(৬৬) আমি যদি ইহুদীদের জন্যে বিধান করতাম যে, “তোমরা তোমাদের নিজেদের প্রাণ বিসর্জন করো অথবা তোমরা তোমাদের ঘর সমূহ থেকে বেরিয়ে পড়ো”, তাহলে তাদের মধ্যে অল্প কয়েকজন ছাড়া অন্যরা এই আদেশকে পালন করতো না। আর যদি তারা তা করতো, যে ব্যাপারে তাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয়েছিলো, তবে অবশ্যই তাদের জন্যে তা কল্যাণকর হতো ও ধার্মিকতার দিক দিয়ে আরো বেশী মজবুত হতো। (৪. আন নিসা : ৬৬)
- ব্যাখ্যা
(৬৯) যে কেউ আল্লাহর ও রসূলের আনুগত্য করে, সুতরাং এরাই বেহেশতে তাঁদের সঙ্গে থাকবে, যাঁদের উপরে আল্লাহ অনুগ্রহ করেছেন। আল্লাহ তাঁদেরকেই অনুগ্রহ করেছেন, যাঁরা হচ্ছে নবীগণ, সত্যবাদীগণ, শহীদগণ এবং সৎকর্মশীলগণ। বস্তুত এরাঁই হচ্ছে উত্তম বন্ধু। (৪. আন নিসা : ৬৯)
- ব্যাখ্যা
, হাদিস
(৭১) ওহে যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেছো! তোমরা জিহাদের জন্যে তোমাদের নিজেদের অস্ত্র ধারণ করো, তারপর তোমরা পৃথক পৃথক সৈন্য দলে বেরিয়ে পড়ো অথবা সমবেত ভাবে এগিয়ে চলো। (৪. আন নিসা : ৭১)
- ব্যাখ্যা
(৭২) নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে এমনো মানুষ আছে, যে ব্যক্তি জিহাদে বের হতে গড়িমসি করে। তারপর যদি তোমাদের উপরে কোনো বিপদ ঘটে, তখন সে বলে, “অবশ্যই আল্লাহ আমার উপরে অনুগ্রহ করেছেন যে, আমি তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলাম না।” (৪. আন নিসা : ৭২)
- ব্যাখ্যা
(৭৩) আর যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমাদের উপরে কোনো বিজয়ের অনুগ্রহ এসে পড়ে, তখন অবশ্যই সে এমন ভাবে বলে উঠে যেনো, তোমাদের মধ্যে ও তার মধ্যে কোনো বন্ধুত্বই ছিলো না, সে বলে, “আফসোস আমার নিজের প্রতি! আমি যদি তাদের সঙ্গে থাকতাম, তবে আমিও বিরাট সাফল্য লাভ করতে পারতাম!” (৪. আন নিসা : ৭৩)
- ব্যাখ্যা
(৭৪) সুতরাং যারা পার্থিব জীবন পরকালের বিনিময়ে বিক্রয় করে দেয়, তারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করুক। আর যে কেউ আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে, তারপর সে নিহত হোক বা বিজয়ী হোক, সুতরাং শীঘ্রই আমি তাকে মহা পুরস্কার দিবো। (৪. আন নিসা : ৭৪)
- ব্যাখ্যা