(২৫) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৭৪২-৩৩৬৭), সর্বমোট হাদিসঃ ১৬২৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৬৩৬টি]



2731 OK

(২৭৩১)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৭৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ أَبُو خَيْثَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَضَعَ يَدَهُ عَلَى كَتِفِي أَوْ عَلَى مَنْكِبِي شَكَّ سَعِيدٌ ثُمَّ قَالَ اللَّهُمَّ فَقِّهْهُ فِي الدِّينِ وَعَلِّمْهُ التَّأْوِيلَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার আমার কাঁধে তাঁর বরকতময় হাত রেখে বললেন, “হে আল্লাহ! তাকে দ্বীনের গভীর বুঝ দান করুন এবং তাকে কুরআনের ব্যাখ্যা বোঝার জ্ঞান দান করুন।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2732 OK

(২৭৩২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنِ الْحَكَمِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَحَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْحَجِّ مِائَةَ بَدَنَةٍ نَحَرَ بِيَدِهِ مِنْهَا سِتِّينَ وَأَمَرَ بِبَقِيَّتِهَا فَنُحِرَتْ وَأَخَذَ مِنْ كُلِّ بَدَنَةٍ بَضْعَةً فَجُمِعَتْ فِي قِدْرٍ فَأَكَلَ مِنْهَا وَحَسَا مِنْ مَرَقِهَا وَنَحَرَ يَوْمَ الْحُدَيْبِيَةِ سَبْعِينَ فِيهَا جَمَلُ أَبِي جَهْلٍ فَلَمَّا صُدَّتْ عَنْ الْبَيْتِ حَنَّتْ كَمَا تَحِنُّ إِلَى أَوْلَادِهَا حَدَّثَنَا أَبُو الْجَوَّابِ حَدَّثَنَا عَمَّارٌ يَعْنِي ابْنَ رُزَيْقٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي نَجِيحٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَلِيٍّ قَالَ سَاقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِائَةَ بَدَنَةٍ فَذَكَرَ نَحْوَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

বিদায় হজ্ব উপলক্ষে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একশটি উট কোরবানি করেছিলেন, যার মধ্যে আবু জাহেলের একটি লাল উট ছিলো, যার নাকে একটি রূপার আংটি ছিলো। তিনি তাদের মধ্যে ষাটটি নিজ হাতে জবাই করলেন, তারপর তিনি হযরত আলী (রা)-কে আদেশ দিলেন, যেগুলো অবশিষ্ট ছিলো তাদেরকে জবাই করতে। এবং তিনি বললেন, “তাদের গোশত ও চামড়া মানুষের মধ্যে ভাগ করে দাও, কিন্তু কসাইকে মজুরী হিসেবে এর কিছুই দিও না। আমাদের জন্যে প্রতিটি উটের থেকে সামান্য গোশত নিয়ে একটি পাত্রে রাখো, যাতে আমরা তার গোশত খেতে পারি এবং এর ঝোল পান করতে পারি।” তাই হযরত আলী (রা) তাই করেছিলেন। যখন উটগুলোকে আল্লাহর ঘরের দিকে যেতে বাধা দেয়া হলো, তখন ঐ উটগুলো এমনভাবে কাঁদতে লাগলো যেনো, তারা তাদের সন্তানদের জন্য কাঁদছে। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2733 OK

(২৭৩৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ عَنِ ابْنِ إِدْرِيسَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ عَامَ الْفَتْحِ لِعَشْرٍ مَضَيْنَ مِنْ رَمَضَانَ فَلَمَّا نَزَلَ مَرَّ الظَّهْرَانِ أَفْطَرَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

মক্কা বিজয়ের বছর রমজানের ১০ তারিখে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনা থেকে রওয়ানা হন এবং মার ধাহরানে পৌঁছে রোজা শেষ করেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2734 OK

(২৭৩৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২৬২২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنِ ابْنِ الْأَصْبَهَانِيِّ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ فَتَحَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَكَّةَ أَقَامَ فِيهَا سَبْعَ عَشْرَةَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মক্কা বিজয় করেন, তখন তিনি সেখানে সতেরো (১৭) দিন অবস্থান করেছিলেন। তিনি ঐ সময় মাত্র দুই রাকাত (কসর) সালাত আদায় করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2735 OK

(২৭৩৫)

হাদিস দেখুন [৩১:২০২৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا بَهْزٌ أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ سَأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّ أُخْتَهُ نَذَرَتْ أَنْ تَمْشِيَ إِلَى الْبَيْتِ وَشَكَا إِلَيْهِ ضَعْفَهَا فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنْ نَذْرِ أُخْتِكَ فَلْتَرْكَبْ وَلْتُهْدِ بَدَنَةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত উকবা ইবনে আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন যে, তাঁর বোন মানত করেছিলো যে, সে পায়ে হেঁটে বায়তুল্লাহ শরীফে যাবে, কিন্তু এখন সে খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমার বোনের মানতের আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। সে যেনো সওয়ারীর উপর আরোহণ করে যায় এবং একটি উট কুরবানী করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2736 OK

(২৭৩৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২১১৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ أَخْبَرَنَا سَيْفٌ أَخْبَرَنَا قَيْسُ بْنُ سَعْدٍ الْمَكِّيُّ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى بِشَاهِدٍ وَيَمِينٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন ব্যক্তির সাক্ষী ও ঐ ব্যক্তির শপথের ভিত্তিতে একটি বিচারের রায় দিয়েছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2737 OK

(২৭৩৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ قَارِظِ بْنِ شَيْبَةَ عَنْ أَبِي غَطَفَانَ قَالَ دَخَلْتُ عَلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَوَجَدْتُهُ يَتَوَضَّأُ فَمَضْمَضَ ثُمَّ اسْتَنْشَقَ ثُمَّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اثْنَتَيْنِ اثْنَتَيْنِ أَوْ ثِنْتَيْنِ بَالِغَتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا


হজরত আবু গাতফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে প্রবেশ করলাম এবং তাঁকে ওযু করতে দেখলাম। তিনি তাঁর মুখ ও নাক ধুয়ে ফেললেন, তারপর বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “দুইবার পানি ঢেলে পরিষ্কার করো বা দুইবার ভালোভাবে পানি ঢেলে পরিষ্কার করো বা তিনবার পানি ঢেলে পরিষ্কার করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2738 OK

(২৭৩৮)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৫২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ قَالَ أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ صَائِمٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইহরাম ও রোযা অবস্থায় থাকতেন, তখনও তিনি শিঙ্গা লাগাতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2739 OK

(২৭৩৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي عُلْوَانَ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ فُرِضَ عَلَى نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَمْسُونَ صَلَاةً فَسَأَلَ رَبَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فَجَعَلَهَا خَمْسًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

প্রথম দিকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামায ফরজ করা হয়েছিলো, তারপর তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন, তাই আল্লাহ তা কমিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2740 OK

(২৭৪০)

হাদিস দেখুন [৩১:২৭৩৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي عُلْوَانَ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ فُرِضَ عَلَى نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَمْسُونَ صَلَاةً فَسَأَلَ رَبَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فَجَعَلَهَا خَمْسًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

প্রথম দিকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামায ফরজ করা হয়েছিলো, তারপর তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন, তাই আল্লাহ তা কমিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2741 OK

(২৭৪১)

হাদিস দেখুন [৩১:২৭৩৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي عُلْوَانَ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ فُرِضَ عَلَى نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَمْسُونَ صَلَاةً فَسَأَلَ رَبَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فَجَعَلَهَا خَمْسًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

প্রথম দিকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামায ফরজ করা হয়েছিলো, তারপর তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন, তাই আল্লাহ তা কমিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2742 OK

(২৭৪২)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৩৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِي يُونُسُ وَحُجَيْنٌ قَالَا حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ وَطَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعَلِّمُنَا التَّشَهُّدَ كَمَا يُعَلِّمُنَا الْقُرْآنَ فَكَانَ يَقُولُ التَّحِيَّاتُ الْمُبَارَكَاتُ الصَّلَوَاتُ الطَّيِّبَاتُ لِلَّهِ السَّلَامُ عَلَيْكَ قَالَ حُجَيْنٌ سَلَامٌ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে তাশাহহুদ শেখাতেন, যেভাবে তিনি আমাদেরকে কুরআন শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেন,

التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

“সকল সম্ভাষণ (মৌখিক ইবাদত), সকল (শারিরিক) ইবাদত ও সকল পবিত্রতা (আর্থিক ইবাদত) আল্লাহর জন্যে। হে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনার উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো প্রভু নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রসূল।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2743 OK

(২৭৪৩)

হাদিস দেখুন [৩১:২০১৮] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنِي يَزِيدُ يَعْنِي ابْنَ هَارُونَ أَخْبَرَنَا شَرِيكُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ التَّمِيمِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُمِرْتُ بِالسِّوَاكِ حَتَّى ظَنَنْتُ أَوْ حَسِبْتُ أَنْ سَيَنْزِلُ فِيهِ قُرْآنٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমাকে এতো বেশি মেসওয়াক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো যে, আমি ভয় করতে লাগলাম যে, আমার ওপর (মেসওয়াক করার ব্যাপারে ) কুরআনের একটি আয়াত নাজিল হবে। (আর তখন আমার উম্মত এই আদেশ পালন করতে পারবে না)।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৪৩]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2744 OK

(২৭৪৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ وَخَلَفُ بْنُ الْوَلِيدِ قَالَا حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ جُزْءٌ مِنْ سَبْعِينَ جُزْءًا مِنْ النُّبُوَّةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “একটি ভালো স্বপ্ন নবুওয়াতের সত্তর ভাগের একটি অংশ।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2745 OK

(২৭৪৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا كَامِلُ بْنُ الْعَلَاءِ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَوْ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ فِي صَلَاةِ اللَّيْلِ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَارْفَعْنِي وَارْزُقْنِي وَاهْدِنِي ثُمَّ سَجَدَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই সিজদার মাঝে বসে এই দুআ বললেন,

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَارْفَعْنِي وَارْزُقْنِي وَاهْدِنِي

“হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে অনুগ্রহ দিন, আমাকে রিযিক দিন এবং আমাকে পথ দেখান।”

তারপর তিনি দ্বিতীয় সেজদায় যেতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2746 OK

(২৭৪৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৬৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا خَالِدٌ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ حَرَّمَ مَكَّةَ فَلَمْ تَحِلَّ لِأَحَدٍ كَانَ قَبْلِي وَلَا تَحِلُّ لِأَحَدٍ بَعْدِي وَإِنَّمَا أُحِلَّتْ لِي سَاعَةً مِنْ نَهَارٍ لَا يُخْتَلَى خَلَاهَا وَلَا يُعْضَدُ شَجَرُهَا وَلَا يُنَفَّرُ صَيْدُهَا وَلَا تُلْتَقَطُ لُقَطَتُهَا إِلَّا لِمُعَرِّفٍ فَقَالَ الْعَبَّاسُ إِلَّا الْإِذْخِرَ لِصَاغَتِنَا وَقُبُورِنَا قَالَ إِلَّا الْإِذْخِرَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (মক্কা বিজয়ের দিন) বলেন, “আল্লাহ তাআলা মক্কায় (রক্তপাত) হারাম করে দিয়েছেন। আমার আগেও কারো জন্য মক্কা হালাল করা হয়নি এবং আমার পরেও কারো জন্য হালাল করা হবে না। আমার জন্য শুধুমাত্র দিনের কিছু অংশে মক্কায় (রক্তপাত) হালাল হয়েছিলো। মক্কার কোন ঘাস কাটা যাবে না, কোন গাছ কাটা যাবে না। কোন শিকারকে তাড়ানো যাবে না। ঘোষণাকারী ব্যতিত কেউ মক্কার জমিনে পড়ে থাকা মাল উঠাতে পারবে না।” হজরত আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! কিন্তু ইযখির ঘাস, যা আমাদের স্বর্ণকারদের ও আমাদের ঘরের ছাদের জন্যে ব্যবহৃত হয়, তা ব্যতীত।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “ইযখির ঘাস ব্যতিত।” হজরত ইকরাম রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তুমি কি জানো শিকার তাড়ানোর অর্থ কী? তা হলো, ছায়ায় অবস্থিত শিকারকে তাড়িয়ে তার স্থানে নিজে বসা।” আবদুল ওয়াহহাব রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বলেছেন, “আমাদের স্বর্ণকারদের জন্যে ও আমাদের কবরের জন্যে। ” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2747 OK

(২৭৪৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا حَيْوَةُ أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ خَيْرٍ الزِّيَادِيُّ أَنَّ مَالِكَ بْنَ سَعْدٍ التُّجِيبِيَّ حَدَّثَهُ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ أَتَانِي جِبْرِيلُ فَقَالَ يَا مُحَمَّدُ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قَدْ لَعَنَ الْخَمْرَ وَعَاصِرَهَا وَمُعْتَصِرَهَا وَشَارِبَهَا وَحَامِلَهَا وَالْمَحْمُولَةَ إِلَيْهِ وَبَائِعَهَا وَمُبْتَاعَهَا وَسَاقِيَهَا وَمُسْتَقِيَهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, জিবরীল (আঃ) আমার কাছে এসে বললেন, “হে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আল্লাহ তায়ালা মদকে অভিসম্পাত করেছেন, যে এটি বানায়, যার জন্য তা বানানো হয়, যে এটি পান করে, যে এটি বহন করে, যার কাছে এটি বহন করা হয়, যে এটি কেনে, যে এটি বিক্রি করে, যে এটি ঢেলে দেয় এবং যার জন্য এটি ঢেলে দেওয়া হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2748 OK

(২৭৪৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ لَهِيعَةَ بْنِ عُقْبَةَ الْحَضْرَمِيُّ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هُبَيْرَةَ السَّبَائِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ وَعْلَةَ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ إِنَّ رَجُلًا سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ سَبَأٍ مَا هُوَ أَرَجُلٌ أَمْ امْرَأَةٌ أَمْ أَرْضٌ فَقَالَ بَلْ هُوَ رَجُلٌ وَلَدَ عَشَرَةً فَسَكَنَ الْيَمَنَ مِنْهُمْ سِتَّةٌ وَبِالشَّامِ مِنْهُمْ أَرْبَعَةٌ فَأَمَّا الْيَمَانِيُّونَ فَمَذْحِجٌ وَكِنْدَةُ وَالْأَزْدُ وَالْأَشْعَرِيُّونَ وَأَنْمَارٌ وَحِمْيَرُ عَرَبًا كُلَّهَا وَأَمَّا الشَّامِيَّةُ فَلَخْمٌ وَجُذَامُ وَعَامِلَةُ وَغَسَّانُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, সাবা কি কোনো পুরুষের নাম, নাকি নারীর নাম, নাকি কোনো অঞ্চলের নাম? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “এটি এমন এক পুরুষ ব্যক্তির নাম, যার দশটি পুত্র ছিলো, তাদের মধ্যে ছয়জন (৬) ইয়েমেনে এবং চারজন (৪) সিরিয়ায় বসবাস করতো। যারা ইয়েমেনে বসতি স্থাপন করেছিলো, তারা হলো ১) মাজহাজ, ২) কুন্দা, ৩) আজাদ, ৪) আশআরী, ৫) আনমার ও ৬) হামির এবং তারা সবাই আরব। আর যারা সিরিয়ায় বসতি স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে রয়েছে ১) লাখম ২) উদম, ৩) আমিলা ও ৪) গাসান [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2749 OK

(২৭৪৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي فَجَاءَتْ جَارِيَتَانِ حَتَّى قَامَتَا بَيْنَ يَدَيْهِ عِنْدَ رَأْسِهِ فَنَحَّاهُمَا وَأَوْمَأَ بِيَدَيْهِ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ يَسَارِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত আদায় করছিলেন, তখন দুইটি মেয়ে এসে তাঁর সামনে দাঁড়ালো। তিনি তাদেরকে একপাশে ঠেলে দিলেন এবং তাঁর ডান এবং বাম দিকে ইশারা করলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2750 OK

(২৭৫০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَوْلَى آلِ طَلْحَةَ عَنْ كُرَيْبٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ كَانَ اسْمُ جُوَيْرِيَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَرَّةَ فَحَوَّلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْمَهَا فَسَمَّاهَا جُوَيْرِيَةَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী হজরত জুওয়াইরিয়া বিনতে আল-হারিসের নাম ছিল বাররাহ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার নাম পরিবর্তন করে জুওয়াইরিয়া রাখেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2751 OK

(২৭৫১)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৩৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي الْفُرَاتِ عَنْ عِلْبَاءَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ خَطَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْأَرْضِ أَرْبَعَةَ خُطُوطٍ قَالَ تَدْرُونَ مَا هَذَا فَقَالُوا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَفْضَلُ نِسَاءِ أَهْلِ الْجَنَّةِ خَدِيجَةُ بِنْتُ خُوَيْلِدٍ وَفَاطِمَةُ بِنْتُ مُحَمَّدٍ وَآسِيَةُ بِنْتُ مُزَاحِمٍ امْرَأَةُ فِرْعَوْنَ وَمَرْيَمُ ابْنَةُ عِمْرَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُنَّ أَجْمَعِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাটিতে চারটি রেখা আঁকলেন এবং বললেন, “তোমরা কি জানো এই চারটি রেখাগুলো কি?” লোকেরা বললো যে, “একমাত্র আল্লাহ ও তাঁর রসূলই ভালো জানেন।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন যে, “জান্নাতীদের মধ্যে সর্বোত্তম মহিলা হবে চারজন। (১) খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ, (২) ফাতিমা বিনতে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, (৩) মরিয়ম বিনতে ইমরান (আঃ), (৪) ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া বিনতে মুজাহিম রাদিয়াল্লাহু আনহু।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2752 OK

(২৭৫২)

হাদিস দেখুন [৩১:২৬৩১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ غَيْلَانَ حَدَّثَنَا رِشْدِينُ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الْأَشَجِّ عَنْ كُرَيْبٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ رَأَى عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْحَارِثِ يُصَلِّي وَرَأْسُهُ مَعْقُوصٌ مِنْ وَرَائِهِ فَقَامَ وَرَاءَهُ وَجَعَلَ يَحُلُّهُ وَأَقَرَّ لَهُ الْآخَرُ ثُمَّ أَقْبَلَ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَقَالَ مَا لَكَ وَرَأْسِي قَالَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّمَا مَثَلُ هَذَا كَمَثَلِ الَّذِي يُصَلِّي وَهُوَ مَكْتُوفٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল হারিসকে সালাত আদায় করতে দেখেছেন এবং তার চুলের ঝুটি বাঁধা ছিলো। তিনি গিয়ে চুলগুলো খুলতে লাগলেন, এবং তিনি তাতে আপত্তি করলেন না। তারপর সালাত শেষ করে তিনি ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর দিকে ফিরে বললেন, “আমার চুলের সাথে তোমার কি সম্পর্ক?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “এভাবে পেছনে চুলের ঝুটি বেঁধে সালাত আদায়কারীর উপমা হচ্ছে ঐ ব্যক্তির মতো, যে ব্যক্তি পিঠের পিছনে হাত বেঁধে সালাত আদায় করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2753 OK

(২৭৫৩)

হাদিস দেখুন [৩১:২৬৩১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ غَيْلَانَ حَدَّثَنَا رِشْدِينُ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الْأَشَجِّ عَنْ كُرَيْبٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ رَأَى عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْحَارِثِ يُصَلِّي وَرَأْسُهُ مَعْقُوصٌ مِنْ وَرَائِهِ فَقَامَ وَرَاءَهُ وَجَعَلَ يَحُلُّهُ وَأَقَرَّ لَهُ الْآخَرُ ثُمَّ أَقْبَلَ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَقَالَ مَا لَكَ وَرَأْسِي قَالَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّمَا مَثَلُ هَذَا كَمَثَلِ الَّذِي يُصَلِّي وَهُوَ مَكْتُوفٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল হারিসকে সালাত আদায় করতে দেখেছেন এবং তার চুলের ঝুটি বাঁধা ছিলো। তিনি গিয়ে চুলগুলো খুলতে লাগলেন, এবং তিনি তাতে আপত্তি করলেন না। তারপর সালাত শেষ করে তিনি ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর দিকে ফিরে বললেন, “আমার চুলের সাথে তোমার কি সম্পর্ক?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, “এভাবে পেছনে চুলের ঝুটি বেঁধে সালাত আদায়কারীর উপমা হচ্ছে ঐ ব্যক্তির মতো, যে ব্যক্তি পিঠের পিছনে হাত বেঁধে সালাত আদায় করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2754 OK

(২৭৫৪)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯৮৭] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا وَكِيعٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ جَابِرٍ عَنْ عَامِرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ احْتَجَمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْأَخْدَعَيْنِ وَبَيْنَ الْكَتِفَيْنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ঘাড়ের উভয় পাশে এবং দুই কাঁধের মাঝখানে শিঙ্গা দিয়ে চিকিৎসা করেছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৫৪]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2755 OK

(২৭৫৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ جَابِرٍ عَنْ عَامِرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ ثَلَاثًا فِي الْأَخْدَعَيْنِ وَبَيْنَ الْكَتِفَيْنِ وَأَعْطَى الْحَجَّامَ أُجْرَتَهُ وَلَوْ كَانَ حَرَامًا لَمْ يُعْطِهِ إِيَّاهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন রাকাত বিতর পড়তেন এবং তাতে সূরা আলা, সূরা কাফেরুন এবং সূরা ইখলাস (আলি আল তারতীব) পাঠ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2756 OK

(২৭৫৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩২৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ الم تَنْزِيلُ وَهَلْ أَتَى عَلَى الْإِنْسَانِ حِينٌ مِنْ الدَّهْرِ حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ مِثْلَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনে ফজরের নামাযে আলিফ-লাম-মীম তানযীল (৩৩. সূরা আস-সাজদাহ) এবং হাল আতাআলাল-ইনসান (৭৬. সূরা আদ দাহর / আল ইনসান) পাঠ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2757 OK

(২৭৫৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৮১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ التَّمِيمِيِّ الَّذِي يُحْدِثُ التَّفْسِيرَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ خَلْفِهِ فَرَأَيْتُ بَيَاضَ إِبْطَيْهِ وَهُوَ مُجَخٍّ قَدْ فَرَّجَ يَدَيْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা আমি পিছন থেকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এলাম এবং তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখতে পেলাম, তখন তিনি তাঁর হাত শরীর থেকে দূরে রেখে সিজদা করছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2758 OK

(২৭৫৮)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৮১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ التَّمِيمِيِّ الَّذِي يُحْدِثُ التَّفْسِيرَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ خَلْفِهِ فَرَأَيْتُ بَيَاضَ إِبْطَيْهِ وَهُوَ مُجَخٍّ قَدْ فَرَّجَ يَدَيْهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা আমি পিছন থেকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এলাম এবং তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখতে পেলাম, তখন তিনি তাঁর হাত শরীর থেকে দূরে রেখে সিজদা করছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2759 OK

(২৭৫৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَفَعَهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ كُلُّ حِلْفٍ كَانَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ لَمْ يَزِدْهُ الْإِسْلَامُ إِلَّا شِدَّةً أَوْ حِدَّةً


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, “জাহিলিয়াতের সময় গৃহীত প্রতিটি অঙ্গীকারকে ইসলাম কেবল মাত্র তা শক্তিশালী করে এবং পুনঃনিশ্চিত করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2760 OK

(২৭৬০)

হাদিস দেখুন [৩১:২৬২৩] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ حُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَنْ وَلَدَتْ مِنْهُ أَمَتُهُ فَهِيَ مُعْتَقَةٌ عَنْ دُبُرٍ مِنْهُ أَوْ قَالَ بَعْدَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছে, “যদি একজন ক্রীতদাসী তার মনিবের কাছ থেকে একটি সন্তান প্রসব করে। তাহলে, ঐ মনিব মারা যাওয়ার পরে, ঐ ক্রীতদাসী স্বাধীন হয়ে যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৭৬০]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস