(২৫) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৭৪২-৩৩৬৭), সর্বমোট হাদিসঃ ১৬২৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৭৮৬টি]



2581 OK

(২৫৮১)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৫২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ قَالَ أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ صَائِمٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইহরাম ও রোযা অবস্থায় থাকতেন, তখনও তিনি শিঙ্গা লাগাতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2582 OK

(২৫৮২)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৫৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنَا ابْنُ أَخِي ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عَمِّهِ حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ أَنَّ الْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَبْدٍ الْقَارِيَّ حَدَّثَاهُ أَنَّهُمَا سَمِعَا عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَقُولُ سَمِعْتُ هِشَامَ بْنَ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ يَقْرَأُ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ قَالَ مُحَمَّدٌ وَحَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَقْرَأَنِي جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَام عَلَى حَرْفٍ فَرَاجَعْتُهُ فَلَمْ أَزَلْ أَسْتَزِيدُهُ وَيَزِيدُنِي حَتَّى انْتَهَى إِلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, “জিবরীল আমিন (আঃ) আমাকে পবিত্র কুরআন একটি পাঠ রিতীতে শিখিয়েছিলেন। আমি তাকে বারবার কুরআনের পাঠ রিতীকে বাড়াতে বলতে থাকি এবং তিনি সমান ভাবে এটিকে বাড়াতে থাকেন, যতক্ষণ না তিনি কুরআনের সাতটি পাঠ রিতীতে পৌঁছে যান। এরপর তিনি থেমে যান।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2583 OK

(২৫৮৩)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৫০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِي عَبْد اللَّهِ حَدَّثَنِي أَبِي حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ سَمِعْتُ يُونُسَ يُحَدِّثُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَيْرُ الصَّحَابَةِ أَرْبَعَةٌ وَخَيْرُ السَّرَايَا أَرْبَعُ مِائَةٍ وَخَيْرُ الْجُيُوشِ أَرْبَعَةُ آلَافٍ وَلَا يُغْلَبُ اثْنَا عَشَرَ أَلْفًا مِنْ قِلَّةٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সর্বোত্তম সফরসঙ্গী হলো চারজন (৪), অভিযানের জন্যে সর্বোত্তম সংখ্যা হলো চারশত (৪০০), সর্বোত্তম সেনাবাহিনীর সংখ্যা হলো চার হাজার (৪,০০০) সৈন্যের এবং বারো হাজার (১২,০০০) সৈন্য কখনই পরাজিত হবে না, যদিও তা শক্র পক্ষের সৈন্যের সংখ্যায় চেয়ে কম হয়ে থাকে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2584 OK

(২৫৮৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩৮০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِي عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ مُحَمَّدٍ يَعْنِي الْخَطَّابِيَّ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَجُلًا خَرَجَ فَتَبِعَهُ رَجُلَانِ وَرَجُلٌ يَتْلُوهُمَا يَقُولُ ارْجِعَا قَالَ فَرَجَعَا قَالَ فَقَالَ لَهُ إِنَّ هَذَيْنِ شَيْطَانَانِ وَإِنِّي لَمْ أَزَلْ بِهِمَا حَتَّى رَدَدْتُهُمَا فَإِذَا أَتَيْتَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَقْرِئْهُ السَّلَامَ وَأَعْلِمْهُ أَنَّا فِي جَمْعِ صَدَقَاتِنَا وَلَوْ كَانَتْ تَصْلُحُ لَهُ لَأَرْسَلْنَا بِهَا إِلَيْهِ قَالَ فَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدَ ذَلِكَ عَنْ الْخَلْوَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার এক ব্যক্তি সফরে বের হলো এবং দুজন লোক তাকে অনুসরণ করলো। এই দুই ব্যক্তির পিছনে আরো একজন লোক ছিলো, যে তাদের দুইজনকে ফিরে যেতে বলছে। সে তাদের দুইজনকে বলতে থাকলো, যতক্ষণ না তারা দুইজন ফিরে যায়। সে পথিককে বললো, “এরা দুইজন ছিলো শয়তান। যতক্ষণ না আমি তাদেরকে ফেরত পাঠাতে পারলাম, ততক্ষণ আমি তাদেরকে তাড়া করতে থাকি। আপনি যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যাবেন, তাঁকে আমাদের সালাম জানাবেন এবং বলবেন যে, আমরা কিছু দান-খয়রাত সংগ্রহ করেছি। যদি এটা তাদের জন্যে উপযুক্ত হয়, তবে আমরা এই দান-খয়রাত তাঁর কাছে পাঠাবো।” সুতরাং এরপর থেকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একা ভ্রমণ করতে নিষেধ করেছেন।
[মুসনাদে আহমাদ : ২৫৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2585 OK

(২৫৮৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُوتِرُ بِثَلَاثٍ بِسَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى وَقُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ وَقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিন রাকাত বিতর পড়তেন এবং তাতে (৮৭) সূরা আলা, (১০৯) সূরা কাফেরুন এবং (১১২) সূরা ইখলাস পড়তেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2586 OK

(২৫৮৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ مُحَمَّدٍ مِنْ آلِ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ حُسَينٍ قَالَتْ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ نَهَانَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نُدِيمَ النَّظَرَ إِلَى الْمُجَذَّمِينَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে কুষ্ঠরোগীদের দিকে তাকাতে নিষেধ করেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2587 OK

(২৫৮৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ ثَابِتٍ الْعَبْدِيُّ عَنْ جَبَلَةَ بْنِ عَطِيَّةَ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ بَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَيْتِ بَعْضِ نِسَائِهِ إِذْ وَضَعَ رَأْسَهُ فَنَامَ فَضَحِكَ فِي مَنَامِهِ فَلَمَّا اسْتَيْقَظَ قَالَتْ لَهُ امْرَأَةٌ مِنْ نِسَائِهِ لَقَدْ ضَحِكْتَ فِي مَنَامِكَ فَمَا أَضْحَكَكَ قَالَ أَعْجَبُ مِنْ نَاسٍ مِنْ أُمَّتِي يَرْكَبُونَ هَذَا الْبَحْرَ هَوْلَ الْعَدُوِّ يُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَذَكَرَ لَهُمْ خَيْرًا كَثِيرًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর এক স্ত্রীর ঘরে থাকা অবস্থায় মাথা নিচু করে শুয়ে পড়লেন এবং ঘুমের মধ্যেই হাসলেন। যখন তিনি জেগে উঠলেন, তখন তাঁর এক স্ত্রী তাঁকে বললেন, “আপনি ঘুমের মধ্যে হাসলেন। আপনি কি করনে হাসলেন?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আমি স্বপ্নে আমার উম্মতের মধ্যে এমন লোকদের দেখে অবাক হয়েছি, যারা শত্রুর মোকাবিলা করার জন্যে সমুদ্রপথে ভ্রমণ করবে ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জিহাদে সংগ্রাম করবে।” এবং তিনি তাদের সম্পর্কে আরো অনেক ভালো কথা বলেছেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2588 OK

(২৫৮৮)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৯৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ وَسَمِعْتُهُ أَنَا مِنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَخْرُجَ إِلَى سَفَرٍ قَالَ اللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الضُّبْنَةِ فِي السَّفَرِ وَالْكَآبَةِ فِي الْمُنْقَلَبِ اللَّهُمَّ اطْوِ لَنَا الْأَرْضَ وَهَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ وَإِذَا أَرَادَ الرُّجُوعَ قَالَ آيِبُونَ تَائِبُونَ عَابِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ وَإِذَا دَخَلَ أَهْلَهُ قَالَ تَوْبًا تَوْبًا لِرَبِّنَا أَوْبًا لَا يُغَادِرُ عَلَيْنَا حَوْبًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সফরে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন, তখন এই দুআ পাঠ করতেন,

اللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الضُّبْنَةِ فِي السَّفَرِ وَالْكَآبَةِ فِي الْمُنْقَلَبِ اللَّهُمَّ اطْوِ لَنَا الْأَرْضَ وَهَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ

“হে আল্লাহ, আপনি সফরে আমার সঙ্গী এবং আমার পরিবারে আমার রক্ষাকর্তা। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, সফরের কষ্ট ও প্রত্যাবর্তনের দুশ্চিন্তা থেকে। হে আল্লাহ, আমাদের জন্য দূরত্ব কম করে দিন এবং আমাদের জন্য সফরকে সহজ করে দিন।”
আর যখন তিনি সফর থেকে ফিরে আসতে চাইতেন, তখন তিনি এই দুআ পাঠ করতেন,

آيِبُونَ تَائِبُونَ عَابِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ

“আমরা আমাদের প্রভুর দিকে ফিরে আসছি, তার প্রশংসা করে, তার ইবাদত করে ও তার প্রতি তওবা করে।”
আর যখন তিনি তাঁর পরিবারের মধ্যে প্রবেশ করতেন, তখন তিনি বলতেন,

تَوْبًا تَوْبًا لِرَبِّنَا أَوْبًا لَا يُغَادِرُ عَلَيْنَا حَوْبًا

“আমরা তওবা করি এবং আমাদের প্রভুর দিকে ফিরে যাই। যিনি আমাদের বিরুদ্ধে কোনো অনুতাপ ছেড়ে যান না।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2589 OK

(২৫৮৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ وَأَبُو سَعِيدٍ الْمَعْنَى قَالَا حَدَّثَنَا ثَابِتٌ حَدَّثَنَا هِلَالُ بْنُ خَبَّابٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْتَفَتَ إِلَى أُحُدٍ فَقَالَ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ مَا يَسُرُّنِي أَنَّ أُحُدًا يُحَوَّلُ لِآلِ مُحَمَّدٍ ذَهَبًا أُنْفِقُهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمُوتُ يَوْمَ أَمُوتُ أَدَعُ مِنْهُ دِينَارَيْنِ إِلَّا دِينَارَيْنِ أُعِدُّهُمَا لِدَيْنٍ إِنْ كَانَ فَمَاتَ وَمَا تَرَكَ دِينَارًا وَلَا دِرْهَمًا وَلَا عَبْدًا وَلَا وَلِيدَةً وَتَرَكَ دِرْعَهُ مَرْهُونَةً عِنْدَ يَهُودِيٍّ عَلَى ثَلَاثِينَ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উহুদ পাহারের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, “আমি ঐ প্রভুর শপথ করছি, যার হাতে আমার প্রাণ! আমি উহুদ পাহারকে মুহাম্মাদের পরিবারের জন্যে সোনায় পরিণত করতে চাই না, অথচো আমি তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ব্যয় করি এবং যেদিন আমি মৃত্যুবরণ করি, সেদিন আমি এমন দুই দিনার রেখে যাই, যা আমি ঋণ পরিশোধের জন্য আলাদা করে রেখেছি।” অতঃপর তিনি মারা গেলেন এবং তিনি কোনো দিনার বা দিরহাম বা কোন ক্রীতদাস, পুরুষ বা মহিলা রেখে যাননি; এবং তিনি তার একটি ঢাল রেখে গেলেন, যা একজন ইহুদি লোকের কাছে ত্রিশ সা গমের বিনিময়ে বন্ধক রাখা ছিলো।
[মুসনাদে আহমাদ : ২৫৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2590 OK

(২৫৯০)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৮৫] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُوتِرُ بِثَلَاثٍ بِسَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى وَقُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ وَقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিন রাকাত বিতর পড়তেন এবং তাতে (৮৭) সূরা আলা, (১০৯) সূরা কাফেরুন এবং (১১২) সূরা ইখলাস পড়তেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2591 OK

(২৫৯১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ قَالَ أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي حَبِيبَةَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اقْتُلُوا الْفَاعِلَ وَالْمَفْعُولَ بِهِ فِي عَمَلِ قَوْمِ لُوطٍ وَالْبَهِيمَةَ وَالْوَاقِعَ عَلَى الْبَهِيمَةِ وَمَنْ وَقَعَ عَلَى ذَاتِ مَحْرَمٍ فَاقْتُلُوهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত লুত (আঃ)-এর সম্প্রদায়ের কর্মের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, “যে ব্যক্তি, অন্য কোনো ব্যক্তির সাথে সহবাস করে, তোমরা ঐ দুই ব্যক্তিকেই হত্যা করো। আর যে ব্যক্তি কোনো পশুর সাথে সহবাস করে, তোমরা ঐ ব্যক্তিকে হত্যা করো এবং ঐ পশুটিকেও হত্যা করো। আর যে ব্যক্তি কোনো মাহরামের সাথে সহবাস করে, তোমরা ঐ ব্যক্তিকে হত্যা করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2592 OK

(২৫৯২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ قَالَ أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي حَبِيبَةَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا بَعَثَ جُيُوشَهُ قَالَ اخْرُجُوا بِسْمِ اللَّهِ تُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ مَنْ كَفَرَ بِاللَّهِ لَا تَغْدِرُوا وَلَا تَغُلُّوا وَلَا تُمَثِّلُوا وَلَا تَقْتُلُوا الْوِلْدَانَ وَلَا أَصْحَابَ الصَّوَامِعِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাঁর সৈন্যদল পাঠাতেন, তখন বলতেন, “আল্লাহর নামে বের হও, যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর জন্যে যুদ্ধ করো। বিশ্বাসঘাতক হয়ো না, যুদ্ধের গনীমত চুরি করো না, (শত্রুর নিহত দেহ) বিকৃত করো না এবং শিশুদের হত্যা করো না। আর ঐ সকল সন্ন্যাসীদের হত্যা করো না, যারা আশ্রমে বাস করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2593 OK

(২৫৯৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ قَالَ أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي حَبِيبَةَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعَلِّمُنَا مِنْ الْحُمَّى وَالْأَوْجَاعِ بِسْمِ اللَّهِ الْكَبِيرِ أَعُوذُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ مِنْ شَرِّ عِرْقٍ نَعَّارٍ وَمِنْ شَرِّ حَرِّ النَّارِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে জ্বর বা ব্যাথার সময় এই দোয়াটি পাঠ করতে বলতেন,

بِسْمِ اللَّهِ الْكَبِيرِ أَعُوذُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ مِنْ شَرِّ عِرْقٍ نَعَّارٍ وَمِنْ شَرِّ حَرِّ النَّارِ

“মহান আল্লাহর নামে, আমি সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি রক্তে প্রবাহিত শিরার অনিষ্ট থেকে এবং আগুনের উত্তাপের অনিষ্ট থেকে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2594 OK

(২৫৯৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩১৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ كُلُوا فِي الْقَصْعَةِ مِنْ جَوَانِبِهَا وَلَا تَأْكُلُوا مِنْ وَسَطِهَا فَإِنَّ الْبَرَكَةَ تَنْزِلُ فِي وَسَطِهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা পাত্রের কিনারা থেকে খাও, মাঝখান থেকে খেয়ো না। কারণ খাবারের পাত্রের মাঝখানে বরকত নাযিল হয় (এবং সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে)।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2595 OK

(২৫৯৫)

হাদিস দেখুন [৩১:২২২২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ أَخْبَرَنَا وُهَيْبٌ أَخْبَرَنَا ابْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ عَنْ الذَّبْحِ وَالرَّمْيِ وَالْحَلْقِ وَالتَّقْدِيمِ وَالتَّأْخِيرِ فَقَالَ لَا حَرَجَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিদায় হজ্জের দিনে, কোরবানি দেওয়া, জামরায় পাথর মেরে মাথা মুণ্ডন করা এবং হজ্জের বিভিন্ন নিয়মে মধ্যে অন্য কোনো পরিবর্তন থাকার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি বললেন, “কোন অসুবিধা নেই।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2596 OK

(২৫৯৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৯১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ قَالَ أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي حَبِيبَةَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اقْتُلُوا الْفَاعِلَ وَالْمَفْعُولَ بِهِ فِي عَمَلِ قَوْمِ لُوطٍ وَالْبَهِيمَةَ وَالْوَاقِعَ عَلَى الْبَهِيمَةِ وَمَنْ وَقَعَ عَلَى ذَاتِ مَحْرَمٍ فَاقْتُلُوهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত লুত (আঃ)-এর সম্প্রদায়ের কর্মের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, “যে ব্যক্তি, অন্য কোনো ব্যক্তির সাথে সহবাস করে, তোমরা ঐ দুই ব্যক্তিকেই হত্যা করো। আর যে ব্যক্তি কোনো পশুর সাথে সহবাস করে, তোমরা ঐ ব্যক্তিকে হত্যা করো এবং ঐ পশুটিকেও হত্যা করো। আর যে ব্যক্তি কোনো মাহরামের সাথে সহবাস করে, তোমরা ঐ ব্যক্তিকে হত্যা করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2597 OK

(২৫৯৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৯১] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ قَالَ أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي حَبِيبَةَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اقْتُلُوا الْفَاعِلَ وَالْمَفْعُولَ بِهِ فِي عَمَلِ قَوْمِ لُوطٍ وَالْبَهِيمَةَ وَالْوَاقِعَ عَلَى الْبَهِيمَةِ وَمَنْ وَقَعَ عَلَى ذَاتِ مَحْرَمٍ فَاقْتُلُوهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত লুত (আঃ)-এর সম্প্রদায়ের কর্মের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, “যে ব্যক্তি, অন্য কোনো ব্যক্তির সাথে সহবাস করে, তোমরা ঐ দুই ব্যক্তিকেই হত্যা করো। আর যে ব্যক্তি কোনো পশুর সাথে সহবাস করে, তোমরা ঐ ব্যক্তিকে হত্যা করো এবং ঐ পশুটিকেও হত্যা করো। আর যে ব্যক্তি কোনো মাহরামের সাথে সহবাস করে, তোমরা ঐ ব্যক্তিকে হত্যা করো।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2598 OK

(২৫৯৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِي حُجَيْنُ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ عَبْدِ الْأَعْلَى عَنِ ابْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَجُلًا مِنْ الْأَنْصَارِ وَقَعَ فِي أَبٍ لِلْعَبَّاسِ كَانَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ فَلَطَمَهُ الْعَبَّاسُ فَجَاءَ قَوْمَهُ فَقَالُوا وَاللَّهِ لَنَلْطِمَنَّهُ كَمَا لَطَمَهُ فَلَبِسُوا السِّلَاحَ فَبَلَغَ ذَلِكَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَصَعِدَ الْمِنْبَرَ فَقَالَ أَيُّهَا النَّاسُ أَيُّ أَهْلِ الْأَرْضِ أَكْرَمُ عَلَى اللَّهِ قَالُوا أَنْتَ قَالَ فَإِنَّ الْعَبَّاسَ مِنِّي وَأَنَا مِنْهُ فَلَا تَسُبُّوا مَوْتَانَا فَتُؤْذُوا أَحْيَاءَنَا فَجَاءَ الْقَوْمُ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ غَضَبِكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একজন আনসারী ব্যক্তি আল-আব্বাসের জাহিলিয়ার সময়ের মৃত একজন পূর্বপুরুষকে অপমান করলো এবং হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু ঐ আনসারী ব্যক্তিকে চড় মারলো। তার লোকেরা এসে বললো, “আল্লাহর কসম আমরা অবশ্যই আব্বাসকে চড় মারবো, যেভাবে সে আমাদের লোককে চড় মেরেছে।”এবং তারা অস্ত্র তুলেছিলো। এ খবর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে পৌঁছলে, তিনি মিম্বরে আরোহণ করে বললেন, “হে লোকসকল, দুনিয়ার মানুষের মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় কে?” তারা বললো, “আপনি।” তিনি বললেন, “আল-আব্বাস আমার থেকে এবং আমি তারই, সুতরাং আমাদের মৃতদের গালি দিও না, পাছে আমাদের জীবিতদের অপমান করবে।” লোকেরা এসে বললো, “হে আল্লাহর রাসূল, আমরা আপনার ক্রোধ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৫৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2599 OK
View Quran

(২৫৯৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سَمِعْتُ سُلَيْمَانَ عَنْ مُجَاهِدٍ أَنَّ النَّاسَ كَانُوا يَطُوفُونَ بِالْبَيْتِ وَابْنُ عَبَّاسٍ جَالِسٌ مَعَهُ مِحْجَنٌ فَقَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ وَلَوْ أَنَّ قَطْرَةً مِنْ الزَّقُّومِ قُطِرَتْ لَأَمَرَّتْ عَلَى أَهْلِ الْأَرْضِ عَيْشَهُمْ فَكَيْفَ مَنْ لَيْسَ لَهُمْ طَعَامٌ إِلَّا الزَّقُّومُ


হজরত মুজাহিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

লোকেরা কাবা শরীফ প্রদক্ষিণ করছিলো এবং হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বসে ছিলেন এবং তাঁর সাথে একটি বাঁকা লাঠি ছিলো, যা দিয়ে তিনি কালো পাথরকে স্পর্শ করছিলেন এবং চুমু খাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, “একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করলেন, তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যাক্কুম বৃক্ষের একটি বিন্দুও যদি দুনিয়াতে পতিত হতো, তাহলে দুনিয়া বাসীদের জীবন দুর্বিসহ হয়ে যেতো। আর এটা যাদের খাদ্য হবে, তাদের অবস্থা কি হবে’?”
يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ ٱتَّقُواْ ٱللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِۦ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسۡلِمُونَ١٠٢
ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যেমন তাঁকে ভয় করা উচিত। আর তোমরা মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। (৩. আল ইমরান : ১০২)

[মুসনাদে আহমাদ : ২৫৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2600 OK

(২৬০০)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৫৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ زَيْدٍ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مِهْرَانَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ النَّاسِ أَحَدٌ إِلَّا قَدْ أَخْطَأَ أَوْ هَمَّ بِخَطِيئَةٍ لَيْسَ يَحْيَى بْنَ زَكَرِيَّا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “হজরত ইয়াহইয়া বিন জাকারিয়া (আঃ) ব্যতীত আদম সন্তানদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যে ব্যক্তি পাপ করেনি বা পাপ করার ইচ্ছা করেনি।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৬০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2601 OK

(২৬০১)

হাদিস দেখুন [৩১:২৩২২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَا صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَهْرًا كَامِلًا قَطُّ غَيْرَ رَمَضَانَ وَإِنْ كَانَ لَيَصُومُ إِذَا صَامَ حَتَّى يَقُولَ الْقَائِلُ وَاللَّهِ لَا يُفْطِرُ وَإِنْ كَانَ لَيُفْطِرُ إِذَا أَفْطَرَ حَتَّى يَقُولَ الْقَائِلُ وَاللَّهِ لَا يَصُومُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাস ব্যতীত কখনোই পুরো মাস রোজা রাখতেন না, তবে কখনো কখনো তিনি এত বেশি রোজা রাখতেন যে, আমরা বলতাম যে, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মাসে একটি রোজাও ছাড়বেন না। কখনো কখনো তিনি এমনভাবে রোজা ভঙ্গ করতেন যে, আমরা বলতাম যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মাসে আর একটি রোজাও রাখবেন না। [মুসনাদে আহমাদ : ২৬০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2602 OK

(২৬০২)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ صَالِحٍ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُصُّ شَارِبَهُ وَكَانَ أَبُوكُمْ إِبْرَاهِيمُ مِنْ قَبْلِهِ يَقُصُّ شَارِبَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর গোঁফ ছাঁটতেন এবং তোমাদের পিতা ইব্রাহীম (আঃ)-ও তাঁর আগে গোঁফ ছাঁটতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৬০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2603 OK

(২৬০৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ يَعْنِي الدَّسْتُوَائِيَّ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَفْتَخِرُوا بِآبَائِكُمْ الَّذِينَ مَاتُوا فِي الْجَاهِلِيَّةِ فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَمَا يُدَهْدِهُ الْجُعَلُ بِمَنْخَرَيْهِ خَيْرٌ مِنْ آبَائِكُمْ الَّذِينَ مَاتُوا فِي الْجَاهِلِيَّةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের বাপ-দাদাদের নিয়ে অহংকার করো না, যারা জাহিলিয়াতের যুগে মারা গেছে। এই প্রভুর কসম! যার হাতে আমার প্রাণ, মুসলমানের নাকে গড়িয়ে পড়া ধূলিকণাও, জাহিলিয়াতের যুগে মারা যাওয়া তোমাদের পূর্বপুরুষদের চেয়ে উত্তম।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৬০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2604 OK

(২৬০৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ النَّهْشَلِيُّ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ الْجَزَّارِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُوتِرُ بِثَلَاثٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিন রাকাত বিতর পড়তেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৬০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2605 OK

(২৬০৫)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৯০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ كَثِيرٍ أَبُو دَاوُدَ الْوَاسِطِيُّ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ شِهَابٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي سِنَانٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ خَطَبَنَا يَعْنِي رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ كُتِبَ عَلَيْكُمْ الْحَجُّ قَالَ فَقَامَ الْأَقْرَعُ بْنُ حَابِسٍ فَقَالَ فِي كُلِّ عَامٍ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ لَوْ قُلْتُهَا لَوَجَبَتْ وَلَوْ وَجَبَتْ لَمْ تَعْمَلُوا بِهَا أَوْ لَمْ تَسْتَطِيعُوا أَنْ تَعْمَلُوا بِهَا فَمَنْ زَادَ فَهُوَ تَطَوُّعٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুতবা দেওয়ার সময় আমাদেরকে বললেন যে, “হে লোক সকল! তোমাদের উপর হজ্ব ফরজ করা হয়েছে।” এ কথা শুনে আকুয়া ইবনে হাবস উঠে দাঁড়ালো এবং বললো যে, “ইয়া রাসূলাল্লাহ, প্রতি বছর কি হজ্ব ফরয?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি যদি বলতাম, হ্যাঁ। তাহলে প্রতি বছর হজ্ব করা (ধনীদের জন্যে) বাধ্যতামূলক হয়ে যেতো। কিন্তু যদি তা হয়ে যেতো, তবে তোমরা তা পালন করতে পারতে না। হজ্ব সারা জীবনে একবার ফরয হয় আর যে এর বেশি করে, সে স্বেচ্ছায় তা করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৬০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2606 OK

(২৬০৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أُعْطِيتُ خَمْسًا لَمْ يُعْطَهُنَّ نَبِيٌّ قَبْلِي وَلَا أَقُولُهُنَّ فَخْرًا بُعِثْتُ إِلَى النَّاسِ كَافَّةً الْأَحْمَرِ وَالْأَسْوَدِ وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ مَسِيرَةَ شَهْرٍ وَأُحِلَّتْ لِي الْغَنَائِمُ وَلَمْ تَحِلَّ لِأَحَدٍ قَبْلِي وَجُعِلَتْ لِي الْأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا وَأُعْطِيتُ الشَّفَاعَةَ فَأَخَّرْتُهَا لِأُمَّتِي فَهِيَ لِمَنْ لَا يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমাকে এমন পাঁচটি জিনিস দেওয়া হয়েছে, যা আমার আগে কাউকে দেওয়া হয়নি। আর আমি এটা গর্ব করার জন্যে বলছি না। (১) আমাকে লাল এবং কালো সকল মানুষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সুতরাং যার গায়ের রং লাল অথবা কালো ও সে আমার প্রতি ঈমান আনে, তবে সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত হবে। (২) আমাকে এক মাসের দূরত্বের পথ পর্যন্ত ভয় দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। (৩) আমার জন্য গনীমতের সম্পদ হালাল করা হয়েছে, অথচ আমার পূর্বে কারো জন্য তা হালাল ছিলো না। (৪) সমগ্র পৃথিবীকে আমার জন্য মসজিদ করা হয়েছে। (৫) আমাকে সুপারিশের অধিকার দেওয়া হয়েছে, যা আমি আমার উম্মতের জন্যে কিয়ামত দিন পর্যন্ত স্থগিত রেখেছি এবং এটি তাদের প্রত্যেকের জন্যে, যারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করে না।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৬০৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2607 OK

(২৬০৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২৫৮৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ وَأَبُو سَعِيدٍ الْمَعْنَى قَالَا حَدَّثَنَا ثَابِتٌ حَدَّثَنَا هِلَالُ بْنُ خَبَّابٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْتَفَتَ إِلَى أُحُدٍ فَقَالَ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ مَا يَسُرُّنِي أَنَّ أُحُدًا يُحَوَّلُ لِآلِ مُحَمَّدٍ ذَهَبًا أُنْفِقُهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمُوتُ يَوْمَ أَمُوتُ أَدَعُ مِنْهُ دِينَارَيْنِ إِلَّا دِينَارَيْنِ أُعِدُّهُمَا لِدَيْنٍ إِنْ كَانَ فَمَاتَ وَمَا تَرَكَ دِينَارًا وَلَا دِرْهَمًا وَلَا عَبْدًا وَلَا وَلِيدَةً وَتَرَكَ دِرْعَهُ مَرْهُونَةً عِنْدَ يَهُودِيٍّ عَلَى ثَلَاثِينَ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উহুদ পাহারের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, “আমি ঐ প্রভুর শপথ করছি, যার হাতে আমার প্রাণ! আমি উহুদ পাহারকে মুহাম্মাদের পরিবারের জন্যে সোনায় পরিণত করতে চাই না, অথচো আমি তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ব্যয় করি এবং যেদিন আমি মৃত্যুবরণ করি, সেদিন আমি এমন দুই দিনার রেখে যাই, যা আমি ঋণ পরিশোধের জন্য আলাদা করে রেখেছি।” অতঃপর তিনি মারা গেলেন এবং তিনি কোনো দিনার বা দিরহাম বা কোন ক্রীতদাস, পুরুষ বা মহিলা রেখে যাননি; এবং তিনি তার একটি ঢাল রেখে গেলেন, যা একজন ইহুদি লোকের কাছে ত্রিশ সা গমের বিনিময়ে বন্ধক রাখা ছিলো।
[মুসনাদে আহমাদ : ২৬০৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2608 OK

(২৬০৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ وَأَبُو سَعِيدٍ وَعَفَّانُ قَالُوا حَدَّثَنَا ثَابِتٌ حَدَّثَنَا هِلَالٌ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ عَلَيْهِ عُمَرُ وَهُوَ عَلَى حَصِيرٍ قَدْ أَثَّرَ فِي جَنْبِهِ فَقَالَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ لَوْ اتَّخَذْتَ فِرَاشًا أَوْثَرَ مِنْ هَذَا فَقَالَ مَا لِي وَلِلدُّنْيَا مَا مَثَلِي وَمَثَلُ الدُّنْيَا إِلَّا كَرَاكِبٍ سَارَ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ فَاسْتَظَلَّ تَحْتَ شَجَرَةٍ سَاعَةً مِنْ نَهَارٍ ثُمَّ رَاحَ وَتَرَكَهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে প্রবেশ করলেন, যখন তিনি একটা পাটিতে কাত হয়ে শুয়ে ছিলেন, যার দরুন তার শরীরের এক পার্শ্বে দাগ হয়ে গিয়েছিলো। হজরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “হে আল্লাহর নবী, আপনার কাছে এর চেয়ে আরামদায়ক জিনিসপত্র নেই কেনো?” তিনি বললেন, “এই ​​দুনিয়ার সাথে আমার কি সম্পর্ক? আমার এবং এই দুনিয়ার উপমা এমন একজন আরোহীর মতো, যে গ্রীষ্মের দিনে ভ্রমণ করে, তারপর দিনের বেলায় গাছের নীচে কিছুক্ষণ ছায়া খোঁজে, তারপর সে চলে যায় এবং গাছের ছায়া ছেড়ে যায়।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৬০৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2609 OK

(২৬০৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ حَدَّثَنَا ثَابِتٌ حَدَّثَنَا هِلَالٌ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَاتَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَدُوًّا فَلَمْ يَفْرُغْ مِنْهُمْ حَتَّى أَخَّرَ الْعَصْرَ عَنْ وَقْتِهَا فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ قَالَ اللَّهُمَّ مَنْ حَبَسَنَا عَنْ الصَّلَاةِ الْوُسْطَى فَامْلَأْ بُيُوتَهُمْ نَارًا وَامْلَأْ قُبُورَهُمْ نَارًا وَنَحْوَ ذَلِكَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুশরিক ও ইহুদীদের সাথে খন্দকের যুদ্ধ করেছিলেন এবং তিনি তাদের সাথে শেষ যুদ্ধ করেননি, যতক্ষণ না তিনি আসরের সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিলম্ব করেন। যখন তিনি তা উপলব্ধি করলেন, তখন তিনি বললেন, “হে আল্লাহ, যারা আমাদের মধ্যবর্তী সালাত থেকে বিরত রেখেছে, তাদের ঘরগুলিকে আগুনে পূর্ণ করে দাও এবং তাদের কবরগুলিকে আগুনে পূর্ণ করে দাও।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৬০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2610 OK

(২৬১০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ وَعَفَّانُ قَالَا حَدَّثَنَا ثَابِتٌ عَنْ هِلَالٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَهْرًا مُتَتَابِعًا فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ وَالصُّبْحِ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ إِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ مِنْ الرَّكْعَةِ الْأَخِيرَةِ يَدْعُو عَلَيْهِمْ عَلَى حَيٍّ مِنْ بَنِي سُلَيْمٍ عَلَى رِعْلٍ وَذَكْوَانَ وَعُصَيَّةَ وَيُؤَمِّنُ مَنْ خَلْفَهُ أَرْسَلَ إِلَيْهِمْ يَدْعُوهُمْ إِلَى الْإِسْلَامِ فَقَتَلُوهُمْ قَالَ عَفَّانُ فِي حَدِيثِهِ قَالَ وَقَالَ عِكْرِمَةُ هَذَا كَانَ مِفْتَاحَ الْقُنُوتِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পুরো এক মাস ধরে প্রতিদিন যোহর, আসর, মাগরিব, ইশা ও ফজরের নামাজের শেষে কুনুত পড়তেন। যখন তিনি শেষ রাকাতে “সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলতেন, তখন তিনি বনু সুলাইমের একটি গোত্রের বিরুদ্ধে, রাল, জাকওয়ান ও উসাইয়ার বিরুদ্ধে বদদুয়া করতেন। আর তাঁর পিছনে নামাযে যারা থাকতো তারা আমীন বলতেন। তিনি তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত দিতে, তাদের কাছে দূত পাঠিয়ে ছিলেন এবং তারা দূতদেরকে হত্যা করেছিলো। আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু তার হাদীসে বলেছেন, এবং ইকরিমা বলেন, এটি ছিলো কুনূতের শুরু। [মুসনাদে আহমাদ : ২৬১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস