(১২২) যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, তাদেরকে আমি শীঘ্রই এমন বেহেশতে প্রবেশ করাবো, যার নিচ দিয়ে ঝর্ণা সমূহ প্রবাহিত হয়, তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। আল্লাহর এ অঙ্গীকার ধ্রুবসত্য। আর আল্লাহর চেয়ে কথা রক্ষায় কে বেশী সত্যবাদী? (৪. আন নিসা : ১২২)
- ব্যাখ্যা
(১২৩) তোমাদের চাওয়া অনুসারে প্রতিফল দেওয়া হবে না আর গ্রন্থপ্রাপ্তদের চাওয়া অনুসারেও প্রতিফল দেওয়া হবে না। যে কেউ মন্দ কাজ করে, ঐ মন্দ দিয়েই তাকে প্রতিফল দেওয়া হবে। আর তার নিজের জন্যে সে আল্লাহকে ছাড়া অন্য কোনো বন্ধু ও কোনো সাহায্যকারী পাবে না। (৪. আন নিসা : ১২৩)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১২৪) আর যে কেউ কোনো সৎকর্ম করে, সে পুরুষ হোক কিংবা নারী হোক এবং সে যদি বিশ্বাসী হয়, তবে সে বেহেশতে প্রবেশ করবে। আর তাদের প্রতি সামান্যতম অন্যায় করা হবে না। (৪. আন নিসা : ১২৪)
- ব্যাখ্যা
(১২৫) তার চাইতে কার ধর্ম উত্তম, যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্যে তার নিজের চেহারাকে আত্মসমর্পণ করে ও সে সৎকর্মে অভ্যস্ত আর সে একনিষ্ঠ ইব্রাহীমের ধর্ম অনুসরণ করে? বস্তুত আল্লাহ ইব্রাহীমকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছিলেন। (৪. আন নিসা : ১২৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১২৭) নারীদের সম্পর্কে তারা আপনার কাছে শরীয়তের বিধান জিজ্ঞাসা করে। আপনি বলুন, “আল্লাহ তাদের সম্পর্কে তোমাদের কাছে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। পৃতিহীন নারীদের সম্পর্কে তোমাদের কাছে গ্রন্থের মধ্যে বর্ণনা করা হচ্ছে, তোমরা যাদেরকে তাদের নির্ধারিত প্রাপ্য দিতে চাও না, অথচ তোমরা তাদেরকে বিয়ে করতে ইচ্ছা করো। আর অসহায় শিশুদের সম্পর্কে তোমাদের কাছে বর্ণনা করা হচ্ছে, যেনো তোমরা পৃতিহীনদের প্রতি ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত করো। তোমরা যা কিছু ভালো কাজ করো, নিশ্চয় আল্লাহ সেই সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।” (৪. আন নিসা : ১২৭)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস