(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৭৩১টি]



6076 OK

(৬০৭৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ أَوْ عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ قَالَ قَالَ ابْنُ عُمَرَ انْطَلَقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأُبَىُّ بْنُ كَعْبٍ يَأْتِيَانِ النَّخْلَ الَّتِي فِيهَا ابْنُ صَيَّادٍ حَتَّى إِذَا دَخَلَا النَّخْلَ طَفِقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَّقِي بِجُذُوعِ النَّخْلِ وَهُوَ يَخْتِلُ ابْنَ صَيَّادٍ أَنْ يَسْمَعَ مِنْ ابْنِ صَيَّادٍ شَيْئًا قَبْلَ أَنْ يَرَاهُ وَابْنُ صَيَّادٍ مُضْطَجِعٌ عَلَى فِرَاشِهِ فِي قَطِيفَةٍ لَهُ فِيهَا زَمْزَمَةٌ قَالَ فَرَأَتْ أُمُّهُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَتَّقِي بِجُذُوعِ النَّخْلِ فَقَالَتْ أَيْ صَافِ وَهُوَ اسْمُهُ هَذَا مُحَمَّدٌ فَثَارَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ تَرَكَتْهُ بَيَّنَ حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ حَدَّثَنَا شُعَيْبٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ انْطَلَقَ بَعْدَ ذَلِكَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُوَ وَأُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ يَؤُمَّانِ النَّخْلَ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও উবাই ইবনু কাব আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু সেই খেজুর বাগানের উদ্দেশে রওয়ানা হলেন, যেখানে ইবনু সাইয়াদ থাকতো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন প্রবেশ করলেন, তখন তিনি সতর্কতার সঙ্গে খেজুর শাখার আড়ালে চললেন। তিনি চাচ্ছিলেন, ইবনু সাইয়াদ তাঁকে দেখে ফেলার আগেই তিনি তার কোনো কথা শুনে নিবেন। ইবনু সাইয়াদ তখন চাদর মুড়ি দিয়ে বিছানায় শুয়ে ছিলো। আর গুন গুন বা (রাবী বলেছেন) গুম গুম ভাবে কিছু বলছিলো। এ সময় ইবনু সাইয়াদের মা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে খেজুর শাখার আড়ালে সতর্কতার সঙ্গে আসতে দেখে ইবনু সাইয়াদকে বললো, “হে সাফ! এই যে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!” তখন ইবনু সাইয়াদ চুপ হয়ে গেলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “সে (তার মা) যদি তাকে নিজের অবস্থায় ছেড়ে দিতো, তাহলে আজ সত্য প্রকাশ পেয়ে যেতো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6077 OK

(৬০৭৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৭৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهُ لَمْ يَكُنْ نَبِيٌّ قَبْلِي إِلَّا وَصَفَهُ لِأُمَّتِهِ وَلَأَصِفَنَّهُ صِفَةً لَمْ يَصِفْهَا مَنْ كَانَ قَبْلِي إِنَّهُ أَعْوَرُ وَاللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى لَيْسَ بِأَعْوَرَ عَيْنُهُ الْيُمْنَى كَأَنَّهَا عِنَبَةٌ طَافِيَةٌ


হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রত্যেক নবীই তার উম্মতের সামনে দাজ্জালের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন, কিন্তু আমি তোমাদের কাছে তার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করবো যা আমার আগে কোনো নবী বর্ণনা করেননি। মনে রেখো দাজ্জাল হবে কানা (এবং প্রভুত্ব দাবি করবে) অথচ আল্লাহ কানা নন। তার ডান চোখ আঙুর বীজের মতো ফুলা থাকবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6078 OK

(৬০৭৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৭৫৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يُقَاتِلُكُمْ يَهُودُ فَتُسَلَّطُونَ عَلَيْهِمْ حَتَّى يَقُولَ الْحَجَرُ يَا مُسْلِمُ هَذَا يَهُودِيٌّ وَرَائِي فَاقْتُلْهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ইহুদীরা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করবে এবং তোমরা তাদেরকে পরাজিত করবে। এমনকি যদি কোনো ইহুদী পাথরের নিচে লুকিয়ে থাকে, তাহলে পাথরটি মুসলমানদের ডেকে বলবে, আমার নিচে একজন ইহুদী লুকিয়ে আছে, এসো এবং তাকে হত্যা করো।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৬০৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6079 OK

(৬০৭৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ يَهُودَ بَنِي النَّضِيرِ وَقُرَيْظَةَ حَارَبُوا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَجْلَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَنِي النَّضِيرِ وَأَقَرَّ قُرَيْظَةَ وَمَنَّ عَلَيْهِمْ حَتَّى حَارَبَتْ قُرَيْظَةُ بَعْدَ ذَلِكَ فَقَتَلَ رِجَالَهُمْ وَقَسَمَ نِسَاءَهُمْ وَأَوْلَادَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ إِلَّا بَعْضَهُمْ لَحِقُوا بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَّنَهُمْ وَأَسْلَمُوا وَأَجْلَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَهُودَ الْمَدِينَةِ كُلَّهُمْ بَنِي قَيْنُقَاعَ وَهُمْ قَوْمُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَامٍ وَيَهُودَ بَنِي حَارِثَةَ وَكُلَّ يَهُودِيٍّ كَانَ بِالْمَدِينَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

বনু আন-নাযির এবং বনু কুরাইজার ইহুদীরা চুক্তি লঙ্ঘন করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বনু আন-নাযিরকে নির্বাসিত করেছিলেন এবং বনু কুরাইজার প্রতি দয়া প্রদর্শন করেছিলেন এবং তাকে সেখানে থাকতে দিয়েছিলেন। তবে কিছু দিন পরে, বনু কুরাইজা আবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের পুরুষদের হত্যা করেছিলেন এবং তাদের নারী, শিশু এবং সম্পদ মুসলমানদের মধ্যে বিতরণ করেছিলেন, তবে কয়েকজনকে বাদে। এই অল্প সংখ্যক লোক ছিলো, যারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামর কাছে মুসলান হতে এসেছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে নিরাপত্তা দিয়েছিলেন এবং তারা ইসলাম গ্রহণ করেছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনার সমস্ত ইহুদীকে নির্বাসিত করেছিলেন, যার মধ্যে আবদুল্লাহ ইবনে সালামের বংশধর বনু কাইনুকা এবং বনু হারিসার ইহুদীরা ছিলো। প্রকৃতপক্ষে মদিনায় বসবাসকারী প্রতিটি ইহুদীকে নির্বাসিত করা হয়ে ছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6080 OK

(৬০৮০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَجْلَى الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى مِنْ أَرْضِ الْحِجَازِ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا ظَهَرَ عَلَى خَيْبَرَ أَرَادَ إِخْرَاجَ الْيَهُودِ مِنْهَا وَكَانَتْ الْأَرْضُ حِينَ ظَهَرَ عَلَيْهَا لِلَّهِ تَعَالَى وَلِرَسُولِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلِلْمُسْلِمِينَ فَأَرَادَ إِخْرَاجَ الْيَهُودِ مِنْهَا فَسَأَلَتْ الْيَهُودُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُقِرَّهُمْ بِهَا عَلَى أَنْ يَكْفُوا عَمَلَهَا وَلَهُمْ نِصْفُ الثَّمَرِ فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نُقِرُّكُمْ بِهَا عَلَى ذَلِكَ مَا شِئْنَا فَقَرُّوا بِهَا حَتَّى أَجْلَاهُمْ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِلَى تَيْمَاءَ وَأَرِيحَاءَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হিজাজ ভূমি থেকে ইহুদি ও খ্রিস্টানদের বিতাড়িত করেছিলেন এবং যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খায়বার জয় করেন, তখন তিনি ইতিমধ্যেই সেখান থেকে ইহুদিদের বিতাড়িত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কারণ এই ভূমি আল্লাহ, তাঁর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মুসলমানদের। কিন্তু ইহুদিরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে অনুরোধ করেছিলো যে তারা যেনো তাদের এখানে থাকতে দেয়, যাতে তারা তাদের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে মুসলমানদের জন্যে খাদ্য সরবরাহ করতে পারে এবং তাদের অর্ধেক ফল দিতে পারে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমরা যতদিন ইচ্ছা তোমাদের এখানে থাকতে দিবো।” তাই তারা সেখানেই থেকে গেলো, যতক্ষণ না, উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদেরকে তাইমা এবং জেরিকোতে নির্বাসিত করেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6081 OK

(৬০৮১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৩৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ জুমুআর নামাযের জন্যে আসে, তখন সে যেনো গোসল করে আসে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6082 OK

(৬০৮২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৩৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ জুমুআর নামাযের জন্যে আসে, তখন সে যেনো গোসল করে আসে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6083 OK

(৬০৮৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ سَمِعْتُ نَافِعًا يَقُولُ إِنَّ ابْنَ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يُقِمْ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ مِنْ مَجْلِسِهِ ثُمَّ يَخْلُفُهُ فِيهِ فَقُلْتُ أَنَا لَهُ يَعْنِي ابْنَ جُرَيْجٍ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ قَالَ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ وَغَيْرِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কেউ যেনো অন্য কাউকে তার আসন থেকে তুলে তাতে বসতে না পারে।” আমি বর্ণনাকারীকে জিজ্ঞাসা করলাম, “এর অর্থ কি, শুক্রবারে এমন করা নিষিদ্ধ কেনো?” তিনি বললেন, “এর মধ্যে শুক্রবার এবং শুক্রবার ছাড়া অন্য দিনও অন্তর্ভুক্ত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6084 OK

(৬০৮৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ وَابْنُ بَكْرٍ قَالَا أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا نَافِعٌ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُولُ مَنْ صَلَّى بِاللَّيْلِ فَلْيَجْعَلْ آخِرَ صَلَاتِهِ وِتْرًا فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِذَلِكَ فَإِذَا كَانَ الْفَجْرُ فَقَدْ ذَهَبَتْ كُلُّ صَلَاةِ اللَّيْلِ وَالْوَتْرُ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَوْتِرُوا قَبْلَ الْفَجْرِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যে ব্যক্তি রাতে নামাজ পড়ে, সে যেনো শেষ নামাজ হিসেবে বিতর পড়ে, কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ নির্দেশ দিয়েছেন। যখন ফজর উদিত হয়, তখন রাতের নামাজ এবং বিতরের সময় শেষ হয়ে যায়। কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ফজর উদিত হওয়ার আগে বিতরের নামাজ পড়ো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6085 OK

(৬০৮৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ وَابْنُ بَكْرٍ قَالَا أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُولُ مَنْ صَلَّى مِنْ اللَّيْلِ فَلْيَجْعَلْ آخِرَ صَلَاتِهِ وِتْرًا قَبْلَ الصُّبْحِ كَذَلِكَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْمُرُهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যে ব্যক্তি রাতে সালাত আদায় করে, সে যেনো বিতরকে শেষ সালাত হিসেবে গণ্য করে, কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটির নির্দেশ দিয়েছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6086 OK

(৬০৮৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৬০২৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَارِقِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا رَكِبَ رَاحِلَتَهُ كَبَّرَ ثَلَاثًا ثُمَّ قَالَ سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ ثُمَّ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِي سَفَرِي هَذَا الْبِرَّ وَالتَّقْوَى وَمِنْ الْعَمَلِ مَا تَرْضَى اللَّهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ وَاطْوِ لَنَا الْبَعِيدَ اللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ اللَّهُمَّ اصْحَبْنَا فِي سَفَرِنَا وَاخْلُفْنَا فِي أَهْلِنَا وَكَانَ إِذَا رَجَعَ إِلَى أَهْلِهِ قَالَ آيِبُونَ تَائِبُونَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ عَابِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাঁর বাহনে আরোহণ করতেন, তখন তিনি তিনবার “আল্লাহু আকবার” বলতেন, তারপর বলতেন,

سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ

“পবিত্র সেই সত্তা, যিনি এই বাহনটিকে আমাদের জন্যে অধীন করে দিয়েছেন, অন্যথায় আমরা এটিকে আমাদের জন্যে অধীন করতে পারতাম না, এবং আমরা আমাদের রবের কাছে ফিরে যাচ্ছি।”

তারপর বলতেন,

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِي سَفَرِي هَذَا الْبِرَّ وَالتَّقْوَى وَمِنْ الْعَمَلِ مَا تَرْضَى اللَّهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ وَاطْوِ لَنَا الْبَعِيدَ اللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ اللَّهُمَّ اصْحَبْنَا فِي سَفَرِنَا وَاخْلُفْنَا فِي أَهْلِنَا

“হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আমাদের এই যাত্রায় কল্যাণ, তাকওয়া এবং আপনাকে সন্তুষ্ট করার জন্য আমল প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ, আমাদের জন্য এই যাত্রা সহজ করে দিন এবং আমাদের জন্য স্থানের দূরত্ব সহজ করে দিন। হে আল্লাহ, আপনি আমার যাত্রায় সঙ্গী এবং আমার পরিবারের উত্তরসূরী। হে আল্লাহ, আমাদের যাত্রায় সঙ্গী হোন এবং আমাদের পরে আমাদের পরিবারে আমাদের উত্তরসূরী করুন।”

এবং যখন তিনি তাঁর বাড়িতে ফিরে আসতেন, তখন বলতেন,

آيِبُونَ تَائِبُونَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ عَابِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ

“আমরা আল্লাহর ইচ্ছায় ফিরে আসছি, তওবা করছি, আমাদের রবের ইবাদত করছি এবং তাঁর প্রশংসা করছি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6087 OK

(৬০৮৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ قَالَ جَمَعَ ابْنُ عُمَرَ بَيْنَ الصَّلَاتَيْنِ مَرَّةً وَاحِدَةً جَاءَهُ خَبَرٌ عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدٍ أَنَّهَا وَجِعَةٌ فَارْتَحَلَ بَعْدَ أَنْ صَلَّى الْعَصْرَ وَتَرَكَ الْأَثْقَالَ ثُمَّ أَسْرَعَ السَّيْرَ فَسَارَ حَتَّى حَانَتْ صَلَاةُ الْمَغْرِبِ فَكَلَّمَهُ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِهِ فَقَالَ الصَّلَاةَ فَلَمْ يَرْجِعْ إِلَيْهِ شَيْئًا ثُمَّ كَلَّمَهُ آخَرُ فَلَمْ يَرْجِعْ إِلَيْهِ شَيْئًا ثُمَّ كَلَّمَهُ آخَرُ فَقَالَ إِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا اسْتَعْجَلَ بِهِ السَّيْرُ أَخَّرَ هَذِهِ الصَّلَاةَ حَتَّى يَجْمَعَ بَيْنَ الصَّلَاتَيْنِ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু মাত্র একবার দুটি নামায একত্রিত করেছিলেন। এটি ঘটেছিলো যখন তিনি সাফিয়া বিনতে আবি উবাইদের অসুস্থতার খবর শুনেছিলেন। তিনি দুপুরের নামাযের পর তার জিনিসপত্র সেখানে রেখে বেরিয়ে যান এবং তার গতি দ্রুত করেন। ভ্রমণের সময়, সন্ধ্যার নামাযের সময় এসে যায়। তার একজন সাহাবী তাকে ডেকে বলেন যে, “নামাযের সময় হয়ে গেছে।” কিন্তু তিনি তার উত্তর দেননি। আরেকজন বলেন, তিনিও তার উত্তর দেননি। তারপর তৃতীয়জন বলেন, তিনিও তার উত্তর দেননি। চতুর্থবার তিনি বলেন, “আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি যে, যদি তিনি ভ্রমণে তাড়াহুড়ো করতেন, তাহলে তিনি এই (মাগরীবের) নামায বিলম্বিত করতেন এবং দুটি নামায (মাগরীব ও এশা) একত্রিত করতেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6088 OK

(৬০৮৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৫৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تُبَاعَ الثَّمَرَةُ حَتَّى يَبْدُوَ صَلَاحُهَا قَالَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا صَلَاحُهَا قَالَ إِذَا ذَهَبَتْ عَاهَتُهَا وَخَلَصَ طَيِّبُهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফল পাকানোর আগে ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ফল পাকা বলতে কী বোঝায়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “যখন তা থেকে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দূর হয়ে যায় এবং উত্তম ফল বের হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6089 OK

(৬০৮৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৬০৬৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةَ الْخَوْفِ بِإِحْدَى الطَّائِفَتَيْنِ رَكْعَةً وَالطَّائِفَةُ الْأُخْرَى مُوَاجِهَةُ الْعَدُوِّ ثُمَّ انْصَرَفُوا وَقَامُوا فِي مَقَامِ أَصْحَابِهِمْ مُقْبِلِينَ عَلَى الْعَدُوِّ وَجَاءَ أُولَئِكَ فَصَلَّى بِهِمْ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمَ ثُمَّ قَضَى هَؤُلَاءِ رَكْعَةً وَهَؤُلَاءِ رَكْعَةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভয়ের সালাত এমন ভাবে আদায় করলেন যে, তিনি একদলকে তাঁর পিছনে দাঁড় করিয়ে দুবার রুকু ও সিজদা করলেন। আর অন্য দল শত্রুর দিকে মুখ করে দাঁড়ালো। তারপর যে দলটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে এক রাকাত সালাত আদায় করেছিলো, তারা চলে গেলো এবং অন্য দলটি এলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে দুবার রুকু ও সিজদা করালেন। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাম দিলেন। এরপর উভয় দলের প্রত্যেকে দাঁড়িয়ে এক এক রাকাত সালাত আদায় করলো। [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6090 OK

(৬০৯০)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৯৯৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كُنَّا نَشْتَرِي الطَّعَامَ مِنْ الرُّكْبَانِ جُزَافًا فَنَهَانَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نَبِيعَهُ حَتَّى نَنْقُلَهُ مِنْ مَكَانِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে আমরা ঘোড়ায় চড়ে আসা লোকদের কাছ থেকে শস্য কিনতাম। কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে সেখানে দাঁড়িয়ে অন্য কারো কাছে তা বিক্রি করতে নিষেধ করেছিলেন, যতক্ষণ না আমরা তা আমাদের তাঁবুতে নিয়ে যাই। [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6091 OK

(৬০৯১)

হাদিস দেখুন [৩১:৫২৩৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ سَمِعْتُ عَبْدَ رَبِّهِ بْنَ سَعِيدٍ يُحَدِّثُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَيُّمَا رَجُلٍ بَاعَ نَخْلًا قَدْ أُبِّرَتْ فَثَمَرَتُهَا لِلْأَوَّلِ وَأَيُّمَا رَجُلٍ بَاعَ مَمْلُوكًا وَلَهُ مَالٌ فَمَالُهُ لِرَبِّهِ الْأَوَّلِ إِلَّا أَنْ يَشْتَرِطَ الْمُبْتَاعُ قَالَ شُعْبَةُ فَحَدَّثْتُهُ بِحَدِيثِ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ أَنَّهُ حَدَّثَ بِالنَّخْلِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالْمَمْلُوكِ عَنْ عُمَرَ قَالَ عَبْدُ رَبِّهِ لَا أَعْلَمُهُمَا جَمِيعًا إِلَّا عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ مَرَّةً أُخْرَى فَحَدَّثَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَمْ يَشُكَّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোনো ধনী ক্রীতদাস বিক্রি করে, তার সমস্ত সম্পদ বিক্রেতার হবে, যদি না ক্রেতা কেনার সময় শর্ত দেয়। আর যে ব্যক্তি একটি খেজুর লাগানো গাছ বিক্রি করবে, তার ফল বিক্রেতার হবে। তবে ক্রেতা যদি কেনার সময় শর্ত দেয় যে, আমি ফল সহ এই গাছটি কিনছি। তবে তা ক্রেতার হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6092 OK

(৬০৯২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৩৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ حَمَلَ عَلَيْنَا السِّلَاحَ فَلَيْسَ مِنَّا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নেয়, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6093 OK

(৬০৯৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنِ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ بَعَثَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ إِلَى بَنِي أَحْسِبُهُ قَالَ جَذِيمَةَ فَدَعَاهُمْ إِلَى الْإِسْلَامِ فَلَمْ يُحْسِنُوا أَنْ يَقُولُوا أَسْلَمْنَا فَجَعَلُوا يَقُولُونَ صَبَأْنَا صَبَأْنَا وَجَعَلَ خَالِدٌ بِهِمْ أَسْرًا وَقَتْلًا قَالَ وَدَفَعَ إِلَى كُلِّ رَجُلٍ مِنَّا أَسِيرًا حَتَّى إِذَا أَصْبَحَ يَوْمًا أَمَرَ خَالِدٌ أَنْ يَقْتُلَ كُلُّ رَجُلٍ مِنَّا أَسِيرَهُ قَالَ ابْنُ عُمَرَ فَقُلْتُ وَاللَّهِ لَا أَقْتُلُ أَسِيرِي وَلَا يَقْتُلُ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِي أَسِيرَهُ قَالَ فَقَدِمُوا عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرُوا لَهُ صَنِيعَ خَالِدٍ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرَفَعَ يَدَيْهِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَبْرَأُ إِلَيْكَ مِمَّا صَنَعَ خَالِدٌ مَرَّتَيْنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খালিদ বিন ওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বনু জুযিমাহাতে পাঠান। সেখানে পৌঁছে তিনি লোকদের ইসলামের দাওয়াত দেন। তারা স্পষ্টভাবে বলতে পারেননি যে, তারা ইসলাম গ্রহণ করেছে, কিন্তু তারা বললো যে, তারা তাদের ধর্ম পরিবর্তন করেছে ( صَبَأْنَا শব্দের অর্থ অবাধ্য হওয়া)। খালিদ বিন ওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদেরকে বন্দী করে হত্যা করতে শুরু করেন এবং আমাদের প্রত্যেককে একজন করে বন্দী দেন। সকাল হলে খালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু আদেশ দেন যে, আমাদের প্রত্যেকে তার বন্দীকে হত্যা করুক। আমি বললাম, “আমি আমার বন্দীকে হত্যা করব না, আমার কোনো সাহাবীও তা করবে না।” ফিরে আসার পর লোকেরা খালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর এই আচরণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে উল্লেখ করে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই বার হাত তুলে বললেন, “হে আল্লাহ, খালিদ যা করেছে তা থেকে আমি নির্দোষ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6094 OK

(৬০৯৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَتْ مَخْزُومِيَّةٌ تَسْتَعِيرُ الْمَتَاعَ وَتَجْحَدُهُ فَأَمَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقَطْعِ يَدِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

বনু মাখযুমের এক মহিলা ছিলো, যে জিনিসপত্র ধার করে ফেরত দিতো না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার হাত কেটে ফেলার নির্দেশ দেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6095 OK

(৬০৯৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৬২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُحَلِّقِينَ فَقَالَ رَجُلٌ وَلِلْمُقَصِّرِينَ فَقَالَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُحَلِّقِينَ فَقَالَ الرَّجُلُ وَلِلْمُقَصِّرِينَ فَقَالَ فِي الثَّالِثَةِ أَوْ الرَّابِعَةِ وَلِلْمُقَصِّرِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হুদায়বিয়ার দিন বলেছিলেন, “হে আল্লাহ, যারা তাদের মাথা মুণ্ডন করেছে, আপনি তাদেরকে ক্ষমা করুন।” এক ব্যক্তি বললো, “আর যারা চুল ছেটেছে? আপনি তাদের জন্যেও ক্ষমা প্রর্থনা করুন।” তিনি বললেন, “হে আল্লাহ, যারা তাদের মাথা মুণ্ডন করেছে, আপনি তাদেরকে ক্ষমা করুন।” লোকটি বললো, “আর যারা চুল ছেটেছে? আপনি তাদের জন্যেও ক্ষমা প্রর্থনা করুন।” তৃতীয় বা চতুর্থবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হে আল্লাহ, আর যারা তাদের চুল ছেটেছে, আপনি তাদেরকে ক্ষমা করুন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6096 OK

(৬০৯৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৩৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ يَهُودِيَّيْنِ زَنَيَا فَأُتِيَ بِهِمَا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَ بِرَجْمِهِمَا قَالَ فَرَأَيْتُ الرَّجُلَ يَقِيهَا بِنَفْسِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা এক ইহুদী পুরুষ ও এক মহিলা ব্যভিচার করলো। লোকেরা তাদেরকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে নিয়ে গেলো এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশে তাদের উভয়কে পাথর মেরে হত্যা করা হলো। আমি এই ইহুদীকে দেখেছি যে, সে মহিলাটির উপরে দাঁড়িয়ে ছিলো এবং তাকে পাথর থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছিলো, যতক্ষণ না, তারা উভয়ই মারা গিয়েছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6097 OK

(৬০৯৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৫১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ سَرِيَّةً إِلَى نَجْدٍ فَبَلَغَتْ سِهَامُهُمْ اثْنَيْ عَشَرَ بَعِيرًا وَنَفَّلَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعِيرًا بَعِيرًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নজদে একটি কাফেলা পাঠালেন, তাতে (গনীমতের মাল হিসেবে) বারোটি উট প্রাপ্ত হলো এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে একটি করে উট পুরস্কার হিসেবে দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6098 OK

(৬০৯৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪২৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَمْنَعُوا إِمَاءَ اللَّهِ مَسَاجِدَ اللَّهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা আল্লাহর বান্দীদেরকে মসজিদে আসতে বাধা দিও না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6099 OK

(৬০৯৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৪৭৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا هُرَيْمٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ تُحْمَلُ مَعَهُ الْعَنَزَةُ فِي الْعِيدَيْنِ فِي أَسْفَارِهِ فَتُرْكَزُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَيُصَلِّي إِلَيْهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ঈদুল আযহা উপলক্ষে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে একটি বর্শা বহন করা হয়েছিলো। যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে রাখা হয়েছিলো। আর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটাকে সতরা বানিয়ে নামাজের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৬০৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6100 OK

(৬১০০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ حَدَّثَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِزَكَاةِ الْفِطْرِ أَنْ تُؤَدَّى قَبْلَ خُرُوجِ النَّاسِ إِلَى الْمُصَلَّى وَقَالَ مَرَّةً إِلَى الصَّلَاةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদের নামাজের জন্যে বের হওয়ার আগে সদকা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৬১০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6101 OK

(৬১০১)

হাদিস দেখুন [৩১:২০২১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ وَقَّتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ ذَا الْحُلَيْفَةِ وَلِأَهْلِ الشَّامِ الْجُحْفَةَ وَلِأَهْلِ الْيَمَنِ يَلَمْلَمَ وَلِأَهْلِ نَجْدٍ قَرْنًا وَقَالَ هُنَّ وَقْتٌ لِأَهْلِهِنَّ وَلِمَنْ مَرَّ بِهِنَّ مِنْ غَيْرِ أَهْلِهِنَّ يُرِيدُ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ فَمَنْ كَانَ مَنْزِلُهُ مِنْ وَرَاءِ الْمِيقَاتِ فَإِهْلَالُهُ مِنْ حَيْثُ يُنْشِئُ وَكَذَلِكَ حَتَّى أَهْلُ مَكَّةَ إِهْلَالُهُمْ مِنْ حَيْثُ يُنْشِئُونَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনাবাসীদের জন্যে যুল-হুলাইফাহ, সিরিয়াবাসীদের জন্যে আল-জুহফাহ, ইয়েমেনের অধিবাসীদের জন্যে ইয়ালামলাম এবং নজদের অধিবাসীদের জন্যে কর্ণকে মীকাত নির্ধারণ করেছেন এবং বলেছেন যে, “এই মীকাতগুলো ঐসব লোকদের জন্যে, যারা এর বাইরে থাকে এবং হজ ও ওমরাহ করার নিয়তে ঐ স্থানগুলোর মধ্য দিয়ে যায়। যারা এই সীমানার মধ্যে থাকে, তারা ঐ স্থান থেকেই ইহরাম বাঁধতে পারে। আর মক্কার লোকেরা যেখানে থাকে, সেখান থেকেই ইহরাম বাঁধতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬১০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6102 OK

(৬১০২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ سَمِعْتُ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ وَعَبْدَ الْعَزِيزِ بْنَ أَبِي رَوَّادٍ يُحَدِّثَانِ عَنْ نَافِعٍ قَالَ خَرَجَ ابْنُ عُمَرَ يُرِيدُ الْحَجَّ زَمَانَ نَزَلَ الْحَجَّاجُ بِابْنِ الزُّبَيْرِ فَقِيلَ لَهُ إِنَّ النَّاسَ كَائِنٌ بَيْنَهُمْ قِتَالٌ وَإِنَّا نَخَافُ أَنْ يَصُدُّوكَ فَقَالَ لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ إِذَنْ أَصْنَعَ كَمَا صَنَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ أَوْجَبْتُ عُمْرَةً ثُمَّ خَرَجَ حَتَّى إِذَا كَانَ بِظَهْرِ الْبَيْدَاءِ قَالَ مَا شَأْنُ الْعُمْرَةِ وَالْحَجِّ إِلَّا وَاحِدًا أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ أَوْجَبْتُ حَجًّا مَعَ عُمْرَتِي وَأَهْدَى هَدْيًا اشْتَرَاهُ بِقُدَيْدٍ فَانْطَلَقَ حَتَّى قَدِمَ مَكَّةَ فَطَافَ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ لَمْ يَزِدْ عَلَى ذَلِكَ لَمْ يَنْحَرْ وَلَمْ يَحْلِقْ وَلَمْ يُقَصِّرْ وَلَمْ يَحْلِلْ مِنْ شَيْءٍ كَانَ أَحْرَمَ مِنْهُ حَتَّى كَانَ يَوْمُ النَّحْرِ فَنَحَرَ وَحَلَقَ ثُمَّ رَأَى أَنْ قَدْ قَضَى طَوَافَهُ لِلْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ وَلِطَوَافِهِ الْأَوَّلِ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا صَنَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন হাজীরা ইবনে যুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহুর উপর আক্রমণ করে, তখন ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হজ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হতে যাচ্ছিলেন। এমন সময় কেউ তাকে বলল, “আমরা আশঙ্কা করছি যে, এই বছর মানুষের মধ্যে মারামারি ও মারামারি হবে এবং আপনাকে মসজিদে হারামে পৌঁছাতে বাধা দেওয়া হবে।” ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সত্তায় তোমাদের জন্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। যদি আমাকে তা করতে বাধা দেওয়া হয়, তাহলে আমি তাই করবো, যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম করেছিলেন। আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, আমি ওমরা করার নিয়ত করেছি।” তারপর তিনি পায়ে হেঁটে রওনা দিলেন, যখন তিনি বাইদা নামক স্থানে পৌঁছালেন, তখন তিনি বললেন, “হজ্জ এবং ওমরার ব্যাপার একই। আমি তোমাদেরকে সাক্ষী রেখে বলছি যে, আমি আমার ওমরার সাথে হজ্জের নিয়ত করেছি।” তারপর তিনি মাকামে কাদির থেকে কুরবানীর জন্যে একটি পশু কিনে মক্কার দিকে রওনা হলেন। সেখানে পৌঁছে তিনি আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করলেন, সাফা ও মারওয়ার মধ্যে হেঁটে গেলেন, এবং এতে কিছু যোগ করলেন না, কুরবানী করলেন না, চুল মুণ্ডন করলেন না, ছোট করলেন না এবং দশম যিলহজ্জ পর্যন্ত নিজের জন্যে কিছু হালাল মনে করলেন না। দশম যিলহজ্জ তারিখে তিনি কুরবানী করলেন এবং চুল মুণ্ডন করলেন এবং তিনি এই মত পোষণ করলেন যে তিনি ইতিমধ্যেই হজ্জ এবং ওমরার তাওয়াফ শুরু করে দিয়েছেন। তিনি বললেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমনিই করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬১০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6103 OK

(৬১০৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ قَالَ سُئِلَ ابْنُ عُمَرَ عَنْ مُتْعَةِ الْحَجِّ فَأَمَرَ بِهَا وَقَالَ أَحَلَّهَا اللَّهُ تَعَالَى وَأَمَرَ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে হজ্জ তামাত্তু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তা অনুমতি দিয়ে বললেন, “আল্লাহ তাআলা এটিকে হালাল করেছেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটিকে অনুমতি দিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬১০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6104 OK

(৬১০৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৬১০৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ قَالَ سُئِلَ ابْنُ عُمَرَ عَنْ مُتْعَةِ الْحَجِّ فَأَمَرَ بِهَا وَقَالَ أَحَلَّهَا اللَّهُ تَعَالَى وَأَمَرَ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে হজ্জ তামাত্তু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তা অনুমতি দিয়ে বললেন, “আল্লাহ তাআলা এটিকে হালাল করেছেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটিকে অনুমতি দিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৬১০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6105 OK

(৬১০৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৫১] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ الْمُغِيرَةِ الطَّائِفِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمِقْدَامِ قَالَ رَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ يَمْشِي بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَقُلْتُ لَهُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا لَكَ لَا تَرْمُلُ فَقَالَ قَدْ رَمَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَرَكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুকাদাম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে সাফা-মারওয়ার মাঝখানে স্বাভাবিক গতিতে হাঁটতে দেখেছি। তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, “হে আবু আব্দুর রহমান! আপনি কেনো দ্রুত হাঁটছেন না?” তিনি বললেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এখানে উভয়টিই করেছেন, এখানে গতি বাড়িয়েছেন এবং গতি বাড়াননি। আমি যদি স্বাভাবিক গতিতে হাঁটি, তবে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এভাবে হাঁটতে দেখেছি এবং আমি যদি দ্রুত হাঁটি, তবে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও এভাবে দ্রুত হাঁটতে দেখেছি।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৬১০৫]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস