(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৭৮১টি]



5026 OK

(৫০২৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৪৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ رَزِينِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْأَحْمَرِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سُئِلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الرَّجُلِ يُطَلِّقُ امْرَأَتَهُ ثَلَاثًا فَيَتَزَوَّجُهَا آخَرُ فَيُغْلَقُ الْبَابُ وَيُرْخَى السِّتْرُ ثُمَّ يُطَلِّقُهَا قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا هَلْ تَحِلُّ لِلْأَوَّلِ قَالَ لَا حَتَّى يَذُوقَ الْعُسَيْلَةَ و حَدَّثَنَاه أَبُو أَحْمَدُ يَعْنِي الزُّبَيْرِيَّ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ رَزِينٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলো যে, “যদি কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিনবার তালাক দেয় এবং অন্য কোনো পুরুষ সেই মহিলাকে বিয়ে করে। এখন দ্বিতীয় স্বামী যদি তার সহবাসের পূর্বে ঐ স্ত্রীকে তালাক দেয়। উক্ত স্ত্রীলোকটি কি প্রথম স্বামীর সাথে পুনর্বিবাহে আবদ্ধ হতে পারবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “না, পুনর্বিবাহে আবদ্ধ হতে পারবে না। যতক্ষণ না, দ্বিতীয় স্বামী ঐ মহিলার মধু পান করে (তার সাথে সহবাস করে)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5027 OK

(৫০২৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩১২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا افْتَتَحَ الصَّلَاةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ مَنْكِبَيْهِ وَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ وَبَعْدَمَا يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنْ الرُّكُوعِ وَقَالَ سُفْيَانُ مَرَّةً وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ وَأَكْثَرُ مَا كَانَ يَقُولُ وَبَعْدَمَا يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنْ الرُّكُوعِ وَلَا يَرْفَعُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি, সালাতের শুরুতে কাঁধের সমতলে হাত দিয়ে রফে ইয়াদীন করতে। পাশাপাশি রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে মাথা উঠানোর পরও আমি তাঁকে রফে ইয়াদ্দীন করতে দেখেছি। কিন্তু দুই সেজদার মাঝে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রফে ইয়াদ্দীন করেননি। [মুসনাদে আহমাদ : ৫০২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5028 OK

(৫০২৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৩৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ سُئِلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الضَّبِّ فَقَالَ لَا آكُلُهُ وَلَا أُحَرِّمُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দব্ব (অনেকটা গুইসাপের মতো দেখতে) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, “আমি তা খাই না এবং হারামও করি না।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৫০২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5029 OK

(৫০২৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ قَالَ كُنْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ أَنَا وَرَجُلٌ آخَرُ فَدَعَا رَجُلًا آخَرَ ثُمَّ قَالَ اسْتَرْخِيَا فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ يَنْتَجِيَ اثْنَانِ دُونَ وَاحِدٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে দীনার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমি এবং অন্য একজন সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ছিলাম, তিনি অপর ব্যক্তিকে ডেকে বললেন, “তোমরা উভয়ে নম্র হও। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই বিষয়ে মানা করেছেন যে, যখন তিন জন ব্যক্তি হয়, তখন এক জনকে বাদে দিয়ে, দুই জন ব্যক্তি ফিসফিস করে কথা বলবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5030 OK

(৫০৩০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৩৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُبَايِعُ عَلَى السَّمْعِ وَالطَّاعَةِ ثُمَّ يَقُولُ فِيمَا اسْتَطَعْتَ وَقَالَ مَرَّةً فَيُلَقِّنُ أَحَدَنَا فِيمَا اسْتَطَعْتَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শ্রবণ ও আনুগত্যের শর্তে বাইয়াত নিতেন, তারপর বলতেন, “যতদূর সম্ভব (যতদূর সম্ভব, তোমরা শুনবে এবং আনুগত্য করবে)।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5031 OK

(৫০৩১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭০১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ حَدِيثِ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْتَمِسُوا لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِي السَّبْعِ الْأَوَاخِرِ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা রমজান মাসের শেষ সাত রাতে কদরের রাতের সন্ধান করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5032 OK

(৫০৩২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كُنَّا نَتَّقِي كَثِيرًا مِنْ الْكَلَامِ وَالِانْبِسَاطِ إِلَى نِسَائِنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَخَافَةَ أَنْ يَنْزِلَ فِينَا الْقُرْآنُ فَلَمَّا مَاتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَكَلَّمْنَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে আমরা আমাদের স্ত্রীদের সাথে খুব বেশি কথা বলা এবং খোলামেলা হওয়া থেকে বিরত থাকতাম। পাছে আমাদের সম্পর্কে কুরআনে কোনো হুকুম জারি করা হয়। যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকাল করলেন, তখন আমরা বেশি বেশি কথা বলা শুরু করলাম। [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5033 OK

(৫০৩৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩২৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “বিলাল কেবল মাত্র রাতেই আযান দেয়, সুতরাং ইবনে উম্মে মাকতুম আযান না দেওয়া পর্যন্ত, তোমরা সেহরীর জন্যে পানাহার করতে থাকো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5034 OK

(৫০৩৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২১৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمُ بْنُ بَشِيرٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ وَأَبُو مُعَاوِيَةَ أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَعَلَ يَوْمَ خَيْبَرَ لِلْفَرَسِ سَهْمَيْنِ وَلِلرَّجُلِ سَهْمًا وَقَالَ أَبُو مُعَاوِيَةَ أَسْهَمَ لِلرَّجُلِ وَلِفَرَسِهِ ثَلَاثَةَ أَسْهُمٍ سَهْمًا لَهُ وَسَهْمَيْنِ لِفَرَسِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাইবার যুদ্ধের সময় একটি ঘোড়ার দুটি অংশ এবং একটি সওয়ারীর একটি অংশ নির্ধারণ করেছিলেন। যার মধ্যে একটি অংশ ছিলো, একজন মানুষের জন্যে এবং দুটি অংশ ছিলো, একটি ঘোড়ার জন্যে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5035 OK

(৫০৩৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৪৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ صَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِجَمْعٍ بِإِقَامَةٍ وَاحِدَةٍ فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَالِكٍ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا هَذِهِ الصَّلَاةُ فَقَالَ صَلَّيْتُهَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي هَذَا الْمَكَانِ بِإِقَامَةٍ وَاحِدَةٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মালিক আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু মুযদালিফায় একই সময়ে মাগরিবের তিন রাকাত ও এশার দুই রাকাত নামায আদায় করলেন। আমি বললাম, “হে আবদুর রহমান! এটা কি ধরনের নামায?” তিনি বললেন, “আমি এই নামায গুলো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে, এই স্থানে এক ইকামাতে আদায় করেছি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5036 OK

(৫০৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৫১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ سَرِيَّةً إِلَى نَجْدٍ فَبَلَغَتْ سِهَامُهُمْ اثْنَيْ عَشَرَ بَعِيرًا وَنَفَّلَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعِيرًا بَعِيرًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নজদে একটি কাফেলা পাঠালেন, তাতে (গনীমতের মাল হিসেবে) বারোটি উট প্রাপ্ত হলো এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে একটি করে উট পুরস্কার হিসেবে দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5037 OK

(৫০৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৯৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ الشِّغَارِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আশ-শিগার নিষিদ্ধ করেছেন। ‘আশ-শিগার’ হলো, কোনো ব্যাক্তি নিজের কন্যাকে বা বোনকে, অন্য এক ব্যক্তির পুত্রের সঙ্গে বিবাহ দিবে এবং তার কন্যা বা বোনকে নিজের পুত্রের জন্যে আনবে এবং এই দুই কন্যাই মহর পাবে না।

