(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১২১১টি]



5596 OK

(৫৫৯৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৬২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ يَبِيعَ الرَّجُلُ طَعَامًا حَتَّى يَسْتَوْفِيَهُ قَالَ فَقُلْتُ لَهُ كَيْفَ ذَلِكَ قَالَ ذَلِكَ دَرَاهِمُ بِدَرَاهِمَ وَالطَّعَامُ مُرْجَأٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য বা কোনো শস্য ক্রয় করে, সে যেনো তা পুরোপুরি দখল করার আগে বিক্রি না করে।” আমি [বর্ণনাকারী] তাকে বললাম, “কেনো এমন হলো?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “এটা হবে দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম বিক্রি করার মতো, অথচ খাদ্যদ্রব্য এখনো স্থগিত রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5597 OK

(৫৫৯৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ الشَّافِعِيُّ رَحِمَهُ اللَّهُ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَبِعْ بَعْضُكُمْ عَلَى بَيْعِ بَعْضٍ وَنَهَى عَنْ النَّجْشِ وَنَهَى عَنْ بَيْعِ حَبَلِ الْحَبَلَةِ وَنَهَى عَنْ الْمُزَابَنَةِ وَالْمُزَابَنَةُ بَيْعُ الثَّمَرِ بِالتَّمْرِ كَيْلًا وَبَيْعُ الْكَرْمِ بِالزَّبِيبِ كَيْلًا حَدَّثَنَا مُصْعَبٌ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ النَّجْشِ مِثْلَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাজাশ করতে নিষেধ করেছেন। নাজাশ বলা হয়, মালের উপযুক্ত দামের চাইতে অধিক দাম বলা অথচ তার ক্রয়ের ইচ্ছা নেই। বরং এই অধিক দাম বলার উদ্দেশ্য যেনো, অন্য ব্যক্তি তার অনুসরণ করে ধোঁকায় পড়ে এই দামে উহা ক্রয় করে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মুজাবানা বিক্রির অর্থ পরিমাপ করে খেজুরের বিনিময়ে ফল বিক্রি করা উচিত, অথবা পরিমাপ করে কিশমিশের বিনিময়ে আঙুর বিক্রি করা উচিত।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5598 OK

(৫৫৯৮)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ عُقَيْلٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِحَدِّ الشِّفَارِ وَأَنْ تُوَارَى عَنْ الْبَهَائِمِ وَإِذَا ذَبَحَ أَحَدُكُمْ فَلْيُجْهِزْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা যখন পশুদেরকে জবাই করো, তখন ছুরি গুলোকে আগে থেকে ধারালো করো। ছুরি গুলোকে পশুদের থেকে লুকিয়ে রাখো। তারপর দ্রুত তাদেরকে জবাই করো। পশুদেরকে কষ্ট দিয়ো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৯৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5599 OK

(৫৫৯৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ عَلَيْكُمْ بِالسِّوَاكِ فَإِنَّهُ مَطْيَبَةٌ لِلْفَمِ وَمَرْضَاةٌ لِلرَّبِّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা মিসওয়াককে নিজের উপর ওয়াজিব করে নাও, কারণ তা মুখকে পবিত্র করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির কারণ হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৫৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5600 OK

(৫৬০০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ أَنْ تُؤْتَى رُخَصُهُ كَمَا يَكْرَهُ أَنْ تُؤْتَى مَعْصِيَتُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর আদেশ পালন করাকে ততটা পছন্দ করেন, যেমন তিনি তাঁর অবাধ্যতাকে অপছন্দ করে থাকেন।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৬০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5601 OK

(৫৬০১)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا رِشْدِينُ عَنْ أَبِي صَخْرٍ حُمَيْدِ بْنِ زِيَادٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ سَيَكُونُ فِي هَذِهِ الْأُمَّةِ مَسْخٌ أَلَا وَذَاكَ فِي الْمُكَذِّبِينَ بِالْقَدَرِ وَالزِّنْدِيقِيَّةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “এই উম্মাতের মধ্যেও বিকৃত ব্যক্তিত্ব থাকবে, মনে রাখবে যে, তারা হবে নিয়তীকে অস্বীকারকারী বা বিধর্মী।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬০১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5602 OK

(৫৬০২)

হাদিস দেখুন [৩১:৫২৯৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا أَبِي سَمِعْتُ يُونُسَ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ أُتِيتُ وَأَنَا نَائِمٌ بِقَدَحٍ مِنْ لَبَنٍ فَشَرِبْتُ مِنْهُ حَتَّى جَعَلَ اللَّبَنُ يَخْرُجُ مِنْ أَظْفَارِي ثُمَّ نَاوَلْتُ فَضْلِي عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَمَا أَوَّلْتَهُ قَالَ الْعِلْمُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “একবার স্বপ্নে আমার কাছে এক পেয়ালা দুধ আনা হলো, আমি এতো বেশি পান করলাম যে, আমার নখ থেকে দুধ বের হতে লাগলো, তারপর আমি আমার অবশিষ্ট দুধ হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে পান করতে দিলাম।” কেউ একজন জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনি এই স্বপ্নের ব্যাখ্যা কি করেছেন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “জ্ঞান।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5603 OK

(৫৬০৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ وَهْبِ بْنِ كَيْسَانَ وَكَانَ وَهْبٌ أَدْرَكَ ابْنَ عُمَرَ لَيْسَ فِي كِتَابِ ابْنِ مَالِكٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ رَأَى رَاعِيَ غَنَمٍ فِي مَكَانٍ قَبِيحٍ وَقَدْ رَأَى ابْنُ عُمَرَ مَكَانًا أَمْثَلَ مِنْهُ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ وَيْحَكَ يَا رَاعِي حَوِّلْهَا فَإِنِّي سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ كُلُّ رَاعٍ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এক রাখালকে একটি নোংরা জায়গায় তার ছাগল চরাতে দেখলেন। সেখানে আরও ভালো জায়গা ছিলো এবং হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তা দেখেছিলেন। তখন তিনি বললেন, “হে রাখাল! তোমার জন্যে দুঃখ হয়। তুমি ঐ ছাগলগুলোকে অন্য কোথাও নিয়ে যাও, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, ‘প্রত্যেক রাখালকে তার দ্বায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5604 OK

(৫৬০৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُصْعَبٌ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ النَّجْشِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিয়েতে প্রতারণা করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5605 OK

(৫৬০৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ يَعْنِي ابْنَ نُمَيْرٍ أَبُو مِحْصَنٍ عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَطِيَّةَ حَدَّثَنِي سَالِمٌ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ يَوْمَ عِيدٍ فَبَدَأَ فَصَلَّى بِلَا أَذَانٍ وَلَا إِقَامَةٍ ثُمَّ خَطَبَ قَالَ وَحَدَّثَنِي عَطَاءٌ عَنْ جَابِرٍ مِثْلَ ذَلِكَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مِحْصَنِ بْنُ نُمَيْرٍ عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَطِيَّةَ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ঈদের দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বের হলেন এবং আযান ও ইকামত ছাড়াই প্রথম সালাত আদায় করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5606 OK

(৫৬০৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৬০০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ أَنْ تُؤْتَى رُخَصُهُ كَمَا يَكْرَهُ أَنْ تُؤْتَى مَعْصِيَتُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর আদেশ পালন করাকে ততটা পছন্দ করেন, যেমন তিনি তাঁর অবাধ্যতাকে অপছন্দ করে থাকেন।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৬০৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5607 OK

(৫৬০৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৭৩] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ يَعْنِي ابْنَ حُدَيْرٍ وَوَكِيعٌ الْمَعْنَى قَالَ أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عُطَارِدٍ قَالَ وَكِيعٌ السَّدُوسِيِّ أَبِي الْبَزَرِيِّ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ الشُّرْبِ قَائِمًا فَقَالَ قَدْ كُنَّا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَشْرَبُ قِيَامًا وَنَأْكُلُ وَنَحْنُ نَسْعَى


হজরত ইয়াযীদ বিন আত্তারদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে দাঁড়িয়ে পানি পান করার বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি উত্তরে বললেন যে, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে আমরা দাঁড়িয়ে পানি পান করতাম এবং হাঁটার সময় খেতাম। (কারণ জিহাদের ব্যস্ততার মাঝে খাওয়া-দাওয়ার সময় কোথায়?)” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬০৭]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5608 OK

(৫৬০৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ وَسَمِعْتُهُ أَنَا مِنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ قَالَ رَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ اسْتَلَمَ الْحَجَرَ ثُمَّ قَبَّلَ يَدَهُ وَقَالَ مَا تَرَكْتُهُ مُنْذُ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَفْعَلُهُ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে কালো পাথর স্পর্শ করার পর তাঁর হাত চুম্বন করতে দেখেছি এবং তিনি বলতেন যে, যেহেতু আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এ কাজ করতে দেখেছি, তাই তিনি কখনো এই আমল করা ছেড়ে দিবো না। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬০৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5609 OK

(৫৬০৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ وَسَمِعْتُهُ أَنَا مِنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ أُسَامَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ يَذْبَحُ أُضْحِيَّتَهُ بِالْمُصَلَّى يَوْمَ النَّحْرِ وَذَكَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَفْعَلُهُ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ১০ তারিখে ঈদগাহে কুরবানী করতেন এবং বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও তা করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5610 OK

(৫৬১০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ وَسَمِعْتُهُ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُثَيْمٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سُئِلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا يَجُوزُ فِي الرَّضَاعَةِ مِنْ الشُّهُودِ قَالَ رَجُلٌ أَوْ امْرَأَةٌ وَسَمِعْتُهُ أَنَا مِنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, “দত্তক গ্রহণের প্রমাণের জন্যে কতজন সাক্ষী যথেষ্ট?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “একজন পুরুষ ও একজন নারী।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5611 OK

(৫৬১১)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ وَسَمِعْتُهُ أَنَا مِنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ حَمْزَةَ أَخْبَرَنِي سَالِمٌ أَخْبَرَنِي ابْنُ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُتِيَ بِحَاطِبِ بْنِ أَبِي بَلْتَعَةَ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْتَ كَتَبْتَ هَذَا الْكِتَابَ قَالَ نَعَمْ أَمَا وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا تَغَيَّرَ الْإِيمَانُ مِنْ قَلْبِي وَلَكِنْ لَمْ يَكُنْ رَجُلٌ مِنْ قُرَيْشٍ إِلَّا وَلَهُ جِذْمٌ وَأَهْلُ بَيْتٍ يَمْنَعُونَ لَهُ أَهْلَهُ وَكَتَبْتُ كِتَابًا رَجَوْتُ أَنْ يَمْنَعَ اللَّهُ بِذَلِكَ أَهْلِي فَقَالَ عُمَرُ ائْذَنْ لِي فِيهِ قَالَ أَوَ كُنْتَ قَاتِلَهُ قَالَ نَعَمْ إِنْ أَذِنْتَ لِي قَالَ وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّهُ قَدْ اطَّلَعَ اللَّهُ إِلَى أَهْلِ بَدْرٍ فَقَالَ اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাইয়্যিদনা হাতিব ইবন আবী বালতাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে আনা হলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কি এই চিঠি লিখেছো?” সে তা স্বীকার করলো এবং বললো, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহর কসম, ঈমানের দিক থেকে আমার অন্তরে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বাস্তবতা হলো আমি কুরাইশদের সাথে সংযুক্ত ছিলাম। অথচ তাদের কেউ ছিলাম না। আপনার সাথে যে সব মুহাজির রয়েছে, মক্কায় তাদের কিছু না কিছু আত্মীয়স্বজন রয়েছে, যারা তাদের পরিবার পরিজনকে রক্ষা করছে। যেহেতু মক্কাবাসীদের মধ্যে আমার বংশীয় কেউ নেই, তাই আমি ইচ্ছা করলাম, তাদের মধ্যে কিছু লোককে প্রস্তুত রাখি আমার পরিবারকে রক্ষা করার জন্য। আমি এ কাজ কুফরের মনোভাব নিয়ে করিনি, ইসলাম থেকে মুরতাদ হয়েও করিনি, ইসলাম গ্রহণের পর এখন কুফরির প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে গিয়েছি এমনও নয়।”

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “নিশ্চয়ই হাতিব সত্য বলেছে।” উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আমাকে অনুমতি দিন, আমি এই মুনাফিকটার গর্দান মেরে দিই।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “সে বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছে। তুমি কিভাবে জানবে, আল্লাহ হয়তো বদর যোদ্ধাদের জানিয়ে দিয়েছেন, ‘তোমাদের যা খুশী করা। আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬১১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5612 OK

(৫৬১২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ قَالَ أَبُو عَبْد الرَّحْمَنِ وَسَمِعْتُهُ أَنَا مِنْ هَارُونَ بْنِ مَعْرُوفٍ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَخْرُجُ إِلَى الْعِيدَيْنِ مِنْ طَرِيقٍ وَيَرْجِعُ مِنْ طَرِيقٍ أُخْرَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদের দিন এক পথ দিয়ে যেতেন এবং অন্য পথ দিয়ে ফিরতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5613 OK

(৫৬১৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَارُونُ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يُحَدِّثُ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ اللَّهَ وِتْرٌ يُحِبُّ الْوِتْرَ قَالَ نَافِعٌ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ لَا يَصْنَعُ شَيْئًا إِلَّا وِتْرًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ বিজোড়, তিনি বিজোড় সংখ্যা পছন্দ করেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5614 OK

(৫৬১৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا سَوَّارُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ عَنِ ابْنِ عَوْنٍ قَالَ أَنَا رَأَيْتُ غَيْلَانَ يَعْنِي الْقَدَرِيَّ مَصْلُوبًا عَلَى بَابِ دِمَشْقَ


হজরত ইবনে আউন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি গাইলান কাদিরিকে দামেস্কের গেটে একটি খুঁটিতে ঝুলতে দেখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5615 OK

(৫৬১৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ أَخْبَرَنَا الزُّهْرِيُّ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا النَّاسُ كَإِبِلٍ مِائَةٍ لَا يُوجَدُ فِيهَا رَاحِلَةٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষের উদাহরণ হলো, এমন একশটি উটের মতো, যার একটিও চড়ার উপযোগী নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5616 OK

(৫৬১৬)

সহিহ হাদিস

قَالَ وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا نَعْلَمُ شَيْئًا خَيْرًا مِنْ مِائَةٍ مِثْلِهِ إِلَّا الرَّجُلَ الْمُؤْمِنَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একশত জিনিসের মধ্যে, একজন মুমিন ব্যক্তি ছাড়া আমরা কোন ভালো কিছু জানি না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5617 OK

(৫৬১৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَارُونُ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْقَاسِمِ حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لَا يَخْسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلَا لِحَيَاتِهِ وَلَكِنَّهُمَا آيَةٌ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُمَا فَصَلُّوا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “চন্দ্র এবং সূর্য এ দু’টি আল্লাহর নিদর্শনের অন্যতম। কারো জন্ম বা মৃত্যুর কারণে এদের গ্রহণ হয় না। তাই তোমরা যখন প্রথম গ্রহণ দেখতে পাও, তখন আল্লাহকে স্মরণ করো (নামায পড়ো)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5618 OK

(৫৬১৮)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ جَابِرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ عِصْمَةَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَتْ الصَّلَاةُ خَمْسِينَ وَالْغُسْلُ مِنْ الْجَنَابَةِ سَبْعَ مِرَارٍ وَالْغُسْلُ مِنْ الْبَوْلِ سَبْعَ مِرَارٍ فَلَمْ يَزَلْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْأَلُ حَتَّى جُعِلَتْ الصَّلَاةُ خَمْسًا وَالْغُسْلُ مِنْ الْجَنَابَةِ مَرَّةً وَالْغُسْلُ مِنْ الْبَوْلِ مَرَّةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

শুরুতে নামায ছিলো পঞ্চাশ ওয়াক্ত, গোসল জানাবাত সাতবার করার নির্দেশ ছিলো এবং প্রস্রাব কাপড়ে লেগে গেলে সাতবার ধৌত করার নির্দেশ ছিলো। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ক্রমাগত অনুরোধে নামাযের সংখ্যা কমিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত করা হয়েছে, গোসল জানাবাতেও একবার করা হয়েছে এবং প্রস্রাবের দাগযুক্ত কাপড় একবার ধৌত করাও ঘোষণা করা হয়েছে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬১৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5619 OK

(৫৬১৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا خَلَفٌ يَعْنِي ابْنَ خَلِيفَةَ عَنْ أَبِي جَنَابٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَبِيعُوا الدِّينَارَ بِالدِّينَارَيْنِ وَلَا الدِّرْهَمَ بِالدِّرْهَمَيْنِ وَلَا الصَّاعَ بِالصَّاعَيْنِ فَإِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ الرَّمَاءَ وَالرَّمَاءُ هُوَ الرِّبَا فَقَامَ إِلَيْهِ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ الرَّجُلَ يَبِيعُ الْفَرَسَ بِالْأَفْرَاسِ وَالنَّجِيبَةَ بِالْإِبِلِ قَالَ لَا بَأْسَ إِذَا كَانَ يَدًا بِيَدٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা এক দিনারকে দুই দিনারের বিনিময়ে, এক দিরহামকে দুই দিরহামের বিনিময়ে এবং এক সাকে দুই সার বিনিময়ে বিক্রি করো না, কারণ আমি আশঙ্কা করি যে, তোমাদের বিরুদ্ধে সুদের অভিযোগ আনা হবে।” এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে বলুন, যদি কোনো ব্যক্তি একটি ঘোড়া একাধিক ঘোড়ার বিনিময়ে বা একটি উট অন্য উটের বিনিময়ে বিক্রি করে তাহলে তার হুকুম কি?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “কোনে সমস্যা নেই, যতক্ষন হাত হাতে থাকবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5620 OK

(৫৬২০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا خَلَفٌ عَنْ أَبِي جَنَابٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ كَانَ جِذْعُ نَخْلَةٍ فِي الْمَسْجِدِ يُسْنِدُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ظَهْرَهُ إِلَيْهِ إِذَا كَانَ يَوْمُ جُمُعَةٍ أَوْ حَدَثَ أَمْرٌ يُرِيدُ أَنْ يُكَلِّمَ النَّاسَ فَقَالُوا أَلَا نَجْعَلُ لَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ شَيْئًا كَقَدْرِ قِيَامِكَ قَالَ لَا عَلَيْكُمْ أَنْ تَفْعَلُوا فَصَنَعُوا لَهُ مِنْبَرًا ثَلَاثَ مَرَاقٍ قَالَ فَجَلَسَ عَلَيْهِ قَالَ فَخَارَ الْجِذْعُ كَمَا تَخُورُ الْبَقَرَةُ جَزَعًا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَالْتَزَمَهُ وَمَسَحَهُ حَتَّى سَكَنَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

মসজিদে নববীতে একটি খেজুরের গুঁড়ি ছিলো, যার ওপর জুমার দিন বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হেলান দিয়ে খুতবা দিতেন। একদিন কিছু লোক বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমরা কি আপনার উচ্চতা অনুযায়ী আপনার জন্যে কিছু তৈরি করবো না?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এতে কোনো অসুবিধা নেই।” তাই তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্যে তিন ধাপ বিশিষ্ট একটি মিম্বর তৈরি করলো। যখন মিম্বর স্থাপন করা হলো, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাতে বসলেন এবং তিনি খেজুরের গুঁড়িটি সরিয়ে দিলেন, তখন গাছের গুঁড়িটি বিচ্ছেদের দুঃখে গাভীর মতো কাঁদতে লাগলো। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তাই তিনি এটির কাছে এসে তাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন এবং এটি শান্ত হয়ে গেলো। তিনি বললেন, “আমি যদি একে আলিঙ্গন না করতাম, তবে তা কিয়ামতের দিন পর্যন্ত কাঁদতে থাকতো।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৬২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5621 OK

(৫৬২১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৯৯৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ وَيَزِيدُ قَالَ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ اتَّخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَاتَمًا مِنْ ذَهَبٍ فَاتَّخَذَ النَّاسُ خَوَاتِيمَهُمْ مِنْ ذَهَبٍ فَرَمَى بِهِ وَقَالَ لَنْ أَلْبَسَهُ أَبَدًا قَالَ يَزِيدُ فَنَبَذَ النَّاسُ خَوَاتِيمَهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণের একটি আংটি পরেন। আংটিটির মোহর হাতের তালুর ভিতরের দিকে ঘুরিয়ে রাখেন। তাতে তিনি مُحَمَّدٌ رَسُوْلُ اللهِ খোদাই করেছিলেন। লোকেরাও এ রকম আংটি ব্যবহার করতে শুরু করেন। যখন তিনি দেখলেন যে, তারাও ঐ রকম আংটি ব্যবহার করছে, তখন তিনি তা ছুঁড়ে ফেলে দেন এবং বলেন, “আমি আর কখনও এটা ব্যবহার করবো না।” তাই লোকেরাও তাদের আংটি গুলি নিক্ষেপ করেছিলো। এরপর তিনি একটি রূপার আংটি ব্যবহার করেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা দিয়ে মোহর করতেন, কিন্তু পরতেন না। লোকেরাও রূপার আংটি পরা শুরু করে। ইবনু উমার বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে আবূ বাকর , তারপর উমার ও তারপর উসমান তা ব্যবহার করেছেন। শেষে উসমানের হাত থেকে আংটিটি ‘আরীস’ নামক কূপের মধ্যে পড়ে যায়। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5622 OK

(৫৬২২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৭১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَّرَ أُسَامَةَ عَلَى قَوْمٍ فَطَعَنَ النَّاسُ فِي إِمَارَتِهِ فَقَالَ إِنْ تَطْعَنُوا فِي إِمَارَتِهِ فَقَدْ طَعَنْتُمْ فِي إِمَارَةِ أَبِيهِ وَايْمُ اللَّهِ إِنْ كَانَ لَخَلِيقًا لِلْإِمَارَةِ وَإِنْ كَانَ لَمِنْ أَحَبِّ النَّاسِ إِلَيَّ وَإِنَّ ابْنَهُ هَذَا لَأَحَبُّ النَّاسِ إِلَيَّ بَعْدَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেনাদল পাঠালেন এবং উসামাহ ইবনে যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু কে তাঁদের আমীর নিয়োগ করলেন। কিন্তু তার আমীর নিযুক্তির সমালোচনা করা হলো। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা যদি তার আমীর নিযুক্তির সমালোচনা করো, তোমরা এর আগে তার পিতার আমীর নিযুক্তিরও সমালোচনা করেছিলে। আল্লাহর কসম! সে আমীর হওয়ার যোগ্য ছিলো। আর সে ছিলো আমার কাছে মানুষদের মাঝে সবচেয়ে প্রিয়। আর তারপরে এ হলো আমার নিকট সর্বাধিক প্রিয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5623 OK

(৫৬২৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَاطِبٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقَبْرٍ فَقَالَ إِنَّ هَذَا لَيُعَذَّبُ الْآنَ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ فَقَالَتْ عَائِشَةُ غَفَرَ اللَّهُ لِأَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنَّهُ وَهِلَ إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ هَذَا لَيُعَذَّبُ الْآنَ وَأَهْلُهُ يَبْكُونَ عَلَيْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং বললেন যে, “তার পরিবারের কান্নার কারণে তাকে আযাব দেওয়া হচ্ছে।” ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার নিকট গেলাম এবং তাঁকে ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর উক্তি সম্পর্কে জানালে তিনি বললেন, “না, আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনও এরূপ বলেননি যে, মৃত ব্যক্তিকে কারো কান্নার দরুন আযাব দেয়া হবে বরং তিনি বলেছেন, কাফির ব্যক্তিরপরিবার-পরিজনের কান্নাকাটির দরুন, আল্লাহ তাআলা কাফির ব্যক্তির আযাব আরও বাড়িয়ে দেন এবং সর্বশক্তিমান আল্লাহই হাসান এবং কাঁদান।”

مَّنِ ٱهۡتَدَىٰ فَإِنَّمَا يَهۡتَدِي لِنَفۡسِهِۦۖ وَمَن ضَلَّ فَإِنَّمَا يَضِلُّ عَلَيۡهَاۚ وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٞ وِزۡرَ أُخۡرَىٰۗ وَمَا كُنَّا مُعَذِّبِينَ حَتَّىٰ نَبۡعَثَ رَسُولٗا١٥
যে কেউ সৎপথে চলে, তবে সে কেবল মাত্র তার নিজের মঙ্গলের জন্যেই সৎপথে চলে। আর যে কেউ পথভ্রষ্ট হয়, তবে সে কেবল মাত্র তার নিজের অমঙ্গলের জন্যেই পথভ্রষ্ট হয়। কোনো বোঝা বহনকারী অপরের বোঝা বহন করবে না। আমি কোনো জাতিকে শাস্তি দেই না, যে পর্যন্ত না, আমি তাদের প্রতি কোনো রসূল পাঠাই। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১৫)

আইয়ূব রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ইবনু আবূ মূলায়কাহ বলেছেন, আমাকে ক্বাসিম ইবনু মুহাম্মাদ জানিয়েছেন, তিনি বলেন, আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার নিকট যখন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু ও ইবনু উমার-এ বক্তব্য পৌছলো, তখন তিনি বললেন, “তোমরা আমাকে এমন দুই ব্যক্তির কথা শুনাচ্ছো, যারা মিথ্যাবাদী নন আর তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্নও করা যায় না। তবে কখনও শুনতে ভুল হয়ে যেতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5624 OK

(৫৬২৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ يُونُسَ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَهُ حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَنْزَلَ اللَّهُ بِقَوْمٍ عَذَابًا أَصَابَ الْعَذَابُ مَنْ كَانَ فِيهِمْ ثُمَّ بُعِثُوا عَلَى أَعْمَالِهِمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ যখন কোনো জাতিকে শাস্তি দিতে চান, তখন ঐ জাতির সব অধিবাসীকে শাস্তি দেন। অতঃপর যখন তাদের সবাই পুনরুত্থিত হবে, তখন তাদের আমল অনুযায়ী তাদের শাস্তি হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5625 OK

(৫৬২৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَكٍ عَنْ أَبِي الصَّبَّاحِ الْأَيْلِيِّ قَالَ سَمِعْتُ يَزِيدَ بْنَ أَبِي سُمَيَّةَ يَقُولُ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ مَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْإِزَارِ فَهُوَ فِي الْقَمِيصِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘আজার’ সম্পর্কে যা কিছু বলেছেন, কামিজ (শালওয়ার) সম্পর্কেও ঐ একই বিধান। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৬২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস