(১১৪) তাদের বেশির ভাগ গোপন পরামর্শের মধ্যে ভালো কিছু নেই, তবে তার ক্ষেত্রে ব্যতীত, যে ব্যক্তি মানুষকে দান করার অথবা সৎকাজের নির্দেশ দেয় অথবা মানুষের মাঝে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে। যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে এরূপ করবে, আমি তাকে বিরাট পুরস্কার দিবো। (৪. আন নিসা : ১১৪)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১৫) যে ব্যক্তি তার কাছে পথ-নির্দেশ সুস্পষ্ট হওয়ার পরেও রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে আর বিশ্বাসীদের পথ ব্যতীত অন্য পথ অনুসরণ করে, তাহলে আমি তাকে সেই দিকেই ফিরাবো, যে পথের দিকে সে ফিরেছে আর আমি তাকে দোযখে নিক্ষেপ করবো। বস্তুত দোযখ হচ্ছে অতি মন্দ ঠিকানা! (৪. আন নিসা : ১১৫)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১৬) নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সঙ্গে অংশীদার করাকে ক্ষমা করেন না, এছাড়া অন্য যা কিছু অপরাধ আছে তিনি যার জন্যে ইচ্ছা ক্ষমা করেন। যে কেউ আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার করে, সুতরাং অবশ্যই সে সুদূর বিপথে বিপথগামী হয়। (৪. আন নিসা : ১১৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(১১৮) যে শয়তানকে আল্লাহ অভিশাপ করেছেন। আর শয়তান বলেছিলো, “আমি অবশ্যই আপনার বান্দাদের মধ্যে থেকে একটি নির্দিষ্ট অংশ গ্রহণ করবো। (৪. আন নিসা : ১১৮)
- ব্যাখ্যা
(১১৯) আর আমি অবশ্যই আপনার ঐসকল বান্দাদেরকে পথভ্রষ্ট করবো আর আমি অবশ্যই তাদেরকে মিথ্যা ভরসা দিবো। আমি অবশ্যই তাদেরকে নির্দেশ দিবো, ফলে তারা গবাদি পশুর কর্ণ ছেদ করবে। আমি অবশ্যই তাদেরকে নির্দেশ দিবো, ফলে তারা আল্লাহর সৃষ্টিকে পাল্টে দিবে।” যে কেউ আল্লাহর পরিবর্তে শয়তানকে বন্ধু রূপে গ্রহণ করে, সুতরাং অবশ্যই সে প্রকাশ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। (৪. আন নিসা : ১১৯)
- ব্যাখ্যা
(১২০) শয়তান তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয় ও তাদেরকে মিথ্যা ভরসা দেয়। বস্তুত শয়তান তাদেরকে কেবল মাত্র প্রতারণা ব্যতীত অন্য কোনো প্রতিশ্রুতি দেয় না। (৪. আন নিসা : ১২০)
- ব্যাখ্যা