[মুসনাদে আহমাদ : ৫০৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5038 OK

(৫০৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৪৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ صَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِجَمْعٍ بِإِقَامَةٍ وَاحِدَةٍ فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَالِكٍ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا هَذِهِ الصَّلَاةُ فَقَالَ صَلَّيْتُهَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي هَذَا الْمَكَانِ بِإِقَامَةٍ وَاحِدَةٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মালিক আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু মুযদালিফায় একই সময়ে মাগরিবের তিন রাকাত ও এশার দুই রাকাত নামায আদায় করলেন। আমি বললাম, “হে আবদুর রহমান! এটা কি ধরনের নামায?” তিনি বললেন, “আমি এই নামায গুলো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে, এই স্থানে এক ইকামাতে আদায় করেছি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5039 OK

(৫০৩৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪২২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ مَالِكٍ حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ جَاءَ رَجُلَانِ مِنْ أَهْلِ الْمَشْرِقِ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَخَطَبَا فَعَجِبَ النَّاسُ مِنْ بَيَانِهِمَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ مِنْ الْبَيَانِ سِحْرًا أَوْ إِنَّ بَعْضَ الْبَيَانِ سِحْرٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

পূর্ব দিক থেকে দুইজন লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে এসেছিলেন। লোকেরা তারদের কথোপ-কথনের সাবলীলতা এবং উৎকর্ষ দেখে বিস্মিত হয়েছিলো, তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “কিছু কথায় যাদুর প্রভাব রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5040 OK

(৫০৪০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৭৫৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تُبَاعَ الثَّمَرَةُ حَتَّى يَبْدُوَ صَلَاحُهَا قَالَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا صَلَاحُهَا قَالَ إِذَا ذَهَبَتْ عَاهَتُهَا وَخَلَصَ طَيِّبُهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফল পাকানোর আগে ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ফল পাকা বলতে কী বোঝায়?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “যখন তা থেকে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দূর হয়ে যায় এবং উত্তম ফল বের হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5041 OK

(৫০৪১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৯৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ يَعْنِي ابْنَ مَهْدِيٍّ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ بَيْعِ الثَّمَرَةِ حَتَّى يَبْدُوَ صَلَاحُهَا نَهَى الْبَائِعَ وَالْمُشْتَرِيَ وَنَهَى أَنْ يُسَافَرَ بِالْقُرْآنِ إِلَى أَرْضِ الْعَدُوِّ مَخَافَةَ أَنْ يَنَالَهُ الْعَدُوُّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফল পাকানোর আগ পর্যন্ত, ফল বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। আর তিনি তা ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের জন্যেই নিধেষ করেছেন। এছাড়াও, ভ্রমণের সময় পবিত্র কুরআন সাথে নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ করেছেন, কারণ এটি শত্রুর হাতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5042 OK

(৫০৪২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْا الْهِلَالَ وَلَا تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “চাঁদ না দেখা পর্যন্ত রোজা রেখো না এবং চাঁদ না দেখে ঈদ উদযাপন করো না। যদি মেঘ তোমাদেরকে ঢেকে ফেলে, তাহলে অনুমান করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5043 OK

(৫০৪৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৬৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَفَلَ مِنْ حَجٍّ أَوْ غَزْوٍ فَعَلَا فَدْفَدًا مِنْ الْأَرْضِ أَوْ شَرَفًا قَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ آيِبُونَ تَائِبُونَ سَاجِدُونَ عَابِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন হজ্জ, জিহাদ বা ওমরাহ থেকে ফিরে আসতেন, তখন তিনি এই দুআ পাঠ করতেন।

اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ آيِبُونَ تَائِبُونَ سَاجِدُونَ عَابِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ

“আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। সত্যিকার অর্থে আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। তিনি এক, তাঁর কোন শারীক নেই। সকল রাজত্ব এবং প্রশংসা একমাত্র তাঁরই। সব বিষয়ে তিনিই সর্বশক্তিমান। আমরা তাঁরই কাছে প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাহ্কারী, তাঁরই ইবাদাতকারী। আমরা আমাদের প্রভুর কাছে সাজদাহ্কারী, তাঁরই প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছেন। তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই তিনি সকল শত্রু বাহিনীকে পরাজিত করেছেন।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৫০৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5044 OK

(৫০৪৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৭৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ الظُّهْرِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَهَا وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ فِي بَيْتِهِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعِشَاءِ فِي بَيْتِهِ قَالَ وَحَدَّثَتْنِي حَفْصَةُ أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ حِينَ يَطْلُعُ الْفَجْرُ وَيُنَادِي الْمُنَادِي بِالصَّلَاةِ قَالَ أَيُّوبُ أُرَاهُ قَالَ خَفِيفَتَيْنِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْجُمُعَةِ فِي بَيْتِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি যোহরের নামাযের পূর্বে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে দুই রাকাত নামায পড়লাম এবং এর সাথে আরো দুই রাকাত নামায আদায় করেছি। আমার ঘরে মাগরিবের পর দুই রাকাত এবং এশার পর আমি আমার ঘরে দুই রাকাত নামায আদায় করেছি। সাইয়্যেদা হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বলেছেন যে, “এমনকি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের সময়ও দুই রাকাত নামায পড়তেন, যখন মোয়াযজিন ফজরের ফরজ নামাযের ঘোষণা দিতো। আর তিনি জুমার পরেও ঘরে দুই রাকাত নামায পড়তেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5045 OK

(৫০৪৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৬০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ الْمُزَابَنَةِ وَالْمُزَابَنَةُ أَنْ يُبَاعَ مَا فِي رُءُوسِ النَّخْلِ بِتَمْرٍ بِكَيْلٍ مُسَمًّى إِنْ زَادَ فَلِي وَإِنْ نَقَصَ فَعَلَيَّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুযাবানা নিষেধ করেছেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, মুযাবানা হলো তাজা খেজুর, শুকনো খেজুরের বদলে ওজন করে বিক্রি করা এবং কিসমিস, তাজা আঙ্গুরের বদলে ওজন করে বিক্রি করা। [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5046 OK

(৫০৪৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৬৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ مُوسَى عَنْ نَافِعٍ خَرَجَ ابْنُ عُمَرَ يُرِيدُ الْعُمْرَةَ فَأَخْبَرُوهُ أَنَّ بِمَكَّةَ أَمْرًا فَقَالَ أُهِلُّ بِالْعُمْرَةِ فَإِنْ حُبِسْتُ صَنَعْتُ كَمَا صَنَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَهَلَّ بِالْعُمْرَةِ فَلَمَّا سَارَ قَلِيلًا وَهُوَ بِالْبَيْدَاءِ قَالَ مَا سَبِيلُ الْعُمْرَةِ إِلَّا سَبِيلُ الْحَجِّ أُوجِبُ حَجًّا وَقَالَ أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ أَوْجَبْتُ حَجًّا فَإِنَّ سَبِيلَ الْحَجِّ سَبِيلُ الْعُمْرَةِ فَقَدِمَ مَكَّةَ فَطَافَ بِالْبَيْتِ سَبْعًا وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ سَبْعًا وَقَالَ هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَ أَتَى قُدَيْدًا فَاشْتَرَى هَدْيًا فَسَاقَهُ مَعَهُ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ইবনে যুবাইরের খিলাফত কালে খারিজীদের হজ্জ আদায়ের বছর, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হজ্জ পালন করার ইচ্ছা করেন। তখন তাঁকে বলা হলো, লোকেদের মাঝে পরস্পর লড়াই সংঘটিত হতে যাচ্ছে, আর তারা আপনাকে বাধা দিতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
لَّقَدۡ كَانَ لَكُمۡ فِي رَسُولِ ٱللَّهِ أُسۡوَةٌ حَسَنَةٞ لِّمَن كَانَ يَرۡجُواْ ٱللَّهَ وَٱلۡيَوۡمَ ٱلۡأٓخِرَ وَذَكَرَ ٱللَّهَ كَثِيرٗا٢١
অবশ্যই তোমাদের জন্যে আল্লাহর রসূলের মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। তাদের জন্যে আদর্শ রয়েছে, যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের আশা রাখে আর আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে। (৩৩. আল আহযাব : ২১)

কাজেই আমি সেরূপ করব যেরূপ করেছিলেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আমি তোমাদেরকে সাক্ষী করে বলছি, আমি আমার উপর উমরাহ ওয়াজিব করে ফেলেছি।” এরপর বায়দার উপকণ্ঠে পৌঁছে তিনি বললেন, “হজ্জ এবং উমরাহর ব্যাপার তো একই। আমি তোমাদেরকে সাক্ষী করে বলছি, উমরাহর সাথে আমি হজ্জকেও একত্রিত করলাম।” এরপর তিনি কিলাদা পরিহিত কুরবানীর জানোয়ার নিয়ে চললেন, যেটি তিনি আসার পথে কিনেছিলেন। অতঃপর তিনি বাইতুল্লাহ তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সাঈ করলেন। তাছাড়া অতিরিক্ত কিছু করেননি এবং সে সব বিষয় হতে হালাল হননি, যেসব বিষয় তাঁর উপর হারাম ছিলো, কুরবানীর দিন পর্যন্ত। তখন তিনি মাথা মুড়ালেন এবং কুরবানী করলেন। তাঁর মতে প্রথম তাওয়াফ দ্বারা হজ্জ ও উমরাহর তাওয়াফ সম্পন্ন হয়েছে। এ সব করার পর হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরূপই করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5047 OK

(৫০৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ حَدِّثْنِي عَنْ طَلَاقِكَ امْرَأَتَكَ قَالَ طَلَّقْتُهَا وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَذَكَرَهُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا فَإِذَا طَهُرَتْ فَلْيُطَلِّقْهَا فِي طُهْرِهَا قَالَ قُلْتُ لَهُ هَلْ اعْتَدَدْتَ بِالَّتِي طَلَّقْتَهَا وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ فَمَا لِي لَا أَعْتَدُّ بِهَا وَإِنْ كُنْتُ قَدْ عَجَزْتُ وَاسْتَحْمَقْتُ


আনাস বিন সিরীন থেকে বর্ণিতঃ

আমি ইবনে উমারকে বললাম, “আপনার স্ত্রীকে তালাক দেয়ার ঘটনাটি আমাকে বর্ণনা করুন।” তিনি বললেন, “সে ঋতুবতী থাকা অবস্থায় তাকে তালাক দিয়েছিলাম। অতঃপর এ কথা উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জানালাম। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তা জানালেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘ওকে তালাক প্রত্যাহার করার নির্দেশ দাও। যখন স্ত্রী পবিত্র হবে, তখন তাকে তালাক দিক’।” আনাস বলেন, আমি ইবনে উমারকে বললাম, “ঋতুবতী অবস্থায় যাকে তালাক দিয়েছিলেন, তার সাথে কি ইদ্দাত পালন করেছিলেন?” তিনি বললেন, “ইদ্দাত পালন না করার কী আছে? আমি তো বুড়ো হয়ে গিয়েছিলাম এবং বোকামি করেছিলাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5048 OK

(৫০৪৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩০০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجَمَ يَهُودِيًّا وَيَهُودِيَّةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ইহুদী ব্যভীচারী পুরুষ ও ব্যভীচারীনী মহিলাকে পাথর ছুড়ে মেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5049 OK

(৫০৪৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ أَخْبَرَنِي أَبِي أَخْبَرَنِي ابْنُ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَتَحَرَّوْا بِصَلَاتِكُمْ طُلُوعَ الشَّمْسِ وَلَا غُرُوبَهَا فَإِنَّهَا تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَيْ شَيْطَانٍ فَإِذَا طَلَعَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَلَا تُصَلُّوا حَتَّى تَبْرُزَ وَإِذَا غَابَ حَاجِبُ الشَّمْسِ فَلَا تُصَلُّوا حَتَّى تَغِيبَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময় নামাযের নিয়ত করো না। কারণ সূর্য উদিত হয় শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখানে। যখন সূর্য উদিত হয়, তবে তা দৃশ্যমান না হওয়া পর্যন্ত, সালাত আদায় করবে না। অনুরূপভাবে, যখন সূর্য অস্ত যেতে শুরু করে, তখন ততক্ষণ পর্যন্ত সালাত আদায় করবে না, যতক্ষণ না এটি সম্পূর্ণরূপে অস্ত যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5050 OK

(৫০৫০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৪৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ قَالَ نَادَى ابْنُ عُمَرَ بِالصَّلَاةِ بِضَجْنَانَ ثُمَّ نَادَى أَنْ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ ثُمَّ حَدَّثَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ يَأْمُرُ الْمُنَادِيَ فَيُنَادِي بِالصَّلَاةِ ثُمَّ يُنَادِي أَنْ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ فِي اللَّيْلَةِ الْبَارِدَةِ وَفِي اللَّيْلَةِ الْمَطِيرَةِ فِي السَّفَرِ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

জাজনান উপত্যকায় একবার সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু নামাযের ঘোষণা দেন, তারপর প্রচার করেন যে, তোমরা তোমাদের নিজেদের তাঁবুতে নামায পড়ো এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে এই হাদীসটি বর্ণনা করলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভ্রমণের সময় ঠান্ডার রাতে বা বৃষ্টির রাতে নামাযের ঘোষণা দিতেন এবং প্রচার করতেন যে, “তোমরা নিজেদের তাঁবুতে নামায পড়ো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5051 OK

(৫০৫১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৯২৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ قَالَ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ فَرَضَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدَقَةَ الْفِطْرِ عَلَى الصَّغِيرِ وَالْكَبِيرِ وَالْحُرِّ وَالْمَمْلُوكِ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ أَوْ شَعِيرٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, স্বাধীন ব্যক্তি, ক্রীতদাস, যুবক-বৃদ্ধ, ছোট-বড় সকল ব্যক্তির জন্যে এক সা খেজুর বা এক সা যব সাদাকা-তুল-ফিতর হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5052 OK

(৫০৫২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫০৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تُتَلَقَّى السِّلَعُ حَتَّى تَدْخُلَ الْأَسْوَاقَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাজারে পণ্য আসার আগে, শহরের বাইরে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দেখা করে, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মালামাল নিতে নিষেধ করেছেন। আর প্রতারণা করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5053 OK

(৫০৫৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৪২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ الْأَزْرَقُ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ عُمَرَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَجْمَعُ بَيْنَ الصَّلَاتَيْنِ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ إِذَا غَابَ الشَّفَقُ قَالَ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَجْمَعُ بَيْنَهُمَا إِذَا جَدَّ بِهِ السَّيْرُ


হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূর্যাস্তের পর মাগরিব ও এশার নামাজ একত্রে আদায় করতেন এবং বলতেন যে, “যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সফরে তাড়াহুড়ো করতেন, তখন তিনি মাগরিব ও এশার মধ্যবর্তী সময়ে এই দুই ওয়াক্তের নামায একত্রে আদায় করতেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5054 OK

(৫০৫৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৭৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ بَاعَ نَخْلًا قَدْ أُبِّرَتْ فَثَمَرَتُهَا لِلْبَائِعِ إِلَّا أَنْ يَشْتَرِطَ الْمُبْتَاعُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি খেজুর লাগানো গাছ বিক্রি করবে, তার ফল বিক্রেতার হবে। তবে ক্রেতা যদি কেনার সময় শর্ত দেয় যে, আমি ফল সহ এই গাছটি কিনছি। তবে তা ক্রেতার হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5055 OK

(৫০৫৫)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫১৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ حِفْظِي عَنْ أَيُّوبَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ حَبَلِ الْحَبَلَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উটের গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। (অর্থাৎ তার মা ব্যতীত)। [মুসনাদে আহমাদ : ৫০৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস