(২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৪২১৭-৬৮০৭), সর্বমোট হাদিসঃ ২৫৯১টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৮৪১টি]



4966 OK

(৪৯৬৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬০২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاذٌ حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُسْلِمٍ مَوْلًى لِعَبْدِ الْقَيْسِ قَالَ مُعَاذٌ كَانَ شُعْبَةُ يَقُولُ الْقُرِّيِّ قَالَ قَالَ رَجُلٌ لِابْنِ عُمَرَ أَرَأَيْتَ الْوِتْرَ أَسُنَّةٌ هُوَ قَالَ مَا سُنَّةٌ أَوْتَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَوْتَرَ الْمُسْلِمُونَ قَالَ لَا أَسُنَّةٌ هُوَ قَالَ مَهْ أَوَتَعْقِلُ أَوْتَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَوْتَرَ الْمُسْلِمُونَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার এক ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন, “তাঁর মতে বিতর নামায কি সুন্নত না ওয়াজিব?” তিনি বললেন, “সুন্নাতের অর্থ কি? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সকল মুসলমান বিতর পড়েছেন।” ঐ ব্যক্তি বললো, “আমি আপনাকে এ কথা জিজ্ঞেস করিনি। আমি আপনাকে বলতে চাচ্ছি যে, আপনার মতে বিতর কি সুন্নত না ওয়াজিব?” সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “থামো! তোমার বুদ্ধি কি কাজ করে না? আমি বলে যাচ্ছি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিতর পড়েছেন এবং সকল মুসলমানরাও বিতর পড়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4967 OK

(৪৯৬৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৬৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ تَأْمُرُنَا أَنْ نُصَلِّيَ مِنْ اللَّيْلِ قَالَ يُصَلِّي أَحَدُكُمْ مَثْنَى مَثْنَى فَإِذَا خَشِيَ الصُّبْحَ صَلَّى وَاحِدَةً فَأَوْتَرَتْ لَهُ مَا قَدْ صَلَّى مِنْ اللَّيْلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! রাতের নামায সম্পর্কে আপনি আমাদেরকে কি নির্দেশ দেন (রাতে কিভাবে নামাজ পড়তে হয়)?” তিনি বললেন, “তুমি দুই রাকাত নামায পড়ো এবং যখন ফজরের আশঙ্কা থাকে, তখন এ দুয়ের সাথে আরও এক রাকাত নামায যোগ করো। রাতে তুমি যতটুকু সালাত আদায় করেছো, ততটুকুই বিতরের জন্যে যথেষ্ট হবে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4968 OK

(৪৯৬৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৫৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يُحَدِّثُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَزُورُهُ رَاكِبًا وَمَاشِيًا يَعْنِي مَسْجِدَ قُبَاءَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পায়ে হেঁটে ও ঘোড়ায় চড়ে মসজিদ কুবাতে আসতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4969 OK

(৪৯৬৯)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ عَلِيِّ بْنِ صَالِحٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَا فِئَةُ الْمُسْلِمِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমি মুসলিমদের একটি দলের সমান।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৬৯]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4970 OK

(৪৯৭০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৩৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ سَمِعْتُهُ مِنِ ابْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا سَلَّمَ عَلَيْكَ الْيَهُودِيُّ فَإِنَّمَا يَقُولُ السَّامُ عَلَيْكَ فَقُلْ وَعَلَيْكَ وَقَالَ مَرَّةً إِذَا سَلَّمَ عَلَيْكُمْ الْيَهُودُ فَقُولُوا وَعَلَيْكُمْ فَإِنَّهُمْ يَقُولُونَ السَّامُ عَلَيْكُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন কোন ইহুদী তোমাদেরকে সালাম দেয়, তখন তারা বলে যে, السَّامُ عَلَيْكَ (তোমার মৃত্যু হোক) , সুতরাং তোমাদেরকে তার জবাবে শুধু বলা উচিত, وَعَلَيْكَ (তোমার উপরেই তা হোক)। অন্য একটি রেওয়ায়েত আছে যে, ইহুদীরা যখন তোমাদেরকে সালাম দেয়, তখন তোমারা وَعَلَيْكُمْ (তোমাদের উপরেই তা হোক) বলবে, কারণ তারা السَّامُ عَلَيْكُمْ (তোমাদের মৃত্যু হোক) বলে। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4971 OK

(৪৯৭১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ قَالَ كُنْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ فِي حَلْقَةٍ فَسَمِعَ رَجُلًا فِي حَلْقَةٍ أُخْرَى وَهُوَ يَقُولُ لَا وَأَبِي فَرَمَاهُ ابْنُ عُمَرَ بِالْحَصَى وَقَالَ إِنَّهَا كَانَتْ يَمِينَ عُمَرَ فَنَهَاهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْهَا وَقَالَ إِنَّهَا شِرْكٌ


হজরত সাদ বিন উবাইদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি সাইয়্যিদুনা ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে এক বৃত্তে বসে ছিলাম, এক ব্যক্তিকে “আমি আমার পিতার নামে শপথ করছি।” বলতে শুনলাম। সাইয়্যিদুনা ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে নুড়ি দিয়ে আঘাত করে বললেন, “সাইয়্যিদুনা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু একইভাবে শপথ করতেন, কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে নিষেধ করেছেন এই বলে যে, এটা শিরক।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4972 OK

(৪৯৭২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৫৫] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ النَّجْرَانِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُتِيَ بِسَكْرَانَ فَضَرَبَهُ الْحَدَّ فَقَالَ مَا شَرَابُكَ قَالَ الزَّبِيبُ وَالتَّمْرُ قَالَ يَكْفِي كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا مِنْ صَاحِبِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে একজন মাতালকে আনা হলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কি কোনো ধরনের নশা করেছো?” সে বললো, “কিসমিস ও খেজুর মিশ্রিত পানি খেয়েছি মাত্র।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এ দুটির প্রত্যেকটি (নেশা হিসেবে) একে অপরের জন্যে যথেষ্ট।” সুতরাং, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে হদের শাস্তি প্রদান করলেন।

[মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৭২]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4973 OK

(৪৯৭৩)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩৬৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو حَدَّثَنَا زَائِدَةُ حَدَّثَنَا حَبِيبُ بْنُ أَبِي عَمْرَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمِ وَالْمُزَفَّتِ وَالنَّقِيرِ وَأَنْ يُخْلَطَ الْبَلَحُ وَالزَّهْوُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুব্বা (লাউয়ের খোলের পাত্র), হান্তাম (মাটির সবুজ পাত্র), মুজাফত (এক রকম তৈলাক্ত পাত্র) ও নাকির (কাঠের পাত্র) ব্যবহার করতে নিষিদ্ধ করেছেন (কেননা, এই সব পাত্রগুলো মদ তৈরি ও মদ পানের জন্যে ব্যবহৃত হতো)। আর কিসমিস এবং খেজুর একত্রে মিশিয়ে নাবীজ তৈরি করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4974 OK

(৪৯৭৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَدْخُلُوا عَلَى هَؤُلَاءِ الْقَوْمِ الَّذِينَ عُذِّبُوا إِلَّا أَنْ تَكُونُوا بَاكِينَ فَإِنْ لَمْ تَكُونُوا بَاكِينَ فَلَا تَدْخُلُوا عَلَيْهِمْ فَإِنِّي أَخَافُ أَنْ يُصِيبَكُمْ مِثْلُ مَا أَصَابَهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সামুদ সম্প্রদায়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি বললেন, “তোমরা এসব আযাব প্রাপ্ত সম্প্রদায়ের লোকালয়ে ক্রন্দনরত অবস্থা ব্যতীত প্রবেশ করবে না। কান্না না আসলে সেখানে প্রবেশ করো না। কারণ আমি ভয় পাচ্ছি যে, তাদের উপর যা আপতিত হয়েছিলো, তা তোমাদের প্রতিও আসতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4975 OK

(৪৯৭৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪৭৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ أُوتِيَ نَبِيُّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَفَاتِيحَ كُلِّ شَيْءٍ غَيْرَ خَمْسٍ إِنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ وَيَعْلَمُ مَا فِي الْأَرْحَامِ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ مَاذَا تَكْسِبُ غَدًا وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ بِأَيِّ أَرْضٍ تَمُوتُ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাঁচটি জিনিস ছাড়া সবকিছুর জ্ঞানের চাবি দেওয়া হয়েছিলো। অতঃপর হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন,

إِنَّ ٱللَّهَ عِندَهُۥ عِلۡمُ ٱلسَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ ٱلۡغَيۡثَ وَيَعۡلَمُ مَا فِي ٱلۡأَرۡحَامِۖ وَمَا تَدۡرِي نَفۡسٞ مَّاذَا تَكۡسِبُ غَدٗاۖ وَمَا تَدۡرِي نَفۡسُۢ بِأَيِّ أَرۡضٖ تَمُوتُۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرُۢ٣٤
নিশ্চয় কেবল মাত্র আল্লাহর কাছেই কিয়ামতের জ্ঞান রয়েছে। তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন ও মায়ের গর্ভাশয়ের মধ্যে যা আছে, তিনি তা জানেন। কেউ জানে না যে, আগামীকাল সে কী উপার্জন করবে। আর কেউ জানে না যে, কোন দেশে সে মারা যাবে। নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন সর্বজ্ঞ, পূর্ণ অবগত। (৩১. লোকমান : ৩৪) [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4976 OK
View Quran

(৪৯৭৬)

যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ فُضَيْلٍ وَيَزِيدُ قَالَ أَخْبَرَنَا فُضَيْلُ بْنُ مَرْزُوقٍ عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ قَالَ قَرَأْتُ عَلَى ابْنِ عُمَرَ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ ضَعْفٍ ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ ضَعْفٍ قُوَّةً ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ قُوَّةٍ ضَعْفًا فَقَالَ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ ضُعْفٍ ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ ضُعْفٍ قُوَّةً ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ قُوَّةٍ ضُعْفًا ثُمَّ قَالَ قَرَأْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَمَا قَرَأْتَ عَلَيَّ فَأَخَذَ عَلَيَّ كَمَا أَخَذْتُ عَلَيْكَ


হজরত আত্বিয়্যাহ ইবনে সাদ আল-আওফী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর সামনে এই আয়াত এভাবে পাঠ করলে,

خَلَقَكُمْ مِنْ ضَعْفٍ ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ ضَعْفٍ قُوَّةً ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ قُوَّةٍ ضَعْفًا

তিনি বললেন, এভাবে পাঠ করো,

اللَّهُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ ضُعْفٍ ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ ضُعْفٍ قُوَّةً ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ قُوَّةٍ ضُعْفًا

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আমিও তোমার মতো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে পড়েছিলাম। ফলে তিনি আমার ভুল ধরেছিলেন, যেমন আমি তোমার ভুল ধরেছি।”

۞ٱللَّهُ ٱلَّذِي خَلَقَكُم مِّن ضَعۡفٖ ثُمَّ جَعَلَ مِنۢ بَعۡدِ ضَعۡفٖ قُوَّةٗ ثُمَّ جَعَلَ مِنۢ بَعۡدِ قُوَّةٖ ضَعۡفٗا وَشَيۡبَةٗۚ يَخۡلُقُ مَا يَشَآءُۚ وَهُوَ ٱلۡعَلِيمُ ٱلۡقَدِيرُ٥٤
তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদেরকে দূর্বল অবস্থা থেকে সৃষ্টি করেন, এরপর দূর্বলতার পরে শক্তি দিয়েছেন, তারপর শক্তি লাভের পরে দুর্বলতা ও বার্ধক্য দিয়েছেন। তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন আর তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান। (৩০. আর রূম : ৫৪) [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৭৬]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4977 OK

(৪৯৭৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২৮৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ حَدِّثْنِي عَنْ طَلَاقِكَ امْرَأَتَكَ قَالَ طَلَّقْتُهَا وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَذَكَرَهُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا فَإِذَا طَهُرَتْ فَلْيُطَلِّقْهَا فِي طُهْرِهَا قَالَ قُلْتُ لَهُ هَلْ اعْتَدَدْتَ بِالَّتِي طَلَّقْتَهَا وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ فَمَا لِي لَا أَعْتَدُّ بِهَا وَإِنْ كُنْتُ قَدْ عَجَزْتُ وَاسْتَحْمَقْتُ


আনাস বিন সিরীন থেকে বর্ণিতঃ

আমি ইবনে উমারকে বললাম, “আপনার স্ত্রীকে তালাক দেয়ার ঘটনাটি আমাকে বর্ণনা করুন।” তিনি বললেন, “সে ঋতুবতী থাকা অবস্থায় তাকে তালাক দিয়েছিলাম। অতঃপর এ কথা উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জানালাম। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তা জানালেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘ওকে তালাক প্রত্যাহার করার নির্দেশ দাও। যখন স্ত্রী পবিত্র হবে, তখন তাকে তালাক দিক’।” আনাস বলেন, আমি ইবনে উমারকে বললাম, “ঋতুবতী অবস্থায় যাকে তালাক দিয়েছিলেন, তার সাথে কি ইদ্দাত পালন করেছিলেন?” তিনি বললেন, “ইদ্দাত পালন না করার কী আছে? আমি তো বুড়ো হয়ে গিয়েছিলাম এবং বোকামি করেছিলাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4978 OK

(৪৯৭৮)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯০] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ سَالِمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ اسْتَأْذَنَهُ فِي الْعُمْرَةِ فَأَذِنَ لَهُ فَقَالَ يَا أَخِي لَا تَنْسَنَا مِنْ دُعَائِكَ وَقَالَ بَعْدُ فِي الْمَدِينَةِ يَا أَخِي أَشْرِكْنَا فِي دُعَائِكَ فَقَالَ عُمَرُ مَا أُحِبُّ أَنَّ لِي بِهَا مَا طَلَعَتْ عَلَيْهِ الشَّمْسُ لِقَوْلِهِ يَا أَخِي


আবদুল্লাহ ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে উমরার করার জন্যে অনুমতি চাইলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনুমতি দিলেন এবং বললেন, “হে আমার ভাই, তোমার দু’আয় আমাকে শরীক রেখো। তোমার দু’আয় আমাকে ভুলো না।” উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “এ কথার কারণে, ঐ উমরার বিনিময়ে সমগ্র পৃথিবীর সম্পত্তি আমার করায়ত্ব হোক, এটাও আমি পছন্দ করবো না। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘হে আমার ভাই’ বলে সম্বোধন করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৭৮]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4979 OK

(৪৯৭৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا الْعُمَرِيُّ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ مَكَّةَ نَهَارًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিনের বেলায় মক্কায় প্রবেশ করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4980 OK

(৪৯৮০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৩৯৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا دَخَلَ مَكَّةَ دَخَلَ مِنْ الثَّنِيَّةِ الْعُلْيَا وَإِذَا خَرَجَ خَرَجَ مِنْ الثَّنِيَّةِ السُّفْلَى


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মক্কায় প্রবেশ করতেন, তখন তিনি ‘সানিয়্যাতুল উলয়া’ (হারমের উত্তর-পূর্বদিকে কাদা নামক স্থান) দিয়ে প্রবেশ করতেন এবং যখন মক্কায় থেকে বের হতেন, তখন তিনি ‘সানিয়্যা সুফলা’ (হারমের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে কুদা নামক স্থান) দিয়ে বের হতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4981 OK

(৪৯৮১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪২২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ مَالِكٍ حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ جَاءَ رَجُلَانِ مِنْ أَهْلِ الْمَشْرِقِ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَخَطَبَا فَعَجِبَ النَّاسُ مِنْ بَيَانِهِمَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ مِنْ الْبَيَانِ سِحْرًا أَوْ إِنَّ بَعْضَ الْبَيَانِ سِحْرٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

পূর্ব দিক থেকে দুইজন লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে এসেছিলেন। লোকেরা তারদের কথোপ-কথনের সাবলীলতা এবং উৎকর্ষ দেখে বিস্মিত হয়েছিলো, তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “কিছু কথায় যাদুর প্রভাব রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4982 OK

(৪৯৮২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৮১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي الصِّدِّيقِ هُوَ النَّاجِيُّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا وَضَعْتُمْ مَوْتَاكُمْ فِي الْقَبْرِ فَقُولُوا بِسْمِ اللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমরা তোমাদের মৃতকে কবরে নামিয়ে দেবে, তখন তোমরা বলো, ”

بِسْمِ اللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

“আল্লাহ তায়ালার নামে ও তাঁর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নতের উপর।”
[মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4983 OK

(৪৯৮৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪২৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْكُمْ أَحَدٌ إِلَّا يُعْرَضُ عَلَيْهِ مَقْعَدُهُ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ إِنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ فَمِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ وَإِنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ النَّارِ فَمِنْ أَهْلِ النَّارِ يُقَالُ هَذَا مَقْعَدُكَ حَتَّى تُبْعَثَ إِلَيْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কবর বাসীদের প্রত্যেক ব্যক্তিকে সকাল ও সন্ধ্যায় তার বাসস্থানের সামনে হাজির করা হয়। যদি সে জান্নাত বাসী হয়, তাহলে তাকে জান্নাত বাসীদের আবাস দেখানো হয়। আর যদি সে জাহান্নাম বাসী হয়, তাহলে তাকে জাহান্নাম বাসীদের আবাস দেখানো হয়। আর বলা হয় যে, এটিই তোমার আবাসস্থল, যতক্ষণ না তোমরা পুনরুত্থিত হবে।”


[মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4984 OK

(৪৯৮৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৬২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ يَبِيعَ الرَّجُلُ طَعَامًا حَتَّى يَسْتَوْفِيَهُ قَالَ فَقُلْتُ لَهُ كَيْفَ ذَلِكَ قَالَ ذَلِكَ دَرَاهِمُ بِدَرَاهِمَ وَالطَّعَامُ مُرْجَأٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য বা কোনো শস্য ক্রয় করে, সে যেনো তা পুরোপুরি দখল করার আগে বিক্রি না করে।” আমি [বর্ণনাকারী] তাকে বললাম, “কেনো এমন হলো?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “এটা হবে দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম বিক্রি করার মতো, অথচ খাদ্যদ্রব্য এখনো স্থগিত রয়েছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4985 OK

(৪৯৮৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৬৩৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ حَدَّثَهُمْ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَصْلُحُ بَيْعُ الثَّمَرِ حَتَّى يَتَبَيَّنَ صَلَاحُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ফল বা খেজুর সম্পূর্ণ পাকা না হওয়া পর্যন্ত, বিক্রি করা বৈধ নয়।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4986 OK

(৪৯৮৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِذَا اشْتَرَيْتَ الذَّهَبَ بِالْفِضَّةِ أَوْ أَحَدَهُمَا بِالْآخَرِ فَلَا يُفَارِقْكَ وَبَيْنَكَ وَبَيْنَهُ لَبْسٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমার স্বর্ণের বিনিময়ে রৌপ্য বা দুটির কোনো একটির বিনিময় করো, তখন তোমার সঙ্গী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ো না, যতক্ষণ না তোমার ও তার মধ্যে সামান্যতম ভুল বোঝা-বুঝিও হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4987 OK

(৪৯৮৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২১১০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ عَنِ الْجُرَيْرِيِّ عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ كِلَاهُمَا عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ رَمَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَةَ أَشْوَاطٍ بِالْبَيْتِ إِذَا انْتَهَى إِلَى الرُّكْنِ الْيَمَانِي وَمَشَى حَتَّى يَأْتِيَ الْحَجَرَ ثُمَّ يَرْمُلُ وَمَشَى أَرْبَعَةَ أَطْوَافٍ قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَكَانَتْ سُنَّةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাবা ঘরের তিন চক্কর রমল করলেন। যখন তিনি ইয়েমেনী কোণে পৌঁছলেন, তখন তিনি হাঁটতে লাগলেন, যতক্ষণ না তিনি কালো পাথরে পৌঁছলেন, তারপর তিনি চার চক্কর স্বাভাবিক ভাবে কাবা ঘর প্রদক্ষিণ করলেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এটাই সুন্নত। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4988 OK

(৪৯৮৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৯৫৪] view_link


সহিহ হাদিস


হাদিস নং ৪২৩৩ দেখুন


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4989 OK

(৪৯৮৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৩০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ السَّائِبِ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي عَاصِمٍ الثَّقَفِيِّ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ الصَّلَاةِ بِمِنًى فَقَالَ هَلْ سَمِعْتَ مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ نَعَمْ وَآمَنْتُ فَاهْتَدَيْتُ بِهِ قَالَ فَإِنَّهُ كَانَ يُصَلِّي بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ


হজরত দাউদ বিন আবি আসিম সাকাফী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি সাইয়্যিদুনা ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে মিনায় নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, “আপনি কি রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নাম শুনেছেন?” আমি বললাম, “হ্যাঁ! তাঁর প্রতি ঈমান এনে আমিও সঠিক পথে এসেছি।” সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিনায় দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4990 OK

(৪৯৯০)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৪৪৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ صَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِجَمْعٍ بِإِقَامَةٍ وَاحِدَةٍ فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَالِكٍ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا هَذِهِ الصَّلَاةُ فَقَالَ صَلَّيْتُهَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي هَذَا الْمَكَانِ بِإِقَامَةٍ وَاحِدَةٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মালিক আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার সাইয়্যিদুনা ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু মুযদালিফায় একই সময়ে মাগরিবের তিন রাকাত ও এশার দুই রাকাত নামায আদায় করলেন। আমি বললাম, “হে আবদুর রহমান! এটা কি ধরনের নামায?” তিনি বললেন, “আমি এই নামায গুলো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে, এই স্থানে এক ইকামাতে আদায় করেছি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4991 OK

(৪৯৯১)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৫৫২] view_link


যঈফ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ فَرْقَدٍ السَّبَخِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَدَّهِنُ عِنْدَ الْإِحْرَامِ بِالزَّيْتِ غَيْرَ الْمُقَتَّتِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইহরাম বাঁধতেন, তখন তিনি ঘ্রাণহীন জয়তুনের তেল মাথায় মাখতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৯১]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



4992 OK

(৪৯৯২)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২৫২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَجُلًا قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ أَوْ قَالَ مَا يَتْرُكُ الْمُحْرِمُ فَقَالَ لَا يَلْبَسُ الْقَمِيصَ وَلَا السَّرَاوِيلَ وَلَا الْعِمَامَةَ وَلَا الْخُفَّيْنِ إِلَّا أَنْ لَا يَجِدَ نَعْلَيْنِ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ نَعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْهُمَا أَسْفَلَ مِنْ الْكَعْبَيْنِ وَلَا الْبُرْنُسَ وَلَا شَيْئًا مِنْ الثِّيَابِ مَسَّهُ وَرْسٌ وَلَا زَعْفَرَانٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! মুহাররম কি ধরনের পোশাক পরতে পারে?” অথবা জিজ্ঞেস করলো, “মহাররমকে কি ধরনের পোশাক পরিত্যাগ করতে হবে?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একজন মুহাররম জামা, শালওয়ার, পাগড়ী ও মোজা পরিধান করতে পারবে না। যার জুতা নেই, সে যেনো পায়ের গোড়ালির নিচে কাটা মোজা পরিধান করে এবং সেই সাথে টুপি বা টুপির টুকরো পরিধান করে। ওয়ারিস (এক প্রকার হলুদ রঙের তৃণ জাতীয় সুগন্ধি) নামক ঘাসযুক্ত কাপড় বা জাফরান কাপড়ে লাগালে মুহাররম ঐ কাপড় পরিধান করতে পারবে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4993 OK

(৪৯৯৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৪৯৪৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي ابْنُ دِينَارٍ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَلْبَسَ الْمُحْرِمُ ثَوْبًا مَسَّهُ زَعْفَرَانٌ أَوْ وَرْسٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুহাররমকে যাফরান বা ওয়ারস (এক প্রকার হলুদ রঙের তৃণ জাতীয় সুগন্ধি) রঙের রঞ্জিত কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4994 OK

(৪৯৯৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৪২১৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنْ زِيَادِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ رَأَيْتُ رَجُلًا جَاءَ ابْنَ عُمَرَ فَسَأَلَهُ فَقَالَ إِنَّهُ نَذَرَ أَنْ يَصُومَ كُلَّ يَوْمِ أَرْبِعَاءَ فَأَتَى ذَلِكَ عَلَى يَوْمِ أَضْحًى أَوْ فِطْرٍ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَمَرَ اللَّهُ بِوَفَاءِ النَّذْرِ وَنَهَانَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صَوْمِ يَوْمِ النَّحْرِ


হজরত যিয়াদ বিন জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি এক ব্যক্তিকে হযরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর খেদমতে এসে প্রশ্ন করতে দেখেছি যে, “যদি ঈদুল আজহা বা ঈদুল ফিতর বুধবার হয়, তাহলে আমি প্রতি বুধবার রোজা রাখার মানত করেছি, আমার কি করা উচিত?” হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আল্লাহ মানত পূরণের নির্দেশ দিয়েছেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল-নাহরের (দশম তারিখ) রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



4995 OK

(৪৯৯৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ جَبَلَةَ بْنِ سُحَيْمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَقْرُنَ الرَّجُلُ بَيْنَ التَّمْرَتَيْنِ حَتَّى يَسْتَأْذِنَ أَصْحَابَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাবার সঙ্গীদের অনুমতি ছাড়া, একসঙ্গে দুটি খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৪৯৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস