হজরত নাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
ইবনে যুবাইরের খিলাফত কালে খারিজীদের হজ্জ আদায়ের বছর, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হজ্জ পালন করার ইচ্ছা করেন। তখন তাঁকে বলা হলো, লোকেদের মাঝে পরস্পর লড়াই সংঘটিত হতে যাচ্ছে, আর তারা আপনাকে বাধা দিতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
لَّقَدۡ كَانَ لَكُمۡ فِي رَسُولِ ٱللَّهِ أُسۡوَةٌ حَسَنَةٞ لِّمَن كَانَ يَرۡجُواْ ٱللَّهَ وَٱلۡيَوۡمَ ٱلۡأٓخِرَ وَذَكَرَ ٱللَّهَ كَثِيرٗا٢١অবশ্যই তোমাদের জন্যে আল্লাহর রসূলের মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। তাদের জন্যে আদর্শ রয়েছে, যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের আশা রাখে আর আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে। (৩৩. আল আহযাব : ২১)
কাজেই আমি সেরূপ করব যেরূপ করেছিলেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আমি তোমাদেরকে সাক্ষী করে বলছি, আমি আমার উপর উমরাহ ওয়াজিব করে ফেলেছি।” এরপর বায়দার উপকণ্ঠে পৌঁছে তিনি বললেন, “হজ্জ এবং উমরাহর ব্যাপার তো একই। আমি তোমাদেরকে সাক্ষী করে বলছি, উমরাহর সাথে আমি হজ্জকেও একত্রিত করলাম।” এরপর তিনি কিলাদা পরিহিত কুরবানীর জানোয়ার নিয়ে চললেন, যেটি তিনি আসার পথে কিনেছিলেন। অতঃপর তিনি বাইতুল্লাহ তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সাঈ করলেন। তাছাড়া অতিরিক্ত কিছু করেননি এবং সে সব বিষয় হতে হালাল হননি, যেসব বিষয় তাঁর উপর হারাম ছিলো, কুরবানীর দিন পর্যন্ত। তখন তিনি মাথা মুড়ালেন এবং কুরবানী করলেন। তাঁর মতে প্রথম তাওয়াফ দ্বারা হজ্জ ও উমরাহর তাওয়াফ সম্পন্ন হয়েছে। এ সব করার পর হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরূপই করেছেন।”