(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৯৪১টি]



5866 OK

(৫৮৬৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২০২১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ وَقَّتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ ذَا الْحُلَيْفَةِ وَلِأَهْلِ الشَّامِ الْجُحْفَةَ وَلِأَهْلِ الْيَمَنِ يَلَمْلَمَ وَلِأَهْلِ نَجْدٍ قَرْنًا وَقَالَ هُنَّ وَقْتٌ لِأَهْلِهِنَّ وَلِمَنْ مَرَّ بِهِنَّ مِنْ غَيْرِ أَهْلِهِنَّ يُرِيدُ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ فَمَنْ كَانَ مَنْزِلُهُ مِنْ وَرَاءِ الْمِيقَاتِ فَإِهْلَالُهُ مِنْ حَيْثُ يُنْشِئُ وَكَذَلِكَ حَتَّى أَهْلُ مَكَّةَ إِهْلَالُهُمْ مِنْ حَيْثُ يُنْشِئُونَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনাবাসীদের জন্যে যুল-হুলাইফাহ, সিরিয়াবাসীদের জন্যে আল-জুহফাহ, ইয়েমেনের অধিবাসীদের জন্যে ইয়ালামলাম এবং নজদের অধিবাসীদের জন্যে কর্ণকে মীকাত নির্ধারণ করেছেন এবং বলেছেন যে, “এই মীকাতগুলো ঐসব লোকদের জন্যে, যারা এর বাইরে থাকে এবং হজ ও ওমরাহ করার নিয়তে ঐ স্থানগুলোর মধ্য দিয়ে যায়। যারা এই সীমানার মধ্যে থাকে, তারা ঐ স্থান থেকেই ইহরাম বাঁধতে পারে। আর মক্কার লোকেরা যেখানে থাকে, সেখান থেকেই ইহরাম বাঁধতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5867 OK

(৫৮৬৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৭১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ تَطْلِيقَةً وَهِيَ حَائِضٌ فَسَأَلَ عُمَرُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَهُ أَنْ يَرْجِعَهَا ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ يُطَلِّقَهَا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّهَا قَالَ وَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ يُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ فَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا سُئِلَ عَنْ الرَّجُلِ يُطَلِّقُ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَيَقُولُ أَمَّا أَنَا فَطَلَّقْتُهَا وَاحِدَةً أَوْ اثْنَتَيْنِ ثُمَّ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَهُ أَنْ يُرْجِعَهَا ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ يُطَلِّقَهَا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّهَا وَأَمَّا أَنْتَ طَلَّقْتَهَا ثَلَاثًا فَقَدْ عَصَيْتَ اللَّهَ بِمَا أَمَرَكَ بِهِ مِنْ طَلَاقِ امْرَأَتِكَ وَبَانَتْ مِنْكَ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় এক ত্বলাক্ব দেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে আদেশ দিলেন, তিনি যেনো তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনেন এবং মহিলা পবিত্র হয়ে, আবার ঋতুবতী হয়ে, পরবর্তী পবিত্রা অবস্থা আসা পর্যন্ত, তাকে নিজের কাছে রাখেন। পবিত্র অবস্থায় যদি তাকে ত্বলাক্ব দিতে চায়, তবে সঙ্গমের পূর্বে ত্বলাক দিতে হবে। এটাই ইদ্দাত, যে সময় স্ত্রীদেরকে ত্বলাক্ব দেয়ার জন্যে আল্লাহ আদেশ দিয়েছেন। আবদুল্লাহকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি তাদেরকে বলেন, “তুমি যদি তাকে তিন ত্বলাক্ব দিয়ে দাও, তবে স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ না করা পর্যন্ত, তোমার জন্যে হারাম হয়ে যাবে।” অন্য বর্ণনায় হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তুমি যদি এক বা দুইত্বলাক্ব দিতে, তবে সেটাই উত্তম। কারণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে এরকমই নির্দেশ দিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5868 OK

(৫৮৬৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৫২৯৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا أَبِي سَمِعْتُ يُونُسَ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ أُتِيتُ وَأَنَا نَائِمٌ بِقَدَحٍ مِنْ لَبَنٍ فَشَرِبْتُ مِنْهُ حَتَّى جَعَلَ اللَّبَنُ يَخْرُجُ مِنْ أَظْفَارِي ثُمَّ نَاوَلْتُ فَضْلِي عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَمَا أَوَّلْتَهُ قَالَ الْعِلْمُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “একবার স্বপ্নে আমার কাছে এক পেয়ালা দুধ আনা হলো, আমি এতো বেশি পান করলাম যে, আমার নখ থেকে দুধ বের হতে লাগলো, তারপর আমি আমার অবশিষ্ট দুধ হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে পান করতে দিলাম।” কেউ একজন জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনি এই স্বপ্নের ব্যাখ্যা কি করেছেন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “জ্ঞান।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5869 OK

(৫৮৬৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৭৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهُ لَمْ يَكُنْ نَبِيٌّ قَبْلِي إِلَّا وَصَفَهُ لِأُمَّتِهِ وَلَأَصِفَنَّهُ صِفَةً لَمْ يَصِفْهَا مَنْ كَانَ قَبْلِي إِنَّهُ أَعْوَرُ وَاللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى لَيْسَ بِأَعْوَرَ عَيْنُهُ الْيُمْنَى كَأَنَّهَا عِنَبَةٌ طَافِيَةٌ


হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “প্রত্যেক নবীই তার উম্মতের সামনে দাজ্জালের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন, কিন্তু আমি তোমাদের কাছে তার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করবো যা আমার আগে কোনো নবী বর্ণনা করেননি। মনে রেখো দাজ্জাল হবে কানা (এবং প্রভুত্ব দাবি করবে) অথচ আল্লাহ কানা নন। তার ডান চোখ আঙুর বীজের মতো ফুলা থাকবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5870 OK

(৫৮৭০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৩২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ يَعْنِي ابْنَ عَمْرٍو عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَاطِبٍ أَنَّهُ حَدَّثَهُمْ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ وَقَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى الْقَلِيبِ يَوْمَ بَدْرٍ فَقَالَ يَا فُلَانُ يَا فُلَانُ هَلْ وَجَدْتُمْ مَا وَعَدَ رَبُّكُمْ حَقًّا أَمَا وَاللَّهِ إِنَّهُمْ الْآنَ لَيَسْمَعُونَ كَلَامِي قَالَ يَحْيَى فَقَالَتْ عَائِشَةُ غَفَرَ اللَّهُ لِأَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنَّهُ وَهِلَ إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاللَّهِ إِنَّهُمْ لَيَعْلَمُونَ الْآنَ أَنَّ الَّذِي كُنْتُ أَقُولُ لَهُمْ حَقًّا وَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ إِنَّكَ لَا تُسْمِعُ الْمَوْتَى وَمَا أَنْتَ بِمُسْمِعٍ مَنْ فِي الْقُبُورِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

বদর যুদ্ধের দিন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরাইশদের লাশ পড়ে থাকা কূপের কাছে এসে দাঁড়ালেন এবং প্রত্যেককে নাম ধরে ডাকলেন এবং বললেন, “হে আবু জেহেল ইবনে হিশাম! হে উতবাহ ইবনে রাবিয়াহ! হে শিবা বিন খালফ! আল্লাহ তোমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা সত্য পেয়েছো তো? আমি তো আল্লাহ আমাকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা নিশ্চিতই সত্য পেয়েছি।” উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “ইয়া রসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যারা লাশে পরিণত হয়েছে, তাদের সাথে আপনি কথা বলছেন?” রসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমার কথা তোমাদের চেয়েও ওরা ভালো শুনতে পাচ্ছে। তবে তারা সাড়া দিতে পারছে না।”

ইয়াহিয়া বলেন যে, যখন সাইয়্যিদা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু এই হাদিসটি জানতে পারলেন, তিনি বললেন, “আল্লাহ আবু আবদুর রহমানকে মাফ করে দিন। এটা হচ্ছে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটা কূপের পাশে দাঁড়িয়ে যাতে বদরের দিন নিহত কাফিরদের লাশ নিক্ষিপ্ত হয়েছিলো, তাদেরকে সম্বোধন করে যেরূপ বলেছিলেন। তিনি তাদের সম্পর্কে বলেছিলেন, আমি যা কিছু বলছি, তারা অবশ্যই তা শুনতে পাচ্ছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা বলেছেন, তার সঠিক তাৎপর্য হচ্ছে এই, আমি যা কিছু তাদেরকে তাদের জীবদ্দশায় বলেছিলাম, তারা এখন ভালোভাবে তা অনুধাবন করেছে যে, তা সম্পূর্ণ ন্যায়সঙ্গত ও সত্য।” অতঃপর তিনি (আয়িশাহ) এই আয়াত গুলো তিলাওয়াত করলেন,

فَإِنَّكَ لَا تُسۡمِعُ ٱلۡمَوۡتَىٰ وَلَا تُسۡمِعُ ٱلصُّمَّ ٱلدُّعَآءَ إِذَا وَلَّوۡاْ مُدۡبِرِينَ٥٢
নিশ্চয় আপনি মৃতদেরকে কুরআনের আহবান শুনাতে পারবেন না। আর আপনি বধিরকেও কুরআনের আহবান শুনাতে পারবেন না, যখন তারা পিঠ ফিরিয়ে চলে যায়। (৩০. আর রূম : ৫২)

وَمَا يَسۡتَوِي ٱلۡأَحۡيَآءُ وَلَا ٱلۡأَمۡوَٰتُۚ إِنَّ ٱللَّهَ يُسۡمِعُ مَن يَشَآءُۖ وَمَآ أَنتَ بِمُسۡمِعٖ مَّن فِي ٱلۡقُبُورِ٢٢
আর জীবিত ও মৃত একসমান নয়। নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছা শুনিয়ে থাকেন। আর যারা কবরের মধ্যে রয়েছে, আপনি তাদেরকেও শুনাতে সক্ষম নন। (৩৫. ফাতির : ২২)

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ কথাটা তখন বলেছিলেন যখন তারা জাহান্নামে নিজ ঠিকানায় পৌছে গেছে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5871 OK

(৫৮৭১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২২৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا حُمَيْدٌ عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَتْ تَلْبِيَةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ وَزَادَ فِيهَا ابْنُ عُمَرَ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ لَبَّيْكَ وَالرَّغْبَاءُ إِلَيْكَ وَالْعَمَلُ


হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তালবিয়া ছিলো এটি।

لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ

“আমি উপস্থিত হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত। তোমার কোন শরীক নেই, আমি উপস্থিত। নিঃসন্দেহে সমস্ত প্রশংসা ও সমস্ত বরকত তোমারই এবং সমস্ত সার্বভৌমত্ব তোমারই, তোমার কোন শরীক নেই।”

ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সাথে যোগ করতেন যে,

لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ لَبَّيْكَ وَالرَّغْبَاءُ إِلَيْكَ وَالْعَمَلُ

“আমি উপস্থিত, আমি উপস্থিত। আমি আপনার খেদমতে এসেছি। সকল প্রকার কল্যাণ আপনার হাতে, আমি উপস্থিত। সকল ইচ্ছা ও কর্ম আপনার জন্যে।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5872 OK

(৫৮৭২)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৭৫৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يُقَاتِلُكُمْ يَهُودُ فَتُسَلَّطُونَ عَلَيْهِمْ حَتَّى يَقُولَ الْحَجَرُ يَا مُسْلِمُ هَذَا يَهُودِيٌّ وَرَائِي فَاقْتُلْهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ইহুদীরা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করবে এবং তোমরা তাদেরকে পরাজিত করবে। এমনকি যদি কোনো ইহুদী পাথরের নিচে লুকিয়ে থাকে, তাহলে পাথরটি মুসলমানদের ডেকে বলবে, আমার নিচে একজন ইহুদী লুকিয়ে আছে, এসো এবং তাকে হত্যা করো।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5873 OK

(৫৮৭৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩৬০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ وَأَبُو بَكْرِ بْنُ سُلَيْمَانَ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ لَيْلَةٍ صَلَاةَ الْعِشَاءِ فِي آخِرِ حَيَاتِهِ فَلَمَّا سَلَّمَ قَامَ قَالَ أَرَأَيْتُمْ لَيْلَتَكُمْ هَذِهِ عَلَى رَأْسِ مِائَةِ سَنَةٍ مِنْهَا لَا يَبْقَى مِمَّنْ هُوَ عَلَى ظَهْرِ الْأَرْضِ أَحَدٌ قَالَ ابْنُ عُمَرَ فَوَهِلَ النَّاسُ فِي مَقَالَةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تِلْكَ فِيمَا يَتَحَدَّثُونَ مِنْ هَذِهِ الْأَحَادِيثِ عَنْ مِائَةِ سَنَةٍ وَإِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَبْقَى الْيَوْمَ مِمَّنْ هُوَ عَلَى ظَهْرِ الْأَرْضِ يُرِيدُ أَنْ يَنْخَرِمَ ذَلِكَ الْقَرْنُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবনের শেষ দিকে একবার এশার সালাত আদায় করেছিলেন এবং সালাম ফিরানোর পর তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন, “তোমরা এই রাতটিকে মনে রেখো। কারণ এখন পৃথিবীতে যারা আছে, এর পুরো একশ বছর পর তাদের কেউই আর পৃথিবীতে অবশিষ্ট থাকবে না।” সাইয়্যিদুনা ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, “অনেক লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই বাণীর বিষয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েছে। তারা বছরের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকার কথা শুরু করেছেন। আসলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, আজ পৃথিবীতে যারা আছে, একশ বছর পর, তাদের কেউই আর অবশিষ্ট থাকবে না। এবং তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, এই প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে। (এর মানে এই নয় যে, এখন থেকে একশ বছর পরে কিয়ামত সংগঠিত হবে।)” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5874 OK

(৫৮৭৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৯৯৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ جَبَلَةَ بْنِ سُحَيْمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَقْرُنَ الرَّجُلُ بَيْنَ التَّمْرَتَيْنِ حَتَّى يَسْتَأْذِنَ أَصْحَابَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাবার সঙ্গীদের অনুমতি ছাড়া, একসঙ্গে দুটি খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5875 OK

(৫৮৭৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৭২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ سَمِعْتُ مُحَارِبَ بْنَ دِثَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ جَرَّ ثَوْبَهُ مِنْ مَخِيلَةٍ لَمْ يَنْظُرْ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি অহঙ্কার বশত মাটিতে কাপড় টেনে নিয়ে হাঁটে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না। আল্লাহ তার সাথে কথা বলবেন না ও তার প্রতি দয়া করবেন না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5876 OK

(৫৮৭৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ كُنْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ بِعَرَفَاتٍ فَلَمَّا كَانَ حِينَ رَاحَ رُحْتُ مَعَهُ حَتَّى أَتَى الْإِمَامَ فَصَلَّى مَعَهُ الْأُولَى وَالْعَصْرَ ثُمَّ وَقَفَ مَعَهُ وَأَنَا وَأَصْحَابٌ لِي حَتَّى أَفَاضَ الْإِمَامُ فَأَفَضْنَا مَعَهُ حَتَّى انْتَهَيْنَا إِلَى الْمَضِيقِ دُونَ الْمَأْزِمَيْنِ فَأَنَاخَ وَأَنَخْنَا وَنَحْنُ نَحْسَبُ أَنَّهُ يُرِيدُ أَنْ يُصَلِّيَ فَقَالَ غُلَامُهُ الَّذِي يُمْسِكُ رَاحِلَتَهُ إِنَّهُ لَيْسَ يُرِيدُ الصَّلَاةَ وَلَكِنَّهُ ذَكَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا انْتَهَى إِلَى هَذَا الْمَكَانِ قَضَى حَاجَتَهُ فَهُوَ يُحِبُّ أَنْ يَقْضِيَ حَاجَتَهُ


হজরত আনাস বিন সীরীন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি একবার আরাফাতের ময়দানে ইবনে ওমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ছিলাম। যখন তিনি (আরাফাতের উদ্দেশ্যে) গমন করলেন আমিও তার সাথে গমন করলাম। ইমাম এলে তাঁর সাথে তিনি যোহর ও আসরের নামায (একসাথে কসর করে যোহরের সময়েই) আদায় করলেন। অতঃপর তিনি, আমি এবং আমার কতিপয় সাথী আরাফাতে অবস্থান নিলাম। ইমাম যখন আরাফাত ত্যাগ করে মুযদালিফার উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন আমরাও তার সাথে যাত্রা করলাম। ‘মাযেমায়ন‘’ নামক স্থানের পূর্বে এক গিরী পথে পৌঁছে তিনি উট থামালেন ও অবতরণ করলেন। আমরাও উট থামালাম। আমরা ভাবলাম তিনি হয়তো সালাত আদায় করবেন। কিন্তু তার বাহনের রশি ধারণকারী ক্রীতদাস বললেন, “তিনি এখানে কোনো সালাতের ইচ্ছা করেন নি; বরং তিনি স্মরণ করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ স্থানে এসে স্বীয় প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণ করেছেন। তাই তিনিও পছন্দ করলেন এ স্থানে প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণ করবেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5877 OK

(৫৮৭৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৮০৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ وَحَجَّاجٌ قَالَ حَدَّثَنِي شُعْبَةُ سَمِعْتُ مُسْلِمَ بْنَ يَنَّاقٍ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ رَأَى رَجُلًا يَجُرُّ إِزَارَهُ فَقَالَ مِمَّنْ أَنْتَ فَانْتَسَبَ لَهُ فَإِذَا رَجُلٌ مِنْ بَنِى لَيْثٍ فَعَرَفَهُ ابْنُ عُمَرَ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأُذُنَيَّ هَاتَيْنِ يَقُولُ مَنْ جَرَّ إِزَارَهُ لَا يُرِيدُ بِذَلِكَ إِلَّا الْمَخِيلَةَ فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى لَا يَنْظُرُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ


হজরত মুসলিম বিন ইয়ানাক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এক ব্যক্তিকে তার কাপড় মাটিতে টেনে নিয়ে যেতে দেখলেন। তখন তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কোথা থেকে এসেছেন?” যখন তিনি তার বংশ বর্ণনা করলেন, তখন দেখা গেলো যে, তিনি বনু লায়তের লোক। সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে শনাক্ত করলেন এবং তারপর বললেন, “আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমার উভয় কান দিয়ে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি অহঙ্কার বশত তার কাপড় মাটিতে টেনে নিয়ে হাঁটে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার প্রতি দয়া করবেন না’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5878 OK

(৫৮৭৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১৬৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُعَاوِيِّ أَنَّ رَجُلًا صَلَّى إِلَى جَنْبِ ابْنِ عُمَرَ فَجَعَلَ يَعْبَثُ بِالْحَصَى فَقَالَ لَا تَعْبَثْ بِالْحَصَى فَإِنَّهُ مِنْ الشَّيْطَانِ وَلَكِنْ اصْنَعْ كَمَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصْنَعُ قَالَ هَكَذَا وَأَرَانَا وُهَيْبٌ وَصَفَهُ عَفَّانُ وَضَعَ يَدَهُ الْيُسْرَى وَبَسَطَ أَصَابِعَهُ عَلَى رُكْبَتِهِ الْيُسْرَى وَوَضَعَ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى رُكْبَتِهِ الْيُمْنَى وَكَأَنَّهُ عَقَدَ وَأَشَارَ بِالسَّبَّابَةِ


হজরত আলী ইবনু আবদুর রহমান আল-মুআবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণিতঃ

একদা আবদুল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে সালাতের মধ্যে নুড়ি পাথর দিয়ে অনর্থক নাড়াচাড়া করতে দেখলেন। অতঃপর যখন তার সালাত শেষ হলো, তখন তিনি আমাকে এরূপ করতে নিষেধ করলেন এবং বললেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাতে যা করতেন, তুমিও তাই করবে।” আমি বললাম, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত কি করতেন?” তিনি বললেন, “সালাতরত অবস্থায় তিনি যখন বসতেন তখন তাঁর ডান হাতের তালু ডান উরুর উপর রাখতেন এবং সব আঙ্গুল বন্ধ করে রাখতেন আর বৃদ্ধাঙ্গুলির পাশের (শাহাদাত) অঙ্গুলি দ্বারা ইশারা করতেন, আর বাম হাতের তালু বাম পায়ের উরুর উপর রাখতেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5879 OK

(৫৮৭৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا مِنْ أَيَّامٍ أَعْظَمُ عِنْدَ اللَّهِ وَلَا أَحَبُّ إِلَيْهِ الْعَمَلُ فِيهِنَّ مِنْ هَذِهِ الْأَيَّامِ الْعَشْرِ فَأَكْثِرُوا فِيهِنَّ مِنْ التَّهْلِيلِ وَالتَّكْبِيرِ وَالتَّحْمِيدِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যুল-হিজ্জার প্রথম দশ দিনের চেয়ে কোনো নেক আমল আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়ো নয়, যেমনটি এই দশ দিনে প্রিয়ো। অতএব তোমরা ঐ দিন গুলোকে অধিক পরিমানে তাহলীল, তাকবীর ও তাহমীদ পাঠ করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5880 OK

(৫৮৮০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ بِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সওয়ারীর উপর নফল নামায পড়তেন, সওয়ারী যে দিকেই মুখ করে থাকতো না কেনো। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5881 OK

(৫৮৮১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৩৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِبَعْضِ جَسَدِي فَقَالَ يَا عَبْدَ اللَّهِ كُنْ فِي الدُّنْيَا كَأَنَّكَ غَرِيبٌ أَوْ عَابِرُ سَبِيلٍ وَاعْدُدْ نَفْسَكَ فِي الْمَوْتَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার আমার শরীরের একটি অংশ ধরে বললেন, “হে আবদুল্লাহ! দুনিয়াতে পথিক বা পথচারীর মতো থাকো এবং নিজেকে মৃত্যুর জন্যে প্রস্তুত করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5882 OK

(৫৮৮২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيَنَامُ أَحَدُنَا وَهُوَ جُنُبٌ قَالَ نَعَمْ إِذَا تَوَضَّأَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, “যদি কোনো ব্যক্তি অপবিত্র হয়ে যায়, তাহলে সে কি সেই অবস্থায় ঘুমাতে পারবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হ্যাঁ, অযু করো এবং ঘুমাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5883 OK

(৫৮৮৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৩৪৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانَ ابْنُ عُمَرَ يَتَوَضَّأُ ثَلَاثًا يَرْفَعُهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَتَوَضَّأُ مَرَّةً مَرَّةً يَرْفَعُهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রতিটি অঙ্গ তিনবার ধৌত করে ওযু করতেন এবং তিনি তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি আরোপ করেছেন। আর ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রতিটি অঙ্গ একবার ধৌত করে ওযু করতেন এবং তিনি তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি আরোপ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5884 OK

(৫৮৮৪)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯৫৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي الْجَهْمِ بْنِ صُخَيْرٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةَ الْخَوْفِ بِذِي قَرَدٍ أَرْضٍ مِنْ أَرْضِ بَنِي سُلَيْمٍ فَصَفَّ النَّاسُ خَلْفَهُ صَفَّيْنِ صَفٌّ مُوَازِي الْعَدُوِّ وَصَفٌّ خَلْفَهُ فَصَلَّى بِالصَّفِّ الَّذِي يَلِيهِ رَكْعَةً ثُمَّ نَكَصَ هَؤُلَاءِ إِلَى مَصَافِّ هَؤُلَاءِ وَهَؤُلَاءِ إِلَى مَصَافِّ هَؤُلَاءِ فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً أُخْرَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনু সালিমের একটি এলাকায় ধু-কুরদ নামক স্থানে ভয়ের সালাত আদায় করেছিলেন। লোকেরা তার পিছনে দুটি সারি তৈরি করেছিলো। একটি সারি শত্রুর মুখোমুখি এবং একটি সারি তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে ছিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের এক রাকাত ইমামতি করলেন, অতঃপর তারা শত্রুদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা লোকদের পরিবর্তে পিছনে চলে গেলো এবং তারা তাদের জায়গায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে দাঁড়ালো এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে দ্বিতীয় রাকাত সালাত পড়ালেন।
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5885 OK

(৫৮৮৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَيَّاشٍ وَعِصَامُ بْنُ خَالِدٍ قَالَا حَدَّثَنَا ابْنُ ثَوْبَانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ مَكْحُولٍ عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ اللَّهَ يَقْبَلُ تَوْبَةَ الْعَبْدِ مَا لَمْ يُغَرْغِرْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ তাআলা বান্দার তওবা হতাশার পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই কবুল করেন।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5886 OK

(৫৮৮৬)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا صَفْوَانُ عَنْ شُرَيْحِ بْنِ عُبَيْدٍ الْحَضْرَمِيِّ أَنَّهُ سَمِعَ الزُّبَيْرَ بْنَ الْوَلِيدِ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا غَزَا أَوْ سَافَرَ فَأَدْرَكَهُ اللَّيْلُ قَالَ يَا أَرْضُ رَبِّي وَرَبُّكِ اللَّهُ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شَرِّكِ وَشَرِّ مَا فِيكِ وَشَرِّ مَا خُلِقَ فِيكِ وَشَرِّ مَا دَبَّ عَلَيْكِ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شَرِّ كُلِّ أَسَدٍ وَأَسْوَدَ وَحَيَّةٍ وَعَقْرَبٍ وَمِنْ شَرِّ سَاكِنِ الْبَلَدِ وَمِنْ شَرِّ وَالِدٍ وَمَا وَلَدَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোনো সফরে অথবা যুদ্ধে থাকতেন এবং রাত আসতো, তখন বলতেন,

يَا أَرْضُ رَبِّي وَرَبُّكِ اللَّهُ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شَرِّكِ وَشَرِّ مَا فِيكِ وَشَرِّ مَا خُلِقَ فِيكِ وَشَرِّ مَا دَبَّ عَلَيْكِ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شَرِّ كُلِّ أَسَدٍ وَأَسْوَدَ وَحَيَّةٍ وَعَقْرَبٍ وَمِنْ شَرِّ سَاكِنِ الْبَلَدِ وَمِنْ شَرِّ وَالِدٍ وَمَا وَلَدَ

“হে পৃথিবী, আমার এবং তোমার প্রতিপালক হলেন আল্লাহ। আমি তোমার অনিষ্ট থেকে, তোমার ভেতরে যা কিছু আছে, তার অনিষ্ট থেকে, তোমার ভেতরে যা কিছু সৃষ্টি করা হয়েছে, তার অনিষ্ট থেকে এবং তোমার উপর দিয়ে যারা হেঁটে বেড়ায়, তাদের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি আল্লাহর কাছে প্রতিটি সিংহ, কালো জিনিস, সাপ ও বিচ্ছু, শহরের লোকদের অনিষ্ট থেকে এবং পিতা ও সন্তানদের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৮৬]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5887 OK

(৫৮৮৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَمْرٍو أَبُو عُثْمَانَ الْأُحْمُوسِيُّ حَدَّثَنِي الْمُخَارِقُ بْنُ أَبِي الْمُخَارِقِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ حَوْضِي كَمَا بَيْنَ عَدَنَ وَعَمَّانَ أَبْرَدُ مِنْ الثَّلْجِ وَأَحْلَى مِنْ الْعَسَلِ وَأَطْيَبُ رِيحًا مِنْ الْمِسْكِ أَكْوَابُهُ مِثْلُ نُجُومِ السَّمَاءِ مَنْ شَرِبَ مِنْهُ شَرْبَةً لَمْ يَظْمَأْ بَعْدَهَا أَبَدًا أَوَّلُ النَّاسِ عَلَيْهِ وُرُودًا صَعَالِيكُ الْمُهَاجِرِينَ قَالَ قَائِلٌ وَمَنْ هُمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ الشَّعِثَةُ رُءُوسُهُمْ الشَّحِبَةُ وُجُوهُهُمْ الدَّنِسَةُ ثِيَابُهُمْ لَا يُفْتَحُ لَهُمْ السُّدَدُ وَلَا يَنْكِحُونَ الْمُتَنَعِّمَاتِ الَّذِينَ يُعْطُونَ كُلَّ الَّذِي عَلَيْهِمْ وَلَا يَأْخُذُونَ الَّذِي لَهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমার হাউজ আদেন ও ওমানের দূরত্বের সমান প্রশস্ত, এর পানি বরফের চেয়েও ঠান্ডা, মধুর চেয়েও মিষ্টি এবং কস্তুরীর চেয়েও সুগন্ধযুক্ত। এর পানকারীরা আকাশের তারার মতো অসংখ্য। যে কেউ তা পান করবে, সে কখনও পিপাসার্ত হবে না এবং সর্বপ্রথম এতে প্রবেশ করবে মুহাজিররা।” কেউ জিজ্ঞাসা করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তারা কারা হবে?” তিনি বললেন, “যাদের চুল এলোমেলো, মুখমণ্ডল মলিন, নোংরা পোশাক, যাদের জন্যে এই পৃথিবীতে দরজা খোলা হয় না, তাদের সাথে বিলাসিতা ও আরাম-আয়েশে লালিত-পালিত মেয়েদের সাথে সম্পর্ক গ্রহণযোগ্য নয়, যারা তাদের প্রতিটি দায়িত্ব পালন করে, অথচো তাদের প্রাপ্য পায় না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5888 OK

(৫৮৮৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩১২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا افْتَتَحَ الصَّلَاةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ مَنْكِبَيْهِ وَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ وَبَعْدَمَا يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنْ الرُّكُوعِ وَقَالَ سُفْيَانُ مَرَّةً وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ وَأَكْثَرُ مَا كَانَ يَقُولُ وَبَعْدَمَا يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنْ الرُّكُوعِ وَلَا يَرْفَعُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি, সালাতের শুরুতে কাঁধের সমতলে হাত দিয়ে রফে ইয়াদীন করতে। পাশাপাশি রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে মাথা উঠানোর পরও আমি তাঁকে রফে ইয়াদ্দীন করতে দেখেছি। কিন্তু দুই সেজদার মাঝে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রফে ইয়াদ্দীন করেননি। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5889 OK

(৫৮৮৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১৩৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنَا أَبُو طُعْمَةَ قَالَ ابْنُ لَهِيعَةَ لَا أَعْرِفُ إِيشْ اسْمُهُ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْمِرْبَدِ فَخَرَجْتُ مَعَهُ فَكُنْتُ عَنْ يَمِينِهِ وَأَقْبَلَ أَبُو بَكْرٍ فَتَأَخَّرْتُ لَهُ فَكَانَ عَنْ يَمِينِهِ وَكُنْتُ عَنْ يَسَارِهِ ثُمَّ أَقْبَلَ عُمَرُ فَتَنَحَّيْتُ لَهُ فَكَانَ عَنْ يَسَارِهِ فَأَتَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمِرْبَدَ فَإِذَا بِأَزْقَاقٍ عَلَى الْمِرْبَدِ فِيهَا خَمْرٌ قَالَ ابْنُ عُمَرَ فَدَعَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمُدْيَةِ قَالَ وَمَا عَرَفْتُ الْمُدْيَةَ إِلَّا يَوْمَئِذٍ فَأَمَرَ بِالزِّقَاقِ فَشُقَّتْ ثُمَّ قَالَ لُعِنَتْ الْخَمْرُ وَشَارِبُهَا وَسَاقِيهَا وَبَائِعُهَا وَمُبْتَاعُهَا وَحَامِلُهَا وَالْمَحْمُولَةُ إِلَيْهِ وَعَاصِرُهَا وَمُعْتَصِرُهَا وَآكِلُ ثَمَنِهَا حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عُمَرَ يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ أَبِي طُعْمَةَ مَوْلَاهُمْ وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْغَافِقِيِّ أَنَّهُمَا سَمِعَا ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لُعِنَتْ الْخَمْرُ عَلَى عَشَرَةِ وُجُوهٍ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উটের ঘাটে গেলেন। আমিও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে গেলাম। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ডান দিকে ছিলাম। কিছুক্ষণ পর সিদ্দীক আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহু সামনে থেকে আসলেন। আমি আমার স্থান থেকে সরে গেলাম। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ডান দিকে এবং আমি বাম দিকে এলাম। এর কিছুক্ষণ পর হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সামনে থেকে আসলেন। আমি আমার স্থান থেকে সরে গেলাম। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাম দিকে এবং আমিও বাম দিকে এলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন উটের ঘাটে পৌছলেন, তখন তিনি কিছু মশকের মধ্যে মদ দেখতে পেলেন। তিনি আমাকে ঐ মশক গুলোকে ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “মদের উপর দশভাবে অভিসম্পাত করা হয়েছে। (১) স্বয়ং মদ (অভিশপ্ত), (২) মদ উৎপাদক, (৩) যে মদ উৎপাদন করায়, (৪) মদের বিক্রেতা, (৫) মদের ক্রেতা, (৬) মদের বহনকারী, (৭) মদ যার জন্যে বহন করা হয়, (৮) মদের মূল্য ভোগকারী, (৯) মদ পানকারী ও (১০) মদ পরিবেশনকারী (এদের সকলেই অভিশপ্ত)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5890 OK

(৫৮৯০)

হাদিস দেখুন [৩১:৫২৯২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ حَدَّثَنَا هِشَامٌ يَعْنِي ابْنَ سَعْدٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ دَخَلْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُطِيعٍ فَقَالَ مَرْحَبًا بِأَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ ضَعُوا لَهُ وِسَادَةً فَقَالَ إِنَّمَا جِئْتُكَ لِأُحَدِّثَكَ حَدِيثًا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ نَزَعَ يَدًا مَنْ طَاعَةِ اللَّهِ فَإِنَّهُ يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَا حُجَّةَ لَهُ وَمَنْ مَاتَ وَهُوَ مَفَارِقٌ لِلْجَمَاعَةِ فَإِنَّهُ يَمُوتُ مِيتَةً جَاهِلِيَّةً


হজরত যায়েদ বিন আসলাম রাদিয়াল্লাহু আনহু তার পিতা থেকে থেকে বর্ণিতঃ

আমি একবার হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে আবদুল্লাহ ইবনে মুতীর কাছে গেলাম। তিনি হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে স্বাগত জানালেন এবং লোকদের নির্দেশ দিলেন তাঁকে একটি বালিশ দিতে। হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি তোমাদের কাছে একটি হাদিস বর্ণনা করতে এসেছি, যা আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সঠিক পথ থেকে সরে যায়, বিচারের দিন তার কোনো যুক্তিই প্রহণ করা হবে না এবং যে ব্যক্তি জামায়াত ত্যাগ করে মারা যায়, সে জাহেলিয়াতের মৃত্যুবরণ করবে’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5891 OK

(৫৮৯১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩২২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا حَسَدَ إِلَّا فِي اثْنَتَيْنِ رَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ الْقُرْآنَ فَهُوَ يَقُومُ بِهِ آنَاءَ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَرَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ مَالًا فَهُوَ يُنْفِقُهُ فِي الْحَقِّ آنَاءَ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ


হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “দুই জন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো ব্যাপারে হিংসা করা ঠিক নয়। (১) প্রথম ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ কুরআনের সম্পদ দান করেছেন এবং সে দিনরাত তা তিলাওয়াত করে থাকে। (২) আর দ্বিতীয় ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন এবং তাকে শক্তি দিয়েছেন সৎপথে উহা ব্যয় করতে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5892 OK

(৫৮৯২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَالِمٍ حَدَّثَنِي الْعَلَاءُ بْنُ عُتْبَةَ الْحِمْصِيُّ أَوْ الْيَحْصُبِيُّ عَنْ عُمَيْرِ بْنِ هَانِئٍ الْعَنْسِيِّ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ كُنَّا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُعُودًا فَذَكَرَ الْفِتَنَ فَأَكْثَرَ ذِكْرَهَا حَتَّى ذَكَرَ فِتْنَةَ الْأَحْلَاسِ فَقَالَ قَائِلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا فِتْنَةُ الْأَحْلَاسِ قَالَ هِيَ فِتْنَةُ هَرَبٍ وَحَرَبٍ ثُمَّ فِتْنَةُ السَّرَّاءِ دَخَلُهَا أَوْ دَخَنُهَا مِنْ تَحْتِ قَدَمَيْ رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ بَيْتِي يَزْعُمُ أَنَّهُ مِنِّي وَلَيْسَ مِنِّي إِنَّمَا وَلِيِّيَ الْمُتَّقُونَ ثُمَّ يَصْطَلِحُ النَّاسُ عَلَى رَجُلٍ كَوَرِكٍ عَلَى ضِلَعٍ ثُمَّ فِتْنَةُ الدُّهَيْمَاءِ لَا تَدَعُ أَحَدًا مِنْ هَذِهِ الْأُمَّةِ إِلَّا لَطَمَتْهُ لَطْمَةً فَإِذَا قِيلَ انْقَطَعَتْ تَمَادَتْ يُصْبِحُ الرَّجُلُ فِيهَا مُؤْمِنًا وَيُمْسِي كَافِرًا حَتَّى يَصِيرَ النَّاسُ إِلَى فُسْطَاطَيْنِ فُسْطَاطُ إِيمَانٍ لَا نِفَاقَ فِيهِ وَفُسْطَاطُ نِفَاقٍ لَا إِيمَانَ فِيهِ إِذَا كَانَ ذَاكُمْ فَانْتَظِرُوا الدَّجَّالَ مِنْ الْيَوْمِ أَوْ غَدٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে বসে ছিলাম এবং তিনি ফিতনার কথা বলছিলেন। তিনি সেগুলো বিস্তারিত ভাবে উল্লেখ করলেন এবং মাঝখানে তিনি “ফিতনা আহলাস” কথাও উল্লেখ করলেন। কেউ একজন জিজ্ঞাসা করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ফিতনা আহলাস বলতে কী বোঝায়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এটি যুদ্ধ হতে পলায়ন এবং যুদ্ধের প্রলোভনকে নির্দেশ করে।” তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সারার প্রলোভনের কথা উল্লেখ করে বললেন, “আমার পরিবারের একজন ব্যক্তির পায়ের নিচ থেকে এর ধোঁয়া উঠবে এবং সে মনে করবে যে, সে আমার থেকে, যদিও আমার সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। আমার বন্ধুরা হলেন ধার্মিক ব্যক্তিরা। তারপর লোকেরা এমন একজন ব্যক্তির উপর একমত হবে, যে ব্যক্তির ফিতনা তাদের কাছে পাঁজরে কাঁটার মতো বিঁধবে। এরপর, ফিতনা হবে সূক্ষ্ম, যা এই জাতির প্রতিটি ব্যক্তির উপর চড়াও হবে। যখন লোকেরা বলবে যে, এই ফিতনা শেষ হয়ে গেছে, তখন তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। সেই সময়, একজন ব্যক্তি সকালে মুমিন থাকবে এবং সন্ধ্যায় কাফের হবে, যতক্ষণ না মানুষ দলে দলে বিভক্ত হয়ে যাবে। এক দল হবে ঈমানের, যেখানে কোনো মুনাফিকি থাকবে না, এবং অন্য দল হবে মুনাফিকির, যেখানে কোনো ঈমান থাকবে না। যখন এমন সময় তোমাদের উপর আসবে, তখন তোমরা দাজ্জালের জন্যে অপেক্ষা করো, কারণ দাজ্জাল সেই দিন অথবা পরের দিনই আবির্ভূত হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5893 OK

(৫৮৯৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৬৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ تَأْمُرُنَا أَنْ نُصَلِّيَ مِنْ اللَّيْلِ قَالَ يُصَلِّي أَحَدُكُمْ مَثْنَى مَثْنَى فَإِذَا خَشِيَ الصُّبْحَ صَلَّى وَاحِدَةً فَأَوْتَرَتْ لَهُ مَا قَدْ صَلَّى مِنْ اللَّيْلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! রাতের নামায সম্পর্কে আপনি আমাদেরকে কি নির্দেশ দেন (রাতে কিভাবে নামাজ পড়তে হয়)?” তিনি বললেন, “তুমি দুই রাকাত নামায পড়ো এবং যখন ফজরের আশঙ্কা থাকে, তখন এ দুয়ের সাথে আরও এক রাকাত নামায যোগ করো। রাতে তুমি যতটুকু সালাত আদায় করেছো, ততটুকুই বিতরের জন্যে যথেষ্ট হবে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5894 OK

(৫৮৯৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৪৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ صَلَاةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى وَالْوِتْرُ رَكْعَةٌ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “রাতের নামায হলো দুই রাকাত, দুই রাকাত করে। আর বিতর নামায হলো, রাতের শেষ অংশে এক রাকাত। আর যখন তোমরা ফজরের আশঙ্কা করো, তখন তোমরা বিতর পড়ে নাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5895 OK

(৫৮৯৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫১৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الْحَفَرِيُّ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ إِسْمَاعِيلَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِقَتْلِ الْكِلَابِ حَتَّى قَتَلْنَا كَلْبَ امْرَأَةٍ جَاءَتْ مِنْ الْبَادِيَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনায় কুকুর হত্যা করার নির্দেশ দেন। এক মহিলা গ্রাম থেকে এসেছিলেন এবং আমরা তার কুকুরটিকেও হত্যা করেছিলাম। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৮৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস