহুদি পণ্ডিত ছিলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন) বর্ণনা করেছিলাম। সে আমাকে জিজ্ঞেস করলো, “তুমি কি এই হাদিসটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে নিজে শুনেছো?” আমি হ্যাঁ উত্তর দিলাম। অতঃপর সে কয়েকবার আমাকে এ কথাটি জিজ্ঞেস করলো। তখন আমি বললাম, “আমি কি তাওরাত কিতাব পড়েছি?” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৮৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ الْهَيْثَمِ بْنِ قَطَنٍ وَهُوَ أَبُو قَطَنٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنِ الْحَسَنِ عَنْ أَبِي رَافِعٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَبُو قَطَنٍ قَالَ فِي الْكِتَابِ مَرْفُوعٌ إِذَا جَلَسَ بَيْنَ شُعَبِهَا الْأَرْبَعِ ثُمَّ جَهَدَهَا فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
যখন কোনো পুরুষ তার স্ত্রীর চার কোণের মাঝখানে বসে, সহবাস করার চেষ্টা করে, তখন তার উপর গোসল ফরজ হয়ে যায়। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ الْهَيْثَمِ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ عَجْلَانَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنِّي أَنْظُرُ أَوْ إِنِّي لَأَنْظُرُ مَا وَرَائِي كَمَا أَنْظُرُ إِلَى مَا بَيْنَ يَدَيَّ فَسَوُّوا صُفُوفَكُمْ وَأَحْسِنُوا رُكُوعَكُمْ وَسُجُودَكُمْ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি আমার পিছনেও ঠিক তেমনই দেখতে পাই, যেমন আমি আমার সামনে দেখি। তাই তোমরা তোমাদের নামাযের কাতার সোজা রাখো এবং তোমরা রুকু ও সিজদা ভালো ভাবে করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ الْهَيْثَمِ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَقَدَّمُوا بَيْنَ يَدَيْ رَمَضَانَ بِيَوْمٍ وَلَا يَوْمَيْنِ إِلَّا رَجُلًا كَانَ يَصُومُ صَوْمًا فَلْيَصُمْهُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “রমজানের এক বা দুই দিন আগে রোজা রাখবে না, তবে যে ব্যক্তি আগে থেকেই রোজা রাখার অভ্যাস আছে, তার জন্যে রোজা রাখা জায়েজ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنِ ابْنِ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِحْدَى صَلَاتَيْ الْعَشِيِّ قَالَ ذَكَرَهَا أَبُو هُرَيْرَةَ وَنَسِيَهَا مُحَمَّدٌ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ وَأَتَى خَشَبَةً مَعْرُوضَةً فِي الْمَسْجِدِ فَقَالَ بِيَدِهِ عَلَيْهَا كَأَنَّهُ غَضْبَانُ وَخَرَجَتْ السَّرَعَانُ مِنْ أَبْوَابِ الْمَسْجِدِ قَالُوا قُصِرَتْ الصَّلَاةُ قَالَ وَفِي الْقَوْمِ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ فَهَابَاهُ أَنْ يُكَلِّمَاهُ وَفِي الْقَوْمِ رَجُلٌ فِي يَدَيْهِ طُولٌ يُسَمَّى ذَا الْيَدَيْنِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنَسِيتَ أَمْ قُصِرَتْ الصَّلَاةُ فَقَالَ لَمْ أَنْسَ وَلَمْ تُقْصَرْ الصَّلَاةُ قَالَ كَمَا يَقُولُ ذُو الْيَدَيْنِ قَالُوا نَعَمْ فَجَاءَ فَصَلَّى الَّذِي تَرَكَ ثُمَّ سَلَّمَ ثُمَّ كَبَّرَ فَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ أَوْ أَطْوَلَ ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ وَكَبَّرَ قَالَ فَكَانَ مُحَمَّدٌ يُسْأَلُ ثُمَّ سَلَّمَ فَيَقُولُ نُبِّئْتُ أَنَّ عِمْرَانَ بْنَ حُصَيْنٍ قَالَ ثُمَّ سَلَّمَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই রাতের নামাযের একটি পড়াচ্ছিলেন। (যার নাম হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু উল্লেখ করেছিলেন, কিন্তু বর্ণনাকারী ভুলে গিয়েছেন। সম্ভবত মাগরিব অথবা এশা) এবং দুই রাকাত নামায পড়ার পর তিনি সালাম দিলেন এবং তারপর মসজিদের প্রশস্ত কাণ্ডের কাছে গেলেন এবং হাত দিয়ে এমনভাবে ইশারা করলেন যেনো তিনি রাগান্বিত। কিছু লোক তাড়াহুড়ো করে মসজিদ থেকে বেরিয়ে এসে বললো যে, “নামাযের রাকাত কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।” সেই সময় হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং হযরত ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহুও লোকদের মধ্যে ছিলেন, কিন্তু তারা এই বিষয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে কথা বলতে ভয় পেয়েছিলেন। তাদের মধ্যে আরেকজন ব্যক্তি ছিলো, যার হাত একটু লম্বা ছিলো এবং সেই কারণেই তাকে যুল-উদায়ন বলা হতো। সে বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কি ভুলে গেছেন, নাকি নামাযের রাকাতের সংখ্যা কমে গেছে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি ভুলে গেছি, আর নামাযের রাকাতও কমানো হয়নি।” তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবীদের জিজ্ঞাসা করলেন, “যুল-ইদাইন কি ঠিক বলছে?” সাহাবীগণ তাকে সমর্থন করলেন, তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফিরে এসে তাঁর বাদ পড়া রাকআত গুলো আদায় করলেন, এবং সালাম ফিরিয়ে আল্লাহু আকবার বললেন এবং নামাযের সিজদার মতো অথবা তার চেয়ে একটু লম্বা সিজদা করলেন। তারপর মাথা তুলে তাকবীর বললেন (এবং বসলেন)। তারপর তিনি আবার তাকবীর বললেন এবং দ্বিতীয় সিজদা করলেন, যা প্রথম সিজদার মতো অথবা তার চেয়ে একটু লম্বা ছিলো, তারপর সিজদা থেকে মাথা তুলে তাকবীর বললেন। যখন মুহাম্মদ নামে একজন বর্ণনাকারীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি আবার সালাম ফিরিয়েছেন, তখন তিনি বললেন যে, তিনি জানতে পেরেছেন যে, হযরত ইমরান বিন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন যে, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবার সালাম ফিরিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنِ ابْنِ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَاكُمْ أَهْلُ الْيَمَنِ هُمْ أَرَقُّ أَفْئِدَةً الْإِيمَانُ يَمَانٍ وَالْحِكْمَةُ يَمَانِيَةٌ وَالْفِقْهُ يَمَانٍ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ইয়েমেনের লোকেরা তোমার কাছে এসেছে। তারা কোমল হৃদয়ের মানুষ। ইয়েমেনের লোকেরা ঈমান, প্রজ্ঞা ও আইনশাস্ত্রে খুবই ভালো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنِ ابْنِ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ أَحَدٌ مِنْكُمْ يُنَجِّيهِ عَمَلهُ قَالُوا وَلَا أَنْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ وَلَا أَنَا إِلَّا أَنْ يَتَغَمَّدَنِي رَبِّي بِمَغْفِرَةٍ وَرَحْمَةٍ وَلَا أَنَا إِلَّا أَنْ يَتَغَمَّدَنِي رَبِّي مِنْهُ بِمَغْفِرَةٍ وَرَحْمَةٍ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ তার আমল দ্বারা মুক্তি পাবে না।” সাহাবীগণ রাদিয়াল্লাহু আনহুম জিজ্ঞাসা করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনিও কি মুক্তি পাবেন না?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমিও না, তবে আমার রব আমাকে তাঁর ক্ষমা ও রহমত দ্বারা আবৃত করবেন।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই বাক্যটি দুই বা তিনবার পুনরাবৃত্তি করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ شُعْبَةَ عَنِ الْعَلَاءِ وَمُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سَمِعْتُ الْعَلَاءَ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَتُؤَدُّنَّ الْحُقُوقَ إِلَى أَهْلِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يُقْتَصَّ لِلشَّاةِ الْجَمَّاءِ مِنْ الشَّاةِ الْقَرْنَاءِ تَنْطَحُهَا وَقَالَ ابْنُ جَعْفَرٍ يَعْنِي فِي حَدِيثِهِ يُقَادَ لِلشَّاةِ الْجَلْحَاءِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের দিন, যারা তাদের হকদার, তাদের হক আদায় করা হবে। এমনকি একটি শিংবিহীন ছাগলের প্রতিশোধ, একটি শিংওয়ালা ছাগল নিবে, যে তাকে ক্ষতবিক্ষত করেছিলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ شُعْبَةَ عَنِ الْعَلَاءِ وَمُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سَمِعْتُ الْعَلَاءَ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُسْتَبَّانِ مَا قَالَا فَعَلَى الْبَادِئِ مَا لَمْ يَعْتَدِ الْمَظْلُومُ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “দুই ব্যক্তি যারা একে অপরকে গালি দিচ্ছে, তারা যে কথাই বলুক না কেনো, তার পাপ তার উপর বর্তাবে, যে ব্যক্তি গালি শুরু করেছে, যতক্ষণ না, যার উপর অত্যাচার করা হয়েছে, সে সীমালঙ্ঘন না করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ شُعْبَةَ عَنِ الْعَلَاءِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَبِي وَمُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سَمِعْتُ الْعَلَاءَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا نَقَصَتْ صَدَقَةٌ مِنْ مَالٍ وَلَا عَفَا رَجُلٌ عَنْ مَظْلَمَةٍ إِلَّا زَادَهُ اللَّهُ عِزًّا وَلَا تَوَاضَعَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “দান-সদকার মাধ্যমে সম্পদ কমে না। আর যে ব্যক্তি অন্যায় ক্ষমা করে, আল্লাহ তার সম্মান বৃদ্ধি করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে কেবল মর্যাদা দান করেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ شُعْبَةَ عَنِ الْعَلَاءِ وَابْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سَمِعْتُ الْعَلَاءَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْيَمِينُ الْكَاذِبَةُ مَنْفَقَةٌ لِلسِّلْعَةِ مَمْحَقَةٌ لِلْكَسْبِ وَقَالَ ابْنُ جَعْفَرٍ الْبَرَكَةَ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মিথ্যা শপথ করলে মাল বিক্রি হয়, কিন্তু বরকত নষ্ট হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ النَّذْرِ وَقَالَ إِنَّهُ لَا يَرُدُّ مِنْ الْقَدَرِ شَيْئًا وَإِنَّمَا يُسْتَخْرَجُ بِهِ مِنْ الْبَخِيلِ
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানত করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন যে, “এর দ্বারা ভাগ্যের কোনো সিদ্ধান্ত রহিত হয় না, বরং কৃপণ ব্যক্তির কাছ থেকে কিছু সম্পদ বের হয়ে আসে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ شُعْبَةَ عَنِ الْعَلَاءِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى مَا يَرْفَعُ اللَّهُ بِهِ الدَّرَجَاتِ وَيُكَفِّرُ بِهِ الْخَطَايَا إِسْبَاغُ الْوُضُوءِ فِي الْمَكَارِهِ وَكَثْرَةُ الْخُطَا إِلَى الْمَسَاجِدِ وَانْتِظَارُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الصَّلَاةِ
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি কি তোমাদের এমন কিছুর কথা বলবো না, যার দ্বারা আল্লাহ মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং পাপ মোচন করেন? তা হলো, শারীরিক অসুবিধা থাকা সত্ত্বেও (বিশেষ করে শীতকালে) ভালো ভাবে অজু করা, মসজিদে ঘন ঘন হেঁটে যাওয়া এবং এক নামাজের পর পরবর্তী নামাজের জন্যে অপেক্ষা করা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৯১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস