(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৪৮১টি]



5326 OK

(৫৩২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৪৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ اتَّخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَاتَمًا مِنْ ذَهَبٍ وَكَانَ يَجْعَلُ فَصَّهُ مِمَّا يَلِي كَفَّهُ فَاتَّخَذَهُ النَّاسُ فَرَمَى بِهِ وَاتَّخَذَ خَاتَمًا مِنْ وَرِقٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বর্ণের একটি আংটি ব্যবহার করেন। আংটির মোহর হাতের তালুর দিকে ঘুরিয়ে রাখেন। লোকেরা ঐ রকমই আংটি ব্যবহার করা শুরু করলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বর্ণের আংটিটি ফেলে দিয়ে রৌপ্যের আংটি বানিয়ে নিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5327 OK

(৫৩২৭)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ مَوْلَى غُفْرَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِكُلِّ أُمَّةٍ مَجُوسٌ ومَجُوسُ أُمَّتِي الَّذِينَ يَقُولُونَ لَا قَدَرَ إِنْ مَرِضُوا فَلَا تَعُودُوهُمْ وَإِنْ مَاتُوا فَلَا تَشْهَدُوهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক উম্মাতের মধ্যেই অগ্নিপূজক রয়েছে। এ উম্মাতের অগ্নিপূজক হলো তারা, যারা বলে যে, তাক্বদীর বলতে কিছু নেই। তাদের মধ্যকার কেউ মারা গেলে, তোমরা তার জানাযায় উপস্থিত হবে না এবং তাদের কেউ অসুস্থ হলে, তোমরা তাদেরকে দেখতে যাবে না। তারা হচ্ছে দাজ্জালের অনুসারী এবং আল্লাহ অবশ্যই তাদেরকে দাজ্জালের সঙ্গে মিলিত করবেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২৭]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5328 OK

(৫৩২৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي فُدَيْكٍ حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ عُثْمَانَ عَنْ صَدَقَةَ بْنِ يَسَارٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ يُصَلِّي فَلَا يَدَعْ أَحَدًا يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ فَإِنْ أَبَى فَلْيُقَاتِلْهُ فَإِنَّ مَعَهُ الْقَرِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন নামায পড়ে, তখন যেনো কাউকে তোমাদের সামনে দিয়ে যেতে না দেয়। যদি সে বাধা দেয় তবে, তবে তার সাথে যুদ্ধ করো। কারণ তার সঙ্গী (শয়তান) তার সাথে আছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5329 OK

(৫৩২৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا سَيَّارٌ عَنْ حَفْصِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ مَاتَ فَأَرَادُوا أَنْ يُخْرِجُوهُ مِنْ اللَّيْلِ لِكَثْرَةِ الزِّحَامِ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ إِنْ أَخَّرْتُمُوهُ إِلَى أَنْ تُصْبِحُوا فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ الشَّمْسَ تَطْلُعُ بِقَرْنِ شَيْطَانٍ


হজরত হাফস বিন উবায়দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যখন আব্দুর রহমান বিন যায়দ বিন খাত্তাব মারা যান, লোকেরা তাকে রাতে দাফনের জন্যে নিয়ে যেতে চেয়েছিলো। কারণ ভিড় খুব বেশি ছিলো, কারণ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “শয়তানের দুই শিঙ্গের মধ্য দিয়ে সূর্য উদিত হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5330 OK

(৫৩৩০)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩৪৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْفَضْلُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ قَالَ مَرَّ ابْنُ عَبَّاسٍ عَلَى أُنَاسٍ قَدْ وَضَعُوا حَمَامَةً يَرْمُونَهَا فَقَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُتَّخَذَ الرُّوحُ غَرَضًا


হজরত ইকরিমা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কিছু লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যারা একটি কবুতরকে ধরে রেখেছিলো এবং তারা সেটিকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়ছিলো। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো প্রাণীকে বাঁধা এবং তা লক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5331 OK

(৫৩৩১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي لَيْلَى عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُضَمِّرُ الْخَيْلَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি ঘোড়ার প্রতিযোগীতা করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5332 OK

(৫৩৩২)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১২৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْبَهِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِعَائِشَةَ نَاوِلِينِي الْخُمْرَةَ مِنْ الْمَسْجِدِ فَقَالَتْ إِنِّي قَدْ أَحْدَثْتُ فَقَالَ أَوَحَيْضَتُكِ فِي يَدِكِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার সাইয়্যেদা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা কে বললেন, “আমাকে মসজিদ থেকে একটি চাটাই দাও।” আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, “আমি ঋতুবতী।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমার ঋতুস্রাব তো তোমার হাতে নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5333 OK

(৫৩৩৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ جَابِرٍ سَمِعْتُ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يُصَلِّي فِي السَّفَرِ إِلَّا رَكْعَتَيْنِ غَيْرَ أَنَّهُ كَانَ يَتَهَجَّدُ مِنْ اللَّيْلِ قَالَ جَابِرٌ فَقُلْتُ لِسَالِمٍ كَانَا يُوتِرَانِ قَالَ نَعَمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সফরে মাত্র দুই রাকাত নামাজ পড়তেন, কিন্তু তিনি রাতে তাহাজ্জুদ পড়তেন। আমি সাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করলাম তারা উভয়েই বিতর পড়তেন কি না? তিনি ইতিবাচক জবাব দেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5334 OK

(৫৩৩৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১২৮] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنٌ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ كُنْتُ فِي سَرِيَّةٍ مِنْ سَرَايَا رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَاصَ النَّاسُ حَيْصَةً وَكُنْتُ فِيمَنْ حَاصَ فَقُلْنَا كَيْفَ نَصْنَعُ وَقَدْ فَرَرْنَا مِنْ الزَّحْفِ وَبُؤْنَا بِالْغَضَبِ ثُمَّ قُلْنَا لَوْ دَخَلْنَا الْمَدِينَةَ فَبِتْنَا ثُمَّ قُلْنَا لَوْ عَرَضْنَا أَنْفُسَنَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِنْ كَانَتْ لَهُ تَوْبَةٌ وَإِلَّا ذَهَبْنَا فَأَتَيْنَاهُ قَبْلَ صَلَاةِ الْغَدَاةِ فَخَرَجَ فَقَالَ مَنْ الْقَوْمُ قَالَ فَقُلْنَا نَحْنُ الْفَرَّارُونَ قَالَ لَا بَلْ أَنْتُمْ الْعَكَّارُونَ أَنَا فِئَتُكُمْ وَأَنَا فِئَةُ الْمُسْلِمِينَ قَالَ فَأَتَيْنَاهُ حَتَّى قَبَّلْنَا يَدَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে একটি এলাকায় যুদ্ধের জন্যে পাঠালেন। যখন আমরা শত্রুর মুখোমুখি হলাম, তখন আমরা প্রথম পর্যায়ে পালিয়ে গিয়ে, কিছু লোকের সঙ্গে লুকিয়ে মদিনায় ফিরে আসি। আমরা মুখ ফিরিয়ে নিয়ে যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করলাম এবং আল্লাহর গজব নিয়ে ফিরে এলাম। তখন আমরা ভাবলাম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামর কাছে গিয়ে আমাদের অজুহাত বর্ণনা করা উচিত। তারপর আমরা বললাম যে, “আমরা মদীনায় যাবো এবং সেখানে রাত্রি যাপন করবো। যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে শাস্তি দিতে চান, তবে খুব ভালো, নইলে আমরা আবার যুদ্ধের জন্যে ফিরে যাবো।” তাই আমরা ফজরের নামাজের আগে নবীজির খেদমতে হাজির হলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা কারা?” আমরা বললাম, “আমরা পলায়নকারী দল।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “না, বরং তোমরা পিছন ফিরে আক্রমনকারী দল। আর আমি তোমাদেরই একটি দল, বরং আমি সমগ্র মুসলিমদের একটি দল।” তারপর আমরা এগিয়ে গেলাম এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বরকতময় হাতে চুম্বন করলাম।

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৩৪]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



5335 OK

(৫৩৩৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫০২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ النَّذْرِ وَقَالَ إِنَّهُ لَا يَرُدُّ مِنْ الْقَدَرِ شَيْئًا وَإِنَّمَا يُسْتَخْرَجُ بِهِ مِنْ الْبَخِيلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানত করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন যে, “এর দ্বারা ভাগ্যের কোনো সিদ্ধান্ত রহিত হয় না, বরং কৃপণ ব্যক্তির কাছ থেকে কিছু সম্পদ বের হয়ে আসে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5336 OK

(৫৩৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৫১২০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ قَالَ جَلَسْتُ أَنَا وَمُحَمَّدٌ الْكِنْدِيُّ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ثُمَّ قُمْتُ مِنْ عِنْدِهِ فَجَلَسْتُ إِلَى سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ قَالَ فَجَاءَ صَاحِبِي وَقَدْ اصْفَرَّ وَجْهُهُ وَتَغَيَّرَ لَوْنُهُ فَقَالَ قُمْ إِلَيَّ قُلْتُ أَلَمْ أَكُنْ جَالِسًا مَعَكَ السَّاعَةَ فَقَالَ سَعِيدٌ قُمْ إِلَى صَاحِبِكَ قَالَ فَقُمْتُ إِلَيْهِ فَقَالَ أَلَمْ تَسْمَعْ إِلَى مَا قَالَ ابْنُ عُمَرَ قُلْتُ وَمَا قَالَ قَالَ أَتَاهُ رَجُلٌ فَقَالَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَعَلَيَّ جُنَاحٌ أَنْ أَحْلِفَ بِالْكَعْبَةِ قَالَ وَلِمَ تَحْلِفُ بِالْكَعْبَةِ إِذَا حَلَفْتَ بِالْكَعْبَةِ فَاحْلِفْ بِرَبِّ الْكَعْبَةِ فَإِنَّ عُمَرَ كَانَ إِذَا حَلَفَ قَالَ كَلَّا وَأَبِي فَحَلَفَ بِهَا يَوْمًا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَحْلِفْ بِأَبِيكَ وَلَا بِغَيْرِ اللَّهِ فَإِنَّهُ مَنْ حَلَفَ بِغَيْرِ اللَّهِ فَقَدْ أَشْرَكَ


হজরত সাদ বিন উবাইদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

মুহাম্মদ কুন্দি আমাকে বললো, “তুমি কি হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কথা শুনেছো?” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “তিনি কি বলেছেন?” সে বললো, “এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বললো, ‘হে আবূ আব্দুল রহমান! আমি যদি কাবা ঘরের শপথ করি, তাহলে কি আমার গুনাহ হবে’?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “কাবা ঘরের শপথ করার কি দরকার? যদি তুমি কাবা ঘরের শপথ করতে চাও, তাহলে তুমি কাবা ঘরের প্রভু আল্লাহর শপথ করো। কারণ একবার হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছিলেন, ‘আমার পিতার শপথ!’ তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘তোমার পিতার নামে বা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করো না। কারণ যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে শপথ করে, সে শিরক করে’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5337 OK

(৫৩৩৭)

সহিহ হাদিস

قَالَ قَرَأْتُ عَلَى أَبِي قُرَّةَ مُوسَى بْنِ طَارِقٍ قَالَ قَالَ مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ وَقَالَ نَافِعٌ كَانَ عَبْدُ اللَّهِ إِذَا صَدَرَ مِنْ الْحَجِّ أَوْ الْعُمْرَةِ أَنَاخَ بِالْبَطْحَاءِ الَّتِي بِذِي الْحُلَيْفَةِ وَأَنَّ عَبْدَ اللَّهِ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُعَرِّسُ بِهَا حَتَّى يُصَلِّيَ صَلَاةَ الصُّبْحِ


হজরত নাফী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হজ বা ওমরাহ থেকে ফিরে আসার সময় যুল-হিলাইফাহ, যা ওয়াদি বাথায় রয়েছে, তাঁর উটকে বসাতেন এবং বলতেন যে, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও এখানে রাত্রি যাপন করতেন। এখানে তিনি ভোর পর্যন্ত প্রার্থনা করতেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5338 OK

(৫৩৩৮)

সহিহ হাদিস

قَالَ مُوسَى وَأَخْبَرَنِي سَالِمٌ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَى فِي مُعَرَّسِهِ فَقِيلَ لَهُ إِنَّكَ فِي بَطْحَاءَ مُبَارَكَةٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একজন ফেরেশতা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শিবিরে এসে বললেন যে, “আপনি বরকতময় উপত্যকায় আছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5339 OK

(৫৩৩৯)

সহিহ হাদিস

قَالَ وَقَالَ حَدَّثَنَا نَافِعٌ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى عِنْدَ الْمَسْجِدِ الصَّغِيرِ الَّذِي دُونَ الْمَسْجِدِ الَّذِي يُشْرِفُ عَلَى الرَّوْحَاءِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই ছোট মসজিদে নামায পড়েছেন, যেটি রূহার উপরে নির্মিত মসজিদ থেকে আলাদা। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5340 OK

(৫৩৪০)

সহিহ হাদিস

قَالَ وَقَالَ نَافِعٌ إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَنْزِلُ تَحْتَ سَرْحَةِ الرُّوَيْثَةِ عَنْ يَمِينِ الطَّرِيقِ فِي مَكَانٍ بَطْحٍ سَهْلٍ حِينَ يُفْضِي مِنْ الْأَكَمَةِ دُونَ بَرِيدِ الرُّوَيْثَةِ بِمِيلَيْنِ وَقَدْ انْكَسَرَ أَعْلَاهَا وَهِيَ قَائِمَةٌ عَلَى سَاقٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাস্তার ডান পাশে পাহাড়ের দিকে প্রশস্ত ও নরম মাটিতে শিবির স্থাপন করতেন। পাহাড়ের চূড়া এবং একটি ঘন উঠানের নীচে শিবির স্থাপন করতেন। যেটি আরও দুই মাইল দূরে ছিলো, এর নীচের অংশটি এখন সরে গেছে এবং এটি তার শিকড়ের উপর দাঁড়িয়ে আছে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5341 OK

(৫৩৪১)

সহিহ হাদিস

وَقَالَ نَافِعٌ إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى مِنْ وَرَاءِ الْعَرْجِ وَأَنْتَ ذَاهِبٌ عَلَى رَأْسِ خَمْسَةِ أَمْيَالٍ مِنْ الْعَرْجِ فِي مَسْجِدٍ إِلَى هَضْبَةٍ عِنْدَ ذَلِكَ الْمَسْجِدِ قَبْرَانِ أَوْ ثَلَاثَةٌ عَلَى الْقُبُورِ رَضْمٌ مِنْ حِجَارَةٍ عَلَى يَمِينِ الطَّرِيقِ عِنْدَ سَلَامَاتِ الطَّرِيقِ بَيْنَ أُولَئِكَ السَّلَامَاتِ كَانَ عَبْدُ اللَّهِ يَرُوحُ مِنْ الْعَرْجِ بَعْدَ أَنْ تَمِيلَ الشَّمْسُ بِالْهَاجِرَةِ فَيُصَلِّي الظُّهْرَ فِي ذَلِكَ الْمَسْجِدِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘আরজ’এর ওপারে একটি বড় পাহাড়ের ওপর, একটি মসজিদে নামায পড়েছেন। আরজে যাওয়ার পথে এই মসজিদটি পাচ মাইল দূরে অবস্থিত। ঐ মসজিদের পাশে একটি কবরও আছে এবং এই কবরের রাস্তায় ডান দিকে অনেক গুলো পাথর রয়েছে। হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বিকেলে সূর্যাস্তের পর আরজ থেকে বের হয়ে, ঐ মসজিদে পৌঁছে যোহরের নামায পড়তেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5342 OK

(৫৩৪২)

সহিহ হাদিস

وَقَالَ نَافِعٌ إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَزَلَ تَحْتَ سَرْحَةٍ وَقَالَ غَيْرُ أَبِي قُرَّةَ سَرَحَاتٍ عَنْ يَسَارِ الطَّرِيقِ فِي مَسِيلٍ دُونَ هَرْشَا ذَلِكَ الْمَسِيلُ لَاصِقٌ عَلَى هَرْشَا وَقَالَ غَيْرُهُ لَاصِقٌ بِكَرَاعِ هَرْشَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الطَّرِيقِ قَرِيبٌ مِنْ غَلْوَةِ سَهْمٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাস্তার বাম দিকে আসা একটি পানির নালার কাছে “হারশ”র পিছনে থামলেন, কেউ কেউ একে “করা হারশ”-ও বলে থাকে। এই “হারশ” এবং রাস্তার মধ্যে একটি তীর নিক্ষেপের দূরত্ব রয়েছে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5343 OK

(৫৩৪৩)

সহিহ হাদিস

وَقَالَ نَافِعٌ إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَنْزِلُ بِذِي طُوًى يَبِيتُ بِهِ حَتَّى يُصَلِّيَ صَلَاةَ الصُّبْحِ حِينَ قَدِمَ إِلَى مَكَّةَ وَمُصَلَّى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَلِكَ عَلَى أَكَمَةٍ غَلِيظَةٍ لَيْسَ فِي الْمَسْجِدِ الَّذِي بُنِيَ ثَمَّ وَلَكِنْ أَسْفَلَ مِنْ ذَلِكَ عَلَى أَكَمَةٍ خَشِنَةٍ غَلِيظَةٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় আসার সময় যী-তোয়া নামক স্থানে শিবির স্থাপন করতেন, সেখানে রাত্রি যাপন করতেন এবং সেখানে ফজরের সালাত আদায় করতেন। নামাজের স্থানটি একটি রুক্ষ ঢিবির উপর ছিলো। বর্তমানে সেখানে নির্মিত মসজিদে নয়, বরং এর নীচে একটি রুক্ষ ও রুক্ষ ঢিবির উপর ছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5344 OK

(৫৩৪৪)

সহিহ হাদিস

قَالَ وَأَخْبَرَنِي أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَقْبَلَ فُرْضَتَيْ الْجَبَلِ الطَّوِيلِ الَّذِي قِبَلَ الْكَعْبَةِ فَجَعَلَ الْمَسْجِدَ الَّذِي بُنِيَ يَمِينًا وَالْمَسْجِدُ بِطَرَفِ الْأَكَمَةِ وَمُصَلَّى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَسْفَلُ مِنْهُ عَلَى الْأَكَمَةِ السَّوْدَاءِ يَدَعُ مِنْ الْأَكَمَةِ عَشْرَ أَذْرُعٍ أَوْ نَحْوَهَا ثُمَّ يُصَلِّي مُسْتَقْبِلَ الْفُرْضَتَيْنِ مِنْ الْجَبَلِ الطَّوِيلِ الَّذِي بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْكَعْبَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই দীর্ঘ পাহাড়ের (যেটি কাবার সামনে রয়েছে) উভয় দিকে ফিরে যান এবং সেখানে নির্মিত মসজিদের ওপর তার ডান হাত রাখলেন, যা কাবার একপাশে রয়েছে। ঢিবির একপাশে নবীজির নামাজের স্থান ছিলো। ঢিপির ঠিক নীচে একটি কালো পাহাড়ে নামায পড়তেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5345 OK

(৫৩৪৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩১৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ سَمِعْتُ أَبَا جَعْفَرٍ يَعْنِي الْمُؤَذِّنَ يُحَدِّثُ عَنْ مُسْلِمٍ أَبِي الْمُثَنَّى يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ إِنَّمَا كَانَ الْأَذَانُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّتَيْنِ وَقَالَ حَجَّاجٌ يَعْنِي مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ وَالْإِقَامَةُ مَرَّةً غَيْرَ أَنَّهُ يَقُولُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ وَكُنَّا إِذَا سَمِعْنَا الْإِقَامَةَ تَوَضَّأْنَا ثُمَّ خَرَجْنَا إِلَى الصَّلَاةِ قَالَ شُعْبَةُ لَا أَحْفَظُ غَيْرَ هَذَا حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ سَمِعْتُ أَبَا جَعْفَرٍ مُؤَذِّنَ الْعُرْبَانِ فِي مَسْجِدِ بَنِي هِلَالٍ عَنْ مُسْلِمٍ أَبِي الْمُثَنَّى مُؤَذِّنِ مَسْجِدِ الْجَامِعِ فَذَكَرَ هَذَا الْحَدِيثَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বরকতময় দিনগুলোতে আযানের শব্দ দুইবার করে বলা হতো এবং ইকামাতের শব্দ একবার করে বলা হতো। যদিও ‘কাদকা মাতিস সালাহ’ দুইবার করেই বলা হতো। আর ইকামাত শুনলেই আমরা নামাযের জন্যে প্রস্তুত হয়ে যেতাম। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5346 OK

(৫৩৪৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫২৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ وَالْعُمَرِيُّ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ فِي بَيْتِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাগরিবের পর নিজ ঘরে দুই রাকাত সুন্নত নামাজ পড়তেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5347 OK

(৫৩৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৬২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (বিদায় হজ্জ উপলক্ষে) বলেছেন, “আমার মৃত্যুর পরে তোমরা একে অপরের ঘাড়ে আঘাত করে, কাফের হয়ে যেও না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5348 OK

(৫৩৪৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ نَهْشَلِ بْنِ مُجَمِّعٍ عَنْ قَزَعَةَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ لُقْمَانَ الْحَكِيمَ كَانَ يَقُولُ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ إِذَا اسْتُوْدِعَ شَيْئًا حَفِظَهُ و قَالَ مَرَّةً نَهْشَلٌ عَنْ قَزَعَةَ أَوْ عَنْ أَبِي غَالِبٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “লুকমান হাকিম বলতেন যে, ‘যখন কোনো কিছু আল্লাহর হেফাজতের ওপর অর্পণ করা হয়, তখন তিনি নিজেই তা রক্ষা করেন’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5349 OK

(৫৩৪৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৩৪৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ نَهْشَلِ بْنِ مُجَمِّعٍ عَنْ قَزَعَةَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ لُقْمَانَ الْحَكِيمَ كَانَ يَقُولُ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ إِذَا اسْتُوْدِعَ شَيْئًا حَفِظَهُ و قَالَ مَرَّةً نَهْشَلٌ عَنْ قَزَعَةَ أَوْ عَنْ أَبِي غَالِبٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “লুকমান হাকিম বলতেন যে, ‘যখন কোনো কিছু আল্লাহর হেফাজতের ওপর অর্পণ করা হয়, তখন তিনি নিজেই তা রক্ষা করেন’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5350 OK

(৫৩৫০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৫৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ شَرِيكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُصْمٍ وَقَالَ إِسْرَائِيلُ ابْنِ عِصْمَةَ قَالَ وَكِيعٌ هُوَ ابْنُ عُصْمٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ فِي ثَقِيفَ مُبِيرًا وَكَذَّابًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সাকিফ গোত্রে এক মিথ্যুকের এবং এক নর হত্যাকারীর আবির্ভাব হবে।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5351 OK
View Quran

(৫৩৫১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا بَهْزٌ وَحَسَنُ بْنُ مُوسَى قَالَا حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ قَالَ بَهْزٌ فِي حَدِيثِهِ عَنْ حَمَّادٍ قَالَ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مِقْسَمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَذِهِ الْآيَةَ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ وَالسَّمَوَاتُ مَطْوِيَّاتٌ بِيَمِينِهِ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى عَمَّا يُشْرِكُونَ قَالَ يَقُولُ اللَّهُ أَنَا الْجَبَّارُ أَنَا الْمُتَكَبِّرُ أَنَا الْمَلِكُ أَنَا الْمُتَعَالِي يُمَجِّدُ نَفْسَهُ قَالَ فَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُرَدِّدُهَا حَتَّى رَجَفَ بِهِ الْمِنْبَرُ حَتَّى ظَنَنَّا أَنَّهُ سَيَخِرُّ بِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিম্বরে এই আয়াতটি পাঠ করলেন,
وَمَا قَدَرُواْ ٱللَّهَ حَقَّ قَدۡرِهِۦ وَٱلۡأَرۡضُ جَمِيعٗا قَبۡضَتُهُۥ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ وَٱلسَّمَٰوَٰتُ مَطۡوِيَّٰتُۢ بِيَمِينِهِۦۚ سُبۡحَٰنَهُۥ وَتَعَٰلَىٰ عَمَّا يُشۡرِكُونَ٦٧
তারা আল্লাহকে যথার্থ রূপে সম্মান করে না। অথচ কিয়ামতের দিনে সব ভূমন্ডল থাকবে তাঁর হাতের মুঠোতে এবং নভোমন্ডল ভাঁজ করা অবস্থায় তাঁর ডান হাতে থাকবে। আল্লাহ পবিত্র আর তারা যাকে আল্লাহর সাথে অংশীদার করে, তা থেকে আল্লাহ অনেক উর্ধ্বে। (৩৯. আয যুমার : ৬৭)
একথা বলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিম্বরে কাঁপতে লাগলেন, যতক্ষণ না আমরা ভয় পেলাম যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পড়ে যাবেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5352 OK

(৫৩৫২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ أَخْبَرَنَا حَمَّادٌ حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ سِيرِينَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلَاةِ الْفَجْرِ كَأَنَّ الْأَذَانَ فِي أُذُنَيْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ফজরের নামাযের আযান শোনা গেলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের সুন্নত গুলো পড়তেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5353 OK

(৫৩৫৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৪০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ قَالَ أَخْبَرَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ قَالَ بَيْنَمَا عُبَيْدُ بْنُ عُمَيْرٍ يَقُصُّ وَعِنْدَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ فَقَالَ عُبَيْدُ بْنُ عُمَيْرٍ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَثَلُ الْمُنَافِقِ كَشَاةٍ مِنْ بَيْنِ رَبِيضَيْنِ إِذَا أَتَتْ هَؤُلَاءِ نَطَحْنَهَا وَإِذَا أَتَتْ هَؤُلَاءِ نَطَحْنَهَا فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ لَيْسَ كَذَلِكَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَشَاةٍ بَيْنَ غَنَمَيْنِ قَالَ فَاحْتَفَظَ الشَّيْخُ وَغَضِبَ فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ أَمَا إِنِّي لَوْ لَمْ أَسْمَعْهُ لَمْ أَرُدَّ ذَلِكَ عَلَيْكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মুনাফিকের উদাহরণ ঐ বকরীর ন্যায়, যে দুই বকরীর পালের মধ্যস্থলে থাকে। কখনও এই পালের দিকে আসে, কখনও ঐ পালের দিকে যায়, সে বুঝতে পারে না যে, সে কোন দলের সাথে থাকবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5354 OK

(৫৩৫৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شُغِلَ عَنْهَا لَيْلَةً فَأَخَّرَهَا حَتَّى رَقَدْنَا فِي الْمَسْجِدِ ثُمَّ اسْتَيْقَظْنَا ثُمَّ رَقَدْنَا ثُمَّ اسْتَيْقَظْنَا ثُمَّ رَقَدْنَا ثُمَّ اسْتَيْقَظْنَا فَخَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ لَيْسَ أَحَدٌ مِنْ أَهْلِ الْأَرْضِ اللَّيْلَةَ يَنْتَظِرُ الصَّلَاةَ غَيْرُكُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে কোনো কাজে ব্যস্ত ছিলেন এবং নামায পড়তে এত বিলম্ব করলেন যে, আমরা তিনবার মসজিদে ঘুমিয়ে পড়লাম এবং এরপর জেগে উঠলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘর থেকে বের হয়ে, আমাদের কাছে এসে বললেন, “নিশ্চয়ই, এই মুহুর্তে তোমরা ছাড়া এই দুনিয়ায় অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের কেউই নামাযের জন্যে অপেক্ষা করছে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5355 OK

(৫৩৫৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُسَامَةَ بْنِ الْهَادِ اللَّيْثِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ أَبَرَّ الْبِرِّ صِلَةُ الْمَرْءِ أَهْلَ وُدِّ أَبِيهِ بَعْدَ أَنْ يُوَلِّيَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মানুষের জন্যে সবচেয়ে বড় নেক কাজ হলো, কোনো ব্যক্তির পিতার ইন্তিকালের পর, তার বন্ধু-বান্ধবের সাথে সদ্ব্যবহার বজায় রাখা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫৩৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস