(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১০১টি]



6706 OK

(৬৭০৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৩৯১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْأَخْنَسِ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ أَتَى أَعْرَابِيٌّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّ أَبِي يُرِيدُ أَنْ يَجْتَاحَ مَالِي قَالَ أَنْتَ وَمَالُكَ لِوَالِدِكَ إِنَّ أَطْيَبَ مَا أَكَلْتُمْ مِنْ كَسْبِكُمْ وَإِنَّ أَمْوَالَ أَوْلَادِكُمْ مِنْ كَسْبِكُمْ فَكُلُوهُ هَنِيئًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক গ্রামবাসী রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললো, “আমার বাবা আমার সম্পত্তি দখল করতে চান।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তুমি এবং তোমার সম্পত্তি তোমার বাবার। তুমি সবচেয়ে যে পবিত্র খাবার খাও, তা হলো, যা তুমি উপার্জন করেছো। আর তোমার সন্তানদের সম্পদ হলো, তোমার উপার্জন। তাই তুমি পবিত্র খাবার স্বাদের সাথে খাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭০৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6707 OK

(৬৭০৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৪১৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ عَنْ يُوسُفَ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَحْضُرُ الْجُمُعَةَ ثَلَاثَةٌ رَجُلٌ حَضَرَهَا بِدُعَاءٍ وَصَلَاةٍ فَذَلِكَ رَجُلٌ دَعَا رَبَّهُ إِنْ شَاءَ أَعْطَاهُ وَإِنْ شَاءَ مَنَعَهُ وَرَجُلٌ حَضَرَهَا بِسُكُوتٍ وَإِنْصَاتٍ فَذَلِكَ هُوَ حَقُّهَا وَرَجُلٌ يَحْضُرُهَا يَلْغُو فَذَلِكَ حَظُّهُ مِنْهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “শুক্রবারে তিন ধরণের লোক আসে। (১) একজন ব্যক্তি যে সালাত ও দুআয় শরীক হয় এবং তার রবের কাছে প্রার্থনা করে। আর আল্লাহ তায়ালা তা কবুল করবেন কিনা, তা তার নিজস্ব ইচ্ছা। (২) দ্বিতীয় ব্যক্তি সেই, যে এসে নীরবে এতে অংশ নেয় এবং কোনো মুসলমানের ঘাড় অতিক্রম করে না এবং কাউকে কষ্ট দেয় না, তাহলে তা তার গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে, আগামী শুক্রবার পর্যন্ত এবং আরো তিন দিনের জন্যে। কারণ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন, যে ব্যক্তি নেক আমল নিয়ে আসবে তাকে দশগুণ সওয়াব দেওয়া হবে। (৩) এবং তৃতীয় ব্যক্তি যে অলস কাজে লিপ্ত হয় এবং এটি ঐ ব্যক্তিরই অংশ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭০৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6708 OK

(৬৭০৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৯২১] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّيْمِيُّ أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ يَزِيدَ أَبِي الْخَطَّابِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فَاجْلِدُوهُ فَإِنْ شَرِبَهَا فَاجْلِدُوهُ فَإِنْ شَرِبَهَا فَاجْلِدُوهُ فَقَالَ فِي الرَّابِعَةِ أَوْ الْخَامِسَةِ فَاقْتُلُوهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি মদ পান করে, তাকে তোমরা বেত্রাঘাত করো, সে যদি আবার পান করে, তাহলে তাকে আবার বেত্রাঘাত করো। তারপর তাকে আবার বেত্রাঘাত করো। তারপর তাকে আবার বেত্রাঘাত করো। তারপর তাকে আবার বেত্রাঘাত করো।” আর চতুর্থ বা পঞ্চমবার তিনি বলেছেন, “তাকে তোমরা হত্যা করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭০৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6709 OK

(৬৭০৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২৪৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ وَسُفْيَانُ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَفَعَهُ سُفْيَانُ وَوَقَفَهُ مِسْعَرٌ قَالَ مِنْ الْكَبَائِرِ أَنْ يَشْتُمَ الرَّجُلُ وَالِدَيْهِ قَالُوا وَكَيْفَ يَشْتُمُ الرَّجُلُ وَالِدَيْهِ قَالَ يَسُبُّ أَبَا الرَّجُلِ فَيَسُبُّ أَبَاهُ وَيَسُبُّ أُمَّهُ فَيَسُبُّ أُمَّهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষের জন্যে তার পিতামাতাকে গালি দেওয়া কবীরা গুনাহ।” লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! একজন মানুষ কিভাবে তার বাবা-মাকে গালি দিতে পারে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি কারো পিতাকে গালি দেয়, সে তার পিতাকেও গালি দেয়। আর যে ব্যক্তি কারো মাকে গালি দেয়, সে তার মাকেও গালি দেয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6710 OK

(৬৭১০)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৪৫২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ وَدَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ قَالَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ مِائَتَيْ مَرَّةٍ فِي كُلِّ يَوْمٍ لَمْ يَسْبِقْهُ أَحَدٌ كَانَ قَبْلَهُ وَلَا يُدْرِكُهُ أَحَدٌ بَعْدَهُ إِلَّا بِأَفْضَلَ مِنْ عَمَلِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রতিদিন দুইশ বার এই বাক্যগুলো বলবে, কেউ তাকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না এবং কেউ তার সাথে পাল্লা দিতে পারবে না, যদি না সে এর চেয়ে উত্তম কোন কাজ করে।”

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

“আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোন অংশীদার নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসা তাঁরই, এবং তিনি সবকিছু করতে সক্ষম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6711 OK

(৬৭১১)

হাদিস দেখুন [৩১:৬১৯৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ أَخْبَرَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ حَدَّثَنِي أَبُو كَبْشَةَ السَّلُولِيُّ أَنُّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ حَدَّثَهُ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْنِي يَقُولُ بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً وَحَدِّثُوا عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَلَا حَرَجَ وَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنْ النَّارِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “তোমরা আমার পক্ষ থেকে লোকদের কাছে হাদিস পৌঁছে দাও, যদিও তা একটি বাক্যই হয়। তোমরা যদি বনী ইসরাঈলদের থেকে কোনো কথা, কারো কাথে উল্লেখ করো, তবে এতে কোনো ক্ষতি নেই। যে ব্যক্তি আমার সম্পর্কে কোনো মিথ্যা কথা বলবে, সে যেনো তার বাসস্থান জাহান্নামে তৈরি করে নিলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭১১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6712 OK

(৬৭১২)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৪৬০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ يَعْنِي ابْنَ خَالِدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَعْنِي ابْنَ حَرْمَلَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الرَّاكِبُ شَيْطَانٌ وَالرَّاكِبَانِ شَيْطَانَانِ وَالثَّلَاثَةُ رَكْبٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একাকী সফরকারী হচ্ছে একটি শয়তান, আর একত্রে দুইজন সফরকারী হচ্ছে দুইটি শয়তান। তবে একত্রে তিনজন সফরকারীই হচ্ছে প্রকৃত কাফেলা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6713 OK

(৬৭১৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৭০৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا رَجَاءٌ أَبُو يَحْيَى حَدَّثَنَا مُسَافِعُ بْنُ شَيْبَةَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو يَقُولُ فَأَنْشُدُ بِاللَّهِ ثَلَاثًا وَوَضَعَ إِصْبَعَهُ فِي أُذُنَيْهِ لَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَقُولُ إِنَّ الرُّكْنَ وَالْمَقَامَ يَاقُوتَتَانِ مِنْ يَاقُوتِ الْجَنَّةِ طَمَسَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ نُورَهُمَا وَلَوْلَا أَنَّ اللَّهَ طَمَسَ نُورَهُمَا لَأَضَاءَتَا مَا بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাইয়্যিদুনা ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনবার আল্লাহর নামে কসম করে, কানে হাত দিয়ে স্পর্শ করে বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “কালো পাথর এবং ইব্রাহিমের মাকাম জান্নাতের দুটি রত্ন। আল্লাহ তাদের নূর নিভিয়ে দিয়েছেন। যদি আল্লাহ তাদের নূর নিভিয়ে না দিতেন, তাহলে তারা পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী সমগ্র স্থান আলোকিত করে দিতো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6714 OK

(৬৭১৪)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ رَبَاحٍ سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ أَهْلَ النَّارِ كُلُّ جَعْظَرِيٍّ جَوَّاظٍ مُسْتَكْبِرٍ جَمَّاعٍ مَنَّاعٍ وَأَهْلُ الْجَنَّةِ الضُّعَفَاءُ الْمَغْلُوبُونَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাহান্নামীদের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, “প্রত্যেক দুষ্ট, অহঙ্কারী, সঞ্চয়কারী এবং সৎকাজ থেকে বিরত থাকা ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে। আর দুর্বল ও নির্যাতিত মানুষরাই জান্নাতবাসী হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭১৪]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6715 OK

(৬৭১৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ الْحَارِثِ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا قَرَنَ خَشْيَةَ أَنْ يُصَدَّ عَنْ الْبَيْتِ وَقَالَ إِنْ لَمْ تَكُنْ حَجَّةٌ فَعُمْرَةٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজ্জ এবং ওমরা একত্রে আদায় করেছিলেন। কারণ তিনি আশঙ্কা করেছিলেন যে তাঁকে আল্লাহর ঘরে যেতে বাধা দেওয়া হবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেন, “যদি হজ্জ না করা হয়, তাহলে ওমরা আদায় করা হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6716 OK

(৬৭১৬)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ وَحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَا حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَيَّاشِ بْنِ أَبِي رَبِيعَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَطَبَ النَّاسَ عَامَ الْفَتْحِ عَلَى دَرَجَةِ الْكَعْبَةِ فَكَانَ فِيمَا قَالَ بَعْدَ أَنْ أَثْنَى عَلَى اللَّهِ أَنْ قَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ كُلُّ حِلْفٍ كَانَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ لَمْ يَزِدْهُ الْإِسْلَامُ إِلَّا شِدَّةً وَلَا حِلْفَ فِي الْإِسْلَامِ وَلَا هِجْرَةَ بَعْدَ الْفَتْحِ يَدُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ عَلَى مَنْ سِوَاهُمْ تَتَكَافَأُ دِمَاؤُهُمْ وَلَا يُقْتَلُ مُؤْمِنٌ بِكَافِرٍ وَدِيَةُ الْكَافِرِ كَنِصْفِ دِيَةِ الْمُسْلِمِ أَلَا وَلَا شِغَارَ فِي الْإِسْلَامِ وَلَا جَنَبَ وَلَا جَلَبَ وَتُؤْخَذُ صَدَقَاتُهُمْ فِي دِيَارِهِمْ يُجِيرُ عَلَى الْمُسْلِمِينَ أَدْنَاهُمْ وَيَرُدُّ عَلَى الْمُسْلِمِينَ أَقْصَاهُمْ ثُمَّ نَزَلَ وَقَالَ حُسَيْنٌ إِنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি মক্কা বিজয়ের বছর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন যে, “ইসলাম জাহেলিয়াতের যুগে করা সকল চুক্তির তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু এখন ইসলামে এর কোনো গুরুত্ব নেই। মুসলমান কাউকে আশ্রয় দিতে পারে। একজন কাফিরের জন্যে কোনো মুসলমানকে হত্যা করা যাবে না। একজন কাফেরের রক্তপন মুসলমানের রক্তপনের অর্ধেক হবে। ইসলামে (১) জালাব, (২) জানাব, (৩) শিগার এবং (৪) হিলফ নেই।”

[টীকাঃ (১) জালাব বলা হয়- যাকাত আদায়কারী কর্তৃক, যাকাত দাতাদের স্থানে না গিয়ে, নির্ধারিত স্থানে মাল সম্পদ নিয়ে আসতে বাধ্য করাকে। (২) জানাব বলা হয়- জনপদের শেষ প্রান্তে যাকাত আদায়কারী কর্তৃক চৌকী স্থাপন করা এবং সেখানে বসে যাকাত দাতাদের কাছে না গিয়ে, যাকাত আদায় করা। অথবা যাকাত দাতা কর্তৃক তার মাল সম্পদ দূরবর্তী স্থানে নিয়ে যাওয়া, যাতে যাকাত আদায়কারী অসুবিধায় পড়েন। (৩) শিগার বলা হয়- বিনিময়ে বিবাহ; যেমন যদি কেউ তার মেয়েকে কারো কাছে এ শর্তে বিয়ে দেয় যে, সে তার বোনকে মেয়ের মোহরানার বিনিময়ে তার কাছে বিয়ে দিবে। (৪) হিলফ বলা হয়- জাহিলী যুগের সহযোগিতা চুক্তিকে।]

[মুসনাদে আহমাদ : ৬৭১৬]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



6717 OK

(৬৭১৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ مَطَرٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ فِي الْمَوَاضِحِ خَمْسٌ خَمْسٌ مِنْ الْإِبِلِ وَالْأَصَابِعُ سَوَاءٌ كُلُّهُنَّ عَشْرٌ عَشْرٌ مِنْ الْإِبِلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “রক্ত পণের ক্ষেত্রে প্রতিটি আঙ্গুলের জন্যে দশটি উট ফরজ, মাথার ক্ষতস্থানে জন্যে পাঁচটি উট ফরজ। আর সব আঙ্গুল একই সমান।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6718 OK

(৬৭১৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৫৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو يُوسُفَ الْمُؤَدِّبُ يَعْقُوبُ جَارُنَا حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الْمُطَّلِبِ عَنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ زَيْدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ قُتِلَ دُونَ مَالِهِ فَهُوَ شَهِيدٌ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6719 OK

(৬৭১৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ شُجَاعٍ أَبُو عَمْرٍو الْجَزَرِيُّ حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ الْعُقَيْلِيُّ مِنْ أَهْلِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ قَالَ الْتَقَى عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَلَى الْمَرْوَةِ فَتَحَدَّثَا ثُمَّ مَضَى عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو وَبَقِيَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ يَبْكِي فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ مَا يُبْكِيكَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ هَذَا يَعْنِي عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو زَعَمَ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ كَانَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ حَبَّةٍ مِنْ خَرْدَلٍ مِنْ كِبْرٍ أَكَبَّهُ اللَّهُ عَلَى وَجْهِهِ فِي النَّارِ


হজরত আবু সালামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার মারওয়ায় সাইয়্যিদুনা ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর দেখা হয়। কিছুক্ষণ কথা বলার পর, সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন ফিরে আসেন, তখন তিনি কাঁদছিলেন। কেউ তাকে জিজ্ঞাসা করে, “হে আবু আব্দুর রহমান, আপনি কাঁদছেন কেনো?” সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “সাইয়্যিদুনা ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে যে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন তার কারণে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, ‘যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণও অহঙ্কার থাকবে, আল্লাহ তাকে মুখ থুবড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6720 OK

(৬৭২০)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৬০৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ بَابٍ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُلُّ صَلَاةٍ لَا يُقْرَأُ فِيهَا فَهِيَ خِدَاجٌ ثُمَّ هِيَ خِدَاجٌ ثُمَّ هِيَ خِدَاجٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে নামাজে কুরআনের তিলাওয়াত নেই, তা অসম্পূর্ণ, অসম্পূর্ণ, অসম্পূর্ণ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6721 OK

(৬৭২১)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২২৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا عَامِرٌ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ الْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ وَالْمُهَاجِرُ مَنْ هَجَرَ مَا نَهَى اللَّهُ عَنْهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রকৃত মুসলিম হলো সেই ব্যক্তি, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিমরা নিরাপদ থাকে। আর মুহাজির হলো সেই ব্যক্তি, যে ব্যক্তি আল্লাহ যা নিষিদ্ধ করেছেন, তা ত্যাগ করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6722 OK

(৬৭২২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ أَخْبَرَنَا دُوَيْدٌ الْخُرَاسَانِيُّ وَالزُّبَيْرُ بْنُ عَدِيٍّ قَاعِدٌ مَعَهُ قَالَ أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا نَسْمَعُ مِنْكَ أَحَادِيثَ لَا نَحْفَظُهَا أَفَلَا نَكْتُبُهَا قَالَ بَلَى فَاكْتُبُوهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললাম, “আমরা আপনার কাছ থেকে অনেক হাদিস শুনি, যা আমরা মনে রাখতে পারি না। আমাদের কি সেগুলো লিখে রাখা উচিত নয়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তুমি কেনো এটা লিখে রাখো না? তুমি অবশ্যই তা লিখে রাখো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6723 OK

(৬৭২৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ عَنِ الْمُثَنَّى بْنِ الصَّبَّاحِ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُفْرٌ بِاللَّهِ تَبَرُّؤٌ مِنْ نَسَبٍ وَإِنْ دَقَّ أَوْ ادِّعَاءٌ إِلَى نَسَبٍ لَا يُعْرَفُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “নিজের বংশধারাকে ঘৃণা করা, যদিও তা খুবই সামান্যই হয়, অথবা এমন বংশধারা দাবি করা, যার সাথে কারোর কোনো পরিচয় নেই, তা কুফরী।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6724 OK

(৬৭২৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২২১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَخْنَسِ أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ كُنْتُ أَكْتُبُ كُلَّ شَيْءٍ أَسْمَعُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُرِيدُ حِفْظَهُ فَنَهَتْنِي قُرَيْشٌ فَقَالُوا إِنَّكَ تَكْتُبُ كُلَّ شَيْءٍ تَسْمَعُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَشَرٌ يَتَكَلَّمُ فِي الْغَضَبِ وَالرِّضَا فَأَمْسَكْتُ عَنْ الْكِتَابِ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ اكْتُبْ فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا خَرَجَ مِنِّي إِلَّا حَقٌّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামর কাছ থেকে যা শুনতেন তা লিখে রাখতেন, যাতে তিনি তা মনে রাখতে পারেন। কুরাইশরা আমাকে তা করতে নিষেধ করেছিলো এবং বলেছিলো, “তুমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছ থেকে যা কিছু শুনতে পাও, তা লিখে রাখো, যদিও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও একজন মানুষ। কখনও তিনি রাগের সাথে কথা বলেন, কখনও আনন্দের সাথে।” এই লোকেরা এই কথা বলার পর, আমি লেখা বন্ধ করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামর কাছে এটি উল্লেখ করি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তুমি লিখতে থাকো। যার হাতে আমার প্রাণ, সেই সত্তার শপথ, আমার জিহ্বা থেকে সত্য ছাড়া আর কিছুই বের হয় না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6725 OK

(৬৭২৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৩৩৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي يَنْفَتِلُ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ وَرَأَيْتُهُ يُصَلِّي حَافِيًا وَمُنْتَعِلًا وَرَأَيْتُهُ يَشْرَبُ قَائِمًا وَقَاعِدًا قَالَ مُحَمَّدٌ يَعْنِي غُنْدَرًا أَنْبَأَنَا بِهِ الْحُسَيْنُ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এমন ভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছেন যে, তিনি সালাতের পরে ডানে-বামে উভয় দিক থেকেই ফিরে যেতেন। আমি তাঁকে খালি পায়ে এবং জুতা পরে সালাত আদায় করতে দেখেছি। আর আমি তাঁকে দাঁড়িয়ে এবং বসে পানি পান করতে দেখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6726 OK

(৬৭২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৪৫৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الْخَفَّافُ حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَيْسَ لِي مَالٌ وَلِي يَتِيمٌ فَقَالَ كُلْ مِنْ مَالِ يَتِيمِكَ غَيْرَ مُسْرِفٍ أَوْ قَالَ وَلَا تَفْدِي مَالَكَ بِمَالِهِ شَكَّ حُسَيْنٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলো, “আমার কোনো সম্পদ নেই, তবে আমার এক এতিম ভাতিজা আছে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তুমি তোমার এতিম ভাতিজার সম্পদ থেকে খেতে পারো, তবে তা অপচয় না করে।” অথবা তিনি বলেছেন, “তোমার পর্যাপ্ত সম্পদ থাকলে, তুমি তার সম্পদ ব্যবহার করো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6727 OK

(৬৭২৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৫৮১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ دَخَلْتُ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ فَسَأَلَنِي وَهُوَ يَظُنُّ أَنِّي لِأُمِّ كُلْثُومٍ ابْنَةِ عُقْبَةَ فَقُلْتُ إِنَّمَا أَنَا لِلْكَلْبِيَّةِ قَالَ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْتِي فَقَالَ أَلَمْ أُخْبَرْ أَنَّكَ تَقْرَأُ الْقُرْآنَ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ فَاقْرَأْهُ فِي كُلِّ شَهْرٍ قُلْتُ إِنِّي أَقْوَى عَلَى أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ قَالَ فَاقْرَأْهُ فِي نِصْفِ كُلِّ شَهْرٍ قَالَ قُلْتُ إِنِّي أَقْوَى عَلَى أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ قَالَ فَاقْرَأْهُ فِي كُلِّ سَبْعٍ لَا تَزِيدَنَّ وَبَلَغَنِي أَنَّكَ تَصُومُ الدَّهْرَ قَالَ قُلْتُ إِنِّي لَأَصُومُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ فَصُمْ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ قَالَ قُلْتُ إِنِّي أَقْوَى عَلَى أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ قَالَ فَصُمْ مِنْ كُلِّ جُمُعَةٍ يَوْمَيْنِ قَالَ قُلْتُ إِنِّي أَقْوَى عَلَى أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ قَالَ فَصُمْ صِيَامَ دَاوُدَ صُمْ يَوْمًا وَأَفْطِرْ يَوْمًا فَإِنَّهُ أَعْدَلُ الصِّيَامِ عِنْدَ اللَّهِ وَكَانَ لَا يُخْلِفُ إِذَا وَعَدَ وَلَا يَفِرُّ إِذَا لَاقَى


হজরত আবু সালামা বিন আব্দুর রহমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি সাইয়্যিদিনা ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এলাম এবং তিনি ভাবলেন যে, আমি উম্মে কুলসুম বিনতে উকবার পুত্র। তাই তিনি আমাকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি তাকে বললাম যে, “আমি কালবিয়ার পুত্র।” তারপর তিনি বললেন, একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার ঘরে এসে বললেন, “আমি শুনেছি যে তুমি একদিন ও রাতে পুরো কুরআন খতম করো। প্রতি মাসে মাত্র একবার কুরআন খতম করো।” আমি বললাম, আমি আমার মধ্যে এর চেয়েও বেশি শক্তি অনুভব করি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাহলে পনেরো দিনে এটি সম্পূর্ণ করো।” আমি বললাম, “আমি আমার মধ্যে এর চেয়েও বেশি শক্তি অনুভব করি।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাহলে সাত রাতে এটি সম্পূর্ণ করো এবং এর সাথে আর কিছু যোগ করো না।” তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি শুনেছি যে তুমি সর্বদা রোজা রাখো।” আমি বললাম, “হ্যাঁ, হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখো।” আমি বললাম, “আমি এর চেয়েও বেশি সক্ষম বোধ করছি।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে কিছুটা সুযোগ দিতে থাকলেন, অবশেষে তিনি বললেন, “তাহলে দাউদ আলাইহি ওয়া সাল্লামর মতো একদিন রোজা রাখো এবং তার মতো একদিন রোজা রাখো না। এটি সর্বোত্তম রোজা। তিনি তার ওয়াদা ভঙ্গ করেননি এবং শত্রুর মুখোমুখি হয়ে পালিয়ে যাননি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6728 OK

(৬৭২৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ حَدَّثَنَا أَبِي عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ شُعَيْبِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا جَلَبَ وَلَا جَنَبَ وَلَا تُؤْخَذُ صَدَقَاتُهُمْ إِلَّا فِي دُورِهِمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, “যাকাত উসূলকারীর কাছে চতুষ্পদ পশুকে টেনে আনবে না। কিংবা চতুষ্পদ পশুর মালিকগণও দূরে সরে থাকবে না। এসব পশুর যাকাত তাদের অবস্থানে বসেই উসূল করবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6729 OK

(৬৭২৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৬৩০৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ يَعْنِي ابْنَ حَازِمٍ عَنْ مُحَمَّدٍ يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ مُسْلِمِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَرِيشِ قَالَ سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ فَقُلْتُ إِنَّا بِأَرْضٍ لَيْسَ بِهَا دِينَارٌ وَلَا دِرْهَمٌ وَإِنَّمَا نُبَايِعُ بِالْإِبِلِ وَالْغَنَمِ إِلَى أَجَلٍ فَمَا تَرَى فِي ذَلِكَ قَالَ عَلَى الْخَبِيرِ سَقَطْتَ جَهَّزَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَيْشًا عَلَى إِبِلٍ مِنْ إِبِلِ الصَّدَقَةِ حَتَّى نَفِدَتْ وَبَقِيَ نَاسٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اشْتَرِ لَنَا إِبِلًا مِنْ قَلَائِصَ مِنْ إِبِلِ الصَّدَقَةِ إِذَا جَاءَتْ حَتَّى نُؤَدِّيَهَا إِلَيْهِمْ فَاشْتَرَيْتُ الْبَعِيرَ بِالِاثْنَيْنِ وَالثَّلَاثِ قَلَائِصَ حَتَّى فَرَغْتُ فَأَدَّى ذَلِكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ إِبِلِ الصَّدَقَةِ


হজরত আমর ইবনে হুরাইস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, “আমরা এমন একটি এলাকায় আছি যেখানে দিনার বা দিরহাম প্রচলন হয় না, আমরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য উট ও ছাগল ক্রয়-বিক্রয় করি। এ বিষয়ে আপনার মতামত কী?” তিনি বললেন, “আপনি একজন সচেতন ব্যক্তির কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করেছেন। একবার, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সদকা উট আসবে, এই আশায় একটি সৈন্যদল প্রস্তুত করলেন। উটগুলি ফুরিয়ে গেলো এবং কিছু লোক অবশিষ্ট ছিলো (যারা সওয়ারী পেতে পারেনি)। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বললেন, ‘আমাদের জন্যে উট ক্রয় করো, এই শর্তে যে, যখন দানের উট আসবে, তখন সেগুলো দিয়ে দেওয়া হবে।’ তাই আমি দুটি উটের বিনিময়ে একটি উট কিনতাম, এবং কখনও কখনও তিনটিও কিনতাম। এরপরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সদকার উট দিয়ে এর মূল্য পরিশোধ করলেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6730 OK

(৬৭৩০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ قَالَ ذَكَرَ عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي عَقْلِ الْجَنِينِ إِذَا كَانَ فِي بَطْنِ أُمِّهِ بِغُرَّةٍ عَبْدٍ أَوْ أَمَةٍ فَقَضَى بِذَلِكَ فِي امْرَأَةِ حَمَلِ بْنِ مَالِكِ بْنِ النَّابِغَةِ الْهُذَلِيِّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যে গর্ভস্থ শিশুকে মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় হত্যা করা হয়, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি দাস বা দাসী প্রদানের ফয়সালা দেন। আর এই রায়টি ছিলো, হামাল বিন মালিক বিন নাবিগাহ আল-হুযালি রাদিয়াল্লাহু আনহুর স্ত্রী সম্পর্কে। [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6731 OK

(৬৭৩১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৮২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا شِغَارَ فِي الْإِسْلَامِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ইসলামে শিগার নেই।”

[টীকাঃ শিগার বলা হয়- বিনিময়ে বিবাহ; যেমন যদি কেউ তার মেয়েকে কারো কাছে এ শর্তে বিয়ে দেয় যে, সে তার বোনকে মেয়ের মোহরানার বিনিময়ে তার কাছে বিয়ে দিবে।] [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6732 OK

(৬৭৩২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৮২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا شِغَارَ فِي الْإِسْلَامِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ইসলামে শিগার নেই।”

[টীকাঃ শিগার বলা হয়- বিনিময়ে বিবাহ; যেমন যদি কেউ তার মেয়েকে কারো কাছে এ শর্তে বিয়ে দেয় যে, সে তার বোনকে মেয়ের মোহরানার বিনিময়ে তার কাছে বিয়ে দিবে।] [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6733 OK

(৬৭৩৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ وَذَكَرَ عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي وَلَدِ الْمُتَلَاعِنَيْنِ أَنَّهُ يَرِثُ أُمَّهُ وَتَرِثُهُ أُمُّهُ وَمَنْ قَفَاهَا بِهِ جُلِدَ ثَمَانِينَ وَمَنْ دَعَاهُ وَلَدَ زِنًا جُلِدَ ثَمَانِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লিয়ানকারীদের সন্তানদের সম্পর্কে ফয়সালা করেছেন, “ঐ সন্তান তার মায়ের উত্তরাধিকারী হবে এবং তার মা ঐ সন্তানের সম্পদের উত্তরাধিকারী হবে। আর যে কেউ তার মায়ের বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অভিযোগ আনবে, তাকে আশিটি বেত্রাঘাত করা হবে। আর যে কেউ তার মাকে ব্যভিচারিনী বলবে, তাকে আশিটি বেত্রাঘাত করা হবে। আর যে কেউ তাকে ব্যভিচারের সন্তান বলবে, তাকে আশিটি বেত্রাঘাত করা হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6734 OK

(৬৭৩৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৬২৪৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ وَسُفْيَانُ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَفَعَهُ سُفْيَانُ وَوَقَفَهُ مِسْعَرٌ قَالَ مِنْ الْكَبَائِرِ أَنْ يَشْتُمَ الرَّجُلُ وَالِدَيْهِ قَالُوا وَكَيْفَ يَشْتُمُ الرَّجُلُ وَالِدَيْهِ قَالَ يَسُبُّ أَبَا الرَّجُلِ فَيَسُبُّ أَبَاهُ وَيَسُبُّ أُمَّهُ فَيَسُبُّ أُمَّهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষের জন্যে তার পিতামাতাকে গালি দেওয়া কবীরা গুনাহ।” লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! একজন মানুষ কিভাবে তার বাবা-মাকে গালি দিতে পারে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি কারো পিতাকে গালি দেয়, সে তার পিতাকেও গালি দেয়। আর যে ব্যক্তি কারো মাকে গালি দেয়, সে তার মাকেও গালি দেয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6735 OK

(৬৭৩৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৫৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو يُوسُفَ الْمُؤَدِّبُ يَعْقُوبُ جَارُنَا حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الْمُطَّلِبِ عَنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ زَيْدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ قُتِلَ دُونَ مَالِهِ فَهُوَ شَهِيدٌ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয় সে শহীদ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬৭৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস