(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৪৫১টি]



5356 OK

(৫৩৫৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৬২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ قَالَ لَا أَعْلَمُهُ إِلَّا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ الْعَبَّاسَ اسْتَأْذَنَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَنْ يَبِيتَ بِمَكَّةَ أَيَّامَ مِنًي مِنْ أَجْلِ السِّقَايَةِ فَرَخَّصَ لَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সাইয়্যিদুনা আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু মীনার দিন গুলোতে মক্কায় হাজীদের পানি দেওয়ার খেদমতে থাকার অনুমতি চায়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে অনুমতি দেন।

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5357 OK

(৫৩৫৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَلَقَ رَأْسَهُ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজ্জ আল-ওয়াদা (বিদায় হজ্জ) উপলক্ষে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মাথা মুণ্ডন করেছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5358 OK

(৫৩৫৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى صَبِيًّا قَدْ حُلِقَ بَعْضُ شَعَرِهِ وَتُرِكَ بَعْضُهُ فَنَهَى عَنْ ذَلِكَ وَقَالَ احْلِقُوا كُلَّهُ أَوْ اتْرُكُوا كُلَّهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি শিশুকে দেখলেন, যার চুল কেটে ফেলা হয়েছে। তার কিছু চুল কেটে ফেলা হয়েছে অথবা কিছু চুল ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটা করতে নিষেধ করলেন এবং বললেন যে, “হয় সব চুল কেটে ফেলো, নতুবা সব চুল ছেড়ে দাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5359 OK

(৫৩৫৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪০৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ قَالَ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ أَخِي الزُّهْرِيِّ عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَزَالُ الْمَسْأَلَةُ بِأَحَدِكُمْ حَتَّى يَلْقَى اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى وَلَيْسَ فِي وَجْهِهِ مُزْعَةُ لَحْمٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সব সময় মানুষের কাছে ভিক্ষা চেয়ে থাকে, সে কিয়ামাতের দিন আল্লাহর কাছে এমনভাবে উপস্থিত হবে যে, তার চেহারায় কোনো গোশতের টুকরা অবশিষ্ট থাকবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5360 OK

(৫৩৬০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ وَأَبُو بَكْرِ بْنُ سُلَيْمَانَ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ لَيْلَةٍ صَلَاةَ الْعِشَاءِ فِي آخِرِ حَيَاتِهِ فَلَمَّا سَلَّمَ قَامَ قَالَ أَرَأَيْتُمْ لَيْلَتَكُمْ هَذِهِ عَلَى رَأْسِ مِائَةِ سَنَةٍ مِنْهَا لَا يَبْقَى مِمَّنْ هُوَ عَلَى ظَهْرِ الْأَرْضِ أَحَدٌ قَالَ ابْنُ عُمَرَ فَوَهِلَ النَّاسُ فِي مَقَالَةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تِلْكَ فِيمَا يَتَحَدَّثُونَ مِنْ هَذِهِ الْأَحَادِيثِ عَنْ مِائَةِ سَنَةٍ وَإِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَبْقَى الْيَوْمَ مِمَّنْ هُوَ عَلَى ظَهْرِ الْأَرْضِ يُرِيدُ أَنْ يَنْخَرِمَ ذَلِكَ الْقَرْنُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবনের শেষ দিকে একবার এশার সালাত আদায় করেছিলেন এবং সালাম ফিরানোর পর তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন, “তোমরা এই রাতটিকে মনে রেখো। কারণ এখন পৃথিবীতে যারা আছে, এর পুরো একশ বছর পর তাদের কেউই আর পৃথিবীতে অবশিষ্ট থাকবে না।” সাইয়্যিদুনা ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, “অনেক লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই বাণীর বিষয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েছে। তারা বছরের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকার কথা শুরু করেছেন। আসলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, আজ পৃথিবীতে যারা আছে, একশ বছর পর, তাদের কেউই আর অবশিষ্ট থাকবে না। এবং তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, এই প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে। (এর মানে এই নয় যে, এখন থেকে একশ বছর পরে কিয়ামত সংগঠিত হবে।)” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5361 OK

(৫৩৬১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩২২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا حَسَدَ إِلَّا فِي اثْنَتَيْنِ رَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ الْقُرْآنَ فَهُوَ يَقُومُ بِهِ آنَاءَ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَرَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ مَالًا فَهُوَ يُنْفِقُهُ فِي الْحَقِّ آنَاءَ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ


হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “দুই জন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো ব্যাপারে হিংসা করা ঠিক নয়। (১) প্রথম ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ কুরআনের সম্পদ দান করেছেন এবং সে দিনরাত তা তিলাওয়াত করে থাকে। (২) আর দ্বিতীয় ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন এবং তাকে শক্তি দিয়েছেন সৎপথে উহা ব্যয় করতে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5362 OK

(৫৩৬২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ أَخْبَرَنَا الزُّهْرِيُّ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا النَّاسُ كَإِبِلٍ مِائَةٍ لَا يُوجَدُ فِيهَا رَاحِلَةٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষের উদাহরণ হলো, এমন একশটি উটের মতো, যার একটিও চড়ার উপযোগী নয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5363 OK

(৫৩৬৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ رَأَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى عُمَرَ ثَوْبًا أَبْيَضَ فَقَالَ أَجَدِيدٌ ثَوْبُكَ أَمْ غَسِيلٌ فَقَالَ فَلَا أَدْرِي مَا رَدَّ عَلَيْهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْبَسْ جَدِيدًا وَعِشْ حَمِيدًا وَمُتْ شَهِيدًا أَظُنُّهُ قَالَ وَيَرْزُقُكَ اللَّهُ قُرَّةَ عَيْنٍ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে সাদা কাপড় পরা দেখে জিজ্ঞেস করলেন, “তাঁর কাপড় নতুন, নাকি ধৌত হয়েছে?” তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কী উত্তর দিয়েছিলেন তা আমার মনে নেই, তবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেন যে, “নতুন পোশাক পরুন, একটি প্রশংসনীয় জীবন যাপন করুন এবং শহীদের মৃত্যুতে মৃত্যুবরণ করুন” এবং সম্ভবত তিনি আরও বলেছেন যে, “আল্লাহ আপনাকে দুনিয়া ও আখেরাতে চোখের শীতলতা দান করুন।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5364 OK

(৫৩৬৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ وَالثَّوْرِيُّ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ مَسْحَ الرُّكْنِ الْيَمَانِي وَالرُّكْنِ الْأَسْوَدِ يَحُطُّ الْخَطَايَا حَطًّا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, “ইয়ামানি স্তম্ভ ও কালো পাথর স্পর্শ করলে গুনাহ সমূহ সম্পূর্ণ রূপে মুছে যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5365 OK

(৫৩৬৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَسْتَلِمُ الرُّكْنَ الْيَمَانِيَ وَلَا يَسْتَلِمُ الْآخَرَيْنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুধুমাত্র ইয়ামানি স্তম্ভের (ও কালো পাথরের) কোণে সালাত আদায় করতেন এবং বাকি দুই কোণে সালাত আদায় করতেন না। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5366 OK

(৫৩৬৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩৫৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَلَقَ رَأْسَهُ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজ্জ আল-ওয়াদা (বিদায় হজ্জ) উপলক্ষে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মাথা মুণ্ডন করেছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5367 OK

(৫৩৬৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ يَنْزِلُونَ بِالْأَبْطَحِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তিন খলিফা ‘আবতাহ’ নামক স্থানে শিবির স্থাপন করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5368 OK

(৫৩৬৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يُقِمْ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ فَيَجْلِسَ فِي مَجْلِسِهِ قَالَ سَالِمٌ فَكَانَ الرَّجُلُ يَقُومُ لِابْنِ عُمَرَ مِنْ مَجْلِسِهِ فَمَا يَجْلِسُ فِي مَجْلِسِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যেনো, তার ভাইকে তার স্থান থেকে তুলে না দেয় এবং স্বয়ং নিজে ঐ স্থানে না বসে।” সালিম রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “এ কারণেই, যদি কোনো ব্যক্তি ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তার জায়গা খালি করে দিতো, তবে তিনি সেখানে বসতেন না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5369 OK

(৫৩৬৯)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ حَدَّثَنَا الْفَرَجُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ إِذَا بَلَغَ الرَّجُلُ الْمُسْلِمُ أَرْبَعِينَ سَنَةً آمَنَهُ اللَّهُ مِنْ أَنْوَاعِ الْبَلَايَا مِنْ الْجُنُونِ وَالْبَرَصِ وَالْجُذَامِ وَإِذَا بَلَغَ الْخَمْسِينَ لَيَّنَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَيْهِ حِسَابَهُ وَإِذَا بَلَغَ السِّتِّينَ رَزَقَهُ اللَّهُ إِنَابَةً يُحِبُّهُ عَلَيْهَا وَإِذَا بَلَغَ السَّبْعِينَ أَحَبَّهُ اللَّهُ وَأَحَبَّهُ أَهْلُ السَّمَاءِ وَإِذَا بَلَغَ الثَّمَانِينَ تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنْهُ حَسَنَاتِهِ وَمَحَا عَنْهُ سَيِّئَاتِهِ وَإِذَا بَلَغَ التِّسْعِينَ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ وَمَا تَأَخَّرَ وَسُمِّيَ أَسِيرَ اللَّهِ فِي الْأَرْضِ وَشُفِّعَ فِي أَهْلِهِ حَدَّثَنَا هَاشِمٌ حَدَّثَنَا الْفَرَجُ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْعَامِرِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একজন মুসলমান যখন চল্লিশ বছর বয়সে উপনীত হয়, তখন আল্লাহ তায়ালা তাকে বিভিন্ন রোগ যেমন, পাগলামি, কুষ্ঠ রোগ ইত্যাদি রোগ থেকে নিরাপদে রাখেন। যখন সে পঞ্চাশ বছর বয়সে উপনীত হয়, তখন আল্লাহ তার হিসাব সহজ করে দেন। যখন সে ষাট বছর বয়সে উপনীত হয়, তখন আল্লাহ তাকে তাঁর দিকে ফিরে আসতে সাহায্য করেন এবং আল্লাহর বিধানের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করে দেন। সে যখন সত্তর বছর বয়সে উপনীত হয়, তখন আল্লাহ তাকে ভালোবাসতে শুরু করেন এবং বেহেশত বাসীরাও তাকে ভালোবাসতে শুরু করে। যখন সে আশি বছর বয়সে উপনীত হয়, তখন আল্লাহ তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেন এবং তাকে أَسِيرَ اللَّهِ فِي الْأَرْضِ “পৃথিবীতে আল্লাহর বন্দী” উপাধি দেন এবং তার পরিবারের ব্যাপারে তার সুপারিশ কবুল করেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৬৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5370 OK

(৫৩৭০)

হাদিস দেখুন [৩১:৫২৯৬] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كُنْتُ أَبِيعُ الْإِبِلَ بِالْبَقِيعِ فَأَبِيعُ بِالدَّنَانِيرِ وَآخُذُ الدَّرَاهِمَ وَأَبِيعُ بِالدَّرَاهِمِ وَآخُذُ الدَّنَانِيرَ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يُرِيدُ أَنْ يَدْخُلَ حُجْرَتَهُ فَأَخَذْتُ بِثَوْبِهِ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ إِذَا أَخَذْتَ وَاحِدًا مِنْهُمَا بِالْآخَرِ فَلَا يُفَارِقَنَّكَ وَبَيْنَكَ وَبَيْنَهُ بَيْعٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি জান্নাতুল বাকিতে উট বিক্রি করতাম, যদি আমি তা দিনারের বিনিময়ে বিক্রি করতাম, তবে ক্রেতার কাছ থেকে দিরহাম নিতাম। আর যদি দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করতাম, তবে আমি ক্রেতার কাছ থেকে দিনার নিতাম। এই বিষয়টি সঠিক হালাল কিনা, তা জানার জন্যে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গেলাম। যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ঘরে প্রবেশ করতে যাচ্চিলেন, তখন আমি তাঁর কাপড় টেনে ধরে এই বিষয়ে জানতে চাইলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “দামের বিনিময়ে হলে, এমন ক্রয়-বিক্রয়ে কোনো সমস্যা নেই। তবে যখন তুমি দিনার বা দিরহামের বিনিময়ে কোনো কিছু ক্রয়-বিক্রি করো, তখন তুমি তোমার ও তোমার সঙ্গীর থেকে ততক্ষন পর্যন্ত আলাদা হয়ো না, যতক্ষন পর্যন্ত না, তুমি ক্রয়-বিক্রি চুরান্ত করে ফেলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৭০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5371 OK

(৫৩৭১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ حَدَّثَنِي سَالِمٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ رُؤْيَا رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ النَّاسَ قَدْ اجْتَمَعُوا فَقَامَ أَبُو بَكْرٍ فَنَزَعَ ذَنُوبًا أَوْ ذَنُوبَيْنِ وَفِي نَزْعِهِ ضَعْفٌ وَاللَّهُ يَغْفِرُ لَهُ ثُمَّ نَزَعَ عُمَرُ فَاسْتَحَالَتْ غَرْبًا فَمَا رَأَيْتُ عَبْقَرِيًّا مِنْ النَّاسِ يَفْرِي فَرِيَّهُ حَتَّى ضَرَبَ النَّاسُ بِعَطَنٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “একদা (স্বপ্নে) লোকজনকে একটি মাঠে সমবেত দেখতে পেলাম। তখন আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু উঠে দাঁড়ালেন এবং এক অথবা দুই বালতি পানি উঠালেন। পানি উঠাতে তিনি দুর্বলতা বোধ করছিলেন। আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন। অতঃপর উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বালতিটি হাতে নিলেন। বালতিটি তখন বড় আকার ধারণ করলো। আমি মানুষের মধ্যে পানি উঠাতে উমারের মত সুদক্ষ ও শক্তিশালী ব্যক্তি আর দেখিনি। শেষে উপস্থিত লোক তাদের উটগুলোকে পানি পান করিয়ে উটশালে নিয়ে গেলো।” হাম্মাম রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “আমি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করতে শুনেছি, আবূ বকর দুই বালতি পানি উঠালেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5372 OK

(৫৩৭২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৭১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَّرَ أُسَامَةَ عَلَى قَوْمٍ فَطَعَنَ النَّاسُ فِي إِمَارَتِهِ فَقَالَ إِنْ تَطْعَنُوا فِي إِمَارَتِهِ فَقَدْ طَعَنْتُمْ فِي إِمَارَةِ أَبِيهِ وَايْمُ اللَّهِ إِنْ كَانَ لَخَلِيقًا لِلْإِمَارَةِ وَإِنْ كَانَ لَمِنْ أَحَبِّ النَّاسِ إِلَيَّ وَإِنَّ ابْنَهُ هَذَا لَأَحَبُّ النَّاسِ إِلَيَّ بَعْدَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেনাদল পাঠালেন এবং উসামাহ ইবনে যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু কে তাঁদের আমীর নিয়োগ করলেন। কিন্তু তার আমীর নিযুক্তির সমালোচনা করা হলো। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা যদি তার আমীর নিযুক্তির সমালোচনা করো, তোমরা এর আগে তার পিতার আমীর নিযুক্তিরও সমালোচনা করেছিলে। আল্লাহর কসম! সে আমীর হওয়ার যোগ্য ছিলো। আর সে ছিলো আমার কাছে মানুষদের মাঝে সবচেয়ে প্রিয়। আর তারপরে এ হলো আমার নিকট সর্বাধিক প্রিয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5373 OK

(৫৩৭৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১১৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ أَخْبَرَنِي سَالِمٌ أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ لَقِيَ زَيْدَ بْنَ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ بِأَسْفَلِ بَلْدَحَ وَذَلِكَ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْوَحْيُ فَقَدَّمَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُفْرَةً فِيهَا لَحْمٌ فَأَبَى أَنْ يَأْكُلَ مِنْهَا ثُمَّ قَالَ إِنِّي لَا آكُلُ مَا تَذْبَحُونَ عَلَى أَنْصَابِكُمْ وَلَا آكُلُ إِلَّا مِمَّا ذُكِرَ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ حَدَّثَ هَذَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার মক্কার নিম্নভূমিতে, ওহী নাযিলের আগে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যায়েদ ইবনে আমর ইবনে নাফাইলের সাথে দেখা করলেন। ইবনে নাফাইল খাবারের জন্যে দস্তর খানা বিছিয়ে তাতে গোশত এনে রাখলো। কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা খেতে অস্বীকার করলেন ও বললেন, “তোমরা তোমাদের মূর্তিদের নামে যেসব পশু বলি দান করো, আমি সেগুলোর গোশত খাই না। বরং আমি শুধু সেসব জিনিস থেকে খাই, যার উপর আল্লাহর নাম উচ্চারিত হয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5374 OK

(৫৩৭৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩৩৮] view_link


সহিহ হাদিস

قَالَ مُوسَى وَأَخْبَرَنِي سَالِمٌ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَى فِي مُعَرَّسِهِ فَقِيلَ لَهُ إِنَّكَ فِي بَطْحَاءَ مُبَارَكَةٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একজন ফেরেশতা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শিবিরে এসে বললেন যে, “আপনি বরকতময় উপত্যকায় আছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5375 OK

(৫৩৭৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ عَدَدْتُ شَيْبَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوًا مِنْ عِشْرِينَ شَعَرَةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চুলে বিশটি সাদা চুল ছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5376 OK

(৫৩৭৬)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا حَسَنٌ يَعْنِي ابْنَ صَالِحٍ عَنْ فِرَاسٍ عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْحَضَرِ وَالسَّفَرِ فَصَلَّى الظُّهْرَ فِي الْحَضَرِ أَرْبَعًا وَبَعْدَهَا رَكْعَتَيْنِ وَصَلَّى الْعَصْرَ أَرْبَعًا وَلَيْسَ بَعْدَهَا شَيْءٌ وَصَلَّى الْمَغْرِبَ ثَلَاثًا وَبَعْدَهَا رَكْعَتَيْنِ وَصَلَّى الْعِشَاءَ أَرْبَعًا وَصَلَّى فِي السَّفَرِ الظُّهْرَ رَكْعَتَيْنِ وَبَعْدَهَا رَكْعَتَيْنِ وَالْعَصْرَ رَكْعَتَيْنِ وَلَيْسَ بَعْدَهَا شَيْءٌ وَالْمَغْرِبَ ثَلَاثًا وَبَعْدَهَا رَكْعَتَيْنِ وَالْعِشَاءَ رَكْعَتَيْنِ وَبَعْدَهَا رَكْعَتَيْنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি নিজ এলাকায় থাকার সময় এবং সফরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে নামায আদায় করেছি। বাড়িতে থাকার সময় তাঁর সাথে যুহরের (ফরয) নামায চার রাকাআত আদায় করেছি। অতঃপর দুই রাকাআত (সুন্নাত) নামায আদায় করেছি। সফরে তাঁর সাথে যুহরের (ফরয) নামায দুই রাকাআত আদায় করেছি। অতঃপর দুই রাকাআত (সুন্নাত) নামায আদায় করেছি। আসরের (ফরয) নামায দুই রাকাআত আদায় করেছি। তারপর তিনি আর কোনো নামায আদায় করেননি। মাগরিবের (ফরয) নামায সফরে ও বাসস্থানে সমানভাবে তিন রাকাআত আদায় করেছি। এটা সফরে ও বাসস্থানে কম হয় না। আর এটাই হলো দিনের বিতরের (বেজোড়) নামায। তারপর দুই রাকাআত (সুন্নাত) আদায় করেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৭৬]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5377 OK

(৫৩৭৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ يَعْنِي ابْنَ أَبِي أَيُّوبَ حَدَّثَنَا أَبُو هَانِئٍ عَنْ عَبَّاسٍ الْحَجْرِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّ رَجُلًا أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي خَادِمًا يُسِيءُ وَيَظْلِمُ أَفَأَضْرِبُهُ قَالَ تَعْفُو عَنْهُ كُلَّ يَوْمٍ سَبْعِينَ مَرَّةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার একজন চাকর আছে, যে আমাকে গালি দেয় এবং দুর্ব্যবহার করে, আমি কি তাকে হত্যা করতে পারি?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাকে প্রতিদিন সত্তর বার করে ক্ষমা করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5378 OK

(৫৩৭৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا ابْنُ عُمَرَ يَعْنِي عَبْدَ الْجَبَّارِ الْأَيْلِيَّ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي سُمَيَّةَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ سَأَلَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ وَهِيَ أُمُّ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ تَرَى الْمَرْأَةُ فِي الْمَنَامِ مَا يَرَى الرَّجُلُ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا رَأَتْ الْمَرْأَةُ ذَلِكَ وَأَنْزَلَتْ فَلْتَغْتَسِلْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত উম্মে সালিম রাদিয়াল্লাহু আনহু, যিনি হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর মা ছিলেন, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এ প্রশ্ন করলেন, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! স্বপ্নে একজন নারীও যদি পুরুষের মতো একই অবস্থাতে ভুগে থাকে, তাহলে হুকুম কি?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “যখন কোন মহিলা স্বপ্ন দোষ হওয়ার পর, জেগে পানি দেখে এবং বীর্যপাত দেখতে পায়, তখন সেও গোসল করবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5379 OK

(৫৩৭৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৫৪] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي زَيْدٌ الْعَمِّىُّ عَنْ أَبِي الصِّدِّيقِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ رَخَّصَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأُمَّهَاتِ الْمُؤْمِنِينَ فِي الذَّيْلِ شِبْرًا فَاسْتَزَدْنَهُ فَزَادَهُنَّ شِبْرًا آخَرَ فَجَعَلْنَهُ ذِرَاعًا فَكُنَّ يُرْسِلْنَ إِلَيْنَا نَذْرَعُ لَهُنَّ ذِرَاعًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মুল মুমিনীনদের জন্যে এক বিঘত আঁচল (নীচে) ঝুলানোর অনুমতি দিয়েছেন। অতঃপর তারা আরও বাড়িয়ে দেয়ার আবেদন জানালে, তিনি তাদের জন্যে আরও এক বিঘত বাড়ানোর অনুমতি দিয়েছেন। অতঃপর তারা আমাদের নিকট তাদের কাপড় পাঠিয়ে দিতেন, আর আমরা এক গজ করে মেপে দিতাম। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৭৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5380 OK

(৫৩৮০)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ عُمَرَ بْنِ حَمْزَةَ عَنْ سَالِمٍ أَنَّ شَاعِرًا قَالَ عِنْدَ ابْنِ عُمَرَ وَبِلَالُ عَبْدُ اللَّهِ خَيْرُ بِلَالِ فَقَالَ لَهُ ابْنُ عُمَرَ كَذَبْتَ ذَاكَ بِلَالُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর উপস্থিতিতে এক কবি তাঁর পুত্র বিলালের প্রশংসা করে, এই কবিতাটি বলেছিলো যে, “হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর পুত্র বিলাল প্রত্যেক বিলাল থেকে উত্তম।” হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “তুমি ভুল বলছো। এই গৌরব শুধুমাত্র রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবী বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুরই ছিলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৮০]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5381 OK

(৫৩৮১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ يَعْنِي ابْنَ أَبِي أَيُّوبَ حَدَّثَنِي أَبُو صَخْرٍ عَنْ نَافِعٍ قَالَ كَانَ لِابْنِ عُمَرَ صَدِيقٌ مِنْ أَهْلِ الشَّأْمِ يُكَاتِبُهُ فَكَتَبَ إِلَيْهِ مَرَّةً عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ إِنَّهُ بَلَغَنِي أَنَّكَ تَكَلَّمْتَ فِي شَيْءٍ مِنْ الْقَدَرِ فَإِيَّاكَ أَنْ تَكْتُبَ إِلَيَّ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ سَيَكُونُ فِي أُمَّتِي أَقْوَامٌ يُكَذِّبُونَ بِالْقَدَرِ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সিরিয়ার এক ব্যক্তি হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বন্ধু ছিলো। সে তাকে চিঠি লিখতো। একবার হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে চিঠি লিখলেন যে, “যদি আপনি ভাগ্য সম্পর্কে নিজস্ব মতামত প্রকাশ করেন ও আল্লাহর নির্ধারিত ভাগ্যকে অস্বীকার করেন, তবে ভবিষ্যতে আমাকে কোনো চিঠি লিখবেন না। কারণ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, ‘আমার উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোক থাকবে যারা ভাগ্যকে অস্বীকার করবে’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5382 OK

(৫৩৮২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৯৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا رَبَاحٌ حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ حَبِيبٍ عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَمْنَعَنَّ رَجُلٌ أَهْلَهُ أَنْ يَأْتُوا الْمَسَاجِدَ فَقَالَ ابْنٌ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ فَإِنَّا نَمْنَعُهُنَّ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ أُحَدِّثُكَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَقُولُ هَذَا قَالَ فَمَا كَلَّمَهُ عَبْدُ اللَّهِ حَتَّى مَاتَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কেউ যেনো তার পরিবারের মহিলাদেরকে রাতে মসজিদে আসতে বাধা না দেয়।” এ কথা শুনে হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর এক পুত্র (বিলাল বিন আব্দুল্লাহ) বললেন, “আমরা তাদেরকে বাধা দিবো।” হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আমি তোমাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস বলছি, আর তুমি এর বিরোধীতা করছো?” এরপর হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত, তার সঙ্গে কথা বলেননি। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5383 OK

(৫৩৮৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৮৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ أَخْبَرَنَا الزُّهْرِيُّ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَتْرُكُوا النَّارَ فِي بُيُوتِكُمْ حِينَ تَنَامُونَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমরা ঘুমাতে যাও, তখন তোমাদের ঘরে আগুন জ্বালিয়ে রাখবে না, কারণ তা শত্রু।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5384 OK

(৫৩৮৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَطَاءٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَامِنَا ويَمَنِنَا مَرَّتَيْنِ فَقَالَ رَجُلٌ وَفِي مَشْرِقِنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ هُنَالِكَ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ وَلَهَا تِسْعَةُ أَعْشَارِ الشَّرِّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই বার দোয়া করলেন, “হে আল্লাহ! সিরিয়া ও ইয়েমেনে আমাদের জন্যে বরকত দান করুন।” এক ব্যক্তি বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমাদের পূর্ব দিকের জন্যেও দোয়া করুন।” তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “পূর্ব দিক থেকেই ফিতনা শুরু হবে, যেখান থেকে শয়তানের শিং বেরোয়। আর দশ শতাংশের মধ্যে, নয়টি মন্দ সেখান থেকেই আসে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5385 OK

(৫৩৮৫)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنِ الْحُرِّ بْنِ الصَّيَّاحِ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصُومُ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ الْخَمِيسَ مِنْ أَوَّلِ الشَّهْرِ وَالِاثْنَيْنِ الَّذِي يَلِيهِ وَالِاثْنَيْنِ الَّذِي يَلِيهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতেন, মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার, পরের সপ্তাহের সোমবার এবং পরের সপ্তাহের সোমবার। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৮৫]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস