(৮০) যে কেউ রসূলের আনুগত্য করে, সুতরাং সে অবশ্যই আল্লাহর আনুগত্য করে। আর যে কেউ আপনার নিকট থেকে ফিরে যায়, সুতরাং আপনি জেনে রাখুন যে, আমি আপনাকে তাদের উপরে রক্ষাকারী রূপে প্রেরণ করিনি। (৪. আন নিসা : ৮০)
- ব্যাখ্যা
(৮১) দ্বিমুখীরা বলে যে, “আমরা আপনার আনুগত্য করি”, কিন্তু যখন তারা আপনার নিকট থেকে চলে যায়, তখন তাদের মধ্যে থেকে এক দল, আপনি তাদেরকে যা বলেছেন তার পরিপন্থী বিষয়ে রাতের বেলায় পরামর্শ করে। আল্লাহ ঐ সব বিষয় লিখে নেন, যা তারা রাতের বেলায় পরামর্শ করে। সুতরাং আপনি তাদেরকে উপেক্ষা করুন ও আল্লাহর উপরে ভরসা করুন। বস্তুত আপনার জন্যে অভিভাবক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। (৪. আন নিসা : ৮১)
- ব্যাখ্যা
(৮২) তারা কি তবে কুরআন সম্পর্কে ভাবে না? কুরআন যদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো পক্ষ থেকে হতো, তবে অবশ্যই তারা কুরআনের মধ্যে প্রচুর গরমিল পেতো। (৪. আন নিসা : ৮২)
- ব্যাখ্যা
(৮৩) যখন তাদের কাছে নিরাপত্তার অথবা ভয়ের বিষয় থেকে কোনো সংবাদ আসে, তখন তারা তা যাচাই না করেই প্রচার করে দেয়। আর তারা যদি তা রসূলের কাছে ও তাদের মধ্যে যাঁরা আদেশের অধিকারী ঐ শাসকদের কাছে পৌঁছে দিতো, তবে শাসকদের মধ্যে যাঁদের এ অনুসন্ধান করার দায়িত্ব রয়েছে, তাঁরা ঐ সত্য বিষয়টি জানতে পারতো। যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়া তোমাদের উপরে না থাকতো, তাহলে তোমাদের অল্প কয়েকজন ছাড়া, তোমরা সবাই অবশ্যই শয়তানের অনুসরণ করতে। (৪. আন নিসা : ৮৩)
- ব্যাখ্যা
(৮৪) সুতরাং আপনি আল্লাহর পথে যুদ্ধ করতে থাকুন। আপনি আপনার নিজের সত্তা ব্যতীত অন্য কারো জন্যে দায়ী নন। আপনি বিশ্বাসীদেরকে যুদ্ধের জন্যে উৎসাহিত করতে থাকুন। হতে পারে যে, যারা আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাস করে, আল্লাহ তাদের শক্তিকে তোমাদের মাধ্যমে দমন করবেন। বস্তুত আল্লাহ স্বীয় শক্তিতে অত্যন্ত কঠোর ও শাস্তি দানে আরো কঠোর। (৪. আন নিসা : ৮৪)
- ব্যাখ্যা
(৮৫) যে কেউ সুন্দর সুপারিশ করে, তবে তার জন্যে তা থেকে পুরস্কারের ভাগ থাকবে। আর যে কেউ মন্দ সুপারিশ করে, তবে তার জন্যে তা থেকে অপরাধের বোঝা থাকবে। বস্তুত আল্লাহ হচ্ছেন সব কিছুর নিয়ন্ত্রণকারী। (৪. আন নিসা : ৮৫)
- ব্যাখ্যা
(৮৬) যখন তোমাদেরকে কেউ সালাম দেয়, তখন তোমরা তার চেয়েও উত্তম শব্দে অথবা তার অনুরূপ শব্দেই সালামের উত্তর দাও। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর হিসাব রাখেন। (৪. আন নিসা : ৮৬)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস