(২৬) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (৩৩৬৮-৪২১৬), সর্বমোট হাদিসঃ ৮৪৯টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৫৭৯টি]



3637 OK

(৩৬৩৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৩২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ عَنْ زُبَيْدٍ عَنْ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَبَسُونَا عَنْ صَلَاةِ الْوُسْطَى حَتَّى غَابَتْ الشَّمْسُ مَلَأَ اللَّهُ بُطُونَهُمْ وَقُبُورَهُمْ نَارًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

খন্দকের যুদ্ধের দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহ কাফির মুশরিকদের ঘর ও কবর গুলোকে আগুন দিয়ে পূর্ণ করেদিন, কারণ তারা সূর্যাস্ত পর্যন্ত আমাদেরকে আসরের নামাজ পড়তে দেয়নি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3638 OK

(৩৬৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৬৩৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ وَسَمِعْتُهُ أَنَا مِنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الشَّيْطَانِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْثِهِ وَنَفْخِهِ فَهَمْزُهُ الْمُوتَةُ وَنَفْثُهُ الشِّعْرُ وَنَفْخُهُ الْكِبْرُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আল্লাহর কাছে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে এভাবে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন,

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الشَّيْطَانِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْثِهِ وَنَفْخِهِ

“হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে, শয়তানের থুথু থেকে ও শয়তানের নিঃশ্বাস থেকে।”

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, শয়তানের কুমন্ত্রণা হচ্ছে পাগলামি, শয়তানের থুথু হচ্ছে কবিতা এবং শয়তানের নিঃশ্বাস হচ্ছে অহঙ্কার। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3639 OK

(৩৬৩৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ زِرٍّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْرُجُ قَوْمٌ فِي آخِرِ الزَّمَانِ سُفَهَاءُ الْأَحْلَامِ أَحْدَاثٌ أَوْ قَالَ حُدَثَاءُ الْأَسْنَانِ يَقُولُونَ مِنْ خَيْرِ قَوْلِ النَّاسِ يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ بِأَلْسِنَتِهِمْ لَا يَعْدُو تَرَاقِيَهُمْ يَمْرُقُونَ مِنْ الْإِسْلَامِ كَمَا يَمْرُقُ السَّهْمُ مِنْ الرَّمِيَّةِ فَمَنْ أَدْرَكَهُمْ فَلْيَقْتُلْهُمْ فَإِنَّ فِي قَتْلِهِمْ أَجْرًا عَظِيمًا عِنْدَ اللَّهِ لِمَنْ قَتَلَهُمْ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “শেষ যুগে এমন কিছু লোকের আবির্ভাব হবে, যারা হবে মূর্খ ও যুবক। এই লোকেরা সর্বোত্তম মানব (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে কথা বলবে এবং তাদের জিহ্বা দিয়ে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করবে, তবে তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না (অর্থাৎ কাজে বাস্তবায়িত হবে না)। এই লোকেরা ইসলাম থেকে এমনভাবে বের হয়ে যাবে, যেভাবে শিকার থেকে তীর বেরিয়ে যায়। তোমাদের মধ্যে যে কেউ তাদের দেখা পাবে, সে যেনো তাদেরকে হত্যা করে, কেননা হত্যাকারীর জন্যে আল্লাহর কাছে মহা পুরস্কার রয়েছে।”

[মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3640 OK

(৩৬৪০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِي النَّجُودِ عَنْ زِرٍّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ أَوَّلُ مَنْ أَظْهَرَ إِسْلَامَهُ سَبْعَةٌ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبُو بَكْرٍ وَعَمَّارٌ وَأُمُّهُ سُمَيَّةُ وَصُهَيْبٌ وَبِلَالٌ وَالْمِقْدَادُ فَأَمَّا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَمَنَعَهُ اللَّهُ بِعَمِّهِ أَبِي طَالِبٍ وَأَمَّا أَبُو بَكْرٍ فَمَنَعَهُ اللَّهُ بِقَوْمِهِ وَأَمَّا سَائِرُهُمْ فَأَخَذَهُمْ الْمُشْرِكُونَ فَأَلْبَسُوهُمْ أَدْرَاعَ الْحَدِيدِ وَصَهَرُوهُمْ فِي الشَّمْسِ فَمَا مِنْهُمْ إِنْسَانٌ إِلَّا وَقَدْ وَاتَاهُمْ عَلَى مَا أَرَادُوا إِلَّا بِلَالٌ فَإِنَّهُ هَانَتْ عَلَيْهِ نَفْسُهُ فِي اللَّهِ وَهَانَ عَلَى قَوْمِهِ فَأَعْطَوْهُ الْوِلْدَانَ وَأَخَذُوا يَطُوفُونَ بِهِ شِعَابَ مَكَّةَ وَهُوَ يَقُولُ أَحَدٌ أَحَدٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সর্বপ্রথম যে সাতজন ব্যক্তি তাঁদের ইসলাম প্রকাশ্য ভাবে প্রকাশ করেছিলেন, তারা হলেন, (১) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, (২) আবু বকর, (৩) আম্মার (৪) আম্মারের মা সুমাইয়া, (৫) সুহাইব, (৬) বিলাল এবং (৭) আল-মিকদাদ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে, আল্লাহ তাঁকে তাঁর চাচা আবু তালিবের মাধ্যমে রক্ষা করেছিলেন। আবু বকরের সম্পর্কে, আল্লাহ তাকে তার সম্প্রদায়ের মাধ্যমে রক্ষা করেছিলেন। আর বাকিদের সম্পর্কে, মুশরিকরা তাদের নিয়ে গেলো এবং তাদের লোহার জামা পরিয়ে দিলো এবং তারা তাদেরকে সূর্যের তাপে উন্মুক্ত করলো। বিলাল ছাড়া তাদের মধ্যে এমন কেউ ছিলো না যে, তারা মুশরিকদের কোনো না কোনো ইচ্ছার অনুসরণ করেনি। বিলাল আল্লাহর পথে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলো এবং তার মনিব উমাইয়া দ্বারা অপমানিত ও নির্যাতিত হয়েছিলো। কুরাইশরা তাকে তাদের শিশুদের হাতে তুলে দিতো এবং মক্কার রাস্তায় নিয়ে যেতো, কিন্তু হযরত বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু তখনও “এক আল্লাহ, এক আল্লাহ” বলতো।

[মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3641 OK

(৩৬৪১)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫০১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُوَيْدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذْنُكَ عَلَيَّ أَنْ تَرْفَعَ الْحِجَابَ وَأَنْ تَسْتَمِعَ سِوَادِي حَتَّى أَنْهَاكَ سِوَادِي سِرِّي قَالَ أَذِنَ لَهُ أَنْ يَسْمَعَ سِرَّهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বলেছেন, “তোমাকে অনুমতি দেওয়া হলো, আমার ঘরে পর্দা খুলে প্রবেশ করতে এবং আমার গোপন কথা শুনতে, যতক্ষণ না আমি তোমাকে নিষেধ করি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3642 OK

(৩৬৪২)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫০১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُوَيْدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذْنُكَ عَلَيَّ أَنْ تَرْفَعَ الْحِجَابَ وَأَنْ تَسْتَمِعَ سِوَادِي حَتَّى أَنْهَاكَ سِوَادِي سِرِّي قَالَ أَذِنَ لَهُ أَنْ يَسْمَعَ سِرَّهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বলেছেন, “তোমাকে অনুমতি দেওয়া হলো, আমার ঘরে পর্দা খুলে প্রবেশ করতে এবং আমার গোপন কথা শুনতে, যতক্ষণ না আমি তোমাকে নিষেধ করি।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3643 OK

(৩৬৪৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو قَطَنٍ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ نَزَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْزِلًا فَانْطَلَقَ إِنْسَانٌ إِلَى غَيْضَةٍ فَأَخْرَجَ مِنْهَا بَيْضَ حُمَرَةٍ فَجَاءَتْ اَلْحُمَرَةُ تَرِفُّ عَلَى رَأْسِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرُءُوسِ أَصْحَابِهِ فَقَالَ أَيُّكُمْ فَجَعَ هَذِهِ فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ الْقَوْمِ أَنَا أَصَبْتُ لَهَا بَيْضًا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ارْدُدْهُ حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ نَزَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْزِلًا فَذَكَرَ مِثْلَهُ وَقَالَ رُدَّهُ رَحْمَةً لَهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার একটি স্থানে শিবির স্থাপন করেছিলেন। এদিকে একজন লোক একটা ঝোপের দিকে এগিয়ে গেলো। সেখানে সে একটি লাল পাখির বাসা দেখতে পেলো। সে তার ডিম সরিয়ে দিলো। পাখিটি এসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তাঁর সাহাবীদের মাথার উপর দিয়ে উড়তে শুরু করলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমাদের মধ্যে কে পাখিটিকে কষ্ট দিয়েছে?” একজন ব্যক্তি বললো, “আমি এর ডিম নিয়েছি।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “সেগুলো ফিরিয়ে দাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3644 OK

(৩৬৪৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَنْبَأَنَا الْمَسْعُودِيُّ حَدَّثَنِي عَاصِمٌ عَنْ أَبِي وَائِلٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ حَيْثُ قُتِلَ ابْنُ النَّوَّاحَةِ إِنَّ هَذَا وَابْنَ أُثَالٍ كَانَا أَتَيَا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَسُولَيْنِ لمُسَيْلِمَةَ الْكَذَّابِ فَقَالَ لَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَشْهَدَانِ أَنِّي رَسُولُ اللَّهِ قَالَا نَشْهَدُ أَنَّ مُسَيْلِمَةَ رَسُولُ اللَّهِ فَقَالَ لَوْ كُنْتُ قَاتِلًا رَسُولًا لَضَرَبْتُ أَعْنَاقَكُمَا قَالَ فَجَرَتْ سُنَّةً أَنْ لَا يُقْتَلَ الرَّسُولُ فَأَمَّا ابْنُ أُثَالٍ فَكَفَانَاهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ وَأَمَّا هَذَا فَلَمْ يَزَلْ ذَلِكَ فِيهِ حَتَّى أَمْكَنَ اللَّهُ مِنْهُ الْآنَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ইবনুন নাওয়াহা এবং ইবনে উথাল মিথ্যাবাদী মুসাইলিমার দূত হিসেবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসেছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে বললেন, “তোমরা কি সাক্ষ্য দাও যে, আমি আল্লাহর রসূল?” তারা বললো, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, “মুসাইলিমা আল্লাহর রসূল!” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি যদি কোনো দূতকে হত্যা করতাম, তবে আমি তোমাদের উভয়ের গর্দান উড়িয়ে দিতাম।” সুতারং এটি একটি নজির হয়ে উঠেছে যে, কোনো দূতদের হত্যা করা হবে না। তাই ইবনে উথালকে আল্লাহ আমাদের পক্ষ থেকে নিজে শাস্তি দিয়েছেন। আর ইবনুন নাওয়াহার ক্ষেত্রে, সে তার বিপথগামীতে অবিচল ছিলো, যতক্ষণ না আল্লাহ মুসলমানদেরকে তাকে বন্দী করতে সক্ষম করেন ও তাকে আমরা হত্যা করি। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3645 OK

(৩৬৪৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ شَقِيقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَجِيبُوا الدَّاعِيَ وَلَا تَرُدُّوا الْهَدِيَّةَ وَلَا تَضْرِبُوا الْمُسْلِمِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে তোমাকে দাওয়াত দিবে, তুমি তার দাওয়াত কবুল করো। কখনো কারো উপহার ফেরত দিয়ো না এবং কোনো মুসলমানকে হত্যা করো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3646 OK

(৩৬৪৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ الْمُؤْمِنُ بِطَعَّانٍ وَلَا بِلَعَّانٍ وَلَا الْفَاحِشِ الْبَذِيءِ وَقَالَ ابْنُ سَابِقٍ مَرَّةً بِالطَّعَّانِ وَلَا بِاللَّعَّانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ঐ ব্যক্তি ঈমানদার নয়, যে ব্যক্তি মানুষকে গালি দেয়, অথবা লোকদেরকে অনেক বেশি অভিশাপ দেয়, অথবা গালমন্দ করে এবং অভদ্র।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3647 OK

(৩৬৪৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৮৮] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ دِينَارٍ الْخُزَاعِيُّ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّهُ سَمِعَ عَمْرَو بْنَ الْحَارِثِ الْخُزَاعِيَّ يَقُولُ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ مَا صُمْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تِسْعًا وَعِشْرِينَ أَكْثَرُ مِمَّا صُمْتُ مَعَهُ ثَلَاثِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রমজান মাসের অধিকাংশ সময়ই ত্রিশটি (৩০) রোজা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে রাখতাম। আমি কখনোই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে রমজান মাসের ঊনত্রিশ দিনে (২৯) রোজা পাইনি। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৪৭]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



3648 OK

(৩৬৪৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫১২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ أَبِي وَائِلٍ قَالَ كُنْتُ جَالِسًا مَعَ عَبْدِ اللَّهِ وَأَبِي مُوسَى فَقَالَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بَيْنَ يَدَيْ السَّاعَةِ أَيَّامًا يَنْزِلُ فِيهَا الْجَهْلُ وَيُرْفَعُ فِيهَا الْعِلْمُ وَيَكْثُرُ فِيهَا الْهَرْجُ قَالَ قُلْنَا وَمَا الْهَرْجُ قَالَ الْقَتْلُ


হজরত আবু ওয়াইল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু ও হজরত আবু মূসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহুর পাশে বসা ছিলাম। তারা উভয়েই বললেন, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে অজ্ঞতা প্রকাশ পাবে এবং জ্ঞান কেড়ে নেওয়া হবে এবং হারজের প্রাচুর্য থাকবে’।” আমরা বললাম, “হারজ কি?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “হত্যা করা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3649 OK

(৩৬৪৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১২৮] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو حَدَّثَنَا زَائِدَةُ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ وَحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ زَائِدَةَ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ زِرٍّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ لَمَّا قُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ الْأَنْصَارُ مِنَّا أَمِيرٌ وَمِنْكُمْ أَمِيرٌ فَأَتَاهُمْ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ يَا مَعْشَرَ الْأَنْصَارِ أَلَسْتُمْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أَمَرَ أَبَا بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنْ يَؤُمَّ النَّاسَ فَأَيُّكُمْ تَطِيبُ نَفْسُهُ أَنْ يَتَقَدَّمَ أَبَا بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَتْ الْأَنْصَارُ نَعُوذُ بِاللَّهِ أَنْ نَتَقَدَّمَ أَبَا بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ


আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিতঃ

যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করলেন, আনসারগণ বললেন, “আমাদের মধ্যে হতে একজন আমীর আর তোমাদের (মুহাজিরদের) মধ্যে হতে একজন আমীর হোক।” এই সময় তাদের কাছে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু এলেন। তিনি বললেন, “হে আনসারগণ, তোমরা কি জানোনা যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু বাকরকে নামাজে ইমামতি করতে আদেশ দিয়েছিলেন? তাহলে তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে, যে ব্যক্তি আবু বাকরের আগে যেতে রাজি? (অর্থাৎ আবু বাকর থাকতে ইমাম হতে রাজি)।” আনসারগণ বললো, “আমরা আবু বাকরের আগে যাওয়া থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৪৯]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



3650 OK

(৩৬৫০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِي النَّجُودِ عَنْ زِرٍّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ لَحِقَ بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَبْدٌ أَسْوَدُ فَمَاتَ فَأُوذِنَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ انْظُرُوا هَلْ تَرَكَ شَيْئًا فَقَالُوا تَرَكَ دِينَارَيْنِ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَيَّتَانِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

সুফফাবাসীর মধ্যে থেকে একজন কালো দাস এসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলো। কিছুক্ষণ পর ঐ দাসটি মারা গেলো। এই বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জানানো হলো। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, “তোমরা দেখো সে কিছু রেখে গেছে কি না?” লোকেরা বললো, “সে তার চাদরের মধ্যে দুই দিনার রেখে গেছে।” রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এ দুটি দিনার জাহান্নামের দুটি কয়লা।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3651 OK

(৩৬৫১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِي النَّجُودِ عَنْ شَقِيقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ مِنْ شِرَارِ النَّاسِ مَنْ تُدْرِكُهُ السَّاعَةُ وَهُمْ أَحْيَاءٌ وَمَنْ يَتَّخِذُ الْقُبُورَ مَسَاجِدَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “দুনিয়ার সবচেয়ে নিকৃষ্ট লোক তারাই হবে, যারা তাদের জীবদ্দশায় কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার সময়কে পাবে অথবা যারা কবরস্থানকে সিজদার স্থান বানিয়ে নিবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3652 OK

