(২৬) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৩৩৬৮-৪২১৬), সর্বমোট হাদিসঃ ৮৪৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৬৬৯টি]



3547 OK

(৩৫৪৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى الْجَابِرُ أَبُو الْحَارِثِ التَّيْمِيُّ أَنَّ أَبَا مَاجدٍ رَجُلٌ مِنْ بَنِي حَنِيفَةَ حَدَّثَهُ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ سَأَلْنَا نَبِيَّنَا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ السَّيْرِ بِالْجِنَازَةِ فَقَالَ السَّيْرُ مَا دُونَ الْخَبَبِ فَإِنْ يَكُ خَيْرًا تُعْجَلْ إِلَيْهِ أَوْ قَالَ لِتُعْجَلْ إِلَيْهِ وَإِنْ يَكُ سِوَى ذَاكَ فَبُعْدًا لِأَهْلِ النَّارِ الْجِنَازَةُ مَتْبُوعَةٌ وَلَا تَتْبَعُ لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَقَدَّمَهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জানাজা নিয়ে হাঁটা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “লোকেরা যেনো জানাজার অনুসরণ করে আর জানাজার অগ্রগামী হওয়া লোকদের উচিত নয়। ঐ ব্যক্তি আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়, যে ব্যক্তি জানাজার সামনে চলে যায়। জানাজা নিয়ে দ্রুত হাঁটা উচিত, কেননা মৃত ব্যক্তি যদি ভালো হয়, তবে তুমি তাকে তার কল্যাণের স্থানে দ্রুত এগিয়ে দিলে আর যদি সে ভালো না হয়, তবে সে একটি আপদ, যার থেকে তুমি দ্রুত মুক্তি পেলে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3548 OK

(৩৫৪৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا بَهْزٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْأَقْمَرِ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْأَحْوَصِ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَقُومُ السَّاعَةُ إِلَّا عَلَى شِرَارِ النَّاسِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ লোকদের উপরেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3549 OK

(৩৫৪৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪৭৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ زُهَيْرٍ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْأَسْوَدِ عَنِ الْأَسْوَدِ وَعَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ أَنَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُكَبِّرُ فِي كُلِّ خَفْضٍ وَرَفْعٍ وَقِيَامٍ وَقُعُودٍ وَيُسَلِّمُ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ يَسَارِهِ حَتَّى يُرَى بَيَاضُ خَدَّيْهِ أَوْ خَدِّهِ وَرَأَيْتُ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ يَفْعَلَانِ ذَلِكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি যে, তিনি যতবার রুকু করতেন, ততবার তিনি উঠে দাঁড়াতে। দাঁড়িয়ে ও বসা অবস্থায় তিনি তাকবীর বলতেন এবং ডানে-বামে এমন ভাবে সালাম দিতেন যে, তাতে তাঁর বরকতময় মুখমণ্ডলের শুভ্রতা দেখা যেতো। আর আমি আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকেও তাই করতে দেখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3550 OK

(৩৫৫০)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৩৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّهُ قَالَ لَا تَصْلُحُ سَفْقَتَانِ فِي سَفْقَةٍ وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَعَنَ اللَّهُ آكِلَ الرِّبَا وَمُوكِلَهُ وَشَاهِدَهُ وَكَاتِبَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একটি বিষয়ে দুইটি চুক্তি করা বৈধ নয়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক ঐ ব্যক্তির উপর, যে সুদ খায়, যে সুদ প্রদান করে, যে সুদ প্রত্যক্ষ করে (সুদ লিখায় সাক্ষী দেয়) এবং যে সুদ লিখে রাখে। (অর্থাৎ, সুদখোর, সুদদাতা, সুদের সাক্ষী, সুদের লেখক।)” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3551 OK

(৩৫৫১)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِي يُونُسُ وَحُجَيْنٌ قَالَا حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ وَطَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعَلِّمُنَا التَّشَهُّدَ كَمَا يُعَلِّمُنَا الْقُرْآنَ فَكَانَ يَقُولُ التَّحِيَّاتُ الْمُبَارَكَاتُ الصَّلَوَاتُ الطَّيِّبَاتُ لِلَّهِ السَّلَامُ عَلَيْكَ قَالَ حُجَيْنٌ سَلَامٌ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে তাশাহহুদ শেখাতেন, যেভাবে তিনি আমাদেরকে কুরআন শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেন,

التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

“সকল সম্ভাষণ (মৌখিক ইবাদত), সকল (শারিরিক) ইবাদত ও সকল পবিত্রতা (আর্থিক ইবাদত) আল্লাহর জন্যে। হে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনার উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো প্রভু নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রসূল।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3552 OK

(৩৫৫২)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭১০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ أَنْبَأَنَا قَيْسٌ عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ عَنْ عَبَّاسٍ عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَبَّى يَوْمَ النَّحْرِ حَتَّى رَمَى جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ


হযরত ফজল বিন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরবানীর দিনে তালবিয়া পাঠ করতে থাকতেন, যতক্ষণ না তিনি জামরাতুল-আকাবাকে পাথর ছুঁড়ে মারতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3553 OK
View Quran

(৩৫৫৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ فِي قَوْلِهِ مَا كَذَبَ الْفُؤَادُ مَا رَأَى قَالَ رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جِبْرِيلَ فِي حُلَّةٍ مِنْ رَفْرَفٍ قَدْ مَلَأَ مَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

مَا كَذَبَ ٱلۡفُؤَادُ مَا رَأَىٰٓ١١
রসূলের অন্তর ঐ বিষয়ে মিথ্যা বলেনি, যা তিনি দেখেছিলেন। (৫৩. আন নাজম : ১১)

এ আয়াত প্রসঙ্গে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হজরত জিবরীল (আঃ)-কে রেশমী কাপড় পরিহিত অবস্থায় দেখেছেন। হজরত জিবরীল (আঃ) আকাশ ও মাটির মধ্যে অবস্থিত জায়গা পূর্ণ করে রেখেছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3554 OK
View Quran

(৩৫৫৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ أَقْرَأَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنِّي أَنَا الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلرَّزَّاقُ ذُو ٱلۡقُوَّةِ ٱلۡمَتِينُ٥٨
নিশ্চয় আল্লাহই তো জীবিকা দাতা, সকল ক্ষমতার অধিকারী, মহা শক্তিশালী। (৫১. আয যারিয়াত : ৫৮)

এই আয়াতটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে এই ভাবে শিখিয়েছিলেন,

إِنِّي أَنَا الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ

[মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3555 OK

(৩৫৫৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ وَضَعَ يَدَهُ تَحْتَ خَدِّهِ وَقَالَ اللَّهُمَّ قِنِي عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাঁর বিছানায় শুয়ে পড়তেন, তখন তিনি তার ডান হাতের তালুর উলটা পিঠ গালের নিচে রেখে দোয়া করতেন,

اللَّهُمَّ قِنِي عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ

“হে আল্লাহ! আমাকে সেই দিনের শাস্তি থেকে রক্ষা করো, যেদিন তুমি তোমার বান্দাদেরকে একত্র করবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3556 OK

(৩৫৫৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ رَجُلًا فَيُصَلِّيَ بِالنَّاسِ ثُمَّ آمُرَ بِأُنَاسٍ لَا يُصَلُّونَ مَعَنَا فَتُحَرَّقَ عَلَيْهِمْ بُيُوتُهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমার ইচ্ছা হয়, (লোকদেরকে জামাআতে) সলাত আদায়ের নির্দেশ দেই এবং কাউকে লোকদের সলাত আদায় করাবার হুকুম করি। অতঃপর লাকড়ি বহনকারী কিছু লোককে সাথে নিয়ে আমি বেরিয়ে পড়ি, সেগুলো দ্বারা ঐসব লোকের ঘর-বাড়ি আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে দেয়ার জন্যে, যারা জামাআতে (সলাত আদায় করতে) উপস্থিত হয়নি। ” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3557 OK

(৩৫৫৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ وَأَبُو أَحْمَدَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ أَبُو أَحْمَدَ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعْجِبُهُ أَنْ يَدْعُوَ ثَلَاثًا وَيَسْتَغْفِرَ ثَلَاثًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনবার দোয়া করতে ও তিনবার ক্ষমা প্রার্থনা করতে পছন্দ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3558 OK

(৩৫৫৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫০০] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ لَمَّا أُنْزِلَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ كَانَ يُكْثِرُ إِذَا قَرَأَهَا وَرَكَعَ أَنْ يَقُولَ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ ثَلَاثًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

إِذَا جَآءَ نَصۡرُ ٱللَّهِ وَٱلۡفَتۡحُ١
হে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যখন আপনার কাছে আল্লাহর সাহায্য ও মক্কা বিজয় আসবে (১১০. আন নছর : ১)

সূরা নাসরের এই আয়াতটি যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর নাজিল হয়, তখন তিনি নামাযে তা পাঠ করলে, তিনবার রুকুতে বলতেন,


سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ


“হে আমাদের পালনকর্তা, আপনারই সকল মহিমা ও প্রশংসা। হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন, নিশ্চয় আপনি তওবা কবুলকারী, পরম করুণাময়।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৫৮]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



3559 OK

(৩৫৫৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزيِدَ وَيُونُسُ قَالَا حَدَّثَنَا دَاوُدُ يَعْنِي ابْنَ الْفُرَاتِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ عَنْ أَبِي الْأَعْيَنِ الْعَبْدِيِّ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ الْجُشَمِيِّ قَالَ بَيْنَمَا ابْنُ مَسْعُودٍ يَخْطُبُ ذَاتَ يَوْمٍ فَإِذَا هُوَ بِحَيَّةٍ تَمْشِي عَلَى الْجِدَارِ فَقَطَعَ خُطْبَتَهُ ثُمَّ ضَرَبَهَا بِقَضِيبِهِ أَوْ بِقَصَبَةٍ قَالَ يُونُسُ بِقَضِيبِهِ حَتَّى قَتَلَهَا ثُمَّ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ قَتَلَ حَيَّةً فَكَأَنَّمَا قَتَلَ رَجُلًا مُشْرِكًا قَدْ حَلَّ دَمُهُ


হজরত আবু আল-হুস জাশমী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদিন হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু খুতবা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ তিনি দেয়ালে একটি সাপ দেখতে পেলেন। তখন তিনি তার খুতবা বন্ধ করে লাঠি বা বেত দিয়ে আঘাত করে সাপটি মেরে ফেললেন। অতঃপর হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “যে ব্যক্তি একটি সাপকে হত্যা করলো, সে যেনো একজন মুশরিক ব্যক্তিকে হত্যা করলো, যার রক্তপাত করা বৈধ।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3560 OK

(৩৫৬০)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ وَيُونُسُ قَالَا حَدَّثَنَا دَاوُدُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ عَنْ أَبِي الْأَعْيَنِ الْعَبْدِيِّ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ الْجُشَمِيِّ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ سَأَلْنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْقِرَدَةِ وَالْخَنَازِيرِ أَهِيَ مِنْ نَسْلِ الْيَهُودِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ لَمْ يَلْعَنْ قَوْمًا قَطُّ فَمَسَخَهُمْ فَكَانَ لَهُمْ نَسْلٌ حِينَ يُهْلِكُهُمْ وَلَكِنْ هَذَا خَلْقٌ كَانَ فَلَمَّا غَضِبَ اللَّهُ عَلَى الْيَهُودِ مَسَخَهُمْ فَجَعَلَهُمْ مِثْلَهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, “এই বানর ও শূকরগুলো কি ইহুদিদের বংশধর?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন যে, “বানর ও শূকর আগে থেকেই পৃথিবীতে ছিলো। কিন্তু ইহুদীদের উপর যখন আল্লাহর গজব নাজিল করলেন, তখন তিনি তাদের আকার বিকৃত করে বানর ও শূকরে পরিনত করেছিলেন। আল্লাহ যে জাতিকে অভিশপ্ত করেন এবং তাদের আকার বিকৃত করেন, তিনি ঐ বিকৃত মানুষের সবাইকে পৃথিবী থেকে মিটিয়ে দেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৬০]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



3561 OK

(৩৫৬১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جِبْرِيلَ فِي صُورَتِهِ وَلَهُ سِتُّ مِائَةِ جَنَاحٍ كُلُّ جَنَاحٍ مِنْهَا قَدْ سَدَّ الْأُفُقَ يَسْقُطُ مِنْ جَنَاحِهِ مِنْ التَّهَاوِيلِ وَالدُّرِّ وَالْيَاقُوتِ مَا اللَّهُ بِهِ عَلِيمٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজরত জিব্রাইল (আঃ)-কে তার আসল রূপে দেখেছিলেন। তার ছয়শত ডানা ছিলো এবং প্রতিটি ডানা দিগন্তকে ঘিরে ছিলো। এবং তার ডানা থেকে অনেক ফুল, মুক্তা ও মাণিক পতিত হচ্ছিলো, যার পরিমাণ একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3562 OK
View Quran

(৩৫৬২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ فِي قَوْلِهِ وَاتَّخَذَ اللَّهُ إِبْرَاهِيمَ خَلِيلًا قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عُمَيْرٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ رِبْعِيٍّ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ أَنَّهُ قَالَ إِنَّ اللَّهَ اتَّخَذَ صَاحِبَكُمْ خَلِيلًا يَعْنِي مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

وَمَنۡ أَحۡسَنُ دِينٗا مِّمَّنۡ أَسۡلَمَ وَجۡهَهُۥ لِلَّهِ وَهُوَ مُحۡسِنٞ وَٱتَّبَعَ مِلَّةَ إِبۡرَٰهِيمَ حَنِيفٗاۗ وَٱتَّخَذَ ٱللَّهُ إِبۡرَٰهِيمَ خَلِيلٗا١٢٥
তার চাইতে কার ধর্ম উত্তম, যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্যে তার নিজের চেহারাকে আত্মসমর্পণ করে ও সে সৎকর্মে অভ্যস্ত আর সে একনিষ্ঠ ইব্রাহীমের ধর্ম অনুসরণ করে? বস্তুত আল্লাহ ইব্রাহীমকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছিলেন। (৪. আন নিসা : ১২৫)

এই আয়াত প্রসঙ্গে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আল্লাহ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3563 OK

(৩৫৬৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ خَالِدِ بْنِ رِبْعِيٍّ الْأَسَدِيِّ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ صَاحِبَكُمْ خَلِيلُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “আল্লাহ তোমাদের নবীকে অন্তরঙ্গ বন্ধু বানিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3564 OK

(৩৫৬৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৬৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ خَالِدِ بْنِ رِبْعِيٍّ الْأَسَدِيِّ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ صَاحِبَكُمْ خَلِيلُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “আল্লাহ তোমাদের নবীকে অন্তরঙ্গ বন্ধু বানিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3565 OK

(৩৫৬৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৬৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ خَالِدِ بْنِ رِبْعِيٍّ الْأَسَدِيِّ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ صَاحِبَكُمْ خَلِيلُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “আল্লাহ তোমাদের নবীকে অন্তরঙ্গ বন্ধু বানিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3566 OK

(৩৫৬৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৬৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ خَالِدِ بْنِ رِبْعِيٍّ الْأَسَدِيِّ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ صَاحِبَكُمْ خَلِيلُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “আল্লাহ তোমাদের নবীকে অন্তরঙ্গ বন্ধু বানিয়েছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3567 OK

(৩৫৬৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنِ الرُّكَيْنِ بْنِ الرَّبِيعِ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الرِّبَا وَإِنْ كَثُرَ فَإِنَّ عَاقِبَتَهُ تَصِيرُ إِلَى قُلٍّ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সুদ যত ইচ্ছাই বাড়ুক না কেনো, তা অভাবের মধ্যেই শেষ হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3568 OK
View Quran

(৩৫৬৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْأَسْوَدِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ أَقْرَأَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ فَقَالَ رَجُلٌ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مُدَّكِرٍ أَوْ مُذَّكِّرٍ قَالَ أَقْرَأَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُدَّكِرٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে এই আয়াতটি শিখিয়েছেন,
وَلَقَدۡ يَسَّرۡنَا ٱلۡقُرۡءَانَ لِلذِّكۡرِ فَهَلۡ مِن مُّدَّكِرٖ١٧
আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি? (৫৪. আল ক্বামার : ১৭)
এক ব্যক্তি বললো, হে আবু আবদ আল-রহমান! مُّدَّكِرٖ শব্দটি কি د না ذ -এর সাথে? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে مُّدَّكِرٖ বলা শিখিয়েছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3569 OK

(৩৫৬৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ أَنْبَأَنَا شَرِيكٌ عَنِ الرُّكَيْنِ بْنِ الرَّبِيعِ عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ حَسَّانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْخَيْلُ ثَلَاثَةٌ فَفَرَسٌ لِلرَّحْمَنِ وَفَرَسٌ لِلْإِنْسَانِ وَفَرَسٌ لِلشَّيْطَانِ فَأَمَّا فَرَسُ الرَّحْمَنِ فَالَّذِي يُرْبَطُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَعَلَفُهُ وَرَوْثُهُ وَبَوْلُهُ وَذَكَرَ مَا شَاءَ اللَّهُ وَأَمَّا فَرَسُ الشَّيْطَانِ فَالَّذِي يُقَامَرُ أَوْ يُرَاهَنُ عَلَيْهِ وَأَمَّا فَرَسُ الْإِنْسَانِ فَالْفَرَسُ يَرْتَبِطُهَا الْإِنْسَانُ يَلْتَمِسُ بَطْنَهَا فَهِيَ تَسْتُرُ مِنْ فَقْرٍ حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو حَدَّثَنَا زَائِدَةُ حَدَّثَنَا الرُّكَيْنُ عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ عَنْ رَجُلٍ مِنْ الْأَنْصَارِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْخَيْلُ ثَلَاثَةٌ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ঘোড়া তিন প্রকার। (১) পরম করুণাময়ের জন্যে ঘোড়া, (২) মানুষের জন্যে ঘোড়া এবং (৩) শয়তানের জন্যে ঘোড়া। পরম করুণাময়ের ঘোড়া হলো, যা আল্লাহর রাস্তায় ব্যবহার করা হয়। এই ঘোড়া গুলোর খাদ্য, গোবর, প্রস্রাব এবং অন্যান্য জিনিসও তাদের মালিকের জন্যে পুরস্কৃত হবে। শয়তানের ঘোড়া হলো, যা দিয়ে লোকেরা জুয়া খেলে বা বাজি ধরে। মানুষের ঘোড়া হলো, যা মানুষ তার পেট ভরার জন্যে জীবিকার সন্ধানে বেঁধে রাখে এবং এটি তাকে দারিদ্র্য থেকে রক্ষা করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3570 OK

(৩৫৭০)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫২৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَنْبَأَنَا الْعَوَّامُ حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَاقَ الشَّيْبَانِيُّ عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ تَدُورُ رَحَى الْإِسْلَامِ عَلَى رَأْسِ خَمْسٍ وَثَلَاثِينَ أَوْ سِتٍّ وَثَلَاثِينَ أَوْ سَبْعٍ وَثَلَاثِينَ فَإِنْ هَلَكُوا فَسَبِيلُ مَنْ هَلَكَ وَإِنْ بَقُوا يَقُمْ لَهُمْ دِينُهُمْ سَبْعِينَ سَنَةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ইসলামের বিজয়ের সময়সীমা পঁয়ত্রিশ বছর (৩৫) বা ছত্রিশ বছর (৩৬) বা সাঁইত্রিশ বছর (৩৭) ধরে চলতে থাকবে। তারপর যদি তারা (বিচ্যুত হওয়ার পরে) ধ্বংস হয়ে যায়, তবে তাদেরও ঐ পরিণতিই হবে যারা তাদের পূর্বে ধ্বংস হয়েছে। কিন্তু তারা যদি (সঠিক পথে) অবিচল থাকে, তাহলে তারা সত্তর বছর (৭০) ভালো অবস্থায় থাকবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3571 OK

(৩৫৭১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ قَالَ سَمِعْتُ إِسْرَائِيلَ بْنَ يُونُسَ عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ هِشَامٍ مَوْلَى الْهَمْدَانِيِّ عَنْ زَيْدِ بْنِ زَائِدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَصْحَابِهِ لَا يُبَلِّغْنِي أَحَدٌ عَنْ أَحَدٍ مِنْ أَصْحَابِي شَيْئًا فَإِنِّي أُحِبُّ أَنْ أَخْرُجَ إِلَيْكُمْ وَأَنَا سَلِيمُ الصَّدْرِ قَالَ وَأَتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَالٌ فَقَسَمَهُ قَالَ فَمَرَرْتُ بِرَجُلَيْنِ وَأَحَدُهُمَا يَقُولُ لِصَاحِبِهِ وَاللَّهِ مَا أَرَادَ مُحَمَّدٌ بِقِسْمَتِهِ وَجْهَ اللَّهِ وَلَا الدَّارَ الْآخِرَةَ فَتَثَبَّتُّ حَتَّى سَمِعْتُ مَا قَالَا ثُمَّ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ قُلْتَ لَنَا لَا يُبَلِّغْنِي أَحَدٌ عَنْ أَحَدٍ مِنْ أَصْحَابِي شَيْئًا وَإِنِّي مَرَرْتُ بِفُلَانٍ وَفُلَانٍ وَهُمَا يَقُولَانِ كَذَا وَكَذَا قَالَ فَاحْمَرَّ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَشَقَّ عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ دَعْنَا مِنْكَ فَقَدْ أُوذِيَ مُوسَى أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ ثُمَّ صَبَرَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমার সাহাবীগণের কেউ যেনো অপর সাহাবী সম্পর্কে আমার নিকট কোন অভিযোগ না করে। কারণ আমি তোমাদের নিকট প্রশান্ত অন্তরে আসতে পছন্দ করি।” একদা রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট কোনো স্থান থেকে কিছু সম্পদ আসে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা সাহাবীদের মধ্যে ভাগ করে দিলেন। আমি দুজন লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, তাদের একজন আরেক জনকে বললো, “আল্লাহর কসম! মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে এটাকে বিভক্ত করেছেন তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টি বা আখেরাত কামনা করেননি।” আমি তাদের কথা খুব মনোযোগ সহকারে শুনলাম এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদের বলেছিলেন, “আমার সাহাবীগণের কেউ যেনো অপর সাহাবী সম্পর্কে আমার নিকট কোন অভিযোগ না করে। কারণ আমি তোমাদের নিকট প্রশান্ত অন্তরে আসতে পছন্দ করি।” আমি এইমাত্র অমুক লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন তারা অমুক-অমুক কথা বলতে লাগলো। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামনের চেহারা রাগে লাল হয়ে গেলো, তারপর তিনি বললেন, “মুসা (আঃ)-এর উপরে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক, তারা তাঁকে এর চেয়েও বেশি কষ্ট দিয়োছিলো, কিন্তু তিনি ধৈর্য ধরেছিলেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3572 OK
View Quran

(৩৫৭২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ وَحَسَنُ بْنُ مُوسَى قَالَا حَدَّثَنَا شَيْبَانُ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ زِرٍّ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ أَخَّرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةَ الْعِشَاءِ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الْمَسْجِدِ فَإِذَا النَّاسُ يَنْتَظِرُونَ الصَّلَاةَ قَالَ أَمَا إِنَّهُ لَيْسَ مِنْ أَهْلِ هَذِهِ الْأَدْيَانِ أَحَدٌ يَذْكُرُ اللَّهَ هَذِهِ السَّاعَةَ غَيْرُكُمْ قَالَ وَأَنْزَلَ هَؤُلَاءِ الْآيَاتِ لَيْسُوا سَوَاءً مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ حَتَّى بَلَغَ وَمَا تَفْعَلُوا مِنْ خَيْرٍ فَلَنْ تُكْفَرُوهُ وَاللَّهُ عَلِيمٌ بِالْمُتَّقِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইশার সালাত পড়াতে দেরী করলেন, তারপর তিনি মসজিদে এসে দেখলেন লোকেরা সালাতের জন্যে অপেক্ষা করছে। তিনি বললেন, “নিশ্চয়ই, এই মুহুর্তে তোমরা ছাড়া এই দুনিয়ায় অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের কেউই নামাযের জন্যে অপেক্ষা করছে না।” অতঃপর এই আয়াত নাযিল হয়,

۞لَيۡسُواْ سَوَآءٗۗ مِّنۡ أَهۡلِ ٱلۡكِتَٰبِ أُمَّةٞ قَآئِمَةٞ يَتۡلُونَ ءَايَٰتِ ٱللَّهِ ءَانَآءَ ٱلَّيۡلِ وَهُمۡ يَسۡجُدُونَ١١٣
গ্রন্থপ্রাপ্তরা সবাই একসমান নয়। গ্রন্থপ্রাপ্তদের মধ্যে এক দল এমন আছে, যারা ন্যায়ের উপরে দাঁড়িয়ে আছে। তারা আল্লাহর বাণী সমূহ মধ্যরাতে পাঠ করে ও তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে সেজদা করে। (৩. আল ইমরান : ১১৩)
يُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِ وَيَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَيَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِ وَيُسَٰرِعُونَ فِي ٱلۡخَيۡرَٰتِۖ وَأُوْلَٰٓئِكَ مِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ١١٤
গ্রন্থপ্রাপ্তরা হচ্ছে এমন যে, তারা আল্লাহর প্রতি ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস করে ও তারা মানুষকে ন্যায়ভাবে নির্দেশ দেয়, অন্যায় কাজ থেকে নিষেধ করে আর তারা সৎকাজে পরস্পর প্রতিযোগিতা করে। বস্তুত এরাই হচ্ছে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত। (৩. আল ইমরান : ১১৪)
وَمَا يَفۡعَلُواْ مِنۡ خَيۡرٖ فَلَن يُكۡفَرُوهُۗ وَٱللَّهُ عَلِيمُۢ بِٱلۡمُتَّقِينَ١١٥
সুতরাং তারা যা কিছু ভালো কাজ করে, কখনোই তা অস্বীকার করা হবে না। বস্তুত আল্লাহ পরহেযগারদের সম্পর্কে ভালো ভাবে জানেন। (৩. আল ইমরান : ১১৫) [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3573 OK

(৩৫৭৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَنْبَأَنَا الْمَسْعُودِيُّ حَدَّثَنِي عَاصِمٌ عَنْ أَبِي وَائِلٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ حَيْثُ قُتِلَ ابْنُ النَّوَّاحَةِ إِنَّ هَذَا وَابْنَ أُثَالٍ كَانَا أَتَيَا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَسُولَيْنِ لمُسَيْلِمَةَ الْكَذَّابِ فَقَالَ لَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَشْهَدَانِ أَنِّي رَسُولُ اللَّهِ قَالَا نَشْهَدُ أَنَّ مُسَيْلِمَةَ رَسُولُ اللَّهِ فَقَالَ لَوْ كُنْتُ قَاتِلًا رَسُولًا لَضَرَبْتُ أَعْنَاقَكُمَا قَالَ فَجَرَتْ سُنَّةً أَنْ لَا يُقْتَلَ الرَّسُولُ فَأَمَّا ابْنُ أُثَالٍ فَكَفَانَاهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ وَأَمَّا هَذَا فَلَمْ يَزَلْ ذَلِكَ فِيهِ حَتَّى أَمْكَنَ اللَّهُ مِنْهُ الْآنَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ইবনুন নাওয়াহা এবং ইবনে উথাল মিথ্যাবাদী মুসাইলিমার দূত হিসেবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসেছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে বললেন, “তোমরা কি সাক্ষ্য দাও যে, আমি আল্লাহর রসূল?” তারা বললো, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, “মুসাইলিমা আল্লাহর রসূল!” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি যদি কোনো দূতকে হত্যা করতাম, তবে আমি তোমাদের উভয়ের গর্দান উড়িয়ে দিতাম।” সুতারং এটি একটি নজির হয়ে উঠেছে যে, কোনো দূতদের হত্যা করা হবে না। তাই ইবনে উথালকে আল্লাহ আমাদের পক্ষ থেকে নিজে শাস্তি দিয়েছেন। আর ইবনুন নাওয়াহার ক্ষেত্রে, সে তার বিপথগামীতে অবিচল ছিলো, যতক্ষণ না আল্লাহ মুসলমানদেরকে তাকে বন্দী করতে সক্ষম করেন ও তাকে আমরা হত্যা করি। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3574 OK

(৩৫৭৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كُنَّا نَرَى الْآيَاتِ فِي زَمَانِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَرَكَاتٍ وَأَنْتُمْ تَرَوْنَهَا تَخْوِيفًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় অলৌকিক ঘটনাকে বরকতময় মনে করতাম, অথচো আজ তোমরা সেগুলিকে বিপদের কারণ হিসাবে বিবেচনা করো। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3575 OK

(৩৫৭৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ قَالَ نَزَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْزِلًا فَانْطَلَقَ لِحَاجَتِهِ فَجَاءَ وَقَدْ أَوْقَدَ رَجُلٌ عَلَى قَرْيَةِ نَمْلٍ إِمَّا فِي الْأَرْضِ وَإِمَّا فِي شَجَرَةٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّكُمْ فَعَلَ هَذَا فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ الْقَوْمِ أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ اطْفُهَا اطْفُهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি স্থানে শিবির স্থাপন করে ওযু করতে গেলেন। ফিরে এসে দেখলেন, এক ব্যক্তি মাটিতে বা গাছে পিঁপড়ার ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, “তোমাদের মধ্যে কে এ কাজ করেছে?” এক লোক বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি করেছি।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এই আগুন নিভিয়ে দাও। এই আগুন নিভিয়ে দাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3576 OK

(৩৫৭৬)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৩৮৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ الْهَيْثَمِ أَبُو قَطَنٍ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ رَجُلًا أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مَتَى لَيْلَةُ الْقَدْرِ قَالَ مَنْ يَذْكُرُ مِنْكُمْ لَيْلَةَ الصَّهْبَاوَاتِ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ أَنَا بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي وَإِنَّ فِي يَدِي لَتَمَرَاتٍ أَسْتَحِرُ بِهِنَّ مُسْتَتِرًا بِمُؤْخِرَةِ رَحْلِي مِنْ الْفَجْرِ وَذَلِكَ حِينَ طَلَعَ الْقَمَرُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে জিজ্ঞেস করলো, “লাইলাতুল কদর কখন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমাদের মধ্যে কার সেই রাতের কথা মনে আছে, যে রাতে আকাশ লাল ও সাদা হয়ে বেশি উজ্বল হয়ে গিয়েছিলো?” আমি বললাম, “আমার পিতামাতা আপনার জন্যে কোরবান হোক! আমার ঐ রাতের কথা মনে আছে। আমার হাতে তখন কিছু খেজুর ছিলো। আমি গোপনে আমার বাড়ির পিছনে ঐ খেজুর দিয়ে সেহরী খাচ্ছিলাম, ভোর হওয়ার আগেই সেগুলি খাওয়ার জন্যে এবং তখনই চাঁদ উঠেছিলো।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস