(২৫) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা [হাদিসের সীমা (১৭৪২-৩৩৬৭), সর্বমোট হাদিসঃ ১৬২৬টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৯০৬টি]



2461 OK

(২৪৬১)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৯০] view_link


সহিহ হাদিস


হাদিস নং ১৮১৯ দেখুন


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2462 OK

(২৪৬২)

হাদিস দেখুন [৩১:২৪০২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا بَهْزٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ أَخْبَرَنِي عَدِيُّ بْنُ ثَابِتٍ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي فِطْرٍ فَلَمْ يُصَلِّ قَبْلَهَا وَلَا بَعْدَهَا ثُمَّ أَتَى النِّسَاءَ وَمَعَهُ بِلَالٌ فَجَعَلَ يَقُولُ تَصَدَّقْنَ فَجَعَلَتْ الْمَرْأَةُ تُلْقِي خُرْصَهَا وَسِخَابَهَا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন নামাযের জন্যে বের হয়ে গেলেন। তিনি এর আগে বা পরে কোন নামায আদায় করলেন না। তারপর তিনি হজরত বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে মহিলাদের কাছে গেলেন এবং বলতে লাগলেন, “তোমরা সদকা করো।” আর মহিলারা তাদের কানের দুল, গলার হার ও আংটি খুলে সদকা করতে থাকলো।

[মুসনাদে আহমাদ : ২৪৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2463 OK

(২৪৬৩)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৫২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ قَالَ أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ صَائِمٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইহরাম ও রোযা অবস্থায় থাকতেন, তখনও তিনি শিঙ্গা লাগাতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2464 OK

(২৪৬৪)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯২৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ وَمُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الَّذِي يَأْتِي امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ يَتَصَدَّقُ بِدِينَارٍ أَوْ بِنِصْفِ دِينَارٍ وَلَمْ يَرْفَعْهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ وَلَا بَهْزٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঋতুস্রাব অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাসকারী ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন, “সে যেনো এক দিনার বা অর্ধ দিনার সদকা করে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2465 OK

(২৪৬৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮২৬] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو عَنْ طَاوُسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أُمِرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَسْجُدَ عَلَى سَبْعٍ وَنُهِيَ أَنْ يَكُفَّ شَعَرَهُ وَثِيَابَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাতটি হাড়ের ওপর (নাক, উভয় হাত, উভয় হাঁটু এবং উভয় পায়) সিজদা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো এবং নামাযের সময় কাপড় ও চুল মোড়ানো নিষিদ্ধ ছিলো। [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2466 OK

(২৪৬৬)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৭০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ الْغَطَفَانِيِّ عَنْ كُرَيْبٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَوْ أَنَّ أَحَدَهُمْ إِذَا أَتَى أَهْلَهُ قَالَ بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنِي الشَّيْطَانَ وَجَنِّبْ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا فَإِنْ قُدِرَ بَيْنَهُمَا فِي ذَلِكَ وَلَدٌ لَمْ يَضُرَّ ذَلِكَ الْوَلَدَ الشَّيْطَانُ أَبَدًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যদি তোমাদের কেউ তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করার সময় এই দোয়া পাঠ করে,

بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنِي الشَّيْطَانَ وَجَنِّبْ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا

“আল্লাহর নামে শুরু, হে আল্লাহ, আমাকে শয়তানের হাত থেকে রক্ষা করুন এবং এই সহবাসের ফলে আপনি আমাদেরকে যে সন্তান দিবেন, তাকেও শয়তানের হাত থেকে রক্ষা করুন।”

এর ফলে যদি তাদের কোনো সন্তান হয়, তাহলে শয়তান কখনোই ঐ সন্তানের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2467 OK

(২৪৬৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَيْسَرَةَ عَنْ طَاوُسٍ وَعَطَاءٍ وَمُجَاهِدٍ عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ قَالَ خَرَجَ إِلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَهَانَا عَنْ أَمْرٍ كَانَ لَنَا نَافِعًا وَأَمْرُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَيْرٌ لَنَا مِمَّا نَهَانَا عَنْهُ قَالَ مَنْ كَانَتْ لَهُ أَرْضٌ فَلْيَزْرَعْهَا أَوْ لِيَذَرْهَا أَوْ لِيَمْنَحْهَا قَالَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِطَاوُسٍ وَكَانَ يَرَى أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ مِنْ أَعْلَمِهِمْ قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ كَانَتْ لَهُ أَرْضٌ أَنْ يَمْنَحَهَا أَخَاهُ خَيْرٌ لَهُ قَالَ شُعْبَةُ وَكَانَ عَبْدُ الْمَلِكِ يَجْمَعُ هَؤُلَاءِ طَاوُسًا وَعَطَاءً وَمُجَاهِدًا وَكَانَ الَّذِي يُحَدِّثُ عَنْهُ مُجَاهِدٌ قَالَ شُعْبَةُ كَأَنَّهُ صَاحِبُ الْحَدِيثِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের কাছে এসে এমন কিছু কল্যাণকর কাজ করতে নিষেধ করেছিলেন, যা মূলতো আমাদের জন্যে কল্যাণকর নয়। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদেশ আমাদের জন্যে উত্তম, যা তিনি আমাদেরকে করতে নিষেধ করেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “যার জমি আছে সে যেনো নিজে তা চাষ করে, অথবা অন্য কাউকে বিনা পয়সায় চাষাবাদ করার জন্যে দেয়।” আমি হজরত তাওউস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে তা উল্লেখ করেছি এবং তিনি মনে করতেন যে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুধু একথা বলেছেন যে, “তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তির জন্যে, তার ভাইয়ের কাছ থেকে নির্ধারিত খাজনা আদায়ের চেয়ে, তার জমি তার ভাইকে উপহার দেওয়া উত্তম।”
[মুসনাদে আহমাদ : ২৪৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2468 OK

(২৪৬৮)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯২০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مَيْسَرَةَ عَنْ طَاوُسٍ قَالَ أَتَى ابْنَ عَبَّاسٍ رَجُلٌ فَسَأَلَهُ وَسُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ قَالَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ أَنْبَأَنِي عَبْدُ الْمَلِكِ قَالَ سَمِعْتُ طَاوُسًا يَقُولُ سَأَلَ رَجُلٌ ابْنَ عَبَّاسٍ الْمَعْنَى عَنْ قَوْلِهِ عَزَّ وَجَلَّ قُلْ لَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا إِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْبَى فَقَالَ سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ قَرَابَةُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ عَجِلْتَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يَكُنْ بَطْنٌ مِنْ قُرَيْشٍ إِلَّا لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهِمْ قَرَابَةٌ فَنَزَلَتْ قُلْ لَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا إِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْبَى إِلَّا أَنْ تَصِلُوا قَرَابَةَ مَا بَيْنِي وَبَيْنَكُمْ


হজরত তাউস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এসে এই আয়াতের অর্থ জিজ্ঞেস করলো,
ذَٰلِكَ ٱلَّذِي يُبَشِّرُ ٱللَّهُ عِبَادَهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِۗ قُل لَّآ أَسۡـَٔلُكُمۡ عَلَيۡهِ أَجۡرًا إِلَّا ٱلۡمَوَدَّةَ فِي ٱلۡقُرۡبَىٰۗ وَمَن يَقۡتَرِفۡ حَسَنَةٗ نَّزِدۡ لَهُۥ فِيهَا حُسۡنًاۚ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٞ شَكُورٌ٢٣
বেহেশত হচ্ছে ঐ বিরাট অনুগ্রহ আল্লাহ যার সুসংবাদ দেন তাঁর ঐ বান্দাদেরকে, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে। আপনি বলুন, “আমি তোমাদের কাছে এ আহবানের জন্যে কোনো প্রতিদান চাই না, তবে এ ব্যতীত যে, আমি নিকট আত্মীয়তার ভালোবাসা চাই।” যে কেউ ভালো কাজ অর্জন করে, আমি তার জন্যে ঐ ভালো কাজের মধ্যে আরো পুণ্য বাড়িয়ে দেই। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী। [৪২ : ২৩]

তিনি উত্তর দেওয়ার আগেই হজরত সাঈদ ইবনে জুবায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন যে, এটি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আত্মীয়দেরকে বোঝায়। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন যে, “আপনি অর্থ বোঝার ক্ষেত্রে খুব তাড়াহুড়ো করেছেন। কুরাইশদের এমন কোন গোত্র ছিলো না যে, তাদের সাথে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিলো না।” এই আয়াতে ٱلۡمَوَدَّةَ فِي ٱلۡقُرۡبَىٰۗ “আমি নিকট আত্মীয়তার ভালোবাসা চাই।” এর অর্থ হলো, “তোমারা কি আমার ও তোমাদের মধ্যে আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করবে না?”


[মুসনাদে আহমাদ : ২৪৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2469 OK

(২৪৬৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৭৫৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَنْبَأَنَا أَبُو بِشْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَجُلًا كَانَ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَوَقَصَتْهُ نَاقَتُهُ وَهُوَ مُحْرِمٌ فَمَاتَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اغْسِلُوهُ بِمَاءٍ وَسِدْرٍ وَكَفِّنُوهُ فِي ثَوْبَيْهِ وَلَا تَمَسُّوهُ بِطِيبٍ وَلَا تُخَمِّرُوا رَأْسَهُ فَإِنَّهُ يُبْعَثُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مُلَبِّيًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হজে অংশ নিয়েছিলো, সে ইহরাম অবস্থায় উট থেকে পড়ে গেলো এবং মারা গেলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাকে পানি ও বরই পাতা দিয়ে গোসল দাও এবং তাকে তার ইহরামের দুই কাপড়ে কাফন দাও এবং তার গায়ে কোন সুগন্ধি লাগিও না এবং তার মাথা ঢেকেও না, কেননা সে কিয়ামতের দিন তালবিয়া বলতে বলতে উঠবে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2470 OK

(২৪৭০)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৬৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ قَالَ إِنَّ الَّذِي تَدْعُونَهُ الْمُفَصَّلَ هُوَ الْمُحْكَمُ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا ابْنُ عَشْرِ سِنِينَ وَقَدْ قَرَأْتُ الْمُحْكَمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

যে সূরা গুলোকে তোমরা আল-মুফাস্সাল বলো, সেগুলো আসলে আল-মুহকাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইন্তেকাল করেন, তখন আমার বয়স ছিলো দশ বছর এবং ততক্ষণে আমি আল-মুহকাম সূরা গুলোকে শিখেছিলাম। [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2471 OK

(২৪৭১)

হাদিস দেখুন [৩১:২২৮৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ وَعَبْدُ الصَّمَدِ الْمَعْنَى قَالَا حَدَّثَنَا ثَابِتٌ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قُمْتُ أُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ فَقَالَ بِيَدِهِ مِنْ وَرَائِهِ حَتَّى أَخَذَ بِعَضُدِي أَوْ بِيَدِي حَتَّى أَقَامَنِي عَنْ يَمِينِهِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতের কোন এক অংশে সালাত আদায় করতে লাগলেন, আমিও তাই করলাম এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাম পাশে দাঁড়ালাম। তিনি আমার হাত ধরলেন ও আমাকে তার ডান দিকে ঘুরিয়ে দিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2472 OK

(২৪৭২)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯২৬] view_link


হাসান হাদিস

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَوَكِيعٌ قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَةَ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا صَالِحٍ يُحَدِّثُ بَعْدَمَا كَبِرَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَائِرَاتِ الْقُبُورِ وَالْمُتَّخِذِينَ عَلَيْهَا الْمَسَاجِدَ وَالسُّرُجَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কবর যিয়ারতকারী মহিলাদেরকে (যারা অবৈধ কাজ করে), যারা কবরের ওপর মসজিদ নির্মাণ করে এবং যারা কবরের ওপর প্রদীপ জ্বালায়, তাদেরকে অভিশাপ দিয়েছেন।

[মুসনাদে আহমাদ : ২৪৭২]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



2473 OK

(২৪৭৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْهَاشِمِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ صَالِحٍ مَوْلَى التَّوْأَمَةِ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ سَأَلَ رَجُلٌ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ شَيْءٍ مِنْ أَمْرِ الصَّلَاةِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَلِّلْ أَصَابِعَ يَدَيْكَ وَرِجْلَيْكَ يَعْنِي إِسْبَاغَ الْوُضُوءِ وَكَانَ فِيمَا قَالَ لَهُ إِذَا رَكَعْتَ فَضَعْ كَفَّيْكَ عَلَى رُكْبَتَيْكَ حَتَّى تَطْمَئِنَّ وَقَالَ الْهَاشِمِيُّ مَرَّةً حَتَّى تَطْمَئِنَّا وَإِذَا سَجَدْتَ فَأَمْكِنْ جَبْهَتَكَ مِنْ الْأَرْضِ حَتَّى تَجِدَ حَجْمَ الْأَرْضِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নামাযের ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞেস করলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, “তোমার হাতের আঙ্গুল ও পায়ের আঙ্গুলের মাঝখানে পানি প্রবাহিত করো, অর্থাৎ সঠিকভাবে ওযু করো।” তিনি আরো বললেন, “যখন তুমি রুকু করো , তখন তুমি তোমার হাত তোমার হাঁটুতে রাখো, যতক্ষণ না তুমি সেই অবস্থানে স্থির হও ও বিশ্রাম নাও। যখন তুমি সেজদা করো, তখন তোমার কপাল মাটিতে চাপ দাও, যতক্ষণ না তা মাটিতে শক্তভাবে রাখা হয়।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2474 OK

(২৪৭৪)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৯৯] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ يَعْنِي ابْنَ سَعْدٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ وَيَعْقُوبُ حَدَّثَنِي أَبِي عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ الْمُشْرِكُونَ يَفْرُقُونَ رُءُوسَهُمْ وَكَانَ أَهْلُ الْكِتَابِ يَسْدِلُونَ قَالَ يَعْقُوبُ أَشْعَارَهُمْ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُحِبُّ وَيُعْجِبُهُ مُوَافَقَةُ أَهْلِ الْكِتَابِ قَالَ يَعْقُوبُ فِي بَعْضِ مَا لَمْ يُؤْمَرْ قَالَ إِسْحَاقُ فِيمَا لَمْ يُؤْمَرْ فِيهِ فَسَدَلَ نَاصِيَتَهُ ثُمَّ فَرَقَ بَعْدُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

মুশরিকরা তাদের চুল মাঝখানে বিভক্ত করতো এবং আহলে কিতাবরা তাদের চুল তাদের কপালের উপর পড়তে দিতো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আহলে কিতাবদের মতই করতে পছন্দ করতেন। যে বিষয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন নির্দেশ পাননি, সে বিষয়ে তিনি আহলে কিতাবদের অনুসরণ করতে পছন্দ করতেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2475 OK

(২৪৭৫)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ أَخْبَرَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عِكْرِمَةَ أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ نَبِيذِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ كَانَ يَشْرَبُ بِالنَّهَارِ مَا صُنِعَ بِاللَّيْلِ وَيَشْرَبُ بِاللَّيْلِ مَا صُنِعَ بِالنَّهَارِ


হজরত ইকরামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাবীজ পান করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, “তিনি দিনে নাবীজ পান করতেন, যা রাতে তৈরি করা হতো এবং রাতে নাবীজ পান করতেন, যা দিনে তৈরি হতো।”
[মুসনাদে আহমাদ : ২৪৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2476 OK

(২৪৭৬)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ أَخْبَرَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ النَّبِيذِ فِي النَّقِيرِ وَالدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ وَقَالَ لَا تَشْرَبُوا إِلَّا فِي ذِي إِكَاءٍ فَصَنَعُوا جُلُودَ الْإِبِلِ ثُمَّ جَعَلُوا لَهَا أَعْنَاقًا مِنْ جُلُودِ الْغَنَمِ فَبَلَغَهُ ذَلِكَ فَقَالَ لَا تَشْرَبُوا إِلَّا فِيمَا أَعْلَاهُ مِنْهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নকীর, দুব্বা ও মুজাফত ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন এবং শুধু সেই পাত্রে পানি পান করতে বলেছেন, যেগুলো (মুখ বন্ধ করার জন্যে) বাঁধা যায়। লোকেরা উটের চামড়া থেকে পানির মশক তৈরি করতো এবং তার মুখ ঢেকে রাখার জন্যে ছাগলের চামড়া ব্যবহার করতো। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন এ কথা জানতে পারলেন, তখন তিনি বললেন, “তোমরা শুধু মাত্র সেই পাত্রে পানি পান করো, যাদের ওপরের অংশও এসব পাত্রের একটি অংশ।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2477 OK

(২৪৭৭)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৭৪] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا هَاشِمٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَاصِمٍ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَرَّ بِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَرِيبًا مِنْ زَمْزَمَ فَدَعَا بِمَاءٍ وَاسْتَسْقَى فَأَتَيْتُهُ بِدَلْوٍ مِنْ زَمْزَمَ فَشَرِبَ وَهُوَ قَائِمٌ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার নিকট দিয়ে জমজমের পাশ দিয়ে গেলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার কাছে পানি চাইলেন। আমি এক বালতি জমজমের পানি নিয়ে এলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা দাঁড়িয়ে পান করলেন।
[মুসনাদে আহমাদ : ২৪৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2478 OK
View Quran

(২৪৭৮)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ قَالَ مَا نَصَرَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى فِي مَوْطِنٍ كَمَا نَصَرَ يَوْمَ أُحُدٍ قَالَ فَأَنْكَرْنَا ذَلِكَ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ بَيْنِي وَبَيْنَ مَنْ أَنْكَرَ ذَلِكَ كِتَابُ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَقُولُ فِي يَوْمِ أُحُدٍ وَلَقَدْ صَدَقَكُمْ اللَّهُ وَعْدَهُ إِذْ تَحُسُّونَهُمْ بِإِذْنِهِ يَقُولُ ابْنُ عَبَّاسٍ وَالْحَسُّ الْقَتْلُ حَتَّى إِذَا فَشِلْتُمْ إِلَى قَوْلِهِ وَلَقَدْ عَفَا عَنْكُمْ وَاللَّهُ ذُو فَضْلٍ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ وَإِنَّمَا عَنَى بِهَذَا الرُّمَاةَ وَذَلِكَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقَامَهُمْ فِي مَوْضِعٍ ثُمَّ قَالَ احْمُوا ظُهُورَنَا فَإِنْ رَأَيْتُمُونَا نُقْتَلُ فَلَا تَنْصُرُونَا وَإِنْ رَأَيْتُمُونَا قَدْ غَنِمْنَا فَلَا تَشْرَكُونَا فَلَمَّا غَنِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبَاحُوا عَسْكَرَ الْمُشْرِكِينَ أَكَبَّ الرُّمَاةُ جَمِيعًا فَدَخَلُوا فِي الْعَسْكَرِ يَنْهَبُونَ وَقَدْ الْتَقَتْ صُفُوفُ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَهُمْ كَذَا وَشَبَّكَ بَيْنَ أَصَابِعِ يَدَيْهِ وَالْتَبَسُوا فَلَمَّا أَخَلَّ الرُّمَاةُ تِلْكَ الْخَلَّةَ الَّتِي كَانُوا فِيهَا دَخَلَتْ الْخَيْلُ مِنْ ذَلِكَ الْمَوْضِعِ عَلَى أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَضَرَبَ بَعْضُهُمْ بَعْضًا وَالْتَبَسُوا وَقُتِلَ مِنْ الْمُسْلِمِينَ نَاسٌ كَثِيرٌ وَقَدْ كَانَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ أَوَّلُ النَّهَارِ حَتَّى قُتِلَ مِنْ أَصْحَابِ لِوَاءِ الْمُشْرِكِينَ سَبْعَةٌ أَوْ تِسْعَةٌ وَجَالَ الْمُسْلِمُونَ جَوْلَةً نَحْوَ الْجَبَلِ وَلَمْ يَبْلُغُوا حَيْثُ يَقُولُ النَّاسُ الْغَارَ إِنَّمَا كَانُوا تَحْتَ الْمِهْرَاسِ وَصَاحَ الشَّيْطَانُ قُتِلَ مُحَمَّدٌ فَلَمْ يُشَكَّ فِيهِ أَنَّهُ حَقٌّ فَمَا زِلْنَا كَذَلِكَ مَا نَشُكُّ أَنَّهُ قَدْ قُتِلَ حَتَّى طَلَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ السَّعْدَيْنِ نَعْرِفُهُ بِتَكَفُّئِهِ إِذَا مَشَى قَالَ فَفَرِحْنَا حَتَّى كَأَنَّهُ لَمْ يُصِبْنَا مَا أَصَابَنَا قَالَ فَرَقِيَ نَحْوَنَا وَهُوَ يَقُولُ اشْتَدَّ غَضَبُ اللَّهِ عَلَى قَوْمٍ دَمَّوْا وَجْهَ رَسُولِهِ قَالَ وَيَقُولُ مَرَّةً أُخْرَى اللَّهُمَّ إِنَّهُ لَيْسَ لَهُمْ أَنْ يَعْلُونَا حَتَّى انْتَهَى إِلَيْنَا فَمَكَثَ سَاعَةً فَإِذَا أَبُو سُفْيَانَ يَصِيحُ فِي أَسْفَلِ الْجَبَلِ اعْلُ هُبَلُ مَرَّتَيْنِ يَعْنِي آلِهَتَهُ أَيْنَ ابْنُ أَبِي كَبْشَةَ أَيْنَ ابْنُ أَبِي قُحَافَةَ أَيْنَ ابْنُ الْخَطَّابِ فَقَالَ عُمَرُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَا أُجِيبُهُ قَالَ بَلَى فَلَمَّا قَالَ اعْلُ هُبَلُ قَالَ عُمَرُ اللَّهُ أَعْلَى وَأَجَلُّ قَالَ فَقَالَ أَبُو سُفْيَانَ يَا ابْنَ الْخَطَّابِ إِنَّهُ قَدْ أَنْعَمَتْ عَيْنُهَا فَعَادِ عَنْهَا أَوْ فَعَالِ عَنْهَا فَقَالَ أَيْنَ ابْنُ أَبِي كَبْشَةَ أَيْنَ ابْنُ أَبِي قُحَافَةَ أَيْنَ ابْنُ الْخَطَّابِ فَقَالَ عُمَرُ هَذَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهَذَا أَبُو بَكْرٍ وَهَا أَنَا ذَا عُمَرُ قَالَ فَقَالَ أَبُو سُفْيَانَ يَوْمٌ بِيَوْمِ بَدْرٍ الْأَيَّامُ دُوَلٌ وَإِنَّ الْحَرْبَ سِجَالٌ قَالَ فَقَالَ عُمَرُ لَا سَوَاءً قَتْلَانَا فِي الْجَنَّةِ وَقَتْلَاكُمْ فِي النَّارِ قَالَ إِنَّكُمْ لَتَزْعُمُونَ ذَلِكَ لَقَدْ خِبْنَا إِذَنْ وَخَسِرْنَا ثُمَّ قَالَ أَبُو سُفْيَانَ أَمَا إِنَّكُمْ سَوْفَ تَجِدُونَ فِي قَتْلَاكُمْ مُثْلًا وَلَمْ يَكُنْ ذَاكَ عَنْ رَأْيِ سَرَاتِنَا قَالَ ثُمَّ أَدْرَكَتْهُ حَمِيَّةُ الْجَاهِلِيَّةِ قَالَ فَقَالَ أَمَا إِنَّهُ قَدْ كَانَ ذَاكَ وَلَمْ نَكْرَهُّ


হজরত উবায়দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “উহুদের যুদ্ধের দিনের মতো আল্লাহর বিজয় এতো বড় আর কখনও ছিলো না।” আমরা এর সাথে দ্বিমত পোষণ করেছি, কিন্তু হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আমার এবং যারা আমার সাথে দ্বিমত পোষণ করে তাদের মধ্যে আল্লাহর কিতাব রয়েছে। আল্লাহ উহুদের যুদ্ধের দিন সম্পর্কে বলেন,”
وَلَقَدۡ صَدَقَكُمُ ٱللَّهُ وَعۡدَهُۥٓ إِذۡ تَحُسُّونَهُم بِإِذۡنِهِۦۖ حَتَّىٰٓ إِذَا فَشِلۡتُمۡ وَتَنَٰزَعۡتُمۡ فِي ٱلۡأَمۡرِ وَعَصَيۡتُم مِّنۢ بَعۡدِ مَآ أَرَىٰكُم مَّا تُحِبُّونَۚ مِنكُم مَّن يُرِيدُ ٱلدُّنۡيَا وَمِنكُم مَّن يُرِيدُ ٱلۡأٓخِرَةَۚ ثُمَّ صَرَفَكُمۡ عَنۡهُمۡ لِيَبۡتَلِيَكُمۡۖ وَلَقَدۡ عَفَا عَنكُمۡۗ وَٱللَّهُ ذُو فَضۡلٍ عَلَى ٱلۡمُؤۡمِنِينَ١٥٢
অবশ্যই আল্লাহ ইতিপূর্বে তোমাদের কাছে তাঁর স্বীয় অঙ্গীকার সত্যে পরিণত করেছেন। যখন তোমরা উহুদ যুদ্ধে আল্লাহর ইচ্ছায় তাদেরকে নির্মূল করছিলে। এমনকি যে বিজয় তোমরা ভালোবাসো, ঐ বিজয় তোমাদেরকে দেখানোর পরেও, যখন তোমরা সাহস হারিয়ে ফেললে আর তোমরা রসূলের আদেশ সম্পর্কে মতবিরোধ করলে ও অবাধ্য হলে। তখন তোমাদের মধ্যে কেউ ছিলো, যারা ইহকালের যুদ্ধ লব্ধ সম্পদ চাচ্ছিলো আর তোমাদের মধ্যে কেউ ছিলো, যারা পরকালে আল্লাহ ও রসূলের সন্তুষ্টি চাচ্ছিলো। তারপর তিনি তোমাদেরকে তাদের থেকে পাহাড়ের দিকে সরিয়ে দিলেন, যেনো তোমাদেরকে আল্লাহ পরীক্ষা করতে পারেন। আল্লাহ তোমাদেরকে এর পরেও ক্ষমা করলেন। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন বিশ্বাসীদের প্রতি অনুগ্রহশীল। (৩. আল ইমরান : ১৫২)

এর দ্বারা যা বোঝানো হয়েছিল তা ছিলো তীরন্দাজরা। উহূদ যুদ্ধের দিন আমরা মুখোমুখি অবতীর্ণ হলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তীরন্দাজ বাহিনীর প্রধান নিযুক্ত করে তাদেরকে নির্দিষ্ট এক স্থানে মোতায়েন করলেন এবং বললেন, “যদি তোমরা আমাদেরকে দেখো যে, আমরা তাদের উপর বিজয় লাভ করেছি, তাহলেও তোমরা এখান থেকে নড়বে না। আর যদি তোমরা তাদেরকে দেখো যে, তারা আমাদের উপর বিজয় লাভ করেছে, তবুও তোমরা এই স্থান ত্যাগ করে আমাদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসবে না।” এরপর আমরা তাদের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করলে তারা পালাতে আরম্ভ করলো। এমনকি আমরা দেখতে পেলাম যে, মহিলারা দ্রুত দৌড়ে পর্বতে আশ্রয় নিচ্ছে। তারা পায়ের গোছা থেকে কাপড় টেনে তুলেছে, ফলে পায়ের অলঙ্কারগুলো পর্যন্ত বেরিয়ে পড়ছে। এ সময় তীরন্দাজরা বলতে লাগলেন, “গানীমাত-গানীমাত!” তখন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “তোমরা যাতে এ স্থান ত্যাগ না করো, এ ব্যাপার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন।” তারা অগ্রাহ্য করলো। যখন তারা অগ্রাহ্য করলো, তখন তাদের মুখ ফিরিয়ে দেয়া হলো এবং তাদের সত্তর জন শাহীদ হলেন। তীরন্দাজরা যখন এই স্থানের ফাঁকটি অরক্ষিত রেখে চলে গেলো, যে স্থানটি তারা ঢেকে রেখেছিলো, তখন শত্রু অশ্বারোহীরা সেই স্থান থেকে প্রবেশ করে এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীদের উপর আক্রমণ করে। তারা বিভ্রান্ত অবস্থায় একে অপরকে আঘাত করতে শুরু করে। অনেক মুসলমান নিহত হয়েছিলো, যদিও দিনের শুরুতে যুদ্ধ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীদের পক্ষে ছিলো, এতো পরিমাণে যে সাত বা নয়জন মুশরিক ব্যানার বহনকারী নিহত হয়েছিলো। মুসলমানরা পাহাড়ের দিকে ছুটে গেলো, কিন্তু তারা সেখানে পৌঁছতে পারলো, না কারণ লোকেরা চিৎকার করছিলো, “গুহার দিকে!” কারণ তাদের আক্রমণ করা হচ্ছে এবং পিষ্ট করা হচ্ছে। শয়তান চিৎকার করে বলেছিলো, “মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হত্যা করা হয়েছে!” আমরা এভাবেই রয়ে গেলাম যে, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই, যতক্ষণ না রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবির্ভূত হলেন এবং তিনি যেভাবে হেঁটে সামনের দিকে ঝুঁকেছিলেন তা থেকে আমরা তাঁকে চিনতে পারলাম। তখন আমরা এমনভাবে আনন্দ করলাম যেনো আমাদের কিছুই হয়নি। তিনি এসে আমাদের দিকে আরোহণ করলেন ও বললেন, “যারা তাঁর রাসূলের মুখমণ্ডলকে রক্তাক্ত করেছে, তাদের প্রতি আল্লাহর ক্রোধ প্রবল।” তারপর তিনি বললেন, “হে আল্লাহ, আমাদের উপরে তাদের বিজয়ী হওয়া ঠিক নয়।” এবং তারপর তিনি আমাদের নিকট পৌঁছে গেলেন। এভাবে আমাদের কিছুক্ষণ কেটে গেলো, তারপর আবু সুফিয়ান পাহাড়ের নীচে উপস্থিত হয়ে চিৎকার করে দুিবার বললো, “হে হুবাল! তোমার ধর্মকে জয়ী করো। (অর্থাৎ, হে হুবাল! তোমার শ্রেষ্ঠত্ব দেখাও এবং তোমার ধর্মকে সমর্থন করো।)” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা তার কোনো উত্তর দিও না।” আবু সুফিয়ান আবার বললো, “কাওমের মধ্যে ইবনু আবূ কুহাফা জীবিত আছে কি?” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা তার কোনো জবাব দিও না।” সে আবার বললো, “কাওমের মধ্যে ইবনুল খাত্তাব বেঁচে আছে কি? কাওমের মধ্যে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবিত আছে কি? এরা সকলেই নিহত হয়েছে। বেঁচে থাকলে নিশ্চয়ই জবাব দিতো।” উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমি কি তাকে উত্তর দেবো না?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ, দাও।” তখন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আল্লাহ মহান ও মহিমান্বিত! হে আল্লাহর দুশমন, তুমি মিথ্যা কথা বলছো। যে জিনিসে তোমাকে অপমানিত করবে, আল্লাহ তা বাকী রেখেছেন। এখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, এখানে আবু বকর এবং এখানে আমি উমর।” আবূ সুফিয়ান বললো, “হুবালের জয়।” তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবীগণকে বললেন, “তোমরা তার উত্তর দাও।” তারা বললেন, “আমরা কী বলবো?” তিনি বললেন, “তোমরা বলো, আল্লাহর সমুন্নত ও মহান।” আবূ সুফিয়ান বললো, “আমাদের উযযা আছে, তোমাদের উযযা নেই।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তোমরা তার জবাব দাও।” তারা বললেন, “আমরা কী জবাব দেবো?” তিনি বললেন, “তোমরা বলো আল্লাহর আমাদের অভিভাবক, তোমাদের তো কোনো অভিভাবক নেই।” শেষে আবূ সুফিয়ান বললো, “আজ বদর যুদ্ধের বিনিময়ের দিন। যুদ্ধ কূপ থেকে পানি উঠানোর পাত্রের মতো (অর্থাৎ একবার এ হাতে আরেকবার ও হাতে) তোমরা তোমাদের লোকদের নাক-কান কাটা কিছু লাশ দেখতে পাবে। আমি এরূপ করতে নির্দেশ দেইনি। অবশ্য তাতে আমি নাখোশও নই।” অতঃপর তার জাহিলী মনোভাব তার নিকট প্রকাশ পেলো এবং আবূ সুফিয়ান বললো, “আসলেই তাই ঘটেছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2479 OK

(২৪৭৯)

হাদিস দেখুন [৩১:১৮০০] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُقْبَةَ عَنْ كُرَيْبٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالرَّوْحَاءِ فَلَقِيَ رَكْبًا فَسَلَّمَ عَلَيْهِمْ فَقَالَ مَنْ الْقَوْمُ قَالُوا الْمُسْلِمُونَ قَالَ فَمَنْ أَنْتُمْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَفَزِعَتْ امْرَأَةٌ فَأَخَذَتْ بِعَضُدِ صَبِيٍّ فَأَخْرَجَتْهُ مِنْ مِحَفَّتِهَا فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلْ لِهَذَا حَجٌّ قَالَ نَعَمْ وَلَكِ أَجْرٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُقْبَةَ عَنْ كُرَيْبٍ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ مَعْنَاهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘রুহা’ নামক স্থানে অবস্থানকালে একদল সওয়ারীর সাথে সাক্ষাত করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে সালাম দিয়ে বললেন, “তোমরা কারা?” তারা বললো, “আমরা মুসলমান।” তারপর তারা জিজ্ঞেস করলো, “আপনি কে?” তখন রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “আমি আল্লাহর রসূল।” এ কথা শুনে একজন মহিলা দ্রুত গিয়ে, তার সন্তানের হাত ধরে তাকে তার পালকি থেকে তুলে নিয়ে বললো, “হে আল্লাহর রাসূল! এর জন্য কি হজ হতে পারে?” রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “হ্যাঁ! এবং তুমি এর সোয়াব পাবে।”
[মুসনাদে আহমাদ : ২৪৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2480 OK

(২৪৮০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ مَيْمُونٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَعَائِشَةَ قَالَا أَفَاضَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ مِنًى لَيْلًا


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে মিনা থেকে ফিরে আসেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2481 OK

(২৪৮১)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَخَّرَ طَوَافَ يَوْمِ النَّحْرِ إِلَى اللَّيْلِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরবানীর দিন তাওয়াফে জিয়ারত রাত পর্যন্ত বিলম্ব করেছিলেন।
[মুসনাদে আহমাদ : ২৪৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2482 OK

(২৪৮২)

হাদিস দেখুন [৩১:২১৬৭] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ أَبِي يَحْيَى عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَجُلَيْنِ اخْتَصَمَا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُدَّعِيَ الْبَيِّنَةَ فَلَمْ يَكُنْ لَهُ بَيِّنَةٌ فَاسْتَحْلَفَ الْمَطْلُوبَ فَحَلَفَ بِاللَّهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّكَ قَدْ فَعَلْتَ وَلَكِنْ غُفِرَ لَكَ بِإِخْلَاصِكَ قَوْلَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

দুই জন ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে একটি বিবাদ নিয়ে এলো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাবিদারের কাছে প্রমাণ চাইলেন। তার কাছে কোনো প্রমাণ ছিলো না, তাই তিনি বিবাদীকে একটি শপথ করতে বললেন এবং সে আল্লাহর নামে শপথ করলো যে, “ঐ আল্লাহর নামে শপথ করছি, যিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তুমি এই কাজটি করেছো। কিন্তু ‘আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই’ তোমার এ কথা আল্লাহর প্রতি আন্তরিকতার সাথে বলার কারণে, তোমার অপরাধ ক্ষমা করা হয়ে গেছে।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2483 OK

(২৪৮৩)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ أَخْبَرَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هُبَيْرَةَ عَنْ حَنَشٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَخْرُجُ فَيُهَرِيقُ الْمَاءَ فَيَتَمَسَّحُ بِالتُّرَابِ فَأَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الْمَاءَ مِنْكَ قَرِيبٌ فَيَقُولُ وَمَا يُدْرِينِي لَعَلِّي لَا أَبْلُغُهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পানি দিয়ে ওযু করার জন্যে ঘর থেকে বের হলেন। কিন্তু তিনি পানি না পেয়ে ধুলা দিয়ে হাত মুছলেন ও তায়াম্মুম করলেন। আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, পানি আপনার নিকটে অমুক স্থানে ছিলো।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি কীভাবে জানবো, আমি হয়তো সেখানে কখনো পৌঁছাতে পারবো না?” [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2484 OK

(২৪৮৪)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَتَّابُ بْنُ زِيَادٍ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَصُومُوا يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَحْدَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা শুধুমাত্র শুক্রবারের দিনেই রোযা রেখো না।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2485 OK

(২৪৮৫)

হাদিস দেখুন [৩১:১৯৩৮] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْرِضُ الْكِتَابَ عَلَى جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلَام فِي كُلِّ رَمَضَانَ فَإِذَا أَصْبَحَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ اللَّيْلَةِ الَّتِي يَعْرِضُ فِيهَا مَا يَعْرِضُ أَصْبَحَ وَهُوَ أَجْوَدُ مِنْ الرِّيحِ الْمُرْسَلَةِ لَا يُسْأَلُ عَنْ شَيْءٍ إِلَّا أَعْطَاهُ فَلَمَّا كَانَ فِي الشَّهْرِ الَّذِي هَلَكَ بَعْدَهُ عَرَضَ عَلَيْهِ عَرْضَتَيْنِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি রমজান মাসে হজরত জিবরাইল (আঃ)-এর সঙ্গে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করতেন। যে রাতে তিনি কোরআন তেলাওয়াত করতেন, সেই দিন সকালে তিনি প্রবাহিত বাতাসের চেয়েও বেশি উদার হতেন। তার কাছে কোনো কিছু চাওয়া হলেই, তিনি তা সাথে সাথেই দিয়ে দিয়েছেন। যে রমজান মাসে তিনি মারা গেলেন, সেই রমজান মাসে তিনি হজরত জিবরাইল (আঃ)-এর সঙ্গে দুই খতম পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেছিলেন। [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2486 OK

(২৪৮৬)

হাদিস দেখুন [৩১:২০২২] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ عَنْ يَعْلَى بْنِ حَكِيمٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِمَاعِزِ بْنِ مَالِكٍ حِينَ أَتَاهُ فَأَقَرَّ عِنْدَهُ بِالزِّنَا لَعَلَّكَ قَبَّلْتَ أَوْ لَمَسْتَ قَالَ لَا قَالَ فَنِكْتَهَا قَالَ نَعَمْ فَأَمَرَ بِهِ فَرُجِمَ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

হজরত মাআয ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু তার অপরাধ স্বীকার করার জন্যে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে হাজির হলো এবং বললো যে, সে যিনা করেছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, “সম্ভবত তুমি তাকে চুম্বন করেছো বা তুমি তাকে শুধু স্পর্শ করেছো?” সে তা প্রত্যাখ্যান করে বললো, “না।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন, “তুমি কি তার সাথে সহবাস করেছো?” সে বললো, “হ্যাঁ!” অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশে তাকে পাথর ছুড়ে মেরে ফেলা হলো। [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2487 OK

(২৪৮৭)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَتَّابٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَأْكُلْ الشَّرِيطَةَ فَإِنَّهَا ذَبِيحَةُ الشَّيْطَانِ


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু ও হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা এমন কোনো প্রাণী খাবে না, যার চামড়া কেটে ফেলা হয়েছে বা যে প্রাণীর গলা আংশিক কাটা হয়েছে (অর্থাৎ, সঠিক নিয়মে জবাই করা হয়নি), কারণ এটি শয়তানের জবাই।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2488 OK

(২৪৮৮)

হাদিস দেখুন [৩১:২০৮৩] view_link


সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَيُّوبُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنْ السِّبَاعِ وَعَنْ كُلِّ ذِي مِخْلَبٍ مِنْ الطَّيْرِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন প্রত্যেক বন্য প্রাণীকে খেতে নিষেধ করেছেন, যারা তাদের হিংস্র থাবা দিয়ে শিকার করতে পারে। আর এমন প্রত্যেক পাখিকে খেতে নিষেধ করেছেন, যারা তাদের হিংস্র নখ দিয়ে শিকার করতে পারে। [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2489 OK

(২৪৮৯)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَتَّابٌ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ مِقْسَمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ عَلَى أَبِي قَتَادَةَ وَهُوَ عِنْدَ رَجُلٍ قَدْ قَتَلَهُ فَقَالَ دَعُوهُ وَسَلَبَهُ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হজরত আবু কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন হজরত আবু কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু একজন নিহত ব্যক্তির পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন, যাকে তিনি হত্যা করেছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তাকে নিহত ব্যক্তির মাল দিয়ে দাও। (কারণ তখন নিয়ম ছিলো যে, যুদ্ধক্ষেত্রে যে কাউকে হত্যা করবে সে তার সরঞ্জাম পাবে)।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



2490 OK

(২৪৯০)

সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا عَتَّابٌ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو حَمْزَةَ عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَوَّى بَيْنَ الْأَسْنَانِ وَالْأَصَابِعِ فِي الدِّيَةِ


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “রক্ত পণের ক্ষেত্রে দাঁত ও আঙ্গুল একই সমান।” [মুসনাদে আহমাদ : ২৪৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস