হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং বললেন যে, “তার পরিবারের কান্নার কারণে তাকে আযাব দেওয়া হচ্ছে।” ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার নিকট গেলাম এবং তাঁকে ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর উক্তি সম্পর্কে জানালে তিনি বললেন, “না, আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনও এরূপ বলেননি যে, মৃত ব্যক্তিকে কারো কান্নার দরুন আযাব দেয়া হবে বরং তিনি বলেছেন, কাফির ব্যক্তিরপরিবার-পরিজনের কান্নাকাটির দরুন, আল্লাহ তাআলা কাফির ব্যক্তির আযাব আরও বাড়িয়ে দেন এবং সর্বশক্তিমান আল্লাহই হাসান এবং কাঁদান।”
مَّنِ ٱهۡتَدَىٰ فَإِنَّمَا يَهۡتَدِي لِنَفۡسِهِۦۖ وَمَن ضَلَّ فَإِنَّمَا يَضِلُّ عَلَيۡهَاۚ وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٞ وِزۡرَ أُخۡرَىٰۗ وَمَا كُنَّا مُعَذِّبِينَ حَتَّىٰ نَبۡعَثَ رَسُولٗا١٥যে কেউ সৎপথে চলে, তবে সে কেবল মাত্র তার নিজের মঙ্গলের জন্যেই সৎপথে চলে। আর যে কেউ পথভ্রষ্ট হয়, তবে সে কেবল মাত্র তার নিজের অমঙ্গলের জন্যেই পথভ্রষ্ট হয়। কোনো বোঝা বহনকারী অপরের বোঝা বহন করবে না। আমি কোনো জাতিকে শাস্তি দেই না, যে পর্যন্ত না, আমি তাদের প্রতি কোনো রসূল পাঠাই। (১৭. বনী ইসরাঈল / আল ইসরা : ১৫)
আইয়ূব রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ইবনু আবূ মূলায়কাহ বলেছেন, আমাকে ক্বাসিম ইবনু মুহাম্মাদ জানিয়েছেন, তিনি বলেন, আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার নিকট যখন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু ও ইবনু উমার-এ বক্তব্য পৌছলো, তখন তিনি বললেন, “তোমরা আমাকে এমন দুই ব্যক্তির কথা শুনাচ্ছো, যারা মিথ্যাবাদী নন আর তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্নও করা যায় না। তবে কখনও শুনতে ভুল হয়ে যেতে পারে।”