(৩৬৫২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَابِسٍ قَالَ حَدَّثَنَا رَجُلٌ مِنْ هَمْدَانَ مِنْ أَصْحَابِ عَبْدِ اللَّهِ وَمَا سَمَّاهُ لَنَا قَالَ لَمَّا أَرَادَ عَبْدُ اللَّهِ أَنْ يَأْتِيَ الْمَدِينَةَ جَمَعَ أَصْحَابَهُ فَقَالَ وَاللَّهِ إِنِّي لَأَرْجُو أَنْ يَكُونَ قَدْ أَصْبَحَ الْيَوْمَ فِيكُمْ مِنْ أَفْضَلِ مَا أَصْبَحَ فِي أَجْنَادِ الْمُسْلِمِينَ مِنْ الدِّينِ وَالْفِقْهِ وَالْعِلْمِ بِالْقُرْآنِ إِنَّ هَذَا الْقُرْآنَ أُنْزِلَ عَلَى حُرُوفٍ وَاللَّهِ إِنْ كَانَ الرَّجُلَانِ لَيَخْتَصِمَانِ أَشَدَّ مَا اخْتَصَمَا فِي شَيْءٍ قَطُّ فَإِذَا قَالَ الْقَارِئُ هَذَا أَقْرَأَنِي قَالَ أَحْسَنْتَ وَإِذَا قَالَ الْآخَرُ قَالَ كِلَاكُمَا مُحْسِنٌ فَأَقْرَأَنَا إِنَّ الصِّدْقَ يَهْدِي إِلَى الْبِرِّ وَالْبِرَّ يَهْدِي إِلَى الْجَنَّةِ وَالْكَذِبَ يَهْدِي إِلَى الْفُجُورِ وَالْفُجُورَ يَهْدِي إِلَى النَّارِ وَاعْتَبِرُوا ذَاكَ بِقَوْلِ أَحَدِكُمْ لِصَاحِبِهِ كَذَبَ وَفَجَرَ وَبِقَوْلِهِ إِذَا صَدَّقَهُ صَدَقْتَ وَبَرَرْتَ إِنَّ هَذَا الْقُرْآنَ لَا يَخْتَلِفُ وَلَا يُسْتَشَنُّ وَلَا يَتْفَهُ لِكَثْرَةِ الرَّدِّ فَمَنْ قَرَأَهُ عَلَى حَرْفٍ فَلَا يَدَعْهُ رَغْبَةً عَنْهُ وَمَنْ قَرَأَهُ عَلَى شَيْءٍ مِنْ تِلْكَ الْحُرُوفِ الَّتِي عَلَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَا يَدَعْهُ رَغْبَةً عَنْهُ فَإِنَّهُ مَنْ يَجْحَدْ بِآيَةٍ مِنْهُ يَجْحَدْ بِهِ كُلِّهِ فَإِنَّمَا هُوَ كَقَوْلِ أَحَدِكُمْ لِصَاحِبِهِ اعْجَلْ وَحَيَّ هَلًا وَاللَّهِ لَوْ أَعْلَمُ رَجُلًا أَعْلَمَ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ عَلَى مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنِّي لَطَلَبْتُهُ حَتَّى أَزْدَادَ عِلْمَهُ إِلَى عِلْمِي إِنَّهُ سَيَكُونُ قَوْمٌ يُمِيتُونَ الصَّلَاةَ فَصَلُّوا الصَّلَاةَ لِوَقْتِهَا وَاجْعَلُوا صَلَاتَكُمْ مَعَهُمْ تَطَوُّعًا وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُعَارَضُ بِالْقُرْآنِ فِي كُلِّ رَمَضَانَ وَإِنِّي عَرَضْتُ فِي الْعَامِ الَّذِي قُبِضَ فِيهِ مَرَّتَيْنِ فَأَنْبَأَنِي أَنِّي مُحْسِنٌ وَقَدْ قَرَأْتُ مِنْ فِي رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَبْعِينَ سُورَةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হামদানের জনৈক ব্যক্তি, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর একজন সাহাবী, কিন্তু তিনি আমাদেরকে তার নাম বলেননি, তিনি আমাদেরকে বলেন, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন মদীনায় যেতে চাইলেন, তখন তিনি তার সঙ্গীদের একত্র করে বললেন, আল্লাহর কসম! আমি আশা করি যে, ধর্মীয় অঙ্গীকার, দ্বীনের উপলব্ধি এবং কুরআনের জ্ঞানের দিক থেকে মুসলমানদের সৈন্যদের মধ্যে তোমাদেরই শ্রেষ্ঠ। এই কোরান আল্লাহর পক্ষ থেকে তেলাওয়াতের বিভিন্ন পদ্ধতিতে নাজিল হয়েছে। কিন্তু আমি মনে করি, যদি এমন ঘটেছে যে, দুই ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে জোরালো ভাষায় বিতর্ক করবে। একজন পাঠক বলবেন, “আমি এইভাবে শিখেছি।” তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলবেন, “তুমি ভালো শিখেছো।” আর যখন অন্য একজন বলবে যে, “সে কীভাবে শিখেছে? আমি আরো ভালো শিখেছি।” তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলবেন যে, “তোমরা উভয়েই ভালো শিখেছো।” অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে শিখিয়েছেন যে, সত্যবাদিতা ধার্মিকতার দিকে নিয়ে যায় এবং ধার্মিকতা জান্নাতের দিকে নিয়ে যায় এবং মিথ্যাবাদিতে পাপের দিকে নিয়ে যায় এবং পাপ জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। তোমরা চিন্তা করে দেখো, যখন তোমাদের কেউ তার সঙ্গী সম্পর্কে বলে যে, “সে মিথ্যা বলেছে বা কোন মন্দ কাজ করেছে” এবং সে যদি তাকে বিশ্বাস করতো, তাহলে সে বলতো, “তুমি সত্য বলেছো এবং তুমি সৎ ছিলে।” এই কোরআন পরিবর্তিত হয় না এবং ফুরিয়েও যায় না। আর বারবার তিলাওয়াত করলেও এটি কম মূল্যবান হয় না। যে ব্যক্তি এটি একটি আবৃত্তির পদ্ধতিতে শিখেছে, তবে তার অন্য পদ্ধতির অনুকূলে এটি ত্যাগ করা উচিত নয়। যে ব্যক্তি তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শিখিয়েছে, এমন কোন পাঠে তা শিখেছে, সে যেনো অন্যের পক্ষে তা পরিত্যাগ না করে, কেননা যে ব্যক্তি একটি আয়াতকে অস্বীকার করে, সে পুরো কোরআনটাই অস্বীকার করে। বরং এটা এমন যে, তোমাদের কেউ যদি তার সঙ্গীকে বলে, “তাড়াতাড়ি” বা “দ্রুত” কোরআন পাঠ করো। আল্লাহর কসম, যদি এমন কোন লোক থাকতো, যার কাছে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে যা অবতীর্ণ হয়েছে, তার জ্ঞান বেশি থাকতো, তবে আমি তাকে খুঁজতাম, যাতে আমি তার থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারি। কিছু লোক থাকবে যারা সালাতে দেরী করে, তাই তোমরা নিজেরা সময়মত সালাত আদায় করো এবং তাদের সাথে পুনরায় তোমরা সালাত আদায় করো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি রমজানে কুরআন খতম করতেন এবং যে বছরে তিনি মারা যান আমি তার সাথে দুইবার কুরআন খতম করেছিলাম। আর তিনি আমাকে বলেছিলেন যে, “তুমি খুব ভালো পাঠ করেছো।” আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুখ থেকে সত্তরটি (৭০) সূরা শিখেছি। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3653 OK

(৩৬৫৩)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫১৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ خُمَيْرِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ قَرَأْتُ مِنْ فِي رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَبْعِينَ سُورَةً وَزَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ لَهُ ذُؤَابَةٌ فِي الْكُتَّابِ


হজরত আবূ ওয়ায়ল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, “তোমরা আমাকে হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতো কুরআন পড়তে বলছো কি করে? অথচ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বরকতময় মুখ থেকে শুনে সওরেরও (৭০) অধিক সূরা পাঠ শিখেছি, অথচো হজরত যায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু তখনো ছোট ছেলেদের সাথে খেলাধুলা করতো ও তখন তার মাথায় দুইটি চুলের ঝুঁটি ছিলো। (অর্থাৎ সে তখন নিতান্তই শিশু, আর তোমরা আমাকে সেই সেদিনের যায়দের মতো করে কুরআন পড়তে বলছো?)” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3654 OK

(৩৬৫৪)

হাদিস দেখুন [৩১:৫৫১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ حَبِيبٍ عَنْ ثَعْلَبَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنْ النَّارِ


আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করবে, সে জাহান্নামে তার ঠিকানা করে নিবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3655 OK

(৩৬৫৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ عَيَّاشٍ الْعَامِرِيِّ عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ هِلَالٍ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يُسَلِّمَ الرَّجُلُ عَلَى الرَّجُلِ لَا يُسَلِّمُ عَلَيْهِ إِلَّا لِلْمَعْرِفَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের একটি অন্যতম নিদর্শন হলো এই যে, কেবল মাত্র পরিচিত লোকদেরই সালাম দেওয়া হবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3656 OK

(৩৬৫৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৪০৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ وَأَبُو سَعِيدٍ قَالَا حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ قَالَ أَبُو سَعِيدٍ قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ أَبُو سَعِيدٍ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُسَلِّمُ عَنْ يَمِينِهِ حَتَّى يُرَى بَيَاضُ خَدِّهِ وَعَنْ يَسَارِهِ حَتَّى يُرَى بَيَاضُ خَدِّهِ


হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সা.) এমন ভাবে সালাম দিতেন যে, যখন তিনি ডান দিকে সালাম দিতেন তখন তার ডান মুখের শুভ্রতা দেখা যেতো এবং যখন তিনি বাম দিকে সালাম দিতেন, তখন তার বাম মুখের শুভ্রতা দেখা যেতো। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3657 OK

(৩৬৫৭)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪৫৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ شَقِيقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَا فَرَطُكُمْ عَلَى الْحَوْضِ وَلَأُنَازَعَنَّ أَقْوَامًا ثُمَّ لَأُغْلَبَنَّ عَلَيْهِمْ فَأَقُولُ يَا رَبِّ أَصْحَابِي فَيَقُولُ إِنَّكَ لَا تَدْرِي مَا أَحْدَثُوا بَعْدَكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, আমি হাউজে কাউসারে তোমাদের আগে থাকবো এবং তোমাদের জন্যে অপেক্ষা করবো। কিছু লোককে আমার কাছে আনা হবে, তারপর আমাকে তাদেরকে ছেড়ে দিতে হবে। আমি বলবো, “হে আমার প্রভু! এরা আমার অনুসারী।” আমাকে বলা হবে, “আপনি জানেন না, তারা আপনার পৃথিবী থেকে চলে যাওয়ার পরে কী বিদআত উদ্ভাবন করেছে (ইসলাম বিরোধী কী কাজ করেছে)। আপনি তাদের ছেড়ে চলে যাওয়ার পর থেকে তারা মুরতাদ হয়ে গেছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3658 OK

(৩৬৫৮)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَنْبَأَنَا الْمَسْعُودِيُّ حَدَّثَنِي عَاصِمٌ عَنْ أَبِي وَائِلٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ حَيْثُ قُتِلَ ابْنُ النَّوَّاحَةِ إِنَّ هَذَا وَابْنَ أُثَالٍ كَانَا أَتَيَا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَسُولَيْنِ لمُسَيْلِمَةَ الْكَذَّابِ فَقَالَ لَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَشْهَدَانِ أَنِّي رَسُولُ اللَّهِ قَالَا نَشْهَدُ أَنَّ مُسَيْلِمَةَ رَسُولُ اللَّهِ فَقَالَ لَوْ كُنْتُ قَاتِلًا رَسُولًا لَضَرَبْتُ أَعْنَاقَكُمَا قَالَ فَجَرَتْ سُنَّةً أَنْ لَا يُقْتَلَ الرَّسُولُ فَأَمَّا ابْنُ أُثَالٍ فَكَفَانَاهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ وَأَمَّا هَذَا فَلَمْ يَزَلْ ذَلِكَ فِيهِ حَتَّى أَمْكَنَ اللَّهُ مِنْهُ الْآنَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ইবনুন নাওয়াহা এবং ইবনে উথাল মিথ্যাবাদী মুসাইলিমার দূত হিসেবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসেছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে বললেন, “তোমরা কি সাক্ষ্য দাও যে, আমি আল্লাহর রসূল?” তারা বললো, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, “মুসাইলিমা আল্লাহর রসূল!” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি যদি কোনো দূতকে হত্যা করতাম, তবে আমি তোমাদের উভয়ের গর্দান উড়িয়ে দিতাম।” সুতারং এটি একটি নজির হয়ে উঠেছে যে, কোনো দূতদের হত্যা করা হবে না। তাই ইবনে উথালকে আল্লাহ আমাদের পক্ষ থেকে নিজে শাস্তি দিয়েছেন। আর ইবনুন নাওয়াহার ক্ষেত্রে, সে তার বিপথগামীতে অবিচল ছিলো, যতক্ষণ না আল্লাহ মুসলমানদেরকে তাকে বন্দী করতে সক্ষম করেন ও তাকে আমরা হত্যা করি। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3659 OK

(৩৬৫৯)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫১৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ أَتَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي رَجُلٍ نَسْتَأْذِنُهُ أَنْ نَكْوِيَهُ فَسَكَتَ ثُمَّ سَأَلْنَاهُ مَرَّةً أُخْرَى فَسَكَتَ ثُمَّ سَأَلْنَاهُ الثَّالِثَةَ فَقَالَ ارْضِفُوهُ إِنْ شِئْتُمْ كَأَنَّهُ غَضْبَانُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার কিছু লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে এসে বললো, “আমাদের এক বন্ধু অসুস্থ হয়েছে। আমরা কি তাকে দাগ দিয়ে চিকিৎসা করাতে পারি?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো উত্তর না দিয়ে চুপ থাকলেন। তারা আবার জিজ্ঞেস করলো। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবার চুপ থাকলেন এবং কিছুক্ষণ পর বললেন, “তাকে গরম পাথর দিয়ে একটা দাগ দাও।” আমার মনে হলো যেনো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাগান্বিত হয়েছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3660 OK

(৩৬৬০)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৬৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْأَسْوَدِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ أَقْرَأَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ فَقَالَ رَجُلٌ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مُدَّكِرٍ أَوْ مُذَّكِّرٍ قَالَ أَقْرَأَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُدَّكِرٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে এই আয়াতটি শিখিয়েছেন,
وَلَقَدۡ يَسَّرۡنَا ٱلۡقُرۡءَانَ لِلذِّكۡرِ فَهَلۡ مِن مُّدَّكِرٖ١٧
আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি? (৫৪. আল ক্বামার : ১৭)
এক ব্যক্তি বললো, হে আবু আবদ আল-রহমান! مُّدَّكِرٖ শব্দটি কি د না ذ -এর সাথে? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে مُّدَّكِرٖ বলা শিখিয়েছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3661 OK

(৩৬৬১)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৪৭১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنِ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ رَجُلًا أَصَابَ مِنْ امْرَأَةٍ قُبْلَةً فَأَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْأَلُهُ عَنْ كَفَّارَتِهَا فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَقِمْ الصَّلَاةَ طَرَفَيْ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنْ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلِي هَذِهِ فَقَالَ لِمَنْ عَمِلَ كَذَا مِنْ أُمَّتِي


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার এক ব্যক্তি এক মহিলাকে চুমু দিলো। অতঃপর অনুতপ্ত হয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে কাফফারা সম্পর্কে জানতে চাইলো। সে বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি বাগানে একজন মহিলাকে পেলাম। আমি ওকে আমার দিকে টেনে নিয়ে আমার বুকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়েছি। ব্যভিচার ছাড়া সব কিছুই করেছি, এখন আমার কি করা উচিত?” তখন আল্লাহ তাআলা এই আয়াত নাযিল করলেন,

وَأَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ طَرَفَيِ ٱلنَّهَارِ وَزُلَفٗا مِّنَ ٱلَّيۡلِۚ إِنَّ ٱلۡحَسَنَٰتِ يُذۡهِبۡنَ ٱلسَّيِّـَٔاتِۚ ذَٰلِكَ ذِكۡرَىٰ لِلذَّٰكِرِينَ١١٤
হে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি ফজর ও আসর আর মাগরীব ও এশার সময় নামায প্রতিষ্ঠিত করুন। নিশ্চয় ভালো কাজ, মন্দ কাজকে দূর করে দেয়। এ কুরআন তাদের জন্যে একটি স্মরণীয় উপদেশ, যারা আল্লাহকে স্মরণ করে। (১১. হুদ : ১১৪)

লোকটি জিজ্ঞেস করলো, “হে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এই আদেশ কি শুধু মাত্র আমার জন্যে?” রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “না। বরং এই বিধান আমার উম্মতের এমন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্যে, যে ব্যক্তি এ ধরনের কাজ করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3662 OK

(৩৬৬২)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫২৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَنْبَأَنَا الْمَسْعُودِيُّ حَدَّثَنِي عَاصِمٌ عَنْ أَبِي وَائِلٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ حَيْثُ قُتِلَ ابْنُ النَّوَّاحَةِ إِنَّ هَذَا وَابْنَ أُثَالٍ كَانَا أَتَيَا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَسُولَيْنِ لمُسَيْلِمَةَ الْكَذَّابِ فَقَالَ لَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَشْهَدَانِ أَنِّي رَسُولُ اللَّهِ قَالَا نَشْهَدُ أَنَّ مُسَيْلِمَةَ رَسُولُ اللَّهِ فَقَالَ لَوْ كُنْتُ قَاتِلًا رَسُولًا لَضَرَبْتُ أَعْنَاقَكُمَا قَالَ فَجَرَتْ سُنَّةً أَنْ لَا يُقْتَلَ الرَّسُولُ فَأَمَّا ابْنُ أُثَالٍ فَكَفَانَاهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ وَأَمَّا هَذَا فَلَمْ يَزَلْ ذَلِكَ فِيهِ حَتَّى أَمْكَنَ اللَّهُ مِنْهُ الْآنَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

ইবনুন নাওয়াহা এবং ইবনে উথাল মিথ্যাবাদী মুসাইলিমার দূত হিসেবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসেছিলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে বললেন, “তোমরা কি সাক্ষ্য দাও যে, আমি আল্লাহর রসূল?” তারা বললো, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, “মুসাইলিমা আল্লাহর রসূল!” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি যদি কোনো দূতকে হত্যা করতাম, তবে আমি তোমাদের উভয়ের গর্দান উড়িয়ে দিতাম।” সুতারং এটি একটি নজির হয়ে উঠেছে যে, কোনো দূতদের হত্যা করা হবে না। তাই ইবনে উথালকে আল্লাহ আমাদের পক্ষ থেকে নিজে শাস্তি দিয়েছেন। আর ইবনুন নাওয়াহার ক্ষেত্রে, সে তার বিপথগামীতে অবিচল ছিলো, যতক্ষণ না আল্লাহ মুসলমানদেরকে তাকে বন্দী করতে সক্ষম করেন ও তাকে আমরা হত্যা করি। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3663 OK

(৩৬৬৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أُمَيَّةُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ قَدْ قَتَلَ أَبَا جَهْلٍ فَقَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي نَصَرَ عَبْدَهُ وَأَعَزَّ دِينَهُ وَقَالَ مَرَّةً يَعْنِي أُمَيَّةَ صَدَقَ عَبْدَهُ وَأَعَزَّ دِينَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললাম, “আল্লাহ আবু জেহেলকে হত্যা করেছেন।” রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আল্লাহর শুকরিয়া যিনি তাঁর বান্দার প্রতি তাঁর প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছেন ও তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তাঁর দ্বীনকে বিজয়ী করেছেন।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3664 OK

(৩৬৬৪)

হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ يَعْنِي شَيْبَانَ عَنْ أَبِي الْيَعْفُورِ عَنْ أَبِي الصَّلْتِ عَنْ أَبِي عَقْرَبٍ قَالَ غَدَوْتُ إِلَى ابْنِ مَسْعُودٍ ذَاتَ غَدَاةٍ فِي رَمَضَانَ فَوَجَدْتُهُ فَوْقَ بَيْتِهِ جَالِسًا فَسَمِعْنَا صَوْتَهُ وَهُوَ يَقُولُ صَدَقَ اللَّهُ وَبَلَّغَ رَسُولُهُ فَقُلْنَا سَمِعْنَاكَ تَقُولُ صَدَقَ اللَّهُ وَبَلَّغَ رَسُولُهُ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِي النِّصْفِ مِنْ السَّبْعِ الْأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ تَطْلُعُ الشَّمْسُ غَدَاتَئِذٍ صَافِيَةً لَيْسَ لَهَا شُعَاعٌ فَنَظَرْتُ إِلَيْهَا فَوَجَدْتُهَا كَمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ حَدَّثَنَا أَبُو يَعْفُورٍ عَنْ أَبِي الصَّلْتِ عَنْ أَبِي عَقْرَبٍ الْأَسَدِيِّ قَالَ غَدَوْتُ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ فَذَكَرَ مَعْنَاهُ


হজরত আবু আকরাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রমজান মাসে এক সকালে আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর খেদমতে হাজির হলাম। আমি তাকে তার বাড়ির ছাদে বসে থাকতে দেখলাম। আমরা তার কন্ঠস্বর শুনতে পেলাম এবং তিনি বলেছিলেন, “আল্লাহ সত্য বলেছেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা পৌঁছে দিয়েছেন।” আমরা তাঁর খেদমতে এসে জিজ্ঞাসা করলাম যে, “আমরা আপনাকে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ সত্য বলেছেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা পৌঁছে দিয়েছেন। এ দ্বারা আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন?” তিনি উত্তরে বলেন, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কদরের রাত রমযানের শেষ সাত রাতের মধ্যভাগে এবং সেই রাতের পর যখন সূর্য উদিত হয়, তখন তা সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে যায়।’ আমি শুধু এটি দেখছিলাম এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেমন বলেছিলেন আমি ঠিক তেমনটি দেখতে পেলাম।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৬৪]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



3665 OK

(৩৬৬৫)

হাদিস দেখুন [৩১:৩৫৯৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنِ الْمُجَالِدِ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنْ مَسْرُوقٍ قَالَ كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ وَهُوَ يُقْرِئُنَا الْقُرْآنَ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ هَلْ سَأَلْتُمْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَمْ تَمْلِكُ هَذِهِ الْأُمَّةُ مِنْ خَلِيفَةٍ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ مَا سَأَلَنِي عَنْهَا أَحَدٌ مُنْذُ قَدِمْتُ الْعِرَاقَ قَبْلَكَ ثُمَّ قَالَ نَعَمْ وَلَقَدْ سَأَلْنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ اثْنَا عَشَرَ كَعِدَّةِ نُقَبَاءِ بَنِي إِسْرَائِيلَ


হজরত মাসরূক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

মাসরূক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমরা হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে বসে ছিলাম এবং তিনি আমাদেরকে কুরআন শিক্ষা দিচ্ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বললো, “হে আবু আব্দুল রহমান! আপনি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছিলে যে, এই উম্মাতের কতজন খলিফা হবে?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি ইরাকে আসার পর থেকে, তোমার আগে কেউ আমাকে এই প্রশ্ন করেনি। হ্যাঁ! আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই প্রশ্ন করেছিলাম এবং তিনি বললেন, ‘বারোজন খলিফা হবে, বনী ইসরাঈলের নেতাদের সংখ্যার মতো’।” [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



3666 OK

(৩৬৬৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ وَحَسَنٌ قَالَا حَدَّثَنَا شَيْبَانُ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ زِرٍّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصُومُ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ مِنْ غُرَّةِ كُلِّ هِلَالٍ وَقَلَّمَا كَانَ يُفْطِرُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি মাসের শুরুতে তিন দিন রোজা রাখতেন এবং শুক্রবারে খুব কমই রোজা রাখতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস